Home রাজনীতি

প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, এখন গাছের পাতায় পাতায় আওয়ামী লীগ। এটা রাজনীতির জন্য খুবই বিপদজনক। এটা যদি রাজনীতিবিদদের হাতে থাকতো তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু এটা যদি প্রফেশন হয়ে যায় তাহলে খুব মারাত্মক ব্যাপার। আমি মনে করি প্রফেশনাল হিসেবে যারা আছেন তাদের সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে আপনার প্রফেশনে আপনি সাকসেসফুল কিনা সেটা লক্ষ্য রাখা।
আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড কী সেটা দেখার দরকার নেই। শুধু একটা জিনিস দেখতে হবে যে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কিনা। আজ সোমবার (১ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পুলিশ সুপার জায়েদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক।
বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদস সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ। শামীম ওসমান আরো বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুই ধরনের মানুষ আছেন। এক ধরনের মানুষ আবেগ দিয়ে রাজনীতি করেন। আরেক ধরনের মানুষ তাদের মাথার বুদ্ধি দিয়ে। যারা আবেগ দিয়ে করেন তাদের জন্য রাজনীতিটা খুব কঠিন হয়ে যায়।
হাদিসের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আমি যদি অবৈধ কাজ করি আমার ছেলে মেয়েও হাশরের ময়দানে আমাকে চিনবে না। সুতরাং আমি এমপি, মন্ত্রী আমাদের এ সম্মান আল্লাহ দিয়েছেন। সব ধর্মই ভালো কথা বলে। কোনো ধর্ম খারাপ কথা শেখায় না। ভুল করার পরে যে নিজেকে সংশোধন করে নেন আল্লাহ তাকে বেশি পছন্দ করেন। তিনি বলেন, আজকে দেশে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা আপনারা আমার চেয়ে কম জানেন না।
এটা শুধু শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র না। এটা রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার। রাষ্ট্রের মূল কাঠামেগুলোকে দেশের বাইরে থেকে বসে প্রতিনিয়ত আঘাত করা হচ্ছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করা হচ্ছে এই রাষ্ট্রকে তালেবান রাষ্ট্র বানাতে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে কারণ আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই দেশে থাকবে। আপনারা ভালো কাজ করবেন, আপনাদের প্রশংসা করব, খারাপ কাজ করবেন আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলব। এখানে কোনো ছাড় হবে না।
কারণ আল্লাহর কাছে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে। প্রভাবশালী এই এমপি বলেন, আমি এই কথাগুলো বললাম কারণ আমার চলে যাওয়ার সময় এসেছে। আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি। যদিও আমার মৃত্যু আজ থেকে বিশ বছর আগে ১৬ জুন হয়ে গেছে। আমার ডানে-বায়ে যারা ছিলেন সবাই মারা গেছেন।
আমি যে সাক্ষী দিয়েছি সে সাক্ষীও বদলে দেওয়া হয়েছে এবং সেটা আমার সরকারের আমলেই। আমি কোর্টে তা ডিনাই করে এসেছি। পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
আপনাদের কাছে মানুষ অনেক কিছু আশা করেন। তা পূরণ করবেন কী করবেন না আপনাদের ইচ্ছা।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পৌরসভা নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৯টি ওয়ার্ডের ফলাফলে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় এই নারী নেত্রী মেয়র প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১০ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন।

দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা একটি ‘ক’ শ্রেণীর পৌরসভা। এ পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার আওতাধীন। এই পৌরসভা জাতীয় সংসদের ২৪৫নং নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এর অংশ। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নারী মেয়র প্রার্থী মিসেস নায়ার কবির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। আজ সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় বেসরকারিভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী মিসেস নায়ার কবির পেয়েছেন ২৮ হাজার ৫৫৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদুল হক ভূঁইয়া পেয়েছেন ১৮ হাজার ৩৬১ ভোট।

পাঁচলাইশ থানা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটি কে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ র‍্যালি করেছে নেতাকর্মীরা।গতকাল শুক্রবার বিকেলে এই র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।র‍্যালিটি পাঁচলাইশ থানার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রবর্তক মোড়ে এসে শেষ হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মীর জিহান আলী খান,সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন রবিন,এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি খোরশেদ আলী জনি,সোহরাব হোসেন,নাঈম বিন কাশেম,যগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান,প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির প্রমুখ।

আনন্দ র‍্যালি শেষে সোহরাব হোসেন বলেন,নবগঠিত পাঁচলাইশ থানা কতৃক আয়োজিত আনন্দ র‍্যালি তে উপস্থিত নেতাকর্মীকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানায়। সকলের আন্তরিকতা আমাদের আজকের প্রোগ্রাম সফল হয়েছে।

আগামী ২৮ ফেব্রæয়ারি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আলকরণ ৩১নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ইয়াছির আরাফাত এর মিষ্টি কুমড়া প্রতীকের সমর্থনে প্রচারণার শেষ দিনে অদ্য ২৬ ফেব্রæয়ারি আলকরণ মোড় থেকে শুরু করে দোভাষ কলোনী, পোষ্ট অফিস গলি, পি.কে. সেন গলি, সদরঘাট রোড শেঠ বাড়ী হয়ে গণসংযোগ শেষে দারুল ফজল মার্কেট এসে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, ২১নং জামাল খান ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবু, ৩১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি তারেক ইমতিয়াজ ইমতু, অত্র ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ইয়াছির আরাফাত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইয়াকুব, মোঃ রফিক, মহানগর যুবলীগ নেতা দিদারুর রহমান দিদার, ওয়াহিদুল আলম শিমুল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুর রশিদ লোকমান, মোঃ হাবিবুর রহমান, শাহাবুদ্দীন আহমেদ, প্রফেসর সাইফুল হক, মোঃ সাইফু, মোঃ ইব্রাহিম, আহসানুল হক ডিউক, আলতাজ বেগম বুবলী, ইপু খান, মাসুম, সুজাউদ্দিন সুজন, মোঃ আকবর, মোঃ সুমন,

ওমর মিয়া, শাহ আলম, মোঃ জাবেদ, আব্দুর নুর, হুমায়ুন কবির, সাব্বির আহমদ, দেলোয়ার হোসেন, কায়সার আহমেদ, মোঃ সৈয়দ, মোঃ আলী, মোঃ রিয়াদ, মোঃ তারেক, সাহিল আহমেদ, সমদ, ইসহাক, ইকবাল হোসেন জিকু, খালেদ হোসেন অন্তর, জাহিদ হোসেন, রাব্বি হোসেন আদি, ইফতেখার ইফতি, চয়ন, পারভীন,

শাহজাহান, আবু তৈয়ব। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেল, মঈনুর রহমান মঈন, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈন শাহরিয়ার,

উপ-সম্পাদক হুমায়ুন কবির আজাদ, রায়হানুল কবির শামীম, নাছির উদ্দিন কুতুবী, সহ-সম্পাদক ওসমান গণি, সদস্য ফাহাদ আনিস প্রমুখ।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সম্মেলন-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ থেকে দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনার চত্ত্বরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র লিটন বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। এদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছাত্রলীগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্রলীগের ইতিহাস যে পড়বে, তার বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কোন কিছুই অজানা থাকবে না।

মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি লিটন বলেন, ২০১৫ সালে বিএনপি-জামাত, মৌলবাদী চক্র সারাদেশের মতো রাজশাহীতে আগুন সন্ত্রাস করেছিল। সে সময় রাজশাহীতে ছাত্রলীগের নেতবৃন্দ বিএনপি-জামাতের সেই আগুন সন্ত্রাস রুখতে সাহসী ভুমিকা পালন করেছিল, আমরা ছাত্রলীগকে সাথে নিয়ে আগুন সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করেছি।

তিনি আরো বলেন, ছাত্রলীগ ফিনিক্স পাখির মতো একটি সংগঠন। ছাত্রলীগকে যতবার আঘাত করা হয়, ধংস করার ষড়যন্ত্র করা হয়, ততবার আবার নতুন করে জেগে ওঠে ছাত্রলীগ, ছাত্রলীগ নতুন করে এগিয়ে যায়। ছাত্রলীগ যত সুশৃঙ্খল হবে, পরিশীলিত হবে, চাঁদাবাজ মুক্ত হবে, ছাত্রলীগ তত সামনের দিকে অগ্রসর হবে।
মেয়র লিটন বলেন,

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচনে সতর্ক থাকতে হবে। ছাত্রলীগে মাই ম্যান তৈরি করার সুযোগ নেই। যে যোগ্য তাকেই নেতা নির্বাচিত করতে হবে। কারণ আগামীতে ছাত্রলীগ থেকেই এমপি, মন্ত্রী ও মেয়র নির্বাচিত হবে, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় নেতৃত্ব দিবে।

সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কোন অবৈধ ও অন্যায় কাজকে প্রশয় দেয় না। ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। আগামীতে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করা হবে, রাজশাহী অঞ্চলের নেতৃবৃন্দকে কেন্দ্রে মূল্যায়ন করা হবে।

মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ ডাবলু সরকার। শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক মো. রেজভী আহমেদ ভূইয়া।

সম্মেলনের সঞ্চালনা করেন মহানগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব। সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের গণশিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ হীল বারী, রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ শফিকুজ্জামান শফিক, রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর তৌহিদুর রহমান কিটু, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ হাবিব খান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু, রুয়েট শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি নাইম রহমান নিবিড়, রুয়েট শাখা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহফুজুর রহমান তপু। সম্মেলনে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের শুরুতে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ জাতীয় পতাকা ও ছাত্রলীগের পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর মঞ্চে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা জসিম উদ্দীন বলেছেন স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের সর্ব প্রথম আদালতের রায় বাংলায় দেওয়ার আইন করেছিলেন পল্লীবন্ধু এরশাদ। ভাষা সৈনিকদের পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা সহ উনাদের পরিবারকে সরকারী সুবিদা প্রদান করেছিলেন পল্লীবন্ধু। তিনি বলেন আজ অনেক ক্ষেত্রে বাংলার প্রচলন হচ্ছে না।

আমরা কথায় কথায় ভিন্ন ভাষা ব্যবহার করছি এটা উচিৎ নয়। তিনি সকলকে বাংলায় কথা বলার উদাত্ত¡ আহবান জানান। তিনি আজ ২২ ফেব্রæয়ারি বিকাল ৩ টায় মহান একুশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মহানগর শ্রমিক পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর শ্রমিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক দিল মোহাম্মদ দিলু, সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক, সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কিসলু, অর্থ সম্পাদক শাহ আলম, প্রচার সম্পাদক ফারুক, শ্রমিক নেতা শান্ত শিকদার,

শাহ আলম, মোঃ আজাদ, ওমর ফারুক, মোঃ ইসহাক, নুর মোহাম্মদ, নুরুল ইসলাম, রবিউল, মোঃ আবু তারেক প্রমুখ।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ আসন্ন ২৮ ফেব্রুয়ারি পবা উপজেলার উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইয়াসিন আলীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টায় দারুশা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ২নং হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি লুৎফর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ আয়েন উদ্দিন।

উক্ত সভায় ২নং হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম এর সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইয়াসিন আলী।

নির্বাচনী সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পবা উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরজিয়া বেগম ও ভাইস-চেয়ারম্যান ওয়াজেদ আলী, রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ জাকিরুল ইসলাম সান্টু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলফোর রহমান,

নওহাটা পৌরসভা নব-নির্বাচিত মেয়র মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ, হরিপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান বজলে রেজবি আল হাসান মুঞ্জিল, হরিয়ান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মফিদুল ইসলাম বাচ্চু, হুজুরীপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা,

১নং দর্শনপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল হাসান রাজ, পবা উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন, প্রচার সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও সহ-দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম, নওহাটা পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান,

পবা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তোফিক, পবা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল আহমেদ, পবা উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোসাররফ হোসেন নয়ন ও পবা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম রাজু সহ পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

গত ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ইং রোজ রবিবার অমর একুশের প্রথম প্রহরে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম সম্মিলিত হকার্স ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ মিরন হোসেন (মিলন) এর নেতৃত্বে এক দল হকার্স সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের নিয়ে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সম্মিলিত হকার্স ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুধীর বাবু, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হকার্স সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ মঞ্জু, মোঃ রিপন, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হকার্স সমিতি ২নং শাখা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ ফারুক, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হকার্স সমিতি ৩নং শাখা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী,

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হকার্স সমিতি ৫নং শাখা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কবির, মোঃ মনির, মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

২১ শে ফেব্রæয়ারি মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ৪৩নং আমিন শিল্পাঞ্চল ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ৪৩নং আমিন শিল্পাঞ্চল ওয়ার্ড শাখা কার্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আবদুল বাতেন এর সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা ইসলাম হোসেন রনির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা এম ইলিয়াছ সরকার। বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার শিবলী সাদেক সোহেল, আরিফ আহমদ সুজন, শিবলু আহমেদ জামাল,

এমদাদুল হক বাকের, রবিউল হোসেন সোহাগ, হোসেন হাজারী, মাঈনুদ্দীন সাগর, কাজী আল মামুন, আব্দুল কাদের, নয়ন, নূর নবী খন্দকার আকাশ, সুজন গাজী, সোহেল,মিন্টু, শাহাদাত, আওলাদ, নবী, ডি.এম. সুমন, জামাল, সাইফুল, পলাশ,

আজম, সুজন, সৌরভ হোসেন, আলাল, মতিন, সাদ্দাম, হাসান মুন্সি, এম এন মহিউদ্দিন, আলমগীর, আজাদ, আলমগীর, জহির, রহিম, রায়হান, ইব্রাহিম, আশিক প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রæয়ারি, রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে এদেশের ছাত্র সমাজ বুকের তাজা রক্ত দিয়ে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দিয়েছেন। ভাষার জন্য কোন জাতিকে এত রক্ত ঝড়াতে হয়নি। কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেরা তা প্রতিষ্ঠিত করেছে।

৫২’র ভাষা আন্দোলনের প্রেরণার মধ্যদিয়ে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করে। বক্তারা আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আল জাজিরা চ্যানেল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর সম্মান ক্ষুন্ন করতে বিএনপি-জামাত ও তারেক জিয়ার ইন্দনে এই বিভ্রান্তিমূলক ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে যার তীব্র নিন্দা জানান।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি জামাতের দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন বক্তারা।