Home রংপুর

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন :আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর জলঢাকায় ফোর লেন সড়কের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ঘাটের পাড় নামক এলাকার জলঢাকা – ডালিয়া সড়কের দু’ধারে গোলমুন্ডা সোস্যাল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ মানববন্ধন পালিত হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন, গোলমুন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হোসাঈন, জাতীয় শ্রমিক লীগ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও অধিকার সচেতন নাগরিকের উপজেলা আহবায়ক শাহিনুর রহমান, সদস্য সচিব শিক্ষক নাহিদ পারভেজ পাবেল, গোলমুন্ডা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ
সভাপতি এবিএম নুরুজ্জামান আবু, গোলমুন্ডা সোস্যাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রউফুল ইসলাম, সভাপতি চঞ্চল পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান এনামুল, সাবেক ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল বারী রুবেল, অধিকার নাগরিক সদস্য ওমর ফারুক ও আনিস সাবেত প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রংপুর – পাগলাপীর থেকে জলঢাকার উপর দিয়ে ডালিয়া হয়ে পাটগ্রাম বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রস্তাবিত ফোর লেন সড়ক বাস্তবায়ন চাই, এটা আমাদের যৌক্তিক দাবি, যেহেতু এই সড়কের পাশের জমি অধিকরণ করা সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়াও রংপুর – লালমনিরহাট হয়ে বুড়িমারি স্থলবন্দর ১৩৫ কিঃমিঃ আর রংপুর থেকে জলঢাকা – ডালিয়া হয়ে বুড়িমারি হয় ৯০ কিঃমিঃ সেদিক বিবেচনা করে প্রস্তাবিত ফোর লেনের এ সড়কটি জলঢাকার উপর দিয়ে গেলে কমে আসবে ৪৫ কিঃমিঃ আর এতে সরকারের বেচেঁ যাবে কয়েকশ কোটি টাকা। যা দিয়ে অন্যান্য উন্নয়নে কাজে লাগবে।

রংপুর-বুড়িমারী চলাচলের ক্ষেত্রে পাগলাপীর থেকে জলঢাকা-ডালিয়া হয়ে বুড়িমারী এ রাস্তাটি খুবেই সোজা ও সহজ এবং দুরত্ব কম হওয়ায় এটি বহুযুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এটা সবার জানা।

উন্নয়নের সারথী উন্নয়নের অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্বের পরিবর্তনে আজকে একটি মর্যাদা সম্পন্ন জাতিতে পরিণত করেছেন।
তিনি উন্নয়নের অভিযাত্রায় করোনাকালিন এই মহামারি পর্যায়েও দেশ এবং দেশের মানুষকে রক্ষার জন্য,
করোনা জয় করার জন্য,

আমাদের সার্বিক উন্নতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আশা করি তিনি আমাদের এই প্রত্যাশা পূরনে অংশিদার হয়ে থাকবেন।
পরে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ নিয়ে গোলমুন্ডা বাজারে গিয়ে শেষ করা হয়েছে।

সি টি জি ট্রিবিউন:আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ১৫ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৩৩ টাকা উদ্বৃত্ত রেখে প্রায় ২১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে জলঢাকা পৌরসভা। মঙ্গলবার দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে এই বাজেট পেশ করেন পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট ।

২০২০-২১ইং অর্থবছরের জন্য পৌরসভাটিতে বাজেট ধরা হয়েছে ২০ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আয় রাখা হয়েছে ২ কোটি ৯৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। পৌরসভাটি থেকে মোট উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা।

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প রাখা হয়েছে এ বাজেটে। এছাড়াও বাজেটে ˆবশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস ও ডেঙ্গুমশা সংক্রমণ রোধকল্পে এ বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে পৌর সুপারমার্কেট নির্মাণের মত মেগা প্রকল্প।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সচিব আশরাফুজ্জামান, প্রকৌশলী জোবাইদুল হক, হিসাব রক্ষক আওলাদ হোসেন, কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ রায়, রহমত আলী, রুহুল আমিন, জিয়াউর রহমান জিয়া, মহসিন আলী, ফজলুর রহমান,

সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যসহ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকবৃন্দ।

0 15

সি টি জি ট্রিবিউন আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃবিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পরা প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস শুরু থেকে জলঢাকা পৌরশহর সহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে নানান সচেতনতার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলছেন নীলফামারীর জলঢাকা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।
স্বজনদের ফেলে যাওয়া লাশ দাফনের দায়িত্বও নিয়েছিলেন তিনি।

ঘটনাটি ছিল ৯ জুন, জলঢাকা উপজেলার উত্তর দেশীবাই বসুনিয়া পাড়ার শরিফুল ইসলামের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (২৫) করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেলে তার দাফনে অস্বীকৃতি জানিয়ে রংপুর হাসপাতাল থেকে মাইক্রো করে নিয়ে এসে জলঢাকার বঙ্গবন্ধু চত্বরে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী শরিফুল সহ অন্যান্য স্বাজনেরা।

খবর পেয়ে তিনি ছুটে যান সেখানে এবং মৃতদেহ দাফনের বিষয় মৃত মনোয়ারা বেগমের স্বামী ও পিতার পরিবারে যোগাযোগ করা হলে তারা লাশ দাফন করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দুইজন ইমাম দ্বারা মনোয়ারা’র মৃতদেহ পৌরসভার কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ধর্মীয় বিধান অনুসারে দাফন সম্পন্ন করেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে চতুর্ভুজ আকৃতি চিহৃ দেয়া হয়েছে যাতে করে ক্রেতারা এটিতে অবস্থান করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পারেন।

শুধু এটাই নয়, তিনি করোনার এই সংকটময় দিনে পত্রিকা হকার সহ অসহায় দুস্থদের খুজেঁ খুজেঁ তাদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী। এছাড়াও জাতীয় সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে খাদ্য সহায়তা চেয়ে ফোন করা ব্যক্তিদের পরিচয় গোপন রেখে খাদ্য পৌঁছে দেয়া, হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা এবং পর্যবেক্ষণে রাখা,

প্রয়োজন অনুসারে কোয়ারেন্টিনে থাকা পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো, করোনা আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর রাখা ও তাদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ, করোনায় এবং উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিদের দাফন কার্য সম্পন্ন অব্যাহত রেখেছেন জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায়।

চরম ঝুঁকির মধ্যেও পুলিশের প্রত্যেক সদস্যদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এমনকি সকল প্রকার ছুটি বাতিল করে মানবিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন তারা।
নীতি আদর্শের কাছে হার মানতে রাজি নন ওই ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি গত ৩০/০৩/২০১৯ তারিখে জলঢাকা থানায় যোগদানের পর থেকেই থানায় দালাল মুক্ত ঘোষণা দিয়ে বিভিন্ন পাড়ায় মহল্লায় অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেন চুরি, জুয়া ও মাদকের ব্যবসা। এমন অপরাধীদের সাথে যেন কোন আপোষ নেই তার। তবে কোনও নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেদিক খেয়াল রেখে পারিবারিক ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ঝগড়া বিবাদের অভিযোগ গুলো তিনি থানার গোল ঘরে বসে বেশিরভাগই নিষ্পত্তি করে দেন। যার ফলে এই থানায় মামলার সংখ্যা অনেকটাই কম।

থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানকে নম্রভদ্র ও অত্যন্ত মানবিক একজন মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে জলঢাকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর জানান, তিনি জলঢাকায় আসার পর থেকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ফলে এই থানায় অনেকটাই পরিবর্তন ঘটেছে।

করোনাকালীন সময়ে পুলিশকে মানুষের পাশে থাকার বিষয়টি দেখেছি। মানবিক নানান কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন তারা। মানুষ থানা প্রশাসনের কাছে কাঙ্খিত যে সেবা পাওয়ার কথা সেটা পাচ্ছে বলে আমি মনে করি এবং এখন পর্যন্ত কোন নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হয়েছে বলে আমার মনে হয় না।

থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান,

সেবাই পুলিশের ধর্ম, সেই আলোকে কাজ করে যাচ্ছি। পুলিশের সেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি।

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার লক্ষে বর্তমান সরকারের ঘোষিত দুর্নীতি মুক্ত সমাজ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ।

0 87

সি টি জি ট্রিবিউন আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ
রংপুর – পাগলাপীর থেকে জলঢাকার উপর দিয়ে ডালিয়া হয়ে পাটগ্রাম বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রস্তাবিত ফোর লেন সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে নীলফামারীর জলঢাকায় মানববন্ধন করেছে অধিকার সচেতন নাগরিক।
শনিবার দুপুরে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু চত্বরে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী – ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, পৌরসভার সাবেক মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু, জাতীয় শ্রমিক লীগের জলঢাকা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও অধিকার সচেতন নাগরিকের আহবায়ক শাহিনুর রহমান

, আ.লীগ নেতা একে আজাদ, পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সফিকুল গনী পলাশ এবং
লাভলু রশীদ, শিক্ষক ও অধিকার সচেতন নাগরিকের সদস্য সচিব নাহিদ পারভেজ পাবেল, পৌর কাউন্সিলর ফজলুল ও। সচেতন যুবক ওমর ফারুক প্রমুখ।
সাবেক এমপি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বলেছেন,
আমি নির্বাচিত হওয়ার পর এই সড়কটি পার্লামেন্টে তুলে ধরেছিলাম সেটা আপনারা জানেন।

এখন কোনদিক হয়ে যাবে ফোর লেন সড়ক ?
লালমনিরহাট নাকি জলঢাকা ডালিয়া হয়ে ?
রংপুর – লালমনিরহাট হয়ে বুড়িমারি স্থলবন্দর ১৩৫ কিঃমিঃ আর রংপুর থেকে জলঢাকা – ডালিয়া হয়ে বুড়িমারি হয় ৯০ কিঃমিঃ সেদিক বিবেচনা করে প্রস্তাবিত ফোর লেনের এ সড়কটি জলঢাকার উপর দিয়ে গেলে কমে আসবে ৪৫ কিঃমিঃ আর এতে সরকারের বেচেঁ যাবে কয়েকশ কোটি টাকা। যা অন্যান্য উন্নয়নে কাজে লাগবে।

তিনি আরো বলেছেন, রংপুর-বুড়িমারী চলাচলের ক্ষেত্রে পাগলাপীর থেকে জলঢাকা-ডালিয়া হয়ে বুড়িমারী রাস্তাটি খুবেই সোজা ও সহজ এবং দুরত্ব কম হওয়ায় এটি বহুযুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এটা সবার জানা।
শুধু বুড়িমারীই নয়, পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জের মানুষকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে, “আপনি লালমনি হয়ে কবে রংপুরে গিয়েছিলেন?”

আমাদের বিশ্বাস, শতভাগ লোক উত্তরে বলবে
শেষ কবে গিয়েছি জানা নেই।আজকের এই আন্দোলন ন্যায়সংগত বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাস্ট্র ক্ষমতায় রয়েছেন, উন্নয়নের সারথী উন্নয়নের অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্বের পরিবর্তনে আজকে একটি মর্যাদা সম্পন্ন জাতিতে পরিণত করেছেন। তিনি উন্নয়নের অভিযাত্রায় করোনাকালিন এই মহামারি পর্যায়েও দেশ এবং দেশের মানুষকে রক্ষার জন্য, করোনা জয় করার জন্য, আমাদের সার্বিক উন্নতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আশা করি তিনি আমাদের এই প্রত্যাশা পূরনে অংশিদার হয়ে থাকবেন।অন্যান্য বক্তারা বলেন, চারলেনের প্রশ্নে হঠাৎ কোথা থেকে কে বা কাহারা এটাকে লালমনি দিয়ে দুনিয়া ঘুরে নিয়ে যাওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন সেটা বোধগম্য নয়।
আর কেনইবা নিয়ে যেতে চান সেটা আর কারো বোঝার বাকী নেই। একটি সড়ক, একটি জনপদের সম্পদ,
সেটাকে কতিপয় সুবিধাবাদী,

স্বার্থান্বেষী মহলের চরিতার্থে ব্যবহার করা হলে সেটা হবে জাতির জন্য লজ্জাজনক। রংপুর থেকে জলঢাকা ও ডালিয়া হয়ে বুড়িমারী সড়কটি ইতমধ্যেই ফোর লেনের জন্য প্রস্তাবিত আছে।

তাই এটি দ্রুত বাস্তবায়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বৃহৎস্বার্থে দাবি তুলে ধরেন জলঢাকাবাসি।

কুড়িগ্রামে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ধরলা নদী ও ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ১৬টি নদ-নদীর মধ্যবর্তী ৪২০টি চরের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বিভাগ জানায়, ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৩৩ সেন্টিমিটার ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে।

আজ শনিবার সকালে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২৩ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার, ধরলা নদীর পানি ২৬ দশমিক ৮৭ মিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার এবং দুধকুমার নদের পানি ২৬ দশমিক ৫০ মিটার বেড়ে বিপদসীমা ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে চরাঞ্চলগুলোয় পানি উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সহস্রাধিক বাড়িতে পানি উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের ইন্দ্রগড়, ধনিরামপুর, শৌলমারী, জালির চর, কাইয়ের চর; বল্লভের খাস ইউনিয়নের ইসলামের চর, চর কৃষ্ণপুর, কামারের চর; নারায়ণপুর ইউনিয়নের বেশির ভাগ নিচু চরাঞ্চল; নুনখাওয়া ইউনিয়নসহ সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এ ছাড়া ভূরুঙ্গামারী, চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুর ও উলিপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার চলতি মৌসুমের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্ষতির কবলে পড়েছে পাট, ভুট্টাসহ বিভিন্ন সবজি।

কৃষি বিভাগ জানায়, জেলায় ৩৭ হেক্টরের আউশ, ৯৩ হেক্টর তিল এবং ৬ হেক্টরের মরিচ পানিতে ডুবে গেছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বলেন, ‘আমার এলাকায় ছয়টি ওয়ার্ড নদ-নদীর মধ্যবর্তী স্থানে। ১ হাজার ৫০০ পরিবার পানিবন্দী। দুই শতাধিক বাড়িতে পানি উঠেছে।’

এদিকে, জেলায় সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী

সি টি জি ট্রিবিউন স্টাফ রিপোর্টারঃসারাদেশে চলমান প্রাথমিক শিক্ষক সংকট নিরসনে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা প্যানেল প্রত্যাশীরা।
তারা জানান, ২০১৮ সালে দীর্ঘ ছয় বছরের একমাত্র সার্কুলারে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২৪ লাখেরও বেশি। আর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় মাত্র ৫৫ হাজার। যা মোট প্রার্থীর ২.৩ শতাংশ। চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয় ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে। বাকি ৩৭ হাজার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হননি।

চূড়ান্ত মনোনীতদের মধ্যে অনেকেরই অন্য চাকরি হয়ে যাওয়ায় যোগদান করেনি। অনেকে আবার ৩৮ তম বিসিএস ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন রেজাল্টের অপেক্ষায় আছেন। এ ছাড়া মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা ভেঙে পড়েছে।

তাই করোনা পরবর্তী এ সংকট কাটিয়ে উঠতে প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। মুজিববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ঘরে ঘরে একজন করে সরকারি চাকরি প্রদান ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা প্রণোদনা হিসেবে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল শিক্ষকদের দাবি এখন সর্বমহলে আলোচিত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সারাদেশে ২৮ হাজার ৮৩২টি সহকারি শিক্ষকের শূন্য পদ ছিল। বর্তমানে সে সংখ্যা ৬০ হাজারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষকের এই চরম সংকট নিরসনে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন জলঢাকা উপরজেলার প্যানেল প্রত্যাশীরা।

সহকারী শিক্ষক ২০১৮ প্যানেলে নিয়োগ দিয়ে নিয়োগ প্রত্যাশীদের বেকার সমস্যা দূর করার আহ্বান জানান জলঢাকা উপজেলার প্যানেল বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, নীলফামারী জেলার ৬টি উপজেলায় ৮২৭ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও চুড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্ত হন মাত্র এক-তৃতীয়াংশ প্রার্থী।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষার মহাপরিচালক মহোদয়ের বক্তব্য অনুযায়ী প্রাথমিকের মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য নেই, উপস্থিত হলেই ১৪/১৫ মার্কস। তাই আমরা যারা প্যানেল প্রত্যাশী সকলেই চাকরি পাওয়ার যোগ্য দাবীদার।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহাসংকট কালে চলমান শিক্ষক সংকট দূরীকরণে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান একটি দীর্ঘ মেয়াদী সময় সাপেক্ষ ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।

তাই নিয়োগ বঞ্চিত এসকল মেধাবীদের প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ দিলে একদিকে যেমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দূর হবে তেমনি নিয়োগ বঞ্চিত এসকল মেধাবীরা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।

0 37

সি টি জি ট্রিবিউন স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর জলঢাকায় জমি সংক্রান্ত ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় এক শিশু সহ ৫ জন আহত হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকেলে উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুগিপাড়ায়।

আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে করোনার কারণে ভর্তি না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।
ওই এলাকার মৃত ছকির উদ্দীনের ছেলে তছলিম উদ্দীন জানায়, তার জমির পুকুর জবর দখলের চেষ্টা করে প্রতিবেশী মৃত আব্দুল মাহমুদের ছেলে হাবিবর রহমান (৫১) সহ তার সহযোগিরা।

ঘটনার দিন বিকেলে প্রতিপক্ষরা জোরপূর্বক জবর দখলের উদ্দেশ্য জমিতে গেলে সেটাকে বাধা নিষেধ করায় তা সংঘর্ষে রুপ নেয়। এতে তছলিম উদ্দিন (৪৫) সহ তার পক্ষের আরও ৪ জন আহত হয়।অন্য আহতরা হলেন, তছলিমের স্ত্রী আতোয়ারা বেগম (৩০), ছেলে আব্দুর রহমান (৭),ভাতিজা আতাউর রহমান ও মরিয়ম বেগম প্রমূখ।

এ রিপোর্টার লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

0 124

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে থাকা তিনজন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) বিকেলে তাঁদের ছাড়পত্র দিয়ে ফুলের শুভেচ্ছা জানান হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ।

সুস্থ হওয়া ওই তিনজন হলেন,
উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়ন তিলাই এলাকার মৃত জমদ্দিনের ছেলে শাহাবুল ইসলাম ও তার স্ত্রী খাইরুন বেগম এবং
খুটামারা ইউনিয়নের কুটিপাড়ার মৃত নিজামুদ্দিনের ছেলে ওসমান গনি। এদের বয়স ৫০ উর্ধে।
ভালো হয়ে যাওয়া রোগীরা হাসপাতাল ছাড়ার সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।
বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে নার্স ও চিকিৎসকদের সেবায় আমরা মুগ্ধ।
দেশের অন্যান্য হাসপাতালে নার্স ও চিকিৎসকদের নিয়ে নানান কথা শোনা গেলেও এখানকার নার্সরা অত্যন্ত বিনয়ী,
সেই সঙ্গে চিকিৎসকরাও।
বিদায়ের মুহূর্তে তাদের ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান,রেজওয়নুল কবীর, আরএমও ডাঃ মেসবাহুর রহমান মেসবাহ, মেডিকেল অফিসার ডাঃ আরিফ হাসনাত,ডাঃ শরিফুজ্জামান তুহিন,সিএইচসিপি নিরঞ্জন রায়,নার্সিং অফিসার সুমন ইসলাম প্রমূখ।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জলঢাকা উপজেলায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৫৭ জন।

এদের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৩ জন করোনা রোগী ভর্তি আছে এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে ১ জন। নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছে ৩৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭ জন এবং মারা গেছেন ২ জন।

এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়নুল কবীর বলেন,সামাজিক সচেতনতা ছাড়া এ ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব না। ভাইরাসটি চতুর্দিকে ছড়িয়ে গেছে।
এখন আমাদের সকলকে নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাফেরা করা ছাড়া কোন উপায় নাই।

0 55

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর জলঢাকায় ২০১৯-২০ইং অর্থ বছরের এডিপির বরাদ্দ হতে ৯৭ জন কৃষকের মাঝে স্প্রে মেশিন বিতরন করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার খুটামারা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এসব স্প্রে মেশিন বিতরন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান, ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সাঈদ শামীম, ইউপি সচিব গোলজার রহমান সুজন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আফজালুল হক আপন প্রমুখ।

উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, আসন্ন আমন মৌসুমে কৃষকদের সবধরনের সহযোগীতা করতে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের প্রতি আহবান জানান। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন।

খুটামারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ শামীম বলেন,
ওই ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের কৃষকদের চাষাবাদে সুবিধা দিতে এডিপির বরাদ্দ হতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৯৭টি স্প্রে মেশিন বিতরন করা হ

0 109

সি টি জি ট্রিবিউন: আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃত্রাণ কোনও ভিক্ষা নয়, এটি অসহায় দুস্থদের অধিকার। দেশে কোন প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে কর্মহীন হয়ে পরে খেটে খাওয়া মানুষ। আর তাদের খোঁজখবর নিয়ে সহায়তা করাটাও দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বিত্তবানদের।

সারা বিশ্বব্যাপী আঘাত হানা প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশেও মহামারিতে পরিনত হওয়ায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি এনজিও সংস্থা সহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর দাতারা করোনা সংক্রমণ রোধে নানান সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি কর্মহীন দুস্থ পরিবারদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বটতলী ও বানপাড়ায় অসহায় দরিদ্র ১২০ পরিবারের বাড়ী বাড়ী ছুটে গিয়ে গ্রেস এন্ড ট্রুথ চার্চের উদ্যোগে প্রত্যেক পরিবারের মাঝ ৫কেজি চাল, ১কেজি আটা, হাব কেজি লবণ এবং হাব লিটার করে সয়াবিন তেল বিতরণ করেন পাস্টর মোশারফ।

ত্রাণ পাওয়া নন্দী বালা জানায়, আজ হামার কোনও খরচ নাই, বাবার ভাল হইবে ম্যালা খরচ দিছে। জমদ্দি মামুদ বলেন, ভাইরাস আসি হামার কাম শ্যাষ!

কাজ কামাই সব বন্ধ হইছে, আল্লাহ্ তোমার ভাল করবে বাড়িত আসি চাল দিছেন হামাক।