Home Tags Posts tagged with "চট্টগ্রাম।"

চট্টগ্রাম।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই থানাধীন হাদিফকির হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ১৯ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা মূল্যের ৬,৫৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার,

মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

-র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী যাত্রীবেশে হাই-এইস যোগে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য নিয়ে চট্টগ্রাম হতে ফেনীর দিকে যাচ্ছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ০৩ মে ২০২১ ইং তারিখ ১০৪৫ ঘটিকায় র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই থানাধীন হাদিফকির হাটস্থ নিজামপুর মুসলিম বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাকা রাস্তার উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

এসময় র‍্যাবের চেকপোস্টের দিকে আসা একটি হাই-এইস গাড়ীকে থামার সংকেত দিলে চালক হাই-এইসটি র‍্যাব-চেকপোস্টের সামনে থামায়। এসময় উক্ত হাই-এইস এর পিছনে বসা একজন ব্যক্তি সুকৌশলে পাালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‍্যাব-সদ্যরা ধাওয়া করে আসামি মোঃ হোসাইন আলী (৩৩), পিতা-মৃত মফিজুর রহমান, সাং- বিজিবি ক্যাম্প, দক্ষিণ সাহিত্যিকাপল্লী, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজারকে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানোমতে নিজ দখলে থাকা ট্রাভেল ব্যাগের ভিতর হতে ৬,৫৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়,

সে দীর্ঘদিন যাবত কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে ফেনীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১৯ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আয়াজ আহমাদ;

চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানাধীন উত্তর কাট্টলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাইকৃত একটি বোট উদ্ধারসহ ০১ জন জলদস্যুকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম; অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক,

চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

গত ০৮ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ০৯০০ ঘটিকায় জলদস্যু মোঃ মকছুদ আলম (৩৯), পিতা-শামশসুল আলম, সাং-আলী আকবরের ডেইল, থানা-কুতুবদিয়া, জেলা-কক্সবাজার জনৈক মোঃ মুসলিম মিয়া (৪৫), পিতা-মৃত গুরা মিয়া, সাং-মুসলিমাবাদ, কাঠগড়, থানা-পতেঙ্গা,

চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বৃহদাকার বোট পতেঙ্গা থানাধীন মুসলিমাবাদ বেরীবাধ হতে নিয়ে যায় এবং ২,০০,০০০/- টাকা চাঁদা দাবী করে। তথ্য পেয়ে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ১২ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ ১৩.২০ ঘটিকায় কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া থানার আলী আকবর ডেইল ইউপির ৮নং ওয়ার্ড পশ্চিম তাবলারচর ‘

এলাকার বেড়ীবাধ থেকে বোটটি উদ্ধার করেন। অদ্য ১৪/০৪/২০২১ খ্রিঃ ১০.৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৭ এর আভিযানিক দলটি চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানাধীন উত্তর কাট্টলী, ঢাকা ট্রাংক রোডস্থ ইস্পাহানি সামিট অ্যালাইয়েন্স টার্মিনাল লিমিটেড এর ভিতর অভিযান চালিয়ে জলদস্যু মকছুদ আলমকে গ্রেফতার করেন।

উক্ত জলদস্যুর অত্যাচারে জেলে সম্প্রদায়সহ এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। তার গ্রেফতারের সংবাদে জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে। উক্ত জলদস্যুর বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে, যার নং ১৪(৯)২০১৮।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানাধীন বড় হাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ টি বিদেশী রিভলবার, ০১ টি ওয়ানশুটারগান এবং ১৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধারসহ ০১ ডজন মামলার আসামী বাঁশখালীর পুইছড়ি এলাকার মোঃ জসীম উদ্দিন জোস্যা ডাকাতকে আটক করেছে ,র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭,প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম; অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার,

মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানাধীন বড় হাতিয়া ইউপিস্থ চাকফিরানী কালীনগর পাড়ার (০৮ নং ওয়ার্ড) গ্যাস কোম্পানী রোডস্থ কালাগোদা ব্রীজের উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ০১ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ ০৪১০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাব-উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে র‍্যাব-সদস্যরা আসামী মোঃ জসীম উদ্দিন (৩৩), পিতা- নুরুল হুদা, মাতা- মৃত জাহাদা বেগম, সাং- পূর্ব পুঁইছড়ি (হাসিনার বড় বাড়ি), থানা- বাঁশখালী,

জেলা- চট্টগ্রামকে আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো ও শনাক্ত মতে তার পরিহিত লুঙ্গির কোমড়ের ডান পাশে গোজানো অবস্থায় ০৫ রাউন্ড গুলি ভর্তি ০১ টি বিদেশী রিভলবার এবং হাতে থাকা শপিং ব্যাগের ভিতর হতে ০১ টি ওয়ানশুটারগান এবং ০৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধারসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামী মোঃ জসীম উদ্দিন  জোস্যা ডাকাত (৩৩) এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় এবং কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানায় হত্যা, হত্যা চেষ্টা, অস্ত্র, অপহরণ ও চাঁদাবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক এবং বন মামলাসহ মোট ১২ টি মামলা রয়েছে।

জসিম উদ্দিন বাঁশখালী থানার পুঁইছড়ি এলাকার কুখ্যাত জোস্যা ডাকাত নামে পরিচিত। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় সে দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়সহ নিজে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছে।

গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিকাশ নাম্বার হ্যাক করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অপরাধে প্রতারক চক্রের মূল হোতাকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম; অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী,

খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

মোবাইল ব্যাংকিং এর প্রতারনার সুনির্দিস্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ মার্চ ২০২১ ইং তারিখ ২৩০০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড পকেট গেইট, খালপাড়া মা-বাবার দোয়া স্টোরে অভিযান পরিচালনা করে আসামী সোহেল রানা (২৪), পিতা-মানোয়ার, মাতা-ফাতেমা খাতুন, সাং-দাতিয়াদহ, পো-বাবুখালী,

থানা-মোহাম্মদপুর, জেলা-মাগুরা’কে আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আাটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আসামী বিকাশ একাউন্ট হ্যাক করে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে টাকা উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করে।

এছাড়াও সে আরোও জানায় যে, সে বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টের দোকানে কৌশলে অবস্থান করে ক্যাশ ইন/ক্যাশ আউট করতে আসা বিভিন্ন গ্রাহকের মোবাইল নাম্বার তার মোবাইলের মাধ্যমে ছবি তোলে সংগ্রহ করে প্রতারক চক্রের অন্য সক্রিয় সদস্যের নিকট ইমুর মাধ্যমে প্রেরণ করে।

পরবর্তীতে প্রতারক চক্রটি সু-কৌশলে বিভিন্ন বিকাশ গ্রাহকের নাম্বারে কাস্টমার কেয়ারের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে ফোন করে বিকাশ একাউন্ট আপডেট করার নাম করে অথবা বিকাশ একাউন্ট বøক করা হয়েছে মর্মে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকের বিকাশ পিন নাম্বার সংগ্রহ পূর্বক বিকাশ একাউন্ট হ্যাক করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণামূলক আত্মসাতের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন যাবত টাকা উত্তোলন করে আসছে।

গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপজেড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানাধীন উত্তর চাতরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ টি ওয়ানশুটার গান, ০১ রাউন্ড গুলি, ০৬ টি চাকু এবং ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম; অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‍্যাব-চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানাধীন ৮ নং চাতরী ইউপি, ৪ নং ওয়ার্ডস্থ, উত্তর চাতরী জালাল সওদাগরের ঘরের ভিতর কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করিতেছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ০২ মার্চ ২০২১ ইং তারিখ ০২৫০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামি মোঃ নাছির (৩৩), পিতা- মৃত জালাল সওদাগর, সাং- উত্তর চাতরী (আব্দুল সালাম সওদাগরের বাড়ি), থানা- আনোয়ারা, জেলা- চট্টগ্রামকে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামির দেহ তল্লামি করে কোমড়ে গোজা অবস্থায় ০১ টি ওয়ানশুটারগান, পরিহিত প্যান্টের পকেট হতে ০১ রাউন্ড গুলি এবং ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও আসামির বসতঘত তল্লাশি করে ০৬ টি চাকু জব্দ করা হয়।

আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সে অবৈধ অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়সহ নিজে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছে এবং মাদক ব্যবসায়ী হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে তা মাদক সেবনকারীদের নিকট বিক্রয় করে আসছে।

গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দক্ষিণ বেতিয়ারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ০৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি,

বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে সংলগ্ন দক্ষিণ বেতিয়ারা হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা যাওয়ার পাকা রাস্তার উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখ ২২২০ ঘটিকার সময় র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাব-র উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামি ১। মোঃ সোহেল (২৮),

পিতা- মোঃ মাসুদ মিয়া, সাং-উত্তর কালিকাপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা এবং ২। মোঃ হাসানুজ্জামান (১৯), পিতা- মৃত আব্দুল মালেক, সাং- মধ্যম কালিকাপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লাদের’কে আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও সনাক্তমতে তাদের সাথে থাকা দুটি পাটের বস্তার ভিতর হতে ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ আসামিদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরোও জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন যাবৎ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বিভিন্ন কৌশলে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ০৫ লক্ষ টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামী এবং উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার থানাধীন হারিছ চৌধুরী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ টি ওয়ানশুটার গান উদ্ধারসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।-র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার,

মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার থানাধীন হারিছ চৌধুরী বাজার হতে পন্ডিত হাট রোড এলাকার হাজী কুদ্দুস ”স” মিলের সামনে পাকা রাস্তার উপর কতিপয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ,

নাশকতার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ ইং তারিখ ১৭৫৫ ঘটিকায় র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাব-৭র উপস্থিতি টের পেয়ে,

কতিপয় ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‍্যাব-৭ সদস্যরা ধাওয়া করে আসামি মোঃ রিপন (২৭), পিতা- মোঃ বাহার, মাতা- উজিবা খাতুন, সাং- দক্ষিন চর বাগ্গা, ১৬ নং দিঘী কলোনী, থানা- চরজব্বার, জেলা- নোয়াখালী’কে আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামির হাতে থাকা পাটের বস্তার ভিতর ,

হতে ০১ টি ওয়ানশুটারগান উদ্ধারসহ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়সহ নিজে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছে।

উল্লেখ্য যে, আসামীর বিরুদ্ধে নোয়াখালী জেলার চরজব্বার থানায় ০১ টি চুরির মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে নোয়াখালী জেলার চরজব্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব -৭, চট্টগ্রাম গােপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে , চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানাধীন চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ব্লক- বি এর একটি বাসায় কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয় – বিক্রয় করছে ।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিত্তে র‍্যাব -৭ ,চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ০৮ নভেম্বর ২০২০ খ্রিঃ রোজ রবিবার সকাল আনুমানিক ১১২০ ঘটিকায় উক্ত স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামি ১। মােঃ শওকত ইসলাম ( ৩২ ) ও ১নং আসামির স্ত্রী ২। মােরজিনা ( ২৮ ) দ্বয়’কে আটক করে এবং তাদের দখল ও হেফাজত হতে ৫৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ১,১৭,০১,৫০০ / – ( এক কোটি সতের লক্ষ এক হাজার পাঁচশত ) টাকা উদ্ধার করে।

36D4A15F-ED29-40C9-9319-C78ED0EC1494

উল্লেখ্য যে, র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিদ্বয় জানালা দিয়ে টাকা ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলো। আসামীদ্বয় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে , তারা মায়ানমারের নাগরিক এবং মায়ানমার হতে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ পূর্বক অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাসা ভাড়া করে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের ব্যবসা করে আসছে।
২। আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানায় নিষিদ্ধ মাদক রাখা এবং অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপরাধে দেশের প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্বাক্ষরিত
( মােঃ মাহমুদুল হাসান মামুন) সিনিঃ সহঃ পুলিশ সুপার সহকারী পরিচালক ( মিডিয়া ) পক্ষে অধিনায়ক