Home Featured
Featured posts

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন আয়াজ আহমাদ চট্টগ্রাম -০৪ জুলাই-২০২০ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, নগরীর সড়ক যোগাযোগ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামো নির্মাণ,সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্ম-পরিকল্পনা প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি উদ্ভুত পরিস্থিতিগত কারণে ক্ষেত্র বিশেষে শ্লথ হলেও গুরুত্ব বিবেচনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগুলোর কাজ সম্পন্ন করা হবে।

দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর কাজের মান ও স্থায়িত্ব ক্ষমতায় কোন রকমের ত্রæটি যাতে না থাকে সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সময়ের কাজ সময়ে শেষ না হলে জনগণের দূর্ভোগ বাড়ে এবং প্রকল্পের অর্থেরও অপচয় হয়। সিটি কর্পোরেশনের অনেকগুলো প্রকল্পের জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাই দাতা কর্তৃপক্ষ চায় না কাজে কোন ধরনের খুঁত থাকুক।

এজন্য বিরূপ আবহাওয়াজনিত কারণে কাজের মান যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য কাজ সাময়িক বন্ধ রাখা হয় এবং কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে এই সময়ক্ষেপনকে অযৌক্তিক বলা যাবে না। তারপরও নির্দ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে কোন কোন ঠিকাদার অযৌক্তিক অজুহাত খাঁড়া করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা পরিস্কারভাবে চুক্তির শর্ত লংঘন।

তবুও আমরা কাজ শেষ করার নতুন বর্ধিত সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছি। এরপরও মানসম্পন্ন ও টেকসই কাজ বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তি পেতে হবে এবং নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি নগরবাসীকে আশ্বস্থ করে বলেন, করোনাকালে বিরূপ পরিস্থিতি সীমাবদ্ধতা ও আর্থিক সংকটের মধ্যেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কোন কর্মপরিকল্পনাই থেমে থাকছে না। প্রকল্পগুলোর সিংহভাগ কাজের অগ্রগতি হলেও কিছুটা ফিনিশিং বাকি রয়েছে।

এই প্রকল্পগুলো নভেম্বর মাসের মধ্যেই শেষ করে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা সম্ভব হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বর্ধিত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে জনবল বৃদ্ধি ও দিনে-রাতে কাজ করার জন্য ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেন মেয়র। তিনি আজ পিসি রোডস্থ তাসফিয়া থেকে সাগরিকা মাজার পর্যন্ত এবং সাগরিকা মাজার থেকে অলংকার পর্যন্ত চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

তাসফিয়া থেকে সাগরিকা মাজার পর্যন্ত ১৫৪৩ মিটারের এই কাজের জন্য ৪০ কোটি টাকা এবং সাগরিকা মাজার থেকে অলংকার পর্যন্ত ৭৫০ মিটার সড়ক নির্মাণে ২৮ কোটি টাকা ব্যয় করছে জাইকা। ইতোমধ্যে এই প্রকল্প কাজ প্রায় সিংহভাগ সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এছাড়া সিটি মেয়র আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ পালন উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্মিত ম্যুরাল প্রতিস্থাপন স্থানের বড়পোল মোড়স্থ নির্দিষ্ট স্থান পরিদর্শন করেন। তিনি এই প্রতিস্থাপন কাজ আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেন এবং এরপর দুই একদিনের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাগরিকা স্টোর পরিদর্শন : সাগরিকা স্টোর ও এ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট পরির্শনে যান সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন।

এসময় মেয়র সাগরিকা স্টোরে মালামাল সংরক্ষনের পদ্ধতি প্রত্যক্ষ করেন এবং স্টোরে রক্ষিত মালামাল সঠিক নিয়মে সংরক্ষনের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন। মেয়র সাগরিকা স্টোরে স্থাপিত পরীক্ষাগারে রাস্তারকাজে ব্যবহৃত ইট,স্টোন,বালি ও সয়েল টেস্ট সম্পন্ন করে গুনগত মান যাচায়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

এসময় মেয়রের সহকারী একান্ত সচিব রায়হান ইউসুফ, চসিক তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) তৌহিদুল ইসলাম, হাজী মোহাম্মদ বেলাল আহমেদ,সুমন দেবনাথ|

আনিসুর রহমান চৌধুরী, এস এম মামুনুর রশীদ, জসিম উদ্দীন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন:আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি’র অনেক নেতা আছে, যারা ঘরের মধ্যে আইসোলেশনে থেকে শুধু প্রেস ব্রিফিং করে, আর সরকারের দোষ ধরে। জনগণের সহায়তায় তারা এগিয়ে আসেনি। সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরাই আছে মানুষের পাশে।

তিনি বলেন, যারা ঘরে বসে বসে শুধু সমালোচনা করছে, তারা কিন্তু ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগ ও সরকারের কেউ কিন্তু বসে নেই। আক্রান্ত হলে কি হতে পারে সেটিও আমি জানি, তাই আমি নিজেও বসে নেই। সব প্রস্তুতি নিয়েই কিন্তু মাঠে কাজ করছি। এই সময়ে দেশের মানুষ যখন আক্রান্ত, তখন হাত গুটিয়ে বসে থাকার কোন কারণ নেই।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা অডিটরিয়ামে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি প্রদান ও বন্যহাতির আক্রমণে মৃত ব্যক্তির পরিবারের সরকারের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, সহকারি পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রেহানুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আজগর, মুজিবুল হক হিরু, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের প্রমূখ।

অনুষ্ঠান শেষে তথ্যমন্ত্রী রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে চিকিৎসা ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। এসময় তিনি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার আরো উন্নতি ও আধুনিকায়নকল্পে নানা উদ্যোগের কথা জানান।

দলীয় নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকার জন্য। আমরা নির্দেশনা মেনে জনগণের পাশে আছি, এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। সেই কারণে আমাদের দলের বহু নেতা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। অনেক নেতা মৃত্যুবরণ করেছে। মৃত্যু যেকোন সময় হতে পারে, তাই বলে জনগণের এই দূর্দশার সময় বসে থাকবো সেটা হতে পারেনা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা ভাইরাসের মহামারি শুরুর পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে করোনা থেকে রক্ষা করার জন্য প্রাণান্তকর চেষ্ঠা করে যাচ্ছেন। মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য, যাতে খাদ্যের সঙ্কট না হয়, গরীব মানুষের যাতে কোনভাবে অনুবিধা না হয় সেজন্য নানাভাবে তিনি দিবানিশি কাজ করে যাচ্ছেন। ক্রমান্বয়ে দেশে করোনা ভাইরাস মোকাবেলার সামর্থ এবং সক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আজকে তিন মাসের বেশি দূর্যোগে বাংলাদেশে আল্লাহর রহমতে খাদ্যের অভাব হয়নি। খাদ্যের অভাবে কোন মানুষ মৃত্যুবরণ করেনি। খাদ্যের জন্য কোন জায়গায় হাহাকার নাই।তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়ার ৬০ হাজারের বেশি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

এখনো সেই ত্রাণ কার্যক্রম চলমান আছে। এরবাইরে আমাদের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমেও হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ দেয়া হয়েছে। যতদিন এই পরিস্থিতি থাকবে, সরকার জনগণের পাশে আছে, এবং থাকবে।তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর হার পৃথিবীতে সর্বনিম্ম যে কয়টি দেশে আছে তৎমধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বাংলাদেশে এখন করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর হার ১.২৫ শতাংশ। ভারতে সেটি ৩ শতাংশের বেশি, পাকিস্তানে ২ শতাংশের বেশি। ইউরোপ আমেরিকার দেশ গুলোতে ৫ থেকে ১৬ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে সাথে নিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করছেন বিধায় আমাদের দেশে মৃত্যুর হার অনেক দেশের চেয়ে কম।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রাঙ্গুনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতে করোনা রোগীদের সঠিক ভাবে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয় সেই লক্ষ্য নিয়ে কিছু কাজ হাতে নিয়েছি। ইতিমধ্যে সেখানে আইসোলেশন সেন্টার করা হয়েছে। আরো বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করে অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করে সেটিকে শীততাপ নিয়ন্ত্রিতসহ আধুনিকায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, এখন আমরা উপজেলা পর্যায়েও চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করছি। চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে যেসব অসুবিধাগুলো ছিল তৎমধ্যে অনেক অসুবিধাগুলো ইতিমধ্যে দুর করা হয়েছে।

কিছুদিনের মধ্যে ব্যবস্থা আরো ভাল হবে। আগের সঙ্কট ও হা-হুতাশ অনেকটা কেটে গেছে। নতুন ভাবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে, সেগুলো যাতে করোনা পরবর্তি স্বাভাবিক সময়েও ভালো মতে চিকিৎসা দেয়া যায় সেই লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমস্ত স্বাস্থ্য সেবাকে ঢেলে সাজানোর কর্মসুচি সরকার হাতে নিয়েছে।

সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রাঙ্গুনিয়ায়ও অনেক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমার সুরক্ষা আমার হাতে। আমি যদি সচেতন না হই সরকার কিংবা ডাক্তারসহ অন্য কেউ আমাকে সুরক্ষিত করতে পারবেনা। সেজন্য আমার সুরক্ষা আমার হাতে এটি মাথায় রেখেই আমাদেরকে করোনা ভাইরাসের সময় জীবন এবং কর্মকান্ড পরিচালনা করতে হবে।

অসচেতন থাকলে যে কেউ যেকোন সময় আক্রান্ত হতে পারে।

সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জাধীন খুটাখালী বনবিটে বনাঞ্চলের মুল্যবান গাছ কেটে পাচারের সময় চোরাই গর্জন কাঠ ভর্তি একটি ট্রাক (ডাম্পার) জব্দ করেছে বনকর্মীরা। শনিবার ৪ জুলাই ভোররাতে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এসএ জাকারিয়ার নেতৃত্বে একদল বনকর্মী খুটাখালী কালাপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায়। আটক কাঠ ও ট্রাকের মুল্য অন্তত ১৫ লাখ টাকা।
ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এসএ জাকারিয়া জানান, করোনা সংকটের সুযোগে খুটাখালী বিটের কালাপাড়া এলাকায় বনাঞ্চল ধ্বংস করে মুল্যবান কাঠ ডাম্পার যোগে পাচারের খবর পেয়ে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো তহিদুল ইসলামের নির্দেশে ৪ জুলাই ভোররাতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় মূল্যবান গর্জন গোলকাঠ বোঝাই একটি ড্যাম্পার গাড়ি অাটক করা হয়। চালক ও কাঠ পাচারকারীরা কৌশলে পালিয়ে যায়।
আটককৃত গাড়িটি ফুলছড়ি রেঞ্জ হেফাজতে আনা হয়েছে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযানে খুুুটাখালী বিটের বনকর্মী, ফুলছড়ি বিটের হেডম্যান আবদু শুক্কুরসহ একদল বনকর্মী অংশ নেন। বিশ্বব্যাপি মহামারি কোভিড-১৯ করোনার মধ্যেও বন বিভাগের কার্যক্রম থেমে নেই বলে জানান তিনি।
……
শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।
০১৮১৫৮১২৮৭২

0 0

নিজস্ব প্রতিবেদক :বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও রাউজান রাঙ্গুনীয়ার সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী সুস্থ ও বেঁচে আছেন ।

আজ সময় নিউজ টিভির অনলাইন ভার্সনে শরীয়তপুরের সাবেক মন্ত্রী গিয়াস উদ্দিনের মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ করে । সেখানে চট্টগ্রামের সন্তান ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি ব্যবহার করা হয় । ফলশ্রুতিতে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম সহ সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক বিভ্রান্তি দেখা দেয় । বি এন পির হাজারো কর্মী -সমর্থক সাবেক সাংসদ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সার্বিক অবস্থা জানার জন্য তার পরিবারের সদস্যসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দফায় দফায় ফোন করতে থাকেন।

গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে ” তিনি সুস্থ আছেন এবং ভালো আছেন। দেশবাসী কে মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তার পরিবার পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে ।

সি টি জি ট্রিবিউন দেলোয়ার হোসেইন (মহেশখালী কক্সবাজার) প্রতিনিধি:মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের
মেহেরিয়া পাড়ায় মাদক আসক্ত ভাই কতৃক বড় ভাই ও ভাবিকে নির্যাতনে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে রক্তাক্ত আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

ওই হামলায় মাের্শেদা বেগম ও নুর বাদশাকে রক্তাক্ত আহত করেছে মাদক আসক্ত ভাই আলম বাদশা।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ০৪ জুলাই সন্ধ্যায় কুতুবজোম ইউনিয়নের মেহেরিয়া পাড়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়ঃ-

একই এলাকার চিহ্নিত মাদক আসক্ত আলম বাদশা
নেতৃত্বে মােঃ কাছিম,আবদু শুকুর, গফুর বাদশা কালাইয়া,শাহাব উদ্দিন জিন্নাহ সহ একদল অবৈধ অস্ত্রধারী ৭/১২ জন যুবক পূর্ব পরিকল্পানা মোবাবেক তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে হামলা চালিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে মাটিতে পেলে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্নের চেইন চিন্তায় করে।

স্থানীয় এলাকার লোকজন আগাইয়া আসতে দেখে মাদক আসক্ত সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে জানা যায়।

স্থানীয় লোকজন আহত কে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। আহত অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডা:আহত কে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফাড করেন।

এব্যাপারে মহেশখালী থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন তদন্ত পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।রোহিঙ্গা দুর্ধর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিম। আবদুল হাকিম ডাকাতের বেড়ে ওঠা গরুর চোরাকারবারির মাধ্যমে। মিয়ানমার থেকে গরুর চালান নিয়ে আসতো বাংলাদেশে।মিয়ানমারে ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন তিনি। পরে জড়িয়ে পড়ে ইয়াবা ও অস্ত্র কারবারে। ভিআইপিদের শেল্টারে এক সময়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে গড়ে তোলেন ডাকাত বাহিনী।

মিয়ানমারের রাশিদং থানার বড়ছড়া গ্রামের জানি আলীর ছেলে আবদুল হাকিম কক্সবাজারের সীমান্ত জনপদ টেকনাফের পাহাড়ি অঞ্চল ও মিয়ানমার সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। গত দুই যুগ আগে হাকিম মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তাকে খুন করে দেশ ছাড়েন, পালিয়ে আশ্রয় নেন টেকনাফে।

সঙ্গে নিয়ে আসেন স্ত্রী-সন্তান ও পাঁচ ভাইকে।অভিযোগ রয়েছে, কুতুবদিয়া দ্বীপে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জন্ম নিবন্ধনসহ ভোটার আইডি তৈরি করে নিয়েছেন হাকিম ও তার পরিবারের সদস্যরা। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রীপাড়ার জহির আহমদ ওরফে গাছ জহিরের মেয়ে ইসমত আরা বেগমকে বিয়ে করেন হাকিম। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন।ইসমতের ভাই নুইজ্জা ডাকাত হাকিমের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত। তিনিও বন্দুক যুদ্ধে মারা যান।

গত ২৬ জুন পুলিশ তাদের আস্তানায় অভিযান চালালে হাকিম ডাকাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নিহত হন তার ২ ভাই বশির আহমেদ ও আবদুল হামিদসহ ৪ জন ।
এরআগে গত ডিসেম্বর মাসে তার আরেক ভাই, শ্যালক ও স্ত্রী পুলিশের বন্দুক যুদ্ধে মারা যান।সীমান্ত জনপদের ভিআইপিদের শেল্টারে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গা আবদুল হাকিম টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করেছে, টেকনাফ পৌর এলাকার পুরাতন পল্লান পাড়ায় বনভূমি দখল করে গড়েছেন কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ কায়দায় প্রাসাদোপম অট্টালিকা।

অবশ্য এসব অট্টালিকা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কব্জায়।অভিযোগ রয়েছে, ডাকাত হাকিম ২০১৫ সালের ১২ জুন সেলিম ওরফে মুন্ডি সেলিমকে হত্যা করেন। নুরুল কবির নামে একজনকেও খুন করে হাকিম বাহিনীর সদস্যরা। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের মংডুর বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে নুর হাফেজ ও নাইট্যংপাড়ার মৃত মোহাম্মদ কাশিমের ছেলে তোফায়েলকেও অপরহরণ করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

সুত্র মতে, ২০১৫ সালে ১৩ জুন টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লানপাড়ার বাসিন্দা ও পুলিশের তথ্যদাতা (সোর্স) মোহাম্মদ সেলিম ও ওরফে মুন্ডি সেলিমকে কুপিয়ে হত্যার পর প্রথম আলোচনায় আসে এই ডাকাত সর্দার। ২০১৬ সালের ১৩ মে হাকিম ও তার বাহিনীর সদস্যরা হামলা চালিয়ে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া মুছনী রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার ব্যারাকে লুটপাট চালায়। এসময় গুলিতে নিহত হন ব্যারাকের আনসার কমান্ডার মো. আলী হোসেন।

এসময় আনসারের ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৭০টি গুলি নিয়ে পাহাড়ে আত্মগোপন করে হাকিম ডাকাত। পরদিন হাকিমসহ বাহিনীর ৩৫ সদস্যের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় খুনসহ অস্ত্র লুটের মামলা হয়। পরে র্যাব বিভিন্ন আস্তানায় হানা দিয়ে লুন্ঠিত ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৫টি গুলিসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়। তবে হাকিম ডাকাত রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।এরপর ২০১৬ সালে ৪ জুলাই টেকনাফ সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সিরাজুল ইসলামকে (৬৫) গুলি করে হত্যার ঘটনায় হাকিমের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয়রাসহ রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেছে, পাহাড়ে আশ্রয়স্থল বানিয়ে খুন, ডাকাতি, ধর্ষণ, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও মানবপাচার করছে এসব ডাকাত দল। তবে তাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ তারা মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করছে। আর তাদের সহযোগিতা করছে প্রকাশ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের একটা চক্র। এছাড়াও এসব ডাকাতদলের মাধ্যমে কোনও কোনও পাহাড়ে অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে অপহৃতদের গুলি করে হত্যার নজিরও রয়েছে।

জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় লোকজন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।তাদের হাতে দেশি অস্ত্র ছাড়াও অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। পাহাড়ে অপরাধের ‘রাজা’ বনে যান। হাকিম বাংলাদেশে আসার পর প্রথমে টেকনাফ উপজেলা পরিষদের পেছনের সরকারি বনভূমিতে ভবন তৈরি করে বসবাস করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মুখে অন্য জায়গায় সরে যান।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৯ সালের ৮ আগস্ট টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালালে পুলিশের ওপর হামলা চালায় ডাকাত হাকিম বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানে তার স্ত্রী হিসাবে পরিচিত টেকনাফের পল্লানপাড়া এলাকার রুবি আক্তার (৪০) ও ডাকাত হাকিমের ভাই কবির আহমদ (৩২) নিহত হয়।
টেকনাফের ভিআইপি প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে হাকিম ডাকাতের বাড়বাড়ন্ত। নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে ছোট ভাই নজির আহমদকে বিয়ে দেন সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির মামাতো ভাই জাহাঙ্গীরের মেয়ের সঙ্গে।

নজির টেকনাফ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি।
টেকনাফের গহীন অরণ্যে রয়েছে হাকিম ডাকাতের একাধিক আস্তানা। টেকনাফের ফকিরামুরা ও উড়নিমুরা নামে পরিচিত গহীন বনের বিশাল এলাকায় এসব আস্তানার অবস্থান। এখানে তার বাহিনীর অন্তত অর্ধশত অস্ত্রধারী ক্যাডারেরও বসতি রয়েছে। হাকিমের সঙ্গে সব সময় দুটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থাকে। এছাড়া একাধিক দেহরক্ষী নিয়েও চলেন তিনি। উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে আছে তার একাধিক সোর্স।

পাহাড়ের কোন স্থানে হাকিম কখন অবস্থান করেন তা কেউ জানেন না। বছর দুই-এক আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একবার অভিযান চালিয়ে তার আস্তানা থেকে একটি স্যাটেলাইট ফোনসেটও উদ্ধার করেছিল। তবে তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। গত দুই বছরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ১০ অভিযান চালালেও কৌশলে পালিশে যাওয়ায় তাকে ধরতে পারেনি।ডাকাতি, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা আবদুল হাকিমকে ধরতে দফায় দফায় অভিযান চালালেও বার বার পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি। সর্বশেষ পালিয়ে যান ২৬ জুনেও।

এদিন পুলিশ ওই আস্তানায় অভিযান চালালে হাকিম ডাকাতের ২ ভাই বশির ও হামিদসহ ৪ ডাকাত নিহত হয়।
নিহত অপর ২ জনের নাম রফিক ও রইঙ্গা। তবে এই অভিযানেও হাকিম ডাকাত পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।এর আগে গত ডিসেম্বরে হাকিম ডাকাতকে গ্রেফতারে মরিয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এবার শেষ টার্গেট তিনি। হয়তু শেষ রক্ষা হবে না তার। তাকে ধরিয়ে দিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার ঘোষণা করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।রোহিঙ্গা হাকিম একসময়ে মিয়ারমারের ত্রাস। হত্যা,খুন, ধর্ষণ, চোরাচালান সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে মিয়ানমারেও ব্ল্যাক তালিকাভুক্ত ও মোস্টওয়ানটেড হিসেবে পরিচিতি পায়।

মিয়ানমারে মোস্ট ওয়ান্টেড হিসেবে তালিকাভুক্ত এই হাকিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একাধিক পতাকা বৈঠকেও আলোচনায় হয়েছে। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে হাকিমের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের পুলিশের এক কর্মকর্তা।অভিযোগ রয়েছে, টেকনাফের এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি তার নিয়ন্ত্রণে রেখে মাদক ও চোরাচালান, দখল বেদখনসহ অপরাধ কাজে ব্যবহার করে আসছিল আবদুল হাকিম বাহিনীকে।

স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ সুত্র মতে, এই আবদুল হাকিম বাহিনী মাদক চোরাচালানের পাশাপাশি আস্তে আস্তে দস্যুতা, টার্গেট করে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি, হত্যা ও নারী ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। সীমান্ত জনপদ টেকনাফ ও পাশ্ববর্তী উখিয়া উপজেলায়ও চলে আসে তার আধিপত্য। পুরো এলাকার মানুষের কাছে আবদুল হাকিম ডাকাত একমুর্তিমান আতংকের নাম হয়ে উঠে।
পুলিশের সুত্র মতে, এই আবদুল হাকিম ডাকাত ও তার বাহিনীকে ধরার জন্য গত দুই বছরের অধিক সময় ধরে চেস্টা চালিয়ে আসছে প্রশাসন। টেকনাফ হোয়াইক্যং এর গহীন পাহাড়ে আবদুল হাকিম ডাকাতকে ধরার জন্য ড্রোন উড়ানো, হেল্পিকপ্টার যোগে র্যাবের অভিযানের মতো দু:সাহসিক অভিযানও ইতোপূর্বে চলেছে। বার বার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অধরাই থেকে যায় বাহিনী প্রধান আবদুল হাকিম ডাকাত।

তার অত্যচারে তটস্থ ছিল বাংলাদেশীরাও।
সুত্র মতে, বিভিন্ন সময় আবদুল হাকিমের উপস্থিতির খবর পেয়ে তাকে ধরতে গিয়ে পুলিশ, র্যাব এর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে রোহিঙ্গা আবদুল হাকিম ডাকাত দলের সদস্যরা। বন্দুক যুদ্ধে তার বাহিনীর অসংখ্য সদস্য নিহত হন। পুলিশ ও র্যাব সদস্যরাও আহত হন।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম বার বলেন, আবদুল হাকিম ডাকাত অপহরণ, ডাকাতি চাঁদাবাজি, চাঁদাবাজির জন্য খুব এবং মাদক পাচারের সাথেও ছিল। আগে এক সময় ডাকাতি করতো, গত দুয়েক বছর ধরে শুধু ডাকাতিই নয় অপহরণ, মুক্তি পণ আদায় ও খুনের সাথে জড়িত। আবদুল হাকিম ডাকাত ও তার বাহিনীর সদস্যদের অট্টালিকাগুলো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, হাকিম ডাকাতের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলার পরেও অসংখ্য ঘটনা ঘটিয়েছে এই ডাকাত। তবে অনেক ভিকটিম, অনেক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ তার ভয়ে মামলা করেনি।
তিনি আরো বলেন, সর্বশেষ বিভিন্ন ব্যক্তি, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রণী পেশার মানুষকে টার্গেট ভিত্তিক অপহরণ করে মুক্তির বিনিময়ে লাখ লাখ টাকা আদায় করেছে।

সর্বশেষ পাহাড়ে বসবাসরত নিরীহ এক পরিবারে মেয়েকে আবদুল হাকিম ডাকাত ও তার ভাইসহ ধর্ষণ করে। এব্যাপারে একটি ধর্ষণ মামলাও হয়। আবদুল হাকিম ডাকাত একজন অপহরণকারী, খুনি, ধর্ষক, অস্ত্র ব্যবসায়ী, মাদক পাচারকারী, মানবপাচারকারী।
পুলিশের সুত্র মতে, গত ডিসেম্বর মাসে সুনিদৃষ্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আবদুল হাকিম ডাকাতকে ধরার জন্য পুলিশ সদস্যরা হোয়াইক্যং এর গভীর পাহাড়ে অভিযান চালায়। সেই সময়ও আবদুল হাকিম ডাকাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এসময় হাকিম ডাকাতের দুই ভাই, এক ভগ্নিপতি ও হাকিম ডাকাতের স্ত্রী পুলিশের এনকাউন্টারে মারা যান। এছাড়া বিভিন্ন সময় পুলিশের সাথে এনকাউন্টারে অারো অসংখ্য সহযোগী মারা যান। তার আশপাশের ঢালপালাগুলো শেষ হয়ে গেছে। এখন হাকিম ডাকাত একা হয়ে গেছেন, অচিরেই তাকে গ্রেফতার করা হবে। পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম বার। যে কেউ
তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রদানের ঘোষণাও দিয়েছেন পুলিশ সুপার।
সুত্রমতে, হাকিম যে পাহাড়ি এলাকায় থাকেন সেই এলাকায় বসতিগুলোর বিরাট একটা অংশ পুরাতন রোহিঙ্গা। যারা বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে এসেছে, বিভিন্ন কৌশলে বনবিভাগের জমিতে বসতি গড়ে তুলেছে।

সেখানে কিছু চামকা জনগোষ্ঠী আছে, তারাও বসবাস করে। রোহিঙ্গা এবং চাকমা জনগোষ্ঠীর সহযোগীতা নিয়ে পাহাড়ে পাহাড়ে অবস্থান করে। কখনো কখনো এদের সহযোগিতা জোরপুর্বকও নেয় বলে অভিযোগ।
তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় সাতটি হত্যা, ছয়টি অপহরণ, দুটি মাদক, দুইট ডাকাতি ও একটি ধর্ষণ মামলাসহ ২৮ টি মামলা রয়েছে|

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন নিজস্ব প্রতিবেদক :বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর প্রেক্ষিতে সৃষ্ট চলমান আর্থিক ও মানবিক সংকট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ সমাজসেবক ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশাত ।

করোনা কালীন সময়ে শুরু থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই তরুণ সমাজ সেবক। ইতিমধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ, বিভিন্ন মসজিদে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল, ফৌজদারহাটের ফিল্ড হাসপাতাল,

ইউএসটিসি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক , নার্স, ওয়ার্ড বয় দের জন্য বিপুল সংখ্যক করোনা সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান, মধ্যবিত্ত কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রায় তিন শতাধিক পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ, চট্টগ্রামের ৮ টি ওয়ার্ডে জনসাধারণের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ, সমাজের অসহায় ব্যক্তিবর্গ কে আর্থিক অনুদান প্রদান সহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছেন এই তরুণ শিল্পপতি ও সমাজসেবক ।

এইসব জনবান্ধব কর্মকাণ্ড করতে গিয়ে তাকে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছে । নিজেও আক্রান্ত হয়েছিলেন কোভিড -১৯ এ । সুস্থ হয়ে আবারো নেমে পড়েছেন সামাজিক কর্মকাণ্ডে । তরুণ সমাজসেবক আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশাত এর জনবান্ধব কর্মসূচি সমূহ সাড়া ফেলেছে সুধীমহলে ।

করোনা কালীন সময়ে যেখানে অনেক বিত্তশালী ব্যক্তি নিজেদের গুটিয়ে রেখেছেন তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানব সেবায় নিজেকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশাত । স্বমহিমায় নিজেকে যেমন ভাস্বর করেছেন ঠিক তেমনি মানবিক সংকট নিরসনে তার অক্লান্ত পরিশ্রম প্রেরণা যুগিয়েছে সমাজস্থ অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ কে ।

এই প্রসঙ্গে শিল্পপতি ও তরুণ সমাজসেবক আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশাত বলেন
” মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমি সমাজস্থ মানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি । করোনা কালীন সময়ে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস যদি সমাজের মানুষের ন্যূনতম উপকারে আসে তাহলে আমি আমার এই পরিশ্রমকে সার্থক বলে মনে করব । আমার মতে করোনাভাইরাস এর প্রেক্ষিতে সৃষ্ট চলমান মানবিক ও আর্থিক সঙ্কট নিরসনে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে । সম্মিলিতভাবে এই বৈশ্বিক মহামারী কে আমাদের মোকাবেলা করতে হবে ”

তরুণ শিল্পপতি ও সমাজসেবক আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশাতের করোনা কালীন সময়ে মানবিক ও আর্থিক সঙ্কট নিরসনে বিভিন্ন জনবান্ধব কর্মকাণ্ড যেন অব্যাহত থাকে এই প্রত্যাশা সমাজের সুধী মহলের ।

সি টি জি ট্রিবিউন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে করোনা ভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণের আশংকায় আগামি ৪ জুলাই শনিবার হতে ১৭ জুলাই শুক্রবার ২০২০ পর্যন্ত ১৪ দিন চবি ক্যাম্পাস সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে।

এ সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরী প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম শহরস্থ চারুকলা ইনস্টিটিউট অফিস হতে পরিচালিত হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার চবি’র সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দের সাথে জরুরী আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

লকডাউন চলাকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

0 0

অনেক দিন ধরেই চলছে জল্পনা-কল্পনা। গুঞ্জনের পালে এবার লাগল আরেকটু হাওয়া। বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে চাচ্ছেন না লিওনেল মেসি। কাতালানদের নাকি স্রেফ প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। আজ এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করল স্প্যানিশ রেডিও কাদেনা সেরে।

বার্সেলোনার সঙ্গে মেসির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আছে আগামী মৌসুম পর্যন্ত। স্প্যানিশ জায়ান্টরা স্বপ্ন দেখছেন ন্যু ক্যাম্প থেকেই বুট জোড়া তুলে রাখবেন অধিনায়ক। যদিও তাদের ভাবনার সঙ্গে নাকি একমত নন মেসি। এনিয়ে সম্প্রতি মেসি ও তার বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে বার্সা পরিচলাকদের। যেখানে তাদের হতাশ করেছেন মেসি।

স্প্যানিশ মিডিয়াটির দাবি, চুক্তি শেষেই বার্সা ছাড়তে প্রস্তুত মেসি। এর নেপথ্য কারণ ক্লাবকর্তাদের সঙ্গে তার মন কষাকষি। সাম্প্রতিক বছরে বার্সা এমনকিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেখানে নাখোশ হয়েছেন মেসি। নেইমারকে ছেড়ে দেওয়া, অ্যান্তনিও গ্রিজম্যানকে আনা, খেলোয়াড়দের নিবেদন নিয়ে ক্রীড়া পরিচালক এরিক আবিদালের অভিযোগ নিয়েই মূলত চটে আছেন মেসি।

করোনাভাইরাস বিরতি পরবর্তী মাঠে ফিরেছে বার্সেলোনা। কিন্তু কাতালানদের প্রত্যাবর্তন ঠিক সুখের হয়নি। নিজেদের হারিয়ে খুঁজতে থাকা বার্সা লা লিগার শ্রেষ্ঠত্ব হারানোর শঙ্কায় পড়েছে। সবশেষ চার ম্যাচের তিনটিতে ড্র করে এই বেহাল দশা হয়েছে বার্সার। দলের এমন নাজুক পারফরম্যান্সের প্রভাব পড়েছে মেসির ওপর।

বেশ কয়েকদিন ধরে অচেনা মেসিকে দেখা যাচ্ছে। প্রায়শই নাকি তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে আছে। মাঠে সতীর্থদের সঙ্গে শারীরিক ভাষায় মিলছে নেতিবাচক ছাপ। অনুশীলনে দুজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আবার জড়িয়েছেন বিবাদে। এমনকি বার্সার সহকারী কোচের সঙ্গেও ঝামেলা তৈরি হয়েছে মেসির। সবমিলিয়ে পুরনো গুঞ্জন যেন নতুন করে পাখা মেলল।

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন :দেলোয়ার হোসেইন(মহেশখালী কক্সবাজার) প্রতিনিধি :মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত মাতারবাড়ীইউনিয়নের  ৪নং ওয়ার্ডের সিএজি স্টেশনে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না করে অ-পরিকল্পিত নিউ মার্কেট তৈরী করায় চলতি বর্ষামৌসুমে জলবদ্ধাতার সৃষ্টি হয়েছিল।

লাইল্যাঘোনা,সাতঘরপাড়া,সিএনজি স্টেশন,পুলিশ ক্যাম্প সহ অত্র ৪ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায়।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়ঃ-

চলতি বর্ষার মৌসুমে ও অন্যান্য সময় পানি নিষ্কাশনে চলমান বর্ষামৌসুমের মতো জলাবদ্ধতা আগে কখনাে এলাকা বাসী দেখেনি কিন্তু বিগত সময়ে এলাকায় অপরিকল্পিত বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি হওয়ায়জলাবদ্ধতায়
নিদারুণ সমস্যার সম্মুক্ষিণ পোহাতে হচ্ছিল অত্র
এলাকা বাসীর।

জলাবদ্ধতা নিরসনে সি.এন.জি.স্টেশন ও লাইল্যাঘােনা
সংযােগ স্থলে কালভার্টের পুননির্মাণ কাজ চলছে।

পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্টের দক্ষিণ দিকে প্রায় ১০০ ফুট ড্রেন ব্যবস্থা অত্যান্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক,মহেশখালী উপজেলার সাবেক রাজপথ কাপানো ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আবু হায়দার,ইউপি সদস্য ও ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী
লীগ সভাপতি এম জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী,উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ছালেহ ,সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি কাইছারুল ইসলাম,আবদুল্লাহ আল কাইয়ুম,ছাত্রনেতা মােস্তফা কামাল,মােহাম্মদ ইয়াছিন সহ স্থানীয় লােকের প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণেঃ-

মহেশখালী উপজেলার রাজপথ কাপানো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বর্তমান মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু হায়দার
এলাকার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ফুট ড্রেনের ব্যাবস্থা করেন।

পরবর্তীতে ৮০ ফুট ড্রেনের কাজ কিছু দিনের মধ্যে শেষ করার হবে বলে স্থানীয় এলাকা বাসীদের কে আশ্বাস দেন ।

এলাকার সাধারণ মানুষ চলতি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন ।

এই সময়,এম আবু হায়দার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এর নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডে বাস্তবায়নে সকলের সহযােগিতা কামনা করেন ।