Home ময়মনসিংহ

রান্না করার সিলিন্ডারের গ্যাস থেকে লাগা আগুনে শিশুসহ একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হয়েছে। শনিবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নের হাজিপাড়া গ্রামে আব্দুস সালামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৮ জনকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রব্বানী।

দিয়ে গ্যাস বের হয়ে পুরো রান্না ঘরে ছড়িয়ে ছিল। শনিবার দুপুরে তার স্ত্রী রান্না ঘরে গিয়ে চুলায় আগুন দিতে গেলে সেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হন।

kishorgonj-cylinder-brunt-inner

দগ্ধরা হলেন- আব্দুস সালামের স্ত্রী সিপাইনেছা (৫৮), তাদের দুই ছেলে কামাল (৩৫) ও আনোয়ার (১৭) এবং মেয়ে তাসলিমা (২৫)। এ ছাড়াও রয়েছেন দুই নাতি উম্মে হাবিবা ও উম্মে হানি এবং তাদের আত্মীয় পারভিন (১৫) ও জুয়েনাসহ (২০) মোট ৯ জন।ওসি জাকির আরো জানান, দগ্ধদের প্রথমে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ৮ জনকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

ময়মনসিংহে প্রেমের নামে প্রতারণা করে বিয়ে করবে না বলে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন আবু সাঈদ নামে এক শিক্ষক। আবু সাঈদ সদর উপজেলার দীঘারকান্দা পদুর বাড়ির আব্দুল কদ্দুসের ছেলে। সে দীঘারকান্দা আদর্শ মডেল স্কুলের পরিচালক ও শিক্ষক।

প্রতারণার স্বীকার ভুক্তভোগী প্রেমিকা শিক্ষক আবু সাঈদ পরিচালিত দীঘারকান্দা আদর্শ মডেল স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলার ভাটি বাড়েরার পাড় ঘাগড়া গ্রামের এক নারী শিক্ষিকার সঙ্গে আদর্শ মডেল স্কুলের পরিচালক আবু সাঈদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

বিয়ের আশ্বাসে দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রেম করার সময় আবু সাঈদ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করেছেন। আবু সাঈদ ও শিক্ষিকার প্রেমের বিষয়টি বিষয়টি পারিবারিক ও সামাজিকভাবে জানাজানি হয়।

সম্প্রতি অন্য একটি মেয়ের প্রেমের খপ্পরে পড়ে আবু সাঈদ ওই প্রত্যাখান করেন। পরে ওই শিক্ষিকা বিয়ের দাবিতে সাঈদের বাড়িতে কয়েক দফা অবস্থান করেন। এমন অবস্থায় গত দুই মাস ধরে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন শিক্ষক আবু সাঈদ।

এ বিষয়ে প্রতারণার শিকার শিক্ষিকা বলেন, আবু সাঈদ পরিচালিত আদর্শ মডেল স্কুলে শিক্ষকতার সুবাদে তার সঙ্গে সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ৫ বছর প্রেম চলাকালীন বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণও করেছে। কিন্তু সম্প্রতি অন্য একটি মেয়ের খপ্পরে পড়ে আমাকে বিয়ে করবে না বলে অস্বীকৃতি জানায়।

এমন অবস্থায় আমি তার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করলে, সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। গত দুই মাস যাবত আবু সাঈদের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সাথে আমি কোনো যোগাযোগ করতে পারছি না।

এ বিষয়ে শিক্ষিকার মা বলেন, আমার মেয়েকে আবু সায়িদ বিয়ে করবে কথাবার্তা সব ঠিক। গত রোজার ঈদে আমি তাদের বাড়িতে ইফতার পাঠিয়ে দাওয়াত দিয়েছি।

তারাও আমার মেয়েকে শাড়ি-কাপড় কিনে দিয়েছে। এর মধ্যেই করোনা আসলো। করোনা অজুহাতে ৫-৬ মাস দেরি করছে। এখন সে বিয়ে করবে না বলে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। আমার মেয়ে যদি আত্মহত্যা করে বা কোনো কিছু হয়। আমি তাকে ছাড়ব না।

এ বিষয়ে আবু সাঈদের বাড়িতে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির অন্য কেউ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি না হলেও, তার ভাতিজা রাকিবুল হাসান রাকিব জানিয়েছেন আবু সাঈদ ময়মনসিংহের বাইরে আছেন।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রেমিকা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। প্রতারক আবু সাঈদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

test 1