Home রাজশাহী

0 0

লিয়াকত, রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ আসাদুজ্জামানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। ২৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক আদেশে পদাবনতি (ডিমোশন) দিয়ে তাকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

জানা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ফান্ডের অর্থ আত্নসাত ও করোনাকালীন ভূয়া বিল ভাউচার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়।

এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বসেই মাদক সেবন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য চিকিৎসকদের সাথে ডাঃ আসাদুজ্জামানের হাতাহাতির ঘটনার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠে ডাঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ।

তদন্ত কমিটির দেয়া প্রতিবেদনে ডাঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত সহ অন্যান্য অভিযোগের প্রমাণও মেলে। এ কারণে গত ২৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক আদেশে ডাঃ আসাদুজ্জামানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে পদাবনতি দিয়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হিসেবে পদায়ন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ শেখ মোঃ হাসান ইমাম ওই আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

এছাড়া একই আদেশে ডাঃ মাহমুদা খানমকে দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

0 0

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃরাজশাহীতে বিশ্বশান্তি জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে, মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত।

মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠানটি জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী বিভাগের আয়োজনে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। এবং র‍্যালিটি সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে রাজশাহী আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু কলেজ রাজশাহীর উপাধক্ষ্য ও রাজশাহী ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ ইয়াকুব বাদশা।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী বিভাগের আহবায়ক মোহাম্মদ শোয়েব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সাম্প্রদায়িক গােষ্ঠীর প্রধান টার্গেট হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। সেই সঙ্গে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্বপ্নের সােনার বাংলাদেশকে প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,

ধর্ম নিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক,সংবিধান, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবী, নারীশিক্ষা, নারী উন্নয়ন, আধুনিক প্রগতিশীল মানবিক শিক্ষা ও
সমাজব্যবস্থার বিরােধীতা করা।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ১৯৯৬, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে এদেশে ক্ষমতায় আসার সুযােগ না হতাে তাহলে সােনার বাংলার সবুজ প্রান্তর সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সাম্প্রদায়িক গােষ্ঠীদের হিংস্র থাবার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আরেক সিরিয়া,লিবিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তানের ভাগ্য বরণ করতে হতাে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইয়াকুব বাদশা বলেন, ১৯৯৬ সালে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার ক্ষমতায় এলে পটভূমি পাল্টে যায়। সাম্প্রদায়িক গােষ্ঠী মাথা তুলে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়। ২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসীন হলে জঙ্গিরা গা-ঢাকা দেয়।

আত্মগােপনে থাকা এসব সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠন বর্তমান সরকারের সময় রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযােগ নিয়ে আবারও মাথা তােলার চেষ্টা করলেও বর্তমান সরকারের সন্ত্রাসী ও জঙ্গী বিরােধী কঠোরতার কারনে সন্ত্রাসী ও জঙ্গীরা সফল হয়নি।

সন্ত্রাসী জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সরকারের যে সাফল্য, যে অর্জন, সেটা অকল্পনীয়। বিশ্বের বহু দেশ এটা করতে পারেনি। ১৭ কোটি মানুষের দেশে জঙ্গিসদস্য এবং তাদের আস্তানা খুঁজে বের করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মেধাবী ও চৌকস অফিসাররা যে অপারেশনগুলাে করেছেন, তা বিরল ঘটনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ২০১৬ সালের হােলি আর্টিজান হামলার।পর এ পর্যন্ত যতগুলাে অপারেশন পরিচালিত হয়েছে তার সবগুলাে থেকেই জঙ্গিগােষ্ঠী আঘাত হানার পূর্বে পুলিশ ও র্যাব।তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে জঙ্গি আস্তানাসমূহ গুড়িয়ে দিয়েছে। জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশ ও র্যাব’ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

জঙ্গিবাদ প্রতিরােধ আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যানারে দীর্ঘ বছর ধরে, আমরা বাংলাদেশ সরকারের সন্ত্রাসমুক্ত ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা প্রশংসা করে গণসচেতনতা বাড়ার জন্য আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সােনার বাংলা বিনির্মানে আমরা বদ্ধপরিকর।

লিয়াকত, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহী কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের দেলুয়া বাড়ি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় প্রভাবশালীর আক্রোশ জনিত হামলায় মসজিদ কমিটির সভাপতিসহ ৫ জন আহত হয়েছে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, দেলুয়া বাড়ি গ্রামের মফিজ উদ্দিনের স্ত্রী সামসুন নাহারের জানাজা গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩.২০ টায় সময় পরিবারের পক্ষ থেকে সময় নির্ধারণ ও দেলুয়াবাড়ি কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পাদন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এ সময় মফিজ উদ্দিনের আত্মীয়-স্বজন জানাজা স্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, কার হুকুমে জানাজার সময় নির্ধারণ করেছো বলে মফিজ উদ্দিনের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায় সে সময় গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মঈনুদ্দিন বলেন এখন দন্দ না করে মাটি হওয়ার পরে বসে আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান করার কথা বলেন তিনি।

তখন খাইরুল ইসলাম পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে তুই বলার কে এই বলেই মার ধর শুরু করে এবং অন্যনাদের মারতে হুকুম দেন।

এ সময় মারপিটের ঘটনায় ৫ জন গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন- দেলুয়াবাড়ী গ্রামের মইনুদ্দিন, সরোয়ার, নওশাদ, আলাউদ্দিন, ও কামরুল ইসলাম। এদের মধ্যে সরোয়ার, ও নওশাদ গুরুতর আহত বলে আত্মীয় ও মেডিকেল সূত্রে জানা গেছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন দেলুয়াবাড়ি কবরস্থানে মোঃখাইরুল ইসলাম,মোঃ মমিন, মোঃ মাইনুল, মোঃ কাজল, মোঃ ফজলু, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ আব্দুর রহিম ও মোঃ হাসিব মৃতের জানাজার সময় নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ও পূর্ব শত্রুতার যের ধরে দেশীয় অস্ত্র লোহার হাতুড়ি, বাঁশের লাঠি-সোটা রড নিয়ে বেআইনি ভাবে দলবদ্ধ হয়ে খায়রুল ইসলামের হুকুমে প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান, মোঃ রায়হান হাজী,র শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ী ভাবে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।

উক্ত ঘটনায় সরাদ্দী ও নইমুদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্য লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। নওশাদ আলীকে বাঁশের লাঠির আঘাতে ডান হাতের কব্জি ভেঙ্গে দেয়। আলাউদ্দীনের চোখে বাঁশের লাঠির আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ও কামরুলের বাঁশ দিয়ে নাক ফাটিয়ে দেয়।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাসুদ পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মাললা হয়েছে।
খাইরুল ইসলাম নামে একজন আসামীকে উক্ত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ কখনো সাংবাদিক পিটিয়ে, কখনো সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা করে কিংবা কখনো সাংবাদিককে বিপদে ফেলে টাকা আদায়ে জুড়ি মেলা ভার রাজশাহীতে সদ্য গড়ে উঠা কাটাখালী থানার। রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্তরণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী মাসিক ২০ হাজার বেশী ফেন্সিডিলের ব্যবসা হয় এই অঞ্চলেই।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে,চলতি বছরে ১ হাজার বোতল ফেন্সিডিল আটকের নজির নেই এই থানার। যখনই আটক হয় তখন ঊর্ধে ৫০/৭০/৯০ বোতল ফেন্সিডিলের বেশী উদ্ধার হয়না। তাহলে রহস্য কি ?

কারনটা কিন্তু এলাকার জানেন সকলেই। আর কারন হচ্ছেন রাজশাহী কাটাখালীর থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীর”।
“এসআই জাহাঙ্গীর” ছোট বড় সকল মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে উত্তোলন করেন সাপ্তাহিক মাসহারা। সপ্তাহে ও মাসে কোন মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কত টাকা উত্তোলন করতে হবে তা নির্ধারন করেন । আর কোন মাদক ব্যবসায়ী টাকা না দিলেই তার নামে দেন মামলা।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত আনু: ৯টার দিকে কাটাখালী থানাধীন টাংগন এলাকার বালুর ঘাট থেকে আটক করা হয় ৩জন মাদক ব্যবসায়ীকে। তাদের নাম হচ্ছে হিলটন, সোহেল ও ইসলাম নামের অজ্ঞাত এক ব্যাক্তিকে। রাজশাহী কাটাখালীর থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীর” তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসেন রাত ৯.৩০ মিনিটের দিকে।

এরপর শুরু করেন দেন দরবার। ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে তাদের পরিবারের কাছে দাবি করেন ৬০ হাজার টাকা। অবশেষে ৩৫ হাজার টাকার চুক্তিতে তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেন রাজশাহী কাটাখালীর থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীর”।

এদিকে কাটাখালী বালুর মাঠ এলাকায় সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক এলাকাবাসী জানান – এলাকার হিলটন, সোহেল ও অজ্ঞাত ইসলাম নামের এক ব্যাক্তিকে থানায় আটক করে নিয়ে যান এসআই জাহাঙ্গীর কিন্তু আটকের কয়েক ঘণ্টার মধ্য তাদের ছেড়েও দেন। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক এলাকাবাসী আরও জানান মাদক নিয়ে ঐ তিন ব্যাক্তিকে আটক করলেও তাদের ছেড়ে দেন “এসআই জাহাঙ্গীর”।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কাটাখালি থানাধিন মাসকাটাদিঘী পূর্বপাড়া গ্রামের হায়দার, টাংগন এলাকায় হানিফ, মিলন, কালু, চায়না, আফরোজ, তজিবার, লিটন, রফিক, রিংকু, হাসান । টাংগন পূর্বপাড়া, মধ্যপাড়া ও পশ্চিমপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: রায়হান, শুকটা রাজিব, সজিব, আলিরাজ, হারান, পরান, নাজির,আলাম, কালোনী, এবাদুল, আসাদুল,

ফারুক, মাইনুল, আরজুল, উজির, কালাম, জসিম, বাহালুল, লুৎফর, আকাশ হোসেন কটা, হালিম, সজল, অজ্ঞাত কারনে তারা ধরা ছোয়ার বাইরে। আর সাধারন মাদক সেবীদেরই বেশি আটক করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। আর এদের কাছে নিয়মিত মাসহারা আদায় করেন “এসআই জাহাঙ্গীর”।

উক্ত বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী কাটাখালী থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীরের ০১৩২০০৬১৬৫৯ নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পরবর্তীতে রাজশাহী কাটাখালী থানার ডিউটি অফিসারকে ০১৩২০০৬১৬৫৮ নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও সেটিও সারাদিন সুইজড অফ দেখায়।

সর্বশেষ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র এডিসি রুহুলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান – প্রতিটি থানায় এখন সিসি ক্যামেরা বিদ্যমান বিধায় আসামী ছেড়ে দিয়ে থাকলেও সিসি ক্যামেরায় তা অবশ্যই প্রতীয়মান হবে। এছাড়া রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বর্তমান পুলিশ কমিশনার মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক স্যার অলেছেন – রাজশাহী মহানগরীতে এ ধরনের অপরাধ করে আর কেউ পার পাবেনা।

সকল ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে স্যার কঠোর নির্দেশনা জারী করেছেন। কারন মাদক, দেশ ও সমাজের শত্রু। তাই সে যদি পুলিশ সদস্য হয়ে মাদকের সাথে কোন সখ্যতা গড়ে তোলে তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর থেকেও কঠোরতর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এই মুখপাত্র।

0 0

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ জীবনযুদ্ধে হার না মানা রাজশাহীর নারী পেপার বিক্রেতা জোহরা দিল আফরোজ খুকি। সামাজিক গণমাধ্যমে তার সংগ্রামী জীবনের ভিডিও ভাইরাল হলে সবার নজর পরে তার দিকে। রাজশাহী জেলা প্রশাসক প্রথমে তার সাহায্যে এগিয়ে আসলে খুকির সংগ্রামী জীবনের কথা পৌছায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা জানার পর রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলকে জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুকির ভালো থাকার জন্য যাবতীয় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নাভানা গ্রুপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে জোহরা দিল আফরোজ খুকির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

গত ১৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নাভানা গ্রুপের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার আফজাল নাজিম রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, রাজশাহী মেট্টেপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকের সাথে সাক্ষাৎ করে খুকির দায়িত্ব ভার গ্রহণের বিষয়টি জানান।

আফজাল নাজিম জানান, আমরা রাজশাহীর পেপার বিক্রেতার খুকির সংগ্রামী জীবনের কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরে তাকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর জন্য নাভানা গ্রুপের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এই মহৎ উদ্দেশ্যের সাথে আছেন জেনে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নেই।

পরবর্তিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাজশাহী এসে খুকির সাথে সাক্ষাৎ করে বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক রাজশাহী নানকিং গ্রুপের মালিক মো: এহসানুল হুদা দুলু’র নিকট নগদ অর্থ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

মোঃ এহসানুল হুদা দুলু অস্থায়ীভাবে খুকির দেখা শোনার যাবতীয় দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন। খুকি যতদিন বেঁচে থাকবেন, নাভানা গ্রুপ তার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে। নাভানা গ্রুপ খুকির হজ্ব পালনের ইচ্ছে পূরণের জন্য যাবতীয় কাগজপত্রাদি ঢাকা নিয়ে গেছেন ।

সেই সাথে খুকির জীবনের শেষ ইচ্ছে তার মৃত্যুর পর কুষ্টিয়াতে সমাধি প্রদানের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর র‍্যাব-৫ এর সিপিএসসি, মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল কর্তৃক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ০৭.০০ ঘটিকার সময় রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানাধীন বানেশ্বর বাজার এলাকায় মোঃ আঃ রশিদ চেয়ারম্যান এর মার্কেটে অবস্থিত হামদর্দ্ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) দোকানের সামনে চেকপোষ্ট পরিচালনা করেন। এ সময় ২৫ কেজি গাঁজা, ০৩ টি মোবাইল ফোন, ০৬ টি সীমকার্ড, ০১ টি মেমোরীকার্ড, নগদ ৪৫০০/-টাকা , ০১ টি টিকিট, ০১ টি বালিশ সেটসহ ২জন মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।

উক্ত অভিযানে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন ১। মোঃ মাসুদ রানা (২৩), পিতা-হাজী মোঃ মফিজুল ইসলাম, মাতা-মোসাঃ জয়নেবুন্নেছা, সাং-শিবরামপুর ২। মোঃ মাহবুব (২৫), পিতা-মোঃ মুসা, মাতা-মোছাঃ ডালিম, সাং-বুড়িচং (বুড়িচং থানার পশ্চিম পার্শ্বে), উভয় থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা।
আটক মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে ।

0 0

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ এক অসহায় ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করে পাশে দাঁড়িয়েছেন রাসিকের ১৯ নং ওয়ার্ডের মানবিক কাউন্সিলর মোঃ তৌহিদুল হক সুমন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, এর আগেও তিনি অসহায় ও গরীব রুগীর পাশে থেকে খোঁজ খবর নেওয়া থেকে শুরু করে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা এবং নিজ উদ্যোগে বিনামূল্যে ঔষুধ সরবরাহ করে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে।

অসহায় ও গরীব ক্যান্সার রোগী হলেন, রাজশাহী মহানগরীর ১৯নং ওয়ার্ড নিউ কলোনীর বাসিন্দা পারুল এর পুত্র হৃদয়।

রাসিকের ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুমন বলেন, আমি এলাকার অসুস্থদের খোঁজ খবর রাখি প্রতিনিয়ত। এলাকার অসুস্থদের নিজ বাড়িতে স’শরিরে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা ও শারীরিক খোঁজ খবর নি প্রতিনিয়ত এবং সাধ্যমত সাহায্য করতে চেষ্টা করি।

আমি সকলের কাছে দোয়া প্রাথনা করি এভাবে যেন সবার পাশে থেকে সেবা করতে পারি।

লিয়াকত হোসেন রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, বিপিএম এর দিক নির্দেশনায়, রাজশাহী জেলা ডিবির একটি টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোদাগাড়ী থানাধীন মল্লিকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০০ গ্রাম হেরোইন ও বহন কাজে ব্যবহৃত একটি ডিসকভার মটরসাইকেলসহ আটক করে।

উক্ত অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, ১।মোঃ শামীম রেজা @ মার্শাল(৩৫), পিতা-মোঃ মনজুর রহমান, সাং-মহিষালবাড়ী, এবং সহযোগী আসামী ২।মোঃ শাহীন শাহ(৩৪) পিতা মৃত ফরমান শাহ, সাং-মহিষালবাড়ী, উভয় থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহী।

এ ঘটনায় ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী থানায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন আছে।

এ বিষয় টি নিশ্চিত করে, বার্তা পাঠিয়েছেন,মো: ইফতে খায়ের আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( সদর), রাজশাহী।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহী বিভাগীয় সামাজিক বন বিভাগ অফিসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম আর দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভূক্তভোগী ঠিকাদাররা বলেন এই বন বিভাগ অফিসকে অনিয়ম আর দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তারা। কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে, গত অক্টোবর মাসের ১৩ তারিখে হওয়া টেন্ডারের শর্ত ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে প্রায় ২০০ লটের মত উচ্চ দরদাতাকে কাজ না দিয়ে সেকেন্ড ও থার্ড দরদাতাকে কমিশনের ভিত্তিতে কাজ দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

সূত্র মতে, প্রায় ৫৫০ লটের কাজের টেন্ডার দেন রাজশাহীর বিভাগীয় সামাজিক বন বিভাগ অফিস। এতে প্রায় ২০০ লটের কাযে নাম মাত্র শর্ত ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে, ২য় ও ৩য় নিম্ন দরদাতাকে কমিশনের মাধ্যমে কাজ দিয়েছেন টেন্ডার বাঁছাই কমিটি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন উচ্চ দরদাতা ঠিকাদাররাসহ ভুমিহীন সুবিধাভোগীরা। এক দিকে সরকার হারাচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।

নিলামের তালিকা তৈরীর সময় গাছ ব্যবসায়ী, কতিপয় জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সাথে আঁতাত করে শুভঙ্করের ফাঁকিতে রাখা হয়েছে। আবার গাছ কর্তন করার সময় লট প্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নিচ্ছেন বন কর্মকর্তা ও বন প্রহরীরা।

ভুক্তভোগী ঠিকাদার মারফত জানা যায়, একটি লটের সর্বোচ্চ দরদাতা ৭৫ হাজার টাকায় কাজ পেয়ে নামে মাত্র ভুল ধরে সেই কাজ তৃতীয় নিম্ন দরদাতাকে ৫২ হাজার টাকায় দেওয়া হয়েছে।
এভাবেই প্রায় ২০০ লটের প্রায় ২ কোটি বা তার অধিক পরিমাণ টাকার টেন্ডারে করা হয়েছে অনিয়ম। টেন্ডারের শর্ত ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে এই কাজগুলো দেওয়া হয়েছে সর্ব নিম্ন দরদাতাদের। যেখানে টেন্ডারের মূখ্য শর্ত পূরণ থাকলেও নামে মাত্র ভুল বা গৌণ্য ভুলে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে কাজগুলো তৃতীয় বা দ্বিতীয় দরদাতাদের দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

২০০ লটের কাজে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে, যা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আহম্মদ নিয়ামুর রহমান থেকে শুরু করে কমিশন ভিত্তিতে দপ্তরটির সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ভাগবাটোয়া করে নিয়েছে বলে অভিযোগ ঐ সকল ঠিকাদারদের।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি লটে গড়ে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হলেও ২০০ লটে ৪০ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়। এখানে বিশাল অংকের ক্ষতির সমুখিন হচ্ছে ভূমিহীন সুবিধাভোগীরা। যদিও ৫৫% পাওয়ার কথা এই ভুমিহীন সুবিধাভোগীরা। কিন্তু উচ্চ দরদাতাকে কাজ না দেওয়ায় প্রতিটি কাজে কমেছে প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এতে চরমভাবে হতাশগ্রস্ত সুবিধাভোগীরা।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক ঠিকাদার বলেন, ফরেস্টার আমজাদ হোসেনসহ বেশ কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী এই অনিয়ম আর দূর্নীতির সাথে প্রত্যাক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ডিএফও নিজে কোন টাকা হাতে না নিলেও ফরেস্টার আমজাদসহ অন্যান্যরা নিজ হাতে টাকা নেন।

এ বিষয় কথা বলতে সরাসরি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মদ নিয়ামুর রহমানের সঙ্গে দেখা করলে ও জানতে চাইলে তিনি নিজেকে সহ অফিসের সকলেই সৎ এবং নিয়ম মাফিক কাজ হয়েছে বলে দাবি করেন। শর্ত ভঙ্গের কারণে কতটি কাজ ২য় ও ৩য় দরদাতাকে দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকার করেন।

এ সময় তিনি সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বলেন, আমি ও আমার অফিস নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে, পারলে সংবাদ প্রকাশ করেন আমি পারলে দেখে নিবো।

তথ্য নিতে হলে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে এখান থেকে তথ্য নিতে হবে বলেও উল্লেখ্য করেন তিনি।

0 0

লিয়াকত হোসেন রাজশাহী ব্যুরো আরএমপি পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক শাহমখদুম থানা ও পবা থানা এলাকায় করোনা ভাইরাস সংক্রান্তে জনসচেতনা ও মাস্ক বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন।

আজ ইং ১১.০০ ঘটিকায় করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় করোনা প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে আরএমপির ১২ টি থানায় একযোগে করোনা সংক্রান্তে জনগণকে উদ্ভুদ্ধ করণ, মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়।

মহল্লা, বিপণী বিতান এবং মার্কেট সমূহে বিশেষ ভাবে প্রচারণার অংশ হিসেবে পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক মহোদয় শাহমখদুম থানা ও পবা থানার বিভিন্ন এলাকায় এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেন।

“নো মাস্ক নো সার্ভিস” এ প্রত্যয়কে সামনে রেখে মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় শাহমখদুম থানাধীন নওদাপাড়া ও পবা থানার নওহাটা বাজার এলাকায় অবস্থিত মার্কেট পরিদর্শন করে সবাইকে মাস্ক ব্যবহারে উদ্ভুদ্ধ করেন এবং মাস্ক ছাড়া কাউকে যেন কোন প্রকার সেবা প্রদান করা না হয় সে ব্যাপারে অনুরোধ করেন। পুলিশ কমিশনার মহোদয় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কোন অফিসে মাস্ক বিহীন কাউকে সেবা প্রদান করা হবে না মর্মে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কেউ আইন অমান্য করলে তাকে পূনঃ উদ্ভুদ্ধ করণ এবং পরবর্তীতে কেউ যদি আইন অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে জানান। এই কার্যক্রমে ধারাবাহিকভাবে চলবে বলেও তিনি জানান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) জনাব মোঃ সুজায়েত ইসলাম, জনাব মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,

উপ পুলিশ কমিশনার (শাহমখদুম), জনাব সোনিয়া পারভীন, সহকারী পুলিশ কমিশনার (শাহমখদুম), জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, শাহমখদুম থানা, জনাব শেখ মোঃ গোলাম মোস্তফা, অফিসার ইনচার্জ, পবা থানা ও জনাব মোঃ নুরে আলম সিদ্দিক,

অফিসার ইনচার্জ, এয়ারপোর্ট থানা, আরএমপি, রাজশাহী সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।