Home চট্টগ্রাম

0 0

চট্টগ্রাম- ২৬ আগস্ট ২০২০ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের যে সমস্ত সড়কে খানা-খন্দক সহ দৃশ্যমান ভাঙাচোরা রয়েছে সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে প্যাচওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত মেরামত ও সংস্কারের চলমান কাজ বৃষ্টি জনিত কারণে স্থগিত থাকায় চসিক প্রশাসক দু:খ প্রকাশ করে নগরবাসীদের আপাতত ধৈর্য্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

তবে তিনি এও বলেছেন বৃষ্টির ফাঁকে ফাঁকে বা বিরতিতে যাতে মেরামত ও খানা-খন্দক ও ভাঙাচোরা অবস্থা সাড়ানোর কাজ সম্পন্ন করতে চসিকের সংশ্লিস্ট বিভাগের জনবলকে প্রস্তুত রাখা আছে। তিনি নগরবাসীকে জ্ঞাত করেন যে, সড়ক মেরামত কাজে বালি,স্টোন চিপস্ ও বিটুমিনের সমš^য়ে যে মিক্সারটি তৈরী করা হয় তা ৮ ঘন্টার বেশি রাখা যায় না। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হলে এর ব্যবহার উপযোগীতা হারায়।

এ বাস্তবতা বিবেচনায় বৃষ্টির ঘনঘটায় বেশি করে মিশ্রণ তৈরী সম্ভব হচ্ছে না। এও দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত মজুদকৃত মিশ্রণ তড়িঘড়ি করে সড়ক মেরামত কাজে ব্যবহৃত হলেও তার স্থায়িত্ব খুবই কম এবং যেখানে মেরামত হয়েছে তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশক্সখা থাকে সাথে চসিকের বিপূল পরিমাণ অর্থ ও শ্রম নষ্ট হয়। তারপরও জনজীবনে ¯^স্তি দিতে চসিকের পক্ষ থেকে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তবে যেসব এলাকায় খুব বেশি বেহাল অবস্থা কিংবা চসিকের দৃষ্টিগোচর হচ্ছেনা তেমন এলাকায় বসবাসরতারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা হোয়াটসআ্যাপে তুলে ধরলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এবিষয়ে প্রশাসক নগরবসীর দৃষ্টি আকর্ষণকরেছেন।

বর্তমানে যেসব এলাকায় চসিকের ৯টি ডিভিশনের মাধ্যমে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম চলছে তা হলো ফকিরহাট, কালা মিয়া বাজার, বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার, এফ আই ডিসি রোড, সল্টগোলা ক্রসিং, বন্দর কাস্টম, জাকির হোসেন রোড।

0 0

চট্টগ্রাম- ২৬ আগস্ট ২০২০ চট্টগ্রাম নগরীতে সুশৃংখল ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে হকারদের আয়-রুজির পথ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগ গ্রহণ করেছ। হকারদের সাথে আলোচনায় সর্বসম্মতভাবে যে সিদ্ধান্তগুলো গৃহিত হয়েছে তা মেনে চলার জন্য চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে রাত সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত হকাররা ব্যবসা পরিচালনা করবেন। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম পর্যায়ে স্টেশন রোড ও আগ্রাবাদে নির্ধারিত জায়গায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হকাররা বসতে পারবেন। তাদের জন্য হলুদ রঙের মার্ক করা চিহ্নিত স্থানে শুধুমাত্র বসার টুল ছাড়া অন্য কোন স্থাপনা থাকবে না এবং এখন থেকে সড়কের এক পাশেই তারা ব্যবসা করতে পারবেন।

হকারদের খেয়াল রাখতে হবে নগরবাসীর হাঁটা চলা এবং যানবাহন চলাচলে যাতে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, হকার উচ্ছেদ নয়, পূনর্বাসন করাইটাই হলো একটি সামাজিক দায়িত্ব । তাই হকাররা যে সকল হলুদ মার্ক করা স্থানে বসবেন। সেখানে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও বাতি লাগানোর দায়িত্ব পালন করবে সিটি কর্পোরেশন। এছাড়া হকারদের জন্য নির্ধারিত ব্যাচ ও ইউনিফর্মও নির্দ্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এই ইউনিফর্ম ছাড়া কোন হকার রাস্তায় বসতে পারবেন না।

তিনি উল্লেখ করেন যে, হকার নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকে যে সিদ্ধান্তগুলো গৃহিত হয়েছে, তা যদি মেনে চলা হয় তাহলে এই সুশৃংখল ব্যবস্থাপনার সুফল তারাই পাবেন। সিদ্ধান্ত পালনে যেন ব্যত্যয় না ঘটে সেজন্য হকার নেতৃবৃন্দকে তিনি সতর্ক বার্তা দেন। তিনি বলেন,

অনেক সময় ফুটপাত অর¶িত থাকায় পথচারী ও নগরবাসী দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসব অনাকাক্সিখত ঘটনা এড়াতে, স্কুল-কলেজের শিক্ষাথীরা ¯^াচ্ছন্দে চলাফেরা করতে ও নগরবাসীকে সিগ্ধ, নির্মল ও দুর্গন্ধমুক্ত সকাল উপহার দেয়ার জন্য চসিকের গৃহিত পদক্ষেপ সমূহ বাস্তবায়নে প্রিয় নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি বলেন নদী, সাগর ও পাহাড়ের মেলবন্ধনে চট্টগ্রাম নগরীর যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য রয়েছে, তা ফিরিয়ে আনা হবে।

0 0

নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, আজ ২৬ আগষ্ট বিকালে তিনি প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে একটি চাঁপা ফুল গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচি উদ্বোধন করেন,

এসময় অংকুর সোসাইটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) দীপ্তি সেনগুপ্তা, অভিভাবক প্রতিনিধি মো শাহ আলম, আবদুল মান্নান ফেরদৌস, শামীমা আফরিন মুক্তি,

শিক্ষক প্রতিনিধি শেলী ভট্টাচার্য, শাহীন আকতার, হিসাররক্ষক মো ইমরান হোসেন জুয়েলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 0

চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২০ইং, বুধবার বিকাল ৪টায় শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন চত্বরে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক এম জসিম রানার সভাপতিত্বে সদস্যসচিব উজ্জ্বল বিশ্বাসের সষ্ণালনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন,এসময় তিনি বলেন স্বাধীনতাবিরোধীরা সেই ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব পরিবারে হত্যা করে দেশে পাকিস্তানি ভাবধারা তৈরি করতে চেয়েছিলো।

কিন্তু সেদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে যাওয়ায় তাঁদের সেই স্বপ্ন সফল হয়নি,মুক্তিযোদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করতে তারাই আবার ২০০৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেম গ্রেনেড হামলা করে হত্যার চেষ্টা করেছিলো কিন্তু নেতাকর্মীরা মানব ঢাল তৈরী করে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়ে সেদিন তাঁকে রক্ষা করেছিলো।

এখন তাঁর নেতৃত্বেই অপ্ররিধোধভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ এ কথা বলেন,এসময় প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মাদ শফর আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর যুবলীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব, নগর যুবলীগ নেতা লিটন রায় চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক আহমদ বিকম, চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মো কামাল উদ্দীন চৌধুরী,

চট্টগ্রাম সম্মিলিত হকার ফেডারেশনের সভাপতি মিরন হোসেন মিলন, সাধারণসম্পাদক শাহ আলম ভূইঁয়া, চট্টগ্রাম দোকান কর্মচারী ফোডারেশনের সভাপতি মো আলমগীর, সাবেক ছাত্রনেতা ইয়াছির আরাফাত, ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সভাপতি মো ওমর মিয়া সর্দার, চট্টগ্রাম ফুটপাত হকার সমিতির সভাপতি মো নুরুল আলম লেদু,

চট্টগ্রাম হকার লীগের সাধারন সম্পাদক হারুনুর রশিদ রনি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ওসমান গনি, চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পো শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো নজরুল ইসলাম খোকন, অর্থ সম্পাদক মো ইউছুপ, চট্টগ্রাম জেলা অটোটেম্পো অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলীপ সরকার,, যমুনা অয়েল লেবার ইউনিয়ন সিবিএ সভাপতি মো আবুল হোসেন,

সহ সাধারণ সম্পাদক মো আব্দুল মান্নান, বাকলিয়া থানা হকার লীগের সভাপতি মো এরশাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো সোহেল, বাংলাদেশে সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার কার্যকরী সভাপতি মো বেলাল, সহ সভাপতি মো আকবর হোসেন, সাবেক ছাত্র নেতা এস এম মামুনুর রশীদ মামুন, মো আজম, বাকলিয়া থানা মৎস্য শিকারী জেলে শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি মো ইদ্রিস মোল্লা, সহ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী শ্রমিক নেতা মো সোহেল,

মো জসিম সিকদার, আমীর হোসেন বাচ্চু, কাসেম মোল্লা, ইকবাল হোসেন, ওমর ফারুক মজুমদার, আব্দুল হালিম আদু প্রমূখ।

0 0

নুরুল আমিন, কক্সবাজারঃপর্যটন শহর কক্সবাজারের সড়ক উপ সড়ক গুলোর এখন বেহাল দশা।খানা খন্দে ভরপুর এসব সড়ক উপ সড়ক গুলো দিয়ে যানবাহন চলাচলতো দূরের কথা মনুষ্য যাতায়াতও দূরহ হয়ে পড়ছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রধান সড়ক সহ তার সাথে সংযোগ রক্ষাকারী উপ সড়কগুলোর কোথাও কোথাও কার্পেটিং ওঠে গিয়ে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যাত্রীবাহী বিভিন্ন যানবাহন সড়ক সমূহে চলতে গিয়ে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।সড়কের এমন কাহিল অবস্হায় পথচারী সাধারণ মানুষও চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে শহরের প্রান কেন্দ্র লালদিঘি পাড় থেকে বাসটার্মিনাল পর্যন্ত ৫ কি: মি রাস্তার প্রায় সাড়ে ৩ কি: মিটার সড়ক খানা খন্দে ভরপুর এর মধ্যে।বাজারঘাটা পয়েন্টের অবস্হা আরো করুন। তাছাড়া রুমালিয়ারছড়া,তারাবনিয়ারছড়া,আলীরজাঁহাল থেকে সদর উপজেলা গেট পর্যন্ত সড়কের কোথাও কার্পেটিং আবার কোথাও ইট সুরকী খসে পুকুর সম গর্তে পরিনত হচ্ছে।এরপরও এই ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙ্গাচোড়া সড়ক দিয়ে সাধারণ মানুষ যানবাহনেও পায়ে হেটে নিত্যদিনের যাতায়াতে বাধ্য হচ্ছে।

ঝুঁকির মধ্য দিয়ে গন্তব্য স্হলে পৌঁছতে গিয়ে মানুষ সড়ক দূর্ঘটনারও শিকার হচ্ছে। এই শহরের বিভিন্ন উপ সড়ক ও অলিগলির চিত্রও একই।প্রধান সড়কের সাথে সংযোগ সড়কের মধ্যে কোর্ট বিল্ডিং থেকে কলাতলী প্রেসক্লাব, সার্কিট হাউজ এলাকা, বিমানবন্দর রোডের ৬ নং ফিসারিঘাট,নুনিয়াছড়া,হলিডেমোড় থেকে কুতুবদিয়া পাড়া,বড়বাজার পয়েন্টের অলিগলি, চাউল বাজার থেকে মাঝিরঘাট,হাসপাতাল সড়ক ও ষ্টেডিয়াম এলাকা,

টেকপাড়া বইল্যাপাড়া,গোলদিঘির পাড় থেকে ভোলাবাবুর পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত সড়কে ছোটখাটো যানবাহন রিক্সা, টমটম ও সি এন জিতে চলাচল করতে গিয়েও প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণকে।এছাড়াও সদর হাসপাতালের পুরনো গেট থেকে ডিসি এসপি জজ আদালত ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে যাতায়াতকারী রাস্তাটির কাষ্টম অফিসের আগেও পরের অংশ পানি বালুতে একাকার হয়ে একাংশ পাহাড়ি টিলায় রুপ নিয়েছে।

বিশ্বখ্যাত পর্যটন শহর কক্সবাজারে দেশি বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটে উল্লেখযোগ্য হারে।শহরের ভিতরে ও বাইরের পর্যটন স্পট গুলো দেখতে পর্যটকরা প্রধান সড়ক ও উপ সড়ক গুলো দিয়ে যাতায়াত করায় যানবাহনের চাপও কম নয়।কিন্তু ব্যস্ততম এসব সড়কে সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষণে দায়িত্ব প্রাপ্তরা এ সম্পর্কে বে খবর বলে মনে হয়।পৌরসভা, সড়ক বিভাগ ও আরো কয়েকটি অবকাঠামো উন্নয়নের সরকারি দপ্তর এসব সড়ক নিয়মিত তদারকি,

সংস্কার ও মেরামতের উদ্যোগ উপযুক্ত সময়ে না নেয়ায় প্রতি বছরই সাধারণ মানুষের দূর্বিসহ ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে এ অভিযোগ অভিঙ্গ মহলের।তাছাড়া সড়ক উপ সড়ক গুলোর নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান গুলো শুষ্ক মৌসুমে সংস্কার কিংবা মেরামত না করে বর্ষা এলেই এসব কাজের আয়োজন করায় পাহাড়ের ঢল ও বৃষ্টির পানি এসব সড়কে জমে গিয়ে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। ছোট গর্ত ক্রমান্বয়ে রুপ পাচ্ছে বড় গর্তের।

এছাড়াও শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্হা তেমন সুবিধার না হওয়ায় লাগাতার বৃষ্টির পানি ও সরে যেতে না পেরে একস্থানে জমাটবদ্ধ থাকায় যানবাহনের কড়া ব্রেকে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়েও গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে।এই পানি যানবাহনের চাকায় ছিটকে গিয়ে পথচারী মানুষের শরীরে পড়ছে।পর্যটন শহর কক্সবাজারের প্রধান ও উপ সড়ক গুলো সংস্কার, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে আরো উদার স্বচ্ছতা চান পৌরসভার জনগন।

উন্নয়নের নামে অবহেলা, অনিয়ম ও দূর্নীতির সাথে যুক্ত ঠিকাদার ও ঠিকাদারী সংস্হা কে জনগুরুত্বের এসব সড়কের কাজ দেওয়া কোনভাবেই উচিত নয়।তাছাড়া পরিকল্পনাহীন সড়ক সংস্কারে অভিযুক্তদের উৎসাহ না দিয়ে উপযুক্ত সময়ে টেন্ডার আহবান সহ শুষ্ক মৌসুমে কাজ শেষ করার প্রতি দ্রুত ঠিকাদারী সংস্হাকে এ ক্ষেত্রে বিবেচনার দাবীও সচেতন মহলের।

এমনকি ইতিপূর্বে সংস্কার মেরামতে সংশ্লিষ্টদের বাস্তবায়নের নামে করা কাজের বর্তমান চিত্র দেখে তাদের ভবিষ্যৎতে কাজ না দেয়ার পক্ষেও তারা।এসব ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জানান,পৌরসভার নিয়ন্ত্রিত সড়ক উপ সড়কগুলো সংস্কার, মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। তাছাড়া শহরের ১১টি পয়েন্টে ড্রেন নির্মাণ কাজও ২৫% সমাপ্তি হয়েছে।

এম জি এস পির অর্থায়নেও কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এ কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ কারনে সড়কগুলোর একপাশে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলায় শহরের সৌন্দর্যে সামান্য সময়ের জন্য ব্যাঘাত ঘটছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান,প্রধান সড়ক সংস্কার ও মেরামতের দায়িত্বপ্রাপ্তর হওয়ায় জরুরি ভিক্তিতে আমরা পদক্ষেপ নিয়ে সর্বদা বিভাগের দুটি ট্রাক জনবল ও সরঞ্জাম সহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাতে জরুরি ভিক্তিতে ঐ সব খানাখন্দক ও গর্তের সহসা মেরামত করা যায়।

0 0

চট্টগ্রামের সদরঘাট থানার আওতাধীন মাদারবাড়ি এলাকায় প্রকাশ্যে নিজের প্যান্ট খুলে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ইঙ্গিত দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া বাবলু নামের সেই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর বাবলু পুলিশকে জানিয়েছে, যে মেয়েটির সাথে সে অশালীন আচরণ করেছিল তিনি সম্পর্কে বাবলুর খালা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল।

ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করতেই বাবলু এই ধরণের ন্যক্কারজনক পথ বেছে নিয়েছিল বলে জানা গেছে । বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রকাশ্যে নগ্ন হয়ে কাউকে ধর্ষণের হুমকি এটি সর্বপ্রথম বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা ।

আকাশ সংস্কৃতির প্রভাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন সমাজ সচেতন ব্যক্তিবর্গরা ।

0 0

চট্টগ্রাম চকবাজার বড়মিয়া মসজিদ সংলগ্ন ১৭ নং ওয়ার্ড রসূলবাগ আবাসিক এলাকায় রাস্তা ও খাল উন্নয়ের জন্য পাকা ব্রিজটি ভেঙ্গে ফেলা হয়,
কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে নির্মান করা হয়নি। দীর্ঘ এই ভোগান্তিতে যখন এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ঠিক তখনি এলাকাবাসীর পাশে দাড়িয়েছেন রসুলবাগ আবাসিক এলাকার কীর্তি সন্তান,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক,বন্ধন পরিবার এবং মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ভোর এর পরিচালক জনাব মো: জহির উদ্দিন বাবু।

 

তার নিজ অর্থায়নে স্থায়ী ব্রিজটি না হওয়া পর্যন্ত, লোহার তৈরি একটি অস্থায়ী ব্রিজ করে দেয়া হয়েছে।এতে এলাকাবাসী খুবই সন্তুষ্ট।এপার ওপার মানুষের দুঃখ লাগব হয়েছে।বিগত সময়ে অস্থায়ী বাঁশের ব্রিজও তিনি নিজ অর্থায়নে করেছিলেন কিন্তু বাশের ব্রিজে দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা দেখে তিনি লোহার ব্রিজ স্থাপন করেন।

 

গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯:৩০ মিনিটে এই অস্থায়ী লোহার ব্রিজে উদ্বোধন করেন জনাব মো: জহির উদ্দিন বাবু। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৭ নং ওর্য়াড এর সম্মানিত মহিলা কমিশনার ফারজানা পারভিন চৌধুরী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী
উক্ত অনুষ্ঠানে এলাকাসহ দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দোয়া কামনা করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সম্মানিত ইমাম হাফেজ মওলানা মো: জাফর আলম।

সাংবাদিক আয়াজ আহম্মদের এক প্রশ্নের জবাবে ‘
জহির উদ্দিন (বাবু) বলেন ভালকাজ করার জন্য কমিশনার, এমপি হতে হয় না। সৎ ইচ্ছা থাকলে যে যার অবস্থান থেকে ভাল কাজ করা সম্ভব।

0 0

কাপ্তাই প্রতিনিধি : তার বেতনের বেসিক ৭৪ হাজার ৪০০ টাকা, সর্বসাকুল্যে তিনি পান ১ লাখ ৬ হাজার ৯৮৫ টাকা। ৩৫% হারে তার বাসা ভাড়া হবার কথা ২৬ হাজার টাকার উপরে, অথচ তিনি বাসা ভাড়া দেন সরকারকে মাত্র ৩৭২০ টাকা।

জাতীয় বেতন স্কেলের ২০১৫ এর সর্বশেষ গেজেট অনুযায়ী ২য় গ্রেডের একজন কর্মকর্তার ৩৫% বাসা ভাড়া পরিশোধ করার কথা থাকলে সম্পূর্ণ গাঁয়ের জোড়ে এমডি বাংলায় বসবাস করে তিনি প্রতি মাসে প্রতিষ্ঠানকে শুভংকরের ফাঁকি দিয়ে আসছেন। তিনি হলেন রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার বিসিআইসির শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্নফুলি পেপার মিলস লিমিটেডের বির্তকিত এমডি ড: এম এম এ কাদের।

অথচ তাঁর প্রতিষ্ঠানের অনেক শ্রমিক কর্মচারী ৩য় এবং ৪র্থ গ্রেডের বাসায় বসবাস করে মাসে মাসে ৪ থেকে ৫৫০০ হাজার পর্যন্ত বাসা পরিশোধ করছে। এই সব বাসা গুলো অধিকাংশই ব্যবহারের অনুপযোগী, উপরন্ত পানি, বিদ্যু এবং গ্যাসের সংকটতো লেগে থাকে প্রায়ই। সময় মতো পরিশোধ বাসা ভাড়া করতে না পারলে মিল কর্তৃপক্ষ বিনা নোটিশে বাসার গ্যাস, বিদ্যু লাইন কেটে দেন। অথচ এই এমডির আর্শীবাদপুষ্ট অনেক কর্মকর্তা বাসা ভাড়া ফাঁকি দিয়ে ভালো মানের বাসায় বসবাস করে আসছের বছরের পর বছর।

মিলের অনেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিনিধিকে জানান, তাদেরকে বাগানে নিয়ে গিয়ে বাগান সৃজন এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কাজে নিয়োজিত করা হচ্ছে, অথচ তাদের কাজ হলো মিলের উৎপাদন তদারক করা এবং প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করা। একজন কর্মকর্তা দিয়ে শ্রমিকের কাজ করা মানে তাদের পদটাকে অবমূল্যায়ন করা।

মিলের অনেক পুরাতন শ্রমিক কর্মচারী ( চাকরিচ্যুতের ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, কেপিএম এর কাগজের সুনাম ছিলো দেশ বিদেশে। কিন্ত এই এমডি আসার পর হতে কাগজের মান কমে গেছে অনেক, তাই এনসিটিবি কর্তৃক কেপিএম হতে কাগজ কেনার সরকারি অর্ডার থাকলেও কাগজের গুনগত মান কম হওয়ায় সরকারি এই প্রতিষ্ঠান কেপিএম হতে আর কাগজ কিনতে চাইছেন না।

কেপিএম এর সিবিএ নেতৃবৃন্দ জানান,বিসিআইসির এই প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩০ হাজার মেট্রিকটন হলেও বর্তমানে বার্ষিক ৫ থেকে ৬ হাজার মেট্রিকটন কাগজ উৎপাদনের ফলে এটি একটি লোকসানে প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে । যদি দৈনিক ৪৫ থেকে ৫০ মেট্রিকটন কাগজ উৎপাদন হয় তাহলে এই মিলটির আর লোকসান গুনতে হবে না। তারা আরোও জানান, বর্তমানে যে যন্ত্রপাতি আছে তা দিয়ে দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ মেট্রিকটন কাগজ উৎপাদন করা যেতো।

তবে অনেক ক্ষেত্রে নিন্মমানের কাগজ উৎপাদনের ফলে এনসিটিবি সহ সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান এই মিলটি হতে কাগজ কিনতে আগ্রহ হচ্ছে না বলে তারা জানান।
কেপিএম এর অবসর প্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শ্রমিকরা জানান, অবসর গ্রহন এর পর বছর পার হয়ে গেলেও তারা তাদের জমানো টাকা পেতে অনেক কষ্টের মধ্যে পড়েন, অথচ বিসিআইসি হতে সময় মতো বরাদ্দ আসলেও এই বির্তকিত এমডি তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আটকে রাখেন অগ্যাত কারনে।

এই বিষয়ে কেপিএম এর এমডি ড: এম এম এ কাদের এর বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তার মুঠোফোন একাধিক বার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

0 0

চট্টগ্রাম- ২৫ আগস্ট ২০২০ চট্টগ্রাম নগরীর বিপ্লব উদ্যানের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমে নির্মিত দোকানের বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে ফেলা হবে একই সাথে চুক্তি লংঘিত হওয়ায় এর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত দোকান বন্ধের নির্দেশ দিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। আজ অপরাহ্নে টাইগারপাস অস্থায়ী কার্যালয় থেকে স্কুটিযোগে তিনি নগরীর ২ নম্বর গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যানের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন ও গণশুনানীকালে প্রশাসক এই নির্দেশনা দেন।

যাত্রাপথে তিনি রাস্তায় গর্ত দেখে সেগুলো দ্রুত ভরাট করার জন্য প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেন। এছাড়া ২নং গেইট কবরস্থানের পাশে বালির স্তুপ দেখে আজকের মধ্যেই অপসারণ করার জন্য পরিচ্ছন্নতা বিভাগকে নির্দেশনা দেন। তাছাড়া ২নং গেইটের পাশে মসজিদ গলিতে জলাবদ্ধতা প্রকল্পের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার জন্য প্রকল্প পরিচালককে অনুরোধ করেন।

পরবর্তীতে বিপ্লব উদ্যান পরিদর্শনকালে প্রশাসক প্রত্য¶ করেন যে, চুক্তিতে ১৫০ বর্গফুটের দোকান করার কথা থাকলেও প্রতিটি দোকান ২শ বর্গফুটে বর্ধিত করা হয়েছে। জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা সংকুচিত করে দোকানের সিট বসানো হয়েছে। এছাড়াও চুক্তির শর্ত লংঘন করে দ্বিতল ভবন নির্মাণ করে দোকান বসানো হয়েছে-যা চসিকের সাথে সম্পুর্ণরূপে চুক্তির বরখেলাপ করা হয়। বর্তমানে পার্কটিতে কোন প্রকার প্রাকৃতিক পরিবেশ নেই।

এসব অনিয়ম ও অসঙ্গতি দেখে  ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসক বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চুক্তির বাইরে গিয়ে কিংবা ব্যক্তি ¯^ার্থ চরিতার্থ করে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক চিন্তা ভাবনায় এই কাজ করতে দেয়া যায় না। এতদবিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী ও চসিকের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীগণ চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। উভয়  পরযাবেক্ষন সিদ্ধান্তে উপণীত হতে পারবেন না ততদিন এই অবৈধ দোকান বন্ধ থাকবে। অন্যথায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, চসিকের সকল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন শুধুমাত্র নগরবাসীর ¯^ার্থে।

চসিকের সৌন্দর্যবর্ধন ও নগরায়নে জনগণের। প্রথমে করতে হবে। শুধুমাত্র ব্যক্তি ¯^ার্থে কোন কিছু করার সুযোগ নেই। কেউ যদি নগরবাসীর ¯^ার্থের বিপরীত কর্ম সম্পাদনে লিপ্ত হয় তাদের আজকের এই কর্মসূচী থেকে সাবধান হওয়া উচিত।

এসময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান রাজ¯^ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুফিদুল আলম, প্রকৌশলী আলী আশরাফ, প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি এ কে এম রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদ আলম চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য রিফর্ম লি. ও স্টাইল লিভিং আর্কিটেক্ট এর ¯^ত্বাধিকার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বিপ্লব উদ্যান সৌন্দর্যবর্ধন কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছেন।

এবার প্রকাশ্যে প্যা’ন্ট খুলে একটি মেয়েকে যৌ’ন হ’য়রানির অ’ভিযোগ উঠেছে৷ চট্টগ্রামের সদর ঘাট থানার ২৯ নং ওয়াডে বাবলু নামের এক যুবক প্যান্ট খুলে একটা মেয়েকে যৌ’ন হ’য়রানি করেছে৷

জানা গেছে, এরা হলো পশ্চিম মাদার বাড়ির, টং ফ’কির মাজার লাইনের সবচাইতে লেং’টা পরিবার ৷ ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, একটি মেয়েকে দেখে বাবলু নামের একটি ছেলে প্রকাশ্যে তার প্যা’ন্ট খুলে ফেলে এবং

লেং’টা অবস্থায় মেয়েটির দিকে এগিয়ে যেতে থাকে৷ কারন যা হোক না কেন এভাবে জন সম্মুখে একজন যু’বক নিজেকে উ’লংগ করে অন্য একটা তু’রুনিকে দেখাবে তা কতটা খারাপ হলে সম্ভব একবার ভাবুন। ছবিতে দেখা যায় ডানে বামে পিছনে আরো কিছু মহিলা চেয়ে আছেন।

বর্তমানে এই সমস্ত ছেলেদের জন্য মা-বোনের ইজ্জত আজ হুমকির মুখে৷ এদিকে প্রকাশ্যে লেং’টা হওয়ার ঘটনাটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে৷ এই নিয়ে অনেকে লেখা লেখি করছে গ্রুপ, পেজ এবং নিজেদের প্রফাইলে৷

অনেকে লেখা লেখি করছেন, এরকম ক’র্মকা’ণ্ডের জন্য বাবলুর কঠিন শা’স্তি হওয়া দরকার৷ তারা আরো বলেন, জা’হেলিয়াত এর যু’গ আবার ফিরে এসেছে! মানব সভ্যতা হয়ে যাচ্ছে প’শুর মত,এর চরম অ’বক্ষয় দায়,নোং’রা সমাজব্যবস্থা,

নোং’রা রাজনীতি, নোং’রা পরিবার ব্যবস্থা,সবচেয়ে বড় সমস্যা পরিবার বাবা মা! প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দ্রুত ছেলেটির বি’রুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক৷