Home Featured
Featured posts

কক্সবাজার প্রতিনিধি।পুরো নাম নুরুল আলম। রামু উপজেলার পশ্চিম চাকমারকুল এলাকার নুর আহম্মদ সিকদারের ছেলে।এন আলম হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকলেও কখনো এসএম নুরুল আলম কখনো এইচ এম নুরুল আলম, কখনো এন আলম হিসেবে পরিচয় বহন করেন। তার নাম নিয়েও রয়েছে অভিন্ন প্রতারণা।তবে তাকে সবাই পাম্প আলম প্রকাশ কেরোসিন আলম নামে চিনেন।

পড়ালেখায় মাধ্যমিকের গন্ডি পার করতে পারেনি। কিন্তু তার আসল নাম জাতীয় পরিচয় পত্রে এইচ এম নুরুল আলম লেখা। জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার হলো ২২১৬৬১৩৬৯০৩৭৭। কিন্তু বর্তমানে সে এসএম নুরুল আলম নামে অা‌রেক‌টি জাতীয় পরিচয়পত্র ঢাকা খিলগাঁও থানার বনশ্রী এলাকার ঠিকানায় ব্যবহার করছে। জাতীয় পরিচয়পত্রে স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা দেয়া হয় রামু পশ্চিম চাকমারকুল। তার গ্রামের বাড়ি রামু চাকমারকুল কলঘর হলেও কখনো পশ্চিম চাকমারকুল, কক্সবাজার পৌরসভার দিলমহল মধ্যমবাহারছড়া, কখনো ঢাকা খিলগাঁও বনশ্রী আবাসিক এলাকা, কখনো চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছে আসছে।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার উত্তর চাকমারকুলের এক নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়েও প্রতারণা বাটপারি করে আজ অন্তত দুই শত কোটি টাকার মালিক।
কক্সবাজার সদর ভুমি অফিসে কথিত ঝিলংজা মৌজা সৃজিত একটি ভুঁয়া খতিয়ানকে (বিএস খতিয়ান নং-১১৩৩৪) পুঁজি করে সদরের ঝিলংজা মৌজার কলাতলি বাইপাস সড়কের দক্ষিণ পাশে (চট্টগ্রাম -কক্সবাজার মহাসড়কে লাগোয়া) প্রায় ৫ কোটি টাকা মুল্যের জমি স্বাধীন ট্রাভেলসের নামে সাইন বোর্ডও লাগিয়ে দখলের চেস্টার ঘটনায় বিরাজ করছে আতংক।

এই স্বাধীন ট্রাভেলসটি জয়েন্ট স্টক কোন্পানীর নিবন্ধন রয়েছে কি না, তা নিয়েও যতেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ভুমি অফিসে এধরনে কোন খতিয়ানের অস্থিত্ব না পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব বরাবর নামজারী আপিল ৪৭০/২০১৪, ১১৭৪ নং স্বারক মুলে একটি তদন্ত প্রতিবেদনও দিয়েছে সহকারী কমিশনার (ভুমি) সদর। ওই প্রতিবেদনে সহকারী কমিশনার ও নাজিরের দস্তখত নেই, মুল নামজারির নথিও পাওয়া যায়নি।

শুধু জালিয়তি এখানেই শেষ নয়,রামু কলঘর (চাকমারকুল) এলাকায় এন আলম ফিলিং স্টেশনের জমি উত্তরা ব্যাংকে বন্ধক দিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা সিসি লোন নেন। কিন্তু সেই জমিও বিক্রির জন্য ব্যাংকের অজান্তে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে চট্টগ্রামের মো. শাহজাহান নামের এক ব্যক্তির সাথে রেজি: বায়নাও করেছে। এন আলম ফিলিং স্টেশনের পাশ্ববর্তী স্থানীয় প্রবাসী জালাল নামের একজন ব্যক্তিকে স্বাধীন ট্রাভেলস পরিবহণের শেয়ার হোল্ডার নেয়া হয়। প্রবাসী জালাল গত দেড় মাস আগে করোনাকালিন মারা যান। তার জানাজা চাকমারকুল মাদ্রাসায় মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা দিয়ে জানাজা হয় এন আলম ফিলিং স্টেশনে। কিন্ত তিনি মারা যাওয়ায় তার কয়েক কোটি টাকা বিনিয়োগ নিয়েও প্রবাসী পরিবার উদ্বিগ্ন।

এন আলমের বিরুদ্ধে ইয়াবা কানেকন্টেটের অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর। বিভিন্ন পরিবহনের চালক, হেলফার ও আত্বীয় স্বজনের সমন্বয়ে জনশ্রুতিতে রয়েছে ১৫/২০ জনের ইয়াবা সিন্ডিকেট। এন আলম তার ভগ্নিপতিকে (বোন আসমা আক্তারের স্বামী) দিয়ে (কক্সবাজার সদরের চান্দের পাড়ার ইউছুপ আলী) ইয়াবা চালান করছিলেন। তার ইয়াবা চালান নিয়ে ভগ্নিপতি ইউছুপ আলী আটক হয়ে গত দেড় বছর যাবত জেলে রয়েছে।এন আলমের আরো বেশ কিছু জালিয়তি ও প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

জালিয়াতির ঘটনা :
কক্সবাজার পৌরসভার উত্তর রুমালিয়ারছড়ার বাসিন্দা মরহুম আমান উল্লাহ চৌধুরীর স্ত্রী নুরমহল বেগম চৌধুরীরানী প্রাপ্ত ঝিলংজা মৌজার বিএস ১০৫ নং খতিয়ানের অংশ অনুযায়ী প্রাপ্ত মাত্র তিন শতক জমি। একাধিক ব্যক্তিকে ভিন্ন ভিন্ন দলিলে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতক জমি বিক্রির ঘটনা নিয়েও উঠে এসেছে ভয়াল জালিয়াতির তথ্য। কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা মৌজার ১০৫ নং খতিয়ানের ২০৩০৭ দাগের প্রাপ্ত তিন শতক জমি নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ভিন্ন রেজিঃ দলিলে প্রায় ৩৯ শতক জমি জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি করা নিয়ে ব্যাপক জটিলতার সৃষ্টি করেছে।

তথ্য বিশ্লেষনে জানা গেছে, কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা মৌজার বিএস খতিয়ান নং ১০৫ এ জমির পরিমান ৪.২১ শতক। ওই নুর মহল বেগম চৌধুরীরানী ১০৫ খতিয়ানের ২০৩০৭ দাগে প্রাপ্ত জমির পরমাণ ৩ শতক।
কিন্ত তিনি জীবদ্দশায় বিগত ১০/৫/২০০২ ইং রেজি : দলিল নং ১৪৯৯ মুলে ঝিলংজা মৌজার ১০৫ নং খতিয়ান থেকে ২০৩০৭ দাগের ৮ শতক জমি মমতাজ আহম্মদ পিতা-আলহাজ হাফেজ আহম্মদকে বিক্রি করেন। কিন্ত একই ভাবে নুর মহল চৌধুরীরানী একই তারিখে (১৪/৫/২০০২ ইং) ১৫০০ নং কবলা মুলে মোহাম্মদ হোসেন পিতা-রকিম আলী কেও ৮ শতক জমি বিক্রি করে নিঃস্বত্ববান হন। এরপরে একই ভাবে ঝিলংজা মৌজার বিএস ১০৫ খতিয়ান হতে নুর মহল বেগম চৌধুরীরানী ২০৩০৭ নং দাগের জমি হতে দলিল নং ২০৫১ তারিখ ১১/৭/২০০৪ মুলে আরো ৪ শতক জমি মোহাম্মদ মহসিন মিতা-মৃত ইলিয়াছকে বিক্রি করেন।

এদিকে, চরম জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ঝিলংজা মৌজার বিএস খতিয়ান নং-১০৫ দাগ নং ২০৩০৭ জমির পরিমাণ মতে নুরমহল চৌধুরীরানী জমি পান ৩ শতক। কিন্ত তিনি প্রাপ্ত জমির চেয়ে আরো ১৭ শতক জমি অতিরিক্ত বিক্রি করেন। এই পর্যন্ত পেছনের গল্প।
পরে নুরুল আলমসহ জাল জালিয়াতি চক্রের সদস্যরা একে অপরের সাথে যোগসাজশ করে চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন দক্ষিন হালিশহর উত্তর শাহপাড়ার সেলিম রেজা, মোহাম্মদ শাহজাহান ও মোহাম্মদ আকতার মিয়া (সর্বপিতা-আহম্মদ শরীফ সওদাগর) নুরমহল চৌধুরীরানী হতে দীর্ঘ ২ বছর পর গত ৩/৮/২০০৪ ইং রেজিঃ দলিল নং ২৩৭৬ মুলে ঝিলংজা মৌজার ১০৫ নং খতিয়ানের ২০৩০৭ দাগের প্রাপ্ত জমি ৩ শতকের মধ্য জালিয়াতর মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ শতক জমি বিক্রি করেন। সেখানে সেলিম রেজাগংকে আবারও ১৯.৬৬ শতক জমি বিক্রি করেন।

সেলিম রেজাগং পনশুন্য অবস্থায় নুরমহল চৌধুরীরানীর জমি না থাকার কারণে তারা নামজারী খতিয়ান করতে পারেনি।
অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, তারা ভুমি অফিসের ভুমি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বশে এনে জালিয়াতির মাধ্যমে বিগত ১০/৪/২০১৩ সালে একটি ভুয়া খতিয়ান সৃজন করেন।
যার নাম্বার ঝিলংজা মৌজার সৃজিত খতিয়ান নং-১১৩৩৪। এব্যাপারে আমান উল্লাহ চৌধুরীর ছেলে দিদারুল আজম চৌধুরী গত ২০১৪ সালে মিচ পিটিশন মামলা নং- ৪৭০/২০১৪

(বাকী অংশ) মামলা কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ওই খতিয়ানের কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং সহকারী কমিশনার ভুমি সদর হতে প্রতিবেদন তলব করেন। ওই জমি থেকে আমান উল্লাহ চৌধুরীর স্ত্রী নুর মহল বেগম চৌধুরী হতে জমি ক্রয় করেছে বলে নামজারী ও জমাভাগ মামলা ৯৩৮/২০১৩ মুলে বিএস ১১৩৩৪ খতিয়ান সৃজন করে বলে প্রচার করা হয়।
অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে,
২০১৪ সালে সহকারী কমিশনার (ভুমি) সদর কক্সবাজার উক্ত বিএস ১১৩৩৪ খতিয়ানের বিরুদ্ধে একটি ১২১৭৪ নং স্মারক মুলে পুর্নাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, উক্ত খতিয়ানে সহকারী কমিশনার ভুমি এর দস্তখত নেই, নামজারী করার রেকর্ডও নেই। এছাড়া উক্ত খতিয়ানে নাজিরের দস্তখতও নেই।
কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক (রাজস্ব) কার্যালয়ের স্মারক নং-১১৭৪/আরএম,তাং-২৭/৭/২০১৪.
সহকারী কমিশনার ভুমি সদর এর কার্যালয়ের থেকে ২৪/১২/২০১৪ ইং দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন এমনই তথ্য মিলেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সহকারী কমিশনার ভুমি সদর এর কার্যালয়ের সৃজিত ১১৩৩৪ নং খতিয়ানে নাজির এবং সহকারী কমিশনার ভুমি এর দস্তখত নেই। নামজারী মামলার মুল নথিও নেই। পরবর্তীতে মিচ পিটিশন মামলা নং-৪৭০/২০১৪ মুলে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কার্যালয়ে ২৭/৭/২০১৩ ইং তারিখে ১১৭৪ নং স্মারক মুলে সৃজিত ১১৩৩৪ নং খতিয়ান স্থগিত করেন।
অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে,

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কার্যালয়ে স্থগিতকৃত ও ভুঁয়া খতিয়ানকে পুঁজি করে
অস্থিতববিহীন, স্থগিত করা নামজারী ১১৩৩৪ খতিয়ান দিয়ে সেলিম রেজাগং রেজি: দলিল নং -৫২২ মুলে গত ২০/২/২০২০ সালে ওই এইচএম নুরুল আলম প্রত্যাহারযোগ্য আমোক্তার নামা করেন। জমিতু নেই-ই, যেখানে খতিয়ানই স্থগিত করা হয়েছে; সেখানে কতবড় জাল জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভুঁয়া খতিয়ান প্রদর্শন করেন। এরপরে এন আলম প্রকাশ কেরোসিন আলম বিগত ২০/২/২০২০ ইং সেলিম রেজাগং হতে জাল জালিয়াির মাধ্যমে অপ্রত্যাহার যোগ্য আমোক্তার নামা নিজের পক্ষে গ্রহণ করে। সেই নুরুল আলম নিজের নামে ভুঁয়া খতিয়ান দিয়ে জমির আমোক্তার নামা করে বেআইনী স্বাধীন ট্রাভেসল লি: এর নাম ভাঙ্গিয়ে জমি দখলের চেস্টা চালাচ্ছে।

তবে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আইসিটি ও শিক্ষা কক্সবাজার আদালতে নামজারী আপিল মামলা নং ৫৪/২০ ( বাদী- এড. নুরুল হক) ও মামলা নং-৬৯/২০ ( বাদী-সাইফুল ইসলাম চৌধুরী) মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভুয়া বিএস খতিয়ান নং-১১৩৩৪ এর কার্যক্রমও স্থগিত করেন। এছাড়াও কক্সবাজার কলাতলি আর্দশ গ্রাম এলাকার সিরাজ আহম্মদের ছেলে বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে ভুয়া খতিয়ানে আমোক্তার নামা দাতা সেলিম রেজা গং এর বিরুদ্ধে যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত কক্সবাজার অপর ৩৮১/২০১৯ নং মামলা দায়ের করেন। মামলাটিও বিচারাধীন। ২০১৯ সালে দেওয়ানী মামলা ও ২০১৪ সালে নামজারী আপিল মামলা থাকার পরেও নুরুল আলম রেজি: আমোক্তার নামা নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে স্বাধীন ট্রাভেলস লি: এর সাইন বোর্ড টাঙিয়ে জমি দখলে মরিয়া হয়ে উঠায় জমি মালিকরা চরম উদ্বিগ্ন। নুরুক আলম ব্যক্তি আমোক্তার নামা নিয়ে একটি জয়েন্ট স্টক কোম্পানী সাইন বোর্ড তোলা নিয়েও যতেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

এই নুরুল আলমের বিরুদ্ধে ফৌজদারী অপরাধে বিভিন্ন ব্যক্তির দায়ের করা অসংখ্য
জিডি, মামলা ও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে রামু থানার সাধারণ ডায়েরি নং-৩৩২/১৭,১২১৯/১৭,৮৪৫/১৮, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্র আদালত নং-৪ কক্সবাজার এ ১০ লাখ টাকা চেক প্রতারণ মামলা নং- ১০৪৮/১৬ সহ আরো অসংখ্য অভিযোগও মামলা রয়েছে।

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃচট্টগ্রামের সাংবাদিক রানা সাত্তার(৩৩)কে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় তিনি গতকাল মঙ্গলবার আনোয়ারা থানায় অভিযোগ করেন।

রানা সাত্তার, আনোয়ারা ২নং বারশত,বোয়ালিয়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।তিনি ইংরেজীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে সুনামের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ সাংবাদিকতা করছেন। তিনি বর্তমানে ” দৈনিক তৃতীয় মাত্রা”(আনোয়ারা) ও “সাহারা টেলিভিশন” (চট্টগ্রাম ব্যুরো চিপ) হিসাবে দুটি সংবাদমাধ্যমের চট্টগ্রামের কাজ করে আসছেন। তিনি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম বিভাগীয় কমিটি’র যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক।তাকে বহুদিন যাবৎ একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার সম্মানহানিকর লিখালিখি,ফোনে হুমকি,গভীর রাতে বাড়িতে হুমকিসহ ও তার পরিবারের অর্থ সম্পদ আত্ত্বসাতের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।

রানা সাত্তার বলেন,সোহাগ খা নামের কুড়িয়ে পাওয়া এক ছেলেকে আমার বাবা আশ্রয় দিয়ে বড় করে তোলেন।পরে সেই ছেলে বারশত ইউনিয়নের ওয়াহেদ পাড়া থেকে বিয়ে করেন।আমার বাবা (মরহুম আবদুস সালাম) কে বাবা ডেকে মন জয় করে নেন।পরে তার মা মেরী বেগম নিজেকে স্ত্রী দাবি করেন।পালিত সন্তানটিকেও লেলিয়ে দিয়ে বাবা বলে সম্বোধন করে এবংপরে সুকৌশলে তারা আমার বাবার অবসরের সকল পাওনা ও এককালীন ২৮ লক্ষ টাকাসহ,ব্যাংক নমিনি,অফিসের সকল নমিনি ও তার ব্যাবহারিক জিনিসপত্রসহ স্থাবর-অস্থাবর হাতিয়ে নেয় তার মা ও সোহাগ।এক পর্যায়ে,আমার বাবার মৃত্যুর পর তাদের যাবতীয় মুখোশ খুলে যায়।তখন তাদের পরিচয় মিলে মেরী বেগম আগে বিয়ে হয় চান খা নামক এক ডাকাত সর্দারের সাথে।সেই ঘরে সোহাগ খা’র জন্ম হয়।যেহেতু সরকারি চাকুরির সুবাদে আমার বাবা ও আমি দীর্ঘদিন বিভিন্ন জেলায় ব্যাচেলর ছিলাম।ঠিক তেমনি বরিশালে থাকা অবস্থায় মেরি বেগম সোহাগ খা কে নিয়ে আমাদের বাসায় রান্না করে দিতে আসতো।তখন বহুবার সোহাগ খা এর বাবা চান খা আমার বাবাকে বুহুবার শাররীক নির্যাতন চালিয়েছিল।সর্বশেষ তাদের হাতেই বিনা চিকিৎসায় আমার বাবা মারা যায়।যদিও তার অবসরের বড় অংকের একটি টাকা ছিল কিন্তু তারা মা-ছেলে পুরাটাই আত্ত্বসাত করে ফেলে।যার ফলে তারা আর ভাল হাসপাতালে চিকিৎসা করায়নি।

এইসব কিছু নিয়ে আমার বাবার মৃত্যুর ৪১ দিন পর ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে একটি ঘরোয়া বৈঠক হয়।
তখন সোহাগ ও তার মাকে নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান নিয়ে কথা উঠলে তারা সেখান থেকে ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে পালিয়ে যায় ২০১৭সালে।তবে পালিয়ে তারা তাতে ক্ষান্ত হননি।বিগত চার বছর ধরে তার শশুরবাড়ির লোকজন ও দুই শ্যালক শওকত(৩০) ও হাসমত(২৭) কে বরাবরই লেলিয়ে দেয়া হয় আমার পিছনে।আমার বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তারা বহুবার বিভিন্ন অপকৌশল,অপপ্রচার, মিথ্যা,ভিত্তীহিন,বানোয়াট সোস্যাল মিডিয়াতে লিখালিখিসহ প্রান নাশের হুমকি দেন।তারা গভীর রাতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি ও আমার বৃদ্ধা মা ও ভাবির সাথে অশোভনীয় আচরন ও আশালীন ভয়ভীতি দেখাতে থাকে।তারা জোরালো কন্ঠে বলে আসেন বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্নভাবে এমন ভাবে ফাসাবেন আমাকে যেন আমার মায়ের ছেলে হারানো কষ্টে রাস্তায় নামতে হয়।তারা এক পর্যায়ে আমার সাংবাদিকতা পেশাকে কেন্দ্র করে আজে-বাজে লিখতে থাকেন।এহেন অবস্থায় আমি আইনের দারস্থ হই।বর্তমানে আমি নিজের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শিব্বির আহমেদ ওসমান। তিনি দ্রুত হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

আনোয়ারা থানার দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার বলেন, এ ঘটনায় সাংবাদিক রানা সাত্তার নিরাপত্তা চেয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 0

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, স্বাধীনতার পরাজিত অপশক্তি সুনিপুণ পরিকল্পনার মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের ১৫ জন সদস্যকে হত্যা করে। তাদের হাত থেকে নিষ্পাপ শিশু পুত্র রাসেল পর্যন্ত বাঁচতে পারেনি। ভাগ্যক্রমে বিদেশে থাকায় জাতির জনকের দুই কণ্যা বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা বেঁচে যান।

সেদিনের সেই একই শক্তি প্রিয় নেত্রীকে হত্যা করার জন্য ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালায়। সংঘটিত এই গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মী নিহত হন। আহত হন আরো পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী। যে অপশক্তি ৭৫’র ১৫ আগষ্ট ঘটিয়েছে সেই একই শক্তিই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারী।

ন্যাক্কারজনক এই হামলার মামলায় বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের ১৯ আসামির ফাঁসির দন্ড দিয়েছে আদালত। তারেক জিয়াসহ আরো ১৯ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে মোট ৪৯ জনের সাজা হয়েছে। আমি সরকারের কাছে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দ্রুত শাস্তি বাস্তবায়ন করার জন্য জোর দাবি জানাই।

আজ ২২ আগষ্ট বিকালে ইপিজেড মোড় বে শপিং সেন্টার চত্বরে জাতীয় শ্রমিক লীগ অন্তর্ভুক্ত বেসিক ইউনিয়ন সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগ সহসভাপতি শফর আলী।
ইপিজেড থানা হকারলীগ সভাপতি মো ডালিমের সভাপতিত্ব ও সাধারন সম্পাদক মো আবদুর রহিমের সঞ্চালনায়
আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো হারুনুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের,মহানগর শ্রমিক লীগ সহসভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরী,বেসিক ইউনিয়ন সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক মো এয়াকুব,সদস্য সচিব মো মিরন হোসেন মিলন, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসম্পাদক ইয়াসির আরাফাত,

চট্টগ্রাম সম্মিলিত হকার্স ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মো শাহ আলম, চট্টগ্রাম দোকান কর্মচারী ফেডারেশন সভাপতি মো আলমগীর, বৃহত্তর চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল বিশ্বাস, শ্রমিক নেতা মো জাহাঙ্গীী বেগ, এয়ার মোহাম্মদ খোকন, মো ফিরোজ আল মামুন,মো রফিকুল ইসলাম,মো ইয়াসিন, মো শিপন,মো বাবলু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

0 0

মো: রোকন উদ্দিন, বোয়ালখালী প্রতিনিধি: জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি হাজি আবুল মান্নান রানার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওসমান গণি সঞ্চনালয় ২২ আগস্ট বিকালে গোমদন্ডী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম -৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব বিয়ষক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন মোহাম্মদ এমরান। বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, সহ সভাপতি রেজাউল করিম বাবুল। প্রধান বক্তা ছিলেন বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাহাদাত হোসেন। উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামীম আরা বেগম, বোয়ালখালী পৌরসভা আওয়ামীলীগের আহবায়ক মোঃ জহুরুল ইসলাম জহুর, যুগ্ম আহবায়ক শেখ শহীদুল আলম,

উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল আলম, আকুবদন্ডী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি এম এ হাশেম ছিদ্দিকী, মোয়াজ্জেম হোসেন, সাঈদ হেলাল, নেজাম উদ্দিন মাষ্টার, ইউসুপ রেজা, যুগ্ম সম্পাদক কাজি খোরশেদ মিল্টন, সায়েম কবির, আবু সায়েম চৌধুরীসাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ হায়দার, মোঃ এরশাদ চৌধুরী,

পৌরসভা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম, মিজানুর রহমান বাপ্পী, শাকুপরা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ নাছের উদ্দিন, পোপাদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ, মোঃ মনসুর, জুয়েল ঘোষ, লিটন বিশ্বার্স, মাহাবুব আলম, আবুল হাসনাত রাসেল, বায়েজিদ রাজু, ওমর ফারুক, জাহাঙ্গীর রেজা, আবু বক্কর জীবন, ইকরামুল হক মুন্না, আরমান তালুকদার, মুজিবুল হক রোশনী, মোঃ ইয়াছিন প্রমুখ।

সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখছেন হাজি আবদুল মান্নান রানা

আলহাজ্ব মোছালেম উদ্দিন আহমদ এমপি ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু উচ্ছৃঙ্খল ও বিপথগামী সদস্য। সেই থেকে দিনটি বিশ্ব মানবসভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত শোকের দিন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। বাংলার ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তিনি চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে।
আজকের বাংলাদেশ যে উন্নয়নের ধারায় পরিচালিত হচ্ছে তা শুরু হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর হাতেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত বাংলার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে।

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের জবা বেগমের প্রবাসী মেয়ের নগ্ন ছবি ইমোতে দিয়ে চাঁদা দাবী করার অভিযোগে আদালতে মামলা করায় বখাটে কর্তৃক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতিতা মহিলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুুতি চলছে।

অভিযোগে জানাযায়, উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কতিপয় স্থাণীয় বখাটে জবা বেগমের মেয়েকে উতক্ত করতো। তাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মেয়েকে প্রবাসে পাঠিয়েদেন। মেয়েকে প্রবাসে পাঠিয়ে ও জবা বেগম ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছিলেন।

সম্প্রতি আদমপুর ইউনিয়নের জালালপুর
গ্রামের রিপন মিয়া,ইসলামপুর ইউনিয়নের টিলাবাজার গ্রামের মুিজব মিয়া , নতুন বাজার গ্রামের বিল্লাল মিয়া ও নতুনবাজার গ্রামের সৈয়দ আলী জবা বেগমের মোবাইলফোনের ইমোতে তার প্রবাসী মেয়ের নগ্ন ছবি দিয়ে চাঁদা দাবী করে। জবা বেগম চাঁদা না দিয়ে তাদের বিরুব্ধে মৌলভীবাজার আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। এতে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ইসলামপুর গ্রামে বৈইতুলার নেতৃত্বে উল্লেখিত আসামীরা ২১ আগষ্ট রাতে জবার বাড়ীতে গিয়ে হামলা চালায়। হামলায় জবা বেগম আহত হয়। জবা বেগম এখন কমলগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুুতি চলছে।

0 0

ঢাকা, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২০:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় বেগম খালেদা জিয়ারও।’

শনিবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দ্রুত বিচারের দাবিতে’ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী এসময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে শহীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্য এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ও তাদের আত্মার শান্তিকামনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম জিয়া দেশের প্রধান বিরোধীদলীয় নেত্রীর নিরাপত্তা বিধান করতে পারেননি, সেই দায় তিনি এড়াতে পারেন না, তার জ্ঞাতসারেই এটা হয়েছে। এবং এই হামলার বিচারকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য তখন যা কিছু করা হয়েছে, সবকিছুর দায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার ওপর বর্তায়। অর্থাৎ তিনিও এই অভিযোগে অভিযুক্ত বিধায় পরিপূর্ণ বিচারের জন্য তাকেও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।’

১৬ বছর আগে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পাহারায় বাধা দিয়ে, গ্রেনেড হামলা করে নিহত-আহতদের উদ্ধারে ও চিকিৎসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কথা স্মরণ করে সেই হামলায় আহত সাক্ষী হিসেবে ড. হাছান বলেন, এই গ্রেনেড হামলা শুধু বাংলাদেশের নয় পৃথিবীর ইতিহাসেই একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। সমসাময়িক বিশ্বে আর কোথায় সংসদের বিরোধী দলের নেতা যেখানে বক্তব্য রাখছেন, সেখানে এরকম গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে?- প্রশ্ন রাখেন তিনি।

‘হত্যা-খুনই বিএনপি’র রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মসনদে আরোহণ করেন, ক্ষমতা নিষ্কন্ঠক রাখতে সেনাবাহিনীর শতশত জওয়ানকে হত্যা করেন। বেগম জিয়াও একইপথ অনুসরণ করেন। বিএনপি আমলে শাহ এএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার, মমতাজ উদ্দীন, মঞ্জুরুল ইমামকে জনসভার মধ্যে হামলা করে হত্যা করা হয়েছে। শেখ হেলাল, সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের ওপর হামলা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিন ক্ষমতা ধরে রাখার প্রয়াসে এবং খায়েশে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এইসব হামলা পরিচালিত হয়।’

এইসব কারণেই কানাডার আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে রায় দিয়েছে, অর্থাৎ আন্তর্জাতিকভাবেও বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল হিসেবে স্বীকৃত, জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গতকাল বিএনপি নেতারা অনেকে অনেক কথা বলেছেন। সেগুলো সবই ‘ঠাকুর ঘরে কে রে! আমি কলা খাই না’ ধরনের কথা। তাদের উচিত এই ঘৃণ্য হামলার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। তাহলে হয়তো জনবিচ্ছিন্ন বিএনপিকে আবার জনগণ কাছে নিলেও নিতে পারে।’

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা
ব্যারিস্টার জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাদত হোসেন টয়েলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম, আহমেদ ইমতিয়াজ মন্নাফী, স্বাধীনতা পরিষদ সভাপতি জিন্নাত আলী জিন্নাহ প্রমুখ।

0 0

আজ ২২ শে আগষ্ট শনিবার সকাল ১১ টা বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম।
বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদিকা লুবনা হুমায়ুন
সুমির সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী,লেখক চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উপদেষ্টা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।
এতে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় কমিটির সিনিঃ সহ-সভাপতি লায়ন মোহাম্মদ কবিরুল ইসলাম, সহ- সভাপতি নুরুল পাশা বাবুল, অর্থ সচিব মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সচিব আবিদা সুলতানা চৌধুরী, ক্রীড়া সচিব এম. এ. মতিন,দপ্তর সচিব মোহাম্মদ নুরুল আবছার, সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,হ্যাপিময়ী দে, মোহাম্মদ নাজমুল আলম ভুঁইয়া,পানু রানী পাল,অঞ্জুশ্রী চক্রবর্তী, মোহাম্মদ নুুরনবী,ফাতেমা বেগম,গোলাম রাব্বী,ইসরাত জাহান,শাহীনুর আকতার,মোহাম্মদ আশরাফ, মোঃ আবদুর রহিম,মোহাম্মদ শামীম শিকদার, মোহাম্মদ হোসাইন রিন্টু, সিপ্তী কণা বড়ুয়া, শাহানাজ আকতার, রাশেদা বেগম, ইয়াসমিন বেগম, মোহাম্মদ নুরউদ্দিন (রুবেল),আনিসুল হক,চিটাগাং ইংলিশ স্কুল এর পক্ষে সূচনা ধর সহ প্রমুখ। সভায় শিক্ষকদের মাসিক ভাতা, খাদ্য সহায়তা, শিক্ষকদের জন্য রেশন কার্ড ও স্কুল পরিচালকদের জন্য লোনের ব্যাপারে আলোচনা হয়।
সভায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কিন্ডার গার্টেন বাঁচাও, শিক্ষক বাঁচাও আন্দোলনে এক থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয় । সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

0 0

চট্টগ্রাম- ২২ আগস্ট ২০২০ :চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, সচছতা, সততা, নিষ্ঠা ও সামর্থ্য উজার করে দিয়ে সিটি কর্পোরেশনের মোট জনবলকে গতিশীল, দায়িত্ব ও কর্তব্যে সচেতন করে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই। এজন্য চসিকের প্রত্যেক বিভাগ ও শাখায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকরের পরামর্শ ও সহযোগিতাই কাম্য।

আজ সকালে নগরীর দামপাড়াস্থ জমিয়তুল ফালা মসজিদ প্রাঙ্গনে চসিকের আবর্জনা বহনকারী ট্রলি গাড়ীর সার্বিক চিত্র পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি আবর্জনা কাজে নিয়োজিত ট্রলির ড্রাইভার ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন।

প্রশাসক তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, যেসব এলাকার গলিতে টমটম ট্রলি যেতে পারছেনা সেখানে আমদের রিক্সাভ্যান রয়েছে। রিক্সাভ্যানে করে আবর্জনা নিয়ে এসে রাস্তায় টমটম ট্রলিতে দ্রুত পৌঁছাতে হবে। যাতে করে নগরবসী আবর্জনার দূর্ভোগ পোহাতে না হয়। এমনিতে বর্ষার মৌসুমে রাস্তা খোঁড়া-খুঁড়ির কারনে জনদূর্ভোগ চরমে।

নগরবাসী আমাদের প্রাপ্য ট্যাক্স আমাদের দিচ্ছেন তাদের সেবাও যাতে নিশ্চিত করা যায় সেজন্য সবাইকে ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যথায় আমরা বিবেক তাড়িত হবো। তিনি বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের আবর্জনা গাড়ী বেশি আছে অথচ কোন কোন ওয়ার্ডে এই গাড়ী পাওয়া না পাওয়ার অভিযোগ আছে।

তাই সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গাড়ি প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ৬১ টি টমটম ট্রলি রয়েছে এরম্যধ্য ৬০ সচল রয়েছে। পরিদর্শনকালে চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম,

তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, প্রকৌশলী জয়সেন বড়–য়া উপস্থিত ছিলেন।

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কদমতলী ফেরিঘাট এলকায় মেম্বারের কলোনীতে হারুনের জুয়ার আসর জমজমাট হয়ে উঠেছে। জুয়াড়ী হারুন কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই ফেরীঘাটের ওই কলোনীতে স্থানীয় নেতা-খেতাদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে জুয়ার বোর্ড। প্রকাশ্যে এই জুয়ার আসর বসলেও নিরব ভূমিকা পালন করায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমার শীর্ষ জুয়াড়ী হারুন সে দীর্ঘ দিন থেকে এই কলোনীতে জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু স্থানীয় কিছু প্রতিবাদীরা এই জুয়ার বোর্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে তার কোন সুফল পাচ্ছেন না। যার ফলে সে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

গত শনিবার (১৫ আগস্ট) কদমতলী বালুর মাঠ থেকে ৬ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ। তবে রহস্যজনক কারণে হারুনের জুয়ার আস্তানায় কোন অভিযান হয়নি।

ফেরিঘাট যেন জুয়াড়িদের অভয়ারণ্য। নেই কোন পুলিশী অভিযান। বিধায় এই জুয়ার আসরে পার্শ্ববর্তী এলাকাসহ দুর-দুরান্ত থেকে জুয়াড়ীরা জুয়া খেলতে আসে। জুয়াড়ীরা কোন প্রকার ভয়ভীতির তোয়াক্কা না করে নির্বিগ্নে প্রকাশ্যে দিনে ও রাতের অন্ধকারে লাইট জালিয়ে জুয়া খেলা চালিয়ে যাচ্ছে। জুয়া খেলার পাশাপাশি বাংলা মদ, ফেন্সিডিল ও গাজার ব্যবস্থা থাকায় উঠতি বয়সের ছেলেরা এখানে এসে ভীড় জমায়। ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাই বেড়েই চলছে। জুয়া খেলার নিয়ন্ত্রণ ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে প্রায়ই ঘটছে মারামারির ঘটনা।

হারুনের এই জুয়ার আস্তানা বন্ধে প্রশাসনের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন দক্ষিণ সুরমা কদমতলী ফেরিঘাট এলকার স্থানীয় সচেতন মহল।

0 0

চট্টগ্রাম- ২২ আগস্ট ২০২০ চট্টগ্রামে সনাতনী সম্প্রদায়ের মরদেহ সৎকারের প্রধান শ্মশান বলুয়ারদীঘি অভয়মিত্র মহাশ্মশান। শর্তবর্ষী এই শশ্মান দীর্ঘকাল হতে জোয়ারের পানির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার সংকটে নিমজ্জিত। আজ সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এই মহাশ্মশান পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন।

এলাকাসী প্রশাসককে জানান যে, অনেক বছর ধরে এভাবে হাঁটু সমান পানিতে মরদেহ দাহ করতে হচ্ছে তাদের। খালসংলগ্ন অভয়মিত্র মহাশ্মশানটি একটু নিচু হওয়ায় প্রতিদিনই জোয়ারের পানি উঠছে। বৃষ্টির সময় পানি আরও বেড়ে যাওয়ায় দাহ করার জন্য আনা মরদেহ রাখার জায়গা থাকে না। অনেক সময় জোয়ার-ভাটা দেখে মরদেহ সৎকারের সময় নির্ধারণ করতে হয়। অভয়মিত্র মহাশ্মশানে জোয়ারের পানির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার সংকট নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ জরুরী।

চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন সার্বিক পরিস্থিতি ও পানি উঠার কারণ নির্ণয় করে বলেন, মাটি ভরাট করে অভয়মিত্র মহাশ্মশান উঁচু করা হলে জোয়ারের পানি আর এই স্থানে প্রবেশ করতে পারবে না। জলাবদ্ধতা না থাকলে সনাতন সম্প্রদায় তাদের আপনজনের মৃতদেহ সৎকার যথাযথ ধর্মীয় নিয়মনীতি অনুসরণ করে নিরাপদে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবে। এজন্য তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত এই মহাশ্মশানের জন্য তরিৎ পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষনা দেন।

তিনি বলেন, গতকাল আমাদের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান মাননীয় শি¶া উপমন্ত্রী নওফেল এই মহাশ্মশানের জন্য অনুদান পাঠিয়েছেন। আগামীতে বলুয়ারদীঘি অভয়মিত্র মহাশ্মশানের সার্বিক উন্নয়নেও তিনি পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। আমাদের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী থাকলে হয়তো এতদিনে এই দূদর্শা থাকতো না। তিনি অনেক আগেই এই মহাশ্মশানের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন।

যে অনুদান পাওয়া গেছে তাতে সাময়িক কষ্ট লাঘব হলেও এরজন্য চাই পরিকল্পিত ও কার্যকর পদক্ষেপ। প্রশাসক বলেন, যেহেতু মহাশ্মশানটি সিটি করপোরেশনের পরিচালনাধিন। তাই একটি সুন্দর পরিকল্পিত মহাশ্মশান করার জন্য আমরা কার্যকর পদক্ষেপ নেব। এর জন্য সব মহলের মতামত ও পরামর্শ নেয়া হবে। আমাদের এমনভাবে মহাশ্মশানটি সংস্কার করতে হবে যাতে পাশের এলাকা ¶তিগ্রস্ত না হয়। তিনি দু:খ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দেখেছি মহাশ্মশান উঁচুকরণ ও সংস্কারের জন্য প্রতি বছর নানা উদ্যোগ হাতে নেয়া হতো।

কিন্তু বাস্তবায়ন কিছুই হয় না। মহাশ্মশানের পেছনে বয়ে যাওয়া চাক্তাই খালে স্লুইস গেইট স্থাপন করলে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এতে করে জোয়ারের সময় স্লুইস গেট বন্ধ করা হলে শ্মশানে মৃতদেহ সৎকারে জল দুর্ভোগ সমস্যা নিরসন হয়ে যেতো। তবে এখন আর সময় নষ্ট করার সময় নাই। আশাকরছি খুব শীঘ্রই মহাশ্মশানটির উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু করব।

এসময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী মুনিরুল হুদা, অভয়মিত্র মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সাবেক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, সাধারণ সম্পাদক বিজয় কিশান চৌধুরী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর পেয়ার মোহাম্মদ,

কাউন্সিলর প্রার্থী রুমকী সেন গুপ্ত, টুনটুন চক্রবর্তী, চসিক পূজা কমিটির রতন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।