Home দূর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা

১০ মে ২০২১খ্রিঃ সোমবার ১২টা ৪৬ মিনিটে টেলিফোনে যোগে সিটিজি ট্রিবিউন বার্তা সম্পাদকের মোবাইলে এবং দেশের সকল মোবাইল ব্যবহারকারি ফোন রিসিভ করলেই শোনা যাবে : হ্যালো আমি শেখ হাসিনা বলছি

প্রধানমন্ত্রী রেকর্ড ফোন আলাপ সরাসরি তুলে ধরা হলোঃ

হ্যালো আমি শেখ হাসিনা বলছি,আসসালামু আলাইকুম,

সিয়াম সাধনা পর আমাদের মাঝে এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর,এখনো করোনা ভাইরাস এর তান্ডব চলছে মহান আল্লাহ তায়ালা এই মহামারি থেকে মুক্তি দিক এই কামনা করি।

 

আসুন যে ভাবে এই সংযত সাথে পবিত্র রমজান মাস পালন করেছেন, ঠিক সেইভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন, নিজেরা সুস্থ থাকুন, ঈদুল ফিতরে সকলে আনন্দ করুন, তবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে,
আমার শুভেচ্ছা নিবেন পরিবার সবাইকে দিবেন
ঈদ মোবারক।।

৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে

সিটিজিট্রিবিউন:দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। এছাড়া অন্যত্র ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আভাস রয়েছে।

তাই নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঝড়ের আভাস থাকায় কোথাও দুই নম্বর, কোথাও এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

বুধবার (৫ মে) রাতে এ সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে রাজশাহী, পাবনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, কুমিল্লা এবং খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৬০ থেকে ৮০ কিমি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৬ মে) সন্ধ্যা নাগাদ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়াে হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ঢাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম দক্ষিণ দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিমি, যা অস্থায়ীভাবে দমকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমিতে ওঠে যেতে পারে।

শুক্রবার নাগাদ আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। তবে বর্ধিত পাঁচদিনে বৃষ্টি সহ বজ্রবৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

বুধবার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে মোংলায়, ১১ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙ্গামাটিতে, ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিবেদন:কেইউকে।

মোবাইলে কল ও ইন্টারনেট সেবায় সমস্যার সম্মুখীন হবেন দেশের গ্রাহকরা। নতুন তরঙ্গ বিন্যাস ও পরিবর্তনের কারণে আজ বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) রাত ১১টা থেকে আগামীকাল সকাল ৭টা পর্যন্ত এই সমস্যা থাকবে।এরই মধ্যে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরগুলো এসএমএস এর মাধ্যমে তাদের গ্রাহকদের এই বার্তা জানিয়ে দিয়েছে। গেলো ২৯ মার্চ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনও (বিটিআরসি) এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে শুক্রবার সকাল সকাল ৭টা পর্যন্ত তরঙ্গ পুনর্বিন্যাসের জন্য কল ও ইন্টারনেট সেবায় সাময়িক সমস্যা হতে পারে। এ সময়ের পর ইন্টারনেট ব্যবহারে অসুবিধা হলে ফোনটি রিস্টার্ট করুন। সাময়িক এ সমস্যায় আমরা দুঃখিত। এমনটাই এক ক্ষুদে বার্তায় মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক তাদের গ্রাহকদের জানায়।

এছাড়া গেলো ২৯ মার্চ বিটিআরসির এক বিবৃতি বলা হয়, প্রথম ধাপে ১৮০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গ বিন্যাসের কারণে ১ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে ২ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা এবং দ্বিতীয় ধাপে ২১০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের নতুন বিন্যাসের জন্য ৭ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে ৮ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত মোবাইল ফোন সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।গেলো ৮ মার্চ মোবাইল অপারেটরদের কাছে ৭ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকায় তরঙ্গ বিক্রি করে সরকার। নিলামে এ পরিমাণ টাকায় ২৭ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বিক্রি হয়। পাঁচ বছরের কিস্তিতে অপারেটরদের কাছ থেকে টাকাগুলো পাওয়া যাবে।

বলে রাখা ভালো, আফ্রিকার ইথিওপিয়া-সুদান থেকে দশভাগ পিছিয়ে থাকা নেটওয়ার্ক উন্নত করতে তরঙ্গ কিনেছে মুঠোফোন অপারেটররা। নিলামে তোলা ২৭ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গের পুরোটাই কিনেছে বেসরকারি তিন অপারেটর। দুটি ব্যান্ডে সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে গ্রামীণফোন। আর নিলামে অংশ নিয়েও কোনো তরঙ্গ না কিনেই ফেরত গেছে সরকারি অপারেটর টেলিটক। বিটিআরসি বলছে, মোট দামের চার ভাগের এক ভাগ দিতে হবে ২২ মার্চের মধ্যেই।

 

ইন্টারনেট গতি মাপার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওকলার সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন দেশে মোবাইল ইন্টারনেটে ডাউনলোডের গড় গতি ১০ দশমিক ৫৭ এমবিপিএস এবং আপলোডের গতি ৭ দশমিক ১৯ এমবিপিএস। এ ধীরগতি নিয়ে বিশ্বের ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৬তম। আফ্রিকার পিছিয়ে পড়া দেশ ইথিওপিয়া-সুদানের চেয়েও যার গতি দুর্বল।

এই অবস্থা থেকে উন্নতি করতে গেলো ৮ মার্চ তরঙ্গ নিলামে তোলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি। যেখানে ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ৯ নম্বর ব্লকের ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় নামে রবি ও গ্রামীণফোন। ৮ ঘণ্টার যুদ্ধশেষে রবিকে হারিয়ে ২৭ মিলিয়ন ডলার ভিত্তিমূল্যের তরঙ্গ ৪৬ দশমিক সাত পাঁচ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেয়

নিলাম শেষে জানানো হয়, গ্রামীণফোন দুটি ব্যান্ডে ১০ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ; রবি ৭ দশমিক ৬ মেগাহার্টজ ও বাংলালিংক কিনেছে ৯ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ।

আগামী ২২ মার্চের মধ্যে তরঙ্গ কেনার ২৫ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এরপরও বাড়তি তরঙ্গে সেবা দিতে সময় লাগবে আরও এক থেকে দেড় মাস।

এবার নতুন তরঙ্গ নিয়ে গ্রামীণফোনের তরঙ্গ পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭.৪ মেগাহার্টজ; রবির ৪৪ মেগাহার্টজ এবং বাংলালিংকের ৪০ মেগাহার্টজ।

বিটিআরসির হিসাবে, বর্তমানে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৮ কোটির কিছু বেশি। রবির গ্রাহক ৫ কোটি ১৫ লাখ। আর বাংলালিংকের গ্রাহক ৩ কোটি ৫৯ লাখ এবং টেলিটকের ৫৫ লাখ।

 

ট্রিবিউন রিপোর্ট:কসবকবাজারের উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প সংলগ্ন কুতুপালং বাজারে অগ্নিকাণ্ডে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে; আহত হয়েছেন কয়েকজন।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা ইমদাদুল হক জানান, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং বাজারে আগুন লাগার পর প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।আগুন নেভানোর আগে বেশ কিছু দোকান

আমাদের কস্কবাজার সঙবাদদাতা জানান নিহতরা হলেন- আমান উল্লাহ (২০) ফরিদুল ইসলাম (২৫) ও মো. আইয়াস (২২)। তাদের মধ্যে আইয়াস ১০ নম্বর কুতুপালং ক্যাম্পের জি-ব্লকের মোহাম্মদ সাকের মাঝির ছেলে।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ইমদাদুল বলেন, কুতুপালং বাজারে একটি দোকানে আগুন লাগার পর তা ছড়িয়ে পড়ে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হল, সে বিষয়ে এখনও তারা নিশ্চিত নন।

“আগুন লাগলে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে আমাদের দুটি ইউনিট স্থানীয়দের সহায়তায় চেষ্টা চালিয়ে ভোর সোয়া ৫টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনজনের মৃতদেহ আমরা উদ্ধার করেছি, আহতদের উদ্ধার করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল এবং উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।”এর আগে গত ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সরকারি হিসেবে সেই অগ্নিকাণ্ডে ১১ জনের মৃত্যু হয়, ৯ হাজার ৩০০ পরিবারের আনুমানিক ৪৫ হাজার মানুষ ঘরহারা হয়ে পড়ে। অবশ্য জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ছিল ১৫ জন#

রান্না করার সিলিন্ডারের গ্যাস থেকে লাগা আগুনে শিশুসহ একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হয়েছে। শনিবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নের হাজিপাড়া গ্রামে আব্দুস সালামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৮ জনকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রব্বানী।

দিয়ে গ্যাস বের হয়ে পুরো রান্না ঘরে ছড়িয়ে ছিল। শনিবার দুপুরে তার স্ত্রী রান্না ঘরে গিয়ে চুলায় আগুন দিতে গেলে সেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হন।

kishorgonj-cylinder-brunt-inner

দগ্ধরা হলেন- আব্দুস সালামের স্ত্রী সিপাইনেছা (৫৮), তাদের দুই ছেলে কামাল (৩৫) ও আনোয়ার (১৭) এবং মেয়ে তাসলিমা (২৫)। এ ছাড়াও রয়েছেন দুই নাতি উম্মে হাবিবা ও উম্মে হানি এবং তাদের আত্মীয় পারভিন (১৫) ও জুয়েনাসহ (২০) মোট ৯ জন।ওসি জাকির আরো জানান, দগ্ধদের প্রথমে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ৮ জনকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

River-sicution

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে,যা আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে,যা আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত পারে।
দেশের ১০১ টি পানি সমতল ষ্টেশনের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬০ টির,হ্রাস পেয়েছে ৩৬ টির,অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টির, বিপদসীমার উপরে ষ্টেশনের সংখ্যা ৫ টি এবং বিপদসীমার উপরে নদীর সংখ্যা ৫ টি।
এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় দেশের বিভিন্নস্থানে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে,জাফলং ১৩০ মিলিমিটার, ঠাকুরগাঁও ১১০ মিলিমিটার, পঞ্চগড় ১০৯ মিলিমিটার, ডালিয়া ৯৬ মিলিমিটার, লালাখাল ৮০ মিলিমিটার, দিনাজপুর ৭১ মিলিমিটার, ভৈরব বাজার ৭০ মিলিমিটার।

শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বাতিঘর খ্যাত বিদ্যালয়টি পদ্মার গর্ভে বিলীন হতে চলেছে। বুধবার (২২ জুলাই) মধ্যরাতে বিদ্যালয়টির ভবন মাঝ বরাবর ফেটে গিয়ে হেলে পড়ে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যালয়টি নদীর দিকে আরও হেলে পড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।এ দিকে পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় চরাঞ্চলে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। ঘরবাড়ি ভেঙে নিরাপদ স্থানে ছুটে যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। এছাড়াও পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে চরাঞ্চলের মানুষেরা।একাধিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের নূরুদ্দিন মাদবরেরকান্দি গ্রামে অবস্থিত এস.ই.এস.ডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবনটি হেলে পড়েছে পদ্মার দিকে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে স্থাপিত হয় নূরুদ্দিন মাদবরের কান্দি এস.ই.এস.ডি.পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টি। বন্দোরখোলা ইউনিয়নের চরাঞ্চলে স্থাপিত এই বিদ্যালয়টির কারণে শিবচর উপজেলার বন্দোরখোলা ইউনিয়নের মমিন উদ্দিন হাওলাদারকান্দি, জব্বার আলী মুন্সীকান্দি, বজলু মোড়লের কান্দি, মিয়া আজম বেপারীর কান্দি, রহমত হাজীর কান্দি, জয়েন উদ্দিন শেখ কান্দি, মসত খাঁর কান্দিসহ প্রায় ২৪টি গ্রাম ও ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার চর নাসিরপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ছেলে-মেয়েরা এই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতো। বিদ্যালয়টি ছিল চরাঞ্চলের একমাত্র দৃষ্টিনন্দন তিনতলা ভবনসহ আধুনিক সুবিধা সমৃদ্ধ একটি উচ্চ বিদ্যালয়।বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চরের এই বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা সবাই চরের বাসিন্দা। মূল ভূ-খণ্ড এখান থেকে বেশ দূরে হওয়ায় চরের ছেলে-মেয়েরা অন্যত্র গিয়ে লেখাপড়া করার সুযোগ পেতো না। এই বিদ্যালয়টি হওয়ার পর থেকে চরের ছোট ছোট প্রায় ২৪টি গ্রাম থেকে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী এখানে এসে লেখাপড়া করতো।স্থানীয়রা জানায়, পদ্মার নিকটবর্তী হওয়ায় প্রতি বছরই বন্যার পানিতে ডুবে যেতো বিদ্যালয়সহ আশেপাশের এলাকা। গত বছর পদ্মানদী ভাঙতে ভাঙতে পেছন দিক দিয়ে বিদ্যালয়টির কাছে চলে আসে। এরপর গত বছরই ওই এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকিয়ে রাখে। চলতি বর্ষা মৌসুমেও ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলে ডাম্পিং চালানো হয়। তবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রচণ্ড স্রোতের কারণে জিও ব্যাগ ফেলে তেমন সুবিধা করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বুধবার রাতে তিন তলা ভবনের বিদ্যালয়টির কিছু অংশ হেলে পড়ে।বন্দরখোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ইসমাইল জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে হঠাৎ করেই বিকট শব্দ হতে থাকে স্কুলের ভবনের মধ্য থেকে। খবর পেয়ে অসংখ্য মানুষ ট্রলারে করে বিদ্যালয়টি দেখতে আসে। আমাদের সামনেই বিদ্যালয়টি মাঝখান থেকে ফাটল ধরে পেছন দিকে হেলে পড়ে।তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়টি মনোরম পরিবেশে একটি দৃষ্টিনন্দন বিদ্যালয় ছিল। গতকাল রাতে বিদ্যালয়টি ভাঙন ধরলে এলাকাবাসী কান্নায় ভেঙে পড়ে। চোখের সামনে এভাবে বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে দেখে স্থানীয়রা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছে।

করোনাভাইরাস প্রথম ধরা পড়ে চীনে। এখন পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটির বেশি। এতে মারা গেছে ৫ লক্ষাধিক মানুষ।
এই ভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বের শতাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে। এর মধ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন এগিয়ে আছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
কিন্তু সবাইকে ছাড়িয়ে এবার করোনার ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে চীন। সোমবার (২৯ জুন) এ খবর দিয়েছে ইয়াহু নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনীর গবেষণা শাখা এবং স্যানসিনো বায়োলজিকসের (৬১৮৫.এইচকে) তৈরি একটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন মানব শরীরে প্রয়োগের অনুমতি পেয়েছে।
তবে আপাতত ভ্যাকসিন শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যবহার করা হবে। স্যানসিনো বলেছে, চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন গত ২৫ জুন এডি৫-এনকোভ ভ্যাকসিনটি সৈন্যদের দেহে এক বছরের জন্য প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। স্যানসিনো বায়োলজিকস এবং একাডেমি অফ মিলিটারির একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার স্যানসিনো বায়োলজিকস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভ্যাকসিনটি চীনের বাইরেও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হচ্ছে। ইতিমধ্যে কাডানায় পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদনে দেয়া হয়েছে। তবে চীনের লজিস্টিক সাপোর্ট বিভাগের অনুমোদনের আগে এটি ব্যাপকভাবে সাধারণ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা হবে না।
খবরে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক কারণে ভ্যাকসিনটি সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করা হবে না। এমনকি সেনাবাহিনীর সদস্যদের এই ভ্যাকসিন নেয়া বাধ্যতামূলক কিনা তাও প্রকাশ করা হয়নি।
কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিনটি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় দারুণভাবে সফল হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে ভ্যাকসিনটি বাণিজ্যিকভাবে সফল হবে কিনা তা নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি।

টানা তৃতীয় ট্রায়ালেও সফল হয়েছে বিখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি করা করোনা ভ্যাকসিন। ফলে বৈশ্বিক এই মহামারিটি রুখতে বিশ্বের অন্যান্য ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীদের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে গিয়েছে তারা।

বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ভারতে র সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়াতে দাবি করেছে, সব ঠিক থাকলে জুলাই মাসের প্রথমেই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন চলে আসতে পারে বাজারে।

এদিকে আরব আমিরাত ও চীনের যৌথভাবে তৈরি একটি ভ্যাক্সিনেরও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এই গবেষণা করছে আমিরাত ভিত্তিক কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা কোস্পানি জি৪২ এবং চীনা কোম্পানি সিনোফার্ম গ্রুপ। প্রথম দুই ট্রায়ালে সাফল্য পেয়েছে এই ভ্যাকসিনও।

অক্সফোর্ড ও অক্সফোর্ডের অধীনস্থ জেন্নার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের ডিজাইন করা ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে যুক্তরাজ্যে। ডিএনএ ভ্যাকসিনের প্রথম হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হয়েছিল এপ্রিলে ।

এই ভ্যাকসিন ট্রায়ালের দায়িত্বে ছিলেন, ভাইরোলজিস্ট সারাহ গিলবার্ট, অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড, টেরেসা লাম্বে, ডক্টর স্যান্ডি ডগলাস ও অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান হিল এবং জেন্নার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা।

ব্রাজিলে কোভিড ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চালিয়ে যাচ্ছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও অ্যাস্ট্রজেনেকা প্রাইভেট লিমিটেড। লেমানন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ব্রাজিলে করোনার হটস্পট সাও পাওলো ও রিও ডি জেনিরোতে মোট ৩০০০ জনকে দেয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন। তার মধ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী-সহ সাও পাওলোতে ২০০০ জন ও রিও ডি জেনিরোতে হাজার জনকে দেয়া হচ্ছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন।

প্রথম পর্যায়ে তিন হাজার জনকে বেছে নেয়া হয়েছে ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের জন্য। পরবর্তী পর্যায়ে আরো বেশিজনকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে।

এপ্রিলে প্রথমবার মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল করেছিল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। প্রথম দু’জনের শরীরে ইনজেক্ট করা হয়েছিল ভ্যাকসিন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন একজন মহিলা বিজ্ঞানী। নাম এলিসা গ্রানাটো। আরো ৮০০ জনকে দুটি দলে ভাগ করে কন্ট্রোলড ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হয়েছিল।

অক্সফোর্ড জানিয়েছে, দেশের বাইরে প্রথমবার ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করা হয়েছে। এই ট্রায়ালের রিপোর্ট ভাল হলে, অন্যান্য দেশেও ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হবে।

ভ্যাকসিনের ডোজ ঠিক করার জন্য শুকরের উপর ট্রায়াল করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অক্সফোর্ডের সারা গিলবার্টের টিম। এই ট্রায়ালের দায়িত্বে ছিল পিরব্রাইট ইউনিভার্সিটি। ভাইরোলজিস্টরা বলেছেন, শুকরের বিপাক ক্রিয়া ও কোষের সঙ্গে মানুষের কোষের অনেক মিল আছে। তাই সেফটি ট্রায়াল করে ডোজের সঠিক মাত্রা ঠিক করে নেয়া হয়েছিল।

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন গবেষণার নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইরোলজিস্ট সারা গিলবার্ট, অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড, টেরেসা লাম্বে, ডক্টর স্যান্ডি ডগলাস ও অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান হিল। জেন্নার ইনস্টিটিউট ভাইরোলজি বিভাগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই ভ্যাকসিনের ডিজাইন করা হয়েছে। এই গবেষণায় অক্সফোর্ডের পাশে রয়েছে অ্যাস্ট্রজেনেকাও।

সারা গিলবার্টের টিম প্রথমবার যে ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট ডিজাইন করেছিল তার নাম ChAdOx1 nCoV-19। তবে এই ভ্যাকসিনের ক্নিনিকাল ট্রায়াল রেসাস প্রজাতির বাঁদরের উপর ব্যর্থ হয়। অক্সফোর্ড জানায়, ওই প্রজাতির বাঁদরের শরীরে কোভিড সংক্রমণ রুখতে না পারলেও নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করেছে এই ভ্যাকসিন। পরে নতুন করে ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের ডিজাইন করে অক্সফোর্ড। বর্তমানে এর নয়া ভার্সনের নাম হয়েছে AZD1222।

 

কীভাবে তৈরি হয়েছে এই ভ্যাকসিন?

শিম্পাঞ্জির শরীর থেকে নেয়া অ্যাডেনোভাইরাসকে ল্যাবে এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে যাতে মানুষের শরীরে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে না পারে। এরপর, সার্স-কভ-২ ভাইরাসের কাঁটার মতো অংশ অর্থাৎ স্পাইক গ্লাইকোপ্রোটিনগুলোকে আলাদা করা হয়েছে। এই ভাইরাল প্রোটিন আগে থেকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা অ্যাডেনোভাইরাসের মধ্যে ঢুকিয়ে ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট ডিজাইন করা হয়েছে। এখন ভ্যাকসিন ইনজেক্ট করলে এই বাহক ভাইরাস অর্থাৎ অ্যাডেনোভাইরাস করোনার স্পাইক প্রোটিনগুলোকে সঙ্গে করে নিয়েই মানুষের শরীরে ঢুকবে। দেহকোষ তখন এই ভাইরাল প্রোটিনের উপস্থিতি বুঝতে পেরে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি করবে। সেই সঙ্গে দেহকোষের টি-সেল (T-Cell) গুলোকে উদ্দীপিত করবে। এই টি-সেলের কাজ হল বাইরে থেকে শরীরে ঢোকা ভাইরাল অ্যান্টিজেনগুলিকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া।

অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন গবেষণায় যুক্ত রয়েছে ভারতের অন্যতম বড় বায়োটেকনোলজি ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। অক্সফোর্ডের কোভিড ভ্যাকসিন গবেষণার অন্যতম সদস্য ডক্টর অ্যাড্রিয়ান হিলের তত্ত্বাবধানে সেরামেও এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট ডিজাইন করা হয়েছে।

সিইও আদর পুনাওয়ালা বলেছিলেন, দেশেও এই ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ও সেফটি ট্রায়াল করা হবে, তাছাড়া অক্সফোর্ডের রিকভারি ট্রায়ালের প্রতিটি পদক্ষেপে নজর রাখা হচ্ছে। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি হচ্ছে। আদর বলেছিলেন প্রতিমাসে ৫০ লক্ষ ডোজে ভ্যাকসিন বানানো হবে। ট্রায়াল সফল হতে শুরু করলেই ফি মাসে প্রায় এক কোটি ডোজে ভ্যাকসিন বানানো শুরু হবে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যেই পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়।

সম্প্রতি পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটের একজিকিউটিভ ডিরেক্টর সুরেশ যাদব বলেছেন, প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য কম ডোজেই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছিল, তাতে সুফল দেখা গেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। আশা করা যায়, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই ভ্যাকসিন নিয়ে আসতে পারবে সেরাম। ২০ থেকে ৩০ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরির কাজ চলছে।
সুরেশ যাদব জানিয়েছেন, অক্সফোর্ডের গবেষকদের ট্রায়াল রিপোর্ট অনুযায়ী এই ভ্যাকসিনের দুটো ডোজই করোনা সংক্রমণের মোকাবিলা করতে পারবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে দেখা গিয়েছিল, ক্যানডিডেট ভ্যাকসিনের দুটি ডোজেই প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরে মেনিঙ্গোকক্কাল ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামক চারটি স্ট্রেনের মোকাবিলা করার মতো প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, রেসাস প্রজাতির বাঁদরের শরীরে ভ্যাকসিনের একটি ডোজেই নিউমোনিয়ার সংক্রমণ কমে গিয়েছিল। সেনার ইনস্টিটিউটের দাবি, অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন নিরাপদ, রোগীর শরীরে কোনো রকম অ্যাডভার্স রিঅ্যাকশন দেখা যাবে না। করোনা প্রতিরোধে কার্যকরী হবে বলেই আশা করা যায়।

সূত্র: দ্য ওয়াল, সিএনএন

কুড়িগ্রামে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ধরলা নদী ও ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ১৬টি নদ-নদীর মধ্যবর্তী ৪২০টি চরের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বিভাগ জানায়, ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৩৩ সেন্টিমিটার ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে।

আজ শনিবার সকালে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২৩ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার, ধরলা নদীর পানি ২৬ দশমিক ৮৭ মিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার এবং দুধকুমার নদের পানি ২৬ দশমিক ৫০ মিটার বেড়ে বিপদসীমা ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে চরাঞ্চলগুলোয় পানি উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সহস্রাধিক বাড়িতে পানি উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের ইন্দ্রগড়, ধনিরামপুর, শৌলমারী, জালির চর, কাইয়ের চর; বল্লভের খাস ইউনিয়নের ইসলামের চর, চর কৃষ্ণপুর, কামারের চর; নারায়ণপুর ইউনিয়নের বেশির ভাগ নিচু চরাঞ্চল; নুনখাওয়া ইউনিয়নসহ সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এ ছাড়া ভূরুঙ্গামারী, চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুর ও উলিপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার চলতি মৌসুমের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্ষতির কবলে পড়েছে পাট, ভুট্টাসহ বিভিন্ন সবজি।

কৃষি বিভাগ জানায়, জেলায় ৩৭ হেক্টরের আউশ, ৯৩ হেক্টর তিল এবং ৬ হেক্টরের মরিচ পানিতে ডুবে গেছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বলেন, ‘আমার এলাকায় ছয়টি ওয়ার্ড নদ-নদীর মধ্যবর্তী স্থানে। ১ হাজার ৫০০ পরিবার পানিবন্দী। দুই শতাধিক বাড়িতে পানি উঠেছে।’

এদিকে, জেলায় সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী