Home জাতীয়

0 0

সাংবাদিক রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা করা উপসচিবসহ জন বদলি

 

 

সিটিজিট্রিবিউন : সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানীর দপ্তর বদল করা হয়েছে। তাকে সচিবালয়ে রেখেই শুধু ডেস্ক পরিবর্তন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শারমিন আক্তার জাহানের স্বাক্ষরিত সোমবার (১৭ মে) এক অফিস আদেশে শিব্বির আহমেদকে জনস্বাস্থ্য-১ অধিশাখা থেকে জনস্বাস্থ্য-২ অধিশাখায় বদলি করা হয়।

তবে অফিস আদেশটি মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। একই আদেশে আরও ৫ উপসচিবকেও বদলি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১৭ মে) দুপুরের পর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞার কক্ষে রোজিনাকে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।  পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ওই উপসচিব তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।  সেখানে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় চুরি এবং ১৯২৩ সালের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের’ ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয় এই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে।

এজাহারে বলা হয়েছে— রোজিনা যেসব নথির ‘ছবি তুলেছেন’, তার মধ্যে ‘টিকা আমদানি’ সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল। পরে মঙ্গলবার সকালে রোজিনা ইসলামকে আদালতে হাজির করে তাকে পাঁচদিনের রিমান্ড নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।  শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন একইসঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার তার জামিন শুনানির দিন ঠিক করে দেন।  এরপর তাকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়।প্রতিবেদন:কেইউকে।

0 0

রোজিনা ইসলাম অবশ্যই ন্যায় বিচার পাবেন: আইনমন্ত্রী

সিটিজিট্রিবিউন : আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম অবশ্যই ন্যায় বিচার পাবেন। আমি পাবলিক প্রসিকিউশনকে বলেছিমামলার খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখতে।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশানের বাসায় প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি দল আইনমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এটা দুঃখজনক ঘটনা। বিষয়টি সহজেই সমাধান যেত। আমার উদ্যোগে রিমান্ড বাতিল ও ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা হয়নি। রোজিনা ইসলাম অবশ্যই ন্যায় বিচার পাবেন। তার মামলাটি সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

এর আগে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে দেখা করেন প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি দল। এ সময় রোজিনা ইসলামের মুক্তি ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।প্রতিবেদন:কেইউকে।

0 0

রোজিনা ইসলামের জামিনের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিটিজিট্রিবিউন : আগামী বৃহস্পতিবার (২০ মে) প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের জামিনের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার (১৮ মে) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রোজিনাকে ছয় ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছে। তাকে নানা ধরনের হেনস্তা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চেয়েছি, এ ধরনের হেনস্তা করার অধিকার কারও নেই।’

‘যারা রোজিনাকে আটকে রেখেছে এরা কারা, কী জন্য করেছে সেটার তদন্ত করে বিচার করতে হবে। ওনার জামিনের বিষয়ে বলেছি যেন জামিন হয়। সবচেয়ে বড় যেটা তিনি অসুস্থ, তাকে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার বিষয়ে বলেছি। যেহেতু কারাগারে পাঠানো হয়েছে, আমরা জানি কারাগারের কী অবস্থা। তাকে যেন ভালো পরিবেশে রাখা হয়। তাকে যেন সেখানে নতুন করে কোনোভাবে হেনস্তা না করা হয়, সেটা যাতে নিশ্চিত করা হয়। উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) বলেছেন, ওনার সাধ্যমতো তিনি দেখবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বৃহস্পতিবার যে জামিন শুনানি হবে তার জামিন হয়ে যাবে। তিনি এটাও বলেছেন, আমরা চাই না সাংবাদিকদের সঙ্গে সরকারের কোনো ভুল বোঝাবুঝি হোক। সুন্দর ও সুষ্ঠু সমাধান আমরাও চাই।’

ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘তারা (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) যেহেতু মামলা করেছে রোজিনা ইসলাম কী অপরাধ করেছে সেটি আদালত দেখবে। কিন্তু তারা যে হেনস্তা করেছে সেটি করতে পারে কি-না তা তদন্ত করে দেখার জোরালো দাবি জানিয়েছি।’

এ সময় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, রোজিনা ইসলামকে ফিজিক্যালি টর্চার (নির্যাতন) করা হয়েছে। আমরা সুস্থ বিচার দাবি করেছি। তারা বলেছে, আধা ঘণ্টা পর পুলিশে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু মূলত কয়েক ঘণ্টা তাকে ছোট একটি রুমে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।’

এ সময় প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক, রোজিনা ইসলামের বড় ভাই মো. সেলিমসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

#প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

এখনও কৃত্রিম অক্সিজেন নিচ্ছেন খালেদা জিয়া

 

সিটিজিট্রিবিউন : রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের মতোই রয়েছে। তিনি এখনও কৃত্রিম অক্সিজেন নিচ্ছেন। ডায়াবেটিসও রয়েছে আগের মতোই। কিডনিতেও কিছুটা সমস্যা রয়েছে।

হাসপাতালের সিসিইউতে রেখেই তাকে করোনা পরবর্তী জটিলতার চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন বেগম জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তির পর গত ১৫ দিন ধরে সিসিইউতে রয়েছেন বেগম জিয়া। করোনা ভাইরাস সংক্রমণমুক্ত হলেও পুরনো রোগ আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি হৃদরোগ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন তিনি। মঙ্গলবারও ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করেছেন।

ডা. জাহিদ বলেন, বেগম জিয়ার পোস্ট কোভিড নানা রোগের বিষয়ে চিকিৎসকরা নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এর বেশি কোনো আপডেট নেই। এটা একটা লং টার্ম চিকিৎসা। চিকিৎসক হিসেবে এখনই কিছু প্রেডিকশন করে বলা যাবে না।

গত ১১ এপ্রিল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। ২৭ এপ্রিল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ৩ মে তাকে নেওয়া হয় সিসিইউতে।

 

#প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

রোজিনাকে হেনস্তা সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির সংবাদ প্রচারে প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ: ফখরুল

 

 

সিটিজিট্রিবিউন : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সোমবার (১৭ মে) রাতে এক বিবৃতিতে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ঘন্টা আটক রেখে পুলিশের কাছে হস্তান্তর তার বিরুদ্ধে জিডি করার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবী করেছেন।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ন্যাক্কার জনক ঘটনায় প্রমান হয়, বাংলাদেশে এখন স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং তথ্য পাবার কোনো সুযোগ অবশিষ্ট নাই।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সিনিয়র সাংবাদিক। তাঁর অনেক অনুসন্ধানী ও সাহসী রিপোর্টে সরকারের বিশেষ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনেক বড় বড় দুর্নীতির খবর জনগণ জানতে পেরেছে। সে জন্য সরকার তাঁর ওপর নজরদারি করছিল বলে মনে হয়।

পেশাগত কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে একা পেয়ে তাঁকে অন্যায় ভাবে দীর্ঘ ৫ ঘন্টা আটকে রেখে তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশ ডেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এ ঘটনা তুচ্ছ বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, কর্তৃত্ববাদী শাসনে সাংবাদিক দলন এবং সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির সংবাদ প্রচারে অব্যাহত প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ। রোজিনা ইসলামের মতো সাহসী এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা যাতে আর সরকারের দুর্ণীতি,লুটপাট, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতার সংবাদ প্রকাশ না করতে পারে,এ ঘটনার মাধ্যমে তাদেরকে ভয় দেখানো হলো।

বিবৃতিতে তিনি রোজিনা ইসলামকে মুক্তি, তাঁর বিরুদ্ধে করা জিডি প্রত্যাহার ও তাঁকে আটকে রাখার সাথে জড়িতদের বিচার এবং সাংবাদিক দলন-নিপীড়ন বন্ধ করে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সঠিক তথ্য পাবার অধিকারে সরকারী হস্তক্ষেপ বন্ধের জোর দাবী জানান।

এদিকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করার মানে হচ্ছে গোটা জাতির বিবেকের বিরুদ্ধে মামলা, সাংবাদিকদের কলমের বিরুদ্ধে মামলা করা।’ #প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়,দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফ

 

 

সিটিজিট্রিবিউন : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাংসদ মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিলে দেশ-জাতি উপকৃত হবে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা লেখেন তিনি। পোস্টের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আলম হানিফ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার নিন্দা জানান।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন,‘সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি বিশেষের কারণে ভাবমূর্তি নষ্ট হবে এটা কোনোভাবে কাম্য নয়। আমরা চাই প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় স্বচ্ছভাবে কাজ করুক, প্রধানমন্ত্রীর যে চিন্তা চেতনা দেশের জন্য যে পরিকল্পনা সেটা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাক। দেশ এগিয়ে যাক, সরকারের ইমেজ আরও উজ্জ্বল হোক।’

মাহবুব আলম হানিফ প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সঙ্গে সচিবালয়ে যে ঘটনা ঘটেছে সেটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক,অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলে উল্লেখ করেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। এই ধরনের ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ বলেন, সংবাদমাধ্যম হচ্ছে সমাজের দর্পণ। এর মাধ্যমেই জনগণ দেশের সঠিক তথ্য উপাত্ত খুঁজে পায়। এটাও সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। সরকার ও সংবাদমাধ্যম সুসম্পর্ক থাকাটায় বাঞ্ছনীয়। কিন্তু কখনো কখনো দেখা যায়, দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কারণেই এই জায়গাতে ব্যাঘাত ঘটে। তাই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিলে দেশ-জাতি উপকৃত হবে।মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন,‘করোনাকালে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। উনি কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না, তিনি শক্ত অবস্থানে আছেন। ইতিমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫/৭ বছরে ক্ষমতাসীন দলের অনেক সাংসদের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’#প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

তরুণ নেতাকর্মীদের বিনয়ী হওয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

 

 

সিটিজিট্রিবিউন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়। উন্নয়নের সঙ্গে যদি বিনয় যুক্ত হয় তাহলে দেশের মানুষ আবারও রায় দিয়ে আওয়ামী লীগকে এই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিবে।

মঙ্গলবার (১৮ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জননেত্রী শেখ হাসিনার ৪০ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি ও দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের কারণে আমরা পরপর তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়েছি, তাই বলে অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে আলস্য চলে এসেছে। যা কখনোই কাম্য নয়। মনে রাখতে হবে বহু উন্নয়ন হয়েছে, সেই উন্নয়নের সঙ্গে যদি আমাদের তরুণ কর্মীদের আস্ফালন থাকে মানুষ সেই উন্নয়ন ভুলে যাবে, আমাদেরকে পছন্দ করবে না।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিপক্ষ তারা এদেশের স্বাধীনতা চায়নি, তারা ষড়যন্ত্র করেছিল। এখনো যারা বঙ্গবন্ধু কন্যার প্রতিপক্ষ তারা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। সেজন্য ডা. জাফর উল্যাহ চৌধুরী ঢাকার বুকে ও রাজশাহীতে মিজানুর রহমান মিনু আস্ফালন করেন, আবার একটা ১৫ আগস্টের ইঙ্গিত দেন। তারা যে ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে এগুলো সেটিরই বহিঃপ্রকাশ। তাই আমাদেরকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, গত ৪০ বছর ধরে বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে, ২১ বছর ধরে আমাদের শুনতে হয়েছে আওয়ামী লীগ কখনো রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে পারবে না। যারা সেই কথা বলতো তাদের আস্ফালনকে মিথ্যে প্রমাণিত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী। প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী।
এছাড়া সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম, আবদুচ ছালাম, নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, আলহাজ দিদারুল আলম চৌধুরী, হাজী মোহাম্মদ হোসেন, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, আবদুল লতিফ টিপু, জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি, হাজী ইউনুছ কোম্পানি প্রমুখ।  #প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

ঢালাওভাবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না,: এম মান্নান

সিটিজিট্রিবিউন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, প্রকল্পের প্রয়োজনে বিদেশি পরামর্শক নিতে হবে। ঢালাওভাবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না, চোখ বন্ধ করে উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি পরামর্শক নেওয়া যাবে না।

মঙ্গলবার (১৮ মে) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

যেসব প্রকল্প জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেসব প্রকল্পে সবোর্চ্চ অগ্রাধিকার দিতে এনইসি সভায় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে এম এ মান্নান বলেন, সব ধরনের গবেষণায় জোর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। গবেষণায় অর্থের অভাব হবে না। বাজেটে গবেষণার জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখার নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। খবরবাসস#প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

0 0

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেছে  সাংবাদিকরা

সিটিজিট্রিবিউন:  দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করে গ্রেফতারের প্রতিবাদে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)।

মঙ্গলবার (১৮ মে) সকাল ১১ টায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিং করার কথা থাকলেও কর্মকর্তারা সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিং এর  জন্য প্রবেশ করেন ১১ টা ২০ মিনিটে।

এরপর বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বয়কটের এ ঘোষণা দেন। এসময় বিএনআরএফ এর কার্যনির্বাহী কমিটিসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শামীম আহমেদ বলেন, দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার ও বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সদস্য রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত সকাল ১১টার সংবাদ সম্মেলন বয়কট করা হলো। পাশাপাশি সবাইকে সম্মেলন কক্ষ ত্যাগের জন্য সকলের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচি কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা শেষে ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

জানা যায়, সোমবার (১৭ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। স্বাস্থ্য সচিবের পিএস সাইফুল ইসলামের রুমে ফাইল থেকে নথি সরানোর অভিযোগে তাকে পুলিশ দিয়ে ওই রুমে আটকে রাখা হয় এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম রোজিনা ইসলামের গলা চেপে ধরে তাকে শাসাচ্ছিলেন। এসময় তিনি সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পড়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রোজিনা ইসলামকে পুলিশ স্বাস্থ্য সচিবের পিএসের রুম থেকে থেকে বের করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর রাত পৌনে ১২ টার দিকে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১৬, দণ্ডবিধি ৩৯৭ এবং ৪১১ অফিসিয়াল সিক্রেসি এক্ট ১৯২৩ এর ৩/ ৫ এর ধারা মামলা করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপ-সচিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী। এই মামলার একমাত্র আসামি করা হয়েছে তাকে। তার বিরুদ্ধে সরকারি নথি সরানো ও ছবি তোলার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, সোমবার দুপুর ২.৫৫ মিনিটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিবের দপ্তরে রোজিনা ইসলাম নামে একজন নারী প্রবেশ করেন। এসময় একান্ত সচিব দাপ্তরিক কাজে সচিবের কক্ষে অবস্থান করছিলেন। উক্ত নারী দাপ্তরিক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র শরীরের বিভিন্ন স্থানে লুকান এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছবি তোলেন। এসময় সচিব দপ্তরের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য মো. মিজানুর রহমান খান বিষয়টি দেখতে পান এবং বাধা দেন এবং তিনি নির্ধারিত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে কক্ষে কি করছেন মর্মে জানতে চান। এসময় তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন। পরে অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম, উপ-সচিব জাকিয়া পারভিন, সিনিয়র সহকারী সচিব শারমিন সুলতানা, সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞা, সিনিয়র সহকারী সচিব মোসাদ্দেক মেহেদী ইমাম, অফিস সহায়ক মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, সোহরাব হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্টাফরা ঘটনাস্থলে আসেন। অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম তল্লাশি করে তার কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, ডকুমেন্টসের ছবিসহ মোবাইল উদ্ধার করেন। এতে প্রতিয়মান হয় যে, তিনি ডকুমেন্টসগুলো চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

এসময় সচিবালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে শাহবাগ থানার মহিলা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে জিম্মায় নেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্যাকসিন ক্রয়/সংগ্রহ সংক্রান্ত নেগোসিয়েশন চলমান রয়েছে এবং খসড়া সমঝতা স্মারক ও নন ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট প্রণয়নের কাজ চলছে। সমঝতা স্বাক্ষর নিয়ে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে প্রতিনিয়ত পত্র ও ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ হচ্ছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে।

উক্ত নারী যে সকল ছবি তুলেছেন তার মধ্যে উল্লেখিত কাজপত্রও ছিল। এসকল তথ্য জনসমাগমে প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উল্লেখিত কাগজপত্র গুরুত্বপূর্ণ বিধায় মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত আছে, যা পরবর্তিতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রদর্শন করা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযোগ দায়ের করতে বিলস্ব হলো। অতএব এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।

 

#প্রতিবেদন:কেইউকে।

0 0

কারাগারে সাংবাদিক রোজিনা

সিটিজিট্রিবিউন:প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ মে) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে জামিন আবেদনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (২০ মে) দিন ধার্য করেন তিনি।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু শুনানি করেন। এ সময় অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন হিরন উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে আসামিপক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী, আশরাফ-উল আলম, প্রশান্ত কর্মকার, মানবাধিকার সংগঠন আইন সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে আব্দুর রশিদ, ব্লাস্টের পক্ষে মসিউর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী শুনানি করেন।

এর আগে রোজিনা ইসলামকে জিজ্ঞাসবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে সরকারি নথি চুরির অভিযোগে হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান সরদার রিমান্ডের এ আবেদন করেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। সিএমএম আদালতের হাজতখানায় তাকে রাখা হয়। শুনানির জন্য বেলা ১১টার দিকে এজলাসে তোলা হয়। শুনানি শেষে দুপুর ১২টার দিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার (১৭ মে) রাতে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১৬।

দণ্ডবিধি ৩৯৭ এবং ৪১১ অফিসিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্ট ১৯২৩ এর ৩/৫ এর ধারায় এ মামলা করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপ-সচিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী। এ মামলার একমাত্র আসামি করা হয়েছে রোজিনা ইসলামকে।

শাহবাগ থানার এডিসি হারুনুর রশিদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রোজিনা ইসলামকে সচিবালয় থেকে পুলিশি পাহারায় শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে সরকারি নথি সরানো ও ছবি তোলার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। #প্রতিবেদন:কেইউকে।