Home Tags Posts tagged with "চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং উওর কাট্টলীর ওর্য়াডে করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে লকডাউন চলছে"

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং উওর কাট্টলীর ওর্য়াডে করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে লকডাউন চলছে

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম- ০৬ এপ্রিল ২০২১ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আজ ( ০৬.০৪.২০২১ ) সােমবার সকাল মােবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় । অভিযানকালে নগরীর মেহেদিবাগ রােড , প্রবর্তক মােড় , পাঁচলাইশ থানা মােড় , মুবাদপুর ও বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার এলাকায় করােনা ভাইরাস জনিত রােগের বিস্তার রােধে জনসাধারনকে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সচেতন করা হয় ।

এসময় সরকার কর্তৃক ঘােষিত লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়ায় দশ জনকে ১৫০০ / ( এক হাজার পাঁচশত ) টাকা জরিমানা করা হয় এবং মাস্ক বিহীন লােকজনকে মাস্ক বিতরন করা হয় আজ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ( যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে এই মােবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় ।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা , কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা প্রদান করে ।

চট্টগ্রাম- ০৫ এপ্রিল ২০২১ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আজ ( ০৫.০৪.২০২১ ) সােমবার সকাল মােবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় । অভিযানকালে নগরীর কোতােয়ালী থানাধীন কাজীর দেউরী , লাভলেইন , জুবলী রােড ,

নিউ মার্কেট , রেল স্টেশন ও স্টেশন রােড এলাকায় করােনাভাইরাসজনিত রােগের বিস্তার রােধে সরকার কর্তৃক ঘােষিত লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়ায় ০৯ জনকে ১২০০ / – ( বারশত ) টাকা এবং এসময় জুবলী রােডে মেশিনারী দোকান খােলা রাখায় দুই দোকান মালিককে ১,০০০ / – ( এক হাজার ) টাকা সহ সর্বমােট ২,২০০ / – ( দুই হাজার দুইশত ) টাকা জরিমানা করা হয় ।

অভিযানে মাস্ক বিহীন লােকজনকে মাস্ক বিতরন করা হয় এবং জনসাধারনকে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সচেতন করা হয় । আজ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ( যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে এই মােবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় ।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা , কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা প্রদান করে ।

0 0

মার্চ মাস বাঙালি জাতীয় জীবনে অবিস্মরণীয় অধ্যায়। মার্চ এলেই বাঙালি মনপ্রাণে লাগে এক  অন্য রকম দোলা, জাগে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার রোমাঞ্চ। গায়ে লাগে যেন উদ্দীপ্ত মশালের উত্তাপ। স্বদেশ প্রেমের উজ্জীবনী শক্তিতে বলিয়ান করে কেউ যেন ডেকে নিয়ে যেতে চায় মশাল জ্বলা আলোর মিছিলের পানে।

দীর্ঘ শোষন, বঞ্চনা, নিপীড়নের বিরুদ্ধে দ্রোহের আগুনে জ্বলসে ওঠা বাঙালি পরাধীনতার নাগ পাশ ছিড়ে স্বাধীনতার সূর্য আনতে চূড়ান্ত পথ ধরেছিল ১৯৭১ এর মার্চেই। ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন রূপ নেয় স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধে। বিষাদ বেদনার পথ পেরিয়ে সুচিত হয় বাঙালির অগ্নিঝরা ইতিহাসের। বজ্র কঠিন শপথে স্বাধীনতার পথে সশস্ত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হয় জাতি।

নয় মাস মরনপণ যুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত, দুই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম আর অগণিত মুক্তিযোদ্ধার বিকলাঙ্গতা বরণের মধ্য দিয়ে ডিসেম্বরে বিজয়ের গৌরব গাথা রচনা করেছিল বাঙালি। যার মন্ত্রে একটি শান্তি প্রিয় নিরস্ত্র জাতি প্রতিবাদ মূখর, সংগ্রামী জাতিতে পরিনত হয়েছিল সেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি,

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের একটি মহাকাব্যিক ভাষনে জাতি শেষে পরিনত হয় সশস্ত্র বীর যোদ্ধায়। রমনার রেসকোর্স ময়দানে ১৯৭১ এর ৭ই মার্চ গণসমুদ্রের গণমঞ্চ কাঁপিয়ে যে অনবদ্য ভাষন রেখেছিলেন তিনি, তা ছিল যুদ্ধে যাবার চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহনের নির্দেশনা, যুদ্ধ জয়ের মন্ত্র। বঙ্গবন্ধুর ১৮মিনিটের অলিখিত সেই ভাষনটি এখন বিশ্ব ঐতিহ্য, আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত ঐতিহাসিক এক দলিল।

শতাব্দীর মহানায়ক, বাঙালি জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মের একশত বছর পূর্ণ হল আজ। ১৯২০ সালের ১৭মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান ও সায়রা খাতুনের ঘরে জন্ম গ্রহন করেন খোকা মুজিব। সবুজ শ্যামলিমায় ভরা প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা মুজিবের মানবিক গুনাবলী, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ তাঁকে নেতৃত্বের আসনে আসীন করেছিল শৈশবেই। ক্রমে বিকশিত সে নেতৃত্ব জাতিকে দেখিয়েছিল মুক্তি দিশা।

জাতিকে মুক্তির পথ দেখাতে নিজেই জ্বলেছেন। পাকিস্তানী শোষক গোষ্ঠীর রোষানলে পড়ে যৌবনের ৪ হাজার ৬৭৫ দিন কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্টে কাটাতে হয়েছিল। এছাড়া মানুষের কথা বলতে গিয়ে ব্রিটিশ শাসনকালে স্কুল ছাত্রাবস্থায় ৭ দিন কারা ভোগ করেছিলেন তিনি। কারাগারের অভ্যন্তরে থেকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন। যে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল, মুজিব ছিলেন তার অন্যতম পুরোধা।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের বিতাড়নের মাধ্যমে  ভারত ও পাকিস্তানের জন্মের পর পরই পাকিস্তান গঠনে করনীয় নির্ধারন করতে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু সংখ্যক রাজনৈতিক কর্মী কলকাতার সিরাজউদ্দৌলা হোটেলে সমবেত হয়ে ছিলেন। সেখানে পাকিস্তানে একটি অসা¤প্রদাযায়িক রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

শেখ মুজিবুর রহমান সে প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। ঐ সনেরই ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের কর্মী সম্মেলনে গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ভাষা বিষয়ক কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়।

প্রস্তাবগুলো পাঠ করেছিলেন সেদিনের ছাত্রনেতার ও প্রতিশ্রæতিশীল যুবনেতা শেখ মুজিবুর রহমান। ভাষা সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করে তিনি বললেন, ‘পূর্ব পাকিস্তান কর্মী সম্মেলন প্রস্তাব করিতেছে যে, বাংলা ভাষাকে পূর্ব পাকিস্তানের লিখার বাহন ও আইন আদালতের ভাষা করা হউক। এরপর ভাষা আন্দোলনে তাঁর নেতৃত্ব ও ত্যাগ সর্বজন বিদিত।

১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি শেখ মুজিবের নেতৃত্বে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন ১০ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম প্রধান দাবী ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার।

১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। এটাই ছিল ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তথা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এ দেশে প্রথম সফল হরতাল। এই হরতালে শেখ মুজিব নেতৃত্ব প্রদান করেন এবং পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়ে গ্রেপ্তার হন। এটি ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি টার্ণিং পয়েন্ট।

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলনের সময় কারাগারে থেকে ছাত্রলীগ ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা কর্মীদের চিরকুট পাঠিয়ে দিক নির্দেশনা দিতেন শেখ মুজিবর রহমান।

১৯৫৩ সালে একুশের প্রথম বার্ষিকীতে আরমানিটোলা ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়ার আহবান জানান এবং অবিলম্বে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।

এরপর ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের হয়ে অংশ নিয়ে বিজয়ী হওয়া, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়া, আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবর রহমান হয়ে ওঠেন সারাবাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু। সারাদেশের সমস্ত রাজপথ এসে মিশে গিয়েছিল তাঁর ৩২ ধানমন্ডির বাসায়। তারপর সত্তরে নির্বাচন হল, নিরঙ্কুশ বিজয় লাভের পরও পশ্চিম পাকিস্তানীরা পূর্ববাংলার জনপ্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি।

১৯৭১ এর ১মার্চ অধিবেশন ডাকার কথা বলে ইয়াহিয়া খান শেষ পর্যন্ত অধিবেশনটি স্থগিত করে দেয়। বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা বাংলা। তারপর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন, অসহযোগ আন্দোলন, ২৫ মার্চের কালোরাত্রিতে পাকিস্তানীদের বর্বর বাঙালি নিধন যজ্ঞ, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষনা, পাকিস্তানী মিলিটারির হাতে বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তার হওয়া ও পাকিস্তানের জেলে বন্দী থাকা, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান তুলে বীর বাঙালির অস্ত্রহাতে পাক হানাদারের বিরুদ্ধে মরনপন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়া এবং নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখে বিজয় লাভ।

২০২১ সালে এসে আমরা আজ আছি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের এ ইতিহাস আর বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস এক। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একটি সুতোয় গাঁথা একটি অবিচ্ছেদ্য মালা। বঙ্গবন্ধুর জন্মের মধ্য দিয়েই মূলত বাংলাদেশের জন্মের বীজ বপিত হয়েছিল, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে বীজ অঙ্কুরিত হয়। আর অঙ্কুরিত সে চারা গাছটিতে পরিচর্যার মধ্য দিয়ে মহীরুহে পরিনত করেছিলেন স্বয়ং মুজিব।

তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মের ক্ষনটির চেয়ে বড় আনন্দের ক্ষন বাঙালি জাতির আর নেই। অসীম আনন্দের এই দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় ১৯৯৬ সালে গঠিত বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার।

হিমালয়সম ব্যক্তিত্বের অধিকারী বঙ্গবন্ধুর মাঝে একজন সহজ সরল শিশুর বসবাস সবসময়ই ছিল। বাংলা মায়ের প্রতি ভালবাসা, বাংলার গরীব দুখী মানুষের পতি মমত্ব বোধের বহিঃপ্রকাশে ও আবেগে শিশুসুলভ সারল্যতা বঙ্গবন্ধুর চোখে মুখে ফুটে ওঠত।

তিনি যখন শিশুদের কাছে যেতেন, তখন নিজেই শিশু হয়ে যেতেন। সহজেই মিশে যেতেন শিশুদের মাঝে। শিশুদের মাঝেই তিনি দেখতেন স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনের সেনানী। শিশুদের প্রিয় মানুষ বঙ্গবন্ধু শিশুদেরই কল্যাণে ১৯৭৪ সালের ২২ জুন ‘জাতীয় শিশু আইন’ জারি করেন। এই আইনের মাধ্যমে শিশুদের নাম ও জাতীয়তার অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

শিশুদের প্রতি সব ধরনের অবহেলা, শোষণ, নিষ্ঠুরতা, নির্যাতন, খারাপ কাজে লাগানো ইত্যাদি থেকে নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা হয়।গণমানুষের কল্যান ও শোষনমুক্তির জন্য যার জন্ম নিজের জন্মদিন বা মৃত্যু নিয়ে ভাববার সময় তাঁর ছিল না।

জনগণই ছিল বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনার কেন্দ্রবিন্দু। একাত্তরের ১৭ মার্চ ছিল তাঁর ৫২তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে গেলে জনতা ও সাংবাদিকদের সেদিন তিনি বলেছিলেন-তাঁর জীবনটাই জনগণের জন্য। তাই তাঁর জীবন-মৃত্যু জনগণের জন্যই উৎসর্গীকৃত। জনগণের মুক্তিই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।

বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্রতামুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার কাজে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আজকের শিশুদের মধ্যেই রয়েছে আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব। প্রতিটি শিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠন ও  ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রতামুক্ত, সুখী,

সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনে নিরলস কাজ করার অঙ্গীকারে পালিত হোক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস। সকলকে ধন্যবাদ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।জয়তু শেখ হাসিনা।

0 0

মোহাম্মদ জুবাইর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।এসময় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁকে অভিনন্দন জানান। দায়িত্ব নিয়েই রেজাউল চট্টগ্রাম নগরীকে মশামুক্ত করা’র উপর জোর দিয়েছে বলেছেন- মশার উপদ্রপ থেকে নগরবাসীকে রক্ষা করাই আমার প্রথম কাজ।সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পরামর্শ নিয়ে আগামি পাঁচ বছরের মধ্যে চট্টগ্রামকে একটি মডেল শহরে পরিণত করারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
(১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ২ টার দিকে নগরীর টাইগারপাস সংলগ্ন বাটালি হিল এলাকায় চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ে গিয়ে মেয়র হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন রেজাউল করিম চৌধুরী। এর আগে, নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত সুধী সমাবেশে চট্টগ্রামের বিশিষ্টজনদের পরামর্শ শোনেন তিনি। সমাবেশ শেষে সরাসরি তিনি চসিকের কার্যালয়ে যান।
সুধী সমাবেশ ও দায়িত্ব গ্রহণের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, মশার উপদ্রবে নগরবাসী অতীষ্ঠ। আমার প্রথম কাজ হবে মশা নিয়ন্ত্রণ। ১০০ দিনের মধ্যে নগরীর যেসব রাস্তায় খানাখন্দ আছে, সেগুলো সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করব। তবে সব রাস্তা ১০০ দিনের মধ্যে মেরামত করা সম্ভব হবে না। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে যেসব বিশৃঙ্খলা আছে, সেগুলো দূর করে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করব।
রেজাউল করিম বলেন, মানুষ একটু শান্তি চায়, সুন্দরভাবে বসবাস করতে চায়। আমি মানুষকে শান্তি ও স্বস্তির নগরী উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব।
সুধী সমাবেশে মন্ত্রী, হুইপ, সংসদ সদস্যসহ ৩০ জনেরও বেশি বক্তা বক্তব্য রাখেন। প্রায় সবাই বক্তব্যে সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কর্মকাণ্ডের উদাহরণ দেন এবং রেজাউলকেও একই পথ অনুসরণের তাগিদ দেন। ঠিক একবছর আগে এই দিনেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন রেজাউল। মনোনয়ন নিয়ে ঢাকা থেকে ফেরার পর সংবর্ধনায় রেজাউল জানিয়েছিলেন, নির্বাচিত হলে তিনি মহিউদ্দিনের পথে চলবেন। তবে সুধী সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে রেজাউল মহিউদ্দিনের বিষয়ে কিছুই বলেননি।
সমাবেশে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী একজন দক্ষ প্রশাসক ছিলেন, আবার তিনি জনতার নেতাও ছিলেন। এমন একজন নেতা চট্টগ্রামের রাজনীতিতে আর আসবেন কি না, জানি না। মেয়র সাহেবকেও বলব- জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে, আপনার দায়বদ্ধতা জনগণের কাছে। মহিউদ্দিন চৌধুরীর মতো জনতার নেতা হওয়াটাই আসল। অনেকে রেজাউল সাহেবের জন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা দাবি করেছেন। দাবি করা উচিত হবে না। কাকে কোন মর্যাদা দেবেন, সেটা প্রধানমন্ত্রী ভালো জানেন। দাবি প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেন না।
সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমেদ বলেন, অনেকে পদে গেলে সবজান্তা হয়ে যান। ফ্লাইওভার দরকার ছিল কি না, সিডিএতে আমার মামা (সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম) তা কারও কাছে জানতে চেয়েছেন কি না জানি না। অথচ তিনি আমাদের পরামর্শ নিতে পারতেন। তিনি রাজনীতিতে এসেছেন আমাদের অনেক পরে। প্রকৌশলীদের পরামর্শ শুনে ফ্লাইওভার বানিয়ে ফেলেছেন। এরপরও বলব- উনি অনেক কাজ করেছেন। মেয়রকে বলব- জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন আছে। আমরা রেজাউল করিম চৌধুরীকে নয়, চট্টগ্রামবাসীকে সহযোগিতা করব। মাত্র ছয় মাসে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। এটার জন্য দেশপ্রেম দরকার হয়।জনপ্রিয় নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চট্টগ্রামের প্রতি প্রেম ছিল। এজন্যই তিনি পেরেছিলেন।
চসিকের বিদায়ী প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, সবার পরামর্শ নিয়ে যোগদানের এ উদ্যোগ সবাই মনে রাখবে। এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীও এভাবেই পরামর্শ নিতেন। ম
মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী দীর্ঘদিন রাজনীতি করছেন, উনি অবশ্যই সফল হবেন। ছয় মাস দায়িত্ব পালন করেছি। পরামর্শ হচ্ছে- আয় বাড়াতে হবে। কিন্তু মানুষের ওপর ট্যাক্স চাপিয়ে আয় বাড়ানো যাবে না। শহরকে যারা ব্যবহার করছে, তাদের সারচার্জ আইন করে নির্ধারণ করতে হবে। নগরবাসী মাত্র ২০ শতাংশ নগরীকে ব্যবহার করে। যে ট্যাক্স একজন সাধারণ নাগরিক দেবে, তা বন্দর দিলে হবে না। ৩০ হাজার ট্রাক নগরীতে ঢোকে প্রতিদিন। তাদের ট্যাক্সের আওতায় আনতে হবে।
চসিকের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী মেয়র হওয়ার পরে প্রতিটি আইনি বিষয়ে আমার পরামর্শ নিতেন। ভয় দেখিয়ে উনাকে কখনও দমিয়ে রাখা যায়নি। নতুন মেয়রকেও বলব- দুর্নীতি দমন কমিশনকে ভয় করে কাজ করবেন না। অনেক কাজ করতে গেলে মামলার আসামি হতে হবে।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, চট্টগ্রামে অনেক কাজ হয়েছে, কিন্তু সমন্বিতভাবে হয়নি বলে মনে হচ্ছে দৃশ্যমান নয়। সব উন্নয়ন হলেও মানসিকতার পরিবর্তন আমরা করতে পারিনি। রাস্তাঘাট হলে উন্নতি হয় না, যদি নৈতিকতার উন্নয়ন না হয়। দেশের দ্বিতীয় বড় শহরের নাগরিক ময়লাটা রাস্তায়-নালায় ফেলি, সড়কে দোকান করছি। সমন্বয়ের জন্য মেয়রকে নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়ার প্রয়োজন। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে তার যে অবস্থান, তাতে অন্য সরকারি সংস্থার প্রধানরা আসতে চান না। শুধু অর্নামেন্টাল মর্যাদা দিলে হবে না, নির্বাহী ক্ষমতা কতটুকু সেটাও দেখতে হবে।
সিডিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, উন্নয়নে মহিউদ্দিন চৌধুরীর মডেল অনুসরণ করলে চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
সুধী সমাবেশে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদে, চবি’র সাবেক উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, বিএমএম নেতা শেখ শফিউল আজম, আইইবি’র সভাপতি প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, চসিকের কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, জাসদ নেতা জসিম উদ্দিন বাবুল, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী নগর মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন, প্রকৌশলী মো. হারুন, চুয়েট উপাচার্য ড. রফিকুল আলম সহ ও আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

0 0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির প্রথম সভা ৪ ফেব্রæয়ারী ২০২১খ্রি:, বৃহস্পতিবার, বিকেলে এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এসোসিয়েশন এর নবনির্বাচিত সভাপতি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: সেলিম আকতার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, সহ সভাপতি ডা: মোহাম্মদ আলী, প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, ডা: সৈয়দ দিদারুল ইসলাম, প্রকৌশলী ঝুলন দাশ, হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো: সাইফুদ্দিন, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোঃ তৈয়ব, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক,

দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আশুতোষ দে, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: ইকবাল হাসান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডা: সুমন তালুকদার, মহিলা সম্পাদিকা ডা: দীপা ত্রিপুরা, নিবার্হী সদস্য প্রকৌশলী মনিরুল হুদা, ডা: নাছিম ভূঁইয়া, আবু ছালেহ, ডা: শাহীন পারভীন, ডা: মো: তৌহিদুল আনোয়ার খান, প্রকৌশলী শাহীনুল ইসলাম, শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, প্রকৌশলী জসীম উদ্দিন, স্থপতি আবদুল্লাহ আল ওমর ও প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান সহ কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলেয়াতের পর পরিচয় ও কুশল বিনিময় হয়। নবগঠিত কমিটির খালি পদ সমূহ পূরণ করা হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের লগো, প্যাড ও গঠনতন্ত্র গঠনের লক্ষ্যে একটি সাব কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ১২ মার্চ রাতে চিটাগাং সিনিয়রস ক্লাবে এসোসিয়েশনের অভিষেক এবং নবনির্বাচিত মেয়র মহোদয়কে সংবর্ধনা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

অত্র এসোসিয়েশনটিকে সমাজকল্যাণ থেকে রেজিষ্ট্রেশন গ্রহণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় সদস্যদের এককালিন অনুদান নির্ধারন, ম্যাগাজিন প্রকাশসহ চসিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে সকলে একজোট হয়ে কাজ করার বিষয়েও একমত পোষণ করা হয়। সভার সভাপতি ডা: সেলিম আকতার চৌধুরী নগরবাসীর সেবা কার্যক্রম, উন্নয়ন,

চসিকের ভাবমূর্তি উজ্জল করা সহ চসিকে কর্মরত সকলের স্বার্থ সংরক্ষণে এসোসিয়েশন দায়িত্ব পালন করবে মর্মে অভিমত ব্যক্ত করে সভা সমাপ্তি,

0 0

আয়াজ আহমাদ:আগামী ২৭/০১/২০২১ খ্রিঃ বুধবার অনুষ্ঠিতব্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৬টি থানা এলাকায় ৭২৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা সহ নগরীর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ,র‍্যাব- আনসার, বিজিবি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে।

নদী এলাকার নিরাপত্তার জন্য পুলিশের নৌ-টহল এবং পোষাকি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সাদা পোষাকেও পুলিশ মোতায়েন থাকবে। নগরীতে টহল পুলিশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে পুলিশ চেকপোস্ট সহ বিভিন্ন স্থানে স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য কাউন্টার টেরোরিজম, সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট প্রস্তুত থাকবে।

প্রিজাইডিং অফিসার ও তার সহকারীগণের ভোট কেন্দ্রে নিরাপদে আসা যাওয়া, ভোট কেন্দ্রের মালামাল আনা নেওয়া এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সহ নগরীর সকল ভোটারগণ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা মূলক সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকায় সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ (২০১৮ সালের ৪৭ নং আইন) এর ৩২(১) ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ জানুয়ারী ২০২১ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২.০০টা হতে ২৭ জানুয়ারী ২০২১ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২.০০টা পর্যন্ত নিক্ত প্রকারের যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

(১) বেবী টেক্সী/অটোরিক্সা/ইজিবাইক এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন যন্ত্রচালিত যানবাহন
(৫) পিক আপ
(২) ট্যাক্সি ক্যাব
(৬) কার
(৩) মাইক্রোবাস
(৭) ট্রাক/লরি
(৪) জীপ
(৮) টেম্পো

এছাড়াও ২৫ জানুয়ারী ২০২১ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২.০০টা হতে ২৮ জানুয়ারী ২০২১ তারিখ মধ্যরাত ১২.০০টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের উপরও নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে গণপরিবহন/বাস এই নিষেধাজ্ঞার আওয়াতা মুক্ত থাকবে।

​এ নিষেধাজ্ঞা রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী/তাঁদের নির্বাচনী এজেন্ট, দেশী/বিদেশী পর্যবেক্ষকদের (পরিচয়পত্র থাকতে হবে) ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। তাছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশী/বিদেশী সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য,

নির্বাচনে বৈধ পরিদর্শক এবং জরুরী কাজে নিয়োজিত (যেমন- এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ারসার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি) কার্যক্রম ব্যবহারের উপর উল্লেখিত যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

নগরবাসীকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে নির্বিঘেœ ভোট প্রদানের জন্য এবং যাতে কেউ কোন প্রকার নাশকতা ও গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পুলিশকে সহযোগিতা করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর, পিপিএম মহোদয় সম্মানিত নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।

0 0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরীর নৌকা মার্কার সমর্থনে চট্টগ্রামস্থ কুতুবদিয়া বাসীর মতিবিময় সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরীর নৌকা মার্কার সমর্থনে চট্টগ্রামস্থ কুতুবদিয়া বাসীর মতিবিময় সভা অদ্য ২২ জানুয়ারি বিকাল ৩ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে চট্টগ্রামস্থ কুতুদিয়া সমিতির প্রধান উপদেষ্ঠা শফিউল আলমের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নাছির উদ্দিন কুতুবীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল মোস্তফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান,

কক্সাবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুতুবদিয়া মহেশখালী মাননীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ এমপি, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম মুকুল। এতে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মাসী বিভাগের প্রধান প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য জীবী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফ্ফার কুতুবী, কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতব্বর,

কুতুবদিয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক বাচ্চু, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুল আলম শিমুল, কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ কাইয়ুম, কণ্ঠ শিল্পী আলাউদ্দিন তাহের, কুতুবদিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আবু জাফর সিদ্দিকী, এড. আব্দুল্লাহ হাসান পিকু, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, মিজানুর রহমান মাসুম, জাহেদ আওয়াল, মাহমুদুল করিম, তামজিল।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকসুদ মিয়া, সদস্য এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জিয়া, জিএম আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এরশাদুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নিবার্হী সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শাহদুল মোস্তফা, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়নাল উদ্দিন জয়নাল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আরিফ চৌধুরী,

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ছাদেক হোসেন টিপু, কুতুবদিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাশেদ মোশারফ, নাঈম ইসলাম, মা হোসেন জেসন, মোঃ রনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক আজিজ, ছাত্রলীগ নেতা সেলিম রেজা, মুরিদুল মামুন, মেহেদী হাসান, সাখাওয়াত হোসেন, আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ।

উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরীর নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য আহবান জানান।

0 0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মাননীয় প্রশাসক আলহাজ্ব মোঃ খোরশেদ আলম সুজনকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী সংসদ (রেজিঃ নং-চট্টঃ ২০১২) সিবিএ এর নবগঠিত কমিটির পক্ষ হতে ফুলেল শুভেচ্ছা

গত ২১ নভেম্বর চট্টগ্রাম শিক্ষা শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী সংসদ (রেজিঃ নং-চট্টঃ ২০১২) সিবিএ এর নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মাননীয় প্রশাসক আলহাজ্ব মোঃ খোরশেদ আলম সুজন কে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রশাসক মহোদয় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কর্মচারীদের ন্যায় সংগত দাবী-দাওয়া আদায়ের পাশাপাশি বোর্ডে আগত সেবা প্রত্যাশিদেরকে অতীতের চেয়ে আরো বেশি সেবা প্রদানের জন্য অনুরোধ জানান।

পরিশেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দদেরকে ধন্যবাদন জানিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

0 0

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক জাফর আহমেদ, হাজী মোঃ কামরুল হুদা চৌধুরী নেতৃত্বে মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দরা গতকাল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মনোনীত মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযুদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে।

এসময় উঠান বৈঠকের মেয়রপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন সামনে নির্বাচন আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে একে অপরের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে, মনে রাখতে হবে আমাদের ভুলের কারণে যেন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং জোট বদ্ধ হতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, সবাইকে একসাথে কাজ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য নিজাম উদ্দিন,ইন্তেখাব আলম, জসিম উদ্দিন, মহিদুল ইসলাম, এন এইচ শাহেদী রিপন, আলী রেজা,মহিউদ্দিন আজিজ, নজরুল ইসলাম, বাবু অমল দাশ, আলহাজ্ব জাফর আহমেদ, নুরুল কবির বাবুল মেম্বার,আসিফুর রহমান,

সদরঘাট থানা মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আলমগীর, মোঃ আরমান, ৩৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা সরোয়ার জাহান চৌধুরী, সদরঘাট থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ আবু জাফর, ইপিজেড থানার জীবন চৌধুরী,আসাদুজ্জামান আসাদ, কামরু উদ্দিন,

এন আই শাহেদ, এ আর বাবুল,আবু তাহের, বন্দর থানার একরামুল হক একরাম,আবুল কালাম আজাদ, ইমাম উদ্দিন,বিপ্লব, সাদ্দাম, , ডবল মুরিং থানার সভাপতি মাহামুদুল হক, সাধারণ সম্পাদক রুবেল গুপ্ত, মোঃ ওমর ফারুক, কোতোয়ালি থানার মাসুম,পাঁচলাইশ থানার সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম রানা, সহ সভাপতি মোঃ তারেক,ফরহাদ,সোহেল,রাফাত ইসলাম , বাকলিয়া থানার জসিম উদ্দিন পতেঙ্গার সভাপতি ইকবাল,

সাধারণ সম্পাদক জসিম আহমেদ,আরিফুলহকনিপু,শামীম মাহম্মুদ, সমুন বড়ুয়া, সোনা বাবু দাশ,শংকর বিশ্বাস হালিশহর থানার সভাপতি মিল্টন, সাধারণ সম্পাদক জি এম নিপু, খুলশী থানার আব্দুর রহিম,সদস্য শরিফ ,শিমুল ,রুবেল , আফসার,রনি প্রমুখ।

রিপোর্ট হুমায়ুন কবীর হিরো
চট্টগ্রাম মহানগর

0 0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রতন চৌধুরী নিজ ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১৫০ অসহায় দুঃস্হদের মাঝে বস্ত্র বিতরন,আজ ২৫ অক্টোবর বিকেলে আন্দরকিল্লা সিটি কর্পোরেশন কেবি আব্দুস সাওার মিলনায়তনে,

এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ২১ নং জামালখাঁন ওর্য়াডের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন,এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিক,পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কানু লাল নাথ,চসিক পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি সমির কর, চসিক পূজা পরিষদের সহ-সভাপতি ডাক্তার সরোজ কুমার গুহ,পুলক দে, সাহেদ হোসেন হিরা,দিলীপ দাশ,সেতু শীল,

শিম্টা দাশ, সহ অন্যনা কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন, প্রধান অতিথি বক্তব্য তাঁর বলেন মহা নবমীর দিনে এসব হতদরিদ্র মানুষের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পূজা উদযাপন পরিষদ যেভাবে সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছেন তাঁর তুলনাহীন,এভাবে যাতে প্রতি বছর এসব অসহায় মানুষের পাশে যাতে দাঁড়াতে পারে সে অাহবান জানান তিনি বলেন এখানে ধর্ম মুল বিষয় নয়,

উৎসব যার যার রাষ্ট্র সবার,সরকারের ঘোষণা অনুযায়ে আমরা সবাই মিলে এ পূজায় অংশ গ্রহণ করে এ মহামারীর হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছি এতে মায়ের কাছে আহবান।