Home Tags Posts tagged with "চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের দুই বছরের জন্য(২০২০-২০২২) ২৬ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে"

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের দুই বছরের জন্য(২০২০-২০২২) ২৬ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে

0 0

সিটিজি ট্রিবিউন আয়াজ আহমাদ:আজ ০৭ নভেম্বর রোজ শনিবার বেলা তিন ঘটিকায় চট্টগ্রাম ওয়াসার মোড় সকল সাংবাদিক কলম সৈনিক রা উপস্থিতিতে মানব বন্ধন সফল হয়েছে।এতে উপস্থিত থেকে ।

সভাপতিত্ত করেন– সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শিব্বির আহাম্মেদ ওসমান,অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন–বাংলাদেশ“রিপোর্টার্স ক্লাব” সাধারণ সম্পাদক — মোহামদ রফিকুল ইসলাম, বক্তব্য রাখেন– মঈন উদ্দিন কাদেরী শউকত,রোটারিয়ান এস,এম,আজিজ,বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিবেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শামসুল হক,রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি জামাল চৌধুরী বিপ্লব, সাংবাদিক ফোরামের মহাসচিব চোধুরি মোহাম্মদ রিপন,প্রবাসী নিউজ লাইভ চেনেলের পরিচালক নাসির উদ্দিন মজুমদার,লোহাগড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি এডভোকেট মোঃ মিয়া ফারুক।চেনেল এইচ ডি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা।

সিটিজি ট্রিবিউন এর নির্বাহী সম্পাদক আয়াজ আহম্মেদ, দৈনিক কালজয়ী সাংবাদিক তানভির আহমেদ।মোহনা টিভির সাংবাদিক নুরুল কবির দুলাল, উপস্থিত ছিলেন সি আই পি খন্দকার এম এ হেলাল,সাংবাদিক শারমিন শান্তা,

রিপন চোধুরি,এস,এম মেহেদি,সাজিদ,ওয়াইজার,টিটু,রতন বড়ুয়া, সাজিদ হোসেন, আব্দুল মান্নান ,জয়ন্তী,মুন্না,সাজ্জাদ হোসেন সুমন,নেছার আহমেদ,ইমাম উদ্দিন, মোঃনুর হোসেন ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া,প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইনের অনেক সাংবাদিক ভাই বোনরা উপস্থিত ছিলেন।এতে বক্তারা বলেন,ও প্রতিবাদ জানান।

পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে নির্যাতিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের পরিসংখ্যান দেখলে আঁতকে উঠতে হয়। কিন্তু সাংবাদিক নির্যাতনের বিচার হয় না। ভয়-ভীতি, হুমকি-ধামকি, মামলা-মোকদ্দমা, মারাত্মক শারীরিক নির্যাতনে জখম থেকে শুরু করে গুম কিংবা খুন নির্যাতনের এমন কোনো ধরন নেই যার শিকার হচ্ছেন না সাংবাদিকরা।

চট্টগ্রাম সহ  সারা দেশে এ বিভাগীয় শহর কিংবা মফস্বল সর্বত্রই চলছে এই নির্যাতন। স্থানীয় প্রভাবশালী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা বা সদস্য সবার বিরুদ্ধেই বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। লোকচক্ষুর অন্তরালে তুলে নিয়ে নির্যাতন থেকে শুরু করে প্রকাশ্য দিবালোকে জনসমক্ষে মারধরের শিকার হচ্ছেন, নির্যাতিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। কিন্তু দেশে একের পর এক সাংবাদিক হত্যা আর নির্যাতন-নিপীড়নের বিচার নেই। হত্যা ও নির্যাতনের অগুনতি মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে, বিচারের কোনো অগ্রগতি নেই। বিচার না করায় দেশে এখন সাংবাদিক নির্যাতন নিত্যকার বিষয় হয়ে উঠেছে।

যে কোনো স্থানীয় বা জাতীয় দুর্যোগে সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় কাজ করা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকিভাতা পর্যন্ত নেই। কিন্তু পেশাগত দায়িত্বপালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। দেশে করোনা মহামারী বিস্তারের শুরু থেকেই চিকিৎসক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন সাংবাদিকরা।

অথচ দেখা গেল মহামারীর জাতীয় দুর্যোগের সময়েই দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাস জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে যথাক্রমে ১৭, ১৮ ও ১৫ জন করে মোট ৫০ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আর মহামারী শুরুর পরের তিন মাস এপ্রিল, মে ও জুনে যথাক্রমে ৩৬, ৪০ ও ৩০ জন করে মোট ১০৬ জন সাংবাদিক নির্যাতিত হয়েছেন। গণমাধ্যমে প্রতিদিনই এসব নির্যাতনের সংবাদ প্রকাশিত হলেও দেশে এর কোনো প্রতিকার নেই।গত মাসে গোলাম সারওয়ার গুম পরে উদ্ধার,

এটা খুবই দুঃখজনক যে, একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম এবং সাংবাদিকতার খুবই দুর্দিন চলছে। একদিকে করোনা মহামারীর কবলে পড়ে সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রবল আর্থিক সংকটে পতিত হয়েছে, আরেকদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা নিবর্তনমূলক ব্যবস্থার শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা। আর এমন জলে কুমির ডাঙায় বাঘের পরিস্থিতিতেও অবাধে চলছে সাংবাদিক নির্যাতন।

এক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উদাসীনতার পাশাপাশি সাংবাদিক সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক বিভক্তি এবং সাংবাদিকদের পক্ষে লড়াই করার মতো কোনো সহায়ক প্রতিষ্ঠান না থাকাটাও একটা বড় সংকট। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক প্রতিবেদন অনুসারে কেবল ২০১৯ সালেই শারীরিক নির্যাতন, হামলা, মামলা, হুমকি ও হয়রানিসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মোট ১৪২ সাংবাদিক। আর চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কমপক্ষে ৬২টি মামলা হয়েছে, যেখানে আসামি করা হয়েছে ১৪০ জনকে। কিন্তু সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় সরকারের ভূমিকা অনেকটাই নীরব।

গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হলে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন জরুরি।

দেশের  ইস্তাম্বু না থাকলে দেশের ঘটে যাওয়া অজানা সব রহস্য। যাদের জন্য একটি দেশের ভালো মন্দ তুলে ধরে দশের মাঝে ছুঁটে যায় তারা,অথচ সেই কলম সৈনিক কে আজ পদে পদে নির্যাতন করা হচ্ছে। তার ন্যায় বিচার চাই। সাংবাদিক রা সত্য ঘটনা তুলে ধরলে তারা হয়ে যায় শত্রু কেন এই?এর সুস্থ বিচার চায়।?

0 0

আয়াজ আহমাদ নিজস্ব প্রতিনিধিঃ০৭ নভেম্বর রোজ শনিবার বেলা তিন ঘটিকায় চট্টগ্রাম দামপাড়া ওয়াসার মোড় সকল সাংবাদিক কলম সৈনিকদের উপস্থিতি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর মানববন্ধন এর ডাক।

পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে নির্যাতিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের পরিসংখ্যান দেখলে আঁতকে উঠতে হয়। কিন্তু সাংবাদিক নির্যাতনের বিচার হয় না। ভয়-ভীতি, হুমকি-ধামকি, মামলা-মোকদ্দমা, মারাত্মক শারীরিক নির্যাতনে জখম থেকে শুরু করে গুম কিংবা খুন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা। চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে এ বিভাগীয় শহর কিংবা মফস্বল সর্বত্রই চলছে এই নির্যাতন।

স্থানীয় প্রভাবশালী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা বা সদস্য সবার বিরুদ্ধেই বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। লোকচক্ষুর অন্তরালে তুলে নিয়ে নির্যাতন থেকে শুরু করে প্রকাশ্য দিবালোকে জনসমক্ষে মারধরের শিকার হচ্ছেন, নির্যাতিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। কিন্তু দেশে একের পর এক সাংবাদিক হত্যা আর নির্যাতন-নিপীড়নের বিচার নেই। হত্যা ও নির্যাতনের অগুনতি মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে, বিচারের কোনো অগ্রগতি নেই।

বিচার না করায় দেশে এখন সাংবাদিক নির্যাতন নিত্যকার বিষয় হয়ে উঠেছে। যে কোনো স্থানীয় বা জাতীয় দুর্যোগে সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় কাজ করা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকিভাতা পর্যন্ত নেই। কিন্তু পেশাগত দায়িত্বপালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশে করোনা মহামারী বিস্তারের শুরু থেকেই চিকিৎসক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন সাংবাদিকরা। অথচ দেখা গেল মহামারীর জাতীয় দুর্যোগের সময়েই দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাস জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে যথাক্রমে ১৭, ১৮ ও ১৫ জন করে মোট ৫০ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আর মহামারী শুরুর পরের তিন মাস এপ্রিল, মে ও জুনে যথাক্রমে ৩৬, ৪০ ও ৩০ জন করে মোট ১০৬ জন সাংবাদিক নির্যাতিত হয়েছেন।

গণমাধ্যমে প্রতিদিনই এসব নির্যাতনের সংবাদ প্রকাশিত হলেও দেশে এর কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এটা খুবই দুঃখজনক যে, একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম এবং সাংবাদিকতার খুবই দুর্দিন চলছে। একদিকে করোনা মহামারীর কবলে পড়ে সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রবল আর্থিক সংকটে পতিত হয়েছে, আরেকদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা নিবর্তনমূলক ব্যবস্থার শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা। আর এমন জলে কুমির ডাঙায় বাঘের পরিস্থিতিতেও অবাধে চলছে সাংবাদিক নির্যাতন।

এক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উদাসীনতার পাশাপাশি সাংবাদিক সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক বিভক্তি এবং সাংবাদিকদের পক্ষে লড়াই করার মতো কোনো সহায়ক প্রতিষ্ঠান না থাকাটাও একটা বড় সংকট। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক প্রতিবেদন অনুসারে কেবল ২০১৯ সালেই শারীরিক নির্যাতন, হামলা, মামলা,

হুমকি ও হয়রানিসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মোট ১৪২ সাংবাদিক। আর চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কমপক্ষে ৬২টি মামলা হয়েছে, যেখানে আসামি করা হয়েছে ১৪০ জনকে। কিন্তু সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় সরকারের ভূমিকা অনেকটাই নীরব।গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হলে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন জরুরি।

দেশের ইস্তাম্বু না থাকলে দেশের ঘটে যাওয়া অজানা সব রহস্য। যাদের জন্য একটি দেশের ভালো মন্দ তুলে ধরে দশের মাঝে ছুঁটে যায় তারা,অথচ সেই কলম সৈনিক কে আজ পদে পদে নির্যাতন করা হচ্ছে। তার ন্যায় বিচার চাই। সাংবাদিক রা সত্য ঘটনা তুলে ধরলে তারা হয়ে যায় শত্রু, কেন এই অবস্থা ?এর সুস্থ বিচার চায়।?

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে আগামী ৭ই নভেম্বর রোজ শনিবার বিকাল তিনটায় চট্টগ্রাম দামপাড়া ওয়াসার র মোড় জাতীয় মানববন্ধন এর ডাক দিয়েছে তাই চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর সকল সদস্য সহ সকল কলম সৈনিকদের অংশগ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর চেয়ারম্যান শিব্বির আহমেদ ওসমান ও মহাসচিব চৌধুরী মুহাম্মদ রিপন আহবান জানিয়েছেন।

0 0

আজ বিকাল তিনটায় নন্দনকানন মুসাফির খানা মসজিদ মার্কেট ৩য় তলায় চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর ঈদ পূর্ণমিলনী ও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর সভাপতি শিব্বির আহমেদ ওসমান এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মুহাম্মদ রিপন এর উপস্থাপনায় ঈদ পূর্ণমিলনী এবং মাসিক সমন্বয় সভায় সংগঠনের সকলের উপস্থিতিতে এক মিলন মেলায় পরিনত হয়।

ফোরামের সদস্যদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি ছিল প্রাণবন্ত। সভা শুরুতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর সদস্য তৈয়্যবুল ইসলামের কুরআন তেলওয়াত মাধ্যমে সভার সূচনা পর্বে নতুন সদস্যদের সাথে পরিচয় এবং সংগঠন কে গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর সভাপতি শিব্বির আহমেদ ওসমান, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মুহাম্মদ রিপন,

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সাত্তার রানা,
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুর হোসেন, সহ প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দিন রুবেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জেসমিন আক্তার জয়িতা, নির্বাহী সদস্যা সামসুন নাহার আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ছরোয়ার উল আলম, শ্রম কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ লোকমান আনসারী,

সিনিয়র সাংবাদিক রতন বড়ুয়া, বিটিভি র প্রোগ্রাম প্ল্যানার বাবু তিপন জয় ত্রিপুরা, সদস্য তৈয়্যবুল ইসলাম, সদস্য সেকান্দর হোসেন সান্ত, সদস্য দিলু বড়ুয়া জযিতা, দপ্তর সম্পাদক এম এ মান্নান, সহ অর্থ সম্পাদক খোরশেদ আলম, সদস্য মিজানুর রহমান, সদস্য মোঃ ফিরোজ, সদস্য ফরিদা সীমা, সদস্য আফরাহ্ জাহান, সদস্য শিরিন আক্তার, সদস্য রঞ্জন বড়ুয়া, সদস্য টিটু বড়ুয়া প্রমুখ।

সভায় সভাপতি র বক্তব্যে সংগঠন কে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে সকলের প্রতি দায়িত্ববান এবং সচেতন থাকার ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করে বলেন আমাদের মাঝে দুই একজন সংগঠন কে কলুষিত করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর নামে পরিচিত হয়ে সংগঠনের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টায় আছে, সংগঠনে কিছু সদস্যকে বিভিন্ন ভাবে উসকানি এবং সংগঠনের ক্ষতি করার প্রমাণ পেয়েছি,

আজকের সভা থেকে সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সংগঠন ক্ষতি করার দুই একজন কে বহিষ্কার করা দরকার। সংগঠনের সার্থে আজ উপস্থিতি সকলে একমত পোষণ করলে সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্হা নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত দিচ্ছি।

সভাপতি শিব্বির আহমেদ ওসমান ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ঈদ পূর্ণ মিলনী ও মাসিক সমন্বয় সভা সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

0 0

রানা সাত্তার,চট্টগ্রামঃগতকাল বুধবার বিকেল আনুমানিক ৩ টায় মুসাফির খানা তৃতীয় তলায় বাংলাদেশের একমাত্র শক্তিধর ও গ্রহনযোগ্য আদি সংগঠন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর সকল সদস্যদের নিয়ে মাসিক সভা ও আলোচনা সভা সম্পন্ন হয়।
এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল এর সঞ্চালনায় ও শিব্বির আহমেদ ওসমান এর সভাপতিত্বে -সংগঠনের এর প্রচার ও প্রকাশক নুর হোসেন এর পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এ সময় সভাপতি বলেন,সবারই ভালো কিছু করার স্বপ্ন থাকতে হবে, স্বপ্ন দেখতে হবে!স্বপ্ন পূরণের জন্য থাকতে হবে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।আমি বিশ্বাস করি একনিষ্ঠভাবে লেগে থাকলে আমাদের স্বপ্ন একদিন সফল হবেই।তবে সবার কাছে হাত জোরালো অনুরোধ কোন প্রকার অপরাধের প্রমান পাওয়ার আগেই নিজেই সংগঠনে থেকে বের হয়ে যাবেন।অন্যথায় বের করে দেয়া হবে।কোনো অপরাধ ঢাকার জন্য কিন্তু সংগঠন কে বেক্যাফ ভাবলে চরম ভুল করবেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান তরুণ সমাজ মাদকসহ নানা অপসংস্কৃতির কবলে পড়ে ধ্বংসের পথে। তরুণ সমাজকে ধবংসের হাত থেকে রক্ষা করতে না পারলে, দেশ ভবিষ্যতে নেতৃত্ব্ সংকটে পড়বে। তরুণদের আদর্শ জাতি গঠন করতে হলে অন্যান্য সামাজিক সংগঠনের মতো সকল সাংবাদিক সংগঠনের ভুমিকা রয়েছে।এ জন্য জনক্যলাণে নিয়োজিত সামাজিক সংগঠনগুলোর পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
এবারের সভায় সবার একটাই মূল বিষয় ছিল, দেশ ও বিদেশের সকল সদস্য বৃন্দকে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধের বন্ধনে অটুট রাখা, সকলে মিলেমিশে নিজ নিজ স্থান থেকে সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়া, আল্লাহর ওয়াস্তে মানবতার কল্যাণে কাজকরা।সকল সদস্য বৃন্দ সিনিয়র, জুনিয়র একে অপরের সাথে যোগাযোগ রাখা।দেশের সকল সদস্য বৃন্দকে সার্বক্ষণিক ঐক্য ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে অটুট রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।বৃহত্তম চট্টগ্রামের মানবতার কল্যাণে চিন্তা চেতনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন,সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মুহাম্মদ রিপন, (জাতীয় দৈনিক যায়যায় কাল ব্যুরো প্রধান) সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সামাত রুবেল( সহ সম্পাদক:দৈনিক দিনপ্রতিদিন),সহঃসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সাত্তার রানা(রানা সাত্তার, দৈনিক তৃতীয় মাত্রা চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ও প্রবাস মেলা ব্যুরো চিপ),সাঈদুর রহমান চৌধুরী (মাই টিভি), জসিম উদ্দিন (দৈনিক দিনপ্রতিদিন), নুর হোসেন ( দৈনিক সোনালী খবর), এম এ মান্নান (দৈনিক বর্তমান সময়), খোকন নাথ (দৈনিক বর্তমান সময়), লোকমান আনসারী,( দৈনিক জবাবদিহি) ফিরোজ উদ্দিন (দৈনিক নব জীবন ও জবাবদিহি),ইব্রাহিম হোসেন রাকিব (দৈনিক জবাবদিহি), ফরিদা সীমা (দৈনিক প্রথম বার্তা) আফরাহ জাহান(সাপ্তাহিক চট্টবানী), ফরিদা সীমা (দৈনিক প্রথম বার্তা) শিরিন আক্তার (প্রথম বার্তা) প্রমুখ

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন :মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত :চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বর্তমান চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর উপদেষ্টা জনাব মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন কপি হস্তান্তর করেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর নব নির্বাচিত সভাপতি শিব্বির আহমেদ ওসমান ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মুহাম্মদ রিপন এর কাছে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম এর নব নির্বাচিত কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি শাহাদাত হোসেন রাসেল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সামাত রুবেল।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের দুই বছরের জন্য(২০২০-২০২২) ২৬ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২০ জুন সদস্যদের সরাসরি ভোটে সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন শিব্বীর আহমেদ ওসমান, সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন চৌধুরী মোহাম্মদ রিপন এবং অর্থ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কমল চক্রবর্তী।

আজ মঙ্গলবার ২৯ জুন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি, শিব্বির আহমেদ ওসমান এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। এই নির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছরের (২০২০-২০২২) জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কার্য-নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসাবে যারা নির্বাচিত হয়েছেনঃ

সভাপতি, শিব্বির আহমেদ ওসমান( চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, দৈনিক দিন প্রতিদিন), সিনিয়র সহ-সভাপতি, শাহাদাত হোসেন রাসেল চৌধুরী(চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান, দৈনিক বর্তমান সময়),সহ-সভাপতি, গোলাম আকবর চৌধুরী( বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক প্রথম বার্তা),সাধারন সম্পাদক, চৌধুরী মোহাম্মদ রিপন( চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান, দৈনিক প্রথম বার্তা), যুগ্ম সম্পাদক, তানভীর আহম্মেদ(চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান, দৈনিক কালজয়ী),যুগ্ম সম্পাদক, কামাল হোসেন( চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান, দৈনিক অর্থনীতি),যুগ্ম সম্পাদক, লায়ন মোঃ আবু ছালেহ( চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র), সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ আব্দুস সামাদ(রুবেল)-সহ-সম্পাদক, দৈনিক দিন প্রতিদিন),যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক, আব্দুস সাত্তার রানা( চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, দৈনিক তৃতীয় মাত্রা), অর্থ সম্পাদক, কমল চক্রবর্তী( সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার), সহ-অর্থ সম্পাদক, খোরশেদ আলম(ফটো সাংবাদিক, দৈনিক বর্তমান সময়), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, নুর হোসেন( চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক সোনালী খবর), সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, জসিম উদ্দিন-রুবেল( বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম বিভাগ, দৈনিক দিন প্রতিদিন), দপ্তর সম্পাদক, এম এ মান্নান(স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক বর্তমান সময়),শ্রম কল্যান বিষয়ক সম্পাদক, লোকমান আনছারী( রাউজান প্রতিনিধি,দৈনিক জবাবদিহি),সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সিহাব উদ্দিন খাঁন(স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক চট্টগ্রামের পাতা), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহামুদুল হাসান রাকিব(রিপোর্টার দৈনিক বর্তমান সময়), আইন বিষয়ক সম্পাদক ছরোয়ার আলম( চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান, দৈনিক মুক্ত খবর) , মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শারমিন আক্তার শান্তা (মহানগর প্রতিনিধি, দৈনিক জবাবদিহি), সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জেসমিন আক্তার(স্টাফ রিপোর্টার ,দৈনিক গণ জাগরণ), ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মোঃ সিদ্দিকুর রহমান(ইসলামিক প্রতিনিধি, দৈনিক দিন প্রতিদিন)।

কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসাবে যারা নির্বাচিত হয়েছেনঃ
নির্বাহী সদস্য, জাহিদুল হাসান সম্রাট(সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,দৈনিক বর্তমান সময়), আব্দুর রাজ্জাক(কক্সবাজার প্রতিনিধি, এশিয়ান টিভি),সামসুন নাহার( চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার, সাপ্তাহিক জনতার দলিল),খোকন নাথ( ফটো সাংবাদিক, দৈনিক স্বাধীন ভাষা)
সভাপতি শিব্বীর আহমেদ ওসমান জানিয়েছেন, এই সংগঠনকে সাংবাদিকদের কল্যানে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে গড়ে তোলা হবে।প্রাথমিক ভাবে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রায় ৫০ জন সদস্য স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন সাংবাদিকদের নিয়ে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে। আমরা আরও সদস্য আমাদের অন্তভুক্ত করব।