Home বিনোদন

0 0

মোঃ কামরুল ইসলাম।অনেকের মতে যিনি কবিতা লেখেন তিনি কবি।আমার মতে,কবি সেই ব্যক্তি যিনি কবিত্ব শক্তির অধিকারী।

কবি ও কবিতা কি সে বিষয়ে আজকের এইআলোচনা। কলম সাহিত্য সংসদ -লন্ডন কর্তৃক কলমের টক—-শো এলমের টক-শো তে যে কথা বলা হয়নি তা বলা খানিক টা চেষ্টা।আমরা জানি,একটি নিদির্ষ্ট প্রেক্ষাপট,ঘটনাকে রূপকধর্মী ও নান্দনিকতা সহযোগে কবিতা রচিত হয়।মুলত যিনি কবিতা লেখেন তিনি কবি।

বাংলাভাষার অন্যতম আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশের মতে-সকলে কবি নয়-কেউ কেউ কবি।অনাদিকাল হতে আধুনিক কাল পর্যন্ত যুগযুগ ধরে কবিরা তাদের নিজস্ব চিন্তাচেতনা,ভাবনা গুলোকে মনের মাধুরী মিশিয়ে সৃষ্টি করেন নিত্য নতুন কবিতা।

__কবি শব্দটি কু ক্রিয়া মুলের বংশে প্রসূত একটি শব্দ।কূ-অর্থ অ-সাধারণ(নব রূপে উত্তীর্ণ)কারী।এতে সহজে
বুঝা যায় কবি সেই মানুষ,যে সাধারণ অভিজ্ঞতাকে বা অনুভুতি বা প্রচলিত শব্দকে নতুন রূপে উত্তীর্ণ করতে
সক্ষম।
____ইংরেজী শব্দ poet ল্যাটিন ভাষার প্রথম শব্দরূপ।বিশেষ্য বাচক পূংলিঙ্গ পয়েটা,পয়েটে থেকে সংকলিত হয়েছে।ফরাসী কবি আর্থার রিম বোঁদের মতে—সকল স্তরের ভালবাসা,দুঃখবেদনা,উম্মাদনার মাঝে কবিখুঁজে পান নিজকে।কবি সেই যে -সকল ধরনের বিষবাষ্পকে নিঃশেষ করতে পারেন।

কবিকে অনেকে পৃথিবীর শ্রেষ্টবৈজ্ঞানিক হিসাবে আখ্যা দিয়ে থাকেন।মুলত কবি তিনি আঁধার থেকে যে আলো কুঁড়িয়ে দীপ্ততা ছড়ায় সর্বময় সর্বক্ষণ।___যদি ও কবির নির্দিষ্ট কোন দেশ থাকে না,থাকে না ধর্ম। কবি সকলের কবি সার্বজনীন।

অন্যদিকে কবিতা হচ্ছে পদ্য শব্দের ছন্দময় বিন্যাস।কেননা একজন কবি তার অনুভুতি,উপলব্ধি,চিন্তাকে
চিত্র কল্পের সাহায্যে উদ্ভাসিত করেন।কবিতা হচ্ছে সেই চিন্তার প্রকাশ যেখানে কবি তার কল্পনা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাস্তবতার নিখুঁত চিত্র তুলে ধরেন।যেখানে লুকিয়ে থাকে প্রেম,বিরহ,বিগ্রহ।

অনেকের মতে,কবিতা হচ্ছে এক ধরনের শব্দ মালা।যখন চরণে চরণে মাত্রা ভেঙ্গে ছন্দ ও অন্ত্যমিল বজায় রেখে যা লেখা হয় তা হচ্ছে কবিতা।কবিতা মুলত তিন ধরনের হয়।যেমন- -স্বরবৃত্ত ছন্দ,মাত্রাবৃত্ত ছন্দ,অক্ষর বৃত্ত ছন্দ। এই ছাড়া ও রয়েছে গৌরিশ ছন্দ,গদ্য ছন্দ মুক্ত ছন্দ তবে এই গুলি গননা পদ্ধতি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের মত।
যে যাই বলুক না কেন কবিতার মুল হচ্ছে বিষয় এরপর শব্দ এবং পরবর্তীতে ফর্মা বা ফর্ম বা যাকে আমরা ছন্দ বলি। তবে একটি পরিপূর্ণ কবিতায় প্রতিলাইন সাজানো হয় পর্ব,অতি পর্ব,উপপর্ব দিয়ে এর পর উপমা তারপর অনুপ্রাস চিত্র কল্প আকারে। কবিতা সাধারনত আরো কয়েক ধরনের -চতুর্দশপদী,সিজো,ক্বাসিদা,রুবাই,হাইকু এই ছাড়াও বিশেষত কিছু কবিতা যেমন- নীতি কবিতা রম্য কবিতা দেশের কবিতা,বিরহেরকবিতা,বৃষ্টিরকবিতা ইত্যাদি।
যা না বললে নয়,বাংলা সাহিত্যে এক ব্যতিক্রমধর্মীধারা প্রবর্তন করেন বাংলা সাহিত্যে আধুনিক কবিতার জনক মাইকেল মধুসুদন দত্ত।ইংরেজীতে যাকে চতুর্দশপদী বা সনেট বলা হয়। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ১৪ চরণে সংঘটিত হয়।প্রতি চরনে সাধারনভাবে ১৪ টি অক্ষর থাকে। ১ম আটটি চরণকে অষ্টক এবং পরের ৬ টি চরণকে ষষ্টক বলে।অষ্টকে মুল ভাবের প্রবর্তন ও ষষ্টকে এর পরিণতি ঘটে থাকে।

এই ধরনের কবিতা কবির স্বদেশ প্রেম আবেগ ধ্বনিত হয়।__এই ছাড়া ও রূপক কবিতা ও অনুকাব্যের কথা
আমরা জানি।কোন কবিতা কোন কবি কবিতার রূপ নির্মাণে বিভিন্ন ধরনের চতুরতা বা এক ধরনের কৌশল
অবলম্বন করেন বা কোন গল্প বা ঘটনার মাধ্যমে কবি প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেন সেটি রূপক কবিতা হিসাবে বিবেচিত হয়।কবি তখন কোন বিষয়কে সামনে এনে তার আড়ালে দর্শনের বহিঃ প্রকাশ ঘঠান। তখনই তা হয় রূপক কবিতা।
যেমন কবি ফররুক আহমেদের সেই বিখ্যাত কবিতা-“”রাত পোহাবার কত দেরী পাজ্ঞেরী””।

অন্যদিকে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ছোট ছোট গভীর অর্থপূর্ণ কাব্য রচনা করেছেন যাকে অনেকে অনুকাব্য বা অল্প স্বল্প কবিতা বলে থাকেন।___যেমন- বালিকার নদীটাকে ছুঁবো বলে আমি,ডুব দিতে বার বার ভুল জলে নামি।
মনের ভাব প্রকাশ করলে তা যে কবিতা হবে তা নয়।যে ধরনের কবিতা লিখা হোক না কেন তাতে ছন্দময়তা থাকতেই হবে।_____মোদ্দা কথা,কবিতার সাথে ছন্দের সম্পর্ক থাকা উচিত। কেননা ছন্দের প্রতি মানব মনের যে অনুরাগ তা ছন্দের উপর নির্ভরশীল।ভাবপুর্ন অথচ ছন্দে সমস্যা হলে তা পাঠকের মনে আনন্দ দিতে পারে না।কারন কবিতার প্রাণের সঙ্গে ছন্দের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।একটি কবিতায় ভাব সুষ্পষ্ট,সুন্দর এবং যথাযত ভাষায় ও ছন্দে প্রকাশ পায় তখন ঐ কবিতাটি সার্থক ও উত্তম কবিতা হয়ে উঠে।
এখন অনেকে এক পাতা গদ্য লিখে মনে করেন কবিতা রচনা করেছেন আসলে কবিতা বা গদ্য কি তাই —–?গদ্য কবিতা অনেকের মতে সহজ মনে হলে ও আসলে সহজ নয়। এখন গদ্য কবিতার প্রভাব বাংলা সাহিত্যে বেশি পরিলক্ষিত হয়।

গদ্য কবিতা হচ্ছে -সেই কবিতা যেই কবিতা সাধারণত গদ্যে লিখিত হয়।যদি ও এর কোন নিদির্ষ্ট মান দন্ড নেই।
সুনিদির্ষ্ট সীমা নেই,পরিসীমা নেই,অন্ত্যমিলের প্রয়োজন নেই।অক্ষর বৃত্তের পয়ার থেকে চতুর্দশপদী মুক্তক ছন্দে যে বিবর্তন সে বিবর্তনের ধারায় নেমে এসেছে গদ্যছন্দ।

অনেকে মনে করেন গদ্য কবিতার কোন ছন্দ নাই।এটি আসলে ভুল ধারনা।ছন্দ ব্যতীত কবিতা হতে পারে না।গদ্য কবিতার প্রতিটি পংক্তি বা লাইনের এক ধরনের ছন্দ লুকিয়ে থাকে। যেমন -আপনি হাঁটছেন তাতে এক ধরনের ছন্দ থাকে অন্যদিকে আপনি ক্লান্ত হয়ে গন্তব্যে পোঁছানোর পূর্বে বসেপড়লেন তাতে আপনার ছন্দপতন হলো।গদ্য কবিতা ও তাই।
___মনে রাখতে হবে,গদ্যের সুরে পাঠক কবিতা পড়বেন মুগ্ধ হবেন তবে ক্লান্ত হবেন না। আমরা জানি আক্ষরিক অর্থে কোন কবিতার নির্দিষ্ট কোন গন্তব্য নেই তবুও ছন্দ পতনের আগে পাঠককে গন্তব্যে পোঁছানো গদ্যকবিতার অন্যতম শর্ত।

হিব্রু স্কলারদের দ্বারা প্রাচীন কালে গদ্য কবিতা লিখিত হলেও মুলত চর্যাপদ থেকে এসে এটি অতি আধুনিকতা
ঠেকেছে।_____বাংলা কবিতায় এটি আধুনিক সংস্করণ।বর্তমানে অনেকে এতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। অনেকের মতে,এটি শুরু হয়েছে রবীন্দ্র যুগ থেকে। মুলত ত্রিশের দশকের কবিদের হাতে এর আভির্ভাব। ৫০ এর দশকে হাসান হাফিজুর রহমান,শহীদ কাদেরীর কবিতায় গদ্য রীতি প্রবর্তিত হয়।বিশ্ব কবির” হঠাৎ দেখা”নজরুলের কৈফিয়ত”গদ্য কবিতার যেন উৎকৃষ্ট বাস্তবায়ন। গদ্য কবিতার ক্ষেত্রে কেউ যদি মুল স্বাদ গ্রহন করতে চায় তাহলে তাকে অক্ষর বৃত্তের বিশাল জমিন চষতে হবে।

গবেষক কবি,আবদুল মান্নানসৈয়দ গদ্যকবিতা সম্পর্কে বলেছেন-সুন্দর হাঁটা যেমন মানুষের ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে তেমনি গদ্য কবিতা পাঠককে গন্তব্যে পোঁছে দেয় তখন কবিতা স্বার্থকতা লাভ করে।
___তাহা ছাড়া কোন কবিতায় যদি শব্দ শুষমা না থাকে তখন যতই কাঠামোবদ্ধ ছন্দ প্রয়োগ করা হোক না কেন তা তখন কবিতা হয়ে উঠে না। আবার অনেক বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যাতে ছন্দের কাঠামো অনুসরণ করা হয়নি তবে অন্তরালে ছন্দ লুকিয়ে ছিল। ছন্দ দু ধরনের তৈরী হয় একটি শব্দগত অন্যটি ভাবগত। ছন্দ আবার কবিতা নয় ছন্দ কবিতার একটি উপকরণ মাত্র।

ছন্দকে প্রভু জ্ঞান না করে ছন্দ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা থাকতে হবে।কোন কবিতা পাঠক যদি বিনা বাঁধায় দুলতে দুলতে গন্তব্যে পোঁছান এবং আনন্দ ও ক্লান্তি অনুভব না করেন সেইক্ষেত্রে ছন্দ একেবারে জরুরী
নয় তবে এর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার কোন কারন নেই।
___সেই যাই হোক একজন কবি স্হান কাল পাত্র ভেদে সার্বজনীন আলোক বর্তিকা।তিনি তার দার্শনিক দৃষ্টিতে কলমের খোঁচায় সত্যকে নির্মমভাবে উপস্হাপন করেন।

কবি যতক্ষণ পর্যন্ত সত্য, সুন্দর ও মঙ্গলের পুজারী না হবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আর যাই হোক তিনি কবি হতে পারবেন না।একজন কবি যা লিখবেন-মানুষ মনে করে যেন- আমি তো এটাই বলতে চেয়েছিলাম,আমি তো এটাই চেয়েছিলাম।কবি হবে মানুষের, হবে মানবতার কবি হবে সুন্দরের।আর কবিতা হবে সত্যের নির্দেশক।

কবিতা হবে দর্পন,কবি হবে সভ্যতার গড়ার অন্যতম সারথি।কবিতার অপর নাম হবে শ্লোগান ও সমাজ গঠনে প্রতিবাদের ভাষা। মুলত স্বাধীনতা স্বাধীকার ভালবাসা,মানুষ,মানবতা রক্ষার হাতিয়ার হয়ে কবিরা কাজ করেন এবং তখনই আবেগ তাড়িত হয়ে সৃুখে,দুখে বিজয়ে,পরাজয়ে,সমাজের প্রতি অপরিসীম মমতা কবি লেখেন কবিতা।কবিদের অনেক সময় লিখতে লিখতে আঙ্গুলে দাগ পড়ে,হৃদপৃন্ডে এক ধরনের ছার পোকা বাঁসা বাঁধে তখন নিরাময়ের ঔষধ হচ্ছে কবিতা লেখা।

সমাজ, সংসার, মানবতা, মানুষ মানুষের অধিকার, ভালবাসা সমাজের, স্বাধীনতা সহ সর্ব বিষয়ে যখন সত্যিকার অর্থে ভাবেন এবং তার প্রতিফলন তার কবিতা বা লেখনীতে তুলে ধরেন ও সমাজকে জাগ্রত করেন এই ভাবে লিখতে লিখতে তিনি একদিন কবি হয়ে উঠেন।রবীন্দ্রনাথ তার কবিতায় সাধারণ মানুষের কথা বলেছেন আর নজরুল মাটি-মানুষের কাছাকাছি থেকে স্বজাতি ও স্বদেশের স্বাধীনতা চেয়ে মানুষকে জাগ্রত করতে বহুবার কারা বরন করেছেন।শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে তিনি আমরন লড়াই করেছেন।

নজরুলে সমাজ সচেতনতার উল্লেখ যোগ্য দিক হচ্ছে শ্রেণী বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্হান গড়ে তোলা।তাই তিনি লিখলেন—জনগনে যারা যোক সম শোষে তারা মহাজন কয়- সন্তানসম পালে যারা জমি- তারা জমিদার নয়। নজরুল পরবর্তী সময়ে সুকান্তের কবিতায় মানবতাবোধের পরিচয় পাওয়া যায় (১৯৪২-১৯৪৯)।তার মতে-অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি-
_____দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিশ্ব মানবতা যখন পদদলিত হয় তখন দুর্ভিক্ষ,দূর্দশা,সামাজ্রবাদী শাসনের বিরুদ্ধে কবি
সোচ্চার হলেন।তখন তিনি লিখলেন -রানার ছুটেছে— রানার-রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে।

একটি সমাজ পরিবর্তনে ও অবক্ষয় রোধে কবি ও তার কবিতা গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে।কবি সমাজের, সাধারন মানুষের মত।কবি বাসাহিত্যিকরা কোন দ্বীপের বাসিন্দা নয় এই মনুষ্য সমাজে তাদের বাস।সুর্যের আলো,চাঁদের আলো আলোকিত হয় তা দেহে।তবে জীবন,দর্শন,মানুষ মানবতার গভীর রহস্যকে আবিস্কার করেন কবি।যথার্থ উপলব্ধি থেকে তার চেতনাবোধ জাগ্রত হয়।কবি কখন ও ভাবেন না কি পেলেন বা পেলেন না। তিনি জীবনের চাওয়া, পাওয়াকে উপেক্ষা করে কল্পনার একটি সুন্দর জগত সৃষ্টি করেন—নিজে স্বপ্ন দেখেন, অন্যকে দেখান দেখাতে ভালবাসেন।

কবি বাস করেন ব্যক্তি মনের রাজ্যে,মানুষের দুঃখ কষ্ট সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরেন,মানুষকে সচেতন করেন
তাই সমাজ বিনির্মানে কবি, কবিতা গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে।

0 0

___ মোঃ কামরুল ইসলাম।

আমার স্মৃতির ভান্ডারে
উঁকি দেয় আজ শুধু স্মৃতি
অতীত হারিয়ে গেছে তাই
ভবিষ্যতের স্বপ্ন শুধু বুনি।
…………
পুরনো গল্প রেখেছি তুলে
ভেবেছি থাকুক তা গোপন
তুলোর বালিশ যায় ভিজে
ঝরে যায় অশ্রু অবিরত।
………..
চিত্ত কহে,ধৈর্য্য নিয়ে নীরবে
করো তুমি সব নির্মল –
নতুন দিনের স্বপ্ন নিয়ে
উদ্ভাসিত করো নিজ চিত্ত।

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃবর্তমানে বেশির ভাগ নাটকেই মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায় মনিরা মিঠুকে। তবে এবার ‘মা’ নামের একটি নাটকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করলেন চলমান সময়ের ব্যস্ত এ অভিনেত্রী। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন নাট্যাভিনেতা রওনক হাসান। আগামী ঈদে আরটিভিতে প্রচারিত হবে নাটকটি।

পরিচালক রওনক হাসান জানান, মধ্যবিত্ত পরিবারে বিয়ের পর সন্তানের মা-বাবার কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া এবং এই করোনার সময়কালে সবমিলিয়ে পরিবারের মধ্যে যে সমস্যার সৃষ্টি হয় তাই মূলত ‘মা’ নাটকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। নাটকটিতে ‘মা’র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন টিভি ও সিনেমার নন্দিত ভার্সেটাইল অভিনেত্রী মনিরা মিঠু।

যিনি বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে একজন জাত অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। রওনক হাসান ‘মা’ চরিত্রে তাকে নিয়েই কাজ করতে চেয়েছিলেন এবং তাকে নিয়েই কাজটি করেছেন।

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন আয়াজ আহমাদ: সাংবাদিকতাএকটি মহৎ পেশা তবে অন্যান্য পেশার চেয়ে এই পেশায় অনেকের মতে ঝুঁকি বেশি।এরপরও মজার ব্যাপারটা হচ্ছে এই পেশায় যারা থাকেন তাদের মজাটা যেন আলাদা। শত হাজার পেশার ভিড়ে এই পেশাটি একটু ব্যতিক্রম।

আমাদের দেশে এখন শত শত পত্রিকা রয়েছে সাথে বাংলাদেশ টেলিভিশন বেতার ছাড়া ও বেসরকারী চ্যাটেলাইট চ্যানেল সহ অসংখ্য অন-লাইন নিউজ পোর্টাল রয়েছে যার প্রকৃত সংখ্যা অন্তত আমার জানা নেই।আজকের সাংবাদিকতা পেশাকে অনেকে বাঁকা চোখে দেখেন এর মুল কারন অপ-সাংবাদিকতা বা হলুদ সাংবাদিকতা।

অনেকের মুখে শুনা যায় বা অনেকে রসিকতা করে বলেন সাংবাদিক মানে সাংঘাতিক।আজকের দিনে যারা সাংবাদিকতা করেন তাদের মধ্যে কোন্দল, দলাদলি হানাহানি,প্রতিহিংসার ব্যাপারটি খুব সহজে কাজ করে।তাহাছাড়া একটি সাংবাদিক সংগঠনের সাথে আরেক টি সংগঠনের কোন্দল প্রায় লেগে থাকে যা কখনও কাম্য নয়। সাংবাদিকরা হলো জাতির বিবেক। সেই সাংবাদিকরা আজকে আত্ম সমালোচনা করতে ভুলে গেছে।

শুধু তাই নয় সাংবাদিক সহ সকল পেশার লোকজন আজ আত্ম সমালোচনা করে না। সাংবাদিকরা যেহেতু জাতির বিবেক তাই তাদেরকে সর্বপ্রথম আত্মসমালোচনা করা শিখতে হবে।জ্ঞান চর্চা করতে হবে গবেষণা করতে হবে,মানুষের কল্যানের কথা সবার আগে তাদের ভাবতে হবে।দুঃখজনক হলে ও সত্য প্রকৃত জ্ঞান অর্জন না করে সুশিক্ষায় উচ্চ শিক্ষিত না হয়ে সাংবাদিকতার সংজ্ঞা না জেনে সবাই যেন আজ সাংবাদিক।

সামান্য অর্থ ব্যয় করে বা কোন কোন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে নিজকে সাংবাদিক বা সাংবাদিক নেতা ভাবতে অনেকে নিজকে গর্ববোধ করে।মনে রাখা ভাল,সাংবাদিকতা সহ যে কোন পেশার ক্ষেত্রে শুদ্ধতা হচ্ছে ঐ পেশার প্রধান অঙ্গ।অনেকের মতে আজ সবর্ত্র চলছে অপ-সাংবাদিকতা যেখানে থাকার কথা ছিল পবিত্র শুদ্ধতা তার মধ্যে নীরবে ঘুরপাক খাচ্ছে অপ- সাংবাদিকতা আর চলছে মহা দুর্নীতি বা অনেকের মতে হলুদ সাংবাদিকতা।

কেননা অপ-সাংবাদিকতার মধ্যে অর্থ বানিজ্য নিহিত থাকে।সাংবাদিকতার নামে অনেকে আজ করছে ভন্ডামী চলছে অসুস্হ প্রতিযোগীতা।যার ফলে অনেকে সাংবাদিক,সাংবাদিকতা নিয়ে তিরস্কার করে থাকেন
যা কখনও কাম্য নয়।
ভোগবাদী এই সমাজ ব্যবস্থায় সবাই যেন ভোগ করতে উঠেপড়ে লেগেছে,সবাইকে ভোগ করতেই হবে এই মানসিকতা কাজ করছে।আজ দেশীয় সংবাদপত্রের গতানুগতিক যে ধারা বহমান তা থেকে বেরিয়ে সংবাদ কাঠামোর নতুন ধারা সৃষ্টি করার ইচ্ছা থাকলে তা যেন অসম্ভব হয়ে পড়ছে তার কারন অল্প শিক্ষিত,দূনীতি গ্রস্হ লোকজন এই দেশের সংবাদপত্রে পুনর্বাসিত হয়েছেন।

অর্থের বিনিময়ে বা স্বজনপ্রীতির কারনে অন -লাইন ও স্যাটেলাইট টিভিগুলোর টকশোতে প্রতিনিয়ত দু্নীতি- গ্রস্হ,অসৎ লোকদের ভীড় মুলত এক ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা বলে অনেকে মনে করেন।

দুর্নীতিগ্রস্তদের ভালো কণ্ঠস্বর আবার তার পক্ষে আাড়ালে তার বয়ান লিখে দেন যারা অর্থের বিনিময়ে কোন জ্ঞানী আর সেই বয়ান নীরবে দর্শকদের দেখতেও হয় শুনতে হয় যা জাতির বিবেককে নাড়া দেয়।যখন কোন সাংবাদিক প্রতিষ্ঠান-নামে মাত্র একজন সংবাদ দাতা /প্রতিনিধি কে তার পারিশ্রমিক দেয় আর তাকে বলা হয় বাকিটা মাঠ পর্যায় থেকে সংগ্রহ করতে হবে আরো কত কি তখন সাংবাদিকতা অপ- সাংবাদিকতা রূপ নেয়।

এখন পত্রিকা প্রকাশ কে অনেকে ব্যবসা হিসাবে মনে করেন কারন যারা প্রকাশক /সম্পাদক তারা অপ-সাংবাদিক -তার মাধ্যমে বিশাল ধনসম্পদের মালিক সহজে বনে যান বলে অনেকের ধারনা। যদিও এমন হওয়ার কথা ছিল না।অনেকে সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তির সাথে সখ্যতা সেই সুবাদে ব্যাংক,

আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা এবং বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীর শীর্ষ কর্ম কর্তাদের থেকে সু্বিদা আদায়,বিনিময়ে তাদেরকে বিভিন্ন অপকর্মে সহযোগিতা, নিয়োগ-চাকরি, পদোন্নতি, বদলি, তহবিল সংগ্রহসহ নানা বাণিজ্যে সহ আরও অনেক না বিষয়ে জড়িয়ে থাকেন।।আবার সেই অপ-সাংবাদিকতার সাংবাদিক মহোদয় গন রাষ্ট্র সমাজে সবর্ত্র বিচরন করেন মহাদাপড়ের সাথে যা প্রকৃত সাংবাদিকতার মধ্যে পড়ে না বলে বিশেষজ্ঞগন করেন।

এরপরও সংবাদিকতা পেশাকে মানুষ আজও অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখে। এ পেশার লোকজনকে অনেকেই জাতির বিবেক বলে থাকেন। ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতার সাবলীল মূল্যায়ন হয়ে থাকে যা হওয়া স্বাভাবিক।।শুধু দেশ,জাতি নয়,বিশ্ব উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা দেশে দেশে আজ স্বীকৃত।

সাধারণ জনগণের এ মহান পেশার প্রতি প্রগাঢ় আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। কারণ এ সমাজের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরবারির ন্যায় কলমের শানিত অস্ত্র একমাত্র সাংবাদিকরাই ধরে থাকেন। বিভিন্ন ধরনের ঘটনা প্রবাহের সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি প্রকাশিত পত্রিকা বা বর্তমান সময়ে অন-লাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে দেশের বর্তমান অবস্থা ও সাধারন জনগনের করণীয় কি সেই বিষয়ে ও সাংবাদিকরা তাদের মতামত ওদিক-নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।

সাংবাদিকরা মানবতার অতন্দ্র প্রহরী হিসাবেও কাজ করেন। সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির শেষ ভরসা স্হল।সেই ক্ষেত্রে কোন সাংবাদিক যদি মুর্খ বা অর্ধশিক্ষিত হয় বা জ্ঞান চর্চা না করে দিনে দিনে সাংবাদিক নেতা বনে যান বা বিভিন্ন অপকর্ম বা অপ-সাংবাদিকতা জড়িত হন তখন সেই জাতি হয় বড়ই দূর্ভাগা।এই ক্ষেত্রে সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক যে নেই তা কিন্তু নয়।

আজ কোন না কোন সাংবাদিক ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক বিবেচনায়, অহংকার কিংবা প্রলোভনের কারণে সাংবাদিকতার নীতিমালা এবং কর্তব্যবোধ বিসর্জন দিচ্ছে যা জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। সাংবাদিকতারএ মহান পেশা ক্রমান্বয়ে আজ কলুষিত হয়ে আসছে,অশিক্ষিত,মুর্খ কোন না কোন পত্রিকার রিপোর্টার বা যেনতেন ভাবে কোন সাংবাদিক সংগঠনের মাধ্যমে সাংবাদিক কার্ড ব্যবহার করে তার অপ-ব্যবহার করছে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের স্বাধীনতার নামে এক ধরনের অপ-সাংবাদিকতার প্রয়োগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অর্থলোভী,স্বার্থান্বেষীদের বিচরণ দেখা যাচ্ছে আজ সংবাদপত্রের মত মননশীল কর্মচর্চায়।

এই প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ সুরা হুজরাতের ৬ নংআয়াতে বলেন,“হে মুমিনগণ,যদি কোন পাপাচারী তোমাদের নিকট কোন বার্তা নিয়ে আসে,তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে; যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতি সাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও। এখানে যে কোন খবরের উৎসকে আল্লাহ দুই ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছেন।

বিশ্বস্ত উৎস ও অবিশ্বস্ত উৎস। পাপাচারী অর্থাৎ অসৎ,দুর্নীতিবাজ ও দুষ্ককর্মকারীদের উৎস অবিশ্বস্ত। এদের উৎস থেকে আশা সংবাদকে যাচাই করতে বলা হয়েছে।যেহেতু, উৎসের ভালো-মন্দ জানা সব সময় সম্ভব নয়, তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ পরিবেশনকে নিষেধ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই না করে যে কোন সংবাদ প্রচারের কুফল সম্পর্কে হাদিছে ও বলা হয়েছে ‘মানুষ মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য ইহাই যথেষ্ট যে সে যাহা শুনে যাচাই না করিয়া তাহাই প্রচার করে দেয়।

(বুখারী ও মুসলিম)প্রকৃত দোষী নয়, এমন ব্যক্তিও অনেক সময় দোষী সাব্যস্ত হয়ে যায়। যা খুবই জঘন্যতম অপরাধ কেননা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা কস্ট পায় তখন তারা মিথ্যা অপবাদ ও পাপের বোঝা বহন করে। (সূরা আহযাব-৫৮) এবং হাদীসে বলা হয়েছে ‘প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি যাহার মুখ ও হাত হইতে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে (বুখারী ও মুসলিম)।আরো বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তির গুণাহগার হবার জন্য এতো টুকুই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলিম ভাইকে তুচ্ছজ্ঞান করে (মুসলিম) এবং শুধু কেবল অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলা এবং ঐ বিষয়ে কোন কিছু লেখা ও ধর্মে নিষেধ রয়েছে। কারণ অনুমান হচ্ছে জঘন্যতম মিথ্যা (বুখারী ও মুসলিম)।

আরো বলা হয়েছে “তারা যেনো সে দিনটির কথা ভুলে না যায়, যখন তাদের নিজেদের জিহ্বা, নিজেদের হাত ও পা তাদের (দুনিয়ার) ক্রিয়া-কর্মের সাক্ষ্য প্রদান করবে (সুরা আন নূর-২৪ আয়াত)”। এবং সেদিন অপরাধীদের অগ্নিকুন্ডের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে এবং ওদের বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে। তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছবে, তখন তাদের কান, চক্ষু ও চামড়া তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে। (সূরা হামীম সেজদা ১৯,২০,২১ আয়াত)।

কাজেই প্রত্যেক সাংবাদিকদের যে কোন সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আরো অনেক বেশি যত্নশীল হতে হবে বিভিন্ন অপকর্ম থেকে দুরে থাকতে হবে,প্রকৃত জ্ঞান চর্চা করতে হবে।
অল্প শিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত লোক যাতে এই পেশা না জড়ান তার জন্য একটি নীতি মালা সহ দিক নির্দেশনা না থাকলে এই পেশা সব সময় বিতর্কিত হতে থাকবে। জাতির বিবেক এই পেশার ঐতিহ্য ও গুনগত মান ধরে রাখার জন্য আরো বাস্তবমুখী নীতি মালা সহ সাংবাদিকদের অপ-সাংবাদিকতা থেকে দুরে থেকে গন মানুষের আস্হা অর্জন করতে হবে।সেইটি হবে জাতির বিবেকের একমাত্র কাজ।

লেখক- মোঃ কামরুল ইসলাম।
[কবি,প্রাবন্ধিক গণ-মাধ্যমকর্মী ]


আসিফ ও মুন্নি একসঙ্গে ৩টি দ্বৈত অ্যালবাম করেছেন। ১৫টির মতো সিনেমায় তারা প্লেব্যাক করেছেন। দিনাত জাহান মুন্নি বলেছেন, কয়েক দিন ধরে আমাকে নিয়ে ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন আসিফ। সেখানে তার ভক্তরা আমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেই যাচ্ছেন।

এ নিয়ে আগে আসিফকে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন বলেও জানান তিনি।মামলা প্রসঙ্গে আসিফ আকবর বলেছেন, মুন্নিকে নিয়ে সরাসরি কোনো স্ট্যাটাস দিইনি। তিনি কেন নিজেকে জড়িয়ে নিলেন? জেল খাটার অভিজ্ঞতা আমার আছে। তবে বিশ্বাসঘাতকদের চেহারা কেমন হয় মানুষকে সেটা দেখাতে চাই।
এর আগে ২০১৮ সালের ৪ জুনে গীতিকার-সুরকার শফিক তুহিনের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় গ্রেফতার হন আসিফ আকবর।

তবে পাঁচ দিন পর কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি। সেই মামলাটি এখনো চলমান ।

0 0

১৯৯২ সালে থেকে বিটিভির নাটকে অভিনয় শুরু করেন। শিশু চরিত্র দিয়ে শুরু পরবর্তীতে নাটকের প্রধান নারী চরিত্রে প্রস্তাব পান।প্রতিভা দিয়ে অল্প সময়েই নাট্য অঙ্গনে নিজের জায়গা করে নেন অভিনেত্রী সাবরিন সাকা মীম। প্রায় টানা ১৮ বছর মিডিয়ায় কাজ করে ব্যক্তিগত এবং অভিমান থেকে ‘নতুন কুঁড়ি’র এই চ্যাম্পিয়ন অভিনয় থেকে বিদায় নেন।

সর্বশেষ ২০১১ সালে নাটকে অভিনয় করেন মীম। তারপর থেকেই আড়ালে চলে যান এই অভিনেত্রী। সংবাদ পাঠ করলেও নাটকে আর ফেরেননি তিনি। বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি, করোনা পরিস্থিতিতে অফিস বাসা থেকেই করে যাচ্ছি ।’ঈদে নাটক দেখার চেষ্টা করি, কিন্তু এত নাটক আর বিজ্ঞাপনের ভিড়ে কোন চ্যানেলে নাটক দেখছি, সেটাই ভুলে যাই।’
আমার অন্যান্য ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় মনে হয় না আবার অভিনয়ে ফিরব।আমার মনে হয়, বড় একটা গ্যাপের কারণে এখন অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসাটাও কমে গেছে। আবার আমাকে কেউ অভিনয় করতে বললেও মনে হয় অভিনয় করতে পারব না।

আমার কাছে মনে হয়, অভিনয়টাই ভুলে গেছি।’নাটক তাঁর খুবই ভালোবাসার জায়গা, নাটক না করলেও নাটকের প্রতি টান টা রয়ে গেছে আগের মতন । যেখানেই কাজ করি না কেন, সেখানে ভালো–মন্দ অনেক কিছুই হয়। সেটা কখনো কারও ভালো লাগে, কখনো ভালো লাগে না। নাটক আমার ভালোবাসার একটা জায়গা।

কোনো কিছুকে অনেক ভালোবাসলে অনেক সময় ভালোবাসার জায়গা থেকেই সরে আসতে হয়। যেমন বলে না মানুষ, প্রেম শুধু কাছেই টানে না দূরেও সরিয়ে দেয়।’পড়াশোনার বেশ চাপ ছিল। তখন কাজ এমনিতেই কমিয়ে দিয়েছিলাম।

করোনা নিয়েই দুশ্চিন্তা, হতাশা ভয়, সবার মতো আমারও আছে। কী হবে সারাক্ষণ একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটছে। তবে পরিবারে আমার বাবা মা ভালো নেই।

তাদের জন্য চিন্তা হচ্ছে। ’মা – বাবার জন্য দোয়া চাই।

সি টি জি ট্রিবিউন : লেখক__মোঃ কামরুল ইসলাম।

সাংবাদিকতা এক মহান পেশা।মানুষকে জাগ্রত করার একমাত্র প্রদীপ ঘর,ন্যায়কে ন্যায়,অন্যায় কে অন্যায় বলার অদম্য সাহসের অপর নাম সাংবাদিকতা। তবে বর্তমানে ঢালা কুলা সাজিয়ে বিভিন্ন ভাবে সুবিদা আদায় করা,কার্ড নির্ভর নিজের স্বার্থে সুবিদা গ্রহন এবং সংবাদ গ্রহন বা প্রেরণ বা ঝড়ের অনুকূলে বা প্রতিকূলে সুবিধামত অষ্টশিক ধরার নাম কখনও প্রকৃত সাংবাদিকতা হতে পারে না।
না জেনে,না বুঝে এখন অনেকে এই পেশায় এসে নিজকে সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছে বা যে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জ্ঞান থাকা দরকার তা আছে কিনা তা নিয়ে ও বিজ্ঞ মহলে প্রশ্ন বয়েছে। সাংবাদিক তারাই যারা ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়,বিভিন্ন সমস্যা জেনেও দূর্ভোগ জেনে ও বিন্দুমাত্র যারা হতাশ না হয়ে,প্রতিকুল অবস্হাতে নিজকে মানিয়ে নেয়।এই দেশে কেউ কেউ মানবতার দোহাই দিয়ে বা সাংবাদিক পরিচয়ে আমানবিক, অসাংবাদিক সুলভ কর্মযজ্ঞ যে করে না তা কিন্তু নয়।

না জেনে না বুঝে বিভিন্ন নামে নতুন নতুন যে সাংবাদিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ তা শোভনীয় নয়।নামে বা নাম সর্বস্হ যে সব সংগঠন রয়েছে তারা স্বাধীনতা,পরবর্তী সময় হতে আজ পর্যন্ত তেমন কোন উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখতে পারেনি।

কারন সাংবাদিকতার পাশাপাশি চলে অপসাংবাদিক- তা এবং সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে সুকৌশলে চলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অন্যদিকে সাংবাদিকদের নায্য চাওয়া পাওয়া বছরের পর বছর ঝুলে থাকে।সরকার আসে সরকার যায় সাংবাদিকদের একটা অংশের আত্মকেন্দ্রিক মনোভাবের কারনে পুরো সাংবাদিক সমাজ তাদের চাওয়া,পাওয়া থেকে দুরে সরে যায়।

তবে অতি উৎসাহীদের অজ্ঞতা,প্রকৃত শিক্ষার অভাব,বিভিন্ন ধরনের কর্মকান্ড সঠিক বিষয়ে সঠিক ধারনা না থাকা জ্ঞান চর্চা না করা,প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি স্বার্থের বেড়াজালে সত্যের উপর অবজ্ঞা,অবহেলা, সাংবাদিক হিসাবে অহমিকা,অন্যায় পথে নিজের খ্যাতি পাওয়া ও টাকা আয় করার অদম্য প্রচেষ্টার কারনে এই বিভাগ দেশের অন্যান্য বিভাগের মত আজ প্রশ্নবানে জর্জরিত।

সাংবাদিকদের মধ্যে অনৈক্য ও সাংবাদিক হত্যাকান্ড নির্যাতন,নিপীড়ন সহ নানা ধরনের অনিয়ম,স্বার্থের কারনে সাংবাদিকরা তাদের নায্য দাবী আদায়ে বরাবরই ব্যর্থ।রাষ্ট্রের সংবিধানে যেখানে সংগঠন করার অধিকার সকলের রয়েছে সেখানে যে কেউ সংগঠন করতে পারে তবে কোন সংগঠন সাংবাদিক কল্যানে তেমন কোন ভুমিকা রাখতে আজ ও পারেনি বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন।

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের যদি মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকে, মানবকল্যান যদি অর্থের বলয়ে ঘুরপাক খায় তখন সাংবাদিক, সাংবাদিকতা মানব কল্যানে নয়, নিজ কল্যানে ভুমিকা রাখে যা স্বাভাবিক।তাহাছাড়া সংবাদ পরিবেশন সহ যাবতীয় কর্মযজ্ঞ যদি জনমানুষের কল্যানে না হয় তখন তা হয় দুঃখজনক।এর জন্য দায়ী কিছু উৎসাহী অনেকের মতে বিজ্ঞ,নির্লজ্জ সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতা।

মুলত Journalist বা সাংবাদিক তারাই এক কথায় যারা দেশ কিংবা দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংবাদ, বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ পূর্বক সংবাদ কিংবা প্রতিবেদন রচনা করেন সংবাদমাধ্যম সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে যারা প্রেরণ করেন। এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন বয়সের পুরুষ কিংবা নারী যে কোন সময় সাংবাদিকতাকে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসাবে গ্রহন করতে পারেন।

তাহাছাড়া যারা বিভিন্ন মাধ্যমে লিখেন তারা ও এক ধরনের সাংবাদিক বা গনমাধ্যম কর্মী এবং তারা তাদের গবেষণালব্ধ তথ্য, লেখনী এবং বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রতিবেদন রচনা করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উপস্থাপন করেন। যা সংবাদপত্র,টেলিভিশন,রেডিও, ডিজিটাল মাধ্যমরূপে বিভিন্ন অনলাইনে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গীতে তারা নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপন করেন।মুলত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া প্রতিটি সংবাদ,প্রতিবেদন পরিবেশন,যা সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।

সাংবাদিকতার কতগুলো নিয়ম কানুন রয়েছে তবে সাংবাদিকতার নিয়ম কানুনের ধারণা বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন রকম হতে পারে। অনেক দেশে সংবাদ মাধ্যম সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় যা পুরোপুরি স্বাধীন নয়।আবার অনেক দেশে যে কোন মাধ্যম সরকার থেকে সম্পূর্ন স্বাধীন হলে ও সাংবাদিকরা ঐ দেশের সাংবিধানিক নিরাপত্তার আওতায় থাকে। স্বাধীন ও প্রতিযোগিতামূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সংগ্রহ করা মুক্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত সংবাদ নির্ভয়ে পরিবেশন সমাজকে, মানুষকে প্রকৃত আলোয় আলোকিত করে।

সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে কলাম লেখন সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন। সাংবাদিকতার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। যেমন- ব্রডকাস্ট সাংবাদিক, দুরদর্শন,বেতার সহ অন্যান্য।আবার ফটোসাংবাদিক যারা তারাই আবার অনেকের মতে আলোকচিত্র শিল্পী বা যারা ছবি তুলেন। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকরা স্বাধীন ভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করেন।

ক্রীড়া সাংবাদিক
খেলাধুলা সংক্রান্ত বিষয়ে লেখেন।অন্যদিকে অপরাধ সাংবাদিকরা অপরাধবিষয়ক লেখা লেখেন।যারা কলামিস্ট তারা ও সাংবাদিক-সামাজিক রাজনৈতিক বিষয় বিশ্লেষণ করে প্রবন্ধ লেখেন।আর এক ধরনের নাগরিক সাংবাদিক রয়েছে যারা নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকে নাগরিক সমস্যা নিয়ে লিখে থাকেন।এরপর বিনোদন সাংবাদিক-বিনোধনধর্মী বিষয়-যেমন তারকা -দের জীবন, স্ক্যান্ডাল, রাশিফল এসব নিয়ে লিখে থাকেন। এই ছাড়া ও যারা ব্যাকপ্যাক সাংবাদিক তারা
নিজেই রিপোর্টার,নিজে ভিডিওগ্রাফার, আলোকচিত্রী এবং প্রযোজক।

ভাল সাংবাদিকতার জন্য প্রয়োজন মুলত সময়,মনোযোগ এবং পরিশ্রম। এর পাশাপাশি কৌতূহল এবং জানার আগ্রহ। সাংবাদিকতার মানেই হচ্ছে মানুষকে নতুন কিছু বলা। মৌলিক সাংবাদিকতার জন্য নৈপুণ্য দরকার। সকল সাংবাদিক চায় মৌলিক কাজগুলো করতে। এখানে দায়সারা গোছের কিছু করলে চলে না। এখানে কঠোর পরিশ্রম দরকার,শুধু কয়েকদিনের জন্য নয়।প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই ভাল সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে।

আবার সাংবাদিকের কাজ সংবাদ সংগ্রহ করা সংবাদের সত্যতা যাচাই করা,সংবাদ সম্পাদনা করা,প্রয়োজনে মানুষের সাক্ষাৎকার নেয়া,বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করা তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করা ও প্রয়োজনীয় ছবি সংগ্রহ করা।

যেহেতু সাধারণ মানুষের জীবনে গণমাধ্যমের সরাসরি প্রভাব রয়েছে, সেহেতু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা একজন সাংবাদিকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এছাড়া সংবেদনশীল খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যদাতার গোপনীয়তা রক্ষা করা ও বাঞ্ছনীয়।

একজন সাংবাদিকের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয় সেই প্রসঙ্গে বলতে গেলে বলতে হয় প্রত্যেক সাংবাদিক কে গণযোগাযোগ বিষয়ে পড়তে হবে, এমন কোন কথা নেই।তবে বাংলা,ইংরেজি সাহিত্য,অর্থনীতি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরাও এ পেশায় বর্তমানে নিয়োজিত আছেন।

সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে আগে থেকেই যারা নির্বাচন করে রাখেন, তাদের জন্য সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়ে পড়াই ভালো।তবে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রী না হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া বা সাংবাদিকতা পেশা না আসা উত্তম। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকতার উপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জ্ঞান অজর্ন করতে হবে।

ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতে ভালো দখল থাকা জরুরী।
এই ছাড়া ও কোন কিছুর ব্যাপারে অনুসন্ধান করে তথ্য সংগ্রহের মানসিকতা থাকতে হবে।একজন সাংবাদিকের যোগাযোগের ক্ষেত্রে দক্ষতা,উপস্থাপনার জ্ঞান লেখালেখির দক্ষতা বিভিন্ন ধরনের লেখালেখিতে অভ্যস্ত থাকা অতীব জরুরি এ পেশায়।

এ ছাড়াও বিশ্লেষণী ক্ষমতা, কিছু ক্ষেত্রে শুধু তথ্য-উপাত্তের উপর নির্ভর না করে লেখায় বা সংবাদের যৌক্তিক চিন্তার প্রকাশ ঘটাতে হবে।কারিগরি কিছু জ্ঞান থাকা ভালো। যেমন, ফটোশপ বা ইলাস্ট্রেটরের প্রাথমিক ব্যবহার শিখে রাখা উত্তম।এর বাইরে ফেসবুক, টুইটার, সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে যুক্ত থাকলে কাজ করতে সাংবাদিকদের অনেক সহজ হয়।

মোট কথা আগে থেকে নিজের পছন্দের বিষয়ে সঠিকভাবে জানা উচিত। একজন সাংবাদিক হিসেবে কপিরাইট বিষয়ক আইনের জ্ঞান থাকা জরুরি। সর্বশেষ যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সৃজনশীলতা। তাই নিজেকে প্রতিনিয়ত সৃষ্টিশীল ও গনতান্ত্রিক মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে যা একজন সাংবাদিকের ক্ষেত্রে অতীব জরুরী।

লেখক-কবি,প্রাবন্ধিক ও গনমাধ্যমকর্মী।

II১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি III নিজের আইকনিক গান ‘পাগল মন, মন রে…’(নব্বই দশকের দর্শকের মনে সাড়া জাগানো গান)-এর কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগ এনে চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ করেছেন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী দিলরুবা খান। মোবাইল অপারেটর রবি’র পাঁচ কর্মকর্তাকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে কপিরাইট আইনে ।

আহমেদ কায়সারের লেখা গানটিতে সুর করেন আশরাফ উদাস। তুমুল জনপ্রিয় গানটি বিনা অনুমতিতে রিমেক করে শাকিব খান প্রযোজিত ‘পাসওয়ার্ড’ সিনেমায় ব্যবহারের অভিযোগ ওঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, শিল্পী দিলরুবা খানের অনুমতি না নিয়ে ‘পাগল মন’ গান রিমেক করে সিনেমায় ব্যবহার করেছেন শাকিব খান।মালেক আফসারী পরিচালিত ‘পাসওয়ার্ড’ ছবির ‘পাগল মন’ গানটিতে পর্দায় ঠোঁট মিলিয়েছেন শাকিব খান ও বুবলী। অনুমতি ছাড়াই সিনেমায় আমাদের মিউজিক ও গানের কিছু অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর এটি মোবাইল অপারেটর রবি কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিটে ক্ষতিপূরণ(১০ কোটি টাকা) ও আইনি ব্যবস্থার দাবি করে এ অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে দিলরুবা খান বলেন,
সিনেমার প্রযোজক হিসেবে শাকিব খান এটি অন্যায় করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিল্পীদের সঠিক ভাবে মূল্যায়ন করা হয় নাহ্, যদি মূল্যায়ন করা হতো তাহলে বুড়ো বয়সে ভিক্ষা করতে হতো নাহ । এই গানের গীতিকার, সুরকার ও আমি মিলে এই অভিযোগ করেছি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের আইনজীবী আইনিভাবে লড়বেন।

দিলরুবা খানের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওলোরা আফরিন জানান,রবিবার (২৮ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিটে ক্ষতিপূরণ ও আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

0 26

নৃত্যশিল্পী অঞ্জনা সুলতানা । ঢালিউডে অভিষেক ১৯৭৮ সালে। এরই মধ্যে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। আশি দশকে তিনি ছিলেন জনপ্রিয় নায়িকা। সাবলীল অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। গুণী এই শিল্পী এই দিনে (২৭ জুন) ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

বেশ কয়েক বছর ধরে অঞ্জনার জন্মদিন উদযাপন শুরু হয় ছেলে মণি নিষাদের সারপ্রাইজ দিয়ে। এ বছরও তাই হয়েছে। রাত ১২টা বাজার পাঁচ মিনিট আগেই আমার ছেলে কেক নিয়ে হাজির, ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে সেটা কাটা হয়ে গেছে। সবার আগেই যেন সে আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিতে পারে। রাতে গোপনে কেক এনে সে নিজের রুমে রেখে দেয় আমাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য। আমি এটি উপভোগ করি।’

অঞ্জনা বলেন, ‘কেক কাটা শেষ করে মোবাইল ফোন হাতে নিতেই দেখি সবাই আমাকে ফেসবুকে উইশ করছে। চোখে পানি চলে আসল। সবাই আমাকে এখনো এত ভালোবাসে? সত্যি, আমার জন্ম সার্থক হয়েছে। সকাল থেকে হাতে ফোন নিয়ে বসে আছি। সবাই ফোনে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, কথা বলছি। আমার প্রিয় কিছু মানুষ আছে যাদের সঙ্গে হয়তো সারা বছর কথা হয় না, তবে এই দিনে শুভেচ্ছা জানান। এগুলো আমার কাছে অনেক আনন্দের।
অঞ্জনা সুলতানা অভিনয় ক্যারিয়ারে ৩৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে কার্যকরী পরিষদের সদস্যের দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিনয়, নৃত্য ও মডেলিং, তিন মাধ্যমেই অঞ্জনা সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর অভিনীত প্রথম সিনেমা বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘সেতু’। কিন্তু দর্শকের সামনে তিনি প্রথম আসেন মাসুদ পারভেজের ‘দস্যু বনহূর’ সিনেমার মাধ্যমে। নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে সর্বাধিক ৩০টি সিনেমার নায়িকাও অঞ্জনা। এর মধ্যে ‘অশিক্ষিত’, ‘রজনীগন্ধা’, ‘আশার আলো’, ‘জিঞ্জির’, ‘আনারকলি’, ‘বৌরানী’, ‘সোনার হরিণ’, ‘মানা’, ‘রামরহিমজন’, ‘সানাই’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’ ও ‘অভিযান’ উল্লেখযোগ্য। ‘পরিণীতা’ ও ‘গাঙচিল’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান অঞ্জনা। এ ছাড়া দুবার বাচসাস, দুবার নৃত্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

0 42

না ফেরার দেশে চলে গেলেন ঢাকাই সিনেমার খ্যাতিমান অভিনেতা ওয়াসিমুল বারী রাজিবের মা হাজেরা খাতুন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন বড় নাতি ওয়াসিমুল বারী মাসুদের বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

তার বয়স হয়েছিল ১২০ বছর। তিনি নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সালাম জানান, উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংক সড়কের বড় নাতির বাসভবনের সামনে মরহুমার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গাবতলী এলাকার নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তার লাশ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

অভিনেতা রাজীব মারা গেছেন অনেক আগেই। ২০০৪ সালের ১৪ নভেম্বর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে আজও আছেন তিনি। এবার তার কাছেই পাড়ি দিলেন মা।