Home রাজনীতি

রিপোর্ট নুরুল আবছার চন্দনাইশ উপজেলা প্রতিনিধি:করোনায় দ্বিতীয় ধাপে নিজেকে আত্মরক্ষা ও মোকাবেলায় সচেতনামূলক হয়ে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে
চন্দনাইশে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও পথচারীদের মাঝে বিনামূল্যে মাক্স ও সচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

চন্দনাইশের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সমন্বয়ক পরিষদের উদ্যোগে পৌর যুবলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মইনুদ্দিন এর সভাপতিত্বে উক্ত সময়ে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ইয়ুথ ক্লাবের উপদেষ্টা যুব সংগঠক নুরুল আমজাদ চৌধুরী।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চেতনা ৭১ এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা লোকমান হাকিম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক আনসার কর্মকর্তা আলহাজ্ব আহমদুর রহমান মাজাহারুল হক এসআই চন্দনাইশ থানা, পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি সেলিম উদ্দিন,সি এম সি আর ডায়গোনিস্ট সেন্টার গাছবাড়িয়া শাখার পরিচালক মাহাবুব,

সমাজসেবক আক্তার হোসেন, হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, পৌর যুবলীগ নেতা ইব্রাহিম মুন্না, শ্রমিক লীগ নেতা ফোরকান উদ্দিন মিন্টু যুবনেতা রাজিব কান্তি, পাল স্বপ্নতরী সংস্কৃতির সংসদের কর্মকর্তা রাব্বি চৌধুরী সজীব, সাজিব, ছাত্রলীগ নেতা হোসেন সাইমন,

গাছবাড়িয়া কলেজ গেট অনুষ্ঠিত হয় উক্ত সময় বিভিন্ন সংগঠন ও পথচারীদের মধ্যে দুই হাজারের অধিক বিনামূল্য মাক্স ও সচেতনমূলক মুলক লিফলেট বিতরণ করা হয় ২২শে নভেম্বর চন্দনাইশ গাছবাড়িয়া কলেজ গেট।

উত্তর জেলা জাপার সমাবেশে-রেজাউল ভূঁইয়া পল্লীবন্ধুর উন্নয়নের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করতে হবে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেছেন জাতীয় পার্টির ৯ বছরের শাসনামল ছিলো স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলার ইতিহাসে উন্নয়নের সোনালী সময়।

এই সময় পল্লীবন্ধু এরশাদ ২১টি মহকুমা ভেঙ্গে ৬৪টি জেলা ৪৬০টি উপজেলা সৃষ্টি করেছিলেন।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পল্লীবন্ধুর সৃষ্টি, কাফকো সরকারখানা, কর্ণফুলী ২য় সেতুসহ শত শত ব্রীজ, হাজার হাজার কিলোমিটার পাকা রাস্তা করে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আধুনিকতার ছুঁয়া দিয়েছিলেন পল্লীবন্ধু।

গুচ্ছ গ্রাম, পথকলি ট্রাস্ট, জল যার জলা তার নীতি, ঔষধনীতি, শিল্পনীতি, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ আইন, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ আইন, শ্রমিকদের ২ ঈদে ২টি বোনাস, গ্রাচুয়েটি প্রদান, ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্টের সার্কিট ব্রাঞ্চ স্থাপন করে আইনের শাসন জনতার দোর গোড়ায় পৌছে দিয়েছিলেন পল্লীবন্ধু।

তিনি বলেন দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে নয় আগামীতে জাতীয় পার্টিকে দেশ পরিচালনায় দেখতে চায়। আমাদের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল সোনালী ইতিহাস, আছে একগুচ্ছ উন্নয়ন অগ্রগতির কর্মসূচী, দরকার এখন তৃণমূলে শক্তিশালী সংগঠন। তিনি পল্লীবন্ধুর উন্নয়নের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

তিনি আজ ২৩ নভেম্বর সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির এক প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। নগরীর পুলিশ প্লাজা অডিটরিয়ামে জেলা জাপার সাবেক আহবায়ক শায়েস্তা খান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শফিক উল আলম চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপা প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর শিকদার লোটন,

নাজমা আক্তার এমপি, এমরান হোসেন মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শামশুল আলম মাস্টার, আলহাজ্ব দিদারুল কবির দিদার, লুৎফুর রেজা খোকন, মৌলভী মোহাম্মদ ইলিয়াস, যুগ্ম মহাসচিব হাজী বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক অলি উল্লাহ চৌধুরী মাসুদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী তপন চক্রবর্ত্তী, যুব সংহতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জাপা নেতা মেজবাহ উদ্দিন আকবর চেয়ারম্যান,

লায়ন মহিন উদ্দীন চৌধুরী, সীতাকুণ্ড উপজেলার সভাপতি রেজাউল করিম বাহার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম, হাটহাজারীর, সাধারণ সম্পাদক লোকমান সিকদার, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, সদস্য সচিব মেহেদী রাশেদ,

ফটিকছড়ি উপজেলা আহবায়ক এম এ আবুল হাশেম, সদস্য সচিব শেখ শফিউল আজম, মীরসরাই উপজেলা সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, জেলা যুব সংহতির সদস্য সচিব কাজল চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহবায়ক শফিকুল আলম চৌধুরী লিটন, সদস্য সচিব শাহীন পলাশ, জেলা ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক মাসুদুর রশিদ প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন খান’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রাক্তন সভাপতি অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী বলেছেন শিক্ষায় ও সমাজকর্মে আলোকিত মানুষ ছিলেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন খান।

তাঁর হাত ধরে এ চট্টগ্রামে অনেক ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষায় সুশিক্ষিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এই মানুষটির শ্রেণি-সংগ্রাম ও মৌলিক ধারার রাজনীতি করেছেন। অসম্প্রদায়িক চেতনাকে মানুষের জীবনে বাস্তবায়ন করার দীপ্ত শপথে কাজ করে গেছেন মোহাম্মদ হোসেন খান।

২৩ নভেম্বর সোমবার বিকাল ৪টায় নগরীর নিউ মাকের্টস্থ দোস্ত বিল্ডিং এর মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন’র স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো: খোরশেদ আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাসদ নেতা ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী, শ্রমিক নেতা ছিদ্দিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগঠক প্রনবরাজ বড়–য়া, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ।

বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইদ্রিস, লেখক ও সাংবাদিক সৈয়দ দিদার আশরাফী, রণধীর চৌধুরী ভুলন, মুক্তিযোদ্ধা পঙ্কজ দস্তিদার,

মুক্তিযোদ্ধা বিজয় ধর, মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, মুক্তিযোদ্ধা মো: জমির, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলন, মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন দে, রিমন মুহুরী, শিল্পী নারায়ন দাশ, শিল্পী সমীরন পাল, মোশাররফ হোসেন রুনু, এ.কে এম হানিফুল ইসলাম, সি.আর বিধান বড়–য়া, মো: তিতাস, জিএম পারভেজ, সমীর চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, আহমেদ শরীফ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সাহিত্য শিল্পে বিশেষ গবেষণায় অবদান রাখায় অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন খান কে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরষ্কারে ভূষিত করার আহবান জানান|

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেস-এ কার্যনির্বাহী কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত যুবনেতা আবু মনির মো: শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল ভাইয়ের গন-সংবর্ধনা সফল ও স্বার্থক হোক।
বঙ্গবন্ধু’র আদর্শিক রাজনীতির অন্যতম সূতিকাগার চট্টগ্রাম সরকারি সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের শহীদ তবারক চত্বর থেকে বেড়ে উঠা সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা, প্রিয় প্রাঙ্গনের যোগ্য উত্তরসূরি , প্রিয় ভাই সহযোদ্ধা প্রিয় অগ্রজ,

পরিছন্ন যুব রাজনীতির আইকন, চট্টলার কৃতি সন্তান আবু মনির মো: শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেস-এ কার্যনির্বাহী কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দিত এই দুঃসময়ের ত্যাগী সাবেক ছাত্রনেতার বীর চট্টলায় আগমন উপলক্ষ্যে আজ ২২ নভেম্বর রোজ রবিবার দুপুর ১২ টায়
চট্টগ্রাম পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে অনুষ্টিতব্য যুব গন-

সংবর্ধনায় চট্টলার ঐতিহ্যবাহী সরকারী সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সাবেক সহ সম্পাদক শেখ জাফর আহমেদ মুজাহিদ ও সিটি কলেজ ছাত্র সংসদ সাবেক ছাত্র মিলনায়তন সম্পাদক ও মহানগর যুবলীগ নেতা আজমল হোসেন হিরুর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর সাবেক ছাত্র-যুবনেতাদের সাথে নিয়ে মিছিল নিয়ে গন-সংবর্ধনা কে সফল ও স্বার্থক করার জন্য পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে উপস্থিত হন।

মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন— চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী সুজন, মাঈনুদ্দিন হানিফ, শেখ মহিউদ্দিন বাবু,মো: ইউসুফ খান, বশীর আলী, মোর্শেদ আকবর,ডবলমুরিং থানা যুবলীগনেতা জিয়াউল হক ফয়সাল,ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা, হাসান সোহাগ, রাসেল খান, মোঃ শরীফ, মোঃ শামীম আহসান, মোঃ মারুফ হাসান, সঞ্জিত দাশ, মোঃ সুমন, জাহেদুর রহমান জাহেদ, সোহেল, আল আমিন, রিপন গাজী, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ জনি,মোঃ হাসান,

আল আমিন খান শুভ,ইব্রাহিম খলিল বাপ্পি, শাখাওয়াত হোসেন শাওন, সাইফুল ইসলাম হৃদয়,খায়রূল নূর ইসলাম খায়ের, আমির হোসেন বাবু, মো: রিয়াজ, আবুল হোসেন, মোঃ শিপন, মোঃ আলী, জামাল মোঃ বাবু, আব্দুল করিম মারুফ, শাকিল সানি, খুলশী থানা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ, ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা মোঃ ফাহিম উদ্দিন,

আশ্রাফুজ্জামান বাবু, মোঃ আরমান, সাইফুল ইসলাম সুজন, শেখ ফাহিম, মোঃ অনিক,মোঃ ইসমাঈল, তারেক, রাকিব প্রমুখ। প্রমুখ।

২০ নভেম্বর ফিরিঙ্গি বাজারস্হ ফিশারি ঘাট প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ চট্টগ্রাম মহানগর কর্তৃক আয়োজিত বিশাল কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
(সিংক)

চট্টগ্রাম মহানগর মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক আলহাজ্ব আমিনুল হক বাবুল সরকারের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর মৎস্যজীবী লীগের সদস্য সচিব এম এ মোতালেব তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকাল চারটায়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সায়ীদুর রহমান, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের কার্য্যকরী সভাপতি মোঃ সাইফুল আলম মানিক, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব লায়ন শেখ আজগর নস্কর, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক চৌধুরী,সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ন আহবায়ক জাফর আহমদ চৌধুরী সহ আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ মৎস্যজীবী লীগ নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বক্তারা নির্দিষ্ট সময়ে কর্মীদের উপস্থিতি দেখে এবং কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ একটি সুসংগঠিত সংগঠন।
নেতৃবৃন্দরা সবাইকে একসাথে একজোট হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

১ নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এম.এ মন্নান চৌধুরীর বাসভবনে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক মত বিনিময় সভা ২১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।

রেজাউল করিম চৌধুরী সভাস্থলে প্রবেশের সময় ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা মেয়র প্রার্থীর আগমন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দেয়। স্লোগান দেওয়ার এক পর্যায়ে বিদ্রোহী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তৌফিক আহমেদ ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদেরকে অশ্রাব্য ভাষায় গালি গালাজ করে।

তৎক্ষনাত এম. রেজাউল করিম চৌধুরী তৌফিক আহমেদকে চিৎকার করার কারণ জানতে চেয়ে চুপ থাকতে বলেন।

তাঁর একান্ত সচিব মোহাম্মদ ইলিয়াছ তৌফিক আহমেদকে গালি গালাজ করতে নিষেধ করেন।এমন পরিস্থিতিতে সভাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করে।এমনকি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

ক্ষোভ প্রকাশ করে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন “ ঘরের শত্রু বিভীষণ। আমাদের আওয়ামী পরিবারে এমন খুনী, সন্ত্রাসীর উপস্থিতি কাম্য নয়”।

এই বিষয়ে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা রেজাউল ভাইয়ের আগমন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে “ জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দিচ্ছিলাম। এমন সময় তৌফিক ভাই আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে”।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য থাকবে, ধর্ম ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করুন
ধর্ম ব্যবসায়ী, উগ্র সামপ্রদায়িক গোষ্ঠী কর্তৃক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাস্কর্য অপসারণের হুমকির প্রতিবাদে এবং হুমকিদাতাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে অপরাজেয় বাংলা, চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে আজ (২১-১১-২০২০) বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সম্মুখে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,”জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কোন ধরণের হুমকি সহ্য করা হবে না। আজকে জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমস্ত মৌলবাদ ফ্যাসিবাদ ধর্মান্ধ শক্তিকে আমরা বাংলার মাটিতে চির তরে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম এদের কোন জায়গা বাংলাদেশে নাই। আমি আজকে তরুন প্রজন্মকে অহবান জানিয়ে যাব এসব মৌলবাদীদের কোন প্রকার ছাড় না দেওয়ার জন্য।

প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্বে করেন অপরাজেয় বাংলা, চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন আহবায়ক, নগর যুবলীগের সদস্য নুরুল আনোয়ার এবং সঞ্চালনা করেন অপরাজেয় বাংলা, চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনি।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য জামশেদুল আলম চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ হাসান, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, অপরাজেয় বাংলা কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এইচ রহমান মিলু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত তালুকদার,

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ.ন.ম মিনহাজুর রহমান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, টিভি জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও দীপ্ত টিভি বিভাগীয় প্রধান লতিফা আনসারী রুনা, সুচিন্তা চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক জিনাত সোহানা চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য মেজবাহ চৌধুরী মোর্শেদ, হেলাল উদ্দীন, শাখাওয়াত হোসেন স্বপন,

সাবেক সদস্য আসহাব চৌধুরী, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী নোবেল, কাজী রাজেশ ইমরান, ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিল পদপ্রার্থী আবুল হাসনাত বেলাল, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা এমদাদুল হক রায়হান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল,

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমেন বড়ুয়া, উপ-সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগ সভাপতি নুরুন্নবী শাহেদ, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, মহানগর যুবলীগ নেতা জয় শংকর সরকার, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রী ফারজানা আক্তার মিশু।

বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী বিরূপ মন্তব্য করছেন। তারা জানে না, ভাস্কর্য কী জিনিস, আর মূর্তি কী জিনিস। তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। জাতির পিতার এসব ভাস্কর্য দেখে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে জানবে। নতুন প্রজন্ম যখন এসব ভাস্কর্য দেখবে, তখন তারা বঙ্গবন্ধুকে জানবে। কীভাবে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে, বঙ্গবন্ধুকে না জানলে তা জানা যাবে না।

এ ধর্ম ব্যবসায়ীরা আমাদের বাংলাদেশের সৃষ্টি সম্পর্কে জানতে দিতে চায় না। সেজন্য তারা ভাস্কর্যকে মূর্তি হিসেবে উপস্থাপন করে দেশে একটা অরাজকতা তৈরি করতে চায়। তারা জানে না এ ব্যবসা বাংলাদেশে বন্ধ হয়ে গেছে। জঙ্গিবাদের ব্যবসা বাংলাদেশে বন্ধ হয়ে গেছে। হিংসা বিদ্বেষ ও সন্ত্রাসের জায়গা ইসলামে নেই। ইসলাম শান্তির ধর্ম। অতীতেও ধর্মীয় শিক্ষাটাকে বিকৃত করে, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিপথে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

স্বাধীনতাবিরোধী, মৌলবাদীদের আস্ফালন দিন দিন বেড়ে চলেছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারা যে হুমকি দিয়েছে, এটা ভয়ঙ্কর। এটার প্রতিবাদ না করলে অসা¤প্রদায়িক জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব একদিন বিপন্ন হবে। মৌলবাদীরা লালনের ভাস্কর্য ভেঙেছে। তাদের চাপে সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য সরানো হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মূর্তি ভাঙছে তারা। মৌলবাদীদের আর কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবেনা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেতা এস.কে মাহমুদ হিরু, আব্দুর রাজ্জাক, হোসাইন আহমেদ রুবেল, খোরশেদ আলম, সৈয়দ রবি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এহেসান চৌধুরী রিমন, রেজাউল করিম রিটন, শাহাদত সালাম শাওন, হুমায়ুন কবির রানা, তানভীর মেহেদী মাসুদ,

আবদুল্লাহ আল নোমান, এনামুল হক মানিক, মনির ইসলাম, মায়মুন উদ্দিন মামুন, আনোয়ার পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, নোমান চৌধুরী রাকিন, ইসতিয়াক শুভ, শিবলী রহমান।

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর জলঢাকায় কাউন্সিলর মাধ্যমে ছাত্রলীগের
কমিটি নির্বাচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতারা।
অগঠনতান্ত্রীক ভাবে চাঁদাবাজ ও শিবিরি কর্মীকে সভাপতি ও দলিল লেখক সরকারকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি দেয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দাবী করেন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা।

বর্তমান কমিটির সাধারন সম্পাদক পূর্বের নাম পরির্তন করে নতুন নাম দিয়ে কমিটি নিয়ে আসলে খোব ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের। শনিবার দুপুরে জলঢাকা যুবলীগ কার্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সংবাদ সংম্মেলনে নব-গঠিত ফেসবুকের মাধ্যমে দেয়া কমিটিকে বাতিল করে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূনরায় কমিটি দেয়ার দাবী জানান।
এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান সাধারন সম্পাদক শফিকুল গণি স্বপন।

এছাড়াও উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নলনী বিশ্বাস জয়, সহ-সভাপতি একরামুল হক রানা, আহসান হাবীব সাহেদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নুর মোহাম্মদ ও বালাগ্রাম ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান প্রামাণিক সহ ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। ৯ বছর রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দল। ঢাকার পরে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ মহানগর। এই মহানগরের সভাপতি সোলায়মান শেঠ অবাঙালি,

অতীতে কোন প্রকার রাজনীতি করেনি, ছাত্র রাজনীতি করেনি, রাজনীতির সাথে সম্পর্কহীন একজন লোক চট্টগ্রাম মহানগরের মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সভাপতির পদে থাকা লজ্জাজনক, দুঃখজনক, হতাশাজনক।

সামাজিকভাবে নিজেকে রাজনীতিবিদ, দামী মানুষ প্রকাশ করে সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড করে মামলা-মোকদ্দমা থেকে বাঁচার জন্য শুধুমাত্র তার পরিবারের জায়গা-জমি রক্ষা, দখল, ভূমিদস্যুতা করার জন্য জাতীয় পার্টির মত গুরুত্বপূর্ণ একটি দ্বিতীয় বৃহত্তম দলের নাম ব্যবহারে হীন স্বার্থে বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে বিভিন্ন কূট-কৌশলে সভাপতির পদ আখড়ে রেখেছেন।

চট্টগ্রাম মহানগর আওতাধীন কোন থানা কমিটি, ওয়ার্ড কমিটি নাই তার সাথে। কোন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কারো সাথে কথিত সভাপতির রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। সমগ্র জাতীয় পার্টি পরিবার আজ এক এবং ঐক্যবদ্ধ তার বিরুদ্ধে। ফলে সোলায়মান শেঠ দলীয় ভাবে অবরুদ্ধ, একা, অসহায়।

দলীয় নেতাকর্মীর সাথে অরাজনৈতিক অশালীন আচরণ, সমাজ বিরোধী ঘৃণ্য কর্মকান্ড বিশেষ করে মহিলা পার্টির নেত্রীদের কাছে নোংরা প্রস্তাব, কুরুচিপূর্ণ অশালীন চেষ্টার ঘৃণ্যতম চরিত্রের কারণে একে একে সর্বস্তরের নেতাকর্মী সকল অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দরা সোলায়মানের সঙ্গ ত্যাগ করে।

অন্যদিকে পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান ও মহাসচিবসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট তার কুকীর্তির মুখোশ উন্মোচিত হওয়ার কারণে তাকে ধিক্কার দিচ্ছে সবাই। বিগত মাস জুড়ে সোলায়মানের বহিষ্কারের দাবিতে নগরীতে জাতীয় মহিলা পার্টির ঝাড়– মিছিল, যুব সংহতি, জাতীয় ছাত্র সমাজ,

স্বেচ্ছাসেবক পার্টি, শ্রমিক পার্টি পৃথক পৃথক মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ করে শেঠ’র কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে। দাবি উঠেছে- ‘হঠাও সোলায়মান বাঁচাও জাতীয় পার্টি’ ইত্যাদি যা আপনারা সাংবাদিক বন্ধুগণ অবগত। সোলায়মানমুক্ত নগর জাতীয় পার্টি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

তাই পরিবর্তিত বৈরী পরিস্থিতিতে দিশেহারা সোলায়মান শেঠ জাতীয় পার্টি পরিবারের অভিভাবক, নেতাকর্মীদের প্রিয় কর্মীবান্ধব নেতা, জাতীয় পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর জাপার সাবেক দুই বারের সাধারণ সম্পাদক দানবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী তপন চক্রবর্ত্তী’র বিরুদ্ধে লাগাতার অপপ্রচার,

প্রশাসনে মিথ্যা অভিযোগ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক লাইসেন্স বাতিলে প্রশাসন ব্যবহার করে বিবিধ ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে সোলায়মান শেঠ সর্বশেষ গত ৫ নভেম্বর রহস্যজনকভাবে ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ (আদালত) থেকে একটি কাল্পনিক,

অস্তিত্বহীন ভূয়া গ্রেফতারী পরোয়ানা নারী ধর্ষণ মামলার ধারা লিপিবদ্ধ করে উক্ত আদালতের মাননীয় বিচারকের জাল স্বাক্ষর, সীলমোহর দিয়ে একটি ওয়ারেন্ট চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানায় প্রেরণ করেন। গ্রেফতারী পরোয়ানার সংবাদ স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের ফোন করে জনৈক সোলায়মান প্রচার করতে থাকে।

এমতাবস্থায় জাপা নেতা তপন চক্রবর্ত্তী ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতে হাজির হয়ে কথিত মামলা নং- ৯০/৪০-২০২০ কাঠগড়ায় উপস্থিত হলে পরীক্ষা করে দেখা যায় উক্ত মামলার কোথাও তপন চক্রবর্ত্তী’র নাম নেই এবং কথিত মামলাটি একটি যৌতুকের মামলা। উক্ত আদালত কোনো গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করেনি।

এই রহস্যজনক ঘটনা মাননীয় আদালতের নজরে আসলে বিজ্ঞ আদালত হতবাক হয়ে যান। পর্যালোচনা শেষে মাননীয় আদালত অর্ডার সিটের মাধ্যমে বলা হয় তপন চক্রবর্ত্তী নামে আদালত কোনো পরোয়ানা প্রেরণ করেনি, এটি একটি ভয়ংকর জালিয়াতি করে আদালতের সীলমোহর, সাক্ষর করা ভূয়া পরোয়ানা। শুধু তাই নয় সোলায়মান শেঠ তপন চক্রবর্ত্তী’র বিরুদ্ধে নামে বেনামে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করে হয়রানী করছেন একের পর এক।

সেই সাথে প্রশাসনের মূল্যবান সময় নষ্ট ও হয়রানি করছেন। প্রশাসনকে আমরা এই ঘৃণ্য কর্মকাÐের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সোলায়মান শেঠকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দাবি করছি। অন্যথায় ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলে লিখিত বক্তব্যে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়।

আজ ২১ নভেম্বর সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় সদস্য ও যুব সংহতির যুগ্ম সম্পাদক নাছির উদ্দিন ছিদ্দিকী উপরোক্ত কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক পার্টির আহবায়ক ওসমান খান,

নগর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আবছার উদ্দিন রনি, নগর সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি বাবুল আহমদ, নগর কৃষক পার্টির সভাপতি এনামুল হক, নগর যুব সংহতির আহবায়ক নুরুল বশর সুজন, নগর স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহবায়ক জহুরুল ইসলাম রেজা, নগর তরুণ পার্টির আহবায়ক রেজাউল করিম রেজা, নগর শ্রমিক পার্টির সদস্য সচিব হারুন-উর-রশিদ হারুন, নগর জাপার যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল হক আমিন,

স্বেচ্ছাসেবক পার্টি কেন্দ্রীয় সদস্য এম. আজগর আলী, নগর সাংস্কৃতিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বপন, নগর পল্লীবন্ধু পরিষদ আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, নগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পার্টির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন কান্টু, মহিলা পার্টির যুগ্ম আহবায়ক বিলকিস সুলতানা,

সদস্য সচিব শেলী আক্তার, নগর ছাত্রসমাজ আহ্বায়ক সুমন বড়–য়া, সদস্য সচিব আবু হানিফ নোমানসহ নগর জাপার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে এবং আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সদরঘাট থানার যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব জাফর আহমেদ ও মোহাম্মদ আলমগীর উদ্যোগে অসহায় হতদরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

সম্প্রতি করুণা দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি অসহায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কথা চিন্তা করে মৎস্যজীবী লীগ সদরঘাট থানার কমিটি এই শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করে,এসময় তারা প্রায় ৫০০জনকে এই সহায়তা প্রদান করেন।

শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সদরঘাট থানার মৎস্যজীবী লীগ নেতা মোঃ আরমান ,সিনিয়র সদস্য মোঃ রফিক, মোঃ মুছা চৌধুরী ,তারেকুর রহমান শিমুল , মোঃ আরিফ ,মোঃ জাফর ইকবাল সহ আরো অনেকেই।

রিপোর্ট হুমায়ুন কবীর হিরু
চট্টগ্রাম মহানগর