Home স্ব্যাস্থ ও রূপচর্চা

বর্তমানে যেখানে কোভিড-১৯ এর তাণ্ডব বেড়ে চলেছে দেশে প্রতিদিন  মৃত্যুর সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরি হাঁকাচ্ছে এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুই লক্ষাধিক।

ঢাকা এবং আসপাশের জেলাগুলোতে খুলে দেয়া হয়েছে শপিংমল,রেস্টুরেন্ট,পিকনিক স্পর্ট, হাট বাজার সহ ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুধু মাত্র বন্ধ রয়েছে স্কুল,কলেজ এবং ইউনিভার্সিটি।

 

দেশে করোনা পরিস্থিতি যেখানে বিপর্যার মুখে ঠিক সেই সময় মানুষ তাদের উচ্চ বিলাসী ইচ্ছা পূরণ করতে বেড়াতে যাচ্ছে  নগরির বিভিন্ন জায়গায় যেমনঃ  পার্ক, খাবারের রেস্টুরেন্ট, মার্কেট , বিভিন্ন ফুড কোট আবার কেউ কেউ বের হচ্ছে বাইক এ করে তার সঙ্গিনীকে নিয়ে দই ফুচকা,চটপটি ,বার্গার এবং নানান ফাস্ট ফুড খাওয়ার উদ্দেশে। স্কুল-কলেজ খুলে নাই কিন্তু ছাত্র-ছাত্রী তারা বের হয়ে পরছে তাদের বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ডদের নিয়ে বের হয়ে পড়ছে বিভিন্ন ডেটিং স্পর্ট এর উদ্দেশ্য  তাদের মাঝে নেই কোন সতর্কতা মানছে না কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব। আবার ও শুরু হয়েছে নিয়মিত যানজট ও ভোগান্তি। এমনটার দেখা মিলেছে কেরানীগঞ্জ এর মধুসিটি, আটীবাজারের প্রধান সড়কে ।

 

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিনিয়ত  হিমসিম খাচ্ছে  কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কিন্তু বর্তমানে দেশের মানুষদের ভিতরে সতর্কতা কোন ছাপ মিলছে না ।  সরকার/প্রশাসন কিছুই করতে পারবে না যদি জনগণ সতর্ক না হই ।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দেলোয়ার হোসাইন

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোভিড-১৯ রোগের চিকিত্সায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং এইচআইভি চিকিত্সায় ব্যবহূত ওষুধ লোপিনাভির/রিটোনাভির দিয়ে চিকিত্সাও বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে WHO। খবর রয়টার্সের

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গতকাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কোভিড-১৯ রোগের চিকিত্সায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং লোপিনাভির/রিটোনাভিরের মাধ্যমে চিকিত্সা করা হয়েছিল। কিন্তু এসব ওষুধ মৃত্যু কমাতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। তাই এই ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা বন্ধ করা হলো। অনেক দেশ এই ওষুধ ব্যবহার করছে বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক স্টিয়ারিং কমিটির পরামর্শে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিত্সার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃদেশে বেড়ে চলেছে করোনার সংক্রামণ প্রতিদিন মৃত্যুর হার ৪০ থেকে ৫০ জন । এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১৫,৬,৩৯১ জন , মৃত্যু হয়েছে ১,৯৮৬ জনেরও বেশী ।

স্বাস্থ্য বিধি মেনে গনপরিবহন চালানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার এবং বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ৫০% শতাংশ  কারণ যাতেকরে বাস ড্রাইভার/হেল্পার গাড়ীতে অতিরিক্ত মানুষ না উঠানো হয়,বাংলাদেশ (বি আর টি এ)  থেকে বলা হয়েচে ৩৬সিট এ  মাত্র ১৮ নিতে পারবে অর্থাৎ প্রতি  সিটে একজন করে বসবে এবং গাড়িতে থাকতে হবে প্রয়োজনিয় জীবানো নাশক ব্যবস্থা  কিন্তু বাস্তব চিত্রে তার প্রমান মিলছে না । এখন ও বাসে লোক উঠানো  হচ্ছে  বাসের লোক ধারন ক্ষমতার অধিক  শুধু তাই নয় প্রয়োজনে লোক নেয়া হচ্ছে বাসের ছাদে।

আজ দুপুরে খুলনা মংলা থেকে রূপসা এই রোডে এর বাস্তব চিত্র দেখা যায় । এই সময় যাত্রীদের সাথে কথা বল্লে তারা দোষ দিয়েছে সরকার/প্রশাসন এবং বাস মালিকদের। এর মধ্যে রাস্তায় দাঁড়ানো এক জন যাত্রী নাম তার সজীব সে বলছে তার কাছে মাস্ক এবং হ্যান্ড সেনিটাইজার আছে কিন্তু নেই হ্যান্ড গ্লাফস । তাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, এই ভাবে কি সংক্রামণ কমানো সম্ভব? তখন সে বলে আসলে আমারা সচেতন না সরকার কি করবে সরকার একা কিছু করতে পারবে  না  যদি আমরা সচেতন না হই। কারন সরকার কখনো একা না জনগন নিয়ে সরকার তাই বলা হয় (বাংলাদেশ গনপ্রজাতন্ত্রী) এই বলে তিনি তার কথা শেষ  করেন।

বিশেষ প্রতিনিধি,দেলোয়ার হোসেন

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে লণ্ডভণ্ড গোটা পৃথিবী। প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিলে ঠাই হচ্ছে হাজারো মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে এই ভাইরাস মোকাবেলায় ভ্যাকসিন তৈরিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি দেশ।ভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বের শতাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে। এর মধ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন এগিয়ে আছে বলে গত কয়েকদিন আগে জানিয়েছিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে সবার আগে চীনের তৈরি ভ্যাকসিনই চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো।

কিন্তু সবাইকে ছাড়িয়ে এবার করোনার ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে চীন। সোমবার (২৯ জুন) এ খবর দিয়েছে ইয়াহু নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনীর গবেষণা শাখা এবং স্যানসিনো বায়োলজিকসের (৬১৮৫.এইচকে) তৈরি একটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন মানব শরীরে প্রয়োগের অনুমতি পেয়েছে।

তবে আপাতত ভ্যাকসিন শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যবহার করা হবে। স্যানসিনো বলেছে, চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন গত ২৫ জুন এডি৫-এনকোভ ভ্যাকসিনটি সৈন্যদের দেহে এক বছরের জন্য প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। স্যানসিনো বায়োলজিকস এবং একাডেমি অফ মিলিটারির একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার স্যানসিনো বায়োলজিকস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভ্যাকসিনটি চীনের বাইরেও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হচ্ছে। ইতিমধ্যে কানাডায় পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে চীনের লজিস্টিক সাপোর্ট বিভাগের অনুমোদনের আগে এটি ব্যাপকভাবে সাধারণ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা হবে না।

কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিনটি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় দারুণভাবে সফল হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে একজন ‘ভুয়া’ চিকিৎসক ও হাসপাতালের ফার্মেসিতে অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহারের জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনহীন ইনজেকশন ও সার্জিক্যাল পণ্য পাওয়া গেছে। আজ রোববার দুপুর ১২টা থেকে এ অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৩)।

এ সময় ইউনানীর সনদ নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতো এলোপ্যাথিক চিকিৎসা দেয়ায় ‘ভুয়া’ চিকিৎসক মিজানুর রহমানকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনহীন ইনজেকশন ও সার্জিক্যাল পণ্য রাখায় প্রতিষ্ঠানটির ফার্মেসিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, অভিযান চলাকালে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনহীন (যেটা ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী সংক্ষেপে ডিএআর বলে) অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত ইনজেকশন জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সার্জিক্যাল আইটেম জব্দ করা হয়েছে।

অনুমোদনহীন এসব মেডিকেল সামগ্রী রাখার অপরাধে ফার্মেসির দায়িত্বে থাকা ফার্মাসিস্ট শফিউল ইসলাম ও আব্দুল জলিলকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘ইউনানী হেকিম হিসেবে চিকিৎসার জন্য সাময়িক সনদ নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিতেন ভুয়া চিকিৎসক মিজানুর রহমান। তার প্যাডে এলোপ্যাথি চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন করার কোনো সুযোগ নেই। অথচ তিনি নিজেকে হেকিম নয়, বরং ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন।’

অসংখ্য ভুয়া ডিগ্রি তার প্রেসক্রিপশনে যুক্ত আছে। সেগুলোর কোনো সত্যতা কিংবা ভিত্তি নেই। সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করতেই তিনি ভুয়া ডিগ্রি যুক্ত করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও অর্থের ক্ষতিসাধন করেন। এ ব্যাপারে ওই চিকিৎসক কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলে জানান পলাশ কুমার বসু।

এমন ‘ভুয়া’ চিকিৎসককে বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রচার ও চেম্বারে বসার সুযোগ করে দেয়ায় হাসপাতালটির অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারভাইজার মো. হাসিনুর রহমানকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

সি টি জি ট্রিবিউন :চট্টগ্রাম -২৩ জুন-২০২০ খ্রি.চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ. ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনাকালের দু:সহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদেরকে সকল সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ক্রান্তিকাল অতিক্রমে হিম্মত অর্জন করতে হবে। সাহস, মনোবল ও প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরিস্থিতি মোকাবেলার সবচেয়ে বড় অবলম্বন। সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে যে-সব চিকিৎসক,নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর সহ যোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আক্রান্তদের সেবা দিচ্ছেন তার ধারাবাহিকতায় অবশ্যই পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব।

তিনি আজ মঙ্গলবার মোহরাস্থ ছাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এসব কথাগুলো বলেছেন। তিনি আরো বলেন, অদৃশ্য শক্র মরণঘাতী করোনা ভাইরাস এমনই একটি মারণাস্ত্র যার জীবন বিধ্বংসী নাশকতার চরিত্র-প্রকৃতি কারো জানা ছিল না। তাই এ রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের সাস্থখাতের দীনতাগুলো সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

করোনাকালের এই শিক্ষা নিয়ে  সাস্থখাতে দীনতা দূর করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সামর্থ্য ও সক্ষমতা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠলেও সরকার নির্বিকার ও নির্লিপ্ত নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেই মনিটরিং করছেন এবং ব্যবস্থাপনার ত্রæটিগত দীনতাগুলো দ্রুত নিরসন করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য যুদ্ধকালীন অবস্থার মতোই  স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাতে সবধরণের উদ্যোগ ও প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা অবশ্যই দেশপ্রেমিক। আমরা ইতোমধ্যেই অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীকে হারিয়েছি। তাঁরা বীরের মর্যাদায় অভিসিক্ত।

পাশাপাশি এটাও লক্ষ্যণীয় যে, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী দের একটি অংশ তাদের পেশাগত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে করোনা ভীতিতে আক্রান্ত হয়ে নিজেকে গুটিয়ে রেখে দেশপ্রেম বিবর্জিত আচরণে লিপ্ত হয়েছেন। এমনকি সরকারি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র নির্বিশেষে কোন কোন হাসপাতালের অব্যবস্থপনার চিত্র সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে।

মেয়র দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নগরবাসীর চিকিৎসা সেবায় চিকিৎসকদের শতভাগ অবদান রাখার  আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই মানবিক দায়িত্বটুকু পালনে চিকিৎসক-নার্সদের অবশ্যই সচেষ্ট হতে হবে। যারা এ ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন তারা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে অপরাধী হয়ে থাকবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. মো. তৌহিদুল আনোয়ার খান, ডা. কাউছার পারভীন, ডা. আলমগীর, ডা. জতিশ্রিরানী বড়–য়া, ডা. রিয়াজ আহমদ, ডা. রনজিত পাল, ডা. কুসুম আক্তার, ডা. তানজিনা খাতুন, ডা. সামিয়া আফরিন, ডা. ওয়াহিদা বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, আনোয়ার মিজ্জা, মোঃ ফারুক, রুবায়েত হোসেন, নঈম উদ্দিন, খান,আবুল কালাম প্রমুখ।

পরে নগরীর ২নং জালালাবাদ ও ১৩নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সেচ্ছাসেবকদের সাথে থিয়েটার ইনষ্টিটিউটে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন সেচ্ছা সেককদের উদ্দেশ্যে বলেন,এই কর্মশালার প্রশিক্ষকদের নির্দেশনা মেনে নিয়ে দূর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিবেদিত হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন,

আপনাদের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য আপনারা অবশ্যই স্বীকৃতিযোগ্য।ভবিষ্যতে সকল সংকট মোকাবেলায় সেচ্ছসেবক হিসেবে আপনারা অগ্রাধিকার পাবেন। এ সময় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী,

মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, কর্মশালার আইইডিসিআর এর প্রশিক্ষক ডা. মোহাম্মদ ওমর কাইয়ুম, ডা. তৌহিদুল আনোয়ার খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

কেবল গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলেই ওজন কমে না। টকজাতীয় খাবার সাময়িকভাবে ক্ষুধা নিবৃত্ত করে কিন্তু স্থায়ীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় হল পরিমিত খাবার গ্রহণ ও শরীরচর্চা। প্রতিদিন সকালে লেবু পানি খেয়ে দিনভর তেল ও মসলাদার খাবার খেলে কখনোই ওজন কমবে না। আবার সারা দিন না খেয়ে ওজন কমাতে গিয়ে শরীর দুর্বলও হয়ে পড়ে।

ওজন কমাতে অনেকেই নিয়মিত মধু খান। কিন্তু গরমে মধু না খাওয়াই ভালো। কারণ মধু শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অনেকের মাথা গরম হয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। আর রাতে ঘুম ঠিকমতো না হলে ওজন কমার সম্ভাবনা নেই। বরং নিয়মিত খাবার খেয়েই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে পরিমিত খাবার গ্রহণের একটি সাধারণ ডায়েট চার্ট দেয়া হল। তবে বয়স, ওজন ও সমস্যাভেদে ডায়েট চার্ট পার্থক্য হবে।

সকাল

একটা রুটি, এক বাটি সবজি এবং একটা ডিম। বেলা ১০টা থেকে ১১টায় যেকোনো ফল খেতে পারেন তবে কলা এড়িয়ে যান।

দুপুর

আধকাপ ভাতের সঙ্গে মাছ বা মাংস এবং অবশ্যই এক বাটি ডাল। আর যত খুশি পাতে তুলে নিন সবজি। রান্নায় কম তেল ব্যবহার করুন।

বিকাল

খিদে পেলে সবজির এক বাটি স্যুপ খেতে পারেন। আর বিকেলের নাস্তায় রাখুন গ্রীন টি, টোস্ট অথবা মুড়ি। চাইলে শসা, টমেটোর সালাদও খেতে পারেন।

রাত

রাতে ভাতটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। দুধের সঙ্গে কর্নফ্লেকস অথবা রুটি দিয়ে ডিনার সারুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে পরিমিত খাবারের পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্যকর নিয়মও মেনে চলতে হবে। যেমন, ঘুমটা যেন অন্তত আট ঘণ্টার হয়। সকালের নাস্তা যাতে বাদ না যায়। সকালের নাস্তা নয়টা ও রাতের ডিনার অবশ্যই রাত আটটার মধ্যে সারতে চেষ্টা করুন। যাদের এসিডিটির সমস্যা নেই তারা টক জাতীয় পানীয়ও ডায়েট চার্টে রাখুন।