Home Tags Posts tagged with "১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস"

১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস

0 0

চট্টগ্রাম, ২৫ আশ্বিন( ১০ অক্টোবর):এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ১৪ অক্টোবর থেকে ০৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারী করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫’ এর অধিন এ নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়। এ সময়কে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়েছে।

এ সময়ে জেলেদের জন্য মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার ৫৬৬.৮৪ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এর আওতায় ৩৬টি জেলার ১৫২টি উপজেলায় মা ইলিশ আহরণে বিরত রাখতে তালিকাভূক্ত ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ৩৪২টি জেলে পরিবারের জন্য ২০ কেজি হারে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম শুরুর পূর্বেই এ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এ মৌসুমে গত মৌসুমের তুলনায় অতিরিক্ত ১ লক্ষ ২০ হাজার ২৬৩টি জেলে পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
৩০ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এ সংক্রান্ত মঞ্জুরী জ্ঞাপন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

একইসাথে উল্লিখিত ভিজিএফ চাল এর পরিবহণ ব্যয়ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে মঞ্জুরী জ্ঞাপন করা হয়েছে। ভিজিএফ চাল ৩০ অক্টোবর ২০২০ তারিখের মধ্যে উত্তোলন ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ সম্পন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলেদের মধ্যে এ ভিজিএফ বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য বরাদ্দপত্রে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলার ২০ হাজার জেলের জন্য ৪০০ মে. টন, ফেনী জেলার ২৫০ জেলের জন্য ৫ মে. টন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯০০ জেলের জন্য ১৮ মে. টন, নোয়াখালী জেলার ১৫ হাজার জেলের জন্য ৩০০ মে. টন, লক্ষ্মীপুর জেলার ৪০ হাজার জেলের জন্য ৮০০ মে. টন. চাঁদপুর জেলার ৫০ হাজার জেলের জন্য ১০০০ মে. টন এবং কক্সবাজার জেলার ২০ হাজার জেলের জন্য ৪০০ মে. টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় নগরীর ফিশারীঘাট এলাকায় জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফিশারীঘাট নতুন বাজার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ও মৎস্য কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা লাভলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন যান্ত্রিক মৎস্য নৌযান সমিতির মহাসচিব আমিনুল হক সরকার বাবুল, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পূর্বজোনের প্রতিনিধি মো. দেলোয়ার হোসেন, মহানগর মৎস্যজীবী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোতালেব তালুকদার, যান্ত্রিক মৎস্য নৌযান সমিতির সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা আবুল কালাম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা লাভলী বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য সরকার নানামূখী পদক্ষেপ নিয়েছে। অবরোধকালীন সময়ে জেলেদের প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সাধারণ জনগণের পাশাপাশি, জনপ্রতিনিধি, জেলে সম্প্রদায়, প্রশাসনসহ সকলকে সম্পৃক্ত করা হবে বলে জানান মৎস্য কর্মকর্তা। মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন করার লক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান,|