Home খেলাধুলা

আজ রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ঃ৩০ মিনিটে স্হানীয় কলেজিয়েট স্কুল মাঠে,মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাব ফুটবল ফেস্টিভ্যাল ২০২০ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়ছে।মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাব এর সিনিয়র সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসেন লিটন এর সঞ্চলনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলার মশিউল আলম স্বপন,

উদ্ধোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাব এর সাধারন সম্পাদক শফিকুল আলম জুয়েল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারবাড়ী শোভনীয়া ফুটবল একাডেমির সভাপতি লায়ন এম এ মুছা বাবলু, মাদারবাড়ী শোভনীয়া ফুটবল একাডেমির সাধারন সম্পাদক আকতার হোসেন জেকি উদ্বোধনী ম্যাচে তুষার-আবির ফাউন্ডেশন বনাম দিয়া ফাউন্ডেশন মধ্যকার ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে ০-০ গোলে ড্র থাকার পড়ে ট্রাইব্রাকারে ৩-২ গোলে তুষার -আবির ফাউন্ডেশন জয় লাভ করেন,এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আজিজ,

ইকবাল হোসেন,ফুটবল কোচ মোহাম্মদ আলী, মহসিন সাজু,ওয়াসিম হাসান,নূর জাহেদ বাবলু, আলোউদ্দীন ভূইয়া,আলোউদ্দীন,সাইমন আহমেদ শাহেদ, ,ফারুক,ফয়সাল,আরাফাত,আমজাদী,জনি,ওয়াহিদুল আলম অভি মাছুম,মাকছুদ, আসিফ,মিন্টু,শহিদ, রাব্বি,মান্না প্রমূখ।

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা মধ্যে দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাব আয়োজিত অভ্যন্তরীন ফুটবল ফেস্টিভ্যাল ২০২০ইং জাঁকজমকপূর্ণ ফুটবল টুনামেন্ট আগামী ২৫-০৯-২০২০ইং স্হানীয় কলেজিয়েট স্কুল মাঠে শুরু হতে যাচ্ছে,আজকে অংশ গ্রহণকারী দিয়া ফাউন্ডেশন, নূর ফাউন্ডেশন,

তাহমিদ ফাউন্ডেশন এবং তুষার আবির ফাউন্ডেশন ক্লাবের মাঝে জার্সি উন্মোচন করেন মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃশফিকুল আলম জুয়েল।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহ-সভাপতি , তারেক হাসান টুটুল,যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন লিটন, সহ-অর্থ সম্পাদক সাইমুন আহমেদ সাহেদ, দপ্তর সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম অভি, আবদুল হামিদ জনি, মোঃইসমাইল,মোঃ নূরউদ্দীন, মোঃ ইমন।

টীম মালিক দিয়া ফাউন্ডেশনের মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, নূর ফাউন্ডেশনের নূর জাহেদ বাবলু, তাহমিদ ফাউন্ডেশনের আবদুল আজিজ, তুষার আবির ফাউন্ডেশনের মোহাম্মদ আলমগীর।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম জুয়েল অত টুনামেন্ট সুস্ঠ ও সফল ভাবে শেষ করার জন্য যাবতীয় কার্যক্রমে টুনামেন্ট পরিচালনা কমিটিকে নির্দেশ দেন এবং সাবিক সহযোগিতা আশাবাদ কামনা করছেন।

হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

তার জানাজায় ইমামতি করেন তার ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ ইউসূফ। জানাজা শেষে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয় দেশের জ্যেষ্ঠ এ আলেমকে।

তার জানাজায় অংশ নিতে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মানুষের ঢল নামে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলার চার উপজেলায় কাজ করছে ১০ প্লাটুন বিজিবি ও ৭ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বাধীন টহল দল।

হেফাজত আমির ও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি আল্লামা আহমদ শফীর জানাজায় অংশ নিতে লাখো মানুষের ঢল নামে হাটহাজারির দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা এলাকায়। শনিবার ভোর থেকেই চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, সাতকানিয়া ও পটিয়াসহ নানা উপজেলা থেকে আসতে থাকেন তার অনুসারীরা। জড়ো হয়েছেন ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো মানুষ।

আহমদ শফীর মৃত্যু ও জানাজাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শুক্রবার রাত থেকেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৪ উপজেলায় ১০ প্লাটুন বিজিবি ও ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন ১০৪ বছর বয়সী হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে মারা যান তিনি।

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ আহমদ শফীকে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার বিকেলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়। পরে সন্ধ্যায় মারা যান কওমি মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার সাবেক এই মহাপরিচালক।  তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী হাটহাজারী মাদ্রাসায় জানাজা শেষে দাফন করা হয়। 

0 0

চট্টগ্রাম- ২৯ আগস্ট ২০২০ চট্টগ্রাম নগরীর খেলাধুলা চর্চা অন্যতম প্রধান কেন্দ্র প্যারেড মাঠের করুন অবস্থা এবং খেলাধুলা ক্ষেত্রে একেবারে অনুপযোগী হয়ে উঠার গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এর দৃষ্টি গোচর হলে তিনি আজ শনিবার বিকেলে মাঠটি দুরাবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে প্রশাসক তাৎক্ষণিক চট্গ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুল হক চৌধুরীর সাথে ফোনে আলাপ করেন এবং মাঠস্থ চলাচলের পথটি খুলে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। আলাপকালে অধ্যক্ষ প্রশাসককে প্যারেড মাঠটি আবার খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে যা যা করা প্রয়োজন সে ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে চলাচলের পথটি উন্মুক্ত করবে বলে আশ্বস্থ করেন। প্রশাসক বলেন,

বর্তমান করোনাকালে কিছু সময়ের জন্য চকবাজার কাঁচাবাজারটি প্যারেড মাঠে স্থানান্তরের ফলে অনেকগুলো অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করায় মাঠটি খানাখন্দে ভরে গেছে এবং ময়লা-আবর্জনার ভাগারে পরিণত হয়েছে। এতে খেলাধুলা চর্চার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে এবং পুরো এলাকাটি অ¯^াস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। প্রশাসক খেলতে আসা উপস্থিত খেলোয়াড়দের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের কথাও মনোযোগ দিয়ে শুনেন।

তিনি মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী করার জন্য কলেজের অধ্যক্ষকে জরুরীভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণে অনুরোধ জানান। প্রশাসক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগকে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাঠটির সকল ধরণের আবর্জনা পরিস্কার ও অস্থায়ী স্থাপনা সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেন।

জনগুরুত্বপূর্ণ এ ধরণের প্রতিবেদনটি দৈনিক আজাদীতে প্রকাশের জন্য প্রশাসক আজাদী প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানান।

গত ১৪/০৮/২০২০ ইং বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় ক্লাব কার্যালয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মাদারবাড়ী শোভনীয়া ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ শাহআলম এবং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন লিটন, সকলের সম্মতি ক্রমে মাদারবাড়ী শোভনীয়া ফুটবল একাডেমির জন্য ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়, এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর, মহসিন সাজু, ইকবাল হোসেন,

আবদুল আজিজ, মোঃ আলাউদ্দীন ভূঁইয়া, নুর জাহেদ বাবলু, ওয়াসিম হাসান, ফারুক রানা, রফিকুল ইসলাম মিঠু, কামরুল পারভেজ জসি, রাসেল রাজু, আরাফাত আমজাদী, রিজভী হাসান সানি, সাইমন আহমেদ সাহেদ, ওহিদুল আলম অভি, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, আবদুল হামিদ জনি, মোঃ মারুফ, মোঃ ইমন প্রমুখ।

আগামী ২০/০৮/২০২০ইং হইতে সপ্তাহে ৫ (পাঁচ) দিন বিকাল ৪.০০ ঘটিকা থেকে স্থানীয় কলেজিয়েট স্কুল মাঠে সীমিত পরিসরে খেলোয়াড়দের নিয়ে একাডেমীর অনুশীলন শুরু হবে। এতে সদরঘাট থানার অন্তর্ভুক্ত ২৯ ও ৩০নং ওয়ার্ডের খেলোয়াড়দের অনুশীলনে অংশগ্রহণ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

[ লায়ন এম.এ. মুছা বাবলু সভাপতি,
মোঃ সালাউদ্দিন জাহেদ – সিনিয়র সহ-সভাপতি
আকতার হোসেন জেকি – সাধারণ সম্পাদক
সাইমন আহমেদ সাহেদ – অর্থ-সম্পাদক
মোঃ মোশাররফ হোসেন লিটন – সদস্য
নুর জাহেদ বাবলু – সদস্য
আলাউদ্দীন ভূইয়া – সদস্য মোঃ জুনায়েদ – সদস্য
আমিনুল ইসলাম আজাদ – সদস্য
আজম খাঁন – সদস্য
হুমায়ুন রশিদ রাসেল সদস্য
মোহাম্মদ ইসমাইল সদস্য
ওহিদুল আলম অভি সদস্য
মোঃ নুর উদ্দিন সদস্য
মোঃ ইমন – সদস্য

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, করোনার থাবায় থমকে গেছে ক্রীড়াঙ্গন। হচ্ছেনা ক্রীড়া চর্চা। এই সমস্যা থেকে উত্তোরন করতে এবং নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখি করতে পৃষ্ঠপোষকাতা প্রয়োজন। আমরা যার যার পক্ষ থেকে যদি এই বিষয়ে এগিয়ে না আসি তাহলে অযতেœ অবহেলায় অনেক প্রতিভা আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে যাবে।

তাই “নতুন প্রতিভা সৃষ্টি- আমাদের লক্ষে এ শ্লোগান করে সামনে রেখে চট্টগ্রাম ফুটবল ট্রেনিং একাডেমির পক্ষ থেকে অনর্ধ্ব ৬-১৫ বছরের খেলোয়াড়দের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন(বাফুফে) কোচ দ্বারা ফুটবল প্রশিক্ষণ কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। এই বিষয়ে তিনি বাফুফে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপণ করেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে এম.এ.আজিজ স্টেডিয়াম কনফারেন্স রুমে আগ্রহীদের মাঝে ফরম বিতরণের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য প্রতি সপ্তাহে ৪ দিন নগরীর এম.এ.আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন মাঠে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এসময় এম ডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, নজরুল ইসলাম লেদু, এস এম শহিদুল ইসলাম আ নম ওয়াহিদ, এস এ মুছা বাবলু মাসুদ পারভেজ কায়ছার, মাহমুদুল ইসলাম,মোঃ মশিউল আলম,আবদুল হান্নান মিরন,প্রনব দেব দাশ,মোঃ তাহের আহমেদ, আবদুর রবি মুমিন,হায়দার কবির প্রিন্স,একরাম আফসার,

মোশাররফ হোসেন লিটন মোঃ রফিকুল ইসলাম, দিদারুল আলম,অন্জন চক্রবতী,নাহিদ মুন্না,বিশ্বজিৎ সাহা,জাফর ইকবাল, উপস্থিত ছিলেন

সি টি জি ট্রিবিউন আয়াজ আহমাদ চট্টগ্রাম-১৮ জুলাই- ২০২০ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ক্রীড়াঙ্গনে যারা পেশাদার করোনা তাদের জীবনকে দূর্বিসহ করে তুলেছে। আজ খেলাধুলা নেই। ক্রীড়াঙ্গণ ধূ ধু করছে। খেলোয়াড়,কোচ ও সংগঠকদের রুটি-রুজির পথ বন্ধ। অথচ এদের অনেকেই ক্রীড়া ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মান বয়ে এনে জাতির মুখ উজ্জ্বল করেছে। অথচ আজ মহাদূর্যোগ তাদের মুখগুলো মলিন। অবশ্য একদিন এই দূর্যোগ কেটে যাবে।

এজন্য কতদিন অপেক্ষা করতে হবে তা জানিনা। তারপরও এই দূর্যোগকালীন সময়ে কিছুটা সহায়তায় আপনাদের কষ্ঠ লাঘব হলে সাহস ফিরে আসবে। এই দুর্যোগকালে বিশ্বাস করতে হবে- মেঘ দেখে করিসনে ভয় আড়ালে ঐ সূর্য হাসে। আজ বিকেলে চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে সিজেকেএস কনভেনশন হলে দূর্যোগকালী ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ১২০জন খেলোয়াড়ের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন।

এসময় প্যানেল মেয়র ড.নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, ক্রীড়া সংগঠক মশিউল আলম স্বপন, মোহাম্মদ হাসান, দেবাশীষ বড়ুয়া, কিশোর দত্ত মানু, নিজাম উদ্দিন নাজু, মোহাম্মদ সরোয়ার,

হায়দার কবির প্রিন্স, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ একরাম, টুটুল, তুষার বড়–য়া, উজ্জ্বল বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

0 0

অনেক দিন ধরেই চলছে জল্পনা-কল্পনা। গুঞ্জনের পালে এবার লাগল আরেকটু হাওয়া। বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে চাচ্ছেন না লিওনেল মেসি। কাতালানদের নাকি স্রেফ প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। আজ এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করল স্প্যানিশ রেডিও কাদেনা সেরে।

বার্সেলোনার সঙ্গে মেসির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আছে আগামী মৌসুম পর্যন্ত। স্প্যানিশ জায়ান্টরা স্বপ্ন দেখছেন ন্যু ক্যাম্প থেকেই বুট জোড়া তুলে রাখবেন অধিনায়ক। যদিও তাদের ভাবনার সঙ্গে নাকি একমত নন মেসি। এনিয়ে সম্প্রতি মেসি ও তার বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে বার্সা পরিচলাকদের। যেখানে তাদের হতাশ করেছেন মেসি।

স্প্যানিশ মিডিয়াটির দাবি, চুক্তি শেষেই বার্সা ছাড়তে প্রস্তুত মেসি। এর নেপথ্য কারণ ক্লাবকর্তাদের সঙ্গে তার মন কষাকষি। সাম্প্রতিক বছরে বার্সা এমনকিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেখানে নাখোশ হয়েছেন মেসি। নেইমারকে ছেড়ে দেওয়া, অ্যান্তনিও গ্রিজম্যানকে আনা, খেলোয়াড়দের নিবেদন নিয়ে ক্রীড়া পরিচালক এরিক আবিদালের অভিযোগ নিয়েই মূলত চটে আছেন মেসি।

করোনাভাইরাস বিরতি পরবর্তী মাঠে ফিরেছে বার্সেলোনা। কিন্তু কাতালানদের প্রত্যাবর্তন ঠিক সুখের হয়নি। নিজেদের হারিয়ে খুঁজতে থাকা বার্সা লা লিগার শ্রেষ্ঠত্ব হারানোর শঙ্কায় পড়েছে। সবশেষ চার ম্যাচের তিনটিতে ড্র করে এই বেহাল দশা হয়েছে বার্সার। দলের এমন নাজুক পারফরম্যান্সের প্রভাব পড়েছে মেসির ওপর।

বেশ কয়েকদিন ধরে অচেনা মেসিকে দেখা যাচ্ছে। প্রায়শই নাকি তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে আছে। মাঠে সতীর্থদের সঙ্গে শারীরিক ভাষায় মিলছে নেতিবাচক ছাপ। অনুশীলনে দুজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আবার জড়িয়েছেন বিবাদে। এমনকি বার্সার সহকারী কোচের সঙ্গেও ঝামেলা তৈরি হয়েছে মেসির। সবমিলিয়ে পুরনো গুঞ্জন যেন নতুন করে পাখা মেলল।

0 60

গত বছর আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচের মীমাংসা হয়নি ১০০ ওভারে। মহানাটকীয় ফাইনাল গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেও ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের অবিশ্বাস্য সমতা। শেষ পর্যন্ত বেশি বাউন্ডারি হাঁকানোর উদ্ভট নিয়মে চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক ইংল্যান্ড। রানার্সআপ হয় সফরকারী নিউজিল্যান্ড।

এনিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গেছে। সুপার ওভার, ওভার থ্রো নিয়ম পাল্টানোর দাবিও ওঠে। আইসিসি ও এমসিসি তা আমলে নিয়ে কিছু সংশোধনী এনেছে। তবে সবকিছু পাল্টালেও লর্ডসের ফাইনালের ফলটা আর পাল্টানো সম্ভব নয়। থ্রিলার ম্যাচের এক বছর কেটে গেছে। কিন্তু সেই ফলটা এখনো মেনে নিতে পারছেন না কিউই ব্যাটসম্যান রস টেলর।

তার মতে ম্যাচ টাই হলে দুই দলকে ট্রফি ভাগাভাগি করে দেওয়া উচিত। বিশ্বকাপ তো বটেই, ওয়ানডে ক্রিকেটের সুপার ওভারেরই কোনো দরকার দেখছেন না অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। শুক্রবার একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে এক সাক্ষাৎকারে টেলর বলেছেন, ‘ওয়ানডে ম্যাচ অনেক সময় নিয়ে চলে। ম্যাচে টাই হলে অন্তত আমার কোনো সমস্যা নেই।’

সাক্ষাৎকারে টেলরের একটা কথায় অনেকের বিস্ময়কেই আকাশ স্পর্শ করিয়েছে। লর্ডসের ফাইনালে যে সুপার ওভার আছে সেটা তিনি জানতেনই না। তিনি বলেছেন, ‘ফাইনালে আম্পায়ারদের আমি বলেছিলাম ভালো একটা ম্যাচ হয়েছে। তখন জানতামই না যে, ম্যাচে সুপার ওভার আছে। টাই মানে টাই। দুই দল ১০০ ওভার খেলার পরও যদি রান সমান থাকে তাহলে, টাই হওয়াটা খুব একটা খারাপ নয়।’

অবশ্য একদিনের ক্রিকেটে সুপার ওভার উঠিয়ে দেওয়ার পক্ষে মত দিলেও টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ভিন্নমত টেলরের। তিনি বলেছেন, ‘‘টি-টোয়েন্টি সংস্করণে খেলা চালিয়ে যাওয়া উচিত। অনেকটা ফুটবল কিংবা অন্য খেলার মতো ম্যাচের নিষ্পত্তি করা উচিত। কিন্তু ওয়ানডে ক্রিকেটে সুপার ওভারের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। আমার মতে যৌথ চ্যাম্পিয়ন করা যায়।’

নিউজিল্যান্ডের সুপার ওভার ভাগ্য ভালো নয়। এ পর্যন্ত সীমিত ওভারের আটটি ম্যাচের সাতটিতেই হেরেছে কিউইরা। ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে সুপার ওভার বাদ দিলে নিউজিল্যান্ডকে অন্তত দুর্ভাগ্যের মুখে হয়তো পড়তে হবে না! এখন দেখার বিষয়, টেলরের দাবি আইসিসি আমলে নেয় কিনা।

বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় সেলিব্রেটিদের একজন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ খান আফ্রিদি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। করোনার উপসর্গগুলো শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিদায় নিয়েছে। গতকাল লাইভে এসে তিনি নিজেই এই তথ্য দেন। তবে দ্বিতীয় দফায় এখনো তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

শহীদ আফ্রিদি বলেন, প্রথম দুই দিন ছিল ভীষণ কঠিন একটা সময়। শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল খুব, এর মধ্যে একা বন্দি থেকে নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছিল। এরপর নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম, মন শক্ত করলাম। ইনশাআল্লাহ, আমি এখন সুস্থ।

বিশ্বের সব করোনা আক্রান্ত রোগীর প্রতি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি। তিনি বলেন, বিষয়টাকে খুব বেশি আমলে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। নিয়মগুলো সঠিকভাবে পালন করার পাশাপাশি মনোবল অটুট রাখুন। কোনো কোভিড রোগী যদি নিজে থেকে হেরে না যায় তাহলে এই ভাইরাস তাকে হারানোর ক্ষমতা রাখে না।মাত্র ৫ দিনেই করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়টাও ব্যাখ্যা করলেন পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ঘাবড়ে যাওয়ার কারণেই হয়তো আমরা বিষয়টাকে বড় করে দেখি। নিজেকে পরিবারের অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করে কিছু নিয়ম পালন করতে হবে। আমি দিনে কয়েকবার করে কালোজিরা খেয়েছি। সঙ্গে লং, গরম পানি, চা তো ছিলই। এছাড়া পুষ্টিকর খাবার খাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছি।