Home ঢাকা

0 0

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর, ২০২০:শীঘ্রই ভুয়া অনলাইনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে তাদের অনলাইন জার্নাল ‘রিপোর্টার্স ভয়েস’ উদ্বোধন ও ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা ২০২০ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা জানান।

ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: শফিকুর রহমান এবং ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী এসময় বক্তব্য রাখেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে হাতেগোনা কয়েকটি অনলাইন ছিল, এখন অনলাইনের সংখ্যা অনেক, তবে সবগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সহায়ক নয়। সেজন্য আমরা অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে এ বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমটি যতদূর সম্ভব সম্পন্ন করা।

একইসাথে যে সমস্ত অনলাইন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহৃত হয়, যে সমস্ত অনলাইন গুজবের সাথে যুক্ত, সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, সেগুলোর ব্যাপারে আমরা আগামী বছর থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া শুরু করবো।’

অনলাইন নিউজপোর্টাল রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রমটি এগিয়ে যাওয়ার পর এই আইনগত ব্যবস্থা শুরু হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘এটি যেমন সমাজের চাহিদা, একইভাবে সাংবাদিক সমাজেরও চাহিদা। যে অনলাইন নিউজপোর্টালগুলো সত্যিকার অর্থে সংবাদ পরিবেশনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা পৃথিবীর প্রেক্ষাপট। উন্নত দেশগুলোতে এক্ষেত্রে অনেক শৃঙ্খলা স্থাপন করা সম্ভবপর হয়েছে, যেটি এখনো এখানে পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে দিতে গিয়ে অনেক সময় ভুল সংবাদ এবং অসত্য তথ্য পরিবেশিত হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, অনেক বেশি ক্লিক পাওয়ার জন্য দেয়া হেডিং এর সাথে ভেতরের সংবাদের সেই মিল নেই।

বিশেষ করে যে অনলাইনগুলোতে কোনো অনুষ্ঠান চলাকালীন সংবাদ পরিবেশনের ক্ষমতা রিপোর্টারকে দেয়া থাকে, সেখানে অনেক অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে দেখা যায়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এবিষয়ে পিআইবি’র সাথে যুক্ত হয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়ে থাকে, যা সত্যিই প্রয়োজনীয়।’

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘এখন দেখা যায় কেউ একজন অনলাইন পোর্টাল খুলে তাকে সাংবাদিকের কার্ড দিয়ে দিলো। তিনি আসলে প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক নন, সেই কার্ডটির জন্যই সাংবাদিক সেজেছেন। এগুলোকে বন্ধ করার জন্য রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিক বিভিন্ন সাংবাদিকদের যে ফোরামগুলো আছে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

কিছু কিছু ‘সাংবাদিক নামধারী’র জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজের বদনাম হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ কোর্টে অনেক সময় ভুয়া উকিল ধরা পড়ে। আইনজীবী সমিতিই কিন্তু ভুয়া উকিল খুঁজে বের করে। এক্ষেত্রেও সাংবাদিকদের ফোরামগুলো উদ্যোগী হলে সরকার আপনাদের পাশে থাকবে, সহায়তা করবে।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিকে অনলাইন জার্নাল শুরুর জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনলাইনের মাধ্যমে মানুষের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে, সেকারণে এটা করা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার গঠন করি তখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৪০ লক্ষ আর আজকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটির বেশি। ২০০৯ সালে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ছিল সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ, এখন ১৭ কোটি মানুষের দেশে সাড়ে ১৫ কোটির কাছাকাছি মোবাইল সিম ব্যবহারকারী ।

এই ব্যাপক পরিবর্তন জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল, দুরদর্শির নেতৃত্বের কারণেই সম্ভবপর হয়েছে। অথচ ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান দিয়েছিলাম, তখন অনেকে হাস্যরস করেছে। আর আজ ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে আমরা প্রতিবছর কয়েক মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছি।

ডিআরইউ জার্নাল রিপোর্টার্স ভয়েস উদ্বোধনের পর মোরসালিন আহমেদ, জাকির হোসেন, মিজান রহমান, এম মামুন হোসেন, রিয়াজ চৌধুরী, সাজেদা পারভীন সাজু, আমীন আল রশীদ, মোতাহার হোসেন, প্রণব মজুমদার, আমিরুল মোমেনীন মানিক, রকিবুল ইসলাম মুকুল, আবু আলী,

মিজান মালিক, মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, মো: শফিউল্লাহ সুমন, তরিকুল ইসলাম মাসুম, আবু হেনা ইমরুল কায়েস, মাইদুর রহমান রুবেল, মাসুম মোল্লা, সায়ীদ আবদুল মালিক, দীপন নন্দী, হক ফারুক আহমেদ, সেলিনা শিউলী, চপল বাশার,

আশীষ কুমার দে, জামশেদ নাজির, শামসুজ্জামান শামস, ইন্দ্রজিৎ সরকার, আহমেদ মুশফিকা নাজনীন ও হাবিবুল্লাহ ফাহাদ-এই ৩০ জন সাংবাদিকের হাতে ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে তিনি ডিআরইউ মটর সাইকেল ছাউনির ফিতা কাটেন।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণের জঘন্যতম অপরাধের অভিযোগ উঠেছে মুন্না ভগত (২০) নামে এক ডোম সহকারীর বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে ওই যুবককে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, ডোম জতন কুমার লালের ভাগিনা মুন্না ভগত। তিনি মামার সঙ্গেই ওই হাসপাতালের মর্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে মুন্না মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। এ অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) তাকে আটক করে সিআইডি।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, জঘন্যতম ও খুবই বিব্রতকর অভিযোগ। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতার পরই ওই যুবককে আটক করেছে সিআইডি।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না।

মুন্নার বিরুদ্ধে মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে জতন লাল কুমার বলেন, মুন্না মাঝে মধ্যে গাঁজা বা নেশাটেশা করতো। কিন্তু এরকম একটি কাজ সে করতে পারে, তা ভাবতেই পারছি না।

অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার আরও বলেন, শুক্রবার (২০ নভেম্বর)সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

0 0

ঢাকা, সোমবার ২৩ নভেম্বর, ২০২০:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ গণমাধ্যমকর্মীদের করোনাকালের নির্ভীক যোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারিতে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত ‘চিত্রকর্ম ও আলোকচিত্রে করোনায় গণমাধ্যমের লড়াই’ শীর্ষক তিনদিনব্যাপী প্রদর্শনী উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

বিজেসি’র ট্রাস্টি সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজার সভাপতিত্বে আলোচনায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও গুলশান হোসেন অনলাইনে যোগ দেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনার শুরু থেকেই ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে অত্যন্ত সাহসিতার সাথে সাংবাদিকরা কাজ করে চলেছেন, সত্যিই তা প্রশংসনীয়। আমি কোনো সাংবাদিককে ভীতি নিয়ে হাতগুটিয়ে বসে থাকতে দেখি নাই। এতে করে আমার অনেক ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করেছেন, যা আমি কখনো ধারণা করতে পারিনি।’

করোনায় যখন দেশে সবকিছু বন্ধ করে দেয়া হয় তখন পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাংবাদিকদের আর কিছু অন্যান্য গাড়ি রাস্তায় চলাচল করে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, এতে করে একে একে ৩৭জন সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী মৃত্যুবরণ করেছেন, কয়েকশ’ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

‘এই করোনাকালে সঠিক সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছানোর কাজে এবং গুজব এবং কুচক্রী মহলের নানামুখী ষড়যন্ত্র বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনার শুরুতে যে অপচেষ্টা ছিল, সেগুলোর বিরুদ্ধে মূলধারার সাংবাদিক, মূলধারার গণমাধ্যমগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে’, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

করোনার সময় বিজেসি-সহসাংবাদিকদের সংগঠনগুলো সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়, বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে করোনাকালে সাংবাদিকদের যেভাবে সহায়তা দেয়া হয়েছে, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল বা শ্রীলংকা কোনো জায়গায় সাংবাদিকদের করোনাকালে এ ধরণের সহায়তা করা হয়নি। শুধু মৃত্যু হলেই সেখানে সহায়তা দেয়া হয়েছে। আমরা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে চাকুরিচ্যুত সাংবাদিক যারা দীর্ঘদিন ধরে বেতন পাচ্ছিলেন না, সেই সাংবাদিকদের আমরা এককালীন সহায়তা দিয়েছি। সেটি এখনও অব্যাহত আছে। তাই বিজেসিকে অনুরোধ জানাবো তাদের তালিকা যদি আমাদেরকে দেন তাহলে আমরা সহায়তা করতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিনের জন্যও আগাম অর্থ দিয়ে রেখেছেন যাতে আমাদের দেশ প্রথম দিকে ভ্যাকসিনটি পায় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, করোনা আরো কয়েকমাস থাকবে, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

একইসাথে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, সাংবাদিকেরা যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, তাদের মধ্যে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকদের পাশে যেভাবে দাঁড়ানোর প্রয়োজন ছিল, তা দাঁড়ায়নি। শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম, এই সময় শুধুমাত্র ব্যবসায়ী দৃষ্টিকোণ থেকে পুরো ক্যানভাসকে না দেখে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনার জন্য। অনেক ক্ষেত্রে সেটি অনুসরণ করা হয়নি। অনেক সাংবাদিককে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে, যেটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে সংকট মোকাবিলা করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এক এবং অভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করতে হবে, বলেন ড. হাছান।

হাছান মাহমুদ বলেন, যে সাংবাদিকরা দেশ ও সমাজকে পথ দেখায়, সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়, অব্যক্তদের পক্ষে কথা ব্যক্ত করে, ক্ষমতাহীনকে ক্ষমতাবান করে, উপেক্ষিতের পক্ষে কথা বলে, তাদের চাকুরির নিশ্চয়তা দরকার এবং তাদের যে সমস্ত সমস্যা আছে সেগুলো সমাধান করার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে, এ লক্ষ্যে শিগগিরই আসছে গণমাধ্যমকর্মী আইন।

মন্ত্রী এসময় সরকারের কাজের প্রশংসা ও সমালোচনা দুই-ই থাকতে হয় উল্লেখ করে বলেন, একটি বহুমাত্রিক সমাজে সমালোচনা থাকতে হয়। গণতন্ত্র এবং বহুমাত্রিক সমাজে অন্যতম অনুসর্গ হচ্ছে সমালোচনা। তবে, সমালোচনার পাশাপাশি যদি ভালো কাজেরও প্রশংসা হয়, তাহলে যারা ভালো কাজ করে তারা উৎসাহিত হবে।

বিজেসি’র নির্বাহী শাহনাজ শারমিনের উপস্থাপনায় সভাস্থলে আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান এনডিসি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা গবেষক ডা. সালেহ মাহমুদ তুষার, চিত্রশিল্পী মো: মনিরুজ্জামান ও তাহমিনা হাফিজ লিসা, প্রয়াত সাংবাদিক হুমায়ুন কবির খোকনের স্ত্রী শারমিন সুলতানা রিনা, বিজেসি’র সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, ট্রাস্টি রাশেদ আহমেদ, নির্বাহী মানস ঘোষ প্রমুখ করোনাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের অকুতোভয় সংগ্রামের চিত্র এবং সম্প্রচার খাতের কর্মীদের জন্য বিজেসি’র কর্মতৎপরতার ওপর আলোকপাত করেন।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, চিত্রকর গুলশান হোসেন, মো: মনিরুজ্জামান, তাহমিনা হাফিজ লিসা ও নাসির আলী মামুনের চিত্রকর্ম ও বিজেসি সদস্যদের তোলা শতাধিক আলোকচিত্রসমৃদ্ধ প্রদর্শনীটি ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকছে।

 

0 0

ঢাকা, রোববার ২২ নভেম্বর, ২০২০:বাসে অগ্নিসংযোগের অপরাধীদের আড়ালকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া জনগণের দাবি’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

রোববার (২২ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষ থেকে অনলাইনে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে ‘বকনা বাছুর’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যশেষে সাংবাদিকদেরকে তিনি একথা জানান। রাঙ্গুনিয়ার ইউএনও মো: মাসুদুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মুহাম্মদ মুস্তাফা কামাল প্রমুখ এসময় রাঙ্গুনিয়া প্রান্তে সংযুক্ত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১২ নভেম্বর হঠাৎ করে গাড়িতে আগুন দেয়া হলো এবং ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে যেভাবে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল ঠিক একইভাবে এই ন্যাক্কারজনক কাজটির পর আরেকটি ন্যাক্কারজনক কাজ করা হয়েছে, সেটি হচ্ছে এটিকে অস্বীকার করা।’

‘এই অপরাধীদের খুঁজে বের করার পর সেটা যদি বিএনপির দলীয় কেউ হয়, তাদের বিরুদ্ধে দলগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, সেই কথা না বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবসহ বিএনপির সমস্ত উর্ধ্বতন নেতারা এটি নিয়ে প্রচন্ড মিথ্যাচার করেছেন, এটিকে অস্বীকার করেছেন’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মিথ্যাচার করে বিএনপি তাদের দলের মধ্যে যেসমস্ত দুষ্কৃতিকারী আছে তাদেরকে আড়াল করার চেষ্টা করেছেন। যে দুষ্কৃতিকারীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা যেমন অপরাধী, যারা এ নিয়ে মিথ্যাচার করে এই দুষ্কৃতিকারীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছেন তারা এবং যারা এই ক্ষেত্রে মদদ ও অর্থ দিয়েছেন তারাও আইনের চোখে সহভাবে অপরাধী।’

ড. হাছান বলেন, ‘আপনারা জানেন, ইতোমধ্যে ভিডিও ফুটেজ দেখে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অতি সম্প্রতি যুবদল, ছাত্রদলের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বনানীতে কোথায় বসে এই পরিকল্পনা হয়, কোথা থেকে অর্থ এসেছে সেগুলো তারা স্বীকার করেছে।’ ‘এই স্বীকারোক্তির পর মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব কি বলবেন’ প্রশ্ন রাখেন তথ্যমন্ত্রী।

জনগণের দাবির কথা উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘যারা বাসে আগুন দিয়েছে, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করেছে, তারা যেমন অপরাধী, এই ঘটনা নিয়ে যারা মিথ্যাচার করে তাদেরকে আড়াল করে অপরাধীদের রক্ষার অপচেষ্টা চালিয়েছেন তারাও সমভাবে অপরাধী, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জনগণের দাবি।’

‘স্বাধীনতার ইতিহাস নতুন প্রজন্ম জানছে বলেই বিএনপির গাত্রদাহ’

সাংবাদিকরা এসময় মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্য ‘স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে’ এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর ২১ বছর ধরে স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। স্বাধীনতার খলনায়ককে নায়ক বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ঠিক তেমনিভাবে স্কুলের দপ্তরীকে হেডমাস্টার বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। স্বাধীনতার এই বিকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পরিবেশন করে তাদেরকে ব্রিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।’

‘এরপর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা স্বাধীনতার মহানায়ক বাংলাদেশের মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতার সুযোগ্যকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের রায় নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর সেই বিকৃতির গতি বন্ধ হয়েছিল এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেটির সংশোধন সম্ভবপর হয়েছিল’ বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

‘২০০১ সালের পর আবারও স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শুধু বিকৃত করাই নয়, টেলিভিশনের অনেক ফুটেজ ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। রেডিও-টেলিভিশনে সংরক্ষিত আর্কাইভ থেকে প্রায় সমস্ত জিনিস ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে, যাতে এই সত্যগুলো পরবর্তী প্রজন্ম না জানে। এরপরও কিছু কিছু থেকে গেছে। প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস ধীরে ধীরে দেশের জনগণ ও নতুন প্রজন্ম জানছে বিধায় মির্জা ফখরুল সাহেব ও বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। যে দলের নেতারা দুর্নীতি আর খুনের দায়ে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীর জন্মদিন ঢাকঢোল পিটিয়ে পালন করে, তাদের রাজনৈতিক দৈন্য সেই জায়গায় গেছে, এ কারণেই তাদের এই গাত্রদাহ।’

এসময় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মন্তব্য ‘দেশে গণতন্ত্র নেই, আছে শেখ হাসিনার শাসনতন্ত্র’ এর জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গয়েশ্বর বাবু যে সকালে একবার, বিকেলে আবার আওয়ামী লীগ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন, এটিই প্রমাণ করে দেশে গণতন্ত্র আছে। দেশে গণতন্ত্র হরণ করে বন্দুক উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিল বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। আর যখন ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করে বঙ্গবন্ধুর খুনীকে সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বানীয়ে গাড়িতে পতাকা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল, তখনও গণতন্ত্রকে হরণ করা হয়েছিল।’

‘দেশে গণতন্ত্র আছে, এই গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার ক্রমাগত অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি’ বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

সাংবাদিকদের অপর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জাতীয় সম্প্রচার আইন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে আছে, খুব শীঘ্রই এটা শেষে মন্ত্রিসভা হয়ে পার্লামেন্টে যাবে।

টাকা পাচারের বিচার প্রসঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশনাকে দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে এবং যারা টাকা পাচার করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই রায়ের জন্য হাইকোর্টকে আমি ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।

0 0

ঢাকা, শুক্রবার ২০ নভেম্বর ২০২০:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব একবার বলছেন, সরকার না কি একদলীয় আচরণ করছে, আবার বলছেন, দেশে সরকার আছে কি না তা বোঝা যাচ্ছে না- তার এমন স্ববিরোধী অসংলগ্ন বক্তব্যের কারণ খোঁজা প্রয়োজন।’

শুক্রবার দুপুরে ঢাকার মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে সদ্যপ্রয়াত সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব:) শওকত আলী স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমসাময়িক প্রসঙ্গে তিনি একথা বলেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও জনতার প্রত্যাশা যৌথভাবে এ সভা আয়োজন করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে, করোনাকালেও দেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির ফলে এবছর বিশ্বের হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি ধ্বনাত্মক জিডিপি প্রবৃদ্ধির দেশের অন্যতম হওয়ায় দেশ ও বিশ্ববাসী আমাদের প্রশংসা করছে। ‘কিন্তু দেশের এই অগ্রযাত্রার সময় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রও শুরু হয়েছে’ সতর্ক করেন ড. হাছান মাহমুদ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান তার বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দ্রুত সুস্থতা এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যেনো সুস্থ থাকেন, সেজন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন। একইসাথে বিএনপিকে তাদের মহাসচিবের অসংলগ্ন বক্তব্যের কারণ বের করার অনুরোধ জানান।

প্রয়াত কর্নেল (অবঃ) শওকত আলীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ও তার আত্মার শান্তি কামনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এবং ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালনকারী এবং জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী অত্যন্ত জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি একাধারে ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ড. হাছান বলেন, নির্মোহ সদালাপী এ মানুষটি জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন। ২০০১ সালে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে যখন আওয়ামী লীগের হ্যজার নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল, তখন শওকত আলী অত্যন্ত সোচ্চার ছিলেন। নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের কাছে অনুকরণীয় এ ব্যক্তিত্বের মৃত্যু শুধু দলের নয় সমগ্র দেশের রাজনীতির জন্যই এক অপূরণীয় ক্ষতি।

জনতার প্রত্যাশা সংগঠনের সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার পরিচালনায় সভায়
আওয়ামী লীগ নেতা এড. বলরাম পোদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আকরাম হোসাইন,

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এফ এম শরিফুল ইসলাম শরীফ, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল,

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সভাপতি হুমায়ুন কবির, প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুজ্জামান ভুট্টো, প্রজন্ম লীগের রোকন উদ্দিন পাঠান, বঙ্গবন্ধু একাডেমীর মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি, এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

0 0

ঢাকা, শুক্রবার ২০ নভেম্বর ২০২০:জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টুর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) ভোর রাত ৪টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭১ বছর বয়সে তার ইন্তেকালের সংবাদে মন্ত্রী প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ড. হাছান তার শোকবার্তায় বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান ও শ্রমিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামের জন্য ফজলুল হক মন্টু স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

0 0

সিটিজি ট্রিবিউন স্টাফ রিপোর্টারঃ নোয়াখালী হইতে বিপুল পরিমাণ মাদক, বিদেশি মদ, বিয়ার, ইয়াবা এবং ইয়াবার পাউডার সহ গ্রেফতারকৃক বেবী দম্পতি নির্ভিগ্নে মনিপুরী পাড়ায় করছে জমজমাট মাদক ব্যাবসা!

গ্রেফতারকৃত মাদক সম্রাট ব্লাজু ও সেনড্রা ব্লাজু (বেবি) দম্পতি বর্তমানে গোপনে মনিপুরী পাড়ার ১১৬/৩ ভবনে বসবাস করে !
সকলের নাকের ডগায়এই ব্যাবসা পরিচালিত করে আসছে। এরা ধ্বংস করছে মনিপুরী পাড়ার সুনাম ।
আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মনিপুরী পাড়া কল্যান সমিতিসহ স্হানীয় নেএী স্হানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
আমাদের এই মাদক দস্যুদের কবল হইতে রক্ষা করুন।এরা এলাকায় একটি সিন্ডিকেট তৈরির মাধ্যমে মাদক সহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ড করে । মনিপুরী পাড়ায় একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করে তারা।তাদের এসব অবৈধ-অনৈতিক ব্যাবসা পরিচালনার সার্থে এলাকায় থ্রী ষ্টার নামে ১টি
চক্র গড়ে তুলেছে! এলাকার প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতার কারনে তাদের অপকর্ম সবাই জ্ঞাত থাকা সত্বেও সবাই নীরব ভুমিকায় থাকে!
বেবীর সহযোগী নাসরিন কেও বাসা ছারার নির্দেশ দেয় ফ্ল্যাট মালিক! বেবী গোপনে ১১৬-৩ নং ভবনে এবং তার সহযোগী পার্টনার নাসরিন পারটেক্স গলিতে বাসা নিয়েছ!
এলাকায় প্রচলিত আছে নাসরিন তার স্বামী টিটুর টাকা পয়সা, সম্পত্তি কৌশলে তার নামে নিয়ে স্বামীকে তালাক দেয়!


মাদক সম্রাট ব্লাজুর গ্রেফতারের পর বোঝাগেল তাদের অর্থের উৎস কোথায়? বেড়িয়ে আসতে থাকে তাদের কুকর্মের নানা লোমহর্ষক তথ্য! আত্ন গোপনে চলে যায় বেবী এবং তার সহযোগীরা!

এই চক্রের মাদক ব্যাবসা ছাড়াও আছে সুদ ও নারী ব্যাবসার জমজমাট কাহিনি।
জানা গেছে নাসরিন তার লোক দিয়ে দিন মজুরদের টাকা দিয়ে পরিচালনা করে জুয়ার বোর্ড! সেখানে খেলার জন্য উচ্চ সুদে দিনমজুরদের লোন দেয়! তার লাঠিয়াল বাহিনির অন্যতম খোকন টাকা আদায়ের জন্য সর্বক্ষন তদারকি করে! নিয়ন্ত্রন করে মাস্তান বাহিনী!

এই দলে আরও আছে পাকিস্তানি এক নাগরিক, যাকে ভিবিন্ন সময় অবৈধ ভাবে এদেশে আসতে দেখা যায়। এলাকায় শোনা যায় থ্রী ষ্টারের অপর সদস্য পারভীন মনার পাতানো স্বামী এই পাকিস্থানী! ইতিমধ্যে মনা তার পাকিস্থানী স্বামীর পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশী পাসপোর্ট করার চেষ্টা করলে উপর মহলের তদারকির কারনে ব্যার্থ হয়! মাদক বিক্রির পাশাপাশি তাদের ফ্ল্যাটে নানা বয়সী মেয়ে দিয়ে করায় অবৈধ দেহ ব্যাবসা! সে সময় তারা গোপন ক্যামেরায় ভিডিও ধারন করে তা ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা দাবী করে! আর এ টাকার জোড়েই বিলাস
বহুল জীবন যাপন করছে!
এরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র অসামাজিক এবং অবৈধ মাদক ব্যাবসা ছাড়াও পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসে চাকুরী দেয়ার নামে প্রায় ১ ডর্জন লোকের কাছ থেকে প্রায় ১,২৫,০০,০০০ টাকা নিয়ে মাত্র ২ জনের চাকুরী দিয়ে বাকী ১০ জনের টাকা আত্নসাৎ করে।
এরা নিজেদের আওয়ামীলীগ নেত্রী পরিচয় দিয়ে দাপটের সাথে করে আসছিলো অনৈতিক, অসামাজিক আর অবৈধ কর্মকান্ড!


এখনই সময় তাদের বিতারিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা করা!
ধারনা করা হচ্ছে গ্রেফতারকৃত মাদক সম্রাট
ব্লাজু কে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেড়িয়ে আসবে তাদের মাদক ব্যাবসার নানা আস্তানা এবং আইনের আওতায় আনা যাবে বেবী গংদের!

ঢাকা :বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনের নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে ডলার পাঠাতে পারেন। কিন্তু অনেক ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কর্মীদের ব্যাংক হিসাবে জমা ডলার যেকোনও সময় নিজ দেশে নির্বিঘ্নে পাঠাতে দিতে হবে। এতে কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিদেশি মুদ্রায় লেনদেন নীতিমালার আলোকে সাধারণ অনুমোদনের ভিত্তিতেই যোগ্য ব্যক্তিরা হিসাবে থাকা বিদেশি মুদ্রা বাইরের দেশে পাঠাতে পারেন। এর জন্য নতুন করে বা আলাদা অনুমোদনের দরকার হয় না।

কিন্তু কোনও কোনও ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। এতে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে অর্থ পাঠাতে গিয়ে অহেতুক ভোগান্তিতে পড়ছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে কর্মরত বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা স্থানীয় ব্যাংকে বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারেন। এ ছাড়া প্রবাসীরাও দেশের ব্যাংকগুলোতে বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারেন। এ ধরনের হিসাব থেকে অর্থ পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনও অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।

0 0

ঢাকা, বুধবার ১৮ নভেম্বর, ২০২০:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ওটিটি বা ‘ওভার দ্য টপ’ প্লাটফর্ম নিয়ে বাস্তবভিত্তিক নীতি গ্রহণ করবে সরকার।
বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে ওটিটি প্লাটফর্ম বিষয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে তিনি একথা জানান।

তথ্যসচিব কামরুন নাহার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হারুন অর রশীদ, চলচ্চিত্রকার অমিতাভ রেজা চৌধুরী, পিপলু খান, বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক নিজামুল কবীর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ বৈঠকে অংশ নেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে এবং সমগ্র পৃথিবীতে ওটিটি প্লাটফর্মের মাধ্যমে বিনোদন, সিনেমা, নাটকসহ নানা কন্টেন্ট রিলিজ করা একটি ক্রমবর্ধমান বাস্তবতা। এগুলো মানুষ যেকোন জায়গা থেকে উপভোগ করতে পারে। মানুষের জন্য এটি একটি ইউজার-ফ্রেন্ডলি মাধ্যম হওয়ায় ধীরে ধীরে মানুষ ওটিটি প্লাটফর্মে অনেক বেশি অভ্যস্ত হচ্ছে।’

‘এই বাস্তবতায় আমরা আরও দেখতে পাই, বাংলাদেশে অনেকগুলো কন্টেন্ট নিয়ে পত্রপত্রিকায় নানাধরণের প্রতিবেদন এসেছিল, নানা প্রশ্ন উঠেছিল, বিশেষ করে এগুলো আমাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট, কৃষ্টি,

ঐতিহ্যের সাথে সাংঘর্ষিক বলে অনেকগুলো প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছিল’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যেহেতু সম্প্রচারের কাজও তথ্য মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত, এ ব্যাপারে সবাই যাতে সতর্ক থাকে সেটি আমরা বলেছিলাম।

বিভিন্ন দেশে এই ওটিটি প্লাটফর্মকে নিয়মনীতির মধ্যে আনার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং অতি সম্প্রতি এ ধরণের বাস্তবতার প্রেক্ষিতে ভারতেও ওটিটি প্লাটফর্মে যেকোনো কন্টেন্ট নিয়মনীতির মাধ্যমে এবং সরকারকে জানিয়ে আপলোড করার জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, জানান ড. হাছান।

এদিনের বৈঠক সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ওটিটি প্লাটফর্ম নিয়ে বাস্তবভিত্তিক নীতি গ্রহণ এবং দেশীয় উদ্যোক্তাদের কাজের সুযোগ তৈরি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দেশে এখন অন্য দেশের ওটিটি প্লাটফর্ম কাজ করছে, রেভিনিউ নিয়ে যাচ্ছে।

যেহেতু এদেশে জনপ্রিয় ওটিটি প্লাটফর্ম সেভাবে নেই, আমাদের নির্মাতারাও বিদেশী প্লাটফর্ম ব্যবহারে অনেকক্ষেত্রে বাধ্য হচ্ছে। আমরা চাই, এদেশে বিশ্বমানের ওটিটি প্লাটফর্ম গড়ে উঠুক যা শুধু দেশের মানুষকেই বিনোদন দেবে না, অন্য দেশ থেকেও যাতে আমরা আয় করতে পারি, তেমন ওটিটি প্লাটফর্ম আমরা করবো।

এই বাস্তবতায় চলচ্চিত্র, নাটক, ওয়েবসিরিজ মুক্তি দেবার জন্য সরকারের চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ওটিটি প্লাটফম করতে পারি কি না- সে বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, জানান তিনি।

একইসাথে আমাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক কোনো কন্টেন্ট যাতে আপলোড না হয়, তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত বা বিপথগামী করতে না পারে, বরং দেশ, সমাজ ও তরুণদের মনন গঠনে,

দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যাতে এই প্লাটফর্মগুলো কাজ করতে পারে, সেজন্য এটিকে নিয়মনীতির মধ্যে আনা প্রয়োজন উল্লেখ করে এজন্য খুব সহসা একটা বড় কমিটি করে দেবার কথা জানান ড. হাছান মাহমুদ।

একইসাথে নিজেদের কৃষ্টি লালন ও বিশ্ববাস্তবতার সাথে তাল মিলিয়ে ওটিটি প্লাটফর্ম নিয়ে বাস্তবভিত্তিক নীতি পুরো চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নেই সহায়ক হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী এসময় বলেন, বাংলাদেশে চলচ্চিত্র শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে।

আমাদের চলচ্চিত্র বহু কালজয়ী ছবির যেমন জন্ম দিয়েছে, বহু কালজয়ী অভিনেতা- অভিনেত্রীরও জন্ম দিয়েছে, স্বাধিকার আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ও স্বাধীনতা পরবর্তীকালে দেশ গঠনে ভূমিকা রেখেছে। তবে বাস্তবতা এই যে,

আমাদের দেশে চলচ্চিত্র সেই জায়গায় নেই। সেকারণে আমরা চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য এক হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ তহবিল গঠনসহ ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আশা করছি এই উদ্যোগগুলোর ফলে আগামী দু’বছর পর চলচ্চিত্র শিল্পের দৃশ্যপট পুরো পাল্টে যাবে।

0 0

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭ নভেম্বর, ২০২০:অপরাজনীতি থেকে বেরিয়ে এলেই বিএনপির রাজনীতি টিকবে, অন্যথায় বিএনপি নিজেদের আগুনে পুড়ে নি:শেষ হয়ে যাবে’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলববার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) ভাসানী আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমসাময়িক প্রসঙ্গে তিনি একথা বলেন।

বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল এবং তাদের নেতারা নানা কথা বলছেন। ২০১৩-১৪-১৫ সালে তারা যেভাবে আগুন দিয়ে মানুষ পোড়ানোর খেলায় মেতেছিল, এখনও যদি আগুন নিয়ে খেলে, তারাই সে আগুনে জ্বলে পুড়ে নি:শেষ হয়ে যাবে।’

‘বিএনপির অস্তিত্ব জানান দেয়ার জন্য, রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য কি বাস পোড়াতে হবে’ প্রশ্ন রেখে ড. হাছান বলেন, ‘অনেকে যখন প্রশ্ন করছে- বিএনপি আজকে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে কি না, তখন আমি বলবো, বিএনপি দাঁড়িয়ে আছে, তবে পা এবং হাঁটু খুব নড়বড়ে।

আমরা দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল চাই। আমরা আশা করবো, বিএনপি হাঁটুকাঁপুনি ছাড়া দাঁড়াতে পারবে এবং তারা এই অপরাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে। তাহলেই বিএনপির রাজনীতি টিকবে, অন্যথায় তারা নিজেদের আগুনেই পুড়ে নি:শেষ হয়ে যাবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বিএনপি করোনাভাইরাসে উদ্বিগ্ন মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে বরং বাসে আগুন দিচ্ছে, অতীতের মতো মানুষ পোড়ানোর নোংরা খেলায় মেতেছে এবং এটি করার পর এমনভাবে অস্বীকার করছে, অবলীলায় মিথ্যা বলছে,

যে আমাকে আবারও বলতে হচ্ছে, মিথ্যা বলায় পুরস্কার থাকলে বিএনপিনেতারা প্রথম পুরস্কার পেতেন। এটি দিবালোকের মতো স্পষ্ট, তারা এখন এই ঘটনা ঘটিয়েছে, অতীতেও ঘটিয়েছে।’

‘আজকে বিএনপি’র বড় বড় নেতাদের অনেকেই মওলানা ভাসানীর অনুসারী ছিলেন, যারা সবাই ক্ষমতার লোভে জিয়াউর রহমানের বিতরণকৃত ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট নিতে মওলানা ভাসানীর আদর্শচ্যুত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছিলেন’ উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক।

‘দলছুট, রাজনীতির হাটে বিক্রি হওয়া, আদর্শচ্যুত রাজনীতিবিদরা আসলে কোনো দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেনা, সেটিই আজকে আমরা দেখতে পাচ্ছি’ বলেন ড. হাছান।

এসময় বিএনপি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজর হাফিজের ‘ভোটের মাধ্যমে নয়, গণঅভ্যুত্থানে সরকারপতন ঘটাতে হবে’ বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত: বিএনপি তো ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেনা।

এবং দ্বিতীয়ত: রাজপথে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানো হবে, এই কথা গত প্রায় ১২ বছর ধরে তারা বলে আসছে। তারা আসলে ভোটে যেমন বিশ্বাস করেনা, রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে কখনো যে সরকারের পতন হবেনা, সেটিও তারা বোঝে।

আসলে তারা অতীতে যেমন ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছিল, এখনও নানা ষড়যন্ত্র আঁটছে, ষড়যন্ত্র নিয়েই ব্যস্ত আছে।’

মওলানা ভাসানীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘তিনি কখনো ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেননি, ক্ষমতার সাথে আপোষ করেননি।

মুসলিম লীগের ড্রইংরুমকেন্দ্রিক রাজনীতিকে জনগণের কাতারে আনার জন্য মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রথমে আওয়ামী মুসলিম লীগ ও পরবর্তীতে অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত করতে গঠিত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বাংলাদেশে স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সুতরাং এদেশের রাজনীতির ইতিহাসে জাতীয় নেতা মওলানা ভাসানীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে।’

ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান এম এ ভাসানীর সভাপতিত্বে সভায় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট নূরুল আমীন রুহুল, মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম,

এডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন মো. গণি মিয়া বাবুল,

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আজগর আলী প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।