Home খুলনা

ধর্ষণের মামলায়(এএসআই) বরখাস্ত

সিটিজিট্রিবিউন : খুলনায় ভারতফেরত কোয়ারেন্টিনে থাকা এক তরুণীকে (২২) ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোখলেছুর রহমানকে সামরিক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. জাহাংগীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী খুলনায় থানায় এএসআই মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই হামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়ে

মো. জাহাংগীর আলম জানান, গত ১৩ মে রাত ১টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত খুলনা প্রাইমারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের (পিটিআই) মহিলা হোস্টেলে ভারতফেরত কোয়ারেন্টিনে অবস্থানরতদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন মোকলেছুর রহমান। ডিউটিতে থাকাকালীন উক্ত এএসআই কোয়ারেন্টিনে অবস্থানরত এক তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরের রাতে আবারও ওই তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই তরুণী চিৎকার করলে এএসআই মাকলেছুর দ্রুত নিচে নেমে যায়। ঘটনাটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসলে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলে।

তিনি আরও জানান, এএসআই মোকলেছুর রহমানকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। নির্যাতিত তরুণী খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রতিবেদন:কেইউকে:

 

 

 

 

 

0 0

ঢাকা, সোমবার ১০ মে ২০২১:
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য (পবা-মোহনপুর আসন) বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মেরাজ উদ্দীন মোল্লার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে এই জনদরদী রাজনীতিকের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের সংবাদে তথ্যমন্ত্রী প্রয়াতের আত্মার শান্তিকামনা করেন এবং তার শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ড. হাছান মাহমুদ মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনীতিতে প্রয়াত মেরাজ উদ্দীন মোল্লার অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তার শোকবার্তায় বলেন, দেশ ও মানুষের জন্য মেরাজ উদ্দীন মোল্লার ভালোবাসা তাকে স্মরণীয় করে রাখবে।

গত ২৮ এপ্রিল করোনা শনাক্তের পর মেরাজ উদ্দীন মোল্লাকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা: শার্শায় একটি মাছের ঘেরে বিষ দিয়ে ১০ লক্ষ টাকার বিভিন্ন জাতের মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার বালুন্ডা দক্ষিনপাড়া গ্রামে তৌহিদুর রহমান নামে এক ব্যক্তির মাছের ঘেরে এই বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার গভীর রাত্রে। মৃত মাছ ওই এলাকার শত শত মানুষ পানিতে নেমে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। আর মাছ চাষী মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে ওই ঘেরের পাশে।

উৎসুক জনতা ঘেরের পাড়ে দাঁড়িয়ে মরা মাছ ধরার দৃশ্য দেখছে। তৌহিদুর রহমান শার্শা উপজেলার মহিষাকুড় গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে। মাছের ঘেরের নাইট গার্ড আলতাফ হোসেন বলেন সে রাত্রে ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর রাত আনুমানিক ২ টার দিকে মাছ লাফালাফির শব্দ শুনতে পায়। তখন লাইট মেরে দেখে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

এতে তার সন্দহ হয় হয়ত অক্সিজেন এর অভাবে এরকম হয়েছে। এরপর সে গ্যাস ট্যাবলেট দেয় ঘেরে। তাতেও কোন পরিবর্তন দেখা দেয় না। এরপর আমি ঘের মালিক তৌহিদুরকে খবর দেই। স্থানীয়রা বলেন, এটা অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়নি। ঘেরে কেউ বিষ প্রয়োগ করেছে। প্রায় দেড় থেকে ২ শত মন মাছ মরেছে। ঘের মালিক তৌহিদ বলেন সে একজন মাছ চাষী। তার কয়েকটি ঘের রয়েছে।

হয়ত কেউ শত্রæতা মুলক ভাবে মাছ মারতে বিষ প্রয়োগ করেছে। কাউকে সন্দেহ হয় কি না জানতে চাইলে সে বলে আমি কাউকে বিষ দিতে দেখি নাই। না জেনে কারো নাম বল্ওা ঠিক হবে না। আমার প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মাছ মেরেছে। আমি সরকারের কাছে ক্ষতি পুরুন দাবি করছি। এ বিষয় থানায় বা অন্য কোথাও কোন অভিযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে বলে না জেনে কি অভিযোগ কার নামে করব?

তবে কিছু মরা মাছ ধরে নাভারন, বাগআচড়া, জামতলা, মনিরামপুর পাঠিয়েছি। ঘেরে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া এবং রুই, কাতলা ও মৃগেলের চারা মাছ ছিল। গ্রামের আফজাল হোসেন বলেন এটা পরিকল্পিত ভাবে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারা হয়েছ্।

আঃ মান্নান শার্শা (যশোর) সংবাদাদাতা: যশোরের শার্শার বাগুড়ী বেলতলা বৃহৎ পাইকারী অবৈধ তাজা ফলের বাজারটি ২০ বছর ধরে ইজারা বহির্ভ‚ত থাকায় বছরে সরকার হারাচ্ছে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব। বাজারের শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্রটি বিভিন্ন ভাবে ফল চাষী ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল অংকের টাকা।

ফলে বাজারটি সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তর কর্তৃক ইজারার মাধ্যমে রাজস্ব আদায় করার দাবি উঠেছে স্থানীয় জনগণ, ফল চাষী ও ব্যবসায়ীদের। যশোর জেলার শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নে অবস্থিত বাগুড়ী বেলতলা বাজারে প্রায় ৪৫০০ হেক্টর জমির আম আমদানি হয়।

এ আমের বাজার চলে তিন মাস ধরে। এখানে আম কিনতে ঢাকা শরিয়তপুর চাপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েক হাজার পাইকারী ব্যবসায়ীরা আসে। প্রতিদিন এ বাজার থেকে প্রায় ১/২’শ ট্রাক আম লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যায় এবং ৩/৪ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়।

১২০০ হেক্টর জমির কুল ও প্রায় ১০০০ হেক্টর জমির পেয়ারা এ বাজারে আমদানি হয়। কুলের মৌসুমে বাজার চলে তিন মাস এবং এখান থেকে প্রতিদিন ৩০/৪০ ট্রাক কুল যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। পেয়ারা প্রায় সব সময় চলে এবং এছাড়াও লিচুসহ অন্যান্য ফল বেচাকেনা হয় এ বাজারে। বাজারে ২ শতাধিক বিভিন্ন ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে।

অভিযোগ আছে এখানে সিন্ডিকেট চক্রটি হাজারে ১০০ টাকা, ক্যারাট প্রতি ২৫ টাকা লেবার ও ট্রাক প্রতি ৩০০ টাকা কমিশন কাটে চাষী ও ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে। আবার ঔষধ স্প্রে বাবদ প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়েও নেয় টাকা। টাকা দিতে অস্বীকার করলে চক্রটি ভয়ভীতি দেখায়, নানা হুমকি ধামকিও দেয় সিন্ডিকেট চক্রটি।

দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে অবৈধ তাজা ফলের বাজারটি আগে ক্ষুদ্র আকারে চালু হলে সরকারের নজর ছিল না এবং এখন তা বিরাট আকারে চললেও সরকারের দৃষ্টি পড়ে নাই। এ বাজারে সিন্ডিকেট চক্রটি আম ব্যবসায়ীদেরকে জিম্মি করে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করছে।

বাজারটি সরকারি ইজারাভুক্ত হলে সরকার পাবে বিপুল অংকের রাজস্ব আর মুষ্টিমেয় সিন্ডিকেট চক্রের হাত থেকে রক্ষা পাবে ফল চাষী ও ব্যবসায়ীরা। এখানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারী ক্রেতারা ছয় মাস ব্যাপী অবস্থান করে আম চাষীদের সাথে যোগাযোগ করে অপরিপক্ক আম ক্রয় করে বিষক্ত কেমিক্যাল স্প্রে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে চালানের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিচ্চে।

আম পাকতে এখনর একমাসের বেশি সময় বাকী অথচ সিন্ডিকেট চক্রটি প্রতিদিন এই বাজার থেকে ৭০-৮০ ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছে। এছাড়া কুল এর মৌসুমে প্রতিদিনি একই প্রক্রিয়ায় ১৫-২০ ট্রাক কুল দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে থাকে। ট্রাক প্রতি চাদা এক হাজার টাকা, আড়ৎদারদের কাছ থেকে মৌসুম ভিত্তিক ৪০-৫০ হাজার টাকা এবং মসজিদের নামেও দশ টাকা হারে চাঁদা আদায় করছে এই চক্রটি।

মসজিদের দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন না হলেও আদায়কৃত টাকা নেতাদের পকেট ভারী হচ্ছে। শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা জানান, বাগআঁচড়া বাজার সংলগ্ন আমাদের প্রত্যেক বছর যে মৌসুমী আমের হাটটি বসে এ বিষয়ে আমরা স্থানীয় কিছু মানুষের আবেদন পেয়েছি। এটা যদি ইজারা দেওয়া হয় অথবা রাজস্ব আদায় করা হয় সেক্ষেত্রে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয়ের সম্ভবনা রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের বেসরকারি সেবা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোস্টিক থেকে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে চুরি হওয়া নবজাতককে ১৬ ঘন্টা পর মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

নিশ্চিন্তপুর গ্রামের জনৈক রফির ভাড়াটিয়া মো: জাহাঙ্গীর হোসেন এর স্ত্রী মোছা: প্রিয়া খাতুন ওরফে মিনারা খাতুন (২০) এর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত প্রিয়া খাতুন (২০) কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই কন্যা শিশুটি চুরির সাথে তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

এ ঘটনায় নবজাতকের বাবা মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সোমবার রাতে একটি অপহরণ মামলা করেন। নবজাতক উদ্ধারের পর র‍্যাব-৬ কালীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেন নবজাতককে।

মঙ্গলবার দুপুর ৩ টার দিকে শহরের সেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের ২০৩ নং কেবিনে গিয়ে মেয়ে নবজাতককে বাবা ,

মনিরুল ইসলাম ও মা শাবানা বেগমের কাছে হস্তান্তর করেন কালীগঞ্জ থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মুহা: মাহফুজুর রহমান মিয়া।

 

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ-
মায়ের কোল থেকে চুরি হওয়া মেয়ে নবজাতক শিশুটি চুরির ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ঝিনাইদহ র‍্যাব-। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর এলাকার জনৈক রফি উদ্দিনের বাড়ি থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে মায়ের কোলে তুলে দেওয়া হয়।

নবজাতক চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পিয়া খাতুন (৩০) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। পিয়া কালীগঞ্জ শহরের ঢাকালেপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী বলে জানিয়েছেন।

পুলিশ ও র‍্যাব-সুত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যার দিকে কালীগঞ্জ শহরের সেবা ক্লিনিক থেকে সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতক মেয়ে শিশুটি চুরি হয়। এ খবর সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঝিনাইদহ -৬ সদস্যরা শিশুটি উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। এদিকে শিশু সন্তনটি খুজে পাওয়ায় মায়ের আনন্দ যেন আর ধরছে না। নিজে অসুস্থ থাকলেও সন্তানকে জড়িয়ে ধরে অনবরত চুমু খাচ্ছেন সাবানা খাতুন।

ঝিনাইদহ র‍্যাব-সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার বলিদাপাড়া গ্রামের মনিরুজ্জামান বাবুর স্ত্রী শাবানা খাতুনের প্রসব ওেবদনা শুরু হলে স্থানীয় সেবা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

সোমবার দুপুরে আড়াইটার দিকে অস্ত্রোপচারে ফুটফুটে এক মেয়ের জন্ম দেন শাবানা। মনিরুজ্জামান বাবু বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সবাই ,

ইফতার করতে গেলে বোরকা পরা এক নারী এসে শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে যান। এ সময় মা শাবানা অচেতন ছিলেন।

0 0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় এক দালালসহ ৯ জনকে আটক করেছে বিজিবি। ঝিনাইদহ বিজিবি-৫৮ ব্যাটালিয়ানের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,

শনিবারে ভোর রাতের দিকে খোশালপুর সীমান্তের এটি কলা বাগানের মধ্যে থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারে সহায়তাকারী এক দালাল বাংলাদেশী নাগরিক মোঃ কদম আলী মন্ডল (২৫) কে আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৩ জন নারী এবং ২জন শিশু রয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিদের বাড়ি, বাগেরহাট, নড়াইল, ও ঝিনাইদহ জেলায়।

পরে তাদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট অধ্যাদেশ আইনে মামলা করে মহেশপুর থানায় নোপর্দ করা হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে গাঁজার গাছসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বিজিবি। বুধবার সকালে উপজেলার মাইলবাড়িয়া গ্রামের ডহরবিল মাঠ থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো-মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়িয়া ঢাকাপাড়ার খোকন মিয়ার ছেলে আলিফ মিয়া (১৯),

আব্দুল কাদেরের ছেলে বাবু হোসেন (১৯), বজলুর রহমান খানের ছেলে হৃদয় হোসেন (২০) ও বজলুর রহমানের ছেলে আক্তারুজ্জামান কালু (২২)। ৫৮ বিজিরি সহকারী পরিচালক মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে মাইলবাড়িয়া গ্রামের ডহরবিল মাঠের মধ্যে অভিযান চালায়।

এসময় ৩৫০ গ্রাম ওজনের ১টি গাজার গাছ, ২০ গ্রাম গাজা ও গাঁজা সেবনের সরঞ্জামসহ ওই ৪ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় মামলা হয়েছে।

নওগাঁ সদর লাটাপারা আজ সোমবার সকালে কঠোর ভাবে লকডাউন দেখলে সবাই অবাক হয়ে যাবেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে সারা দেশের ন্যায় নওগাঁ ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনে আজ ৪ -৫ দিনেও কঠোর অবস্থানে নওগাঁ জেলা প্রশাসন।

নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া

বলেন, জেলাবাসী যাতে সুস্থ ও নিরাপদে থাকতে পারে সেই লক্ষে আমার টিম বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করে যাচ্ছে।

জনগনকে সচেতন করতে মাক্স বিতরণ করা হচ্ছে।। অকারনে বা জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেড়িয়ে এসে এই মহামারীর প্রার্দূভাবকে আরও বৃদ্ধি না করতে পারে সেই জন্য আমরা কাজ করছি এবং নওগাঁ সদর বাসীর সহযোগিতায় আমরা এই মহামারীকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবো।

0 0

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ-

এক সময়ের তুখোড় ছাত্র মহেশপুর শহরের জলিলপুর মোল্লা পাড়ার আব্দুল গাফ্ফারের খবর প্রকাশের পর রীতিমতো ভাইরাল। দলে দলে মানুষ ছুটছেন স্যারকে এক নজর দেখার জন্য। টিভি ও পত্রিকার সাংবাদিকরাও শনিবার দিনভর আব্দুল গাফ্ফারের যাপিত জীবন নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করতে দেখা গেছে। অনেক সাংবাদিক তার এই পরণতির নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান করছেন।

তবে আব্দুল গাফ্ফার কিছু কথা সাংবাদিকদের সঙ্গে বলেছেন। তিনি জমিজমা নিয়ে শংকার মধ্যে আছেন। তার ভাইয়েরা জমি লিখে নিতে চাই। খালিশপুরের গোয়ালহুদা গ্রামের সিমেন্ট ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান জানান, গত ১০ বছর আব্দুল গাফ্ফার স্যার তার বাড়িতে থাকেন। তিনি দিনে একবার খান। প্রায় সময় রোজা থাকেন।

নিয়মিত ছাত্র পড়ান, কিন্তু কোন টাকা পয়সা নেন না। তবে কম কথা বলেন। অসুস্থ হলে প্রিয় ছাত্ররা তাকে দেখাশোনা করেন। ওষুধ কিনে দেন। বর্তমান শামিম রেজা নামে এক ছাত্র আব্দুল গাফ্ফারের দেখভাল করছেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা শহরে আব্দুল গাফ্ফারের মুল্যবান জমি রয়েছে।

এই জমি নিতে চান ভাইয়েরা। এদিকে মাতৃকুল ও পিতৃকুল মিলে অনেক জমি পেয়েছেন তিনি। স্ত্রী সন্তান না থাকায় এ সব জমি ভাইয়েরা রেজিষ্ট্রি করে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। এ চিন্তায় তিনি ব্যাকুল। তবে এলাকাবাসির ভাষ্যমতে তিনি পাগল বা মস্তিস্ক বিকৃত নয়। আগে তিনি গোসল করে পরিপাটি পোশাকে চলাফেরা করতেন।

গত এক বছর আব্দুল গাফ্ফার গোসল করেন না। গাফ্ফারের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী (মায়ের তৃতীয় পক্ষ) ছিরবা আক্তার ঝর্ণা শুক্রবার দুপুরে এ প্রতিনিধির সঙেআগ আলাপকালে জানিয়েছিলেন তার ভাসুর ইচ্ছা করেই এমন করে থাকেন। কারণ জমিজমা নিয়ে তিনি বেশি চিন্তা করেন।

এছাড়া তার শ্বাশুড়ি বদরুন্নেছার জমিও প্রথম পক্ষের ৩ ভাই লিখে নিয়েছেন। ফলে শ্বাশুড়ির আরো দুই পক্ষের ৬ জনকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে ছিরবা আক্তার ঝর্ণা দাবী করেন।

তবে এ সব বিষয়ে আব্দুল গাফ্ফারকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন মৃত্যু পথযাত্রী। আমার সময় খুবই কম।