Home Tags Posts tagged with "সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তরফদার রুহুল আমিন চট্টগ্রাম বন্দর অনেক এগিয়েছে"

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তরফদার রুহুল আমিন চট্টগ্রাম বন্দর অনেক এগিয়েছে

0 0

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা চট্টগ্রামকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছেন তা বাস্তবায়নে আমি সাধ্যমতো কাজ করে যাবো। ৩ জানুয়ারি চট্টগ্রামে যোগদানের পর বড় চ্যালেঞ্জ ছিল চসিক নির্বাচন। জেলা প্রশাসন কার্যালয়েও অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। মানবিক দুর্নীতিমুক্ত জেলা প্রশাসন করতে ৩ জনকে বরখাস্ত এবং ৭ জন সহকর্মীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেছি।

জেলা প্রশাসনের ভ‚মি অধিগ্রহণ শাখা থেকে ইতোমধ্যে দুইজন দালালকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে আশা করছি। একইসঙ্গে আগামী একশ বছর পর কেমন বাংলাদেশ হবে তার ডেল্টা প্ল্যানও করে দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক উক্ত কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম।

মমিনুর রহমান আরো বলেন, বিএনসিসি, রেডক্রিসেন্ট, রোভার স্কাটউসহ সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও এনজিওকে সংযুক্ত করে কোভিড সুরক্ষা সচেতনা প্রোগ্রাম করার চেষ্টা করছি। জনসচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য-শিক্ষা-চিকিৎসা-স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করে এমন ১৩ টি এনজিও সংস্থার সাথে আলোচনা হয়েছে।

জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে কোভিড আক্রান্তের হার কমবে বলে জেলা প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন। আসন্ন রজমানে জনদুর্ভোগ কমাতে এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। আগামী ৩০ মার্চ থেকে বাজারে বাজারে গিয়ে দ্রব্যমূল্য মনিটরিং এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনা জেএমসেন এর বাড়িটি ‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার যাদুঘর’ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে আমি যোগদানের প্রথম দিন সেটি ভাঙা হচ্ছিল। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের মাধ্যমে উক্ত ভবনটি জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

তিনি বলেন, বিভিন্ন জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য চট্টগ্রামে কোনো স্থাপনা নেই। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে চট্টগ্রামেও একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করতে স্থান নির্ধারণের কাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধিদল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করেছে।

আশা করছি, খুব শীঘ্রই এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আগামীতে কর্ণফুলী নদীসহ সরকারি জায়গায় যেসকল অবৈধ স্থাপনা রয়েছে সেগুলো উদ্ধারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোড় প্রচেষ্টা চালানো হবে।

মানবিক ও জনবান্ধব জেলা প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা একটি চেয়ার এবং সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য অন্য একটি চেয়ার সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এছাড়া নগরবাসী যাতে ভোগান্তি না হয়, সে লক্ষ্যে সন্ধ্যার পরও নিয়মিত অফিসে অবস্থান করে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি।

সপ্তাহের প্রতি বুধবার গণশুনানিতে সবার কথা শোনা হয়। মুজিব শতবর্ষে চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে ভ‚মিহীন-গৃহহীন সাড়ে বারোশ পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া আরো চৌদ্দশত গৃহ নির্মাণাধীন রয়েছে। এতে করে অন্যান্য গৃহহীনদের পাশাপাশি লালদিয়ারচরের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকেও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা যাবে।

প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ¦ আলী আব্বাস বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানে দেশের উন্নয়ন। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। আপনার মতো একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়েছেন।

আশা করছি, আপনি চট্টগ্রামে থাকাকালীণ সময়ে দৃষ্টান্তমূলক কাজ করে যাবেন। চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ আপনার ভালো কাজে সবসময় পাশে থাকবে।

সভা শেষে জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এ সময় প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি স ম ইব্রাহীম, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন হায়দার,

গ্রন্থাগার সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলীউর রহমান, কার্যকরী সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, মনজুর কাদের মনজু সহ প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,

টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের বর্তমান এবং সাবেক নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

0 0

আয়াজ আহমাদ:চট্টগ্রাম বন্দরের শীর্ষ টার্মিনাল অপারেটর এবং সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেছেন, বিশব্দযাংকিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান কয়েক বছর পূর্বেও যেখানে ১০০ তম স্থানের কাছাকাছি ছিলো সেটি এখন অনেক অগ্রসর হয়ে বর্তমানে ৫৮-তে উন্নীত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে এখানকার সাংবাদিকরা যেভাবে বিশ^বাসীর কাছে তুলে ধরেছেন তা সত্যিই অনবদ্য।

চট্টগ্রাম বন্দর বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। ২০০৭ সাল থেকে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল হ্যান্ডলিং অপারেটরের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের ৬০ শতাংশের বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর কাজ করছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড। এক্ষেত্রে সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়কালে সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আজীবন দাতা সদস্য উক্ত কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ।

যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম।

তরফদার মো. রুহুল আমিন আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ যেখানে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে সাংবাদিকদের ভ‚মিকা বলে শেষ করা যাবে না। করোনা মহামারী ছাড়াও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীণ সময়ে আমি দেখেছি, সাংবাদিকরা কীভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। সেই বিষয়গুলো অনুধাবন করে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের কল্যাণে এগিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতেও প্রেস ক্লাবের নানা কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিজের সম্পৃক্ততার কথা ঘোষণা দেন তিনি।

প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ¦ আলী আব্বাস বলেন, তরফদার মো. রুহুল আমিন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক নিবেদিত প্রাণ। তিনি ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক ও ক্রীড়াঙ্গণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। দেশের ফুটবলের উন্নয়নেও নানাভাবে কাজ করছেন, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।

শেষে প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের হাতে সাংবাদিকদের কল্যাণ ফান্ডের জন্য ২০ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। এ সময় প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি স ম ইব্রাহীম, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, ক্রীড়া সম্পাদক দেবাশীষ বড়ূয়া দেবু,

সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলীউর রহমান, কার্যকরী সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, মোয়াজ্জেমুল হক, দেবদুলাল ভৌমিক, মনজুর কাদের মনজু সহ প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,

টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের বর্তমান এবং সাবেক নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।