Home ঢাকা

প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, এখন গাছের পাতায় পাতায় আওয়ামী লীগ। এটা রাজনীতির জন্য খুবই বিপদজনক। এটা যদি রাজনীতিবিদদের হাতে থাকতো তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু এটা যদি প্রফেশন হয়ে যায় তাহলে খুব মারাত্মক ব্যাপার। আমি মনে করি প্রফেশনাল হিসেবে যারা আছেন তাদের সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে আপনার প্রফেশনে আপনি সাকসেসফুল কিনা সেটা লক্ষ্য রাখা।
আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড কী সেটা দেখার দরকার নেই। শুধু একটা জিনিস দেখতে হবে যে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কিনা। আজ সোমবার (১ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পুলিশ সুপার জায়েদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক।
বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদস সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ। শামীম ওসমান আরো বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুই ধরনের মানুষ আছেন। এক ধরনের মানুষ আবেগ দিয়ে রাজনীতি করেন। আরেক ধরনের মানুষ তাদের মাথার বুদ্ধি দিয়ে। যারা আবেগ দিয়ে করেন তাদের জন্য রাজনীতিটা খুব কঠিন হয়ে যায়।
হাদিসের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আমি যদি অবৈধ কাজ করি আমার ছেলে মেয়েও হাশরের ময়দানে আমাকে চিনবে না। সুতরাং আমি এমপি, মন্ত্রী আমাদের এ সম্মান আল্লাহ দিয়েছেন। সব ধর্মই ভালো কথা বলে। কোনো ধর্ম খারাপ কথা শেখায় না। ভুল করার পরে যে নিজেকে সংশোধন করে নেন আল্লাহ তাকে বেশি পছন্দ করেন। তিনি বলেন, আজকে দেশে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা আপনারা আমার চেয়ে কম জানেন না।
এটা শুধু শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র না। এটা রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার। রাষ্ট্রের মূল কাঠামেগুলোকে দেশের বাইরে থেকে বসে প্রতিনিয়ত আঘাত করা হচ্ছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করা হচ্ছে এই রাষ্ট্রকে তালেবান রাষ্ট্র বানাতে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে কারণ আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই দেশে থাকবে। আপনারা ভালো কাজ করবেন, আপনাদের প্রশংসা করব, খারাপ কাজ করবেন আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলব। এখানে কোনো ছাড় হবে না।
কারণ আল্লাহর কাছে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে। প্রভাবশালী এই এমপি বলেন, আমি এই কথাগুলো বললাম কারণ আমার চলে যাওয়ার সময় এসেছে। আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি। যদিও আমার মৃত্যু আজ থেকে বিশ বছর আগে ১৬ জুন হয়ে গেছে। আমার ডানে-বায়ে যারা ছিলেন সবাই মারা গেছেন।
আমি যে সাক্ষী দিয়েছি সে সাক্ষীও বদলে দেওয়া হয়েছে এবং সেটা আমার সরকারের আমলেই। আমি কোর্টে তা ডিনাই করে এসেছি। পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
আপনাদের কাছে মানুষ অনেক কিছু আশা করেন। তা পূরণ করবেন কী করবেন না আপনাদের ইচ্ছা।

0 0

আমি পুরো প্রক্রিয়াটি ভুল হিসেবে চিহ্নিত করতে চাই। লেখা ছাপার সঙ্গে রিভিউয়ার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডিন অফিস ও সম্পাদনা পরিষদ দায়ী হলেও এককভাবে জোর করে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে মিডিয়া ট্রায়াল করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের এমন ষড়যন্ত্রের রায় মানি না। এ কারণে কোর্টে যাব। আশা করি, সেখানে ন্যায়বিচার পাব…

সামিয়া রহমান, জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক। প্লেজারিজম বা চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক থেকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদাবনতি করা হয়েছে। এরপর থেকে গণমাধ্যম, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে সরগরম আলোচনা। সামিয়া রহমানও একাধিক বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্ত ‘ষড়যন্ত্র’ বলে আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এসব বিষয় নিয়ে সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় খোলাসা করেন কীভাবে তিনি এ ষড়যন্ত্রের শিকার।

নিবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগের পর পদাবনতি। আপনি বলছেন, ‘ষড়যন্ত্র’। আদালতে যাওয়ার কথাও বলেছেন বিভিন্ন সময়ে। বিষয়টির শুরু থেকে যদি বলতেন…

সামিয়া রহমান : ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আমার ও মাহফুজুল হক মারজানের যৌথভাবে ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্টাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ নামক যে লেখাটি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ‘রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়, সেই লেখার আইডিয়া ছিল কেবল আমার। পরবর্তীতে জার্নালে প্রকাশ হওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল আমার অগোচরে। প্রকাশিত লেখার মূল অথর (লেখক) আমি হলেও ডিন অফিসে জমা, রিভিউয়ারের কপি; কোনো কিছুতেই আমার স্বাক্ষর ছিল না। পুরো প্রক্রিয়াটি করেছে কো-অথর সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজান। সে আমার প্রাক্তন ছাত্র, পরবর্তীতে অপরাধ বিজ্ঞানের শিক্ষক হয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষায় অধ্যয়নরত।

তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলা হলেও তারা দুই বছর দীর্ঘায়িত করেছে শুধু সময়ের অপেক্ষা আর মিডিয়া ট্রায়ালের জন্য

সামিয়া রহমান, এখনজন সাংবাদিক, উপস্থাপক ও শিক্ষক

আমি পুরো প্রক্রিয়াটি ভুল হিসেবে চিহ্নিত করতে চাই। লেখা ছাপার সঙ্গে রিভিউয়ার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডিন অফিস ও সম্পাদনা পরিষদ দায়ী হলেও এককভাবে জোর করে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে মিডিয়া ট্রায়াল করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের এমন ষড়যন্ত্রের রায় মানি না। এ কারণে কোর্টে যাব। আশা করি, সেখানে ন্যায়বিচার পাব।

সামিয়া রহমান : আমি প্লেজারিজম করেছি, এর কোনো দালিলিক প্রমাণ তদন্ত কমিটি দেখাতে পারেনি। তারপরও জোর করে আমাকে জড়িয়েছে। ট্রাইব্যুনাল বলছে, আমি নির্দোষ। তারপরও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট আমাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। মারজান নিজে বলছে, সে লেখা জমা দিয়েছে। তারপরও আমাকে জড়ানো হয়েছে। যখন দেখলাম পুরোটাই ষড়যন্ত্র তখন কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই।

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আপনাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কিন্তু একই অপরাধে শাস্তি পাওয়া অন্যদের নিয়ে তেমন আলোচনা নেই, কেন?

সামিয়া রহমান : এমন অভিযোগে অনেকেই দোষী সাব্যস্ত হলেও আমাকে নিয়ে ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি আলোচনা। এর একমাত্র কারণ আমি সামিয়া রহমান। একই সময় (২০১৭ সালে) প্লেজারিজমের দায়ে আরেকটি তদন্ত কমিটি হয়েছিল। তাদের নাম তো কেউ বলে না।

আমার পরিকল্পনা ও গ্রন্থনায় টকশোসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এসব সাফল্য আমার বিভাগের শিক্ষকদের একটি অংশে ভয়ঙ্কর ঈর্ষা তৈরি করেছে

সামিয়া রহমান, সাংবাদিক, উপস্থাপক ও শিক্ষক

আমার সঙ্গে আরেকজনের পদাবনতি হয়েছে, তার নাম কিন্তু মিডিয়ায় ওইভাবে আসছে না। আমার নামটা বেশি আসার কারণ, আমি মিডিয়াতে আছি। এতে অনেক মানুষ জেলাসি ফিল (প্রতিহিংসাপরায়ণ) করে। আমার অনেক এনিমি (শত্রু) তৈরি হয়েছে। টেলিভিশনে আমি যখন পলিটিক্যাল (রাজনীতি) বিষয় নিয়ে কথা বলি তখন অনেক শত্রু তৈরি হয়।

তবে এসব আলোচনায় আমি আতঙ্কিত নই, কষ্ট পাই না। প্রথমদিকে পেয়েছিলাম। পরে আমার কাছে মনে হলো, মশা-মাছিকে আসলে গুরুত্ব দিয়ে লাভ নেই। যারা নোঙরা সমালোচনা করছে তারা হিংসাপরায়ণ হয়ে করছে। তবে এর বেশির ভাগই ফেক আইডি। তারা আমার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত, হিংসায় মরে যাচ্ছে। কারণ তাদের দুনিয়াটা এত ছোট যে মানুষের ক্ষতি, হিংসা করা ছাড়া তাদের বেঁচে থাকার আর কোনো জগৎ নেই। কিন্তু আমার জীবনে দুটি সন্তান, পরিবার আছে। যারা আমাকে ভীষণভাবে সাপোর্ট করে। তাদের জন্য বাঁচব। আমি ঈর্ষাকাতর প্রাণীকে মানুষ হিসেবে গণ্য করতে চাই না।

ষড়যন্ত্রের কথা বলছেন। এর পেছনে কোনো ব্যাখ্যা আছে কিনা?

সামিয়া রহমান : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ডিন, যিনি প্লেজারিজমের দায়ে অভিযুক্ত; তাকে নিয়ে তো কোথাও আলোচনা নেই। তিনিই আবার আমার প্লেজারিজমের রায় দিচ্ছেন। তার কি এ রায় দেওয়ার অধিকার আছে?

আমার সাবেক সহকর্মী, যাদের আমি বিভিন্ন মিডিয়ায় চাকরি দিয়েছি, তারাই সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন জায়গায় আজেবাজে কমেন্ট করছে। আসলে মানুষের মানসিকতা বড় ব্যাপার। পরিবার-শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ

সামিয়া রহমান, সাংবাদিক, উপস্থাপক ও শিক্ষক

মিডিয়ায় আসার পর থেকেই আমি টার্গেট শিকার। বর্তমান প্রশাসনে আছেন এমন একজন শিক্ষক, একদিন আমাকে ডেকে বলেছিলেন, প্রাক্তন উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিকের বেনিফিশায়ারি (সুবিধাভোগী) হিসেবে আপনাকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, আপনাকে অনেকেই সহ্য করতে পারেন না। আপনার প্রতি তাদের অনেক আক্রোশ। আপনি মিডিয়ায় অনেক ওপরে আছেন। আপনি চাইলেই অনেক কিছু করতে পারেন। মিডিয়ার তো অনেক ক্ষমতা। এজন্য আপনার একটি শত্রুবলয় তৈরি হয়েছে। আমি তাকে বলেছিলাম, আমি তো আরেফিন স্যারের বেনিফিশিয়ারি নই। আমি স্যারের সময় কি বিদেশে স্কলারশিপ নিয়েছি, হাউজ টিউটর হয়েছি,  প্রক্টর বা প্রভোস্ট হয়েছি?

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমার প্রতি অন্যায় করেছে, ষড়যন্ত্র করেছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমি কোর্টে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত আমি মেনে নেইনি। আমি যদি ঘটনাটি ঘটাতাম, তাহলে আমি এটা মেনে নিতে পারতাম। যে অন্যায় আমি করেনি সেটা কেন মেনে নেব?

আরও তো লোক আছে। আপনাকে নিয়েই কেন এই ষড়যন্ত্র?

সামিয়া রহমান : পুরো ঘটনাটির ধাপে ধাপে আমি ষড়যন্ত্র দেখছি, সেটা তো আমি মেনে নিতে পারি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কিছু মানুষ মনে করে আমার পতন হলে তারা আনন্দ পাবে, আরেফিন স্যারের একটা অনুসারীর ধ্বংস হবে। আরেফিন স্যার আমার শিক্ষক ছিলেন। আগে থেকেই তাকে শ্রদ্ধা করি, ভবিষ্যতেও করব। যারা এসব ষড়যন্ত্র করছে তাদের শিক্ষক তো নয়, আমি মানুষ হিসেবও গণ্য করি না।

শিক্ষক রাজনীতির এ খেলা এভাবে হবে, তা আমার ধারণা ছিল না। আমার প্রতি অন্যায় হয়েছে, সেটার বিরুদ্ধে আমি ফাইট করব

সামিয়া রহমান, সাংবাদিক, উপস্থাপক ও শিক্ষক

পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির শিকার আমি। নীল দলের নমিনেশনে আমাকে ভোট দিতে দেয়নি বর্তমান একজন ডিন। সাধারণ শিক্ষক হিসেবে আমার সে অধিকার ছিল কিন্তু সেটিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

আপনি কি তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজনীতির শিকার?

সামিয়া রহমান : বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি না করলে প্রমোশন হবে না। আমার সমস্যা ছিল, সক্রিয় ওই নোঙরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, এটুকুই আমার অবস্থান।

ভিসি স্যার (মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান) কেন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেন না। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বারবার বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের যে সিদ্ধান্ত তা মওকুফ করা যায়, লঘু করা যায় কিন্তু বাড়ানো যায় না। কিন্তু ভিসি স্যার কেন এটা নিয়ে কথা বলছেন না? কারণ, শিক্ষক সমিতির একটা রাজনীতি এখানে জড়িত। ভোটের ব্যাপার আছে। পুরোটাই ভোটের রাজনীতির খেলা, ষড়যন্ত্র। সে ষড়যন্ত্রের মধ্যে আমাকে ফেলানো হয়েছে।

শিক্ষক রাজনীতির এ খেলা এভাবে হবে, তা আমার ধারণা ছিল না। আমার প্রতি অন্যায় হয়েছে, সেটার বিরুদ্ধে আমি ফাইট করব।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বারবার বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের যে সিদ্ধান্ত তা মওকুফ করা যায়, লঘু করা যায় কিন্তু বাড়ানো যায় না। কিন্তু ভিসি স্যার কেন এটা নিয়ে কথা বলছেন না? কারণ, শিক্ষক সমিতির একটা রাজনীতি এখানে জড়িত। ভোটের ব্যাপার আছে

সামিয়া রহমান, সাংবাদিক, উপস্থাপক ও শিক্ষক

0 0

আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বিডিআর হত্যাকান্ডের দিনে বেগম খালেদা জিয়া, যিনি দিনের বারোটার আগে ঘুম থেকে উঠেননা, তিনি কেন প্রত্যুষে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে চলে গিয়েছিল ? তিনি কেন এদিন তারেক রহমানের সাথে ৩০ থেকে ৪০ বার কথা বললেন ? এই রহস্যগুলো বের হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। তাহলেই মুখোশ উম্মেচিত হবে কারা এর পেছনে কলকাঠি নেড়েছিল।
শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তথ্যমন্ত্রীর চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুর পাড়স্থ বাসভবনে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিং করেন। এসময় সাংবাদিকরা বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বিডিআর হত্যাকান্ডের বিচার করবেন দলটির যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ নানা ধরণের প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন, এই হত্যাকান্ডের পেছনে আরো কারা কারা আছে সেগুলো নিয়ে তারা ক্ষমতায় গেলে তদন্ত করবেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে এটি আমাদেরও প্রশ্ন, যিনি ঘুম থেকে দুপুর বারোটার আগে উঠেননা, অথচ সেদিন খালেদা জিয়া বিডিআর হত্যাকান্ডের আগে খুব সকালে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বের হয়ে গেলেন কেন ? সেদিন তিনি তারেক রহমানের সাথে ৩০ থেকে ৪০ বার ফোনে কথা বলেছেন, এটার পেছনে রহস্যটা কি ?
তিনি বলেন, তখন সদ্য সরকার গঠন করেছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, আমাদের সরকারের তখনো দুইমাস পূর্তি হয়নি, প্রায় দেড় মাসের মাথায় এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছিল। এই হত্যাকান্ড সংগঠনের পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারকে অস্থিতিশীল করা।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিডিআর হত্যাকান্ডের বিচার ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে, দেশের ইতিহাসে নয় শুধু পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নিরিখেও এতবড় একটি হত্যাকান্ডের এতগুলো আসামীর বিচার কম হয়েছে। আমাদের দেশের ইতিহাসে এতজন আসামীর বিচার আর হয়নি। বিশ^ পেক্ষাপটেও এতগুলো আসামীর বিচার কোথাও হয়েছে বলে আমার জানা নেই।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের মামলার বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন নিয়ে মামলা যে কেউ করতে পারে, মামলা করার অধিকার সবারই আছে, তবে বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে বিএনপিকে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডা. শাহাদাতকে আমি অনুরোধ জানাবো তার দলের কেন্দ্রিয় নেতাদের প্রশ্ন রাখার জন্য, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুস্থ সবল থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে কেন্দ্রিয় নেতারা কেউ চট্টগ্রামে আসলেননা কেন। এমনকি চট্টগ্রামে যে সমস্ত কেন্দ্রিয় নেতা আছেন তারাও কিন্তু নির্বাচনের সময় তার পক্ষে নামেননি। আমির খসরু মাহমুদকে দুয়েকবার দেখা গেলেও তা প্রেস কনফারেন্সের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তার দলের স্থানীয় নেতারাও প্রথমে কিছুটা সরব থাকলেও পরবর্তীতে তারা ঘরের মধ্যে চলে যান। এজন্য ডা. শাহাদাতকে বলবো এই প্রশ্নগুলো তার দলের নেতাদের কাছে করে তাদের বিরুদ্ধেও যাতে একটা মামলা করেন।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হচ্ছে বাংলাদেশের সব মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্য। ডিজিটাল বিষয়টা আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে ছিলনা, সুতরাং ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টিও ছিলনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে যখন একজন সাংবাদিকের চরিত্র হনন করা হয়, একজন গৃহিনীকে যখন অপবাদ দেয়া হয়, একজন সাধারন মানুষ যখন ডিজিটাল আক্রমণের শিকার হন, তিনি কোন আইনে প্রতিকার পাবেন, তখন কোন আইনের বলে সে নিরাপত্তা পাবে, সেজন্য একটা আইনের দরকার। এই জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।
মুশতাক আহমেদের মৃত্যুটা সত্যিই অনভিপ্রেত জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমিও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি, সেখানে কারা কর্তৃপক্ষের কোন গাফেলতি ছিল কিনা সেটা খুঁজে দেখা যেতে পারে। তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার যাতে নাহয় সেটির জন্য আমরা সচেতন আছি, বিশেষত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যাতে এই আইনের অপব্যবহার নাহয়, সেজন্য তথ্যমন্ত্রণালয় ও আমি ব্যক্তিগত ভাবে সবসময় সচেতন আছি এবং কোনখানে এধরণের ঘটনা ঘটলে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়, বলেন- তথ্যমন্ত্রী।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে খবর দেয়া উচিৎ ডা. জাফরুল্লাহ’র এমন বক্ত্যব্যের বিষয়ে সাংবাকিরা জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডা. জাফরুল্লাহতো নানা কথা বলেন, যেমন করোনার টিকার বিরুদ্ধে খুব সোচ্চার ছিলেন, আবার নিজে করোনার টিকা নিয়ে বলেছেন এই টিকা সবার নেয়া উচিৎ। সুতরাং আজকে জাফরুল্লাহ সাহেব যে কথা বলেছেন দুদিন পর দেখবেন নিজের কথারই তিনি আবার অন্য সুরে কথা বলবেন। সুতরাং এটার উত্তর দেয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করিনা।

0 0

মিটিং এ ২০২০ সালের ১ লা জুলাই থেকে ৩১ শে ডিসেম্বর ২০২০ ইং পর্যন্ত আয়- ব্যয়ের হিসাব প্রদান করা হয়,৬ মার্চ বরিশাল,১২ মার্চ খুলনা,১৬ মার্চ মানিকগঞ্জ,২০ মার্চ কক্সবাজার,২১ মার্চ চট্টগ্রাম‌ ও ২৮ মার্চ পঞ্চগড় জেলা সফর, পাশাপাশি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে কেন্দ্রীয় কমিটির মিটিং আয়োজনের সিদ্ধান্ত ,

এছাড়াও ৪ জন উপদেষ্টা ও ৪ জন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যকে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক,

অভিনেতা উদয় খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আনোয়ার সাদাত সবুজ, কেন্দ্রীয় সদস্য এমএ মামুন, যশোর জেলা সমন্বয়কারী, রবিউল ইসলাম প্রমূখ।

0 0

আয়াজ আহমাদ:

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১:ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হানার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ইসলামী চিন্তাবিদসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম আমিন সংকলিত ‘সন্ত্রাস নয় সম্প্রীতির ধর্ম ইসলাম’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

গ্রন্থটির সংকলক রাজনৈতিককর্মী হিসেবে সুপরিচিত হলেও প্রথমে মাদ্রাসা ও পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনকারী আমিনুল ইসলাম আমিন ইসলাম সম্পর্কে যথেষ্ট প্রজ্ঞার অধিকারী বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

ড. হাছান বলেন, ‘ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কিশোর-তরুণদের বিপথগামী করা হয়, ইসলামকে ক্ষমতায় যাওয়ার সোপান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একইভাবে ভাস্কর্যের বিরুদ্ধাচারণ, আবহমান বাংলার নানা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হানা,

পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে প্রশ্ন তোলা- এগুলো যে ঠিক নয়, সেটি জনগণের কাছে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম রক্ষা এবং ইসলামের ওপর কালিমা লেপনকারী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সকলকে নিয়ে ইসলামী চিন্তাবিদদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ জানাই।’

‘আমাদের দেশে কিছু রাজনৈতিক শক্তি এবং একইসাথে কিছু উগ্রবাদী ধর্মীয় গোষ্ঠী ইসলামকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালায়’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘একাত্তর সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছিল তখন ইসলাম রক্ষার দোহাই দিয়ে পাকিস্তান রক্ষার কথা বলা হয়েছিল এবং মুক্তিযোদ্ধাদেরকে কাফের আখ্যা দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ইসলামের কথা বলে জনগণকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর জিয়াউর রহমানসহ যারা ক্ষমতা দখল করেছিল তারা ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করা ও ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ইসলামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সাহেবও ইসলামকে ব্যবহার করে সংবিধানকে কাঁটাছেঁড়া করেছেন, অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা করেছেন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও এমন হয়েছে।’

জঙ্গিদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নেতারা যখন কথা বলেন, তখন আশেপাশে সেই নেতারা থাকে, যারা শ্লোগান দিয়েছে বা দেয় ‘আমারা সবাই তালেবান বাংলা হবে আফগান’। তাদেরকে সাথে নিয়েই বিএনপি অন্যের ওপর জঙ্গিসম্পৃক্ততার দোষ চাপানোর অপচেষ্টা করে।

জঙ্গিদমনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে সক্ষমতা দেখিয়েছে, অন্য কোনো রাষ্ট্র তা দেখাতে পারেনি। বিএনপি’র পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে পাঁচশ’ জায়গায় একযোগে বোমা হামলা হয়েছে, বিএনপি’র তারেক রহমানের পরিচালনায় জঙ্গিদের নিয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল,

সেগুলো দিবালোকের মতো স্পষ্ট। জঙ্গিপৃষ্ঠপোষকতায় কোটালীপাড়ায় বোমা হামলার পাঁয়তারা হয়েছে, শেখ হেলাল, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় হামলা হয়েছে এবং এসএম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে।’

‘জঙ্গিকে আমরা আজকে দমন করতে সক্ষম হয়েছি কিন্তু বাংলাদেশে বিএনপি যদি জঙ্গিদের এভাবে পৃষ্ঠপোষকতা না দিতো বা জঙ্গিগোষ্ঠী সাথে নিয়ে রাজনীতি না করতো, বিএনপি যদি পৃষ্ঠপোষকতা না দিতো, তাহলে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হতো’ বলেন ড. হাছান।

ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ ও বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম আমিন সংকলক হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। সম্পাদক মুফতি মোহাম্মাদ সরওয়ার হোসাইন সম্পাদিত র‌্যামন পাবলিশার্স প্রকাশিত পবিত্র কুরআন ও হাদিসের উদ্ধৃতি সম্বলিত ৯২ অধ্যায়ের বইটির মূল্য পাঁচশত টাকা।

এর আগে সকালে রাজধানীর কাওরানবাজারে বাংলাদেশ ইস্পাত প্রকৌশল কর্পোরেশন হলে দা বিজনেস ইনসাইডার বাংলাদেশ পত্রিকার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী মানুষ ও জাতিকে আশাবাদী করতে স্বপ্ন দেখানোর ও মানুষের মধ্যে মূল্যবোধের উত্তরণ ঘটানোর গভীর দায়িত্ব পালনে গণমাধ্যমের অগ্রণী ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পত্রিকাটির সাফল্য কামনা করেন।

বিজনেস ইনসাইডার মিডিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন, পরিচালক মীর মনিরুজ্জামান, সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমানসহ পত্রিকার সকল সদস্য এসময় উপস্থিত ছিলেন।

0 0

পাবনা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা দলের নেতৃত্বে এলে শেখ হাসিনার হাত আরো শক্তিশালী হবে।

বুধবার দুপুরে পাবনার ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ফরিদপুর উপজেলার ওয়াজি উদ্দিন পৌর মিলনায়তনে আয়োজিত এ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে নেতাকর্মীদের মধ্যে যদি আলস্য এসে যায়, সেটা হতে দেয়া যাবে না। পিঠ বাঁচাতে এবং সহজে টাকা আয় করতে অনেকেই আসবে, তাদের দরকার নাই। পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা দলের নেতৃত্বে আসবে। তাহলে শেখ হাসিনার হাত আরো শক্তিশালী হবে।’

নেতাকর্মীদের ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি সৃষ্ঠিশীল সংগঠনের নাম’ স্মরণ করিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘এই সংগঠনের নেতৃত্বে স্বাধীনতা এসেছে। বঙ্গবন্ধু প্রাণ বাজী রেখে সংগ্রাম করে স্বাধীনতা এনেছেন। বঙ্গবন্ধু শুধু স্বাধীনতাই চাননি, চেয়েছিলেন উন্নত দেশ গড়তে কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগষ্ট তাকে হত্যা করায় সেই স্বপ্ন তিনি বাস্তবায়ন করতে পারেন নাই । আজ বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দিবানিশি কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

শেখ হাসিনার যাদুকরি নেতৃত্বের কারণে করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপগুলো বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনার টিকা এখনও অনেক বাষ্ট্র পায় নাই। বাংলাদেশ টিকা সংগ্রহে অনেক দেশের চাইতে এগিয়ে। আর বাস্তবতা হলো, সমালোচনা করলেও বিএনপির নেতারা নিজেরাই টিকা নিচ্ছেন।’

ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. খলিলুর রহমান খলিল এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুল কবীর এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল, কার্যকরী সদস্য কবিতা জাহান কবিতা, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি, শামসুল হক টুকু এমপি, মো. মকবুল হোসেন এমপি, আহমেদ ফিরোজ কবীর এমপি, নুরুজ্জামান বিশ^াস এমপি, নদিরা ইয়াসমিন জলি এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপাপ্ত সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল প্রমুখ।

সকালে সড়কপথে পাবনার ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যাওয়ার পথিমধ্যে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সিরাজগঞ্জে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস ফিল্ডের রেস্ট হাউসে যাত্রাবিরতিকালে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ তথ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

0 0

পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয় সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে। সংগঠনটি সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, রাষ্ট্রের পক্ষে আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল আদায়ের জন্য বিক্ষোভ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সভা সেমিনার আয়োজন করে আসছে। আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং সার্বিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে ৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকে উপদেষ্টা পরিষদে পদায়ন করা হলো।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আমরা আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল আদায়সহ নদী ও খাল দখল দূষণ, অবৈধ বালু, পাথর উত্তোলণ বন্ধে জনসেচতনা তৈরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। উপদেষ্টা পরিষদে নতুন ৪ জন উপদেষ্টা নির্বাচিত করা হয়েছে। আশা করি আপনাদের পরামর্শের মাধ্যমে আমাদের প্রানের সংগঠন দ্রুত গতিতে এগিয়ে  যাবে।

উপদেষ্টারা হলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরি কোঅর্ডিনেটর, ড. মোঃ মনজুরুল কিবরীয়, বাংলাদেশের অন্যতম জাতীয় পত্রিকা দৈনিক সকালের সময় এর প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ নুর হাকিম, সবুজ আন্দোলন পরিচালনা পরিষদের অর্থ পরিচালক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ওমর ফারুক চৌধুরী এবং সবুজ আন্দোলনের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি, নাসিরুল ইসলাম নাসির।

গঠনতন্ত্রের ৭ এর ঞ (২) ধারা অনুযায়ী তাদেরকে প্রদায়ন করা হয়। পরিচালনা পরিষদের অর্থ পরিচালক, ৪ নম্বর পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা করা হলো। শূন্য পদ সমূহ আগামীতে পূরণ করা হবে।

0 0

ঢাকা, বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১:
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দু:খপ্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ৮০ বছর বয়সে এই প্রখ্যাত ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞ ও সমাজকর্মীর ইন্তেকালের সংবাদে শোকাহত তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান তার শোকবার্তায় প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ছাড়াও কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সোনালী, অগ্রণী ও পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এবং কচিকাঁচার মেলার পরিচালকের দায়িত্ব পালনকারী খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের অবদান দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

0 0

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১:
খ্যাতিমান কলামিস্ট, গবেষক, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দু:খপ্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে ৭৫ বছর বয়সে এই প্রখ্যাত সমাজ গবেষক ও লেখকের ইন্তেকালের সংবাদে শোকাহত তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান তার শোকবার্তায় প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদদের জীবন ও কর্ম নিয়ে সৈয়দ আবুল মকসুদের গবেষণামূলক প্রবন্ধ, কলাম ও পাশাপাশি তার কাব্যচর্চা আমাদেরকে যেভাবে সমৃদ্ধ করেছে, তা কালজয়ী।

মন্ত্রী এসময় বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য সৈয়দ আবুল মকসুদের বাংলা একাডেমি পুরস্কার অর্জনের কথাও সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন।

0 0

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের সম্পর্কযুক্ত সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যত্নবান থাকতে হবে যাতে ভুল, অসত্য কিম্বা তথ্যনির্ভর নয় এমন কিছু দু’দেশের সম্পর্কে অহেতুক বিরূপ প্রভাব না ফেলে।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ইমক্যাব আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি করোনা টিকা নিয়েও কিছু ভুল, অসত্য সংবাদ আমাদের দেশে এবং ভারতেরও কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে পরিবেশিত হয়েছে, যা দু’দেশের মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির উপক্রম করেছে, পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সংবাদ সম্মেলনে তা নিরসন হয়েছে।

ইমক্যাব সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম দোরাইস্বামী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ। সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সিনিয়র সাংবাদিক হারুন হাবীব এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ।

মন্ত্রী ড. হাছান তার বক্তৃতায় গভীর কৃতজ্ঞতাভরে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত শুধু আমাদের সহায়তাই করেনি, আমাদের মুক্তিকামী মানুষের সাথে ভারতের সেনাবাহিনী যুদ্ধ করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সাথে ভারতের সেনাবাহিনীর সদস্যদের রক্তও মিশে আছে এবং বাংলাদেশের এক কোটি মানুষকে ভারত আশ্রয় দিয়েছিল। পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে অনেক পরিবার তাদের ঘরের একটি বা দু’টি কক্ষ শরণার্থীদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ভারতের মানুষের এই অবদান, ভারতের অবদান, ভারতের সেনাবাহিনীর আত্মদান বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

বঙ্গবন্ধু এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী শুধুমাত্র বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য নয়, বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির আদেশ হবার পর বঙ্গবন্ধুকে যাতে ফাঁসি দেয়া না হয়, সেজন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে এমন করে ৩০টি দেশ সফর করেছেন। বঙ্গবন্ধুর মুক্তির মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করেছিল। এ অবদান কখনো ভোলার নয়।’

‘বঙ্গবন্ধুর দূরদৃষ্টি ছিল বিধায় তিনি ’৭৪ মৈত্রী চুক্তি করেছিলেন, সেকারণেই কিন্তু আমরা ছিটমহলগুলো আমাদের অধিকারে আনতে পেরেছি, যদিও অনেকদিন এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আরো গভীরে প্রোথিত হয়েছে। আমাদের দু’দেশের মধ্যে যে আন্ত:সংযোগ সেটি ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমি মনে করি এটি এখনও যথেষ্ট নয়। আমাদের দু’দেশের মানুষের মধ্যে যে আন্ত:সংযোগ, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বাড়ানো প্রয়োজন। এটিকে ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আগে যে পর্যায়ে ছিল আমাদেরকে আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে সেই পর্যায়ে যাওয়া প্রয়োজন বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। তাহলে দু’দেশের মানুষ উপকৃত হবে, দুই দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। সেই জায়গা নিয়ে যেতে পারবো।’

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিশ্বে প্রতিবেশি সম্পর্কের দিক দিয়ে একটা উদাহরণ হবে বলে আশাপ্রকাশ করে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সময় থেকেই দু’দেশের সম্পর্কের ভিত্তি গঠে উঠেছে। দু’দেশের ক্ষেত্রে যা করতে হবে তা বঙ্গবন্ধু আগেই দেখিয়ে গেছেন, আমাদের নতুন করে কোন গাইডলাইনের দরকার নেই। দু’দেশের আশা আকাক্সক্ষা এক, কোন পার্থক্য নেই। জনগণ পর্যায়ে সম্পর্ক বাড়ে আমাদের সেদিকে নজর দিতে হবে, তাহলে সম্পর্ক টেকসই হবে।’

যা আমাদের জন্য ভাল তা আপনাদের জন্য ভাল, আবার যা আপনাদের জন্য ভাল তা আমাদের জন্য ভাল, এই নীতিতে এগিয়ে যেতে হবে, সন্দেহের কোন জায়গা নেই, আমাদের অনেক পথ যেতে হবে উল্লেখ করে এক্ষেত্রে মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন দোরাইস্বামী।