Home বিনোদন

0 0

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ সুখকর অনুভূতি ও প্রজন্ম বিস্তারের একমাত্র উপায় বিবাহ হলেও তা কখনও কখনও নব দম্পত্তির জীবনে অভিশাপ রূপে দেখা দেয়। মুসলিম আইনে বিয়ে হচ্ছে ধর্ম কর্তৃক অনুমোদিত একটি দেওয়ানী চুক্তি। বিভিন্ন ধর্মে বিয়ের বিভিন্ন রীতি প্রচলিত। বিয়ে মূলত একটি ধর্মীয় রীতি হলেও আধুনিক সভ্যতায় এটি একটি আইনী প্রথাও বটে। বিবাহবহির্ভুত যৌনসঙ্গম অবৈধ বলে স্বীকৃত এবং ব্যাভিচার হিসাবে অভিহিত একটি পাপ ও অপরাধ।

পাঠক এবার আসল কথায় আসি। রহিম ও রুনা (ছদ্মনাম) একে অপরকে গভীরভাবে ভালবাসে। ভালবাসাকে বাস্তবে রুপ দিতে ওরা পরিবারের অমতে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রেমের টানে রহিমের হাত ধরে ঘর ছাড়ে রুনা। উভয়ের গন্তব্য ঢাকা। ওদের ধারনা কোর্টে উকিলের মাধ্যমে বিয়ে করতে হয়। সুযোগ সন্ধানী এক শ্রেনীর উকিলও এ কাজে সহায়তা করে থাকে।

আদালতের নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে গিয়ে ওরা ‘কোর্ট ম্যারেজ’ করে। কিন্তু তখন তারা বিয়ের কাবিন রেজিষ্ট্রি করেনি। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই ওদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। রহিম রুনার সঙ্গে তার বিয়ের কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেন। আর এ অজুহাতে রুনাকে মোহরানা, খোরপোষ ও দাম্পত্য অধিকার দিতেও তিনি রাজি নন। অবশেষে বিষয়টি গড়ায় আদালতে। বিয়েটা প্রমাণ করতে রীতিরকম হিমশিম খেতে হয় রুনাকে।

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি মুসলিম বিবাহ রেজিস্ট্র্রি করা বাধ্যতামূলক। বিবাহ রেজিস্ট্র্রি না করলে স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার, মৃতের সন্তানদের উত্তরাধিকার, খোরপোষ ও মোহরানার অধিকার থেকে ওই নারীকে বঞ্চিত হতে হয়। এছাড়া স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করলে বা প্রথম স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে বিয়ে করার উদ্যোগ নিলে স্ত্রী আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন বিয়ে যদি রেজিস্ট্রি করা হয়।

সুতরাং বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে একজন নারী তার দাম্পত্য জীবনের অনেক জটিলতা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন এবং অসহায়ত্ব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।

মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন ২০০৫’র আইনে বলা হয়েছে যে, যদি কেউ বিবাহ রেজিস্ট্রি না করেন তাহলে তিনি এ আইনের অধীনে অপরাধ সাব্যস্ত হবেন। এ অপরাধের জন্য শাস্তি হচ্ছে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড/আর্থিক জরিমানা যা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয় ধরনের শাস্তিই হতে পারে।

কাবিন রেজিস্ট্র্রির পরিবর্তে কোর্ট ম্যারেজ অধিকতর শক্তিশালী এ ভুল ধারণার ফাঁদে পড়ে অনেক নারী তাদের দাম্পত্য সুখাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রচলিত আইনে ‘কোর্ট ম্যারেজ’র কোন বৈধতা নেই বা অস্তিত্ব নেই। ২০০ টাকার টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে কিংবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে গিয়ে হলফনামা করাকে বিয়ে বলে অভিহিত করা মুলত:একটি ঘোষণাপত্র। আইনানুযায়ী কাবিন রেজিস্ট্র্রি সম্পন্ন করেই কেবল ঘোষণার জন্য এ্যাফিডেভিট করা আবশ্যক।

বিশেষ কয়েক শ্রেণীর নারী-পুরুষের মধ্যে এরকম বিয়ের প্রবণতা বেশী দেখা যায়। তন্মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিক, যৌন কর্মী এবং বিশেষ প্রেম-ঘটিত তরুণ-তরুণী। আবেগঘন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক তরুণ-তরুণীর ভুল ধারণা হয় যে, শুধুমাত্র এ্যাফিডেভিট করে বিয়ে করলে বন্ধন শক্ত হয়। কাজী অফিসে বিয়ের জন্য বিরাট অঙ্কের ফিস দিতে হয় বলে কোর্ট ম্যারেজকে অধিকতর ভাল মনে করে নিম্নবিত্ত শ্রেণীর নারী-পুরুষেরা।

অন্যদিকে যৌনকর্মীরা অনেক সময় ঠিকানা বদল করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অবস্থানের সুবিধার কথা বিবেচনা করে কোর্ট ম্যারেজে উৎসাহ দেখায়,বিয়ে সম্পাদন করে একাধিক বিয়ের কথা গোপন রাখে। কোন মেয়ের অভিভাবককে জিম্মি করে টাকা আদায়হ কিংবা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্যও অনেক সময় এ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে ভূয়া বিয়ের দলিল তৈরী করা হয়। এ দলিল তৈরী করা খুব সহজেই সম্ভব এবং এসব ক্ষেত্রে হলফনামা প্রার্থীকে নোটারি পাবলিকের কাছে হাজির হতে হয় না।

এতে ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়স বাড়িয়ে দেয়ার সুযোগ থাকে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা থেকে রক্ষার জন্য আসামী পক্ষের এরকম হলফনামা তৈরীর প্রবণতা দেখা যায়।মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার এক কেস স্টাডিতে প্রকাশ সনাতন ধর্মে বিশ্বাসীদেরও এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে সম্পাদন করতে দেখা যায়।

সংসারে সন্তান রেখে নব দম্পত্তির দাম্পত্য জীবন বেশী মেয়াদী না হলে পরে তারা স্বেচ্ছায় বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে হলফনামা সম্পাদন করেন। হলফনামাটি সাব-রেজিস্ট্র্রি অফিসে রেজিস্ট্র্রিও করে। কিন্তু বিবাহ বিচ্ছেদের এ ধরণের দলিল রেজিস্ট্র্রি করা ও এ্যাফিডেভিট করা সম্পূর্ণ বে-আইনী বলে বিবেচিত।

হিন্দু আইনে বিবাহ বিচ্ছেদ বলে কিছু নেই। সঙ্গত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে হবে পারিবারিক আদালতে। খ্রিষ্টান আইনেও বিবাহ একটি চুক্তি, যা ভঙ্গ করা যায় না। ১৮৬৯-এর বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য আদালতে যেতে পারেন।

বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন হচ্ছে সরকারের নির্ধারিত ফরমে লিখিত বর ও কনের বিয়ে সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সম্বন্ধে আইনগত দলিল যা কাজী অফিসে সংরক্ষিত থাকে। সরকার কাজীদের বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার জন্য অনুমতি বা লাইসেন্স দিয়ে থাকেন। আইনানুযায়ী বিয়ের আসরেই বিয়ে রেজিস্ট্র্রি করতে হয়।

বিয়ের আসরে সম্ভব না হলে বিয়ে অনুষ্ঠানের দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্র্রি করতে হয়। কাজীকে বাড়িতে ডেকে এনে অথবা কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্র্রি করা যায়। এছাড়াও কাবিননামার সকল কলাম পূরণ করার পর বর, কনে, উকিল, সাক্ষী ও অন্যন্যা ব্যক্তিগণের স্বাক্ষর দিতে হয়।

ইসলাম ধর্মে বিবাহ নিবন্ধন আইন থাকলেও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে বিবাহ নিবন্ধন আইন ছিল না। বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিদেশভ্রমণ
,অভিবাসন, চাকুরীর বদলীর ক্ষেত্রে বিবাহ নিবন্ধন আবশ্যক বিষয় বটে।

প্রতারনা প্রতিরোধে ও পারিবারিক,সামাজিক পর্যায়ে সুখকর জীবন অটুট রাখতে মুসলিম,
হিন্দু খ্রিষ্টান সব ধর্মেই তা আবশ্যক হয়ে দেখা দিয়েছে।

মোঃ কামরুল ইসলাম।আমি তোমাকে অক্ষরে অমরতার একটি কলম দেব,নগন্য,তুচ্ছ ভেবে কোন দাদাবাবু তোমাকে দেয়নি কখনও।তুমি পৃথিবীর বুক ছুঁয়ে কলমের ছোঁয়া ক্ষণিকে চিনতে
পারবে;
বদলে দিতে পারবে, লিখতে পারবে আগামীর ইতিহাস;
পূর্ব পুরুষের সব কর্মযজ্ঞ,নাম ঠিকানা।

আমি তোমাকে অক্ষরে অমরতার একটি কলম দিব,
কলমে তুমি খুঁজে পাবে এক সরল মানবতার সওদাগর।
খুঁজে পাবে কলমে বাংলাকে,কলমে নজরুল হাবিবীকে-
কলম,নিন্দুকের রক্ত চক্ষুকে পরোয়ানা করে না কখনও।

আমি তোমাকে একটি অক্ষরে অমরতার কলম দেব।
আমি সেই কলমে নিজেই ডুব দিয়েছি যেন জম্ম থেকে,
দেয়ার আগে এর গভীরতা মেপেছি-
আমি কলম চাষী নই,গত সপ্তাহ, সপ্তাহ ধরে,ভাল ফলনে
একমাত্র ভালবাসার লোভে আমি বীজ বুনেছি-
আমার হাতের অক্ষর গুলোকে বিশ্বাস করে
এপার,ওপারে অসহ্য কষ্ট,মধ্যিখানে চোরাবালি জেনেও
ভুবন জুড়ে সবর্ত্র ময়লা হাতের ভাঁজে আমি মাথা নত করেনি।
জেনেছি ভেঙে যাবে কলম মাথা নোয়াবে না –
সেই কলমটি আমি তোমাকে দেব।

কলমের ছোঁয়ায় শীতের কুঁয়াশা ছিঁড়ে সদ্য আলোয় আলোকিত হবে প্রতিটি ভোর,
সেই ভোরে তুমি পাবে কলমকে,পাবে আমাকে, পাবে তুমি নজরুলকে-
কোন একদিন শহরের অট্টালিকার শীর্ষে রবে সেই কলমের স্মৃতি চিহ্ন
শিউলি ফুলের শরীরে নজরুলের গন্ধ,আশা জাগানিয়া সোনালী রোদ্দুর-
হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া সেই কলমটি শুধু আমি তোমাকে দেব।

লেখক-কবি,প্রাবন্ধিক,গণমাধ্যমকর্মী।

0 0

টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ঠের লক্ষ্যমাত্রাগুলো বিশেষত এসডিজি ২-৬ ও ১৩ শিশুদের সুরক্ষা ও তাদের উন্নয়নের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাজেই এসডিজি অর্জনে যতই পরিকল্পনা গ্রহন করা হোক না কেন শিশুদের সুরক্ষা, তাদের অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত না করে কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু।

বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার রিপোর্টে উঠে এসেছে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৫১.৪ শতাংশ শিশু বাল্য বিবাহের শিকার হচ্ছে। ফলশ্রæতিতে তারা পরবর্তীতে স্বাস্থ্য জটিলতায় পড়ছে এবং তাদের পরবর্তী প্রজন্ম অপুষ্টি, রুগ্ন স্বাস্থ্য ও অস্বাভাবিক গড়নসহ নানা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেড়ে উঠছে।

এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত ‘শিশু অধিকার ও ভবিষ্যত’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় মূখ্য আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ইউনিসেফ চট্টগ্রামের প্রধান নির্বাহী মাধুরী ব্যানার্জী।এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম’র সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহারের সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুর রহমান শিহাবের সঞ্চালনায় অদ্য ২৩ নভেম্বর এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম ফেইজবুক পেইজ থেকে স¤প্রচারিত ভার্চুয়াল আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মানসম্পন্ন শিক্ষা কর্মসূচির সমন্বয়ক ড. মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন।

প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেরিন একাডেমীর কমান্ডেন্ট নৌ-প্রকৌশলী ড. সাজিদ হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের জেন্ডার স্ট্যাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শারিন শাহজাহান নাওমী, অটিস্টিক শিশুদের কল্যাণে কাজ করা সমাজকর্মী শাজমুন নাহার, নগরফুলের প্রতিষ্ঠাতা বায়েজিদ সুমন,

কল্যাণ পরিচালিত সাকসেস স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আরিফ উদ্দীন, সদ্য জয়বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত ১ টাকার শিক্ষার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ রিজুয়ান মোজকুরী, ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেইঞ্জ মেকার বাংলাদেশের কো-ফাউন্ডার ও কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মোঃ রায়হানুল ইকবাল ইভান, বর্ণমালা স্কুলের প্রতিনিধি রাফিউ আহমেদ, এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম সদস্য নুরুল আমিন, কাজী জাহিদ প্রমুখ।

ড. সাজিদ হোসেন বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যুবরা যেভাবে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে তা অসাধারণ।নোমান উল্লাহ বাহার বলেন, প্রান্তিকতায় বসবাসরত শিশুদের উন্নয়নে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। আগামী বিশ্ব কেমন হবে তা শিশুদের বেড়ে উঠা, সেবা,

মেধার বিকাশে ভূমিকা প্রভৃতির উপর নির্ভর করছে। এইজন্য শিশুদের বহুমাত্রিক উন্নয়নে আমাদের প্রাগ্রসর হতে হবে।

0 0

নজরুল ইসলাম হাবিবী
🌿
রূপসী রূপালি বনে
হাঁটে ভাবে আনমনে
কোথা সে সখা যে
জনমের প্রেম?

ঐ সে সেতারা তারা
যার লাগি’ সবহারা
কামরুল কাব্য-ফুল
স্বর্গ-চন্দ্র হেম।

A stunning woman in the beautiful silver-forest
Walking bewildered –
Where is that friend
Love for life?

There is the ukelele star
Who’s dedicated for
Kamrul, -poetic-flower
Heavenly moon as gold.

২১.১১.২০২০
লন্ডন।

লেখক-কবি,সাহিত্যিক,গবেষক।
(লন্ডন প্রবাসী)
ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক কলম সাহিত্য সংসদ লন্ডন।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম নগরস্থ সিটিজি গার্লস গ্রুপের 50k সেলিব্রেশন জিইসি প্যালেস রেস্টুরেন্টে জমকালো প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয় । এই প্রোগ্রামে যা যা ছিল ফ্যাশন শো, নাচ, গান, কুপন, পুরস্কার বিতরণ মাধ্যমে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই প্রোগ্রামের অরগানাইজার ও অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তা সাইফ। স্পেশাল সাপোটার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডমিন পুতুল।
বক্তব্য রাখেন রিনা আফরোজ তারিন,
মডারটর আইজা এশাল, ফারাবি সিদ্দিকী, জান্নাতুল মাওয়া নিহা। তাদের সহযোগিতায় সম্পূর্ণ সেলিব্রেশন আয়োজন করা হয়েছিল।
স্পন্সর হিসেবে ছিলেন দিলশাদ সুলতানা, নাসিমা হোসাইন, নাজমা নুর। নাজুয়া নুর, শারমিন জাহান এনি, সিনথিয়া অনামিকা, নিশাত সুলতানা, নিশি রাহমান, আমিনা বিনতে জোশ, নিশি রহমান, আসমা ফেরদৌস জিসা, কানিজ ফারজানা, মুক্তা সাইফ, শিপন স্নিগ্ধ, রোকসানা আলী, ডিআই মিম ইসলাম, তাহামিনা খান, নয়ন তারা সাঞ্জি। সিটিজি গার্লস গ্রুপের এই প্রোগ্রামটি পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক ও নির্মাণের মহান কারিগর হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মবার্ষিকী শুক্রবার (১৩ নভেম্বর)। আর এই বিশেষ দিনকে ঘিরে বরাবরই দিনব্যাপী হুমায়ূন মেলার আয়োজন করে চ্যানেল আই।

করোনার কারণে বিস্তৃত পরিসরে হুমায়ূন মেলা না হলেও ভার্চুয়াল আড্ডা আয়োজনে ‘ঐক্য.কম.বিডি চ্যানেল আই হুমায়ূন মেলা ২০২০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্যোক্তাদের অগ্রযাত্রায় বিশেষ অবদান রাখায় মেলায় সম্মাননা পেয়েছেন ঐক্য ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন আকতার রেনী। কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি. চ্যানেল আইয়ের পরিচালনা পর্ষদ সদস্য এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু নারীনেত্রী শাহীন আকতার রেনীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

অপু মাহফুজের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম ও রেজানুর রহমান প্রমুখ। ‘ঐক্য.কম.বিডি চ্যানেল আই হুমায়ূন মেলা ২০২০’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন তার বক্তব্যে হুমায়ূন আহমেদকে পাঠের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন।

হুমায়ূনের জন্য সকলের গৌরব বোধ করা উচিত জানিয়ে দেশের জনপ্রিয় এই লেখক বলেন, ‘বিপুল পাঠক তৈরীর কাজটি হুমায়ূন করেছেন, যা বাংলা সাহিত্যে আর কেউ করতে পারেননি। আমরা এক সময় শরৎচন্দ্রের কথা বলতাম যে,

তিনি বাংলা ভাষার সবচাইতে জনপ্রিয় লেখক। কিন্তু সেই শরৎচন্দ্রকেও আমরা একটা সময় দেখেছি, হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয়তার কাছে ম্লান হয়ে যেতে। আমাদের গৌরবটা এই জায়গায়, আমরা তাকে নিয়ে গৌরব বোধ করি।’

হুমায়ূন সৃষ্ট জনপ্রিয় বইগুলো ছাড়াও কম আলোচিত বই পাঠেরও অনুরোধ জানান ইমদাদুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘হুমায়ূনের তিনটি চরিত্র মানুষের মনে গেঁথে আছে। বিশেষত তরুণদের মনে।

তিনটি চরিত্র হল, মিসির আলী, হিমু ও রূপা। কিন্তু আমি বলবো, হুমায়ূনকে তিনটি চরিত্র দিয়ে বিচার করলে হবে না। বরং এই তিনটি চরিত্রের কথা বললে হুমায়ূন আহমেদের মহত্ত্বের অনেকখানি উদ্ভাসিত হয় না।

তার মধ্যাহ্ন , নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, ফেরা বা মাতাল হাওয়ার মতো অনেকগুলো উপন্যাস বা গল্পগুলোর কথা আমি বলতে পারি- আমি সবার কাছে অনুরোধ করবো, যারা শুধু মিসির আলী, হিমু আর রূপাকে জানেন তারা দয়া করে হুমায়ূন আহমেদের অন্য লেখাগুলোও গভীর মনযোগ দিয়ে পড়ুন।’

অনুষ্ঠানে সমাজসেবী ও নারীনেত্রী শাহীন আকতার রেনী বলেন, নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ শারীরিকভাবে আমাদের উপস্থিত নাই, কিন্তু আমরা জানি উনি সবার অন্তরে আছেন।

বিশেষ করে পুরো বাঙালি জাতির অন্তরে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন এবং বিশ্বব্যাপী তাকে এক নামে সকলে চিনেন। আজকে এই মেলায় আমি শ্রদ্ধা জানাই হুমায়ূন আহমেদের প্রতি এবং সমবেদনা জানাই তার পরিবারের প্রতি।

তিনি আরো বলেন, একজন হুমায়ূন চলে গেছেন, কিন্তু অনেকগুলো হুমায়ূন রেখে গেছেন তিনি। প্রতিটি বই বেলায় তরুণ প্রজন্ম হুমায়ূন আহমেদের বই কিনতে ভিড় জমায়। এটি হুমায়ূন আহমেদের বড় একটি পাওয়া।

প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে হুমায়ূন স্মরণে আবৃত্তি ও গান পরিবেশন করেন আমন্ত্রিত অতিথি শিল্পীরা।

সংগঠন মানুষের জীবনের পরিধি বিস্তৃত করে মানুষকে স্বপ্ন দেখায়,আত্মবিশ্বাসী করে কাজের প্রেরণা ও বেঁচে থাকার সাহস জোগায়।

কেউ অন্য সংগঠনে যোগ দিলে সে বহিস্কার হতেই পারে কিন্তু কেউ বুঝে না বুঝে অন্য সংগঠনের মানব বন্ধনে যোগ দিলে বহিস্কার হতে হবে বা কেউ কারও নাম কোন ব্যক্তির অজান্তে বা জানা স্বত্তে অন্য কোন স্যগঠনের তালিকায় প্রকাশ করলে সে ও বহিস্কার তা আমার বোধগম্য নয়।

অন্যদিকে সমমনা সংগঠনের সাথে ঐক্য হতে পারে তা দোষের নয়।তবে কেন্দ্রীয় ভাবাবেগকে উপেক্ষা করে বিভাগীয় চেতনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সংগঠনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বা তা বাস্তবায়ন কখন ও সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না।

কোন সংগঠনের নেতা হওয়ার আগে সবাইকে আগে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।এখন সবাই নেতা। যে নেতা সে নিজেই জানে না নেতার গুরুত্ব ও শানে নুযল কি। দুর্ভাগ্য এই ভাবে চলছে সব সংগঠন।

মানবকল্যানে সম্পৃক্ত থাকার ফলে কোন সংগঠনে সম্পৃক্ত হলে আমার মনে একটা দারুন সুখ অনুভূত হয় আপনার ও হতে পারে তবে তা দোষের নয়।
আমি সংগঠন ভালবাসি,মানুষকে ভালবাসি।কখন ও কারও নিকট কোন কিছু আশা করিনি।সব সময় দিতে চেয়েছি,কখনও নিতে চেষ্টা করেনি।চেয়েছি ভালবাসা ও মানুষ ও মানবতার কল্যান।

ভারতীয় সংস্কৃতির ভিত্তি গ্রন্থে শ্রী অরবিন্দ লিখেছিলেন ‘পৃথিবীকে স্বর্গে উন্নীত করাই সংস্কৃতির জীবন্ত লক্ষ্য। মুলত সাহিত্য সংস্কৃতি হচ্ছে মানব চরিত্রের এক একটি প্রতিচ্ছবি।

তবে মোদ্দাকথা হচ্ছে সব কিছুর মুলে সংগঠন। সব কিছু সংগঠন কেন্দ্রিক।আমি ১৯৯৩ সাল হতে অদ্যাবদি বিভিন্ন সংগঠন সহ যখন বিকেএর বিভিন্ন কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিচ্ছিলাম আজ মনে হয় এখনকার অনেকের তখন জম্ম ও হয়নি। তবুও এখন ওদের কি ভাবসাব। দেখে আমার খুবই ভালই লাগে।

আজকের সমাজ ব্যবস্হায় কোন সংগঠন কোন কিছুর সত্যিকারের উন্নয়ন বিশেষ করে সাধারনের উন্নয়ন নয় বা তা নেতাদের নিকট মূখ্য নয়,মুখ্য শুধু নিজকে নেতা হিসাবে পরিচিতি করার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমকে ব্যবহার করা।

এই জন্য কোন কিছুর কাঙ্খিত সফলতা পাওয়া যায় না বা যা সম্ভব ছিল তাও নয়। হাত তুলে ঐক্য বা বিজয় চিহৃ দেখানো যায় তবে বিজয় বাস্তবে বড়ই নির্মম।এখন জ্ঞানী লোকের বড়ই অভাব।সংগঠন যতদিন জ্ঞানীদের দখলে না যাবে, মুর্খদের নিয়ন্ত্রনে থাকবে ততদিন যারা সুবিদা পাওয়ার অধিকার রাখে তারা পাবে না।___শুধু সাধারন যারা তারা আশার বানী শুনবে এবং এক সময় অতৃপ্তির জ্বালায় জ্বলে সংগঠন পরিহার করবে।অনুরূপভাবে একই নিয়ম রাজনীতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

এখন সংগঠন,রাজনীতির ক্ষেত্রে অনেকে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমান বাস্তবতায় আমরা সবাই মানুষ-মানুষের কল্যাণ এই মনোভাব থেকে অনেকটাই দুরে সরে এসেছি।পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্হায় সরে এসেছে সারা বিশ্বের মানবসমাজ। আমাদের দেশে বিষয়টি আরও বেশি গুরুতর ও কঠিন রূপ ধারণ করছে সময়ের ব্যবধানে।
মানুষের মধ্যে অসহিষ্ণুতা,অস্থিরতা এবং সামাজিক অবক্ষয়তা বেড়েই চলছে।খানিকটা ধৈয্য,কথা শোনার মানুষ আজ নেই।সত্য বললে রেগে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে।
এগুলো দূর করতে প্রয়োজন সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ও সত্যিকারের সৎ শিক্ষিত সংগঠক।

লেখক- কবি,সংগঠক,গণমাধ্যমকর্মী।

প্রবাদ বাক্য আছে ” শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড ” কিন্তু আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতির মেরুদন্ড তথা শিরদাঁড়া সুবিন্যাস্ত হওয়া তো দূরে থাক উপরন্ত অঙ্কুরেই ক্ষয় হতে শুরু করে ।

স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে সংযোজন -বিয়োজন এর মাধ্যমে অসংখ্য বার শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে । তথাকথিত যুগোপযোগী ও বিজ্ঞানমুখী শিক্ষাব্যবস্থা উপর গুরুত্বারোপ করে বিদ্যমান প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক ত্রুটিপূর্ণতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে উচ্চ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ও ব্যাপক হতাশার সৃষ্টি হয়েছে ।

প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে শিক্ষালাভের আনন্দ নিহীত নেই , উপরন্ত শিশু শ্রেণী থেকে চাপিয়ে দেওয়া গাদা গাদা বইয়ের চাপ সামলাতে গিয়ে নানাবিধ মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। পূর্বতন চালু হওয়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পাশাপাশি ” মরার উপর খরার ঘা ” এর মত শেষ এক দশক যাবত চলছে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা নামক কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর মানসিক নির্যাতনের স্টিমরোলার ।

মানসিক নির্যাতন নামক এই স্টিম রোলার এর শিকার হয়ে পিএসসি অর্থাৎ পঞ্চম শ্রেণীর চূড়ান্ত সমাপনী পরীক্ষায় কত কোমলমতি শিক্ষার্থী অকালে ঝরে পড়েছে তার ইয়ত্তা নেই , অনুরূপভাবে জেএসসি অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণীর চূড়ান্ত সমাপনী পরীক্ষার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য । এর উপর আবার যোগ হয়েছে সাফল্য লাভের ক্ষুধাই বুভুক্ষ অভিভাবকদের মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার । তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সাফল্যের ক্ষুধা ই এতই বুভুক্ষ থাকেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুকুমারবৃত্তি বিকাশ এর পরিবর্তে গড়পরতা তিন থেকে চারজন প্রাইভেট টিউটর নিয়োগ করে থাকেন । খুব অল্প বয়সে ব্যাপক মানসিক চাপ নিতে গিয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীদের মানসিক বৈকল্য দেখা দেয় । ফলস্রুতিতে অনেক শিক্ষার্থী সমাজ বাস্তবতা এবং অভিভাবকদের চাপে চূড়ান্ত পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয় ।

অল্প বয়স থেকেই সীমাহীন মানসিক চাপ সামলে শিক্ষার্থীরা অনেকেই সাফল্যের সাথে পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও পরবর্তীতে গ্রেজুয়েশন সম্পন্ন করার পর আবারো প্রবল মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয় ” জুতার তলা ক্ষয় ” এর প্রতিযোগীতায় নেমে অর্থাৎ চাকরি নামক সোনার হরিণ পাওয়ার জন্য । চাকরির বাজারে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীর যথার্থ মূল্যায়ন হয় না যথার্থ মামা -খালু -চাচা‌ না থাকার কিংবা উপরি ( দক্ষিণা )দিতে না পাওয়ার অপরাধে । সবচেয়ে বেদনাদায়ক লজ্জার ব্যাপার বাধ্য হয়ে তাদের ধরনা দিতে হয় এসএসসি ফেল করা কিংবা অষ্টম শ্রেণী পাস করা রাজনৈতিক নেতাদের দরজায় শুধুমাত্র একটি চাকরির আশায়। সেই নেতা আবার এতই ভাব থাকে যে ঐ নেতার সাথে দেখা করতে গেলে তার অনেক চেলা চামুন্ডার চৌকাঠ পেরোতে হয়। অবশেষে নেতার দেখা পেল সেই নেতা আবার দক্ষিণা ছাড়া এক পাও এগোতে নারাজ। অতঃপর শিক্ষার্থীরা কেউ পৈতৃক জমি কিংবা অন্যান্য মূল্যবান সম্পত্তি বিক্রি করে নেতার ধার্যকৃত দক্ষিণা দিয়ে চাকুরী বগলদাবা করে নিতে বাধ্য হয় অনেক ক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হয়েও চুপ থাকতে বাধ্য হয় নেতার ক্ষমতা গুনে ।

বছরের পর বছর চলে আসা প্রচলিত এই তুঘলকী শিক্ষাব্যবস্থার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে নিষ্পেষিত‌ ও‌ নিগৃহীত হয়েছে শিক্ষার্থীরা । মানসিক চাপ যুক্ত তুঘলকি শিক্ষা ব্যবস্থার বিনাশ ঘটিয়ে বাধ্যতামূলক কারিগরি ও্ প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলন করে এবং আনন্দ নিহীত প্রাণোচ্ছল ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এর সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল জাতি গড়ে তোলা সময়ের দাবি ।

লেখক : তানভীর আহমেদ ( গণমাধ্যমকর্মী )

আয়াজ আহমাদ নিজস্ব প্রতিবেদকঃমির্জা সাখাওয়াত হোসেনের পরিচালনায় এই ছবির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পেতে পারে। ছবিতে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এই যুদ্ধের ডাক দেয়া সাত মার্চের ভাষণ, পাক বাহিনীর নির্মমতা, মা-বোনদের উপর নির্যাতন এবং যুদ্ধ পরবর্তি বাংলাদেশে নির্যাতিতাদের বঙ্গবন্ধু কিভাবে সম্মানিত করেছেন, দিয়েছেন বীরাঙ্গনাদের নাম এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের প্রেম-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা, বিপদে একত্রিত হয়ে ঘুরে দাঁড়াবার প্রত্যয়, মহান পিতা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দেবার কথা সবই রয়েছে। হৃদয় বিদারক মুক্তিযুদ্ধের একটি অধ্যায়কে কাহিনীকার ও পরিচালক মির্জা সাখাওয়াত হোসেন একঝাঁক তরুন–তরুণীদের নিয়ে নির্মাণ করেছেন এই চলচ্চিত্রটি।

“জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে” “একজন মহান পিতা ” চলচ্চিত্রটি খুব কম সময়ে শুটিং শেষ করেছেন, এ ছবিটি নির্মানে এগিয়ে আসেন বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট এর সভাপতি শেখ শাহ আলম। এই চলচ্চিত্রের গল্পটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি হৃদয়বিদারক অধ্যায়। যুদ্ধ পরবর্তী বাংলার বীরাঙ্গনা মায়েদের জীবনের একটি মর্মান্তিক ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে চট্টগ্রাম বোয়ালখালী উপজেলার গর্বীত
সন্তান হিমেল রাজকে।

ছবিটির প্রধান দুটি চরিত্রে নতুন জুটি হিসাবে অভিনয় করেছেন হিমেল রাজ ও মির্জা আফরিন। তারা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, সে সাথে তাদের প্রথম জুটির ছবিটি সব তরুন-তরুণীদের একবার হলে গিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা হিমেল রাজের কাছে ছবিটির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ছবিটি নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী, এ ছবিটি সবার মন জয় করবে,

প্রতিটি মানুষের মনে নাড়া দিবে এবং সবার অজান্তে নীজের চোখের জল গড়িয়ে পড়বে, আমি মুক্তি যুদ্ধ দেখিনি তবে এ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে অনুভব করেছি ৭১ সালে যারা মহান মুক্তি যোদ্ধে অংশ গ্রহন করেছেন, নিজের পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন, তাদের কষ্টের কথা এবং কি নিষ্ঠুরতা হয়েছিলো তখন আমাদের মা বোনদের প্রতি।

আমি শুটিং করার সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি। আমি আরো অনুভব করি আমাদের জাতির পিতার ডাকে কিভাবে এদেশের যুবকরা ঝাপিয়ে পড়েছিলো দেশ স্বাধীন করতে।

আমরা সে দিনগুলোর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে এ ছবিতে মনপ্রান দিয়ে অভিনয় করার চেষ্টা করেছি। এ ছবিতে আমি এবং মির্জা আফরিন মুক্তিযোদ্ধের চিত্রকে মনে প্রানে ধারন করে কাজ করেছি। তাই আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ একটিবার আমাদের উৎসাহীত করতে ছবিটি দেখবেন। আপনাদের উৎসাহ আমাদের অনেকদুর এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে সে সাথে দেশে মৌলীক গল্প সৃজনশীল ছবি তৈরীর আগ্রহ বাড়বে।

এটা এমন একটি ছবি আপনার পরীবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে দেখতে পারবেন সে সাথে আপনার সন্তান মুক্তি যোদ্ধের ইতিহাস জানবে, বিড়ঙ্গনা নারীদের ইতিহাস জানবে, এদেশের নারীরাও যে নীজের সম্ভ্রম দিয়ে চেষ্টা করেছেন একটি স্বাধীন দেশ পেতে সেসব অজানা তথ্য জানতে পারবে।

মির্জা সাখাওয়াত হোসেনের পরিচালনায় এই ছবির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পেতে পারে। ছবিতে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এই যুদ্ধের ডাক দেয়া সাত মার্চের ভাষণ, পাক বাহিনীর নির্মমতা, মা-বোনদের উপর নির্যাতন এবং যুদ্ধ পরবর্তি বাংলাদেশে নির্যাতিতাদের বঙ্গবন্ধু কিভাবে সম্মানিত করেছেন, দিয়েছেন বীরাঙ্গনাদের নাম এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের প্রেম-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা, বিপদে একত্রিত হয়ে ঘুরে দাঁড়াবার প্রত্যয়, মহান পিতা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দেবার কথা সবই রয়েছে। হৃদয় বিদারক মুক্তিযুদ্ধের একটি অধ্যায়কে কাহিনীকার ও পরিচালক মির্জা সাখাওয়াত হোসেন একঝাঁক তরুন–তরুণীদের নিয়ে নির্মাণ করেছেন এই চলচ্চিত্রটি।

“জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে” “একজন মহান পিতা ” চলচ্চিত্রটি খুব কম সময়ে শুটিং শেষ করেছেন, এ ছবিটি নির্মানে এগিয়ে আসেন বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট এর সভাপতি শেখ শাহ আলম। এই চলচ্চিত্রের গল্পটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি হৃদয়বিদারক অধ্যায়। যুদ্ধ পরবর্তী বাংলার বীরাঙ্গনা মায়েদের জীবনের একটি মর্মান্তিক ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
ছবিটির প্রধান দুটি চরিত্রে নতুন জুটি হিসাবে অভিনয় করেছেন হিমেল রাজ ও মির্জা আফরিন। তারা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, সে সাথে তাদের প্রথম জুটির ছবিটি সব তরুন-তরুণীদের একবার হলে গিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা হিমেল রাজের কাছে ছবিটির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ছবিটি নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী, এ ছবিটি সবার মন জয় করবে,

প্রতিটি মানুষের মনে নাড়া দিবে এবং সবার অজান্তে নীজের চোখের জল গড়িয়ে পড়বে,আমি মুক্তি যুদ্ধ দেখিনি তবে এ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে অনুভব করেছি ৭১ সালে যারা মহান মুক্তি যোদ্ধে অংশ গ্রহন করেছেন, নিজের পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন, তাদের কষ্টের কথা এবং কি নিষ্ঠুরতা হয়েছিলো তখন আমাদের মা বোনদের প্রতি। আমি শুটিং করার সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি।

আমি আরো অনুভব করি আমাদের জাতির পিতার ডাকে কিভাবে এদেশের যুবকরা ঝাপিয়ে পড়েছিলো দেশ স্বাধীন করতে। আমরা সে দিনগুলোর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে এ ছবিতে মনপ্রান দিয়ে অভিনয় করার চেষ্টা করেছি। এ ছবিতে আমি এবং মির্জা আফরিন মুক্তিযোদ্ধের চিত্রকে মনে প্রানে ধারন করে কাজ করেছি। তাই আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ একটিবার আমাদের উৎসাহীত করতে ছবিটি দেখবেন।

আপনাদের উৎসাহ আমাদের অনেকদুর এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে সে সাথে দেশে মৌলীক গল্প সৃজনশীল ছবি তৈরীর আগ্রহ বাড়বে। এটা এমন একটি ছবি আপনার পরীবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে দেখতে পারবেন সে সাথে আপনার সন্তান মুক্তি যোদ্ধের ইতিহাস জানবে,

বিড়ঙ্গনা নারীদের ইতিহাস জানবে, এদেশের নারীরাও যে নীজের সম্ভ্রম দিয়ে চেষ্টা করেছেন একটি স্বাধীন দেশ পেতে সেসব অজানা তথ্য জানতে পারবে।

নেছার আহম্মেদ, বিশেষ প্রতিনিধি।চট্টগ্রাম নগরী পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত ফয়েজ লেক এটি একটি কৃত্রিম হৃদ। ১৯২৪ সালে এই লেকটি খনন করা হয়।

লেকটি খনন কাজে সার্বিক সহযোগীতা করেছিলেন প্রধান কর্মকর্তা হিসাবে যুক্ত ছিলেন প্রকৌশলী ফয়েজ। প্রকৌশলী ফয়েজের নামানুসারে লেকটি নামকরণ করা হয় “ফয়েজ লেক”। এই লেকটি তৈরীর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের রেলওয়ে কলোনীতে বসবাসকারী লোকদের কাছে পানি পৌঁছানো।

এই লেকের দেখারমত অনেক কিছুই রয়েছে। প্রাকৃকিত অনন্য সৌন্দর্যের অধিকারী সবুজ পাহাড় ফয়েজ লেক। উপভোগ করার মত অনেক কিছুই রয়েছে। ইচ্ছাকরলেই নবদম্পতিরা মধুচন্দ্রিমা সেরে আসতে পারে ফয়েজ লেক থেকে এবং শিশুদের জন্য রয়েছে নানানরকম রাইডের ব্যবস্থা। তেমনি বড়রাও খুঁজে পাবেন পাহাড়, লেক সব মিলিয়ে মনমুগ্ধকর পরিবেশ। এ ফয়েজলেকে এমন একটি উচ্চতর পাহাড় রয়েছে যাহার বুকে দাড়িয়ে পুরো চট্টগ্রাম শহরের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবেন ।

অঞ্চলের চারিদিকে রয়েছে পাহাড় আর মাঝখানে রয়েছে অরুনময়ী গোধুলী, আকাশমনি, মন্দাকিনী, দক্ষিনী, অলকান্দা নামের হৃদ। হৃদের পাড়ে যেতেই দেখা মিলবে সারি সারি নৌকা। নৌকায় যেতে মিনিট দশেকের মত লাগবে। তারপরে দেখা মিলবে চমৎকার রিসোর্ট। চারিদিকে সবুজ পাহাড়, মাঝে মধ্যে দুই একটি বক এবং নাম না জানা হরেক রকম পাখি। এর সাথে রয়েছে মনোরম পরিবেশের হরিণ বিচরণ স্থান। বিনোদনের জন্য রয়েছে থিম পার্ক।

ফয়েজ লেক এমিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ডে আছে বিভিন্ন ধরনের আর্ন্তজাতিক মানের রাইডস। যেমন- সার্কাস ট্রেন, ফেমিলি কোস্টার, ফেরিস হুইল, রেডড্রাই, স্লাইড, বাম্পার সার্কাস ট্রেন, সুইং স্পিডবোট এবং ওয়াটার বি ও লেকের উপর ঝুলন্ত সেতু । পাহাড়ের বনাঞ্চলে ট্র্যাকিং এর জন্য প্রয়োজনীয় সুইচ টাওয়ার। রিসোর্টে পর্যটকরা যারা থাকবেন তাদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রকমের সুযোগ-সুবিধা। যেমন- প্রতিদিনের সকালের নাস্তা থিম পার্ক ফয়েজ লেক কনকর্ড এমিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ড।

রাইডগুলো সহ উপভোগ করার সুযোগ এবং দিনভর জলে ভীজে আনন্দ করার জন্য সী-ওয়ার্ল্ড কনকর্ড। তাছাড়া কর্পোরেট গ্রাহকদের জন্য সভা বার্ষিকী, সাধারণ সভা এবং বিভিন্ন রকমের ইভেন্টস সুবিধা রয়েছে। কোথায় থাকবেন তা নিয়ে চিন্তা করার কিছুই নেই। ফয়েজ লেকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যটকদের জন্য আছে বিলাসবহুল থাকার আবাসন।

পাহাড়ের ধারে লেকের পাড়ে রয়েছে দারুন সব কটেজ ও রিসোর্ট। নবদম্পতিদের জন্য রয়েছে হানিমুন কটেজ। অবশ্য ইচ্ছে করলে অন্য আবাসিক হোটেলে থেকেও আপনি ফয়েজলেক ঘুরতে পারেন। আরামদায়ক ও সুশীল এবং সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় আবাসিক হোটেল রয়েছে মোটেল সিক্স স্বর্ণালী ও আপন নিবাস।