Home জাতীয়

জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) এর ৩৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশে বক্তারা-জাতীয় গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করুন

জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) এর ৩৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে গত ৫ ফেব্রæয়ারি ২০২১ শুক্রবার বিকাল ৪টায় দোস্ত বিল্ডিং চত্বরে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ কৃষক-সংগ্রাম সমিতি, চট্টগ্রাম জেলা আহবায়ক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট এনডিএফ চট্টগ্রাম জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউছুপ।

বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন, ধ্রæবতারা সাংস্কৃতিক সংসদ, চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি দুলাল বড়–য়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) চট্টগ্রাম জেলার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মৃদুল কান্তি দেব, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ, চট্টগ্রাম জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহ আলম, জাতীয় ছাত্রদল এর সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমাদের দেশের শ্রমিক-কৃষক-জনগণ সা¤্রাজ্যবাদ ও তার এদেশীয় দালাল সরকার ও শাষক-শোষক গোষ্ঠীর নির্মম শাষণ-শোষণের শিকার। সারাজ্যবাদ ও তার এদেশীয় দালাল সামন্তবাদ-আমলা-দালাল পূঁজির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৮৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।

প্রতিষ্ঠার ৩৩ বৎসর শ্রমিক-কৃষক-জনগণের আশু জরুরী দাবি দাওয়া এবং ঘোষিত ১৩ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে একটি গণআন্দোলন-গণসংগ্রাম গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় লিপ্ত। প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট উদ্যোগী ও সাহসী ভূমিকা পালন করার কারণে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে একটি অনুকরণীয় সংগঠন হিসাবে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে।

এই অবস্থায় জাতীয় গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সা¤্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ-আমলা-দালাল, পূঁজি স্বার্থ রক্ষকারী স্বৈরাচারী সরকার ও স্বৈরাতান্ত্রিক শোষণ-শাষণ উচ্ছেদে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম বেগবান করা, জনগণকে বিভ্রান্ত ও বিভক্ত করতে সারাজ্যবাদ ও তার দালালদের অগ্রজাতীয়তাবাদ ও উগ্রসাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে এবং বিশ্বের দেশে-দেশে সারাজ্যবাদী আগ্রাসন ও অন্যায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ঘোষণা করে আজ দেশব্যাপী ৩৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হচ্ছে।

তাই আসুন ঘুষ, দুর্নীতি, লুটপাঠ, খুন, গুম, নারী ও শিশু ধর্ষণ, দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতিসহ ছাত্র, শ্রমিক-কৃষক-জনগণের আশু জরুরী সমস্যার প্রেক্ষিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম গড়ে তুলুন। সংগ্রামেই পারে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের আশু জরুরী সমস্যার সামাধান করতে।

সংগ্রামের জন্য আসুন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের পতাকা তলে সমবেত হই। সাথে সাথে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের রাষ্ট্র-সরকার-সংবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করার জন্য সকলের প্রতি উদ্বাত্ত¡ আহŸান জানানো হয়। সমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল দোস্ত বিল্ডিং চত্বর থেকে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দোস্ত বিল্ডিং চত্বরে এসে শেষ হয়।

0 0

একযুগ পূর্তিতে সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে, দেশের যেমন উন্নয়ন অগ্রগতি হয়েছে তেমনি প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। দারিদ্র্য কমেছে। বাংলাদেশে এখন ছেঁড়া কাপড় পরা মানুষ দেখা যায় না। বাংলাদেশ এখন খালি পায়ে মানুষ দেখা যায় না।

বাংলাদেশে এখন কবিতায় কুঁড়েঘর আছে, আকাশ থেকে সহজে কুঁড়েঘর দেখা যায় না। এই পরিবর্তন ১২ বছরে শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘১২ বছর আগে আমরা বলতাম, ক্ষুধা এবং দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব। আমরা ক্ষুধাকে ইতোমধ্যেই জয় করতে সক্ষম হয়েছি।

এখন ‘আমাকে একটু বাসি ভাত দেন,’ সন্ধ্যার পরে শহরের অলি-গলিতে কিংবা ভরদুপুরে গ্রাম-গ্রামান্তরে সেই ডাক শোনা যায় না। বাসি ভাতের সমস্যা বা অন্যান্য সমস্যার সমাধান জননেত্রী শেখ হাসিনা গত ১২ বছরে করতে সক্ষম হয়েছেন।’

বাংলাদেশ খাদ্যে ‌‘প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর মুনাফালোভীরা যাতে প্রাইস হাই করতে না পারে সেজন্য চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। চাল উৎপাদনে ঘাটতির জন্য নয়, মুনাফালোভীরা যাতে জনগণকে জিম্মি করতে না পারে সেজন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

চট্টগ্রাম-০২ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিঃ :গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাসান মাহামুদ এমপি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকা-ের মধ্যে চট্টগ্রামের উন্নয়ন কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর চিন্তা ভাবনায় আছে চট্টগ্রামের জন্য অনেক মেগা প্রকল্প। প্রকল্প বাস্তবায়নের সে আঙ্খাকা অনুযায়ী উপমহাদেশের প্রথম কর্ণফুলী ট্যানেল নির্মাণ ও চট্টগ্রাম নগরীকে ঘিরে আউটার লিংক রোড বাস্তবায়ন একটি মহা কর্মযজ্ঞ,

সবচেয়ে বড় অর্জন হলো সমুদ্র উপকূল তীরবর্তী পতেঙ্গা থেকে মিরেরশ্বাই পর্যন্ত বে-টার্মিনাল নির্মাণ। বর্তমান বন্দর থেকে আরো বড় বন্দর পাবো আমরা, এ বড় বন্দর দিয়ে রিজিয়ুন্যালে কানটিং পথ সুগম হবে এবং তা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। তিনি আজ সকালে নগরীর অলংকার মোড় হতে পিসি রোড হয়ে নয়াবাজার বিশ্ব রোড এবং পাহাড়তলী ঝর্নাপাড়া জোর-ডেবা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।

তিনি পোর্ট কানেটিং রোডের সংস্কার কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন এ সড়কটি চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি রপ্তানি পন্য পরিবহনের প্রধান অবলম্বন, তাই এ সড়কটি স্থায়ীত্ব ও ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে শুধু একা সিটি কর্পোরেশনের নয়, চট্টগ্রাম বন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্বনিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ও সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিক। তাই চট্টগ্রাম কোন উন্নয়ন ক্ষেএে বঞ্চিত হবেনা।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ পাকিস্তানের সুশীল সমাজ বলেন আমাদের কে বাংলাদেশ বানিয়ে দেওয়া হোক, কারন বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে গেছে। অথচ আমাদের এক শ্রেনীর বুদ্ধিজীবীরা আমাদের এসব উন্নয়ন চোখে দেখেনা। তাঁদের বুদ্ধির লোভ পেয়েছে, তারা চোখ থাকতে অন্ধ।মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরের বলেন, আসন্ন চসিক নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণ, আইন বিধি অনুযায়ী হবে।

যে ভাবে এর আগে নির্বাচনগুলো হয়েছে। এই নির্বাচনগুলোতে কোন কোনটিতে বিএনপি জিতেছে। তবে বিএনপি’র রাজনৈতিক কালচার হলো, তারা নির্বাচন করেন, আবার অভিযোগের বাক্স খুলে ধরেন। আসলে এই অভিযোগ কোনটাই যোক্তিক নয়, অভিযোগোর একমাত্র উদ্দেশ্যে নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ¦ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, পোর্ট কানেক্টিং রোড পূর্ব দিক চলাচলের জন্য খুলে দিতে পারবো।

পশ্চিম দিকেও কিছু অংশের কাজ অচিরেই সম্পন্ন হবে। আশাকরি এই সড়কটি এখন অনেক বেশি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন। এতে আমাদের দুঃখ ও বিড়ম্বনা ঘুচবে। আগামীতে চট্টগ্রাম নগরীতে কোন ভাঙ্গা রাস্তা চোখে পড়বে না। তিনি আরো বলেন, এই নগরীর তিন ভাগের আড়াই ভাগ জায়গা বন্দর ও রেলওয়ের। এগুলোর অধিকাংশই পরিত্যাক্ত। এগুলো অবৈধ দখলদার ও দুর্বত্তদের দ্বরা কুক্ষিগত এবং এখানেই অপরাধের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী একোয়ারকৃত জায়গা যদি একশত বছর অব্যবহৃত থাকে সে-গুলো অবমুক্ত করে পজিটিভ উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে সমর্পন করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন প্রত্যাশা করে এসকল জায়গার মালিকানা বা দখাল শর্ত পেলে সেবার মানউন্নোয়নে প্রসার ঘটবে। এই বিষয়টি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গোচরীভূত করতে ড. হাসান মাহমুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। তিনি অবশ্যই এ দায়িত্ব পালনে সক্ষম।

নগরীর জোড় ঢেবা পরিদর্শনকালে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ কে অবহিত করেন যে, এই জায়গায় একটি আকর্ষণীয় বিনোদন কেন্দ্র হতে পারে। এমনকি জোড়া দিঘিতে মৎস্য চাষও হতে পারে। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে অনেকই আগ্রহী।

নগরীর উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- আলহাজ¦নুরুল আমিন, অধ্যাপক মোহাম্মদ ইসমাইল, নুরুল আবছার মিয়া, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, আবু সালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব,

আশিকুল ইসলাম, ঠিকাদারী সংস্থা তাহের ব্রাদার্সের পরিচালক মুনতাসির মামুন প্রমুখ।

লিয়াকত হোসেন রাজশাহী ব্যুরো: মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ এবং সামাজিক অপরাধ দমনে আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে মানুষের আস্থা অর্জনে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীতে ৩৭তম বিসিএসের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নানা ধরণের অপরাধ দমনে কাজ করছে পুলিশ, এজন্য বাহিনীর নতুন নতুন ইউনিট গঠন করা হয়েছে, জঙ্গি দমনেও ভূমিকা রেখেছে পুলিশ। অপরাধের ধরণ পাল্টেছে। সেসব মোকাবেলায় পুলিশকে সতর্ক হতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহ্য রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ করেছিল। পুলিশরা তখন প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং অনেক জীবন ক্ষয় হয়। তাদের সেই প্রতিরোধ মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখে। যারা শাহাদাত বরণ করেছিল আমি তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর পরই জাতির পিতা এই পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। ১৯৭২ সালের ৯ মে তিনি পুলিশের প্রথম প্রশিক্ষণ কুচকাওয়াজও পরিদর্শন করেন। একটি সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশে এত অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশকে ট্রেনিং দেয়া একটা বিরাট দায়িত্ব ছিল এবং তিনি সেটা করেছিলেন।

পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশকে জনগণের বাহিনীতে পরিণত করেছে তঁার সরকার। দেশের থানাগুলোকে পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তিগত বিভিন্ন সুবিধা সংযুক্ত করা হয়েছে বাহিনীটিতে। এ সময় সরকার প্রধান পুলিশ সদস্যদের জন্য বিভিন্ন সময় তঁার সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও প্রশিক্ষণের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে উন্নত দেশের পুলিশের সমপর্যায়ে উন্নীত করতে পুলিশের বাজেট ও জনবল ব্যাপক হারে বাড়িয়েছি। ২০০৯ সালে পুলিশের মােট বাজেট ছিল তিন হাজার কোটি টাকা। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে পুলিশের মােট বাজেট দঁাড়িয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা।

সাইবার ক্রাইম নির্মূলে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের অপ্রতিরোধ্য ভূমিকার মতো এখনও পুলিশ বাহিনী দেশ ও জাতির প্রতি তাদের কর্তব্য পালন করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে স্ব-শরীরে যেতে না পারায় দুঃখপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এটা খুব দুঃখজনক, সরকারে থেকেও এই প্রথম কুচকাওয়াজে স্ব-শরীরে উপস্থিত থাকতে পারলাম না। সেটাও করোনাভাইরাসের কারণে। প্রকৃতপক্ষে করোনাভাইরাসের কারণে একরকম বন্দী জীবনযাপন করতে হচ্ছে। শুধু ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছিলাম বলে প্রত্যেকটা অনুষ্ঠানে আমি ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিতে পারছি। প্রযুক্তির মাধদ্যেেমে আমরা এটা করতে পারছি। কিন্তু আমার খুব আকাঙ্ক্ষা ছিল স্ব-শরীরে উপস্থিত থাকার। সেটা হলো না বলে সত্যিই আমি খুব দুঃখিত। তারপরও নবীন অফিসারদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি , বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবময় ইতিহাসের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আজকের নবীন কর্মকর্তারাও দেশের এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবন গণভবন প্রান্ত থেকে প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সহকারি পুলিশ সুপারদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী শিক্ষানবিস সহকারি পুলিশ সুপাররা হলেন- ‘বেস্ট শ্যুটার’ ও ‘বেস্ট ফিল্ড পারফর্মার’ আবুল হোসাইন, ‘বেস্ট ইন হর্সম্যানশিপ’ মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম, ‘বেস্ট একাডেমিক’ ও ‘বেস্ট প্রবেশনার’ এ দুটিতেই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন স্নেহাশীষ কুমার দাস। প্যারেডে ১৩ জন নারী অফিসারসহ ৯৭ জন শিক্ষানবিস সহকারি পুলিশ সুপার অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খঁান কামাল। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সভানেত্রী জীশান মীর্জাসহ অন্যান্য অতিরিক্ত আইজিপিবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং আজিপি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী চত্বরে একটি করে গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তারা শিক্ষানবিস সহকারি পুলিশ সুপারদের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন।
রবিবার বেলা ১১টায় রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় থাকা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ৩৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এই কথা বলেন।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর একটি চৌকস বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ক্রমাগত উন্নয়ন সাধনে সরকার সদা সচেষ্ট। পুলিশের নতুন প্রজন্ম হিসেবে উন্নয়নের এই ধারাকে আরো বেগবান ও টেকসই করার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, দেশজুড়ে সন্ত্রাস মোকাবেলা, জঙ্গি দমন, উপকূলীয় এলাকায় জলদস্যু মুক্তিকরণ, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালনসসহ দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও গভীর আস্থা অর্জনের মাধ্যামে বাংলাদেশ পুলিশকে আরো জনবান্ধব ও কার্

0 0

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন ও কর্মের ওপর ভিত্তি করে বার্তাসংস্থা ইউএনবি এবং কসমস গ্যালারির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চিত্রকর্ম প্রদর্শনী উদ্বোধন করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে রাজধানীর মালিবাগে ইউএনবি’র কার্যালয়ের কসমস গ্যালারিতে ‘শেখ হাসিনা- অন দ্য রাইট সাইড অভ দ্য হিস্ট্রি’ শীর্ষক দু’মাসব্যাপী এই প্রদর্শনী উদ্বোধনকালে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে অদ্যম গতিতে এগিয়ে চলেছে।’

আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। যখন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের পরাজিত শক্তি ও তাদের দোসর-অনুসারীরা বাংলাদেশে আস্ফালন করে, তখন এই শক্তিকে মোকাবিলা করার জন্য শেখ হাসিনা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।’

কোনো কিছু লেখা অনেক সহজ, বলা আরো সহজ কিন্তু ছবি আঁকা অনেক কঠিন কারণ প্রথমে হৃদয়ে ধারণ করতে হয়, তারপর ছবি আঁকতে হয়, উল্লেখ করে যারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হৃদয়ে ধারণ করে ছবিগুলো এঁকেছেন, তাদের সেই হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার জন্য তাদের ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান তথ্যমন্ত্রী।

ইউএনবি চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কসমস গ্যালারির পরিচালক সেলিনা এনায়েত।

দেশের ৩১জন চিত্রশিল্পীর ৩১টি চিত্রকর্ম নিয়ে দু’মাসব্যাপী এই প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কারও সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চায় না বাংলাদেশ। তবে কেউ আক্রমণ করতে এলে, তার সমুচিত জবাব দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে সশস্ত্র বাহিনীকে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজসহ নতুন পাঁচটি আধুনিক জাহাজের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন তিনি।

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ত্রিমাত্রিক নৌ-বাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যুদ্ধ করতে চাই না। জাতির পিতা আমাদের পররাষ্ট্রনীতির কথা বলেছেন, সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারও সাথে বৈরিতা নয়। আমরা সেই নীতিতেই বিশ্বাস করি। কিন্তু বাংলাদেশ কখনও বহিশত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয় তাকে মোকাবিলা করার মতো সক্ষমতা আমরা অর্জন করতে চাই। তাই আমাদের সুমুদ্রসীমা রক্ষার জন্য আমাদের নৌ-বাহিনীকে দক্ষ করে গড়ে তুলছি জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কেউ সমুদ্র সম্পদ কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেয়নি। সুনীল অর্থনীতির সম্পদ আহরণ ও কাজে লাগানোই সরকারের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সব সময় চেয়েছি সুমুদ্রসীমা রক্ষা করা নয়, সুমুদ্র সম্পদও যেন আমরা অর্থনৈতিক ভাবে অর্জন করতে পারি। তার জন্য আমাদের কাজ করতে হতে সে জন্য ব্লু -ইকোনমি ধারণা আমরা নিয়েছি এবং সেভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

ভবিষ্যতে অন্য দেশের জন্য জাহাজ তৈরি করবে বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নৌ বাহিনী প্রধান জাহাজগুলোর অধিনায়কদের কাছে ফরমান তুলে দেন।

প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং মিয়ানমারের কাছ থেকে বিশাল সমুদ্র সীমা জয়ের পর প্রয়োজন হয়ে পড়ে অর্জিত সীমান্তকে সুরক্ষিত রাখা। তাই বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে অত্যাধুনিক করে গড়ে তুলছে সরকার। এরই অংশ হিসাবে একদিনেই নৌ বাহিনীর বহরে যুক্ত হলো ৩টি যুদ্ধ জাহাজের পাশাপাশি দুটি জরিপ জাহাজ।

নৌ বাহিনী প্রধান এডমিরাল শাহীন ইকবাল এ সময় বলেন, সুদূর ভূমধ্যেসাগরে, শান্তিরক্ষী মিশনেও আমাদের জাহাজ কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য বয়ে এনেছে সুনাম।

0 0

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী কাল পদ্মা সেতুর ৩৪ তম স্প্যানটি খুটির উপর স্থাপন করা হবে।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, সেতুর ৩৪তম স্প্যান বসানোর প্রস্তুতি চলছে। ৩৩তম স্প্যান বসানোর মাত্র ৫ দিনের মাথায় শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ৩৪তম স্প্যান নিয়ে ৩৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ভাসমান ক্রেনবাহী জাহাজ ‘তিয়ান ই’ রওয়ানা দেয়। ‘২এ’ নামের এই স্প্যানটি বসবে ৭ ও ৮ নম্বর খুঁটির উপর। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী কাল স্প্যানটি খুটির উপর স্থাপন করা হবে।
এর আগে গত ১৯ অক্টোবর ৩ ও ৪ নম্বর খুঁটির ওপর ৩৩ নম্বর স্প্যান স্থাপন করা হয়। ৩৪ তম স্প্যান উঠলে অক্টোবর মাসের ৩টি স্প্যান স্থাপন হবে।
৩০ অক্টোবর একবারে মাওয়ায় পদ্মা তীরে ২ ও ৩ নম্বর খুঁিটর ওপর ৩৫তম স্প্যান স্থাপন করার কথা রয়েছে। একইভাবে ৪ নভেম্বর ৩৬তম স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান আব্দুল কাদের।

0 0

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্কে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, ‘নিরাপদ ও ভ্রমন বান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট্য-এসডিজি অনুযায়ি সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ ভাগ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং জাতিসংঘ ঘোষিত দ্বিতীয় বারের মতো ডিকেড অভ একশন ফর রোড সেফটির লক্ষমাত্রা অর্জনে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় আইনগত কাঠামোর সাথে সমন্বয় করে ন্যাশনাল রোড সেফটি স্ট্রাটেজিক একশন প্ল্যান বাস্তবায়ন করছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।’
নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার ‘রোড সেইফটি কোলাবোরেশন, রিডিউসিং রোড ফ্যাটিলিটিজ ফিফটি পারসেন্ট বাই টুয়েন্টি থার্টি’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ব্র্যাক-বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
পুরুষদের তুলনায় মহিলা গাড়ি চালকরা অধিক সাবধানি ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, সরকার মহিলা গাড়ি চালক তৈরির সুযোগ বাড়াচ্ছে। নারী গাড়ি চালক তৈরির কার্যক্রম ব্র্যাক-ই প্রথম শুরু করে। গাড়ি চালনায় পুরুষদের তুলনায় নারীরা অধিক সাবধানী এবং ট্রাফিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই সরকার অধিকসংখ্যায় নারীচালকের সংখ্যা বাড়াতে চায়।
সড়ক দুর্ঘটনা রোধ তথা এর ফ্যাটালিটি রেট অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে বেসরকারি পর্যায়ে ব্র্যাক ও বিশ্ব ব্যাংকের এই যৌথ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ যুক্ত হলে এসব সেক্টরে যে কোন লক্ষ্য অর্জন সহজতর হবে। নিরাপদ ও ভ্রমণবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবনায় পরবর্তী নির্বাচন নয়, তাঁর ভাবনায় পরবর্তী প্রজন্ম উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনার স্বপ্ন সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মান। তাঁর ভাবনায় দেশ ও জনগনের সুরক্ষা। একশ’ বছর পর বাংলাদেশ কেমন হবে’ সেজন্য প্রণয়ন করেছেন শতবষীর্ ডেল্টা প্ল্যান। এটাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশেষত্ব। তাঁর দৃষ্টি স¤া¢বনার দূরদিগন্তে।
এসময় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বিশ্ব ব্যাংকের এক্টিং কান্ট্রি ডিরেক্টর ফর বাংলাদেশ এন্ড ভুটান মিজ দান্দান চেন, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ, ব্র্যাক রোড সেফটি প্রোগ্রাম পরিচালক আহমেদ নাজমুল হোসেইন, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ট্রান্সপোর্ট স্পেশালিস্ট দীপন বোস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 0

চট্টগ্রাম- ১৯ অক্টোবর ২০২০ ইংরেজী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনের সাথে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদ্যাপন উপলক্ষে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এর নেতৃবৃন্দ আজ বিকালে চসিক প্রশাসক দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতে প্রশাসক বলেন, করোনা মহামারিকালে পূর্বের ন্যায় জনসমাগম করা যাবে না।

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এলাকায় আলাদা আলাদা ভাবে মিলাদুন্নবী উদ্যাপন করার আহবান জানান প্রশাসক। নেতৃবৃন্দ চসিক ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করলে প্রশাসক চসিকের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্থ করেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত সময়ে মধ্যে এ আয়োজন শেষ করার নির্দেশনা দেন।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু এবার হুজুর পাক এর কোন প্রতিনিধি কেও আসবেন না, সেহেতু কোন র‌্যালী বের করা সমিচীন হবে না।

এসময় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোজাম্মেল হক, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, মাওলানা হারুনুর রশিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম, ২৫ অশ্বিন (১০ অক্টোবর):সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কোন পোস্ট, ছবি অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়া রোধে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে দাবি করা হয়। শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৮ অক্টোবর এসব নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ ড. মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কোন পোস্ট, ছবি অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন সার্ভিস বা পেশাকে হেয় করে এমন কোন পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোন রকম তথা উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পরিপন্থী কোন তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে, এমন কোন পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও ক্লিপ আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোন বিষয়ে লেখা অডিও বা ভিডিও প্রকাশ বা শেয়ার করা এবং ভিত্তি হীন, অসত্য বা অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের গাইডলাইন, চাকরির বিধান ও এ বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা কোন কর্মকর্তা কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের বিধির ব্যত্যয় হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন। প্রয়োজন হলে তদন্ত করে আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে জানাবেন।

সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় কোন গ্রুপ বা পেইজের এডমিন নীতিমালা পরিপন্থি বা নিজ দপ্তর বা সংস্থার বিপক্ষের কোন পোস্ট কমেন্ট অনুমোদন করবেন না। তাহলে এডমিন ও পোস্টদাতা উভয়ই সরকারি বিধি অনুসারে অভিযুক্ত হবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন ধরনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও অপ্রীতিকর কোন কার্যকালাপ যাতে না হয় সে বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোর প্রধানদের দৃষ্টি রাখতে বলেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।