Home স্ব্যাস্থ ও রূপচর্চা

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অন্তত ছয়টি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। সেগুলো এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমোদনের অপেক্ষায়। এর মধ্যেই বিভিন্ন দেশ সেই ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য নিজেদের বরাদ্দ দিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ সরকারও পিছিয়ে নেই।অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য চলতি মাসের শুরুর দিকেই ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশি বেসরকারি বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। সেই অনুয়ায়ী প্রাথমিকভাবে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ। পরবর্তীতে সংখ্যাটা আরো বাড়তে পারে।ডোজ পাবে বাংলাদেশ। প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১ দশমিক ৬২ থেকে দুই ডলার। ২০২১ সালের মধ্যে ভ্যাকসিন স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির পরিচালক ডা. সামসুল হক। তিনি জানান, গ্যাভির এই প্রক্রিয়াটি হচ্ছে, আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে। যে দেশ আগে বিতরণ পরিকল্পনা জমা দেবে তারাই সবার আগে পাবে। তারা শিগগিরই পরিকল্পনা জমা নেয়া শুরু করবে।

বাংলাদেশের পরিকল্পনা অনেকটাই তৈরি আছে জানিয়ে ডা. সামসুল হক বলেন, প্রথম দিনই আমরা ভ্যাকসিন বিতরণের পরিকল্পনা জমা দিতে পারবো বলে আশা করছি। প্রতি ডোজের জন্য সরকারকে ১ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হবে।

বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ চট্টগ্রাম জেলা কর্তৃক আয়োজিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করোনা সংক্রমনে দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সবার জন্য মাক্স ব্যবহার বাধ্যতা মূলক। ফ্রি মাক্স এবং সেনিটাইজার বিতরণ কর্মসূচি ও মতবিনিময় সভা কেন্দ্রীয় ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গ্রাম ডাক্তার আব্দুস সাত্তার মহোদয়ের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন অফিস ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার, বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক গ্রাম ডাক্তার মাহমুদুল হাসান, পরিচালক হেলথ এশিয়া লাইফ সাইন্স (ইউ) দীপঙ্কর ভৌমিক। সঞ্চালনায় সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রাম ডাক্তার রনজিত দাশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, করোনা বৈশ্বিক মহামারী যা সারা পৃথিবীকে বিভিশিখার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যেখানে মানবতা বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই দ্বিবা রাত্রী নিজ কর্ম ও সজাগ দৃষ্টি এবং সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আমাদের প্রশাসন, মিডিয়া, চিকিৎসক, সমাজ সেবক, মানবাধিকার কর্মী ও সমাজের বিত্তশালী ধর্ণাঢ্য ব্যক্তি সকলকে সম্পৃক্ত করে সফল কর্মযজ্ঞ সম্পাদনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা সক্ষম হই। এতে সমাজের বিশাল অংশ চিকিৎসা পেশার অংশ হিসেবে গ্রাম ডাক্তার আপনারাও অনেক ত্যাগ স্বীকার করে চিকিৎসা ও মানবিকতা মূল্যবোধ জাগ্রত রেখেছেন। যার প্রমাণ আজকের এই অনুষ্ঠান।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে আজ আপনারা স্বোচ্ছার। আমি আপনাদের এই কর্মকান্ডের সহিত একাত্বতা পোষণ করছি। সভাপতির বক্তব্যে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি গ্রাম ডাক্তার অঞ্জন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক গ্রাম ডাক্তার মাহমুদুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রাম ডাক্তার রনজিৎ দাশ’র নাম ঘোষণা করে সকলকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করার নির্দেশ প্রদান করেন।

দেশের জনগণের জন্য কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের কাছে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আকাক্সক্ষা অনুযায়ী সকল দেশবাসীর জন্য যখন উদ্ভাবিত হবে তখনই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের আইডিএ-১৯-এর আওতায় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ হিসাবে এই সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভা ২০২০-এর অংশ হিসাবে ২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যকার এক ভার্চ্যুয়াল সভায় এ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোন্তফা কামাল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফার।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং বিশ্বব্যাংকের আবাসিক পরিচালক মার্সি টেম্বনও সভায় সংযুক্ত হন।
এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ রিকভারি অ্যান্ড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় দেশে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ধকল সামলানোর জন্য মোট ৫০ কোটি ডলার থেকে জরুরি ভিত্তিতে ২৫ কোটি ডলার অবমুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ পক্ষ বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, করোনভাইরাস মহামারীর কারণে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমবাজার, আর্থিক ও সামাজিক খাতের রক্ষণাবেক্ষণে বিশ্বব্যাংক সমর্থিত প্রোগ্রামেটিক জবস ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি)’র অধীনে চলতি অর্থবছরে ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তার তৃতীয় কিস্তি দ্রুত ছাড় করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ পক্ষ ঋণ প্রদানকারী সংস্থাকে অনুরোধ করেছে।
অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার জানান, সরকার জবস ডিপিসি প্রকল্পের বেশিরভাগ শর্ত পূরণ করেছে এবং বাকি শর্তগুলো খুব শিগগিরই পূরণ করা হবে।
সভার শুরুতে অর্থমন্ত্রী দেশের সার্বিক উন্নয়নে অব্যাহত সহায়তার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জনসংখ্যার অনুপাত বিবেচনায় বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম আইডিএ গ্রহীতা দেশ উল্লেখ করে কামাল জনসংখ্যা বিবেচনা করে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য দ্রুততার সাথে বাংলাদেশকে ঋণ সহায়তা বরাদ্দের জন্য বিশ্বব্যাংকের ভাইস-প্রেসিডেন্ট সহসভাপতি হার্টভিগ শ্যাফারের সহায়তা কামনা করেন ।
কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন দ্রুত ও সময়োপযোগী প্রয়াসের প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে।
ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, বাংলাদেশ আইডিএ-১৮-এর আওতায় আইডিএ থেকে ৫০০ কোটি ডলার এবং এসইউএফ থেকে ২০০ কোটি ডলার মূল্যমানের প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সাফল্য দেখিয়েছে, যা আইডিএ দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
তিনি আইডিএ-১৯-এর আওতায় বাংলাদেশকে আরো বেশি বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।

ড. নিজামউদ্দিন জামিঃমাস্ক পরার কারণে পৃথিবীতে একটি মানুষও মারা গেছে-এমন খবর এখনো দেয়নি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু টালবাহানা শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। এটা আমাদের জাতিগত দুর্ভাগ্য যে, আমরা মাস্ক পরছি না। মানুষ না মানছে রাষ্ট্রের কথা, না মানছে ধর্মের কথা। আর আমার মতো অধমের কথা নাই বা বললাম! মহামারিকালে মানুষের করণীয় সম্পর্কে বিভিন্নধর্মে স্পষ্ট নির্দেশনা আছে। ধর্মের লেবাসধারীরা সেকথাও মানতে নারাজ। তাই ওদের ভণ্ড বলি, ধার্মিক নয়।

আত্মহত্যার আলামত

যে বা যারা স্বাস্থ্যবিধি মানে না, তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা স্পষ্ট ও প্রবল। জীবন সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত ও আমানত। জীবনকে পরিচর্যা করা আর সৃষ্টিকর্তার প্রতি আনুগত্য দেখানোর মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। সৃষ্টিকর্তার আমানত যে বা যারা খেয়ানত করে, সে নিশ্চয়ই আত্মহত্যাকারী, নাফারমান বান্দা। আত্মহত্যা কোনো ধর্মই সমর্থন করে না। মাস্ক না-পরা আর আত্মহত্যা করা একই কথা।

মাস্কপরা এখন ভদ্রতা

রাষ্ট্রের কথা বাদ দিলাম, ধর্মের কথাও বাদ দিলাম। ভদ্রতা বলতে, সামাজিকতা বলতে একটি চক্ষুলজ্জাতো আছে, বাঙালিদের মধ্যে সম্প্রতি তার অভাব প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে।

৩-৪ কোটি মানুষের মুখে মাস্ক চাই

১৬ কোটি মানুষের মুখে মাস্ক পরানোর দরকার হয় না। একচতুর্থাংশ মানুষের মুখে মাস্ক চাই। তাও আবার ঘরের বাইরে গেলে বিশেষত যেখানে জনসমাগম আছে, সেখানে মানুষের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার দরকার ছিল। সরকার পারতো সহজ কাজটি করতে কিন্তু কোনো করেনি, করছে না, আল্লাহ মালুম। সরকারের হাতে ক্ষমতা আছে, আইন রক্ষাকারী বাহিনী আছে। যারা জাতিসংঘের অধীনে বিভিন্ন দেশেও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। কিন্তু নিজ দেশের অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি ! মাস্ক পরার উদাসীনতা আমাদের দারুণভাবে হতাশ করেছে। সরকার দায়ি করছে জনগণকে, ভদ্রসমাজ দায়ি করছে সরকারকে। তাঁদের প্রশ্ন- “কেন মাস্ক পরতে বাধ্য করা হচ্ছে না?”

কেবল মাস্ক পরে ৮০% সংক্রমণ কমানো সম্ভব

করোনা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ এখন অনেক সুগম হয়েছে। শুধু মাস্ক পরে ৮০% সংক্রমণ কমানো যেত বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। সামাজিক দূরত্ব নাই বললেই চলে। মানুষ আর গরুর চলাচলের মধ্যে পার্থক্য হ্রাস পেয়েছে ইদানিং।

যারা বাঁচতে চায়, তাঁদের জন্য কী বিধান?

মানলাম, যারা মরতে চায়, তারা মরুক। কিন্তু যারা বাঁচতে চায়, তাঁদের জন্য কী বিধান? যারা করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে, তাঁদের প্রতি আমাদের সম্মান-সহানুভূতি তো দূরের কথা, উল্টো তারা সবজায়গায় হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে। কিন্তু যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছে না, তাদের কারণে সংক্রমিত হচ্ছেন ভালো মানুষগুলি। যাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা নাই বিন্দুমাত্রও। তাদের মৃত্যুর জন্য তাহলে কারা দায়ি? রাষ্ট্র নাকি বেপরোয়া নাগরিক? রাষ্ট্রের উচিত, যারা বাঁচতে চায়, তাদের বাঁচানো। এখন সবকিছু কেমন ঢিলেঢালা! “পার কর ডুবাইয়া মারো মহিমা তোমার”। এখন সবকিছু ভাগ্যের হাতে সোপর্দ করে আমরা যেন কর্তব্য শেষ করে ফেলেছি! মাথামোটা স্বাস্থ্যমন্ত্রী যখন বলেন- “অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে মৃত্যুহার অনেক কম।” তখন হাত-পা ওয়ালা পাগলা ঘোড়া লাফ দিয়ে উঠে ফের!

আইন রক্ষাবাহিনী কেন?

শহরের জনবহুল রাস্তা ও এলাকায় থানা আছে, পুলিশ ফাঁড়ি আছে কিন্তু কোনো পুলিশই কাউকে বলছে না- “মাস্ক পরুন!” সেনাবাহিনীর অনেক গাড়ি টহল দেয় কিন্তু মাস্ক পরতে বলা হয় না কাউকে। গাড়ির তেল পুড়ছে, পুড়ুক! মানুষ মরছে, মরুক! তাহলে কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্ন কি অধরাই থেকে যাবে?

সামাজিক সংগঠনগুলি চুপসে গেছে

সামাজিক সংগঠনগুলিও কেমন জানি চুপসে গেছে! গর্ত থেকে বের হয়নি এখনো। রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে যদি একটু মাইকিং করে বলতো- “ভাই! মাস্ক পরুন। নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান” ইত্যাদি। কই বলছে নাতো! রাজনৈতিক সংগঠনের কথা বলার সাহস আমার এখনো হয়নি। তাই মুখে কুলুপ এঁটে দিলাম।

তাহলে বাঁচার উপায়?

যারা মাস্ক পরে না, তারা ভাইরাস বহন করে নিজের বাসাবাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে। অসুস্থ মা-বাবা বা সন্তানের মৃত্যুর কারণ হচ্ছে সেই মানুষগুলি।

গত ৭-৮ মাসে রাস্তায় একটি মানুষও পাইনি, যিনি মাস্ক না-পরা লোকের গাড়িতে উঠবেন না, মাস্ক না-পরা লোকের দোকান থেকে কিছু কিনবেন না, খাবেন না। নিজে বলে বলে গলা ফাটালাম কেবল। কেউ শুনলো না এ অভাজনের কথা। এখন এখন কোনো রিক্সাওয়ালাকে পাই না, যে মাস্ক পরে। তাহলে বাঁচবো কেমনে?

গাড়ির কোম্পানি যদি বলে দিতো যে, প্রত্যেক স্টাফকে মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক ছাড়া কোনো যাত্রী গাড়িতে উঠতে পারবে না। সরকারও তা করতে পারতো, করেনি। সরকার ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করে। “তদারকি” শব্দটির সাথে আমাদের সরকারগুলি কখনোই পরিচিত হয়নি, হবার লক্ষণও দেখি না। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের মালিক যদি মাস্কপরা বাধ্যতামূলক করতো, এতোদিনে বাংলাদেশের করোনা বিদায় নিতো।

এতো মানুষও মরতো না। যে পরিবারে কেউ না কেউ মারা গেছে, সে পরিবারই জানে জীবন যন্ত্রণার অন্যরকম গল্প।

বর্তমানে যেখানে কোভিড-১৯ এর তাণ্ডব বেড়ে চলেছে দেশে প্রতিদিন  মৃত্যুর সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরি হাঁকাচ্ছে এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুই লক্ষাধিক।

ঢাকা এবং আসপাশের জেলাগুলোতে খুলে দেয়া হয়েছে শপিংমল,রেস্টুরেন্ট,পিকনিক স্পর্ট, হাট বাজার সহ ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুধু মাত্র বন্ধ রয়েছে স্কুল,কলেজ এবং ইউনিভার্সিটি।

 

দেশে করোনা পরিস্থিতি যেখানে বিপর্যার মুখে ঠিক সেই সময় মানুষ তাদের উচ্চ বিলাসী ইচ্ছা পূরণ করতে বেড়াতে যাচ্ছে  নগরির বিভিন্ন জায়গায় যেমনঃ  পার্ক, খাবারের রেস্টুরেন্ট, মার্কেট , বিভিন্ন ফুড কোট আবার কেউ কেউ বের হচ্ছে বাইক এ করে তার সঙ্গিনীকে নিয়ে দই ফুচকা,চটপটি ,বার্গার এবং নানান ফাস্ট ফুড খাওয়ার উদ্দেশে। স্কুল-কলেজ খুলে নাই কিন্তু ছাত্র-ছাত্রী তারা বের হয়ে পরছে তাদের বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ডদের নিয়ে বের হয়ে পড়ছে বিভিন্ন ডেটিং স্পর্ট এর উদ্দেশ্য  তাদের মাঝে নেই কোন সতর্কতা মানছে না কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব। আবার ও শুরু হয়েছে নিয়মিত যানজট ও ভোগান্তি। এমনটার দেখা মিলেছে কেরানীগঞ্জ এর মধুসিটি, আটীবাজারের প্রধান সড়কে ।

 

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিনিয়ত  হিমসিম খাচ্ছে  কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কিন্তু বর্তমানে দেশের মানুষদের ভিতরে সতর্কতা কোন ছাপ মিলছে না ।  সরকার/প্রশাসন কিছুই করতে পারবে না যদি জনগণ সতর্ক না হই ।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দেলোয়ার হোসাইন

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোভিড-১৯ রোগের চিকিত্সায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং এইচআইভি চিকিত্সায় ব্যবহূত ওষুধ লোপিনাভির/রিটোনাভির দিয়ে চিকিত্সাও বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে WHO। খবর রয়টার্সের

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গতকাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কোভিড-১৯ রোগের চিকিত্সায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং লোপিনাভির/রিটোনাভিরের মাধ্যমে চিকিত্সা করা হয়েছিল। কিন্তু এসব ওষুধ মৃত্যু কমাতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। তাই এই ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা বন্ধ করা হলো। অনেক দেশ এই ওষুধ ব্যবহার করছে বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক স্টিয়ারিং কমিটির পরামর্শে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের চিকিত্সার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃদেশে বেড়ে চলেছে করোনার সংক্রামণ প্রতিদিন মৃত্যুর হার ৪০ থেকে ৫০ জন । এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১৫,৬,৩৯১ জন , মৃত্যু হয়েছে ১,৯৮৬ জনেরও বেশী ।

স্বাস্থ্য বিধি মেনে গনপরিবহন চালানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার এবং বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ৫০% শতাংশ  কারণ যাতেকরে বাস ড্রাইভার/হেল্পার গাড়ীতে অতিরিক্ত মানুষ না উঠানো হয়,বাংলাদেশ (বি আর টি এ)  থেকে বলা হয়েচে ৩৬সিট এ  মাত্র ১৮ নিতে পারবে অর্থাৎ প্রতি  সিটে একজন করে বসবে এবং গাড়িতে থাকতে হবে প্রয়োজনিয় জীবানো নাশক ব্যবস্থা  কিন্তু বাস্তব চিত্রে তার প্রমান মিলছে না । এখন ও বাসে লোক উঠানো  হচ্ছে  বাসের লোক ধারন ক্ষমতার অধিক  শুধু তাই নয় প্রয়োজনে লোক নেয়া হচ্ছে বাসের ছাদে।

আজ দুপুরে খুলনা মংলা থেকে রূপসা এই রোডে এর বাস্তব চিত্র দেখা যায় । এই সময় যাত্রীদের সাথে কথা বল্লে তারা দোষ দিয়েছে সরকার/প্রশাসন এবং বাস মালিকদের। এর মধ্যে রাস্তায় দাঁড়ানো এক জন যাত্রী নাম তার সজীব সে বলছে তার কাছে মাস্ক এবং হ্যান্ড সেনিটাইজার আছে কিন্তু নেই হ্যান্ড গ্লাফস । তাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, এই ভাবে কি সংক্রামণ কমানো সম্ভব? তখন সে বলে আসলে আমারা সচেতন না সরকার কি করবে সরকার একা কিছু করতে পারবে  না  যদি আমরা সচেতন না হই। কারন সরকার কখনো একা না জনগন নিয়ে সরকার তাই বলা হয় (বাংলাদেশ গনপ্রজাতন্ত্রী) এই বলে তিনি তার কথা শেষ  করেন।

বিশেষ প্রতিনিধি,দেলোয়ার হোসেন

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে লণ্ডভণ্ড গোটা পৃথিবী। প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিলে ঠাই হচ্ছে হাজারো মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে এই ভাইরাস মোকাবেলায় ভ্যাকসিন তৈরিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি দেশ।ভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বের শতাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে। এর মধ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন এগিয়ে আছে বলে গত কয়েকদিন আগে জানিয়েছিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে সবার আগে চীনের তৈরি ভ্যাকসিনই চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো।

কিন্তু সবাইকে ছাড়িয়ে এবার করোনার ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে চীন। সোমবার (২৯ জুন) এ খবর দিয়েছে ইয়াহু নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনীর গবেষণা শাখা এবং স্যানসিনো বায়োলজিকসের (৬১৮৫.এইচকে) তৈরি একটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন মানব শরীরে প্রয়োগের অনুমতি পেয়েছে।

তবে আপাতত ভ্যাকসিন শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যবহার করা হবে। স্যানসিনো বলেছে, চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন গত ২৫ জুন এডি৫-এনকোভ ভ্যাকসিনটি সৈন্যদের দেহে এক বছরের জন্য প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। স্যানসিনো বায়োলজিকস এবং একাডেমি অফ মিলিটারির একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার স্যানসিনো বায়োলজিকস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভ্যাকসিনটি চীনের বাইরেও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হচ্ছে। ইতিমধ্যে কানাডায় পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে চীনের লজিস্টিক সাপোর্ট বিভাগের অনুমোদনের আগে এটি ব্যাপকভাবে সাধারণ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা হবে না।

কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিনটি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় দারুণভাবে সফল হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সি টি জি ট্রিবিউন :চট্টগ্রাম -২৩ জুন-২০২০ খ্রি.চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ. ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনাকালের দু:সহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদেরকে সকল সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ক্রান্তিকাল অতিক্রমে হিম্মত অর্জন করতে হবে। সাহস, মনোবল ও প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরিস্থিতি মোকাবেলার সবচেয়ে বড় অবলম্বন। সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে যে-সব চিকিৎসক,নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর সহ যোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আক্রান্তদের সেবা দিচ্ছেন তার ধারাবাহিকতায় অবশ্যই পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব।

তিনি আজ মঙ্গলবার মোহরাস্থ ছাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এসব কথাগুলো বলেছেন। তিনি আরো বলেন, অদৃশ্য শক্র মরণঘাতী করোনা ভাইরাস এমনই একটি মারণাস্ত্র যার জীবন বিধ্বংসী নাশকতার চরিত্র-প্রকৃতি কারো জানা ছিল না। তাই এ রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের সাস্থখাতের দীনতাগুলো সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

করোনাকালের এই শিক্ষা নিয়ে  সাস্থখাতে দীনতা দূর করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সামর্থ্য ও সক্ষমতা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠলেও সরকার নির্বিকার ও নির্লিপ্ত নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেই মনিটরিং করছেন এবং ব্যবস্থাপনার ত্রæটিগত দীনতাগুলো দ্রুত নিরসন করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য যুদ্ধকালীন অবস্থার মতোই  স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাতে সবধরণের উদ্যোগ ও প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা অবশ্যই দেশপ্রেমিক। আমরা ইতোমধ্যেই অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীকে হারিয়েছি। তাঁরা বীরের মর্যাদায় অভিসিক্ত।

পাশাপাশি এটাও লক্ষ্যণীয় যে, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী দের একটি অংশ তাদের পেশাগত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে করোনা ভীতিতে আক্রান্ত হয়ে নিজেকে গুটিয়ে রেখে দেশপ্রেম বিবর্জিত আচরণে লিপ্ত হয়েছেন। এমনকি সরকারি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র নির্বিশেষে কোন কোন হাসপাতালের অব্যবস্থপনার চিত্র সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে।

মেয়র দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নগরবাসীর চিকিৎসা সেবায় চিকিৎসকদের শতভাগ অবদান রাখার  আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই মানবিক দায়িত্বটুকু পালনে চিকিৎসক-নার্সদের অবশ্যই সচেষ্ট হতে হবে। যারা এ ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন তারা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে অপরাধী হয়ে থাকবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. মো. তৌহিদুল আনোয়ার খান, ডা. কাউছার পারভীন, ডা. আলমগীর, ডা. জতিশ্রিরানী বড়–য়া, ডা. রিয়াজ আহমদ, ডা. রনজিত পাল, ডা. কুসুম আক্তার, ডা. তানজিনা খাতুন, ডা. সামিয়া আফরিন, ডা. ওয়াহিদা বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, আনোয়ার মিজ্জা, মোঃ ফারুক, রুবায়েত হোসেন, নঈম উদ্দিন, খান,আবুল কালাম প্রমুখ।

পরে নগরীর ২নং জালালাবাদ ও ১৩নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সেচ্ছাসেবকদের সাথে থিয়েটার ইনষ্টিটিউটে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন সেচ্ছা সেককদের উদ্দেশ্যে বলেন,এই কর্মশালার প্রশিক্ষকদের নির্দেশনা মেনে নিয়ে দূর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিবেদিত হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন,

আপনাদের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য আপনারা অবশ্যই স্বীকৃতিযোগ্য।ভবিষ্যতে সকল সংকট মোকাবেলায় সেচ্ছসেবক হিসেবে আপনারা অগ্রাধিকার পাবেন। এ সময় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী,

মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, কর্মশালার আইইডিসিআর এর প্রশিক্ষক ডা. মোহাম্মদ ওমর কাইয়ুম, ডা. তৌহিদুল আনোয়ার খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

কেবল গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলেই ওজন কমে না। টকজাতীয় খাবার সাময়িকভাবে ক্ষুধা নিবৃত্ত করে কিন্তু স্থায়ীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় হল পরিমিত খাবার গ্রহণ ও শরীরচর্চা। প্রতিদিন সকালে লেবু পানি খেয়ে দিনভর তেল ও মসলাদার খাবার খেলে কখনোই ওজন কমবে না। আবার সারা দিন না খেয়ে ওজন কমাতে গিয়ে শরীর দুর্বলও হয়ে পড়ে।

ওজন কমাতে অনেকেই নিয়মিত মধু খান। কিন্তু গরমে মধু না খাওয়াই ভালো। কারণ মধু শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অনেকের মাথা গরম হয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। আর রাতে ঘুম ঠিকমতো না হলে ওজন কমার সম্ভাবনা নেই। বরং নিয়মিত খাবার খেয়েই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে পরিমিত খাবার গ্রহণের একটি সাধারণ ডায়েট চার্ট দেয়া হল। তবে বয়স, ওজন ও সমস্যাভেদে ডায়েট চার্ট পার্থক্য হবে।

সকাল

একটা রুটি, এক বাটি সবজি এবং একটা ডিম। বেলা ১০টা থেকে ১১টায় যেকোনো ফল খেতে পারেন তবে কলা এড়িয়ে যান।

দুপুর

আধকাপ ভাতের সঙ্গে মাছ বা মাংস এবং অবশ্যই এক বাটি ডাল। আর যত খুশি পাতে তুলে নিন সবজি। রান্নায় কম তেল ব্যবহার করুন।

বিকাল

খিদে পেলে সবজির এক বাটি স্যুপ খেতে পারেন। আর বিকেলের নাস্তায় রাখুন গ্রীন টি, টোস্ট অথবা মুড়ি। চাইলে শসা, টমেটোর সালাদও খেতে পারেন।

রাত

রাতে ভাতটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। দুধের সঙ্গে কর্নফ্লেকস অথবা রুটি দিয়ে ডিনার সারুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে পরিমিত খাবারের পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্যকর নিয়মও মেনে চলতে হবে। যেমন, ঘুমটা যেন অন্তত আট ঘণ্টার হয়। সকালের নাস্তা যাতে বাদ না যায়। সকালের নাস্তা নয়টা ও রাতের ডিনার অবশ্যই রাত আটটার মধ্যে সারতে চেষ্টা করুন। যাদের এসিডিটির সমস্যা নেই তারা টক জাতীয় পানীয়ও ডায়েট চার্টে রাখুন।