Home ঢাকা

0 0

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০:ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণদানকারী উপমহাদেশের প্রথম নারী বিপ্লবী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার স্মরণে নির্মিতব্য ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্রটি নতুন প্রজন্মের কাছে গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরবে বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে তথ্য ভবন মিলনায়তনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ২০১৯-২০ অর্থবছরের অনুদানে সেলিনা হোসেনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য এ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন।

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শিরিন আখতার। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া ও সংস্কৃতি সংগঠন আমিন হেলালী। ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক প্রদীপ ঘোষ, সংগীত পরিচালক বাপ্পা মজুমদার ও অভিনেতা মান্নান হীরা নির্মিতব্য সিনেমাটির ওপর আলোকপাত করেন।

ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সেই সময় যখন নারীরা ঘরের মধ্য থেকে বের হতো না, তখন মেধাবী প্রীতিলতা যেভাবে আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন, সেটি সমগ্র উপমহাদেশে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আজ প্রীতিলতাকে নিয়ে সিনেমা নির্মিত হচ্ছে এবং আশা করা যায় যে, এটি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ভারত ও অন্যান্য দেশেও প্রদর্শিত হবে। সুন্দরভাবে নির্মিত হলে এটি ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করবে এবং নতুন প্রজন্ম যারা ত্রিশের দশকে বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাস জানেন না, তাদেরকে ঠিক ইতিহাস জানানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, বলেন তিনি।

‘নতুন প্রজন্ম যদি দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে চায়, তবে মূল্যবোধ, দেশাত্মবোধ, ও মমত্মবোধে উজ্জীবিত মানুষ হতে হবে, আর সেই মানুষ গড়ার জন্য চলচ্চিত্র শিল্প বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়, শুধু ইতিহাস নয়, এটি মানুষকে উদ্দীপ্ত করে। প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রে একটি বার্তা থাকতে হবে। আজ অনেক মানুষ শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবে, অথচ প্রায় শতবর্ষ আগে প্রীতিলতা নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন দেশের জন্য। ব্রিটিশদের হাতে নিহত পুরুষবেশী প্রীতিলতার পকেটে উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ৩২ পৃষ্ঠার জবানবন্দি পাওয়া গিয়েছিল। সেই জবানবন্দি বই পুস্তকে আছে। প্রীতিলতা তেমনই একজন বিপ্লবী ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের এই দেশে সিনেমা শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালে এফডিসি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ। তার পরিবারের মধ্যে সংস্কৃতি চর্চা হতো। এফডিসি প্রতিষ্ঠার পর আমাদের দেশে ছবি নির্মাণ শুরু হয় এবং বহু কালজয়ী ছবি নির্মিত হয়েছে যে ছবিগুলো স্বাধিকার আন্দোলন,

স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতা পরবর্তীকালে দেশ গঠনে বিরাট ভূমিকা রেখেছে এবং বহু কালজয়ী শিল্পীর জন্ম দিয়েছে। কিন্তু আজকে চলচ্চিত্রে সেই পরিস্থিতি নাই। আমাদের লক্ষ্য চলচ্চিত্রের পুরোনো সেই দিন ফিরিয়ে আনা। সেই কারণে চলতি বছর থেকে আমরা চলচ্চিত্রের অনুদান ৫ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকায় উন্নীত করেছি।

এ বছর সর্বোচ্চ ১৬টি চলচ্চিত্রের জন্য অনুদান দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বন্ধ সিনেমা হল চালু, নতুন হল নির্মাণ এবং আধুনিকায়নের জন্য সহজশর্তে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ তহবিল গঠনের অনুমতি দিয়েছেন। সুতরাং আবারও অনেক সিনেমা হল চালু হবে।

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শিরিন আখতার এবং আমন্ত্রিত বক্তারা ভালোবাসা প্রীতিলতা চলচ্চিত্রের সুন্দর নির্মাণ ও সাফল্য কামনা করেন। চলচ্চিত্রের অভিনয় শিল্পী ও কুশলীবৃন্দের মধ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা, মান্নান হীরা, মোস্তফা কামাল পাশা প্রমুখ এসময় অতিথিবৃন্দের সাথে আলোকচিত্র ধারণে অংশ নেন।

সিটিজি ট্রিবিউন আলাউদ্দীনঃ-   তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,‘বেগম জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন তার প্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় মনে হয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো।’

বেলজিয়াম সফর থেকে ফিরে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ রাখা হয়েছে -বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে হাস্যকর অভিহিত করে ড. হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সিআরপিসি (দ-বিধি)-তে উল্লিখিত তার ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে প্রথমে ৬ মাস মুক্তি দিয়েছেন, পরে আরো ৬ মাস সেটি বর্ধিত করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের উচিত ছিল এই মহানুভবতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জানানো। কারণ তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামী, তার তো কারাগারের ভেতরেই থাকার কথা ছিল, তিনি আদালত থেকে জামিন পাননি। কিন্তু তার পরিবর্তে তারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, এতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি না দেখালেই ভালো হতো। ’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে মুক্তি দেবার পরও বিএনপি নেতাদের কথার কারণে জনগণের পক্ষ থেকে বেগম জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানো দাবি উঠতে পারে, এ শংকাও প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

এসময় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর বক্তব্য ‘বিএনপি কখনো হত্যার রাজনীতি করেনা’- এ প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই তো বিএনপি’র উন্মেষ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই ক্ষমতা দখল এবং ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেন। এবং সেই ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য জিয়াউর রহমান হাজার হাজার সেনা সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল।’

বেগম খালেদা জিয়াও সেই হত্যার রাজনীতি অব্যাহত রেখেছিল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার অনুমোদনক্রমে এবং তার পুত্র তারেক রহমানের পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। এছাড়া জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত ছিল। সুতরাং হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই যাদের উন্মেষ, হত্যার রাজনীতিই যারা করে, পেট্রোল বোমা হামলা করে যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যার রাজনীতি করে, তাদের মুখে এ কথা মানায় না। বরং প্রকৃতপক্ষে হত্যার রাজনীতিই তাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।’

এসময় সাংবাদিকরা সদ্যপ্রয়াত আল্লামা শফী’র মৃত্যু এবং হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা বিষয়ে প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী মাওলানা শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘মাওলানা আহমদ শফীর জন্ম আমার নির্বাচনী এলাকার নিজের উপজেলায় এবং আমার পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে। তিনি আলেমদের মধ্যে এবং ঐ অঞ্চলে কি পরিমাণ জনপ্রিয় ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন, সেটি তার জানাজা থেকে বোঝা যায়। হাটহাজারী মাদ্রাসার বিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠানটির আভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু সেটি যে মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালকের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক।’

এসময় হেফাজত-ই-ইসলামের ভবিষ্যত নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, এটি হেফাজতের আভ্যন্তরীণ বিষয়, এগুলো নিয়ে আমি কথা বলতে চাইনা।

সিনেমা হল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিনেমা হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য সিনেমা হলের মালিক, সিনেমার পরিচালক, প্রযোজকদের পক্ষ থেকে দাবি আছে। তাদের সাথে এ মাসের শুরুতে আমি বসেছিলাম। এ মাসের ১৫ তারিখের পরে বৈঠক করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেবার কথা। খুব সহসাই তাদের সাথে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

মন্ত্রিপরিষদে রদবদল বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, তিনি ছাড়া অন্য কেউ এ নিয়ে বলার ক্ষমতা রাখেন না।

0 0

(ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০:

দেশের কওমি মাদ্রাসা সমূহের শীর্ষ সংগঠন আল হাইয়াতুল উলাইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া, বেফাকুল মাদারিস, বাংলাদেশ, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার সদ্য বিদায়ী মহাপরিচালক (মুহতামিম) ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ইন্তেকালে গভীর শোক জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, এমপি।

শোকবার্তায় ভূমিমন্ত্রী প্রয়াত আল্লামা শফীকে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি ইসলামী শিক্ষার প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নেও ভূমিকা রেখেছেন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০৪ বছর বয়সে তাঁর ইন্তেকালের সংবাদে ভূমিমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

0 0

ঢাকা, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০:প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী সাদেক বাচ্চুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬৬ বছর বয়সে সাদেক বাচ্চুর মৃত্যু সংবাদে বেলজিয়াম সফররত মন্ত্রী তার শোকবার্তায় প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তথ্যমন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, মঞ্চ থেকে শুরু করে বেতার, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র অঙ্গন সাদেক বাচ্চুর শক্তিমান অভিনয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই গুণী শিল্পীর মৃত্যুতে দেশের অভিনয় জগতে শোকের ছায়া নেমেছে।

জেলা প্রশাসকের পরিবর্তে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা, নির্বাচনের দিন দলীয় ক্যাম্প ও জনসমাগম নিষিদ্ধ করা এবং নির্ধারিত স্থান ছাড়া পোস্টার টানানো ও সভা বন্ধের দাবীতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা না থাকায় সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা ভর করছে।

ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন মিলনায়নে বাংলাদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে আজ ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কংগ্রেসের ভাইচ-চেয়ারমান এ্যাডঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সকল প্রকার নির্বাচনে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ বন্ধের আহবান জানান।

বক্তৃতা দানকালে বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারমান এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং তাদের মূল কাজ নির্বাহী বিভাগের সহায়তায় সকল প্রকার নির্বাচন পরিচালনা করা।

কিন্তু জেলা প্রশাসকদেরকে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে তারা আত্মঘাতি কাজ করেন যাতে তাদের স্বাধীন স্বত্তা ক্ষুন্ন হয়। জেলা প্রশাসকরা নির্বাচন পরিচালনাকারী হতে পারেন না। কারণ সাংবিধানিক বাধা আছে। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে”।

জেলা প্রশাসকগণ প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী বিভাগে কর্মরত আছেন। তাই তারা নিজেরা সরাসরি নির্বাচন পরিচালক হতে পারবেন না।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনী প্রচারে জনদূর্ভোগ ও কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ করতে নির্বাচনী আচরণবিধি সংশোধন করতে হবে। অতিরিক্ত পোস্টার ব্যবহারে একদিকে যেমন কাগজের অপচয় হয়,

অন্যদিকে তেমনি পরিবেশ নষ্ট হয়। কোন কোন প্রার্থী রাতারাতি পোস্টার দিয়ে সব জায়গা দখল করে ফেলে, যার ফলে সব প্রার্থীরা পোস্টার মারার সমান সুযোগ পান না। যত্রতত্র জনসভা ও মাইকের ব্যবহার অতিমাত্রায় শব্দ দূষণ ঘটায় যা শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণীর মানুষের জন্য ক্ষতিকর ও বিরক্তিকর।

স্বাস্থ্য বিধির আওতায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সাবেক মন্ত্রী ও বিএলডিপি’র চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবির হিরু, বাংলাদেশ ন্যাপ’র সাধারণ সম্পাদক এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি’র চেয়ারম্যান কে এম আবু হানিফ হৃদয়, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু,

বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল মোর্শেদ, দলের ন্যাশনাল সিনেটের সদস্য এম এ মুঈদ হোসেন খান আরিফ, আসন্ন ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী আনসার রহমান,

ঢাকা-১০ আসনের সাম্প্রতিক উপ-নির্বাচনের বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী এ্যাডঃ মোঃ মিজানুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মোঃ আয়াতুল্লাহ ওরফে আক্তারুজ্জামান, মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থাপর মহাসচিব নুরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

নেতৃবৃন্দ মনে করেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা না থাকায় সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি তৈরী হচ্ছে না। পাপলুর মতো কালো টাকার মালিকরা টাকার বিনিময়ে জনপ্রতিনিধি বনে যাচ্ছে। ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না। অসৎ ও দুর্নীতিবাজ জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রশাসনে জেঁকে বসে বেপরোয়া ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছে।

ক্রস ফায়ার, খুন, গুম, ধর্ষণ, টাকা পাচারসহ সব ধরণের অপরাধ ও দুর্নীতি সংঘটিত হচ্ছে এসব জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ছত্রছায়ায়। যেনতেন প্রকারে নির্বাচিত হয়েই এসব জনবিচ্ছিন্ন জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের আখের গোঁজাতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। তাদের হাতে উপেক্ষিত থাকে দেশ ও দেশের জনগণ। দুর্যোগের সময় ত্রাণ চুরির মহোৎসবে নামে তারা। দেশকে ভয়াবহ বিপর্যায়ের হাত থেকে বাঁচাতে হলে দরকার একটি সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা।

নির্বাচনকে প্রশাসনের প্রভাবমুক্ত করতে না পারলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আদৌ সম্ভব নয়। এজন্য নির্বাচন ব্যবস্থার সংষ্কার জরুরী। নির্বাচন ব্যবস্থার সংষ্কারে সর্বদলীয় কমিটি গঠনের আহবান জানান বক্তারা।

0 0

বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ রনি শেখ সিটিজি ট্রিবিউন রাজবাড়ী জেলা

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ও পুনর্বাসন সোসাইটি কেন্দ্রীয় যুব কমান্ড এর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা শাহজাদা মিয়া খোকা এবং মহাসচিব আব্দুর রাজ্জাক সাহেব 6 তারিখ রাত 8,30 মিনিটের সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাদারীপুরের কৃতি সন্তান এবং ইতালি প্রবাসী নজরুল বেপারী কে কেন্দ্রীয় যুব কমান্ডের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে এবং যুব কমান্ড এর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে শাহিন ভাই এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু ভাই এবং কেন্দ্রীয় যুব কমান্ড এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে জয়নাল আবেদিন ভাই আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন সেই সাথে আরো বলবো নজরুল ভাইয়ের কষ্টের পারিশ্রমিক ফল সার্থক হয়েছে উনার চেষ্টায় আজকে আমরা কেন্দ্রীয় যুব কমান্ড কমিটি পেয়েছি তার সততাকে তার কাজকর্ম দেখে চেয়ারম্যান সাহেব মহাসচিব সাহেব খুশি হয়ে তাদেরকে এই জায়গায় বসিয়েছেন তারা সততার সাথে কাজ করে যাবে সেই বিশ্বাস অবশ্যই তারা রাখবে এবং এই নতুন তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের 64 জেলায় যুব কমান্ড এর নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধরে রেখে তাদের অধিকারকে আদায় রেখে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় হোক বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় যুব কমান্ড এর নেতৃবৃন্দ দের

0 0

ঢাকা, শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির মেয়াদ ২য় দফায় আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীন মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। অপরদিকে ধন্যবাদের সংস্কৃতি লালন করেনা বলে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় তথ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে টেলিভিশন শিল্পী-কলাকুশলীদের বিভিন্ন সংগঠনের জোট ‘ফেডারেশন অভ টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন (এফটিপিও)’ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের সদ্যপ্রয়াত সেক্টর কমান্ডার লে: কর্ণেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দু:খপ্রকাশ করেন। ড. হাছান প্রয়াতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

বেগম জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ালেও বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ধন্যবাদ জানানো হয়নি- এবিষয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীনভাবে একজন শাস্তিপ্রাপ্ত আসামী (খালেদা জিয়া) যিনি ১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তাও এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত, তাকে নজিরবিহীনভাবে দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে তাকে মুক্তি দিয়েছেন। ছয় মাসের জন্য প্রাথমিকভাবে মুক্তি দেয়া হয়েছে, পরে আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই প্রথম সিআরপিসির (দণ্ডবিধি) ৪০১ ধারায় যে প্রদত্ত ক্ষমতা সেটা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করেছেন। এতে বিএনপির ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে বিএনপি ধন্যবাদ জানানোর সংস্কৃতিটা লালন করে না। এজন্য তারা ধন্যবাদ জানাতে ব্যর্থ হয়েছে।’

মন্ত্রী এসময় বলেন, ‘বিএনপির কাছে আমার প্রশ্ন- এই পরিস্থিতি যদি উল্টোভাবে ভাবি, বেগম খালেদা যদি প্রধানমন্ত্রী থাকতেন, তিনি কি শেখ হাসিনার জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন? আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি করতেন না। কারণ যিনি ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডকে উপহাস করার জন্য, হত্যাকারীদের উৎসাহিত করার জন্য নিজের জন্মের তারিখটাই বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন,

দেশের প্রধানমন্ত্রী তার দরজায় গিয়ে ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরও দরজা খোলেননি, যার জ্ঞাতসারে তার পুত্র ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা চালায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমস্ত কিছু ভুলে তাকে এই মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি নজিরবিহীন।’

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী- এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা দেখেছি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নামে বিএনপি যেভাবে ভোট বানচাল করার চেষ্টা করেছে, ৫০০ ভোটকেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছে, শত শত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, এমনকি পোলিং অফিসারকে হত্যা করেছে। এই যদি তাদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নমুনা হয়, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।’

টিআরপি নির্ধারণে কমিটি

এফটিপিও নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, টিআরপি ব্যবস্থাকে নিয়ম-নিয়ম নীতির মধ্যে আনতে নিয়ে তিন মাস আগ থেকে তথ্য মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। আমরা একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। এই কমিটি সুপারিশ করবে কিভাবে বিজ্ঞানসম্মতভাবে এবং অন্যান্য দেশে যেভাবে টিআরপি নির্ধারণ করা হয়, সেই পদ্ধতিতে আমাদের দেশে কীভাবে টিআরপি নির্ধারণ করা যায়।

এফটিপিও আহবায়ক নাট্যকার মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে সংগঠনের শীর্ষনেতাদের মধ্যে সালাহউদ্দীন লাভলু, নাসিম, এজাজ মুন্না, এস এ হক অলীক, সাজু খাদেম, ইরেশ যাকের, গাজী রাকায়েত এবং আনজাম মাসুদ বৈঠকে অংশ নেন।

‘বিদেশি দ্বিতীয় শ্রেণির শিল্পী কলাকুশলীদের দিয়ে বাংলাদেশের পণ্যের বিজ্ঞাপন বানিয়ে প্রদর্শন করাতে বাংলাদেশের শিল্পীরা বঞ্চিত হয়, শিল্প বঞ্চিত হয়। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা যারা অভিনয় করে, বিজ্ঞাপনে মডেল হয়, তারা অনেক স্মার্ট, দেখতেও সুন্দর। কিন্তু এরপরও কোন কোন বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রবণতা থাকে আশেপাশের দেশ থেকে এগুলো বানিয়ে আনা। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে সেটি আমরা বন্ধ করবো না, কিন্তু একটি নিয়মনীতির আওতায় আনা হবে।’

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিল্পীদের জন্য শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আছে, সেই কল্যাণ ট্রাস্ট সবার জন্য। টেলিভিশন, মঞ্চ, যাত্রার জন্য তো আলাদা আলাদা শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট করা যাবে না। শিল্পীদের জন্য একটি শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আছে। সেটি পরিচালনার দায়িত্ব সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য চলচ্চিত্র শিল্পী ট্রাস্ট গঠন করেছেন। এই দুই ট্রাস্ট থেকে টেলিভিশন শিল্পীরাও কিভাবে এর থেকে সহায়তা পায় সেটা নিয়েও আমরা কাজ করছি।

0 0

সিটিজি ট্রিবিউন মোঃআলাউদ্দীনঃ  তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির মেয়াদ ২য় দফায় আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীন মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন।

অপরদিকে ধন্যবাদের সংস্কৃতি লালন করেনা বলে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় তথ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে টেলিভিশন শিল্পী-কলাকুশলীদের বিভিন্ন সংগঠনের জোট ‘ফেডারেশন অভ টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন (এফটিপিও)’ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের সদ্যপ্রয়াত সেক্টর কমান্ডার লে: কর্ণেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দু:খপ্রকাশ করেন। ড. হাছান প্রয়াতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

বেগম জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ালেও বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ধন্যবাদ জানানো হয়নি- এবিষয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীনভাবে একজন শাস্তিপ্রাপ্ত আসামী (খালেদা জিয়া) যিনি ১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তাও এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত, তাকে নজিরবিহীনভাবে দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে তাকে মুক্তি দিয়েছেন। ছয় মাসের জন্য প্রাথমিকভাবে মুক্তি দেয়া হয়েছে, পরে আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই প্রথম সিআরপিসির (দণ্ডবিধি) ৪০১ ধারায় যে প্রদত্ত ক্ষমতা সেটা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করেছেন। এতে বিএনপির ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে বিএনপি ধন্যবাদ জানানোর সংস্কৃতিটা লালন করে না। এজন্য তারা ধন্যবাদ জানাতে ব্যর্থ হয়েছে।’

মন্ত্রী এসময় বলেন, ‘বিএনপির কাছে আমার প্রশ্ন- এই পরিস্থিতি যদি উল্টোভাবে ভাবি, বেগম খালেদা যদি প্রধানমন্ত্রী থাকতেন, তিনি কি শেখ হাসিনার জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন? আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি করতেন না। কারণ যিনি ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডকে উপহাস করার জন্য, হত্যাকারীদের উৎসাহিত করার জন্য নিজের জন্মের তারিখটাই বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী তার দরজায় গিয়ে ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরও দরজা খোলেননি, যার জ্ঞাতসারে তার পুত্র ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা চালায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমস্ত কিছু ভুলে তাকে এই মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি নজিরবিহীন।’

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী- এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা দেখেছি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নামে বিএনপি যেভাবে ভোট বানচাল করার চেষ্টা করেছে, ৫০০ ভোটকেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছে, শত শত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, এমনকি পোলিং অফিসারকে হত্যা করেছে। এই যদি তাদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নমুনা হয়, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।

0 0

নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণে ব্যাপক হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি সহকারী পরিচালক মোঃ গিয়াস উদ্দীন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক শোকবার্তায় মৃত মুসল্লিদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি দগ্ধ মুসল্লিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

শোক বার্তায় সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, শুক্রবার এশার নামাজ চলাকালে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিমতল্লা এলাকার বাইতুস সালাত মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এমন দুর্ঘটনা এবং হতাহতের ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

তিনি বলেন বিস্ফোরণের প্রকৃত রহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। তদন্তে কারো অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ মিললে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া হতাহতের পরিবারের সদস্যদের যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবীও জানান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন।পাশাপাশি দগ্ধ মুসল্লিদের সার্বিক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণে ব্যাপক হতাহতের ঘটনায় একইভাবে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

তিনি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অগ্নিদগ্ধ সবাইকে উন্নত চিকিৎসা ও সকল প্রকার সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে উন্নত চিকিৎসার নির্দেশ দেন। উন্নত চিকিৎসার কারণে তিনি এখন আগের থেকে একটু উন্নতি পথে। কোন দুর্ঘটনা দেখলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বসে থাকতে পারেন না।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ, শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন ৩৭ জনের মধ্যে শিশু ও মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ এ পর্যন্ত ১২ জন মারা গেছেন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতালের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এসময় তিনি আরও জানান, বাকিরাও রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।

তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি গভীর শোকও প্রকাশ করেছেন।

ডাক্তাররা জানিয়েছেন, সবারই অবস্থা সংকটাপন্ন, কমবেশি সবারই পুড়েছে শ্বাসনালী।

এদিকে, হাসপাতালে দগ্ধদের দেখতে এসে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সব কিছুই তদন্ত করে দেখা হবে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

ঢাকা বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০: ঢাকার ধামরাই উপজেলায় কর্মরত বেসরকারি বিজয় টেলিভিশনের জুলহাস উদ্দিন (৩৫) নামে এক সাংবাদিককে পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গভীর শোক তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এক বিবৃতিতে বিএমএসএফ’র সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সমন্বয়কারী আহমেদ আবু জাফর। ঘটনার সাথখে জড়িত সকল আসামিদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।

উল্লেখ্য, আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বারবারিয়া গ্রামের কালী মন্দিরের পাশে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পৃলিশে দিয়েছে।

নিহত জুলহাস উদ্দিন ধামরাই উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতকোরা গ্রামের মৃত রইস উদ্দিনের ছেলে।

গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রবিউল আওয়াল হাসু বলেন, দুপুরের দিকে এক ব্যক্তি তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে মানিকগঞ্জের সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) কামাল হোসেন। তিনি বলেন, তার মারা যাবার খবর পেয়েছি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।