Home Featured
Featured posts

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি ঃ
কুতুবদিয়া চ্যানেলে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ড্রেজার ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. হেলাল চৌধুরী অভিযান চালিয়ে মালেক শাহ নামের একটি ড্রেজার মালিককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন।

জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তর ধুরুং আকবর বলী পাড়া এলাকায় উপকুল চ্যানেলে মালেক শাহ নামের একটি ড্রেজার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল।
বিষয়টি অবগত হয়ে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী কুতুবদিয়া জোনের কোস্টগার্ডের সহায়তায় অভিযান চালান।

এসময় নদী রক্ষা ও পরিবেশ ক্ষতিকারক হিসেবে অবৈধভাবে বালু তােলায় ড্রেজার মালিককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। ড্রেজারে মালিক না থাকায় তাৎক্ষণিক জরিমানার অর্থ পরিশােধ করতে না পারায় অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে বৃহস্পতিবার মালিক পক্ষ জরিমানার অর্থ পরিশােধ করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন সব সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবে বলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী জানান তিনি।

আয়াজ আহমাদ:

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ রাত ১১ ঘটিকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট রায়পুর কর্তৃক রায়পুর থানাধীন পুরানবেড়ী ঘাট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চাইনিজ কুড়াল , রামদা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ০৭ ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয় । গােপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনা নদীতে ডাকতির প্রস্তুতিকালে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয় ।

অভিযান চলাকালীন সময় মেঘনা নদীতে সন্দেহজনক দুইটি নৌকা থামার জন্য সংকেত দেওয়া হলে ডাকাত দল নৌকাসহ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে । কোস্ট গার্ড সদস্যরা ধাওয়া করে একটি নৌকা ও ডাকাত দলের সাত সদস্যকে আটক করে । পরবর্তীতে জব্দকৃত নৌকাটি তল্লাশি করে ০৫ টি রামদা , ০১ টি চোখা রাকসা , ০১ টি লােহার পাইপ এবং ০১ টি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করে ।

আটককৃত ডাকাত দলের সদস্যরা হলাে- ১। আক্তার মােল্লা ( ২৮ ) , পিতাঃ ওলিউদ্দিন মােল্লা , ২। দীন ইসলাম হাওলাদার ( ২৫ ) , পিতাঃ নেছার উদ্দিন হাওলাদার , ৩। বাকের শিকদার ( ২৬ ) , পিতাঃ বাগন আলী শিকদার , ৪। মােক্তার মােল্লা ( ২০ ) , পিতাঃ অলিউদ্দিন মােল্লা , ৫। ইসমাইল মােল্লা ( ২২ ) , পিতাঃ সাত্তার মােল্লা ,

৬। আক্তার রারী ( ২৩ ) , পিতাঃ কবির রারী , ৭। শফিক হাওলাদার ( ২১ ) , পিতাঃ নেছার উদ্দিন হাওলাদার । আটককৃত সদস্যরা সবাই বরিশাল জেলার হিজলা থানার মান্দ্রা চর খুশিরা গ্রামের বাসিন্দা । পরবর্তীতে আটককৃত ডাকাতদের চাইনিজ কুড়াল , রামদা ও দেশীয় অস্ত্রসহ রায়পুর থানায় হস্তান্তর করা হয় ।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এখতিয়ারভুক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তার পাশাপাশি জলদস্যুতা , বন – দস্যুতা ও ডাকাতি দমনে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

0 0

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত সাংবাদিক বুরহান উদ্দীন মুজাক্কিরের খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবীতে সারা দেশে একইদিনে একযোগে বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে মানববন্ধন এর আয়োজন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন তৃণমুল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্, মানবাধিকার কমিশন জেলা গভর্নর আমিনুল হক চৌধুরী বাবু, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম সভাপতি শিব্বির আহমদ ওসমান, সাংবাদিক নুরুল কবির, সমাজকর্মী নেচার আহমেদ খান, সাংবাদিক কামাল হোসেন, সংগঠক এম নুরুল হুদা চৌধুরী, সাংবাদিক প্রকৌশলী দিলু বড়ুয়া জয়ীতা, সাংবাদিক রতন বড়ুয়া, পরিবেশ বিদ মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, সাংবাদিক জাবেদুর রহমান, সমীরণ পাল, সিরাজ উদ্দিন, মোহাদ্দেচ আহমেদ আসিফ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করতে হবে। অন্যথায় বৃহৎ কর্মসূচি নেওয়া হবে। মুজাক্কিরের পরিবারকে ক্ষতি পূরণ প্রদানের দাবি জানাচ্ছি। সাংবাদিক ছোট বড় হয়না। সাংবাদিকরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে প্রতিটি ক্ষণ থাকে অথচ তারা কাজ করছে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আবেদন জানান।

প্রসঙ্গত গত শুক্রবার বিকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে সংবাদ সংগ্রহের সময় গুলিবিদ্ধ হন বাংলাদেশ তৃনমুল সাংবাদিক কল্যান সোসাইটি নোয়াখালী জেলার প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির। শনিবার রাত ১০টা ৪৫মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

নিহত মুজাক্কির দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার ও অনলাইন পোর্টাল বার্তা বাজারের প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের নোয়াব আলী মাস্টারের ছেলে। নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে সম্প্রতি রাষ্ট্র বিজ্ঞানে মাস্টার্স শেষ করে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়েছিলেন তিনি।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শপিং সেন্টার চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আপামর জনতার প্রাণপুরুষ প্রয়াত মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর হাত ধরে তৈরি হয়েছিল এই দ্বিতল চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স।

ঐতিহ্য এবং সুনামের সাথে সিটি কর্পোরেশনের একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এই শপিং কমপ্লেক্সটি,কিন্তু সম্প্রতি চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স এর উপর কিছু দুর্নীতিবাজ অর্থলোভী এবং লুটেরাদের নজরে পড়ে প্রায় ধ্বংস হতে বসেছে এই দীর্ঘ বছরের পুরনো ও জনপ্রিয় চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সটি।

সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের নামে হরিলুট এবং অবৈধ দখলদারিত্ব কে প্রাধান্য দিয়ে কোনরূপ অনুমতির তোয়াক্কা না করে এবং সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশনের কারো কোন অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়া মার্কেট কর্তৃপক্ষ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের কথা বলে মার্কেটের ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীদের জীবনের ঝুঁকি সৃষ্টি করে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ এবং মার্কেটের আলো-বাতাস বন্ধ করে দিয়ে মার্কেটের পার্কিং জায়গা সহ অবৈধভাবে দখল করে দোকান নির্মাণের কাজ চলছিল। যার কারণে মার্কেটে প্রায় বিভিন্ন পয়েন্টে ফাটল সৃষ্টি হয়। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে ভয়ানক দুর্ঘটনা, কেড়ে নিতে পারে মার্কেটে বসবাসরত ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীদের জীবন। যার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ব্যবসায়ী ও সাধারণ কর্মচারীরা,এক পর্যায়ে তাদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ এবং প্রতিবাদের মুখে মার্কেট কর্তৃপক্ষ তাদের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

অভিযোগ আছে মার্কেটের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ করায় চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের ৩৭০জন ব্যবসায়ীর সমন্বয়ক মোস্তফা কামাল নিজেই জানিয়েছেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টাও করা হয়েছে, ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিনি, এ ব্যাপারে তিনি আরো জানান অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে যদি তার মৃত্যু হয় এতে তার কোনো দুঃখ নেই।

উক্ত মার্কেটের দুর্নীতি এবং অনিয়মের ব্যাপারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর টনক নড়ে সিডিএ কতৃপক্ষ,সিটি কর্পোরেশন এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। শুরু হয় তোড়জোড় গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তদন্তে উঠে আসে অনেকে কাহিনী, তদন্তে উঠে আসে দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র। তদন্ত কমিটির তদন্তে প্রমাণ পায় কিভাবে একটি মার্কেট কে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছিল।

সম্প্রতি চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন গত ২০শে জানুয়ারি গণকন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর তদন্তে আসে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্তে সরোজমিনে দেখার জন্য আসেন চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগ ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী রাহুল গুহ। তিনি নিজেই উক্ত দুর্নীতির চিত্র নিজ মোবাইলে ধারন করে নেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গণকণ্ঠ কে তিনি বলেন সিটি কর্পোরেশন এবং সিডিএ রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং তিনি নিজেও উক্ত ব্যাপারটি সরেজমিনে তদন্ত করে এসেছেন তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে খুব শীঘ্রই দু সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

রিপোর্ট হুমায়ুন কবীর হীরু
স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে মুজিব শতবর্ষ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২১ অদ্য ২৫ ফেব্রæয়ারি ২০২১ইং সকাল ৯.৩০ টায় চট্টগ্রাম এম.এ আজিজ স্টেডিয়ামে উদ্বোধন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করে সিজেকেএস সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) চট্টগ্রাম, সিজেকেএস ক্রিকেট কমিটি ও টুর্নামেন্ট সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাজমুল আহসান এর সভাপতিত্বে এবং সিজেকেএস নির্বাহী সদস্য ও ক্রিকেট কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হাসান মুরাদ বিপ্লব এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিজেকেএস নির্বাহী সদস্য ও টুর্নামেন্ট সাংগঠনিক কমিটির সদস্য সচিব এ.কে.এম. আবদুল হান্নান আকবর।

আরো বক্তব্য রাখেন টুর্নামেন্ট সাংগঠনিক কমিটির কো-চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিজেকেএস সহ-সভাপতি আলহাজ্ব দিদারুল আলম চৌধুরী, এ.কে.এম. এহসানুল হায়দার চৌধুরী (বাবুল),

মো: হাফিজুর রহমান, সিজেকেএস যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, মোঃ মশিউর রহমান চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ আবুল বশর, মোহাম্মদ ইউসুফ, গোলাম মহিউদ্দীন হাসান, মোহা: শাহজাহান, মো: দিদারুল আলম, নাসির মিঞা, প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, মো: হারুন আল রশীদ, সিজেকেএস ক্রিকেট কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দীন আহমেদ,

যুগ্ম সম্পাদক মো: শওকত হোছাইন, সিজেকেএস কাউন্সিলরবৃন্দ, যে সকল মরহুম ব্যক্তিদের নামে টুর্নামেন্টে দলের নামকরণ করা হয়েছে তাঁদের পরিবারবর্গ, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দল সমূহের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, সহকারী প্রশিক্ষক, ম্যানেজার এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ।

আজকের উদ্বোধনী খেলায় আব্দুর রশিদ দল ১৫ রানে আল্লামা মো : ইকবাল দলকে পরাজিত করে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করে। উক্ত খেলায় আব্দুর রশিদ দলের খেলোয়াড় আবু নেওয়াজ লিখন ব্যক্তিগত ৪৭ বলে ৬০ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়। তাকে ক্রেস্ট প্রদান করেন সিজেকেএস কাউন্সিলর তানভীর আহমেদ চৌধুরী। (স্কোর কার্ড সংযুক্ত)

দিনের ২য় খেলায় হাজী রফিক আহমেদ দল ১০ উইকেটে আলহাজ্ব রাশেদ আজগর চৌধুরী দলকে পরাজিত করে। উক্ত খেলায় হাজী রফিক আহমেদ দলের খেলোয়াড় মো: রোকন ব্যক্তিগত ৫৩ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।

তাকে ক্রেস্ট প্রদান করেন সিজেকেএস কাউন্সিলর ও সিডিএফএ সভাপতি এস.এম শহীদুল ইসলাম। (স্কোর কার্ড সংযুক্ত)

আয়াজ আহমাদ:

২৪/০২/২০২১ তারিখ ২৩:২৫ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনপুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) এরনেতৃত্বে কোতোয়ালি থানা পুলিশ কোতোয়ালী থানাধীনসিআরবি ফ্রান্সিস রোড সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনাকরে ৩০০টি তাস খেলার কার্ড, ১৪,১২৯/- টাকা সহ মোঃ আবুলহোসেন,

মোঃ ইউসুফ, মোঃ সুমন, জাকির হোসেন, আরিফুল ইসলাম, মোঃ রকিব, মোঃ মনির হোসেন, ইকবাল হোসেন,মোঃফিরোজ, মোঃ মুরাদ, মোঃ ফয়সাল, মোঃ আল আমিন, মোঃইসমাইল হোসেন, মোঃ সুহেব আহাম্মদ প্রঃ রাজু, দনী দাশ নিরব মোঃ সোহাগ কে আটক করা হয়

গ্রেফতার কৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নগরীর কোতোয়ালি থানায়নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে

গ্রেফতারকৃতদের নাম ঠিকানাঃ

১। মোঃ আবুল হোসেন (৩৫), পিতামৃত ইউনুছ মিয় ,মাতাফাতেমা বেগম, সাংসাচার, হাজী বাড়ী, সাচার ইউনিয়ন, থানাকচুয়া, জেলাচাঁদপুর, এপি৩৪/ বাচ্চু বাংলো, রেলওয়েস্টাফ কোয়ার্টার, সিআরবি , থানাকোতোয়ালী, চট্টগ্রাম,

২। মোঃ ইউসুফ  (৪১), পিতামৃত মোঃ মাহফুজ ভ্ইুয়া, মাতামনোয়ারা বেগম, সাংপূর্ব জয়পুর, ভুইয়া বাড়ি, ০৯ নংইউনিয়ন, থানাছাগলনাইয়া, জেলাফেনী,

৩। মোঃ সুমন (২২), পিতামোঃ হেলাল, মাতাবিউটি বেগম, সাংভুলুখন্ড, সর্দ্দার বাড় ,  থানানইরা, জেলাশরীয়তপুর,  এপিসাগরদের বাড়ী, কবর স্থানের পাশে, ঈদগাও বউ বাজার, থানাহালিশহর, জেলাচট্টগ্রাম,

৪। জাকির হোসেন (৩০) পিতাআমির হোসেন, মাতাশেফালী বেগম, সাংদক্ষিন নাজিরপুর, হাশিম সওদাগরের বাড়ী, ০৮ নং ইউনিয়ন, থানাসুধারা , জেলানোয়াখালী,  এপিঝর্নাপাড়া, আনোয়ারের গ্যারেজ, জোর ডেবারপাড়, থানাপাহাড়তলী, জেলাচট্টগ্রাম,

৫। আরিফুল ইসলা(২৪), পিতাআব্দুর রউফ, মাতাসামছুন্নাহার, সাংআকদিয়া, মহিলা মেম্বারের বাড়ী, ০৩ নংইউনিয়ন, পোঃ গুনপতি, থানাচৌদ্দগ্রাম, জেলাকুমিল্লা, এপিশাহআলম কোম্পপানীর গ্যারেজ, শাখপাড়া, থানাসদরঘাট, জেলাচট্টগ্রাম,

৬। মোঃ রকিব (২৪), পিতামোঃ শফিক, মাতাতাসলিমাবেগম, সাংউত্তর পেন্নই, হাসান আলী প্রধান বাড়ী, ছিগাইলইউনিয়ন, থানামুরাদনগর, জেলাকুমিল্লা, এপিনুর হাজীকলোন , ১নং গলি, ১নং বাসা, মিয়াখাননগর, থানাবাকলিয়া, জেলাচট্টগ্রাম

৭। মোঃ মনির হোসে(২০), পিতামোঃ নুরুল ইসলাম, মাতামাফুজা বেগম, সাংরঘোনাথ পুর, নুরুল ইসলাম এরবাড়ী, থানাতিতাস, জেলাকুমিল্লা, এপিকাশেম সওদাগরেরবাড়ী, নিচ তলা, পূর্ব মাদরবাড়ী নেওয়াজ হোটেলের সামনে, থানাসদরঘাট, জেলাচট্টগ্রাম

৮। ইকবাল হোসেন (২২), পিতামনির হোসেন, মাতাআসমা আক্তার, সাংমেরপুরা, মোল্লা বাড়ী, থানাব্রাহ্মনবাড়ীয়াসদর, জেলাবাহ্মনবাড়ীয়া, এপিমেট্টন কলোন , মালিপট্টি, রেলওয়ে হাসপাতালের পিছনে, থানাকোতোয়ালী , জেলাচট্টগ্রাম,

৯। মোঃ ফিরো(৩১), পিতামোঃ হারুন, মাতালাভলীবেগম, সাংরামবালা, কালা মিয়া সওদাগরের বাড়ী, ২৩ নংওয়ার্ড, থানাসুধারাম, জেলানোয়াখালী, এপিসিরাজসওদাগরের বাড়ী , দেওয়ানহাট দিঘীর পাড়, থানাডবলমুরিং, জেলাপচট্টগ্রাম,

১০। মোঃ মুরাদ, (২৮), পিতামৃত মোঃ হামিদ, মাতারেজিয়াবেগম, সাংফুলতলী, কালুরঘাট, হানিফ ড্রাইভারের বাড়ী, থানাবোয়ালখালী, জেলাচট্টগ্রাম এপিনাজিরপুল আব্বাসসওদাগরের কলোনী থানাডবলমুরিং জেলাচট্টগ্রাম

১১। মোঃ ফয়সাল, (২৪), পিতাআবু জাফর, মাতানার্গিসবেগম, সাংমোড্ডা বাড়ি, থানানাঙ্গলকো , জেলাকুমিল্লা, এপিএনায়েত বাজার বাটালী রোড বরফ কল রফিকউদ্দিন লেনকামাল সাহেবের বাড়ী থানাকোতোয়ালী , চট্টগ্রাম,

১২। মোঃ আল আমিন (২০), পিতামনির হোসেন, মাতামমতাজ বেগম, সাংনয়নপুর পেট্রো বাংলো আরজা মিয়ার বাড়ীথানাকসবা, জেলাব্রাহ্মনবাড়ীয়া, এপিএনায়েতবাজার বরফকল জাকির সওদাগরের কলোনী থানাকোতোয়ালী, জেলাচট্টগ্রাম,

১৩। মোঃ ইসমাইল হোসেন (৩৮), পিতামৃত মোঃ কালুমিয়া, মাতাজমিলা বেগম, সকাংভবনঘর বড় বাড়ী, থানামুরাদনগর, জেলাকুমিল্লা, এপিআমবাগান ইউসুফ স্কুলেরসামনে থানাখুলশী, জেলাচট্টগ্রাম,

১৪। মোঃ সুহেব আহাম্মদ প্রঃ রাজু (৩৭), পিতামৃতশফিকুল হক, মাতাহাফসা বেগম, সাংনিহাশপুর ২নংলক্ষিপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়ন, থানাকানাইঘাট, জেলাসিলেট, এপিআমবাগান রব কোম্পানীর গ্যারেজ, থানাখুলশী, জেলাচট্টগ্রাম

১৫। দনী দাশ নিরব(৩২), পিতামৃত রাখাল চন্দ্র দাশ, মাতাসাধনা বালা দাশ, সাংসুন্দরপুর ইউনিয়ন, ৭নং ওয়ার্ডথানাফটিকছড়ি, জেলাচট্টগ্রাম,  এপিহেমসেন লেইন মনজুমিয়ার বিল্ডিং নিচ তলা , থানাকোতোয়ালী  জেলাচট্টগ্রাম

১৬। মোঃ সোহাগ (২০), পিতাতাহের উদ্দিন, মাতাসাফিয়া বেগম, সাংকান্দিপাড়া, থানাকেন্দুয়া, জেলানেত্রকোনা, এপিকদমতলী চেয়ারম্যান গলি , থানাসদরঘাট, জেলাচট্টগ্রাম

0 0

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বোয়ালিয়া আয়োজনে শাহ শখদুম কলেজ মাঠে বিট পুলিশিং সমাবেশ এর আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক মহোদয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মোঃ সুজায়েত ইসলাম, অতিরিক্তি পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মোঃ মজিদ আলী বিপিএম মহোদয় সহ অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশানর (বোয়ালিয়া বিভাগ) মোঃ তৌহিদুল আরিফ, সহকারী পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া মডেল থানা) ফারজিনা নাসরিন, শাহ মখদুম কলেজ এর অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, বোয়ালিয়া মডেল থানা নিবারন চন্দ্র বর্মন, পিপিএম, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আব্দুল হামিদ সরকার টেকন, ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া বিভাগ) মোঃ সাজিদ হোসেন।

প্রথমেই পুলিশ কমিশনার মহোদয় উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও সালাম জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। পুলিশ কমিশনার তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, তিনি গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশে পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করার পরে রাজশাহী মহানগরবাসীকে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজশাহী মহানগরীতে প্রায় ২৭৫ টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং আগামী ২৬ মার্চ ২০২১ স্বাধীনতা দিবসে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়ার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন।

আরএমপি কমিশনার তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন যে, রাজশাহী মহানগরী প্রায় ১৭ লাখ মানুষ দরজা খোলা রেখে ঘুমাতে পারবে এখানে কোন চোর থাকবে না, মাদক থাকবে না, কোন সন্ত্রাস থাকবে না, কোন জঙ্গী থাকবে ন। রাজশাহী মহানগর হবে নিরাপত্তার নগরী, শান্তির নগরী ও গ্রীনসিটি।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন রাজশাহী মহানগরীর ৫০০ ছেলে-মেয়ের ডিজিটাল ডাটাবেজ করা হয়েছে এবং সাইবার ক্রাইম ইউনিট গঠন করা হয়েছে। যার সুফল ইতিমধ্যে নগরবাসী পেতে শুরু করেছে।

বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌছে দেয়া হবে বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

পুলিশ কমিশনার মহোদয় আরো বলেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশের যে স্বপন দেখেছেন তা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন এবং আইজিপি দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আগামী ২৬ মার্চ ২০২১ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশে hands-free পুলিশিং চালু হবে বলেও জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে ২৫ জন মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ী পুলিশ কমিশনার এর নিকট আত্ম সমর্পন করেন। আত্ম সমর্পন করা মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জিবনে ফিরে আসার জন্য পুলিশ কমিশনার তাদের অভিনন্দন জানান।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ হবে জনগণের আস্থার স্থল এই আশাবাদ ব্যক্ত করে এই সুন্দর আয়োজনের জন্য আয়োজকদের সহ শাহমখদুম কলেজের অধ্যক্ষ ও কাউন্সিলরবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

0 0

নোয়াখালী প্রতিনিধি-
ফেনী-লক্ষীপুর সড়কের নোয়াখালী চৌমুহনীতে যাত্রীবাহী হাই-ডিলাক্স টান্সপোর্টের গাড়ীতে প্রকাশ্যে চাদাঁবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে মালিক সমিতি পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে।
এতে ফেনী-লক্ষীপুরের পথে যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ চরমে পৌচছে।

এ ব্যাপারে যমুনা হাই-ডিলাক্স ট্রান্সপোর্ট লি: স্হানীয় পুলিশ প্রশাসন কে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, গত১৬ ফ্রেব্রয়ারী থেকে একটি চাদাঁ চক্র মারদর করে, জোর পুর্বক প্রতি গাড়ী থেকে ৫০০-৬০০টাকা করে চাদাঁ আদায় করে।চাদাঁ না দেওয়ায় ১০-১২টি গাড়ীর চাবী নিয়ে যায়।

মালিক সমিতি ৯৯৯ নাম্বারে জানালে বেগমগন্জ থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে থানা পুলিশ ও টি আই কামরুল ইসলামের সহযোগিতা গাড়ী গুলোর চাবি উদ্ধার করে। কিন্তু এর পরও প্রতি গাড়ীতে জোর পুর্বক চাদাঁবাজি অব্যাহত থাকায় গাড়ীর মালিক গন গত২৪ ফেব্রুয়ারি বেগমগন্জ মড়েল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে দেখা করে এবং তার পর বিকালে পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাৎ করে চাদাঁবাজির বিষয়ে জানায়।

এর পরও চাদাঁবাজি অব্যাহত থাকায় ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ঘটিকা হতে ফেনী-লক্ষীপুর সড়কের চলাচল কারী যমুনা হাই-ডিলাক্স ট্রন্সাপোর্ট লি: মালিকানাধীন ৪০টি গাড়ী বন্ধ রয়েছে। এতে হাজার -হাজার যাত্রী সংকটে পড়েছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দাপক ষোতি খিসার নিকট জানতে চাইলে, তিনি বলেন যমুনা হাই-ডিলাক্স কোম্পানির কয়েকজন মালিক আমাকে জানালে, আমি বেগমগন্জ থানা কে বলেছি এটা বন্ধ করতে, চাদাঁবাজি বন্ধ হয়নি সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমি ওসির সাথে কথা বলে জানতে হবে।

যমুনা হাই -ডিলাক্স ট্রান্সপোর্ট লি: এর ব্যবস্হাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান মানিক বলেন -বেলাল হোসেন ও আমির হোসেন দয়াল নামে সন্ত্রাসী গন মারদর করে, জোর পুর্বক চাদাঁবাজি করে। প্রশাসন কে জানালে হত্যা করবে বলে হুমকি দুমকা দেয়।

প্রশাসন কে জানানোর পর ও কোন ব্যাবস্হা না নেওয়ায় আমরা ব্যাধ্য হয়ে গাড়ী চলাচল বন্ধ করেছি, প্রশাসন চাদাঁবাজি বন্ধ করলে আমরা পুনরায় গাড়ী চালাবো। ব্যাংক লোনের ম্যাধ্যমে হাই ডিলাক্সের গাড়ী গুলো কিনে রোড়ে নামানো হয়েছে।

চাদাঁবাজির কারনে গাড়ীগুলো বন্ধ থাকায় লক্ষ-লক্ষ টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছে।

নগরীর হালিশহর থানাধীন বিডিয়ার মাঠ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময়ে বেশ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়।
২৪ শে ফেব্রুয়ারী রাত ১০ ঘটিকা সময়ে এই ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় একাধিক মামলার আসামী নুরুদ্দীন মিল্টনের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ হালিশহর বিডি আর মাঠ এলাকার দোকান গুলো থেকে চাদা সংগ্রহ করতে আসলে এবং চাদা না দেওয়ায় দোকানদারকে মারধোর করে।

এ সময় মিল্টন ও সন্ত্রাসী রবিনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি দোকানে ভাংচুর চালায়। এ সময় সেখানে উপস্থিত হালিশহর থানার ছাত্রলীগ নেতারা বাধা দিলে তাদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে মিল্টন ও তার অনুসারীরা।
ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির আহমেদ শামীম,ইসমাইল হোসেম সম্রাটকে কুপিয়ে জখম করা হয়।

আহত ছাত্রলীগ নেতারা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে সাংবাদিকদের জানায়,হঠাৎ করেই অতর্কিত ভাবে রামদা হকিস্টিক ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে মিল্টন ও তার অনুসারীরা। তাদের হামলায় দোকানদার এবং পথচারীসহ আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

এ সময় কয়েকটি ফাঁকা গুলিও ছোঁড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে আহত ছাত্রলীগ নেতারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে জানা যায়, নুর উদ্দিন মিল্টন প্রকাশ পিস্তল মিল্টনের নেতৃত্বে চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় অংশগ্রহণ করে ইকবাল হোসেন মামুন ( প্রকাশ সোর্স মামুন) পারভেজ, মাইকেল সুমন, সাইফুল ইসলাম রবিন, কিশোর গ্যাং লিডার তুষার,

মিশু,রুবেল,রাকিব ( প্রকাশ পিচ্চি রাকিব)। অভিযোগ এই চাঁদাবাজ গ্রুপ হালিশহর এলাকায় বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টারের বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন মেহমানদের মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নিতো,গতকাল হালিশহর ফইল্লাতলি বাজারস্হ কুটুম্ববাড়ী কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে এক নারীকে উক্তত করে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার সময় মিল্টন গ্রুপের এক সদস্য রুবেল কে জনগণ হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দেয়,অন্যদিকে হালিশহর এ ব্লক এলাকায় ব্যবসায়ীরা এক প্রকার জিন্মি এই গ্রুপের হাতে,এরা প্রতিনিয়ত অস্ত্র নিয়ে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মিল্টনের বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এ গ্রুপের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলে ও হালিশহর থানা প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না।এ ছাড়া বিডিআর মাঠ সংলগ্ন ঢাকা ব্যাংক ও আর,এফ,এল শোরুমে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে প্রশাসন পুরো ব্যাপারটার সার্বিক চিত্র প্রমান সহ পাবেন এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এবং এলাকায় ব্যবসায়ীদের জোর দাবী অতি দ্রুত এসব ভিডিও ফুটেজ চেক করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

0 0

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে পৌরশহরের মাথাভাঙ্গা এলাকায় হরিজন পল্লী জনগোষ্ঠীর খোজখবর নেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।

ফাউন্ডেশনে কর্মরত সকলকে সাথে নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে করোনার ভ্যাকসিন নিয়েছেন।ভ্যাকসিন গ্রহণ শেষে বাংলাদেশের মানুষের জন্য এতো দ্রুত সময়ের মধ্যে করোনা ভ্যাকসিন ব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেছেন,

সারাবিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে এই টিকার কোন বিকল্প নেই।আলহামদুলিল্লাহ, আমি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিয়েছি, আল্লাহ রহমতে ভালো আছি। আর বিলম্ব না করে আপনারাও নিয়ে নিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর ও ডাঃ মেজবাউল, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্নয়ক এনামুল হক ও সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম মিতু প্রমুখ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়,

প্রথম পর্যায়ে ১৫ ক্যাটাগরির মানুষের মধ্যে ১১ হাজার ১৪০ ডোজ টিকা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার আজ ২৯০ জন নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪হাজার ৫’শ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।