Home Featured
Featured posts

0 0

চট্টগ্রাম, ০৫ আশ্বিন (২০ সেপ্টেম্বর), ২০২০:বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী “মুজিব বর্ষ” পালন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত হবে সাম্পান খেলা ও চাঁটগাইয়া সাংস্কৃতিক মেলা। নগরীর কর্ণফুলী নদীর অভয়মিত্র ঘাটে আগামি ১৭ অক্টোবর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে এসব আয়োজন। পুরো অনুষ্ঠানমালার সার্বিক সহযোগিতা করবেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন।

গতকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) সিজেকেএস সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন এসব তথ্য জানান। এ সভায় সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির বলেন, নৌকাকে বঙ্গবন্ধু অন্তরে লালন করেছেন। তার জন্মশতবার্ষিকীতে নৌকা তথা সাম্পান খেলা উৎসবের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে। সাম্পান খেলার আগে কর্ণফুলী নদী রক্ষায় প্রচার প্রচারণা ও শোভাযাত্রার আয়োজনও করা হবে বলেও তিনি জানান।

সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আলহাজ্ব দিদারুল আলম চৌধুরী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন সভাপতি এস এম শহীদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সাংবাদিক আলীউর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্রের কার্যকরী সদস্য শামসুল হুদা মিন্টু উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সুন্দর করতে বিভিন্ন মতামত পোষণ করেন।

এছাড়াও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন সভাপতি এস এম পেয়ার আলী, সহ সভাপতি জাফর আহমদ, আলাউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, অর্থ সম্পাদক বশির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, সদস্য আশ্রাফ আলী, আবদুল গনি, ইছানগর বাংলাবাজার সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ লোকমান দয়াল, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ জসীম, ইছানগর সদরঘাট সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতির সম্পাদক মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক ফরিদ আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ২০ সেপ্টেম্বর।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র হতে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৭জন মাদক পাচারকারীদের আটক করা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিসিজি স্টেশন টেকনাফ কর্তৃক টেকনাফ থানাধীন বড়ঢিল হতে প্রায় ২৫/৩০ নটিক্যাল মাইল উত্তর পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালীন সময় একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের ট্রলার তল্লাশী চালিয়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৭ জন ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করা হয়।
আটক পাচারকারীরা হলো, মহররম আলী (৪৪) পিতা মৃত খইল্লা মিয়া, আব্দুল শুক্কুর (২৬) পিতা ফয়সাল আহমেদ, আমানুল্লাহ (২৮) পিতা দুদু মিয়া, নুরুল আলম (৩৮) পিতা রশিদ আহমেদ, আব্দুল মোন্নাফ (৩৫) পিতা মৃত আবু তালেব ৬। জাহিদ হোসেন (৩৩) পিতা আবুল হোসেন ও আব্দুল পেডান (২২) পিতা মৃত জামাল হোসেন। তারা সবাই কক্সবাজারের টেকনাফের বাসিন্দা।

পরবর্তীতে জব্দৃকত ইয়াবা ও ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রলারটি এবং আটককৃত মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর আওতাভুক্ত এলাকা সমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন রোধে কোস্ট গার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

রিয়াজ উদ্দীন ; চট্টগ্রাম ঃরেলের সম্পদ অবৈধ দখলের নামে হরিলুট বন্ধ করার দাবিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি দিয়েছেন যাত্রী সাধারনের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ( নিবন্ধন নং ঢ ০৯৮০৩) ।
আজ রবিবার সকালে নগরীর পাহাড়তলী বিভাগীয় ভূ সম্পত্তি কর্মকর্তার দপ্তরে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামসুদ্দিন চৌধুরী।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আওতাধীন চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালি, চাঁদপুর ,কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গঙ্গাসাগর এলাকায় রেলওয়ে স্টেশন এবং রেল লাইন সহ অপারেশনাল কাজে ব্যবহারের ৪৩৯৬ একর জায়গায় ও কোন ধরনের লিজ না দেওয়া ১৬৯.৮২ একর জায়গায় বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম রেলকে ঘিরে মাফিয়া চক্ররা এইসব জায়গায় অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে কোটি কোটি টাকা হরিলুট চালাচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় রেল লাইনের ওপর বাজার বসানো হয়েছে। এইসব কাজে জড়িত রেলের কিছু স্টেশন মাস্টার, ভূ সম্পত্তি বিভাগের কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী । বিভিন্ন সময়ে দেশের গণমাধ্যমে বেশ কিছু সংবাদ প্রকাশ হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি বলে দাবি করে সংগঠনটি।

সংগঠনটি আরো বলছে, রেল লাইনের পাশে গড়ে উঠা এইসব স্থাপনা গুলো থেকে বিভিন্ন সময় রেল যাত্রীদের উপর পাথর নিক্ষেপ, ছিনতাই ও চুরির ঘটনা ঘটছে। রেল লাইনের পাশে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা থাকায় অপরাধীরা রেল থেকে নেমে সহজে এইসব স্থাপনায় আত্মগোপন করত পারে। শুধু সাধারণ যাত্রী নয় ২০১৭ সালে এইসব অবৈধ স্থাপনা থেকে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করায় ডিউটিরত অবস্থায় চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার এস আই সালাউদ্দিন গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তারপরেও এইসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিরব অবস্থান।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, দেশের বর্তমান সরকার রেলপথে যাত্রী সাধারণ কে নিরাপদ নির্বিঘ্ন সেবা প্রদান করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিছু ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সরকারের সব অর্জন ম্লান হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের একটি টিম নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেল লাইনের প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে গেলে আমরা দেখতে পাই নগরীর ষোলশহর, জান আলী হাট, পটিয়া দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশন, রেল লাইন সহ অপারেশনাল কাজে ব্যবহারের জায়গা গুলো এখনও অবৈধ দখলদারদের হাতে। এই সব স্টেশনের মাস্টারদের ছত্রছায়ায় রেল লাইনের ওপর বাজার, রেল লাইনের পাশ ঘেঁষে অবৈধ বস্তি, দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এই সব অবৈধ স্থাপনা থেকে মাসে লাখ লাখ টাকাও চাঁদাবাজি হয়ে থাকে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এমন অপকর্ম চললেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে উদাসীন।

স্মারকলিপিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, রেলপথ মন্ত্রী ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

0 0

মুহাম্মদ তৈয়্যবুল ইসলাম, রাঙ্গুনিয়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি।

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে যানজট নিরসনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনোয়ার হোসেন শামীম। গত এক সপ্তাহ ধরে সড়কে নিয়মিত মনিটরিং করাসহ যানজট নিরসনে নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নে মাট চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। তার ব্যতিক্রমী এসব উদ্যোগে কাপ্তাই সড়কে শ্রঙ্খলা ফিরতে শুরু করছে।

সড়কের যানজটের অন্যতম একটি কারণ যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং। তাই এবার তিনি সড়কের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য স্থান নির্দিষ্ট করে দিচ্ছেন। সড়কের নির্দিষ্ট দূরত্বে খুটি গেড়ে দড়ি লাগিয়ে দিচ্ছেন তিনি। এছাড়া সড়কের যেসব স্থানে ময়লা-আবর্জনা ও গাড়ি পার্কিংয়ের অনুপযোগী এসব স্থানে স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে ইট-বালি দিয়ে সংস্কার করে দিচ্ছেন তিনি।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রোয়াজারহাটে এএসপি আনোয়ার হোসেন শামীমের বিশেষ উদ্যোগে বেহাল ফুটপাত সংস্কার করা হয়েছে। ফুটপাতের আবর্জনা পরিস্কার করে তাতে ইট ও বালি দিয়ে সংস্কার করা হয়। তার নেতৃত্বে এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত স্বেচ্ছাশ্রমে সড়কের পার্কিং জোন সংস্কার কাজে অংশ নিয়েছেন রোয়াজারহাট ব্যবসায়ী সমিতি, সিএনজি-অটোরিকশা সমিতি ও রাঙ্গুনিয়া কলেজ ছাত্রসংসদ ও ছাত্রলীগের অর্ধশত নেতৃবৃন্দ। সংস্কার কাজ শেষে সিনএনজি-অটোরিকশায় যাত্রী উঠানামা করার জন্য নির্দিষ্ট এই পার্কিং জোন আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মুরাদনগর এলাকার মাহিন উদ্দিন (৩১) নামে এক যুবকের মাধ্যমে এই পার্কিং জোনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন রোয়াজারহাট ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি বদিউল খায়ের লিটন চৌধুরী, পৌরসভার প্যানেল মেয়র (২) লোকমানুল হক তালুকদার, সৌদিয়া প্রবাসী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল চৌধুরী, সিএনজি-অটোরিকশা সমিতির নুরুল আজিম মনু, হাজী জফুর আলম, ব্যবসায়ী নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াস, সালাউদ্দিন চৌধুরী, আবুল কালাম আবু, মো. ফোরকান, যুবলীগ নেতা মাহবুব আলম সিকদার, রাঙ্গুনিয়া কলেজ ছাত্রসংসদের ভিপি শহীদুল ইসলাম সোহেল চৌধুরী, জিএস মহিউদ্দিন জয়, কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বাবলা তালুকদার, যুবলীগ নেতা মো. সোহেল খাঁন, মো. হোসেন, মিনহাজ উদ্দিন, ওমর ফারুক সুজন, মো. রিয়াজ, জাবেদ হোসেন প্রমুখ।

এদিকে সড়কে যানজট নিরসনে এএসপির বিশেষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। একের পর এক তার চমকপ্রদ সব উদ্যোগে সড়ক জুড়ে যানজট অনেকটাই নিরসন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

মাহিন উদ্দিন বলেন, ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে সড়কে দুর্ঘটনা লেগেই আছে। তাই যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা ও সড়কে গাড়ি পার্কিংসহ সড়কের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি রোধ করা গেলে যানজটের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনাও অনেকাংশে কমে আসবে। সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে এএসপি শামীমের বিশেষ এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।’

প্রবাসী মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আগে রোয়াজারহাট দিয়ে গেলেই নিশ্চিত যানজটে পড়তে হতো। ১০ মিনিটের সড়ক পেরুতে আধাঘন্টারও বেশি সময় লেগে যেতো। এখন সড়কে দড়ি টেনে দিয়ে যাত্রী উঠানামার নির্দিষ্ট স্থান করে দেওয়াতে সড়ক যানজট মুক্ত হয়েছে। সড়কে পুলিশের এই তদারকি অব্যাহত রাখা গেলে স্থায়ীভাবে সড়ক যানজট মুক্ত হবে।’

এএসপি আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, সড়ক যানজট মুক্ত করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং তা বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে সড়কের যাত্রী উঠানামার নির্দিষ্ট পার্কিং লোকেশন ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে পার্কিং জোনের বেহাল পরিস্থিতি সেখানেই স্থানীয়দের সাথে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করে দেওয়া হচ্ছে। সড়ক যানজট মুক্ত রাখতে কাপ্তাই সড়কের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে পার্কিং এরিয়া নির্দিষ্টকরণসহ নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের সড়কে জনগণ যেন নির্ভিগ্নে কোন যানজট ছাড়াই স্বস্তীতে চলাচল করতে পারে সেজন্য এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

0 0

চট্টগ্রাম- ২০ সেপ্টম্বর ২০২০খ্রিঃচট্টগ্রাম নগরীকে একটি বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমার পরিকল্পনার সাথে একাত্ম হয়ে যিনি কাজ করে গেছেন তার কর্মক্ষেত্র যেখানেই হোক আমরা তাকে মনে রাখবো। এ শহরকে তিনি ভালোবেসেছিলেন বলে কর্ম জীবনের এক তৃতিয়াংশ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছিলেন।

এবং দায়িত্ব পালনকালে প্রকৃত পেশাদারিত্বেরও পরিচয় দেখিয়েছেন। তার দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং কর্মক্ষেত্রে আন্তরিকতার কারণে আমার সাথেও তার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠে। আমি মনে করি তিনি যেখানেই দায়িত্ব পালন করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সে অবস্থায়ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে প্রত্যাশা রাখি।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহার শেষ কর্মদিবস উপলক্ষে চসিক প্রশাসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতবিনিময় সভায় প্রশাসক একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বিদায়ী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা চসিকের দায়িত্ব পালনকালে যে প্রজ্ঞা, মেধা ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তা প্রশংসার দাবী রাখে।

তিনি চট্টগ্রাম নগরীর যাবতীয় সমস্যা সমাধান কল্পে যে পরিকল্পনা ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহŸান জানিয়ে বলেন, বিদায়ী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুকৌশলে চসিকের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলা করেছেন অনুরূপ তা থেকে শিক্ষা নেয়ার আহŸান জানান। তিনি বলেন, পেশাদারীত্বে সততার কোন বিকল্প নাই।

বিদায়ী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য গৌরবের। আমি আমার কর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যে সহযোগিতা পেয়েছি তা আমি চিরদিন মনে রাখব। আজকের এই দিনে চসিকের প্রশাসক মহোদয় চসিকে আমার কর্মক্ষেত্রে শেষ দিনে আমার জন্য যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন এজন্য আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আমি যেখানে কর্মে যুক্ত থাকিনা কেন, চসিক যদি আমার সহযোগিতা প্রত্যাশা করে আমি অবশ্যই আন্তরিকভাবে সে সহযোগিতা প্রদান করবো। তিনি আরো বলেন, আমার দায়িত্বপালন কালে আমি কাউকে কোন রকম দুঃখ দিতে চাইনি। তবুও কেউ যদি আমার ব্যবহারে অসন্তুষ্ট বা দুঃখ পেয়ে থাকেন আমি তার জন্য সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা জানাচ্ছি। তিনি যেখানে দায়িত্ব পালন করবেন সেখানে সুনাম রক্ষা করার জন্য আন্তরিক থাকবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

চসিকের সচিব মোহাম্মদ আবু সাহেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আন্দরকিল্লাস্থ কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমেদ, প্রধান রাজ¯^ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়–য়া, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজ¯^ কর্মকর্তা শাহেদা ফাতেমা, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস,

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, প্রধান ¯^াস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকতা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, উপ সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, উপ পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মো. মোরশেদ আলম চৌধুরী, চসিক সিবিএ’র সভাপতি ফরিদ আহমদ । উল্লেখ্য যে, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র আদেশে পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের পরিচালক হিসাবে যোগদান করবেন।

অন্যদিকে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন কক্সবাজার শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কাজী মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।

0 0

আয়াজ আহমাদ চট্টগ্রাম- ২০ সেপ্টম্বর ২০২০খ্রিঃআল্লামা আহমদ শফীর রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ বিকেলে টাইগারপাসস্থ চসিক প্রশাসক দপ্তরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন স্মৃতিচারণ করে বলেন, আল্লামা শফী দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও বৃহত্তম চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে কওমি মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দেশে ইসলামী শি¶ার বিস্তার ও ¯^ীকৃতি অর্জনে তার ভূমিকা অন¯^ীকার্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাবোর্ড ও হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদে আল্লামা শফী বাংলাদেশের রাজনীতি, শিক্ষা ও সমাজ গঠনে যোগ্য নেতৃত্বের আসন অলংকৃত করেছেন।

বাধ্যক্য ও অসুস্থতার কারণে কখনো তিনি তাঁর আর্দশ ও মিশন থেকে প্রশ্চাদপ্রসরণ করেননি। জীবন-মৃত্যু সন্ধিক্ষনেও মসনদে হাদিসে বোখারী শরিফে দরস দিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু সাহেদ চৌধুরী, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির,

নাসিরাবাদ সরকারি কলোনী জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আ ন ম সোলাইমান, হাফেজ মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, মাওলানা মোহাম্মদ আব্বাসুর রহমান, হাফেজ মহিবুল্লাহ, হাফেজ মোহাম্মদ বেলাল, হাফেজ মোহাম্মদ হাসান, হাফেজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম, হাফেজ মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন, হাফেজ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, হাফেজ মোহাম্মদ আবদুল মোমিন কাজেমী ।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাদ্রাসা পরিদর্শক মাওলানা মোহাম্মদ হারুন-উর রশিদ চৌধুরী।

0 0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবৈধ দখলে রয়েছে চসিক মালিকানাধীন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ। নগরীর এসব অবৈধ দখলদার হটাতে ৭ দিনের সময় বেধে দেয় চসিক। তাছাড়া অবৈধ দখলদারের তথ্য দিলে রীতিমত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে চসিক। এ সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদানের  জন্য দেওয়া হয়েছে দু’টি ফোন নাম্বার।

অবৈধ দখলকারদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রবিবার (২০ সেপ্টম্বর) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে চসিক। চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপসচিব)  মুফিদুল আলম সাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মালিকানাধীন যে সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অবৈধ দখলে রয়েছে তাদেরকে এই নােটিশ প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অবৈধ দখল ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরােধ করা হলাে।’

চসিকের এই নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান সহ ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুষ্পষ্ট উল্লেখ করে এতে বলা হয়, ‘ অন্যথায় সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক উচ্ছেদের মাধ্যমে অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে এবং অবৈধ দখলদার হতে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।’

তাছাড়া অবৈধ দখল সংক্রান্ত যে কোন তথ্য চসিক সংশ্লিষ্ট বরাবর জানাতে দেওয়া হয়েছে দু’টি টেলিফোন নাম্বার এবং তথ্য সরবরাহকারীকে উপযুক্ত পুরস্কার দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে।

চসিক বরাবর তথ্য দিতে ঠিকানা হলো-  ‘জনাব মােঃ কামরুল ইসলাম চৌধুরী।এস্টেট অফিসার (চসিক)।  (ফোন : ০২৪ ১৩৬০২৭৩মােবাইল : ০১৭১১ ৫৮৫১৯৫।’ )

ওই নোটিশে বলা হয়, ‘যে সব ব্যক্তি বা সংগঠন অবৈধ দখলদার সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করবেন, তাদের নাম ও ঠিকানা গােপন রাখা হবে এবং তথ্য সরবরাহকারীকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।’

সিটিজি ট্রিবিউন আলাউদ্দীনঃ-   তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,‘বেগম জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন তার প্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় মনে হয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো।’

বেলজিয়াম সফর থেকে ফিরে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ রাখা হয়েছে -বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে হাস্যকর অভিহিত করে ড. হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সিআরপিসি (দ-বিধি)-তে উল্লিখিত তার ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে প্রথমে ৬ মাস মুক্তি দিয়েছেন, পরে আরো ৬ মাস সেটি বর্ধিত করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের উচিত ছিল এই মহানুভবতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জানানো। কারণ তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামী, তার তো কারাগারের ভেতরেই থাকার কথা ছিল, তিনি আদালত থেকে জামিন পাননি। কিন্তু তার পরিবর্তে তারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, এতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি না দেখালেই ভালো হতো। ’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে মুক্তি দেবার পরও বিএনপি নেতাদের কথার কারণে জনগণের পক্ষ থেকে বেগম জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানো দাবি উঠতে পারে, এ শংকাও প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

এসময় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর বক্তব্য ‘বিএনপি কখনো হত্যার রাজনীতি করেনা’- এ প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই তো বিএনপি’র উন্মেষ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই ক্ষমতা দখল এবং ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেন। এবং সেই ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য জিয়াউর রহমান হাজার হাজার সেনা সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল।’

বেগম খালেদা জিয়াও সেই হত্যার রাজনীতি অব্যাহত রেখেছিল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার অনুমোদনক্রমে এবং তার পুত্র তারেক রহমানের পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। এছাড়া জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত ছিল। সুতরাং হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই যাদের উন্মেষ, হত্যার রাজনীতিই যারা করে, পেট্রোল বোমা হামলা করে যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যার রাজনীতি করে, তাদের মুখে এ কথা মানায় না। বরং প্রকৃতপক্ষে হত্যার রাজনীতিই তাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।’

এসময় সাংবাদিকরা সদ্যপ্রয়াত আল্লামা শফী’র মৃত্যু এবং হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা বিষয়ে প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী মাওলানা শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘মাওলানা আহমদ শফীর জন্ম আমার নির্বাচনী এলাকার নিজের উপজেলায় এবং আমার পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে। তিনি আলেমদের মধ্যে এবং ঐ অঞ্চলে কি পরিমাণ জনপ্রিয় ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন, সেটি তার জানাজা থেকে বোঝা যায়। হাটহাজারী মাদ্রাসার বিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠানটির আভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু সেটি যে মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালকের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক।’

এসময় হেফাজত-ই-ইসলামের ভবিষ্যত নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, এটি হেফাজতের আভ্যন্তরীণ বিষয়, এগুলো নিয়ে আমি কথা বলতে চাইনা।

সিনেমা হল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিনেমা হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য সিনেমা হলের মালিক, সিনেমার পরিচালক, প্রযোজকদের পক্ষ থেকে দাবি আছে। তাদের সাথে এ মাসের শুরুতে আমি বসেছিলাম। এ মাসের ১৫ তারিখের পরে বৈঠক করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেবার কথা। খুব সহসাই তাদের সাথে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

মন্ত্রিপরিষদে রদবদল বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, তিনি ছাড়া অন্য কেউ এ নিয়ে বলার ক্ষমতা রাখেন না।

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা মধ্যে দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাব আয়োজিত অভ্যন্তরীন ফুটবল ফেস্টিভ্যাল ২০২০ইং জাঁকজমকপূর্ণ ফুটবল টুনামেন্ট আগামী ২৫-০৯-২০২০ইং স্হানীয় কলেজিয়েট স্কুল মাঠে শুরু হতে যাচ্ছে,আজকে অংশ গ্রহণকারী দিয়া ফাউন্ডেশন, নূর ফাউন্ডেশন,

তাহমিদ ফাউন্ডেশন এবং তুষার আবির ফাউন্ডেশন ক্লাবের মাঝে জার্সি উন্মোচন করেন মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃশফিকুল আলম জুয়েল।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহ-সভাপতি , তারেক হাসান টুটুল,যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন লিটন, সহ-অর্থ সম্পাদক সাইমুন আহমেদ সাহেদ, দপ্তর সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম অভি, আবদুল হামিদ জনি, মোঃইসমাইল,মোঃ নূরউদ্দীন, মোঃ ইমন।

টীম মালিক দিয়া ফাউন্ডেশনের মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, নূর ফাউন্ডেশনের নূর জাহেদ বাবলু, তাহমিদ ফাউন্ডেশনের আবদুল আজিজ, তুষার আবির ফাউন্ডেশনের মোহাম্মদ আলমগীর।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম জুয়েল অত টুনামেন্ট সুস্ঠ ও সফল ভাবে শেষ করার জন্য যাবতীয় কার্যক্রমে টুনামেন্ট পরিচালনা কমিটিকে নির্দেশ দেন এবং সাবিক সহযোগিতা আশাবাদ কামনা করছেন।

0 0

বাংলাদেশে একটা আল্লামা ম’রছে, মনে হইতাছে আল্লাহ ম’রছে। এলাহী কা’ণ্ড শুরু হইয়া গেছে। জানাজায় ১০ হাজার পুলিশ দিতাছে সরকার। প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী তো আছেই বেবাক মন্ত্রী আমলা কা’ন্দাকা’টি শুরু করছে। আল্লামার বয়স হইছিল ১০৪। অথচ ডায়বেটিস হাইপারটেনশান সব ছিল।

এত রোগ থাকতে বাঁচে কেমনে এত বছর? ওইসব রোগ মানুষের থাকলে আয়ু অর্ধেক কইমা যায়। তার কেন বাড়লো? মানুষে্র রোগ-শোকে পল্যুটেড পড়াপানি খাওয়াইলেও সে নিজের অসুখ বিসুখ সারাইতে বিদেশের বড় বড় ডাক্তারের কাছে বড় বড় হাস্পাতালে উইড়া উইড়া গেছে। ভালো ট্রিট্মেন্ট পাইছে তাই বাঁচছে।

এখন তো ম’রছে, আপদ বি’দায় হইছে। কিন্তু এলাহি কাণ্ড কেন? কার জন্য? ওই লোক কী ভালো কাজটা করছে জীবনে? মৌলিবাদী তৈরির কারখানা মাদ্রাসা বানাইসে, যেই মাদ্রাসায় মগজধো’লাই কইরা দেশের ভবিষ্যতের সর্ব’নাশ করা হয়। আর কী করছে?

মেয়েদের ফাইভ ক্লাসের বেশী পড়তে না করছে, স্বামীর বান্দিগিরি কইরা জীবন পার করতে কইছে আর এক পা ঘরের বাইরে বাইর হইলে বোরখায় আপাদম’স্তক ঢাকতে কইছে কারণ মেয়েরা নাকি তেঁতুল, খোলা থাকলে পুরুষলোকের লালা ঝরবে, খালি খাইতে ইচ্ছা করবে।

বড় মাপের না’রীবি’দ্বে’ষী, সমাজ-ধং’সকারী কু’লাঙ্গা’রের জন্য হাহাকার করতাছে দেশের লক্ষ লক্ষ ছোট মাপের না’রীবি’দ্বে’ষী, সমাজ-ধং’স’কা’রী কু’লা’ঙ্গাররা। আল্লামার দেখাইয়া দেওয়া পথে হাঁটবে তারা। মেয়েদের তেঁতুল মনে কইরা চাটবে, খাবে। নিজের তেঁতুলরে একলা খাওয়ার জন্য ঢাইক্যা রাখবে।

মেয়েদেরে কীভাবে ভোগের বস্তু , চাকর বাকর আর ইতর জাতীয় নোং’রা কিছু ভাবতে হবে, এবং ঘৃ’ণা করতে হবে তা ব্যাটা সুন্দর কইরা গুছাইয়া শিখাইয়া দিয়া গেছে পুরু’ষজাতরে। এই শিক্ষকরে হারাইয়া পুরা দেশবাসী চোখের পানি ফেলবে, কানবে, চিল্লাইয়া কানবে — এ তো নিও নরমাল। তসলিমা নাসরিনের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে-