Home রংপুর

0 0

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ

মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়শা বেগম, ঈদ উপহারের প্যাকেট খুশিতে কাদঁলেন। তার ছলছল করে বেড়িয়ে পড়া চোখের পানি মুছতে মুছতে ঈদ উপহার বুকে নিয়ে চলে যায়।
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে মঙ্গলবার জলঢাকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কর্মহীন দুস্তদের মাঝে করোনাকালীন ঈদ শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করেন,

আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ। প্রতিটি প্যাকেটের মধ্যে ছিল, শাড়ি, লুঙ্গি চিনি ও সেমাই। পৌরসভা সহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ২ হাজার ৫ শতজন এই উপহার পায়। এ বিতরণ অনুষ্ঠানে চোখে পড়ে দুস্তদের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদের ঈদ উপহার গুলোর দিকে চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকার দৃশ্য।

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন সৌজন্যে তারা ঈদ উপহার সামগ্রী পাবে, সে আশায় চেয়ে থাকা।
কথা হয়, মায়ের সাথে আসা আয়শা বেগমের পরিবারের মন্নুজার সাথে। পৌরশহরে তাদের ছিল রিক্সা/ভ্যান ও বাইসাইকেলের বড় ব্যবসা। তত্বাবধায়ক সরকার আমলে সেটি ভেঙ্গে দেওয়ার পর অর্থনীতিক এবং মানুষিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আর দ্বার হতে পারেনি তারা।

উপহার পেয়ে চোখে পানি কেন জানতে চাইলে সে জানায়, বাবা – মা দুজনেই মানুষিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে।
এখন খুবেই কষ্টে চলছে সংসার।বাবা – মাকে কাপড় কিনে দিবো তার কোনও উপায় নেই। ঠিক এর একটু ব্যতিক্রম করে বিভিন্ন পাড়া মহল্লা থেকে আসা নুরবানু, মেহেন্নাজ, কালটি, সামিয়ন, তহিমা মহিতন, পরিনা, আব্বাস ও মতিয়ার রহমানকে সাথে নিয়ে হান্নান টিটু বলেন, তুরিন আপার নাম শুনেছি, কিন্তু কোনদিন তাকে দেখিনি।

ভাগ্যে আজ যখন কাছাকাছি হইলাম, তখন উনি আমাকে ঈদের শুভেচ্ছার সাথে উপহারও দিলেন। তার এই উপহার পেয়ে আনন্দে বুকটা ভরে গেল। আপাকে দেওয়ার মতো আমাদের কিছু নেই। তবে দোয়া করি, আপা সুস্থ্য থাক, এই অঞ্চলের মানুষের সেবার জন্য।

টানা চারদিন ধরে চলমান বিতরণ কার্যক্রমে শেষ মঙ্গলবারেও বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্নয়ক এনামুল হক, শিক্ষক সংঘের সভাপতি অনিল চন্দ্র রায়,

সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান, সনাতন সম্প্রীতি সংঘের সভাপতি রঞ্জিৎ কুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক ছপিয়ার রহমান, শিক্ষক নেতা স্বাধীন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের তৈয়ব বিল্লা, শাহিন, টিটু ও আলমগীর প্রমুখ।

0 0

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিতু আক্তার। যিনি দেশের সর্ব কনিষ্ঠ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। দুই বছর আগে দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক ভোটে।

দেবীগঞ্জের জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে সদ্য পড়াশোনা শেষ করা এক তরুণীকে ভোট দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করছেন রিতু আক্তার।

করোনা মহামারীর এই কঠিন সময়ে বিভিন্ন উপহার-সামগ্রী ও ত্রাণ নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন দশ ইউনিয়নে। জানা গেছে, গরীব মেহনতি মানুষের এক অকৃত্রিম বন্ধুতে পরিণত হয়েছেন রিতু আক্তার। অসহায় মানুষের প্রতি ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধের কারণে চেয়ারম্যান থেকে রিতু হয়েছেন মেয়ে। দিনরাত যখনই সাধারণ মানুষ বিপদে পড়ছেন সেখানেই ছুটে যাচ্ছেন রিতু আক্তার।

এলাকাবাসীরা জানান, ‘মাইটাক ভোট দিয়া হামরা ভুল করি নাই। যেলায় ডাকাছি দৌড়ি আইসেছে। ঘরের ছাওয়ার মতো হামারলার বগলোত থাকে সবসময়। উপজেলা পরিষদ অফিসোত গেলেও ভালো ব্যবহার করে। পাইসা ছাড়ায় তামান কাম করা যায়। এমন চেয়ারম্যানই বারবার দরকার। আল্লাহ ছাওয়াটার ভালো করুক।’

জানা গেছে, করোনার শুরুতেই বিভিন্ন সরকারি ত্রাণ নায্যতার ভিত্তিতে গরীব-অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন। কখনো কেউ বাদ পড়লে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ত্রাণ সমাগ্রী দেয়ার কথা শোনা গেছে। এছাড়াও তার রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হয়েছে হাসপাতাল পরিদর্শন। প্রতিদিন হাসপাতালে গিয়ে সেখানে থাকা অসুস্থদের খোঁজ-খবর নেন। ডাক্তার-নার্সদের চিকিৎসার তাগিদ দেন। এছাড়াও রাত-বিরাতে কেউ অসুস্থ বা বিপদে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ছুটে যান। অসহায় কোনো নারী বা মহিলা নিপীড়ণের শিকার হলে তাদের আইনি সহায়তা ও দিক-নির্দেশনাও দেন।

করোনাকালিন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে ফ্রি মাস্ক বিতরণ এবং জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারেও উৎসাহিত করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিতু আক্তার। দেশে করোনার প্রকোপের শুরু থেকেই একাধিকবার বাজার, হাসপাতাল এবং উপজেলার বিভিন্ন হাটে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন উঠান ও খুলি বৈঠকে গ্রামীণ জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে বিভিন্ন পরামর্শ দিতে দেখা গেছে রিতু আক্তারকে।

এ ব্যাপারে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিতু আক্তার বলেন, আমি রাজনীতি করি জনগণের কল্যাণের জন্য। মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে ভোট দিয়েছে। আমি নিজের সবটুকু উজাড় করে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ণের মহাসড়কে বাংলাদেশকে উঠিয়েছেন, সেখানে মাঠ পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার একজন কর্মী হিসেবে সবসময় জনগণের পাশে আছি।

0 0

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ইফতারি বিতরণের আগেই ইফতারি উধাও হওয়ার ঘটনায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হলে এনিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এঘটনাটি ঘটেছে সোমবার শেষ বিকেলে পৌরসভার কলেজ মোড়ের একটি মিল চাতালে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা ও পৌর জাতীয় পার্টি সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিলের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথ তার গঠনমূলক বক্তব্য শেষ করে অংশগ্রহণকারী সকলকে ইফতারি খাওয়ার আহবান জানিয়ে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে বসে থেকেও সভাস্থলে ইফতারি না পৌছায় এটিকে কেন্দ্র করে চেয়ার ছুড়াছুঁড়ি উত্তেজনার একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রুপ নেয় নেতাকর্মীদের মাঝে।

এদিকে ইফতারির সময় পেরিয়ে গেলেও ইফতারি জোটেনি কারও ভাগ্যে। ফলে নিরাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে ইফতার পার্টতে অংশগ্রহণকারীদের।

এবিষয়ে আয়োজনকারীদের সাথে কথা হলে একে অপরের দোষ দিয়ে চলে যান নেতারা।

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় হরিশ্চন্দ্রপাঠ বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক সমাবেশে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় ঘটনার সাথে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হল হরিশ্চন্দ্রপাঠ সুরিপাড়া এলাকার কাল্টু মামুদের ছেলে আনিছুর রহমান (৩৫) ও একই এলাকার ঝড়– মামুদের ছেলে লোকমান হোসেন (৫০)। সোমবার দুপুরে উপজেলার হরিশ্চন্দ্রপাঠ বহুমূখী স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর হামলার প্রতিবাদে ওইদিন বিকালে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে উপজেলা আ’লীগের কয়েকটি অংগসংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, হরিশ্চন্দ্রপাঠ বহুমূখী স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অব:) রানা মোহাম্মদ সোহেল। এছাড়াও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তারুজ্জামান,

ওসি মোস্তাফিজুর রহমান, পৌরমেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু, আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল, জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব অধ্যাপক মমিনুল ইসলাম মঞ্জু,

খুটামারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ শামীম, যুবলীগ আহবায়ক সারোয়ার হোসেন ছাদের প্রমূখ। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের মনোনীত সভাপতি নির্বাচিত ব্যক্তিকে ঘিরে স্থানীয়রা বিরোধিতা করলে একপর্যায় তা সংঘর্ষে রুপ নেয়। এসময় আকস্মিকভাবে উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর হামলা চালায় দুবৃত্তরা।

এতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর গুরুতর আহত হন। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত কমিটি না থাকায় তা নিরসনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে নিস্পত্তি হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সহযোগিতা না করায় এবং তার পরিকল্পনা অনুযায়ী আমার উপর পরিকল্পিত ভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অব:) রানা মোহাম্মদ সোহেল বলেন, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের স্বার্থে বিধি মোতাবেক যা করনীয় ওই প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আমি তাই করেছি। তিনি আরও বলেন,

এ ঘটনায় কোন স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্দন থাকতে পারে। জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হরিশ্চন্দ্রপাঠ বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

0 0

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ
যুদ্ধাপরাধ ট্রাবুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজকে সম্প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা মনোনীত করায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,

শেখ রেহানা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে অভিনন্দন জানিয়ে সোমবার জলঢাকায় মিষ্টি বিতরণ করছে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন।

এসময় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্নয়ক যুবলীগ নেতা এনামুল হক বলেন,
বঙ্গবন্ধুর কন্যা ত্যাগী ও পরিশ্রমীদের কখনো দুরে সরে রাখেননি।

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে এমন সম্মান দেওয়া মানে জলঢাকাবাসি সম্মানীত হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সায়ীদুর রহমান সাইদ, সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর লস্কর ও কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম মানিক সহ সকল নেতাকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

0 0

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় জনকল্যাণমুলক কর্মকাণ্ডে এক দরদী মনের সাহসী ভুমিকার প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন।
পা পা করে হেটে হেটে আজ এগিয়ে গেছে অনেক দুর। প্রায় নিত্যদিনই চলছে
এ অঞ্চলের অসহায় নিরীহ মানুষদের জীবন মান উন্নয়নে নানান সহযোগীতার কাজ। স্বাস্থ্য চিকিৎসা, মাদ্রাসা শিক্ষা, দর্জি প্রশিক্ষণ, দুস্ত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সহায়তা প্রদান ও ত্রাণসহ বিভিন্নভাবে করছেন আইনি সহায়তা।
এতেই শেষ নয়, ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পালন করা হয় প্রতিটি জাতীয় দিবস।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজের নিজ অর্থায়ন চলে এ সকল কার্যক্রম।
এরই ধারাবাহিকতা গতকাল উপজেলার কৈমারী ব্রাহ্মন পাড়ার হতদরিদ্র অমল চন্দ্র রায়ের ৬বছরের শিশু কুমারিশ চন্দ্র রায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন ফাউন্ডেশন। এর কিছুদিন আগে উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের ৮ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী শিশু

আকাশ। তার বাবা একজন হতদরিদ্র শ্রী গোপাল রাম। জুতো সেলাই (মুচি) করে সংসার চালায়। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ওই আকাশের চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্নয়ক এনামুল হক।

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নীলফামারীর জলঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে যুবদলের পদবঞ্চিত ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
গত রোববার বিকেলে পৌরশহরের পেট্রোল পাম্প এলাকায় এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জলঢাকা উপজেলা যুবদলের পক্ষে প্রভাষক এস আর শফিক সাদিক ও পৌর যুবদলের পক্ষে শফিকুল ইসলাম নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে জলঢাকায় গত ৩০ জানুয়ারির পৌরসভার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর ধানের শীষ প্রতীকের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়াসহ নানান অভিযোগ তুলে ধরে বলেন,

আমরা দলীয় নির্দেশনা মেনে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সকল আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ময়দানে থেকে জলঢাকা পৌরসভার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি।আজ যারা এখানে ধানের শীষ প্রতীকের পরাজয়ের জন্য স্বরযন্ত্রে লিপ্তছিল,

অর্থের বিনিময়ে ১৬ মার্চ /২১ তারিখ যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা ও পৌর যুবদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

এই কমিটি ঘোষনা করায় ত্যাগী নেতাকর্মীের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে উপজেলা ও পৌর যুবদলের কমিটি বাতিল করে সম্মেলনের মাধ্যমে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মুল্যায়ন করে নতুন কমিটি ঘোষনার দাবি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, মুশফিকুর রহমান মিজু, রউফুল ইসলাম, গোলাম রব্বানী ও সাইয়াঙ্গীর প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি/ সম্পাদক বরাবরে দপ্তর সম্পাদকের কাছে কমিটি বাতিলের দাবিতে স্বারকলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেদেশব্যাপী সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা থাকা সত্বেও সরকারী এ নির্দেশনার কোন তোয়াক্কা না করেই নীলফামারীর জলঢাকায় চালিয়ে যাচ্ছিল কিছু কোচিং সেন্টার।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার অভিযান চালায় প্রশাসন।

করোনাকালীন সরকারি আদেশ অমান্য করায় কলেজ পাড়ার ২টি কোচিং সেন্টারে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ২টি মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) সিফাত মোঃ ইশতিয়াক ভুঁইয়া।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারী আইন অমান্য করায় এই জড়িমানা করা হয়।

0 0

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা নরেশ চন্দ্র রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন।
রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন।
ভারতীয় তালিকাভুক্ত বাংলাদেশী এই বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেশ চন্দ্র রায় (৭০)। তার বাড়ী উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের চিড়াভিজা গোলনায়। নরেশের বাবার নাম মৃত পূর্ণ চন্দ্র। মুক্তিযোদ্ধা নরেশ গত ২১ মার্চ হৃৎপিন্ড এবং ফুসফুসের সমস্যাজনিত কারণে ভর্তি হন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
মুক্তিযোদ্ধা নরেশ চন্দ্রের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ীতে নিয়ে গেলে এলাকাজুড়ে
নেমে আসে শোকের ছায়া।
এদিকে ভারতীয় তালিকায় নাম থাকায় তার শেষকৃত্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসানের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়।
তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে, ১ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

0 0

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় গণপরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও মাস্ক না পড়ার অপরাধে তিনদিনে ৭৫ জনকে ১৬ হাজার ৯শত টাকা জড়িমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার ৩দিনে পৌরশহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এই জরিমানা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) সিফাত মোঃ ইশতিয়াক ভুঁইয়া।
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আবারও মহামারী আকার ধারণ করায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে শক্ত অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।
এরই ধারাবাহিকতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
এসময় দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মাস্ক পড়িয়ে দেন তিনি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত মোঃ ইশতিয়াক ভুঁইয়া বলেন, মুখে মাস্ক না পড়ার অপরাধে ৩দিনে ৩৪টি মামলায় ৭৫ জনের এই জড়িমানা করা হয়।
এছাড়াও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে গণপরিবহনে অর্ধেকের চেয়ে বেশি
যাত্রীবহন করার অপরাধে কয়েকজন চালককেও এ জরিমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।