Home বিনোদন

0 0

১৯৯২ সালে থেকে বিটিভির নাটকে অভিনয় শুরু করেন। শিশু চরিত্র দিয়ে শুরু পরবর্তীতে নাটকের প্রধান নারী চরিত্রে প্রস্তাব পান।প্রতিভা দিয়ে অল্প সময়েই নাট্য অঙ্গনে নিজের জায়গা করে নেন অভিনেত্রী সাবরিন সাকা মীম। প্রায় টানা ১৮ বছর মিডিয়ায় কাজ করে ব্যক্তিগত এবং অভিমান থেকে ‘নতুন কুঁড়ি’র এই চ্যাম্পিয়ন অভিনয় থেকে বিদায় নেন।

সর্বশেষ ২০১১ সালে নাটকে অভিনয় করেন মীম। তারপর থেকেই আড়ালে চলে যান এই অভিনেত্রী। সংবাদ পাঠ করলেও নাটকে আর ফেরেননি তিনি। বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি, করোনা পরিস্থিতিতে অফিস বাসা থেকেই করে যাচ্ছি ।’ঈদে নাটক দেখার চেষ্টা করি, কিন্তু এত নাটক আর বিজ্ঞাপনের ভিড়ে কোন চ্যানেলে নাটক দেখছি, সেটাই ভুলে যাই।’
আমার অন্যান্য ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় মনে হয় না আবার অভিনয়ে ফিরব।আমার মনে হয়, বড় একটা গ্যাপের কারণে এখন অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসাটাও কমে গেছে। আবার আমাকে কেউ অভিনয় করতে বললেও মনে হয় অভিনয় করতে পারব না।

আমার কাছে মনে হয়, অভিনয়টাই ভুলে গেছি।’নাটক তাঁর খুবই ভালোবাসার জায়গা, নাটক না করলেও নাটকের প্রতি টান টা রয়ে গেছে আগের মতন । যেখানেই কাজ করি না কেন, সেখানে ভালো–মন্দ অনেক কিছুই হয়। সেটা কখনো কারও ভালো লাগে, কখনো ভালো লাগে না। নাটক আমার ভালোবাসার একটা জায়গা।

কোনো কিছুকে অনেক ভালোবাসলে অনেক সময় ভালোবাসার জায়গা থেকেই সরে আসতে হয়। যেমন বলে না মানুষ, প্রেম শুধু কাছেই টানে না দূরেও সরিয়ে দেয়।’পড়াশোনার বেশ চাপ ছিল। তখন কাজ এমনিতেই কমিয়ে দিয়েছিলাম।

করোনা নিয়েই দুশ্চিন্তা, হতাশা ভয়, সবার মতো আমারও আছে। কী হবে সারাক্ষণ একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটছে। তবে পরিবারে আমার বাবা মা ভালো নেই।

তাদের জন্য চিন্তা হচ্ছে। ’মা – বাবার জন্য দোয়া চাই।

সি টি জি ট্রিবিউন : লেখক__মোঃ কামরুল ইসলাম।

সাংবাদিকতা এক মহান পেশা।মানুষকে জাগ্রত করার একমাত্র প্রদীপ ঘর,ন্যায়কে ন্যায়,অন্যায় কে অন্যায় বলার অদম্য সাহসের অপর নাম সাংবাদিকতা। তবে বর্তমানে ঢালা কুলা সাজিয়ে বিভিন্ন ভাবে সুবিদা আদায় করা,কার্ড নির্ভর নিজের স্বার্থে সুবিদা গ্রহন এবং সংবাদ গ্রহন বা প্রেরণ বা ঝড়ের অনুকূলে বা প্রতিকূলে সুবিধামত অষ্টশিক ধরার নাম কখনও প্রকৃত সাংবাদিকতা হতে পারে না।
না জেনে,না বুঝে এখন অনেকে এই পেশায় এসে নিজকে সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছে বা যে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জ্ঞান থাকা দরকার তা আছে কিনা তা নিয়ে ও বিজ্ঞ মহলে প্রশ্ন বয়েছে। সাংবাদিক তারাই যারা ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়,বিভিন্ন সমস্যা জেনেও দূর্ভোগ জেনে ও বিন্দুমাত্র যারা হতাশ না হয়ে,প্রতিকুল অবস্হাতে নিজকে মানিয়ে নেয়।এই দেশে কেউ কেউ মানবতার দোহাই দিয়ে বা সাংবাদিক পরিচয়ে আমানবিক, অসাংবাদিক সুলভ কর্মযজ্ঞ যে করে না তা কিন্তু নয়।

না জেনে না বুঝে বিভিন্ন নামে নতুন নতুন যে সাংবাদিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ তা শোভনীয় নয়।নামে বা নাম সর্বস্হ যে সব সংগঠন রয়েছে তারা স্বাধীনতা,পরবর্তী সময় হতে আজ পর্যন্ত তেমন কোন উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখতে পারেনি।

কারন সাংবাদিকতার পাশাপাশি চলে অপসাংবাদিক- তা এবং সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে সুকৌশলে চলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অন্যদিকে সাংবাদিকদের নায্য চাওয়া পাওয়া বছরের পর বছর ঝুলে থাকে।সরকার আসে সরকার যায় সাংবাদিকদের একটা অংশের আত্মকেন্দ্রিক মনোভাবের কারনে পুরো সাংবাদিক সমাজ তাদের চাওয়া,পাওয়া থেকে দুরে সরে যায়।

তবে অতি উৎসাহীদের অজ্ঞতা,প্রকৃত শিক্ষার অভাব,বিভিন্ন ধরনের কর্মকান্ড সঠিক বিষয়ে সঠিক ধারনা না থাকা জ্ঞান চর্চা না করা,প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি স্বার্থের বেড়াজালে সত্যের উপর অবজ্ঞা,অবহেলা, সাংবাদিক হিসাবে অহমিকা,অন্যায় পথে নিজের খ্যাতি পাওয়া ও টাকা আয় করার অদম্য প্রচেষ্টার কারনে এই বিভাগ দেশের অন্যান্য বিভাগের মত আজ প্রশ্নবানে জর্জরিত।

সাংবাদিকদের মধ্যে অনৈক্য ও সাংবাদিক হত্যাকান্ড নির্যাতন,নিপীড়ন সহ নানা ধরনের অনিয়ম,স্বার্থের কারনে সাংবাদিকরা তাদের নায্য দাবী আদায়ে বরাবরই ব্যর্থ।রাষ্ট্রের সংবিধানে যেখানে সংগঠন করার অধিকার সকলের রয়েছে সেখানে যে কেউ সংগঠন করতে পারে তবে কোন সংগঠন সাংবাদিক কল্যানে তেমন কোন ভুমিকা রাখতে আজ ও পারেনি বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন।

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের যদি মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকে, মানবকল্যান যদি অর্থের বলয়ে ঘুরপাক খায় তখন সাংবাদিক, সাংবাদিকতা মানব কল্যানে নয়, নিজ কল্যানে ভুমিকা রাখে যা স্বাভাবিক।তাহাছাড়া সংবাদ পরিবেশন সহ যাবতীয় কর্মযজ্ঞ যদি জনমানুষের কল্যানে না হয় তখন তা হয় দুঃখজনক।এর জন্য দায়ী কিছু উৎসাহী অনেকের মতে বিজ্ঞ,নির্লজ্জ সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতা।

মুলত Journalist বা সাংবাদিক তারাই এক কথায় যারা দেশ কিংবা দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংবাদ, বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ পূর্বক সংবাদ কিংবা প্রতিবেদন রচনা করেন সংবাদমাধ্যম সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে যারা প্রেরণ করেন। এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন বয়সের পুরুষ কিংবা নারী যে কোন সময় সাংবাদিকতাকে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসাবে গ্রহন করতে পারেন।

তাহাছাড়া যারা বিভিন্ন মাধ্যমে লিখেন তারা ও এক ধরনের সাংবাদিক বা গনমাধ্যম কর্মী এবং তারা তাদের গবেষণালব্ধ তথ্য, লেখনী এবং বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রতিবেদন রচনা করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উপস্থাপন করেন। যা সংবাদপত্র,টেলিভিশন,রেডিও, ডিজিটাল মাধ্যমরূপে বিভিন্ন অনলাইনে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গীতে তারা নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপন করেন।মুলত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া প্রতিটি সংবাদ,প্রতিবেদন পরিবেশন,যা সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।

সাংবাদিকতার কতগুলো নিয়ম কানুন রয়েছে তবে সাংবাদিকতার নিয়ম কানুনের ধারণা বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন রকম হতে পারে। অনেক দেশে সংবাদ মাধ্যম সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় যা পুরোপুরি স্বাধীন নয়।আবার অনেক দেশে যে কোন মাধ্যম সরকার থেকে সম্পূর্ন স্বাধীন হলে ও সাংবাদিকরা ঐ দেশের সাংবিধানিক নিরাপত্তার আওতায় থাকে। স্বাধীন ও প্রতিযোগিতামূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সংগ্রহ করা মুক্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত সংবাদ নির্ভয়ে পরিবেশন সমাজকে, মানুষকে প্রকৃত আলোয় আলোকিত করে।

সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে কলাম লেখন সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন। সাংবাদিকতার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। যেমন- ব্রডকাস্ট সাংবাদিক, দুরদর্শন,বেতার সহ অন্যান্য।আবার ফটোসাংবাদিক যারা তারাই আবার অনেকের মতে আলোকচিত্র শিল্পী বা যারা ছবি তুলেন। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকরা স্বাধীন ভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করেন।

ক্রীড়া সাংবাদিক
খেলাধুলা সংক্রান্ত বিষয়ে লেখেন।অন্যদিকে অপরাধ সাংবাদিকরা অপরাধবিষয়ক লেখা লেখেন।যারা কলামিস্ট তারা ও সাংবাদিক-সামাজিক রাজনৈতিক বিষয় বিশ্লেষণ করে প্রবন্ধ লেখেন।আর এক ধরনের নাগরিক সাংবাদিক রয়েছে যারা নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকে নাগরিক সমস্যা নিয়ে লিখে থাকেন।এরপর বিনোদন সাংবাদিক-বিনোধনধর্মী বিষয়-যেমন তারকা -দের জীবন, স্ক্যান্ডাল, রাশিফল এসব নিয়ে লিখে থাকেন। এই ছাড়া ও যারা ব্যাকপ্যাক সাংবাদিক তারা
নিজেই রিপোর্টার,নিজে ভিডিওগ্রাফার, আলোকচিত্রী এবং প্রযোজক।

ভাল সাংবাদিকতার জন্য প্রয়োজন মুলত সময়,মনোযোগ এবং পরিশ্রম। এর পাশাপাশি কৌতূহল এবং জানার আগ্রহ। সাংবাদিকতার মানেই হচ্ছে মানুষকে নতুন কিছু বলা। মৌলিক সাংবাদিকতার জন্য নৈপুণ্য দরকার। সকল সাংবাদিক চায় মৌলিক কাজগুলো করতে। এখানে দায়সারা গোছের কিছু করলে চলে না। এখানে কঠোর পরিশ্রম দরকার,শুধু কয়েকদিনের জন্য নয়।প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই ভাল সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে।

আবার সাংবাদিকের কাজ সংবাদ সংগ্রহ করা সংবাদের সত্যতা যাচাই করা,সংবাদ সম্পাদনা করা,প্রয়োজনে মানুষের সাক্ষাৎকার নেয়া,বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করা তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করা ও প্রয়োজনীয় ছবি সংগ্রহ করা।

যেহেতু সাধারণ মানুষের জীবনে গণমাধ্যমের সরাসরি প্রভাব রয়েছে, সেহেতু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা একজন সাংবাদিকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এছাড়া সংবেদনশীল খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যদাতার গোপনীয়তা রক্ষা করা ও বাঞ্ছনীয়।

একজন সাংবাদিকের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয় সেই প্রসঙ্গে বলতে গেলে বলতে হয় প্রত্যেক সাংবাদিক কে গণযোগাযোগ বিষয়ে পড়তে হবে, এমন কোন কথা নেই।তবে বাংলা,ইংরেজি সাহিত্য,অর্থনীতি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরাও এ পেশায় বর্তমানে নিয়োজিত আছেন।

সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে আগে থেকেই যারা নির্বাচন করে রাখেন, তাদের জন্য সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়ে পড়াই ভালো।তবে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রী না হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া বা সাংবাদিকতা পেশা না আসা উত্তম। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকতার উপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জ্ঞান অজর্ন করতে হবে।

ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতে ভালো দখল থাকা জরুরী।
এই ছাড়া ও কোন কিছুর ব্যাপারে অনুসন্ধান করে তথ্য সংগ্রহের মানসিকতা থাকতে হবে।একজন সাংবাদিকের যোগাযোগের ক্ষেত্রে দক্ষতা,উপস্থাপনার জ্ঞান লেখালেখির দক্ষতা বিভিন্ন ধরনের লেখালেখিতে অভ্যস্ত থাকা অতীব জরুরি এ পেশায়।

এ ছাড়াও বিশ্লেষণী ক্ষমতা, কিছু ক্ষেত্রে শুধু তথ্য-উপাত্তের উপর নির্ভর না করে লেখায় বা সংবাদের যৌক্তিক চিন্তার প্রকাশ ঘটাতে হবে।কারিগরি কিছু জ্ঞান থাকা ভালো। যেমন, ফটোশপ বা ইলাস্ট্রেটরের প্রাথমিক ব্যবহার শিখে রাখা উত্তম।এর বাইরে ফেসবুক, টুইটার, সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে যুক্ত থাকলে কাজ করতে সাংবাদিকদের অনেক সহজ হয়।

মোট কথা আগে থেকে নিজের পছন্দের বিষয়ে সঠিকভাবে জানা উচিত। একজন সাংবাদিক হিসেবে কপিরাইট বিষয়ক আইনের জ্ঞান থাকা জরুরি। সর্বশেষ যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সৃজনশীলতা। তাই নিজেকে প্রতিনিয়ত সৃষ্টিশীল ও গনতান্ত্রিক মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে যা একজন সাংবাদিকের ক্ষেত্রে অতীব জরুরী।

লেখক-কবি,প্রাবন্ধিক ও গনমাধ্যমকর্মী।

II১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি III নিজের আইকনিক গান ‘পাগল মন, মন রে…’(নব্বই দশকের দর্শকের মনে সাড়া জাগানো গান)-এর কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগ এনে চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ করেছেন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী দিলরুবা খান। মোবাইল অপারেটর রবি’র পাঁচ কর্মকর্তাকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে কপিরাইট আইনে ।

আহমেদ কায়সারের লেখা গানটিতে সুর করেন আশরাফ উদাস। তুমুল জনপ্রিয় গানটি বিনা অনুমতিতে রিমেক করে শাকিব খান প্রযোজিত ‘পাসওয়ার্ড’ সিনেমায় ব্যবহারের অভিযোগ ওঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, শিল্পী দিলরুবা খানের অনুমতি না নিয়ে ‘পাগল মন’ গান রিমেক করে সিনেমায় ব্যবহার করেছেন শাকিব খান।মালেক আফসারী পরিচালিত ‘পাসওয়ার্ড’ ছবির ‘পাগল মন’ গানটিতে পর্দায় ঠোঁট মিলিয়েছেন শাকিব খান ও বুবলী। অনুমতি ছাড়াই সিনেমায় আমাদের মিউজিক ও গানের কিছু অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর এটি মোবাইল অপারেটর রবি কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিটে ক্ষতিপূরণ(১০ কোটি টাকা) ও আইনি ব্যবস্থার দাবি করে এ অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে দিলরুবা খান বলেন,
সিনেমার প্রযোজক হিসেবে শাকিব খান এটি অন্যায় করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিল্পীদের সঠিক ভাবে মূল্যায়ন করা হয় নাহ্, যদি মূল্যায়ন করা হতো তাহলে বুড়ো বয়সে ভিক্ষা করতে হতো নাহ । এই গানের গীতিকার, সুরকার ও আমি মিলে এই অভিযোগ করেছি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের আইনজীবী আইনিভাবে লড়বেন।

দিলরুবা খানের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওলোরা আফরিন জানান,রবিবার (২৮ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিটে ক্ষতিপূরণ ও আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

0 26

নৃত্যশিল্পী অঞ্জনা সুলতানা । ঢালিউডে অভিষেক ১৯৭৮ সালে। এরই মধ্যে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। আশি দশকে তিনি ছিলেন জনপ্রিয় নায়িকা। সাবলীল অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। গুণী এই শিল্পী এই দিনে (২৭ জুন) ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

বেশ কয়েক বছর ধরে অঞ্জনার জন্মদিন উদযাপন শুরু হয় ছেলে মণি নিষাদের সারপ্রাইজ দিয়ে। এ বছরও তাই হয়েছে। রাত ১২টা বাজার পাঁচ মিনিট আগেই আমার ছেলে কেক নিয়ে হাজির, ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে সেটা কাটা হয়ে গেছে। সবার আগেই যেন সে আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিতে পারে। রাতে গোপনে কেক এনে সে নিজের রুমে রেখে দেয় আমাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য। আমি এটি উপভোগ করি।’

অঞ্জনা বলেন, ‘কেক কাটা শেষ করে মোবাইল ফোন হাতে নিতেই দেখি সবাই আমাকে ফেসবুকে উইশ করছে। চোখে পানি চলে আসল। সবাই আমাকে এখনো এত ভালোবাসে? সত্যি, আমার জন্ম সার্থক হয়েছে। সকাল থেকে হাতে ফোন নিয়ে বসে আছি। সবাই ফোনে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, কথা বলছি। আমার প্রিয় কিছু মানুষ আছে যাদের সঙ্গে হয়তো সারা বছর কথা হয় না, তবে এই দিনে শুভেচ্ছা জানান। এগুলো আমার কাছে অনেক আনন্দের।
অঞ্জনা সুলতানা অভিনয় ক্যারিয়ারে ৩৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে কার্যকরী পরিষদের সদস্যের দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিনয়, নৃত্য ও মডেলিং, তিন মাধ্যমেই অঞ্জনা সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর অভিনীত প্রথম সিনেমা বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘সেতু’। কিন্তু দর্শকের সামনে তিনি প্রথম আসেন মাসুদ পারভেজের ‘দস্যু বনহূর’ সিনেমার মাধ্যমে। নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে সর্বাধিক ৩০টি সিনেমার নায়িকাও অঞ্জনা। এর মধ্যে ‘অশিক্ষিত’, ‘রজনীগন্ধা’, ‘আশার আলো’, ‘জিঞ্জির’, ‘আনারকলি’, ‘বৌরানী’, ‘সোনার হরিণ’, ‘মানা’, ‘রামরহিমজন’, ‘সানাই’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’ ও ‘অভিযান’ উল্লেখযোগ্য। ‘পরিণীতা’ ও ‘গাঙচিল’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান অঞ্জনা। এ ছাড়া দুবার বাচসাস, দুবার নৃত্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

0 42

না ফেরার দেশে চলে গেলেন ঢাকাই সিনেমার খ্যাতিমান অভিনেতা ওয়াসিমুল বারী রাজিবের মা হাজেরা খাতুন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন বড় নাতি ওয়াসিমুল বারী মাসুদের বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

তার বয়স হয়েছিল ১২০ বছর। তিনি নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সালাম জানান, উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংক সড়কের বড় নাতির বাসভবনের সামনে মরহুমার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গাবতলী এলাকার নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তার লাশ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

অভিনেতা রাজীব মারা গেছেন অনেক আগেই। ২০০৪ সালের ১৪ নভেম্বর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে আজও আছেন তিনি। এবার তার কাছেই পাড়ি দিলেন মা।

0 109

সি টি জি ট্রিবিউন :লেখক- কবি,প্রাবন্ধিক ও মানবাধিকারকর্মী মোঃ কামরুল ইসলাম।আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তা নিয়ে আমাদের পরিবেশ। জলবায়ু ও এর প্রভাব বিস্তারকারী অন্যান্য জীব,জৈব উপাদান সহ সবকিছু পরিবেশের অন্তর্ভুক্ত।আবার এই সব মানুষেরই জন্য।তাই পৃথিবী ও পরিবেশ কে সুন্দর রাখার দায়িত্বও মানুষের।

পৃথিবী কি ও এর ওজন কত- বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যয়নরত আমার বড় মেয়ে নাজিফা ইসলাম ইরার আজকের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এই ধরনের অবতারনা তা কিন্তু নয়।ভলতেয়ার নামক এক বিশ্ব পন্ডিতের মন্তব্য এমন ছিল যে পৃথিবীতে ঈশ্চর বলতে কিছুই নেই তা আমার চাকরকে বলো না সে আমাকে রাতের বেলা কুপিয়ে মেরে ফেলবে কেন সেই এই ধরনের মন্তব্য করলো আমাকে বুঝিয়ে বলা।

পৃথিবী সৌরজগতের মাঝারী ধরনের একটি গ্রহ এবং এর ওজন ৫.৮৭*১০/২১ টন।আমি পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র হওয়ায় আমার এই উত্তরে সে খুশী হতে পারেনি। মুখের উপর সে আমাকে বলে ফেলল তা সে আমার লেখা বই “জানতে হবে আমাদের”তাতে দেখেছে।সে আরো বিশদ ভাবে জানতে চায়।মুলত পৃথিবী সৃষ্টি সম্পর্কে যে বা যারা বলেছে তা ছিল সম্পূর্ন অনুমান নির্ভর।

পৃথিবীর বয়স প্রায় ৪৫৪ ± ৫ কোটি বছর (৪.৫৪ × ১০৯ বছর ± ১%) এই বয়স উল্কার রেডিও মেট্রিক বয়স নির্ণয় পদ্ধতি থেকে নেওয়া যা প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন পার্থিব ও চাঁদের পাথরের রেডিওমেট্রিক বয়সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

রেডিওমেট্রিক নির্ণয় পদ্ধতি আবিষ্কারের পর ইউরেনিয়াম-সীসার বয়স নির্ণয়ে দেখা যায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ খনিতে এমন সীসা বিদ্যমান রয়েছে যার বয়স ১০০ কোটি বছরের বেশি এবং এই ধরনের খনি থেকে প্রাপ্ত সবচেয়ে পুরনো ছোট ও স্বচ্ছ বস্তু গোমেদ-মণি, যা পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার জ্যাক হিলস নামক স্থানে পাওয়া যায়, যার বয়স কমপক্ষে ৪৪০.৪ কোটি বছর।

সৌরজগতে গঠিত উল্কাপিন্ডের মধ্যে ক্যালসিয়াম-অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ সবচেয়ে প্রাচীন কঠিন বস্তুর বয়স প্রায় ৪৫৬.৭ কোটি বছর। আবার কেউ বলছেন পৃথিবীর বয়স ৫০০কোটি বছর।ভূতত্ত্বের ইতিহাস পাললিক শিলার গবেষণা থেকে দেখা যায় পাথর এবং পৃথিবীর স্তরবিন্যাস, প্রকৃতিবিদদের এই ধারণা প্রদান করে যে,পৃথিবী সৃষ্টির সময় থেকে অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকের এই অবস্হা।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরগুলিতে অজানা প্রাণীর জীবাশ্ম বিদ্যমান রয়েছে ,যা স্তর থেকে স্তরে জীবের অগ্রগতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।সপ্তদশ শতকে নিকোলাস স্টেনো প্রথম প্রকৃতিবিদ ছিলেন যিনি জীবাশ্ম অবশিষ্টাংশ এবং পাললিক শিলার মধ্যে সম্পর্কের ধারণা প্রদান করেন।

তাঁর পর্যবেক্ষণ সমূহ তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্তরবিজ্ঞান তত্ত্ব (যেমন, “উপরিপাত নীতি” এবং “মূল আনুভূমিক নীতি”) প্রণয়নে সহয়তা করে। ১৭৯০-এর দশকে উইলিয়াম স্মিথ অনুমান করেন যদি বিভিন্ন স্থানে শিলার দুটি স্তরের অনুরূপ জীবাশ্ম পাওয়া যায়, তাহলে সম্ভাবনা রয়েছে যে দুটি স্তরের বয়স একই।

উইলিয়াম স্মিথের ছাত্র, জন ফিলিপস পরে এই ধরনের গড় নিয়ে গণনা করে বলেন পৃথিবীর বয়স সম্পর্কে একটি ধারনা দেন তবে তাও ছিল অনুমান নির্ভর।পৃথিবী সৃষ্টি সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রথমে মহান আল্লাহ বলেন- আল্লাহর কিতাবে কোনো ভুল নেই।সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই যিনি তাঁর দাসের প্রতি এই কিতাব(আল কুরআন)অবতীর্ণ করেছেন এবং এতে তিনি অসঙ্গতি,বক্রতা রাখেননি।

(আল কুরআন, কাহফ ১৮ : ১)। আস সা’দী (র.)এই আয়াতের তাফসিরে বলেন-‘বক্রতা থাকা নাকচ করার মানে হচ্ছে, এর (কুরআন) তথ্যসমূহ মিথ্যা থেকে মুক্ত। এবং এর আদেশ-নিষেধ সকল প্রকার অনাবশ্যকতাও অন্যায় থেকে মুক্ত।আকাশ,পৃথিবীসহ সৌরজগতের সৃষ্টি নিজ চোখে কেউ দেখেনি। এই পর্যন্ত যত তথ্য,তত্ত্ব যা আমরা জেনেছি তা বিজ্ঞানীদের অনুমান নির্ভর।

তাই আল্লাহ বলেন-আমি তাদেরকে আসমান সমুহ ও পৃথিবীর সৃষ্টির সাক্ষী করিনি আর না তাদের নিজেদের সৃষ্টির। আর আমি পথভ্রষ্টকারীদেরকে সহায়তাকারী হিসেবে গ্রহণ করিনি।”(আল কুরআন, কাহফ ১৮ : ৫১) কুরতুবী (র.)এর তাফসিরে লিখেছেন-এই আয়াতসমুহ বিভিন্ন শ্রেণীর জ্যোতিষী,নৃবিজ্ঞানী,বিজ্ঞানী,নিরাময় কারী এবং এমন কাজে যুক্ত অন্যদেরকে ও তাদের বিভিন্ন ধারনার প্রত্যুত্তর দেয়।

জ্যোতিবিদ ও বিজ্ঞানীরা যা বলে তা তাদের ব্যক্তিগত মত। অন্যদিকে মহান আল্লাহ বলেন-পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তিনি মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছেন; অতঃপর তিনি আকাশের প্রতি মনঃসংযোগ করেন, অতঃপর সপ্ত আকাশ সুবিন্যস্ত করেন এবং তিনি সর্ব বিষয়ে মহাজ্ঞানী।”(আল কুরআন, বাকারাহ ২ : ২৯)।

এই আয়াত প্রমাণ করে যে পৃথিবীর সৃষ্টি আকাশ সৃষ্টির আগে হয়েছে।

কেবল গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলেই ওজন কমে না। টকজাতীয় খাবার সাময়িকভাবে ক্ষুধা নিবৃত্ত করে কিন্তু স্থায়ীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় হল পরিমিত খাবার গ্রহণ ও শরীরচর্চা। প্রতিদিন সকালে লেবু পানি খেয়ে দিনভর তেল ও মসলাদার খাবার খেলে কখনোই ওজন কমবে না। আবার সারা দিন না খেয়ে ওজন কমাতে গিয়ে শরীর দুর্বলও হয়ে পড়ে।

ওজন কমাতে অনেকেই নিয়মিত মধু খান। কিন্তু গরমে মধু না খাওয়াই ভালো। কারণ মধু শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অনেকের মাথা গরম হয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। আর রাতে ঘুম ঠিকমতো না হলে ওজন কমার সম্ভাবনা নেই। বরং নিয়মিত খাবার খেয়েই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে পরিমিত খাবার গ্রহণের একটি সাধারণ ডায়েট চার্ট দেয়া হল। তবে বয়স, ওজন ও সমস্যাভেদে ডায়েট চার্ট পার্থক্য হবে।

সকাল

একটা রুটি, এক বাটি সবজি এবং একটা ডিম। বেলা ১০টা থেকে ১১টায় যেকোনো ফল খেতে পারেন তবে কলা এড়িয়ে যান।

দুপুর

আধকাপ ভাতের সঙ্গে মাছ বা মাংস এবং অবশ্যই এক বাটি ডাল। আর যত খুশি পাতে তুলে নিন সবজি। রান্নায় কম তেল ব্যবহার করুন।

বিকাল

খিদে পেলে সবজির এক বাটি স্যুপ খেতে পারেন। আর বিকেলের নাস্তায় রাখুন গ্রীন টি, টোস্ট অথবা মুড়ি। চাইলে শসা, টমেটোর সালাদও খেতে পারেন।

রাত

রাতে ভাতটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। দুধের সঙ্গে কর্নফ্লেকস অথবা রুটি দিয়ে ডিনার সারুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে পরিমিত খাবারের পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্যকর নিয়মও মেনে চলতে হবে। যেমন, ঘুমটা যেন অন্তত আট ঘণ্টার হয়। সকালের নাস্তা যাতে বাদ না যায়। সকালের নাস্তা নয়টা ও রাতের ডিনার অবশ্যই রাত আটটার মধ্যে সারতে চেষ্টা করুন। যাদের এসিডিটির সমস্যা নেই তারা টক জাতীয় পানীয়ও ডায়েট চার্টে রাখুন।

test 1