Home সিলেট

ছাত্রলীগের নয়জন কর্মী এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার পর তাদের খুঁজতে নেমেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটিতে। ওই তরুণীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে ‍পুলিশ জানিয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ওই নববধূ তার স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে আসেন। এক পর্যায়ে তার স্বামী সিগারেট খাওয়ার জন্য কলেজের গেইটের বাইরে বের হন।

“এসময় ৬/৭ জন যুবক তরুণীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নিয়ে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।”

এসময় তার স্বামী প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয় বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তরুণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করছে।

পুলিশ দুর্বৃত্তদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা জ্যোতির্ময় সরকার।

এদিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণের এই ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা ছাত্রলীগের কর্মী। এর মধ্যে সাইফুর রহমান নামে একজনের কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোর রাতে ওই ছাত্রাবাসে সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করে বলে শাহপরাণ থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “রাতে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

সিলেট এমসি কলেজে ধর্ষণের অভিযোগে এদের আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, অর্জুন, রাজন আহমদ এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল এবং তারেক আহমদ এই ঘটনায় জড়িত বলে নাম এসেছে পুলিশের কাছে।

তাদের মধ্যে সাইফুর রহমানের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায়, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায়, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা।

শনিবার সকালে ধর্ষিত গৃহবধুর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি কাইয়ুম।

তিনি বলেন, “মামলায় ছাত্রলীগকর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।”

এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরুণী আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসাপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

গাইনি বিভাগের একজন অধ্যাপকের তত্ত্বাবধানে ওই গৃহবধূর চিকিৎসা চলছে। তিনি শারীরিকভাবে এখন অনেকটা সুস্থ।”

0 0

সিলেট নগরীর মজুমদারি থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ সানন্দা মল্লিক (৩০) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে। তিনি মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানার কনস্টেবল বাসুদেব মল্লিকের স্ত্রী।

তাদের ১০ বছর ও ৩ বছরের দুটি মেয়ে রয়েছে। তবে কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়টি এখনও খোলাসা নয়। পুলিশ বলছে তিনি মানসিক রোগে ভুগছিলেন। এ নিয়ে রহস্যের দেখা দিয়েছে।

রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার এসআই লোকমান হোসেন বলেন, পুলিশ কনস্টেবল বাসুদেব মল্লিক ২ মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে বিমানবন্দর থানাধীন মজুমদারি এলাকার ৮নং বাসার ৪র্থ তলায় বসবাস করে আসছেন। রবিবার ভোরে কোন একসময় সানন্দা পরিবারের সবাই অগোচরে বসত ঘরের ড্রইং রোমে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সানন্দা মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। ভোরের দিকে বিছানায় সানন্দাকে না পেয়ে তার স্বামী বসত ঘরের অন্যান্য রোমে তার খোঁজ কররতে থাকেন।

এসময় ড্রইং রোমের ফ্যানের সাথে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।

সিলেট শহরতলীর বালুচর এলাকাস্থ এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের সামন থেকে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত একটি অ্যাম্বুলেন্স ( ঢাকা মেট্রো-ছ-১১-১০৭৬) থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ঔষধ জব্দ করা হয়। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম কামরুজ্জামান।

তিনি জানান, অ্যাম্বুলেন্স থেকে উদ্ধারকৃত ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের ঔষধ জব্দ করা হয়। জব্দৃকত ঔষধের বাজার মূল্য ২০ লাখ টাকা। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে র‌্যাব-৯ এর কমান্ডিং অফিসার ল্যাফটেন্টে কর্ণেল আবু মুছা শরীফুল ইসলাম পিএসসি,এএসসি এর নেতুত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএসপি নাহিদ হাসান সমন্বয়ে র‌্যাব এ অভিযান চালায়।

পরবর্তীতে র‌্যাব অ্যাম্বুলেন্সসহ জব্দকৃত ভারতীয় ঔষধ সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানায় হস্তান্তর করে।

0 0

সিলেট, ২০ আগস্ট ২০২০ : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট যারা গ্রেনেড ছুঁড়ে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, সেই কুশীলবরা এখনও ষড়যন্ত্র করছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

মন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিলেট বিভাগের চারজেলার সাংবাদিকদের মাঝে করোনাকালীন আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি, বঙ্গবন্ধুকে যারা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েছিলো, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।

মন্ত্রী বলেন, আজকেও যারা শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হচ্ছে তারাও ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। ২১ শে আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মতো তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য বৃষ্টির মতো গ্রেনেড ছোঁড়া হয়েছিল। সেই কুশীলবরা এখনও ষড়যন্ত্র করছে। সুতরাং, আমাদেরকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের বিরুদ্ধে, অর্থনীতির বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে অসম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আঘাত হানতে চায়, ষড়যন্ত্র করে, তাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের আরও সোচ্চার হতে হবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে জাদুকরী নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। করোনাভাইরাস মোকাবেলার ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে সক্ষমতা দেখিয়েছেন, এটা অতুলনীয়।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৭৪ বছর বয়স, এই সময়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় গত সাড়ে পাঁচ মাসে একদিনও বিশ্রাম নেননি। একই সময়ে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, অনেকেই বলেছিলো করোনার সময়ে দেশে হাজার হাজার মানুষ মরে যাবে। বলা হয়েছিলো, রাস্তায় লাশ পড়ে থাকবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো- একজন মানুষও অনাহারে মরেনি। করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার পৃথিবীতে যে ক’টি দেশে সবচেয়ে কম তাদের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আমাদের দেশে করোনয় মৃত্যুর হার ১.২৫ থেকে ১.৩০ শতাংশ। যা ভারত-পাকিস্তানের চেয়েও কম।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বে এসব সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে বলে করোনাকালীন সময়েও গত জুলাই মাসের রপ্তানী বিগত ২০১৯ সালের জুলাই মাসের চেয়ে ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সঠিক নেতৃত্ব ও সঠিক সিদ্ধান্তের কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।

দলমত নির্বিশেষে সকল সাংবাদিককে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। এই স্তম্ভ তৈরি করেন সাংবাদিকরা। বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করছে। যারা সরকারের ঘোর সমালোচক তাদেরকেও প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার।

করোনাকালে গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দু’একটি ব্যতিক্রম ছাড়া করোনা সংকটকালে গণমাধ্যম সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। তিনি বলেন, সমালোচনা থাকবে। না হলে বহুমাত্রিক সমাজব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাবে। সরকার মনে করে, সমালোচনা পথচলাকালে শাণিত করে। কিন্তু সমালোচনা হতে হবে বস্তুনিষ্ট। সমাজককে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য। অন্ধের মতো একপেশে সমালোচনা গ্রহণযোগ্য নয়।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও
জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচালক জুলিয়া জেসমিন মিলির সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী প্রমুখ।

আলোচনা পর্ব শেষে সিলেট বিভাগের শতাধিক সাংবাদিকের মধ্যে প্রণোদনার চেক বিতরণ করেন মন্ত্রী।

এর আগে মন্ত্রী দুপুরে বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছে সিলেট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন মন্ত্রী।

0 0

সিলেট নগরীর নবাব রোড নিরাময় ক্লিনিকের সামনে থেকে ছিনতাই মামলার এক পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯। রোববার (১৬ আগষ্ট) ৪টার দিকে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এর অপারেশন কমান্ডার সিনিয়র এএসপি নাহিদ হাসান এবং এএসপি ওবাইন এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল্লাহ (৩০) উত্তরণ ৮৩ শেখঘাট নবাব রোডের আব্দুল বাতেন বাবুল মিয়ার পুত্র।

পরে তাকে কোতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সিলেট প্রতিনিধি :১৪.০৮.২০২০ সিলেট নগরীর কুয়ারপাড়ে হাবিবুর রহমানের জায়গা দখল করতে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী। এসময় হাবিবুর রহমান জরুরী সেবা-৯৯৯ এ ফোন করে কোতোয়ালী থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। তাৎক্ষণিক থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সেলিম মিঞা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র ও থানা ফাড়ির টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেন।

এসময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপ করতে থাকে। সন্ত্রাসীদের হামলায় ৪ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট) রাত পৌণে ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।

কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মিয়া জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৬ রাউন্ট ফাঁকা গুলি ছুড়ে। তখন সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ৩ সন্ত্রাসীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

তারা হলেন, কুয়ারপাড় ৩৬ নং বাসার মৃত পুতুল মিয়ার পুত্র দেলোয়ার হোসেন ওরফে দিলিপ (৫০), মৌলভীবাজার সদর থানা কুসুমবাগ গ্রামের এমরান মিয়ার পুত্র মিটন মিয়া (২২) ও কোতোয়ালী থানার নবাব রোড এলাকার আব্দুল হাইয়ের পুত্র আলমগীর হোসেন বাপ্পী (২৪)।

এ ঘটনায় এসআই মো. আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় এজাহার দায়ের করেন। কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-২৭, তারিখ-১৪/০৮/২০২০খ্রি: ধারা-১৮৬/৩৩২/৩৫৩ পেনাল কোড তৎসহ ১৯০৮ সালের বিষ্ফোরক উপাদানাবলী আইনের ৩/৪ রুজু করা হয়।

জায়গার মালিক হাবিবুর রহমান বাদী হইয়া এজাহার দায়ের করিলে কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-২৮, তারিখ-১৪/০৮/২০২০খ্রি: ধারা-১৪৭/১৪৮/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/ ৪২৭/১১৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।

ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া ৫টি মোটরসাইকেল, ২টি হ্যামার, ২টি লোহার তৈরী সাবল, ১টি লোহার পাইপ, ৩টি রামদা, ১৮টি ঢেউটিন, ১টি সাইন বোর্ড, ৩টি লাল স্কচটেপযুক্ত বিষ্ফোরিত ককটেলের অংশ বিশেষ উদ্ধার করেন পুলিশ।

সিলেট নগরীর চৌহাট্টায় মোটরসাইকেলের মধ্যে বোমাসদৃশ্য ডিভাইস থাকায় ওই এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। খবর দেওয়া হয়েছে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চৌহাট্টা-জিন্দাবাজার সড়কে যান চলাচল।

জানা যায়, বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় চৌহাট্টা এলাকার সিংহবাড়ির পাশে (পূর্বের পুলিশ চেকপোস্টের সামনে) দাঁড় করিয়ে রাখা আধুনিক মডেলের একটি মোটর সাইকেলে সন্দেহজনক ডিভাইস লাগানো দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এই ডিভাইস দেখে তাদেরও সন্দেহ হয়। পরে মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ, কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মিঞাসহ পুলিশের উধর্তন কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে জায়গাটিকে ফিতা টেনে ঘিরে রাখেন। ওই সড়কে যান চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ঘটনাস্থল থেকে কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মিঞা বলেন, ডিভাইসটি দেখে বোমার মতো মনে হচ্ছে। তাই জায়গাটি ঘিরে রেখে আমরা পুলিশের বোমা নিস্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দিয়োেছি।

তিনি বলেন, জঙ্গি গোষ্টি হামলা চালাতে পারে এমন শঙ্কায় পুলিশ সারাদেশের মতো সিলেটেও তৎপর রয়েছে। ডিভাইসসহ মোটরসাইকেলটি এরকম কেউ ফেলে গেছে কি না তা এখনই বলা যাবে না।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) জোতির্ময় সরকার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের বিশাল টিম যাচ্ছে। ওই ডিভাইসটি উদ্ধারের পর বুঝা যাবে।

সিলেট নগরী সুরমা মার্কের ‘নিউ সুরমা আবাসিক হোটেল’ থেকে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে ৬ যুবক-যুবতীকে আটক করেছে।

রোববার (২ আগস্ট) সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এরআগে শনিবার (১ আগস্ট) রাতে কোতোয়ালি থানার এসআই (নিরস্ত্র) নিশু লাল দে, এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইবাদুল্লাহ, এএসআই (নিরস্ত্র) মানিক মিয়া, এএসআই (নিরস্ত্র) সাজ্জাদুর রহমানসহ ‍পুলিশের একটি দল অভিযান চালায় ওই হোটেলে। এসময় অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ৩ জন যুবক ও ৩ জন যুবতীকে আটক করা হয়।

0 0

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃমৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের সিন্দুর খান ইউপি এলাকার মোঃ নূরুল ইসলাম (৫৩) পিতা মৃত ছগির মিয়া নামে এক ব্যক্তির লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে। স্থানীয় মেম্বার জাহিদ মিয়া সাংবাদিকদের জানান নুরুল ইসলামের বাড়ী থেকে ৫ কিঃ মিঃ দূরে তার লাশের সন্ধান পাওয়া যায়,স্থানিয় একজনের ফোনের মাধ্যমে আমরা ঘটনা স্থলে এসে তার লাশ শনাক্ত করি। এটি খুন বলেই মনে করা হচ্ছে। তার গ্রামের নাম পশ্চিম বেলতলী ৪ নং সিন্দুরখান ইউপির ৪ নং ওয়ার্ড।তার বড় ছেলের বয়স প্রায় ৩০ হবে।এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান সে একজন কৃষক ছিল।

অপর দিকে তার লাশ পাওয়া গেছে ৯নং সাতগাঁও ইউপি এলাকার আমরাইল ছড়া ও গান্ধী ছড়ার মাঝামাঝি বাগানের মধ্যে তার বাড়ী থেকে প্রায় ৫কি মি দূরে।

ঘটনা স্থলে শ্রীমঙ্গল থানার তদন্ত ওসি সোহেল রানা সহ পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।জানা গেছে, শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আব্দুস সালেক ও পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনা স্থলে পৌছবে বলে স্থানীয় মেম্বার জাহিদ মিয়া থেকে জানা যায়।

সি টি জি ট্রিবিউন: সিলেটে অভিনব কৌশলে এক র‍্যাব সদস্যের বাসায় ডাকাতি সংগঠিত করেছে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র। সন্ধ্যায় কৌশলে রান্না করা খাবারে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে রাতে ডাকাত চক্র বাসায় ঢুকে নগদ টাকাসহ প্রায় তিন-চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ঐ র‍্যাব সদস্যের স্ত্রী ও তিন সন্তান।

ঢাকা উত্তরাস্থ র‍্যাব ব্যাটালিয়ন-১ এ কর্মরত এএসআই মনজুর আহমদের সিলেট নগরীর নবাব রোড এলাকার ৮নং সিদ্দিকি ভিলায় এমন ঘটনা ঘটেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জ্ঞান এখনো ফিরে নি। ডাকাত চক্র র‍্যাব সদস্যের বাসা ছাড়াও একই সাথে পাশের বাসায় সিলেট এলজিআরডি অফিসে কর্মরত এক কর্মচারীর বাসায়ও ডাকাতি করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে সিলেট কোতয়ালী থানার ওসি সেলিম আহমদের নাম্বারে কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যার কোন এক সময়ে বাসার পেছন দিকের গ্রীলের সামান্য অংশ কেটে রান্নাঘরের খাবারের সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেয় ডাকাত দলের সদস্যরা। রাতে খাবার খেয়ে র‍্যাব সদস্যের স্ত্রী সন্তান অজ্ঞান হয়ে ঘুমিয়ে পড়লে গ্রীল কেটে বাসায় ঢুকে ডাকাত দল।

এসময় বাসায় রাখা নগদ ১লক্ষ টাকাসহ, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্রসহ প্রায় তিন-চার লক্ষ টাকা মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। শনিবার সকালে তাদের আত্মীয়-স্বজনেরা ঘরের দরজা ভেঙ্গে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে তারা আশংকামুক্ত নয়।

র‍্যাব সদস্য মনজুর আহমদ জানান, মাত্র এক সপ্তাহ আগে তিনি ঢাকা উত্তরায় র‍্যাব ব্যাটালিয়ন-১ এ যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি সিলেটের বিভিন্ন থানায় কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার রাত থেকে তিনি তার স্ত্রী সন্তানদের মোবাইলে কল করলেও কোন রিপ্লাই না পাওয়াতে আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।

সবকিছু শুনে শনিবার সকালেই বিমানে সিলেটে আসেন। উনার স্ত্রী ও ছোট ছোট তিন সন্তানের শারীরিক অবস্থা এখনো পুরোপুরি ঠিক হয়নি বলে জানান তিনি।