Home সারাদেশ

0 0

বরাবর মত এইবার ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আগাম ঈদ উদযাপন 

আয়াজ আহমাদ

আরব দেশগুলোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রতি বছর চাঁদপুর জেলার তিনটি উপজেলার ৪০ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়।এ  ছাড়াও চট্টগ্রাম এর চন্দনাইশ এর কিছু গ্রামে, সাতকানিয়া উপজেলার চাটকিল গ্রাম সহ অনেক গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হবে, আরো উল্লেখ্য ,

সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা ৯২ বছর ধরেই প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে সাদ্রাসহ ৪০টি গ্রামে ঈদ উদযাপন করে থাকেন।

এছাড়া চাঁদপুরের পাশের নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা ও শরীয়তপুর জেলার কয়েকটি স্থানে মাওলানা ইছহাক খানের অনুসারীরা একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন।

সাদ্রার মরহুম পীরের ছেলে জাকারিয়া আল মাদানী বলেন, ‘সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক ইংরেজি ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ইসলামের সব ধর্মীয় রীতিনীতি প্রচলন শুরু করেন।

মাওলানা ইছহাকের মৃত্যুর পর থেকে তার ছয় ছেলে এ মতবাদের প্রচার চালিয়ে আসছেন।’

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী আব্দুর রহীম জানিয়েছেন, চাঁদপুরে আগাম ঈদ ফরিদগঞ্জ হাজীগঞ্জ এবং মতলব উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় আগাম ঈদ উদযাপন হয়।

এসব এলাকায় ৩৪টি ঈদের স্থানে ঈদের জামাত হবে। এর মধ্যে ফরিদগঞ্জে ১৫টি, হাজীগঞ্জে ১৩টি এবং ৬টি মতলব উত্তরে।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে এ বছর পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনের হবে। সে অনুযায়ী দেশটিতে বুধবার এবারের রমজান মাসের শেষ দিন। হারামাইন শরিফাইনের টুইটে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৩ মে) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

এছাড়াও ভোর রাতে চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়ে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের সাদ্রা ও সমেসপুর গ্রামের কিছু অংশে উদযাপন করা হচ্ছে ঈদুল ফিতর। ১২ মে বুধবার হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরিফ জামে মসজিদে সকাল ১০টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ নিয়ে আগাম ঈদ উদযাপনকারীদের মধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার সফিকুর রহমান বলেন, ‘সাদ্রা ও সমেশপুর গ্রামের কয়েকটি বাড়ির মানুষজন ঈদ উদাযাপন করছে।

সাদ্রায় মাওলানা আবু বকরের বাড়িতে এবং সমেশপুর গ্রামের মিজিবাড়িতে ঈদের জামাত হয়েছে। অল্প সংখ্যক মানুষ ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন।’

তিনি জানান, ভোর রাতে তারা ঈদ উদযাপনের ঘোষণা দেন। এ নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পুরো সাদ্রা গ্রামে বৃহস্পতিবার ঈদ উদযাপিত হবে।

ঈদের জামাতে ইমামতি করা সাদ্রার মরহুম পীরের ছেলে জাকারিয়া আল মাদানী বলেন, ‘গত রাত ৩টার দিকে আমরা ঈদ উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছি। এর আগে আফ্রিকার দেশ নাইজার, সোমালিয়াসহ কয়েকটি দেশে চাঁদ দেখার খবর পাই।

তবে তা যাচাই-বাছাই করতে কিছুটা সময় লেগেছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই হয়তো বৃহস্পতিবার ঈদ হবে। আমরা সর্বপ্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা রাখি এবং ঈদ উদযাপন করি। সৌদি আরবকে অনুসরণ করে নয়।’

সকাল ১০টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের জামাত আমাদের এখানে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্য গ্রামেও হয়েছে, হয়তো সব জায়গায় হয়নি, কিছু বাকি রয়েছে।

হয়তো সবাই খবর পায়নি অথবা সৌদি আরবসহ অনেক দেশে ঈদ হচ্ছে না সেদিকেই খেয়াল করেছেন। বিশ্বের কয়েকটি দেশে ঈদ হচ্ছে সেটি তারা জানতেন না।’

দরবারের বড় পীরজাদা ড. মুফতি বাকী বিল্লাহ মিসকাত চৌধুরী বলেন, ‘হানাফি, মালেকি ও হাম্বলি এ তিন মাজহাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে,

পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্তেও যদি চাঁদ দেখা যায় আর সে সংবাদ যদি নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তেও পৌঁছায়,

তাহলে পূর্ব প্রান্তের মুসলমানদের জন্য রোজা রাখা ফরজ এবং ঈদ করা ওয়াজিব। তাই গতকাল সোমালিয়া, নাইজার ও পাকিস্তানে চাঁদ দেখা গেছে।

ওই সংবাদ নির্ভরযোগ্য সূত্রে পেয়ে আমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি। পাশাপাশি ঢাকার সদরঘাটের খানকা এবং পটুয়াখলির বদরপুর দরবার শরিফে ঈদের জামাত হয়েছে।’

১০ মে ২০২১খ্রিঃ সোমবার ১২টা ৪৬ মিনিটে টেলিফোনে যোগে সিটিজি ট্রিবিউন বার্তা সম্পাদকের মোবাইলে এবং দেশের সকল মোবাইল ব্যবহারকারি ফোন রিসিভ করলেই শোনা যাবে : হ্যালো আমি শেখ হাসিনা বলছি

প্রধানমন্ত্রী রেকর্ড ফোন আলাপ সরাসরি তুলে ধরা হলোঃ

হ্যালো আমি শেখ হাসিনা বলছি,আসসালামু আলাইকুম,

সিয়াম সাধনা পর আমাদের মাঝে এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর,এখনো করোনা ভাইরাস এর তান্ডব চলছে মহান আল্লাহ তায়ালা এই মহামারি থেকে মুক্তি দিক এই কামনা করি।

 

আসুন যে ভাবে এই সংযত সাথে পবিত্র রমজান মাস পালন করেছেন, ঠিক সেইভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন, নিজেরা সুস্থ থাকুন, ঈদুল ফিতরে সকলে আনন্দ করুন, তবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে,
আমার শুভেচ্ছা নিবেন পরিবার সবাইকে দিবেন
ঈদ মোবারক।।

সারাদেশে ভুকম্পন অনুভুত

সিটিজিট্রিবিউনডেস্ক: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হওয়া এই ভূমিকম্পে দুলেছে রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী।

তবে অনেকে ভূ-কম্পনের সময় আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। নীলফামারী জেলার ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুর ও সদরেও এই ভূকম্পনটি অনুভূত হয়েছে।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২২ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পে রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিলো ৬ দশমিক। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিলো ভারতের আসামে। তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি এবং কোনো সুনামি সতর্কতা নেই। প্রতিবেদন:কেইউকে।

আয়াজ আহমাদ:

, ২৫ এপ্রিল ২০২১৪ করােনা মােকাবেলায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য , অর্থ সহায়তা এবং ইফতার সামগ্রী বিতরণ করছে নৌবাহিনী । নৌবাহিনীর সদস্যরা আজ রবিবার ( ২৫-০৪-২০২১ ) রাজধানী ঢাকার ভাষানটেক এলাকার ৩০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে ।

এছাড়া খুলনা শহরের খালিশপুর বিহারী পল্লীতে ৩০০ অসহায় পরিবার , রুপসা ঘাট এলাকার ৫০০ পরিবার এবং খুলনার লবনচরা এলাকার ২০০ অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয় । অন্যদিকে , চট্টগ্রামের কাঠগড় , ডেল পাড়া ও চড়হালদা এলাকার ৩০০ পরিবারের মাঝে অনুরূপ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয় ।

এছাড়া বানৌজা মংলা কর্তৃক দিগরাজ বাজার ও তৎসংলগ্ন এলাকার ২০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝেও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয় । খাদ্য সহায়তা হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে চাল , ডাল , চিনি , তেল , আটা , ছােলা ও লবণসহ বিভিন্ন খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী প্রদান করা হয় ।

করােনার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি মােকাবেলায় নৌসদস্যরা দেশব্যাপী সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে । দেশের করােনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নৌবাহিনীর এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।

0 0

রাশেদুল ইসলাম: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ঝড় এবং শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেছে সবুজ আন্দোলন পঞ্চগড় জেলা শাখা। উল্লেখ্য গত (২২-এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বুড়াবুড়ি, ভজনপুর ও দেবনগর ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।এতে অনেকের ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বিশেষ করে মাঠে থাকা কৃষকদের অনেক কষ্টে উত্পাদিত ফসল যেমন, পাট,মরিচ,তিল ,ভুট্টা খেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায় ।সর্বশান্ত হয়েছে অনেক কৃষক। শনিবার (২৪-এপ্রিল) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সবুজ আন্দোলন পঞ্চগড় জেলা শাখা নামের একটি পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন সংগঠনের জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা কমিটির সহ সভাপতি মোঃ মনছুর আলী, মোঃ রসুল বকস মানিক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শফিউল্লাহ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহিনুর ইসলাম ।

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমাদের সংগঠন পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন ।আমরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে অংশগ্রহণ করে থাকি।সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে সবসময় সহযোগিতার জন্য হাত বাড়িয়ে দেই।

তারই অংশ হিসেবে শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। যারা নিতান্তই অসহায় তাদের বেছে বেছে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছি।

(২৩-এপ্রিল) এলাকায় ঘুরে ঘুরে বেশকিছু অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করি।আজকে দ্বিতীয় দিন । আমাদের ইচ্ছে সবাইকে সহযোগিতা করা কিন্তু সবাইকে সহযোগিতা করার মত সামর্থ্য আপাতত আমাদের নেই ।তাই সাধ্যমত সহযোগিতা করেছি ।

তাদের এই কার্যক্রম সবসময় অব্যাহত থাকবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয় ।

0 0

করোনা কালীন সময়ে কি খাবেন,পুষ্টিবিদ আফসানা আক্তার

 

বর্তমান করোনা মহামারী বাংলাদেশে নয় সারাবিশ্বে ভয়াভহ আকার ধারন করেছে তা রোধে করণীয় খাবার খাওয়া উচিৎ সে বষিয়ে জানার জন্য শুক্রবার সকালে সিটিজিট্রিবিউিনরে পক্ষ থেকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিশিস্টি পুষ্টিবিদ আফসানা আক্তাররে কাছে তিনি সি এস সি আর এ বসনে সিটি জিটিবিউিনরে পরচিালক ও র্বাতা সম্পাদক কামাল উদ্দনি খোকনকে জানালেন করোনা প্রতিরোধে কি খাওয়া উচিৎ।

: কভিাবে প্রতিরোধে করবেন কারোনাক?

বর্তমানের করোনার প্রকোপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। টিকা নেওয়ার পাশাপাশি আমাদেরকে ব্যকিÍগত সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকল বয়সি সকলকেই কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্ব্যস্থ সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সঠিকভাবে পালন করতে হবে।প্রত্যেকের শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে।

তাই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। প্রধান অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো বিটা ক্যারোটিন,ভিটামিন এ,সি,ই,লাইকোপেন,লুটেইন,

সেলেনিয়াম ইত্যাদি।অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার (যেমন পাকা আম,পেপে,কাঠাল,তরমুজ,পেয়ারা,বাঙ্গী,অমড়া,

করমোচা,বরই,আমলকি,লেবু,জম্বুরা,কমলালেবু,কাঁচা হলুদ ইত্যাদি),

ভিটামিন বি -৬,আয়রন,জিংক জাতীয় খাবার (যেমন-বাদাম,সামুদ্রিক মাছ,দুধ,বিচি জাতিয় খাবার ইত্যাদি), উচ্চমানের আমিষ জাতিয় খাবার (ডিম,মুরগীর মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে। আমরা জানি করোনা ভাইরাস সংক্রমনেশবাস এবং পরিপাকতন্ত্র সংক্রমিত হয়।খাদ্য তালিকায় টক দই রাখতে হবে যা প্রোবায়োটিকস

যন্ত্র ও পরিপাক তন্ত্রের ঝুকি প্রতিরোধ করে। তাছাড়া গ্রীন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের শরীরের জীবানুর বিরুদ্ধে যৌগ তৈরী করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে।

একজন ব্যক্তির বয়স,ওজন, উচ্চতা,কাজের ধরন এবং বাজারে খাদ্যের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে প্রতিদিনের খাবার নির্বাচন করতে হবে। সবসময় সুষম খদ্য নির্বাচন করে খাদ্য তালিকা তৈরী করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কর্বোহাইড্রেট, প্রোটিন,ফ্যাট,ভিটামিন,মিনারেল,ফাইবার সবকিছুরই সামঞ্জতা থাকতে হবে।পর্যপ্ত পরিমানে পানি ও পরিমিত ঘুমাতে হবে।

যে সব খাবার ভাইরাসের সংক্রমনে সহায়তা করতে পারে যেমন কার্বোনেটেড ড্রিংকস, অ্যালকোহল ,বিড়ি,সিগারেট,জর্দা,তামাক,খয়ের,সাদা পাতা,অতিরিক্ত ঠান্ড খাবার,আইসক্রীম,চিনি ও চিনির তৈরী খাবার ইত্যাদি খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। সর্বোপরি পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা যেমন মাস্ক পরিধান,সামাজিক দুরত্ব বজায় এবং বারবার হাত ধোয়া অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের অভ্যাস অব্যাহত রাখতে হবে।

বর্তমানে সারাবিশে^ কোভিড-১৯ একটি আতঙ্কের নাম। করোনার বর্তমানের করোনার প্রকোপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। করোনার আতঙ্ক মানুষকে মানষিকভাবে আরো বেশি দুর্বল করে দিচ্ছে। এখন অন্যতম সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মনের এই আতঙ্ক ঠেকানো।

টিকা নেওয়ার পাশাপাশি আমাদেরকে ব্যকিÍগত সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকল বয়সি সকলকেই কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্ব্যস্থ সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সঠিকভাবে পালন করতে হবে।প্রত্যেকের শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে। আমরা প্রতিদিনই যে খাবারগুলো গ্রহণ করছি তা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পক্ষে আদৌ যথেষ্ট কি না বা কতটা কার্যকরী তা নিয়ে কি আমরা কখনো ভেবে দেখেছি? তাই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

প্রধান অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো বিটা ক্যারোটিন,ভিটামিন এ,সি,ই, লাইকোপেন,লুটেইন,সেলেনিয়াম ইত্যাদি।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন পাকআম,পেঁপে,কাঁঠাল,তরমুজ,পেয়ারা,বাঙ্গী,আমড়া,করমোচা,বরই,আমলকি, লেবু,জম্বুরা,কমলালেবু,কাঁচা হলুদ,সবুজ মরিচ, ইত্যাদি। বিশেষ করে বেগুনি,নীল, কমলা ও হলুদ রঙের শাক-সবজি বেশি করে খেতে হবে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খুব ভালো কাঝ পেতে হলে খাবার রান্নার সময় অতিরিক্ত তাপে বা অনেক সময় নিয়ে রান্না না করে পরিমিত তাপমাএায় রান্না করতে হবে। কিছু খাবার যেমন ফল, লেবু, সালাদ ইত্যাদি কাচাঁ অবস্থায় সরাসরি খাওয়া ভালো।সামগ্রিকভাবে উদ্ভিজ্জ খাবারই হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস।

এছাড়া ভিটামিন বি -৬,আয়রন ( পালং শাক, লাল শাক, কচু শাক, ব্রোকলি ইত্যাদি),জিংক জাতীয় খাবার (যেমন-বাদাম,সামুদ্রিক মাছ,দুধ,বিচি জাতীয় খাবার ইত্যাদি), উচ্চমানের আমিষ জাতিয় খাবার (ডিম,মুরগীর মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে।

আমরা জানি করোনা ভাইরাস সংক্রমনে শ^াসযন্ত্র এবং পরিপাকতন্ত্র সংক্রমিত হয়।খাদ্য তালিকায় টক দই রাখতে হবে যা প্রোবায়োটিকস,শ^াস যন্ত্র ও পরিপাক তন্ত্রের ঝুকি প্রতিরোধ করে। তাছাড়া গ্রীন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের শরীরের জীবানুর বিরুদ্ধে যৌগ তৈরী করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে।

যারা বড় কোনো অসুখে ভুগছেন তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম। যেমন- ড়ায়াবেটিক, হৃদরোগ, অ্যাজমা রোগীরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকির মধ্যে বেশি আছেন। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার রাখাটা খুব জরুরি।

আমাদের প্রতিদিনের ড়ায়েটে এন্টি-ভাইরাল খাবারগুলো অর্ন্তভুক্ত করা খুবই জরুরি। মৌসুমি সবজি, মাশরুম এবং আদাসহ চিকেন ক্লিয়ার স্যুপ, আদা, বøাক ও জিন্জার টি। একটি কাঁচা রসুন চিবিয়ে অথবা সূপরে সঙ্গে যোগ করে খেতে পারনে। রসুনে রয়েছে অ্যালাইসিন নামক প্রাকৃতিক উপাদান, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে।

তাছাড়াও ১ টেবিল চামচ রসুনকুঁচি+১ টেবিল চামচ মধু+১ টা লবঙ্গ+১ চা চামচ কাঁচা হলুদ একসঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ভেষজ যেমন- তুলসি, থানকুনি,মেথি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

একজন ব্যক্তির বয়স,ওজন, উচ্চতা,কাজের ধরন এবং বাজারে খাদ্যের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে প্রতিদিনের খাবার নির্বাচন করতে হবে। সবসময় সুষম খদ্য নির্বাচন করে খাদ্য তালিকা তৈরী করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কর্বোহাইড্রেট,

প্রোটিন,ফ্যাট,ভিটামিন,মিনারেল,ফাইবার সবকিছুরই সামঞ্জতা থাকতে হবে।পর্যপ্ত পরিমানে পানি পান করতে হবে। স্বল্প পরিমাণের ঘুম শরীওে কর্টিসল হরমোনের চাপ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতি দনি ডাল, তনি বা চার ধরনরে শাকসবজি এবং কমপক্ষে ২টা ফল খেতে পারেন। প্রতিদিন নিয়মিত করে এক্সারসাইজ চালিয়ে যেতে হবে,তা না হলে অতরিক্তি ক্যালোরি ওজন বাড়িয়ে  পার।

র্কাবোহাইড্রটে জাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুট,ি মুড়,চিংড়ি সুজি পরমিাণে কম খাওয়া উচতি। তবে এসময় সালাত, ফল, স্যুপ, ছোলা, মুগডাল, বাদাম খাওয়া যেতে পারে
সকালে উঠে অল্প গরম পানি আর এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেলে গলার সমস্যা দূর হয়। একই সঙ্গে সর্দি কাশি ইনফ্লুয়ঞ্জোসহ অনকে রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। কাঁচা হলুদ না থাকলে রান্নায় ব্যবহৃত খাঁটি গুঁড়ো হলুদ গরম জলে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

কোভডি-১৯ চকিৎিসা ও প্রতিরোধ যেমন প্রচুর তরলজাতীয় খাবার খাওয়া জরুর, ঠিক তেমনি পরর্বতীতওে শরীরকে চাঙা করতে ও সুস্থ রাখতে সঠিক পরমিাণে তরল খাবার খেতে হয়। যমেন, লাচ্ছ,লবেু পানি ফলরে জুস, দুধরে পাতলা সাগু, স্যুপ, পাতলা জাউ, ডাবরে পানি ও আদা লবেুর রং চা ইত্যাদি খেতে হবে।

সাধারণত প্রতি দুই ঘণ্টায় অল্প অল্প করে কছিু তরল খাওয়া ভালো। তবে কডিনি রোগী যাদরে কোভডি-১৯ হয়েছে এবং রোগ থেকে সরে ওঠার পর কারও যদি পায়ে বা শরীররে কোথাও পানি থাকে তবে তাকে ডাক্তাররে পরার্মশ অনুযায়ী তরল খেতে হবে ।

সবজি দিয়ে ডাল রান্না করে তাতে লবেু দিয়ে খেলে অনকে আয়রন পাওয়া যাব।মাংস, মাশরুম ও সবজি দিয়ে স্যুপ করে খেলে অনেক ভটিামনি ও মনিারলে পাওয়া যাবে।
খাবাররে ক্ষেত্রে সাবধানতা যেমন কাঁচা মাছ–মাংস আর রান্না করা খাবাররে জন্য আলাদা র্বোড, ছুরি ব্যবহার করুন। কাঁচা মাছ–মাংস ধরার পর ভালো করে সাবান–পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফলেুন। ভালো করে সদ্ধে করে রান্না করা খাবার গ্রহণ করুন। অসুস্থ প্রাণী কোনোমতইে খাওয়া যাবে না।
মাছ মাংস ডিম বেশি আঁচে সময় নিয়ে রান্না করুন। রান্নার সময় ভাতের মাড় ফেলবেন না। প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট সকালে রোদে হাঁটুন।

শক্ষিা-প্রতষ্ঠিান বন্ধ থাকায় ঘরে বসে বাইররে র্অডার ফুড একদম বাদ দিতে হবে
যে সব খাবার ভাইরাসের সংক্রমনে সহায়তা করতে পারে যেমন কার্বোনেটেড ড্রিংকস, অ্যালকোহল ,বিড়ি,সিগারেট,জর্দা,তামাক,খয়ের,সাদা পাতা,অতিরিক্ত ঠান্ড খাবার, অতরিক্তি মসলাদার খাবার,ভাজাপোড়া খাবার আইসক্রীম,চিনি ও চিনির তৈরী খাবার, বাইররে হোটলে বা রাস্তার খাবার ইত্যাদি খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।খাবাররে পাশাপাশি প্রতদিনি কছিু ব্যায়াম, র্পযাপ্ত বশ্রিাম এবং সবচেয়ে বেশী লক্ষ্য রাখতে হবে ব্যক্তগিত পরচ্ছিন্নতার ক্ষত্রে।

আরকেটি বষিয দখো গছেএেই নতুন ধরনরে ভাইরাসে অপক্ষোকৃত কম বয়সরিা বশেী আক্রান্ত হচ্ছে এই কারনে সরকার শক্ষিাপ্রতষ্টিান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়ছেনে ।

সর্বোপরি পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা যেমন মাস্ক পরিধান,সামাজিক দুরত্ব বজায় এবং বারবার হাত ধোয়া অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের অভ্যাস অব্যাহত রাখতে হবে#

0 0

চলমান পরিস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে মানুষের চলাফেরা সীমিত করার কথা বলছে সরকার৷ প্রয়োজনে লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানানো হয়েছে৷ বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়‘যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসে তাহলে এটা বাড়ানো হবে৷’’

এদিকে, লকডাউন নিয়ে ইতিমধ্যে উঠেছে নানান প্রশ্ন এসময় পরিবহণ ব্যবস্থা, গার্মেন্টসসহ অন্যান্য শ্রমখাত কিংবা নিম্নবিত্তের উপর লকডাউনের প্রভাব সরকার কীভাবে বিবেচনা করছে সে বিষয়গুলো এখনো স্পষ্ট নয়৷ আর সাত দিনের লকডাউন সংক্রমণে ঠেকাতে কতোটা কার্যকর উঠেছে সে প্রশ্নও৷

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আসলে লকডাউন মানে কী? ৭ দিনের লকডাউন দিয়ে কী হবে? বিশ্বের কোথাও ৭ দিনের লকডাউন দেওয়া হয়? এ থেকে আমরা কী অর্জন করব?”

অধ্যাপক নজরুল বলেন, ‘‘প্রয়োজনটা কী? কী দেখে তারা প্রয়োজন বুঝবেন? আসলে সারা বিশ্বেই লকডাউনের একটা সংজ্ঞা আছে৷ এটা অন্তত ১৫ দিনের জন্য হতে হবে৷ আমাদের এখানে কী সেটা মানা হয়৷ এভাবে কি লকডাউন হয়৷’

৷ অনেকেই জীবিকার সন্ধানে লকডাউন ভেঙ্গে বেড়িয়ে এসেছিলেন৷ এসব বিষয় সরকার কীভাবে বিবেচনায় নিচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘‘দেখেন ৭ দিনে এমন কিছু হবে না৷

তারপরও যদি প্রয়োজন হয় সরকার সেটা করবে৷ আমরা আসলে লকডাউনটা শুরু করতে চাই, তারপর প্রয়োজন হলে যেটা করা দরকার সেটা করব৷ সরকারকে তো অনেক কিছুই চিন্তা করতে হয়৷’’

প্রসঙ্গত, সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনসহ নানামুখী পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা৷ নতুন করে দেওয়া লকডাউন দীর্ঘায়িত করা না গেলে অধিক আক্রান্ত অঞ্চলগুলো চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরমর্শ তাদের৷

এখন যেটা করা দরকার তা হলো বেশি সংক্রমিত এলাকা ঠিক করে সেখান থেকে জনগণের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা৷ শুধু লকডাউন দিলেই হবে না, মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে৷ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেন ঘর থেকে বের হতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে৷

কিন্তু লকডাউন দেওয়ার পরও যদি মানুষের চলাচল স্বাভাবিক থাকে তাহলে এটা দিয়ে লাভ হবে না৷ পাশাপাশি খেটে খাওয়া মানুষের কথাও চিন্তা করতে হবে৷ তাদের ঘরে থাকতে হলে, তাদের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে৷ তাহলেই এটা কার্যকর হবে৷’’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে সারা দেশে শুরু হয় করোনা ভাইরাসের টিকাদান৷ কিন্তু মার্চের শুরু থেকে দেশে আবার নতুন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে৷

0 0

করোনা দুই কারনে  বাড়ছে বাজার ও গনপরিবহন

 

সিটিভি ট্রিবিউন ডেস্ক: রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। দুটি জায়গা থেকে মুলত করোনা ভাইরাস বেশী সংক্রমন ছড়াচ্চে।

তাদের ভাষ্যমতে  এর কারন হিসাবে দেখা গেছে তাদের বেশরি ভাগ বাজারে গেছেন নয়তো গনপরিবহন বা্যহার করেছেন।

৫ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট হাজার করোনা রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর জানিয়েছে, আক্রান্ত রোগীদের ৬১ শতাংশের বাজারে যাওয়া এবং গণপরিবহন ব্যবহারের ইতিহাস রয়েছে। এছাড়া সংক্রমিত হওয়া ৩০ শতাংশের বেশি মানুষ জনসমাগমস্থল (সভা–সেমিনার) এবং উপাসনালয়ে গিয়েছিলেন।

ওই সাড়ে আট হাজার রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাঁদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন ২৬ শতাংশ, করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন ২২ শতাংশ। এ ছাড়া আন্তবিভাগ ভ্রমণ করেছিলেন ১৩ শতাংশ, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ১২ শতাংশ।

আইইডিসিআর জানিয়েছে, সংক্রমণ রোধে মাস্কপরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। সাথে নিতে হবে টিকা। গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হবে। বাজার খোলা জায়গায় নিয়ে আসার নির্দেশনা আছে, এটিও নিশ্চিত করতে হবে।

কোথাও বদ্ধ জায়গায় বাজার হলে সেখানে যাতে জনসমাগম বেড়ে না যায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে। ।প্রতিবেদন: কেউকে।

0 0

24 ঘন্টায় 63 জনের মৃত্যু:আক্রান্ত ৭ হাজার ৬২৬ জন।

সিটিজি ট্রিবিউন ডেস্ক : সারা দেশে করোনায় আজ্ও গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৪৪৭ জনের।৩৪ হাজার ৬৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ ঘণ্টায়। এরমধ্যে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৬ জন।  সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৫৯ হাজার ২৭৮ জন।

বুধবার  বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ২৫৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫৩ জন। প্রতিবেদন : কেইউকে।#

 

0 0

কামাল উদ্দিন খোকন ; সাত দিনের লক ডাউন সামলাতে হিমসীমখাচ্চে সারা দেশের মানুষতাই বাড়ি মুখি মানুষের গাড়ীর জন্যহাজহাকার চরম পর্যায়ে গিয়ে পোছেছেসড়কে হাজার হাজার মানুষদীর্ঘক্ষন দাড়িয়ে গাড়ি  না পা্ওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন

আর এইসুযোগে গাড়ীর চালকেরা ভাড়া বাঢ়িয়ে দিয়েছে দ্বিগুনএই প্রতিবেদকনিজে দুপুরে খাবার সেরে প্রেসক্লাবে আসার পথে কোতয়ালীর মোড়েদাড়িয়েছিলাম গাড়ীর জন্য দেখলাম কোন গাড়ী নে শত শত মানুষগাড়ীর অপেক্ষায়কেউ কোন করোনা সুরক্ষা বিধি নিয়ম মানারপ্রয়োজন মনে করছেনা

একজনের গায়ের উপর আকে পড়ছে কে কারআগে গাড়ীতে উঠবেতার উপড় রয়েছে বাড়তি টেনসন ছয়টার পর সবদোকান পাট বন্ধ হয়ে যাবেসব মিলিয়ে সাধারন মানুষের ভোগান্তিরশেষ ছিলোনা

কে শুনে কার কথা করোনা সংক্রমন বেড়েযা্ওয়ায়সরকার লকডাউনের সিদ্বান্ত নেয়।দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫৮জনের মৃত্যু হয়েছে নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে হাজার ২১৩ জনের

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন হাজার ৬৮৩ জন সব মিলিয়ে আক্রান্তেরসংখ্যা দাঁড়িয়েছে লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জনে #