Home রাজনীতি

মোঃআলাউদ্দীন

প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ৪১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে গতকাল ( সোমবার) ১৭ মে সন্ধ্যায় পশ্চিম বাকলিয়াস্থ কাউন্সিলর শহিদুল আলমের বাসভবন প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল আলম। এতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এম এ হান্নানের সভাপতিত্বে ইউনিট আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাকিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শ্রমিক লীগ নেতা বাতেন মাঝি , সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজিম দেওয়ান ,মো. ইয়াসিন টিপু, মুন্না খান ,মহিলা নেত্রী সাবিহা,লিজা, গোলজাহান সহ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাউন্সিলর মোহাম্মদ শহিদুল আলম বলেন ১৯৮১ সালে জাতীর দুঃসময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার আগমনের ফলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র তাঁর নতুন সোপানের দিকে যাত্রা করে। তিনি একমাত্র সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সকল বাধা ডিঙিয়ে জাতিকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে পৌঁছে দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর সমকক্ষ নাই বললেই চলে।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং দেশকে করোনা থেকে রক্ষায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

0 0

বিএনপি জনগণকে সচেতন না করে উল্টো সরকারকে দুষছেন

সিটিজিট্রিবিউন করোনা সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে বিএনপি জনগণকে সচেতন না করে উল্টো ঢালাওভাবে সরকারকে দুষছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার (১৮ মে) সকালে নিজ সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি মন্তব্য করেন।

যারা সমালোচনার খাতিরে শুধু সমালোচনায় লিপ্ত তাদের স্মরণ করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের জানতে চান, করোনা মোকাবেলায় সরকারের অব্যস্থাপনাই যদি থাকতো তাহলে সংক্রমণের সংখ্যা ৮ হাজার থেকে ৬’শ এর নিচে এবং মৃত্যুর সংখ্যা ১১২ জন থেকে ৪০ এর নিচে নেমে আসলো কি করে?

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনা খুব তাড়াতাড়ি চলে যাবে এটা ভাবার কোন কারণ নেই।

বিএনপি মহাসচিব লকডাউনের আগে কঠোর লকডাউন দেওয়ার দাবির প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার যখন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় লকডাউন বা সাধারণ ছুটির ঘোষণা করলো,তখন তারা কৌশলে এর বিরোধিতা করলো। বিএনপি ভ্যাকসিনের বিরোধিতা করে জনগণকে ভ্যাকসিন গ্রহণ থেকে দুরে রাখতে যে অপপ্রচার চালিয়েছিল তাও ব্যর্থ হয় বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। বিএনপি মহাসচিব এখন শাটডাউন, ক্র্যাকডাউন নানান পরিভাষা ব্যবহার করছে। অথচ যখন মানুষের জীবন- জীবিকার সুরক্ষাই অগ্রাধিকার, সেখানে তারা অব্যাহতভাবে অপরাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

করোনা সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপ জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম,দ্যা ইকোনোমিস্ট,যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ম্যাগাজিন ফোর্সসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন অথচ বিএনপি নামক দলটি সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা না করে বরং অবিরাম মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

বিদেশে সরকারের কোনো প্রভু নেই, আছে অকৃত্রিম বন্ধু এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।

ওবায়দুল কাদের আরও জানান, শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনায় হাওয়া ভবনের মতো কোনো বিকল্প ক্ষমতা কেন্দ্রের অস্তিত্ব নেই। জনগণের সরকার জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে।#প্রতিবেদন:কেইউকে।

0 0

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: ফখরুল

সিটিজিট্রিবিউন : করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তাদের কোন যোগ্যতা নেই। এতে তারা প্রমাণ করে দিয়েছে তারা একটা ব্যর্থ সরকার। তারা শুধু দুর্নীতির জন্য, লুটপাটের জন্যই আজকে জনগণকে দুর্ভোগে ফেলেছে।সোমবার  সকালে কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, ঈদের জন্য সরকার মাত্র তিন দিন ছুটি ঘোষণা করেছে। কিন্তু মানুষ তো থেমে নেই। দুর্ভোগের মধ্যে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে তারা বাড়িতে রওয়ানা হয়েছে ও ছুটি শেষে তাড়াহুড়া করে ঢাকায় ফিরছে। যাদের নিজেদের গাড়ি আছে তাদের কোন সমস্যা নেই কিন্তু সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে সাধারণ জনগণ। আমরা সরকারকে অনেক আগে থেকেই বলে আসছি করোনা মোকাবেলায় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। এখানে সরকারের চরম ব্যর্থতা ও উদাসীনতা শুধু বলবো না এটা হচ্ছে তাদের অজ্ঞানতা এবং সম্পূর্ণ ব্যর্থতা। তাদের ব্যর্থতার কারণেই আজকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার নামে মাত্র লকডাউন দিয়েছে। কিন্তু এর আড়ালে তারা ক্রাকডাউন দিয়েছে

তিনি বলেন, ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে সরকার নিজেরাই বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে সেটি বিরোধীদের উপর চাপাচ্ছে। বিরোধীদের উপরে মামলা দিয়ে গণ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের ঈদের মধ্যেও জামিন দেওয়া হয়নি। সরকারের করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করবার কোন ইচ্ছা নেই। এখানে দুটি সুবিধা পায় তারা। একটা হলো মানুষ যদি মরে যায় মরুক আর অন্যটা হলো সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যখাতে বিরাট দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করা।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন, সেই প্রণোদনার টাকা তারা নিজেরাই লুটপাট করে খায়। আমরা প্রথম থেকে বলে আসছি এখানে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। এখানে রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও এনজিওদের সম্পৃক্ত করতে হবে। করোনা মানাতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া আরেকটা বুমেরাং। পুলিশ কি করবে আমরা জানি। মাঝখান থেকে যেটা হবে সাধারণ জনগণের হয়রানী আরও বাড়বে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, মানুষ খেতে পায় না, অথচ তাকে আপনারা ঘরের মধ্যে বসে থাকতে বলছেন। বসে থাকবে আগে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করে দিন। আমরা সরকারকে তাদেরকে এককালীন ৩ মাসে ১৫ হাজার করে টাকা দেওয়ার প্রস্তাবনা দিয়েছিলাম। আপনারা জানেন বর্তমানে প্রায় ২ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করছে। আর বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করে সবমিলিয়ে প্রায় ৬ কোটি মানুষ কর্মহীন। এই ৬ কোটি মানুষের জন্য কিন্তু প্রণোদনা দেয়নি সরকার। প্রণোদনা গেছে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির মালিকদের জন্য। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলাম। তারা ৭৭শতাংশ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এই কথাগুলো সরকারকে বলে কোন লাভ হয় না। সরকারের নীতি নির্ধারকেরা বলছেন, সরকারের নির্দিষ্ট কোন পরিকল্পনা নেই। পরিকল্পনা বিহীন সাধারণ মানুষজন লকডাউন মানবে কিভাবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমান, সহ-সভাপতি আল মামুন আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সারোয়ার চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশিদ, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, জেলা যুবদলের সভাপতি চৌধুরী মাহেবুল্লাহ আবু নুর, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন তুহিন, স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি সরকার নুরুজ্জামান নুরুসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।প্রতিবেদন:কেইউকে:

 

 

0 0

খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে হলেও ইম্প্রুভ করছেন: মির্জা ফখরুল

সিটিজিট্রিবিউন : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে হলেও ইম্প্রুভ করছেন। তবুও চিকিৎসকরা বলেছেন, এখনও তার অবস্থা ক্রিটিক্যাল রয়েছে।

তবে অনেকগুলো বিষয়ে তার উন্নতি হয়েছে। আমরা খুব আশাবাদী, তিনি শিগগিরই সুস্থ হয়ে উঠবেন। তিনি দেশবাসীর কাছে নিজের ও সারাদেশের মানুষের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে দোয়া মোনাজাতের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে আমরা দোয়া করেছি, আল্লাহ-তায়ালা যেন আমাদের তৌফিক দেন যে, দেশে একটা ফ্যাসিবাদ, কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আমরা যেন শক্তি অর্জন করতে পারি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা সবাই জানেন যে আজকে ঈদ পালিত হচ্ছে অত্যন্ত একটা কষ্টের মধ্যে, দুঃসময়ের মধ্যে। একদিকে ভয়াবহ করোনা অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী সরকারের অত্যাচার-নির্যাতন। এ দুই সরকারের হাত থেকে এ দেশ যেন রক্ষা পায়। আমরা যেন রক্ষা পাই। আমরা এ দোয়া করি।

তিনি বলেন, ঈদ বলতে যেটা আমরা সব সময় বুঝি, সেই ঈদ শুধু তিন বছর নয়, সত্যি কথা বলতে কী গত একযুগ ধরে নেই। নেতাকর্মীদের হত্যা করা, মিথ্যা মামলা দেওয়া এমন একটা অবস্থায় আমরা আছি।

সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদিকে তারা লকডাউন বলছে, কিন্তু পালন হচ্ছে না। ফেরিতে পায়ের নিচে পড়ে ৫জন মারা গেছেন। গণপরিবহন বন্ধ করেছে, কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না।

এসময় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে স্থায়ী কমিটির সদস্য মীর্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদন: কেইউকে

0 0

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে

সিটিজিট্রিবিউন:রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১২ মে) দুপুরে বনানীর বাসায় দলের ‘নিখোঁজ’ নেতা এম ইলিয়াস আলীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, ম্যাডামের অবস্থা একই রকম আছে। মঙ্গলবার আমি যেটা বলেছিলাম। তার চেয়ে কিছুটা ইম্প্রুভ করেছেন। সি ইজ ইম্প্রুভিং।

গত ২৭ এপ্রিল থেকে বসুন্ধরার এয়ারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারী কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

মঙ্গলবার (১১ মে) গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেছিলেন, এখনও ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে আছেন তিনি (খালেদা জিয়া)। যদিও আল্লাহর রহমতে অনেক ইম্প্রুভ করেছেন। এখন তিনি রুম এয়ারে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন অর্থাৎ রুমের মধ্যে তার অক্সিজেন লাগছে না। তার প্রেসার, টেম্পারেচার, অক্সিজেন যেটাকে স্যাচুরেশন বলে এগুলো এখন আপাততভাবে আল্লাহর হুকুমে কিছুটা নরমালের দিকে চলে এসেছে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরার পর গত ১০ এপ্রিল থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৪ দিন পর আবার পরীক্ষা করা হলে তখনও তার করোনা ভাইরাস ‘পজিটিভ’ আসে।

এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৭ এপ্রিল রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। চেস্টের সিটি স্ক্যান ও কয়েকটি পরীক্ষার পর সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে নেওয়া হয়।প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা

 

সিটিজিট্রিবিউন: আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং শীর্ষ নেতাদেরকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে কার্ড পাঠিয়েছে বিএনপি।
মঙ্গলবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যায় বিএনপির ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন-বিএনপির কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনকুল ইসলাম টিপু এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার।

অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ জানান, আমরা সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বরাবর ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা সম্বলিতপত্র পৌঁছে দিয়েছি। যা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে গ্রহণ করেছেন দলটির দপ্তর উপ কমিটির সদস্য আলী হোসেন।

তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে বিকল্প ধারার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, গণস্বাস্থ্যের প্রধান ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল আহমেদ, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাতীয়পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং শীর্ষ নেতাদেরকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা সম্বলিতপত্র দিয়েছে বিএনপি।#প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার নেয়ার নজির দেশে রয়েছে 

সিটিজিট্রিবিউন; নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা ও তার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার বিষয় নিয়ে গত কয়েক দিনে সরকারের পক্ষ থেকে যা করা হয়েছে, তাতে আমি বিস্মিত এবং উদ্বিগ্ন।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে আইনি বাধার কথা আইন মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, তার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিদেশে চিকিৎসার নজির এ দেশে রয়েছে।

‘সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার পরও জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রবকে ১৯৭৯ সালে উন্নত চিকিৎসার জন্য জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে মানবিক বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছিল সবার আগে। বেগম জিয়ার ক্ষেত্রেও তেমনটি আমি আশা করেছিলাম।‘

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিএনপির নেতাদের কাছ থেকে যতটুকু জানতে পেরেছি, বেগম জিয়ার ফুসফুস এবং পেটে পানি এসেছে; যা ৭৬ বছর বয়সী একজন মানুষের জন্য খুবই মারাত্মক। এই মুহূর্তে উনার সার্বক্ষণিক উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। আমাদের দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যে নাজুক অবস্থা তাতে দেশে থেকে উনার সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

‘এই পরিস্থিতিতে মানবিক দিক বিবেচনায় সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী এবং একজন বীর উত্তমের স্ত্রী হিসেবে বেগম জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও সরকার তাদের প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বের হতে পারল না।‘

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পর এসেও সরকার মানবিক মূল্যবোধের ন্যূনতম পরিচয় দিতে ব্যর্থ হল। যে প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার চালু করেছে তা কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা ভেবে আমি শঙ্কিত।

সরকার তার অবস্থান থেকে সরে এসে মানবিক দিক বিবেচনায় বেগম জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে এবং পাশাপাশি তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নেবে আশা প্রকাশ করেন মাহমুদুর রহমান মান্না।

অন্যথায় সঠিক চিকিৎসার অভাবে বেগম খালেদা জিয়ার কিছু হলে, তার দায়ভার সরকারকে বহন করতে হবে বলে হুশিয়ারি দেন তিনি।প্রতিবেদন: কেইউকে।

 

0 0

বিদেশে চিকিৎসা করতে সুযোগ না দেয়ায় হতাশ বিএনপি : মির্জা ফখরুল

সিটিজিট্রিবিউন: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা করতে নেওয়ার সুযোগ না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের এ সিদ্ধান্তে আমরা নিঃসন্দেহে খুব হতাশ ও ক্ষুব্ধ।

রোববার  রাত সাড়ে ৮টার দিকে এভার কেয়ার হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এ সিদ্ধান্তে আমরা নিঃসন্দেহে খুব হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। একথা অত্যন্ত সত্য যে একটা মিথ্যা মামলা সাজিয়ে  তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য ছিল তাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। এটা আজকের বিষয় না, ওয়ান ইলাভেন থেকে শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শুধু তাকে একা নয়, দলের নেতাদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের মামলা নিয়ে আসা হয়েছে।

‘প্রায় ৩৫ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে এভাবে মামলা দিয়ে পুরো দলকেই রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চক্রান্ত চলছে। সবচেয়ে বড় চক্রান্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এজন্য যে তিনি হচ্ছেন সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। ’

তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরে খালেদা জিয়া যে এখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন, চিকিৎসকরাই বলেছেন এই চিকিৎসা যথেষ্ট নয়। কারণ তিনি করোনা পরবর্তী জটিলতায় ভুগছেন। তার যে বয়স এবং অন্য রোগ আছে যার কারণে তিনি যথেষ্ঠ ঝুঁকির মধ্যে আছেন। তার জীবন ঝুঁকির মধ্যে আছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এটা খুব পরিষ্কার এই সরকার ওয়ান ইলাভেনের ধারাবাহিকতায় খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চায়। তার ফলই আজ সরকারের এই সিদ্ধান্ত। আমরা মনে করি এই সিদ্ধান্তের কোনো যুক্তি থাকতে পারে না। কারণ তারা বলেছেন যে নজির নেই, নজিরতো সরকার অসংখ্য সৃষ্টি করেছে। এই সিদ্ধান্তটা শুধু মানবিক কারণেই নয়, রাজনৈতিক কারণও রয়েছে।

‘তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা, স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত তার যে অবদান সে অবদান অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। দুর্ভাগ্য আজ সরকার প্রতিহিংসামূলক যে রাজনীতি সেই রাজনীতিকে চরিতার্থ করতেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ’

তিনি বলেন, যে ধারায় তার সাজা স্থগিত করেছে, সেই ধারাতেই তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া এবং সাজা পুরোপুরি মওকুফ করার যথেষ্ঠ সুযোগ আইনের মধ্যে দেওয়া আছে। তারা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনের আসামিকে বাইরে পাঠিয়ে দিতে পারে। মাফ করে দিতে পারে। কিন্তু একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা যিনি এদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে, গণতন্ত্রের জন্যে কাজ করেছেন, তার জন্যে তাদের কোনো মানবতা কাজ করে না। তাদের কোনো শিষ্টাচার কাজ করে না, কোনো মূল্যবোধই কাজ করে না।

খালেদা জিয়া কি রাজনীতির শিকার হলেন এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, অবশ্যই, তাতো বটেই। এখনও তিনি রাজনীতির শিকার হয়েইতো আছেন। উনিতো রাজনীতির শিকার হয়ে কারাগারে আছেন, এখনও অন্তরীণই আছেন বলা যায়।

আদালত অথবা রাষ্ট্রপতির কাছে কোনো আবেদন করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরাতো আবেদন করিনি, আবেদন করেছেন তার পরিবার। পরিবার সিদ্ধান্ত নেবে তারা কী করবে।

তিনি বলেন, আমি দু’মিনিটের জন্য তাকে দেখলাম। আমার কাছে বেটার মনে হলো। তিনি এখন অক্সিজেন ছাড়াই শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। এখনও তার পোস্টকোভিড জটিলতাগুলো আছে। আল্লাহর অশেষ রহমত তিনি এখন ইম্প্রুভমেন্টের দিকে যাচ্ছেন।  প্রতিবেদন:কেইউকে

0 0

সব ক্ষেত্রে বিশ্বকবির গভীর প্রভাব বিদ্যমান: মির্জা ফখরুল ইসলাম

সিটিজি ট্রিবিউন:বাংলা সাহিত্যের অবিসংবাদিত প্রাণপুরুষ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে বিশ্বকবির গভীর প্রভাব বিদ্যমান।

শনিবার  বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার পাওয়ার বিরল সম্মান অর্জনকারী রবীন্দ্রনাথ তার উপন্যাস, কবিতা ও গানে গভীর জীবনবোধ, প্রকৃতির সঙ্গে সংলগ্নতা ও সৃষ্টিকর্তার প্রতি গভীর আত্মনিবেদন, প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এক অনাবিল শান্তি ও স্বর্গীয় আনন্দের আবহ তৈরি করে। তার সৃষ্টির মধ্যে প্রাণ-প্রকৃতি এক অনন্যরূপ ধারণ করে। আমরা গর্ববোধ করি তার রচিত গান আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে পেয়ে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের বাংলা সাহিত্যের যুগোত্তীর্ণ শ্রেষ্ঠ লেখক ও বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মনীষীদের একজন। অবিনাশী সৃষ্টির দ্বারা তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, ভাষাবিজ্ঞানী, দার্শনিক, সঙ্গীত রচয়িতা ও সুরকার হিসেবে এক উচ্চমাত্রায় নিজেকে অধিষ্ঠিত করেন। ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞান চেতনা ও শিল্পদর্শণ তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কবি রবীন্দ্রনাথ শুধু কবিই ছিলেন না, ছিলেন সমাজ, রাজনীতি ও সামাজিক সম্প্রীতির অক্লান্ত ভাষ্যকার। তার অনন্য সৃষ্টিতে চিরাচরিত ধারার বাহিরে স্বাতন্ত্র্যধর্মের পরিচয় মেলে। ধর্ম-লোকাচার, রাজনীতি-সমাজচিন্তা ও বিশ্বভাবনায় এ স্বাতন্ত্র্যবোধ তার বিশাল সাহিত্য সংস্কৃতির পরিমণ্ডলে বাংলা ভাষাভাষির মানসলোক নির্মাণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশ্বকবি, স্বপ্নদ্রষ্টা, রবীন্দ্রনাথ মানব জীবনকে বহমান ও নানা বৈচিত্র্যে উদ্ভাসিত করতে তার সৃষ্টিতে শিল্পমণ্ডিত ঐশ্বর্যের মায়াবী স্বপ্নের জগৎ বিনির্মাণ করেন। আমি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মার শান্তি কামনা করি।প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

সরকার চাইলে যে কোন সময় খালেদা জিয়া বিদেশে যেতে পারে : খন্দকার মাহবুব হোসেন।

সিটিজিট্রিবিউন:কোন প্রকার আবেদন ছাড়াই সরকার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রায় অনুমতি দিতে পারে। এখানে আদালতের কোনো ভূমিকা নেই।

এমন মত দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন।

বুধবার (০৫ মে) এক ভার্চ্যুয়াল ব্রিফিংয়ে বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান এমন মত দেন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ৪০১ ধারা মোতাবেক সরকার শর্ত সাপেক্ষে বা শর্তছাড়া যে কোনো আসামির সাজা মওকুফ বা সাজা স্থগিত করতে পারে। খালেদা জিয়াকে যখন মুক্তি দেওয়া হয় তখন শর্ত দেওয়া হয়েছিল, তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না। এখন এ অবস্থায় সরকারের মানবিক দায়িত্ব, নৈতিক দায়িত্ব, দেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়া উচিত। এখানে কোনো দরখাস্ত ছাড়াই সরকার অনুমতি দিতে পারে। এখানে আদালতের কোনো ভূমিকা নেই। এটা সম্পূর্ণ প্রশাসনিক আদেশ। সাজা স্থগিতও প্রশাসনিক আদেশ। এখানে আদালতের কোনো ভূমিকা নেই। আশা করি সরকার তার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেবে। এখানে আইনগত কোনো বাধা নেই।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের দণ্ডিত সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি ছিলেন। এরমধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে গত বছরের ২৫ মার্চ তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের আবেদনে সাজা ছয় মাসের জন্য স্থগিত রেখে তাকে সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তি দেয় সরকার।

এরপর খালেদা জিয়া রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের নিজের বাসভবন ফিরোজায় যান। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফের মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিবেদন:কেইউকে