Home Featured
Featured posts

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন :বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের উদ্যোগে একযোগে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১১টায় সিআরবিতে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন মহাব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সরদার সাহাদাত আলী।

সিআরবি ছাড়াও পাহাড়তলীতে রেলওয়ের পরিবহন বিভাগ, বাণিজ্যিক বিভাগ, লোকোশেড ও চট্টগ্রাম স্টেশনসহ রেলওয়ের ৬০টি স্টেশনে একযোগে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

উক্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে খালি জায়গায় বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন মাস্টার জনাব ফখরুল আলম,সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম (আমাদের নতুন সময়), বিশিষ্ট ব্যবসায়ি জনাব নাজিমুল হক,আজিজুল হক,জনাব কালাম,সোহাগ সহ রেলওয়ে স্টেশন স্টাফগন।

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃঢাকা, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২০:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি’র উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘বন্যা-দুর্যোগ মোকাবিলায় নিজেরা কি করেছেন, সেই চেহারাটা ভালোভাবে আয়নায় দেখুন। শুধু সিদ্ধান্তের অভাবে তাদের আমলে ১৯৯১ সালের ঘুর্ণিঝড়ে লাখ লাখ প্রাণ ও বিপুল সম্পদহানিসহ বিমান বাহিনীর এক ডজনেরও বেশি বিমান চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে না সরানোর কারণে ধ্বংস হয়েছে।’

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকরা সরকারের বন্যা মোকাবিলার বিষয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর বিরূপ মন্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, ‘১৯৯১’র ঘুর্ণিঝড়ে প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ মানুষের মৃত্যুর পরও সংসদে দাঁড়িয়ে বেগম খালেদা জিয়া নির্লজ্জের মতো বলেছিলেন- ‘যত মানুষ মারা যাওয়ার কথা, তত মারা যায়নি’। পরিবার ও নেত্রী গুরুজনদের শ্রদ্ধা করতে শিখিয়েছেন, সেকারণে লজ্জায় বলতে না চাইলেও এটা সত্যি যে, লাশের গন্ধ বাতাসে ভাসা সেই সময়ে একজন বিদেশি অতিথির আগমণে একদিনে বেগম জিয়ার সাতবার শাড়ি বদলের ঘটনা জনগণ ভোলে নি।’

অপরদিকে ১৯৯৮ সালের বন্যা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘৯৮ এর বন্যায় দেশের প্রায় শতকরা পঁচাত্তর ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল, বিবিসি ও অন্যান্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম লাখ লাখ মানুষের অনাহারে মৃত্যুর আশংকা প্রকাশ করেছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনা তখন প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা করছিলেন। সব শংকা-আশংকা ভুল প্রমাণ করে তিনি অত্যন্ত সফলভাবে সেই বন্যা মোকাবিলা করেছেন এবং অনাহারে কেউ মারা যায় নি।

গত ক’দিনের টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর অবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেশি বৃষ্টিতে ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা আগের চেয়ে কমে এসেছে এবং এর পূর্ণনিরসনে ওয়াসা গত বছর থেকে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে যার সমাপ্তিতে এই সমস্যা থাকবে না|

    0 0

    সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ২ লাখ ১০ হাজার ৫১০ জন। নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৭০৯ জন।

    মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৩ হাজার ১৫৯ জনের। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১২ হাজার ৮৯৮ জনের। নতুন পরীক্ষা করা নমুনায় আরও ৩ হাজার ৫৭ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়।আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৭০৯ জনে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আরও ১ হাজার ৮৪১ জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯৭ জনে।

    এর আগে গত সোমবার (২০ জুলাই) একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন ২ হাজার ৯২৮ জন। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ৫০ জন।

    0 0

    সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃমহানগর যুবলীগ নেতা ডাক্তার বাবর চৌধুরী বাবুর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের উপ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও চপই ছাত্র সংসদের সাবেক ভি পি নাছির উদ্দিন কুতুবীর পরিচালনায় পর্বতক মোড সংলগ্ন মেডিক্যাল পশ্চিম গেইটে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগ নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা জনাব ওয়াহিদুল আলম শিমুল। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন নগর যুবলীগ নেতা মোঃ কামরুজ্জামান, তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ জসিম উদ্দিন, আবদুল কাদের,শফিকুল ইসলাম তাপস,রাশেদুল আনোয়ার খান,

    মানস দেব, আলা উদ্দিন আলো,হামিদ হাসান আলভি সগির আহমদ, তানভীর হোসেন সাওন,নাছির উদ্দিন,মোঃকবির,নটরাজ,মোঃ ইউসুফ খান,ফারুক হোসেন সুমন,তানজিমুল হোসেন চৌধুরী, আইনুল হক, রিপন দে,তহিদুল ইসলাম, আনোয়ার ইভান,শুভ শীল,হায়দার আলম,রকন আহমদ সগর সাদেক রেজা,ইরফান আহমেদ ইফতি,রমন দাশ গুপ্ত প্রমূখ।

    বক্তারা বলেন একজন তৃণমূল রাজপথ থেকে গড়ে ওঠা ত্যাগী সাবেক ছাত্রনেতা ও নগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকের মত ব্যক্তিকে বাসা বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া খুবই দুঃখজনক।

    এই ধরনের সন্ত্রাসীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা জুর দাবী জানাচ্ছি।

    0 0

    সি টি জি ট্রিবিউন আয়াজ আহমাদ চট্টগ্রাম-২০ জুলাই- ২০২০ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ইচ্ছা ও প্রণোদনায় চট্টগ্রাম নগরীর পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য বাসযোগ্য অত্যাধুনিক আবাসন ভবন নির্মাণ উদ্যোগ সমাজের কর্মজীবী প্রান্তিক জনগোষ্টির বাসস্থানের মৌলিক অধিকার পূরণের একটি ভিত্তি সোপান।

    এই অধিকার আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার নিবেদনে তিনি সাড়া দিয়ে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও প্রকল্প প্রস্তাবনা পত্র চার বার কাটছাট করে তা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির আর্থসামাজিক নিরাপত্তার প্রথিকৃৎ হলেন এবং সমাজ প্রগতির-সফল রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে হিমালয় সম উচ্চতায় উন্নিত হলেন। তাই শেখ হাসিনা প্রান্তিক মানুষের আর্থ সামাজিক নিরাপত্তার স্তম্ভ।

    তিনি আজ সোমবার সকালে নগরীর ৩২ নং আন্দরকিল্লা ও ৩৩ নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে অবস্থিত সেবক কলোনীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাদ্দকৃত প্রায় ১শ ১১ কোটি টাকায় ৪টি-প্রতিটি ১৪ তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক পরিচ্ছন্নকর্মী ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে একথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, বহুকাল আগে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে উত্তর প্রদেশের খরা কবলিত এলাকাগুলোতে কর্মচ্যূত হরিজন শ্রেণীর বেশকিছু পরিবারকে এতদ:অঞ্চলে নিয়ে আসা হয়েছিল।

    পরে এইসব কৃষক পরিবারের সদস্যরা পেশা বদল করে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে নিযুক্ত হয়ে নাগরিকদের সেবা দিয়ে আসছিলেন। এদের জীবনমান ছিল অত্যন্ত নি¤œস্তরে এবং তারা অচ্যূত হিসেবে গণ্য হয়ে নিন্দনীয় সামাজিক বৈষম্যের শিকার হয়ে দীর্ঘকাল অবহেলা ও অবজ্ঞায় কাটিয়েছেন। আজ পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে হরিজন সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বেশকিছু বাঙালি পরিবারও এই পেশায় যুক্ত হয়েছেন এবং তারা সকলেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেবাদানকারী পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে বেতন-ভাতা ভোগ করছেন।

    আমি আমার ছাত্র জীবন থেকেই লক্ষ্য করেছি যে, তাদের বাসস্থান বা কলোনীগুলোর অবস্থা খুবই শোচনীয় এবং অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তারা জীবনধাণ করছেন। আমার পূর্বসূরী মেয়র হিসেবে যাঁরা ছিলেন তাঁরাও চেষ্টা করেছেন সেবক শ্রেণীর জীবনমান উন্নয়নে। আমি তাঁদের কাছে প্রাণিত হয়ে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে তাদের আবাসন সংস্থানের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করি।

    চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ কিছুটা হলেও গতি হারিয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামে সেবক কলোনীতে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন ভবন নির্মাণ কাজের জন্য বরাদ্দ আংশিক কমিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শুধু ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানোটাই যথেষ্ট নয়, তাঁর এই জনকল্যাণমূখি চেতনাকে আমরা যাঁরা রাজনীতি করি তাঁদের অন্তরে ধারন করতে পারলে সমাজ প্রগতির ধারা তীব্রতর হবে।

    তিনি পরিচ্ছন্ন কর্মীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, সম্প্রতি পরিচ্ছন্ন কাজের গতি বাড়াতে ডোর টু ডোর আবজর্না সংগ্রহে প্রায় ২ হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ দান করেছি। এই নিয়োগে সেবক কলোনীর কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, ১৪ তলা বিশিষ্ট ৪ টি ভবনের প্রতিটি ফ্লাটে একেক পরিবারের জন্য অন্যান্য স্পেসসহ থাকার জন্য ৪৩৫ বর্গফুট আয়তন থাকছে। এছাড়াও প্রতিটি ভবনে এই আয়তনের মধ্যে দু’টি বেড রুম, লিভিং কাম ডাইনিং স্পেশ, কিচেন ও ওয়াসরুম থাকবে।

    প্রতিটি ভবনের নীচতলায় স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার, কির্ডস জোন, উপাসনালয়, ২টি লিফট, ৪০০ কেভি জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সরঞ্জাম থাকবে। চট্টগ্রাম নগরীতে এই পরিচ্ছন্নকর্মী ভবন একটি সর্বাধুনিক বাসযোগ্য আবাসন হিসেবে পরিচালিত হবে। ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী ও ৩২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিল্পবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, আলহাজ্ব ইসমাইল বালী সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা বেগম,

    লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল হুদা, ঝুলন কান্তি দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী সালমা বেগম, মো. মিজবাউল আলম, মো. রিফাতুল আলম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী তানজিম ভূইয়া, ঠিকাদার আশীষ কুমার দাশ, দিদারুল আলম, সায়েম রিজভীসহ হাজী নাসির আহমেদ, হাজী মাহমুদুর রহমান বাবুল,

    মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া, মঞ্জুর আলম,মঞ্জুর মোরশেদ, ছগির আহম্মদ, মোহাম্মদ ইউনুস, খোরশেদ আলম রহমান, তাজউদ্দিন রিজভী, তানভীর আহমেদ রিংকু, জাহাঙ্গীর আলম, খালেক হোসেন, আব্দুল আজিজ, এনামুল হক, আব্দুল মতিন, আব্দুল গফুর সুমন, মো. মহিউদ্দিন, অসিউর রহমান, মো. পারভেজ, নুরুল আজিম, আকতার মিয়া, সরওয়ার সরকার, সামিউল হাসান, মো. আজম, অনিন্দ্য দেব, মো. নজরুল,মো. নাবেদ, প্রমুখ।

    মুনাজাত পরিচালনা করেন ফিরিঙ্গীবাজার জামে মসজিদের সহকারী ইমাম হাফেজ আব্দুল আওয়াল ও গীতা পাঠ করেন আকাশ বাবু উপস্থিত ছিলেন।

    0 0

    সি টি জি ট্রিবিউন আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর জলঢাকায় “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধকে জানি” স্কুল ভিত্তিক ভিডিও ডকুমেন্টারি তৈরিতে উপজেলা পর্যায়ে আলহাজ মোবারক হোসেন অনির্বান স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

    সোমবার (২০ জুলাই) সকালে অনির্বান বিদ্যালয় হলরুমে শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সন্মাননা স্মারক স্কুল প্রধানের হাতে তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান গোলাম পাশা এলিচ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার ভৌমিক, স্কুল সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী ও প্রধান শিক্ষক রোকনুজ্জামান চৌধুরী রোকন প্রমুখ।

    ২০১৯ সালে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় উপজেলা মূল্যায়ন কমিটির বিচারে অনির্বান স্কুলের ডকুমেন্টারি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    0 0

    সি টি জি ট্রিবিউন আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ জলঢাকায় প্রেসক্লাবের উপর ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া শতবর্ষের বটগাছটি আজো অপসারণ করা হয়নি। নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র থানা মোড় সংলগ্ন জেলা পরিষদের জায়গায় অবস্থিত নির্মানাধীন প্রেসক্লাবের উপর ভেঙ্গে পরা বটগাছটি একাধিকবার অপসারণ দাবি তুলে ধরা হলেও সেদিকে কোন নজর দেননি কর্তৃপক্ষ। ফলে গত কয়েকদিনের টানা ভারীবর্ষণ ও ঝড়ে গাছটি প্রেসক্লাবের উপরে পরে থাকলেও যেন কারো মাথা ব্যথা নেই।

    যেকোন মুহুর্তে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে
    যেতে পারে বলে বিভিন্ন মহল অভিমত জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর বরাবরে নতুন করে আবারও গাছটি অপসারণের জন্য লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে।

    শতবর্ষের এই বটগাছটি উপরে পরার সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কর্তনের জন্য এখনো উদ্যেগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তরটি। গাছটি দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা।

    সি টি জি ট্রিবিউন মোঃ রোকন উদ্দিন, বোয়ালখালী প্রতিনিধিঃ গত রাত বোয়ালখালীতে দুই ডাকাত অস্ত্র সহ আটক করে থানা পুলিশ।
    (১৯ জুলাই) বোয়ালখালী উপজেলাধীন খরনদীপ কেরানী বাজার খীলফরফরিতলা ব্রীজের পূর্ব পার্শ্বে পাকা রাস্তার উত্তরে গাছ বাগানের ভিতর এলাকায় ডাকাতি প্রস্তুতির উদ্দেশ্য সমবেত হওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিক্তিতে পুুলিশ ঘটনাস্হলে পৌছিলে উপস্হিতি টের পাইয়া পালানোর চেষ্টাকালে ডাকাত

    ১। আব্দুল হাকিম প্রঃ লালা (২৮) পিতা মৃত নূরুল ইসলাম, সাং- অজির ভিটা ৮ নং ওয়ার্ড, অলী মাষ্টার বাড়ী, থানা- লোহাগড়া, চট্টগ্রাম। ২। কামরুদ্দিন সবুজ (৩০) পিতা- অলী আহাম্মদ সাং- হুলাইন অলী ড্রাইভারের বাড়ী, ০২ নং ওয়ার, থানা- পটিয়া, চট্টগ্রামদেরকে অস্ত্রসহ আটক করেন, তাদের সহযোগী কিছু ডাকাত পালাইয়া যায়। ওরে তাদের হেফাজত হতে ০১টি বিদেশী বন্দুক, ০২ রাউন্ড কার্জূজ, ০১টি বড় রামদা, ০২ টি ছোরা উদ্ধার করেন।

    বোয়ালখালী থানার এসআই আরিফুর রহমান, এসআই সুমন কান্তি দে, এসআই নেছার আহমদ, এএসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, এসআই সামছুদ্দোহা সহ সংগীয় ফোর্সের অভিযান পরিচালনা করেন।

    বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল করিম বলেন এ সংক্রান্তে ধৃত ডাকাত দের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ও ডাকাতির প্রস্তুতি পৃথক ভাবে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

    0 0

    সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯২৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ২ লাখ ৭ হাজার ৪৫৩ জন। নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৬৬৮ জন।

    সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯১৪ জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৫৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৩৬২টি। এ নিয়ে দেশে মোট ১০ লাখ ৬১ হাজার ৬৪১টি নমুনা পরীক্ষা করা হলো।

    সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ২০ জুলাই।

    কক্সবাজার শহরের খুরুশকুল ব্রীজ এলাকায় ইয়াবা কারবারিদের সাথে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধে মিজান নামে চিহ্নিত এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছে।

    সোমবার (২০ জুলাই) ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিজান কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া এলাকার গোলাম মওলা বাবুল ওরফে জজ বাবুলের ছেলে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আবু মো. শাহজাহান কবির।

    তিনি বলেন, মিজান একজন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি। চলতি বছর ৮ ফেব্রুয়ারি শহরের বাঁকখালী নদীর মাঝির ঘাট এলাকায় ফিশিং ট্রলার থেকে খালাসের সময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লুটের ঘটনায় মিজান জড়িত রয়েছে। লুটের পর থেকে মিজান পলাতক ছিল। এক পর্যায়ে কৌশলে মিজান ভারত চলে যায় ।

    ১৭ জুলাই বেনাপোলের ইমেগ্রেশন পুলিশ মিজানকে আটকের পর বিষয়টি কক্সবাজার জেলা পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশের একটি টিম বেনাপোল গিয়ে মিজানকে কক্সবাজার নিয়ে আসে। তার স্বীকারোক্তি মতে সোমবার (২০ জুলাই) ভোররাতে বাঁকখালী নদীর মাঝিরঘাটস্থ খুরুশকুল ব্রীজ এলাকায় লুট হওয়া ইয়াবা উদ্ধারে যায় সদর মডেল থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ।

    মিজানকে নিয়ে যৌথ ইয়াবা উদ্ধারে গেলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা তার সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে।

    ওসি সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজাহান কবির আরও বলেন, মাদক কারবারিরা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে মিজানকে ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টাকালে গুলিবিদ্ধ হয় মিজান। এসময় পুলিশের পাল্টা গুলিতে সহযোগিরা পালিয়ে যায়। এসময় পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি দেশিয় বন্দুক ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারসহ গুলিবিদ্ধ মিজানকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এই মিজানের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ইয়াবার মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দ আবু মো.শাহজাহান কবির।
    প্রসংত,পরে ২৪ ফেব্রুয়ারী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে খুরুশকুলের কুলিয়াপাড়া এলাকার মোস্তাকের বাড়ি থেকে ১ লাখ পিস এবং লারপাড়ার গ্যাস পাম্পের পেছনের মোক্তার মেম্বারের বাড়ি থেকে আরও এক লাখ পিস সহ দুই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

    অভিযানে মিজানের অন্যতম সহযোগী মো. ফিরোজ ও মোস্তাক আহমেদকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার মাঝিরঘাটে মাছ ধরার ট্রলার থেকে খালাসের সময় এক কোটি পিস ইয়াবার একটি বিশাল চালান লুট হয়। ইয়াবার এই বিশাল চালান লুটে নেতৃত্ব দেন এই মিজান।

    ইয়াবা লুটের ঘটনার পর ঘোনারপাড়ার তৈয়বের কাছে আত্মগোপনে ছিলেন মিজান। পরে ঘটনা জানাজানি হওয়ার এক পর্যায়ে মিজান চট্টগ্রাম থেকে বিমানযোগে ভারত পালিয়ে যান।

    জানা গেছে, আলোচিত লুটের ঘটনা তদন্তের এক পর্যায়ে কক্সবাজার পুলিশ দেশের সকল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে মিজানের বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করেন। কিন্তু ততক্ষণেই মিজান ভারত পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তবুও সেই সময় সরবরাহ করা চিঠির প্রেক্ষিতে গত ১৭ জুলাই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ মিজানকে গ্রেপ্তার করে।