Home করোনা সর্বশেষ

সি টি জি ট্রিবিউন :সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৩৬০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে বাংলাদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৯ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ হাজার ২৩৮ জনে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৪৮৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে বাংলাদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ১৮৯ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ হাজার ১৯৭ জনে।

বুধবার (০৮ জুলাই) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ২৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে বাংলাদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ হাজার ১৫১ জনে।

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

সি টি জি ট্রিবিউন :সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ২০১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এ নিয়ে বাংলাদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ হাজার ৯৬ জনে।

সোমবার (০৬ জুলাই) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩ হাজার ১১৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯১ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ হাজার ৯৬৮ জনে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ডা. নাসিমা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩টি ল্যাবে করোনাভাইরাস শনাক্তে আরও ১৪ হাজার ৬৫০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে ৩ হাজার ১১৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯১ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৪২ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো ১ হাজার ৯৬৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৬০৬ জন। সব মিলিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৬৮ হাজার ৪৮ জন।

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এ বাংলাদেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪ হাজার ১৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেল। এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৩৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৯২৬ জন।

বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

সি টি জি ট্রিবিউন :বাংলাদেশে নতুন করে আরও ৩ হাজার ৭৭৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৫৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেল।

এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৮৮ জন।

বুধবার (০১ জুলাই) দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেসাস সোমবার বলেছেন, করোনার আক্রমণের ‘ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা এখনো বাকি’। ভার্চ্যুয়াল ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার সঠিক পদক্ষেপ না নিলে আরও বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের শিকার হবে।

ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক কোটি। করোনা ঠেকানোর সঠিক দিশা পাচ্ছে না কেউ। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পরও এই ভাইরাসের আসল রূপ দেখানো নাকি এখোনো বাকি! হ্যাঁ, এমনটাই বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

তেদরোস আধানম বলেন, সব দেশের সরকারকে সঠিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন শুরু করতে হবে। করোনা ঠেকাতে আগের বার্তাই তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা, শনাক্ত, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই চলমান পরিস্থিতির অবসান হোক। আমরা চাই প্রতিটি জীবন বাঁচুক। কিন্তু কঠিন বাস্তবতা হলো, এ পরিস্থিতির অবসান হচ্ছে না। করোনা মোকাবিলায় অনেক দেশ কিছু কিছু উন্নতি করেছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বিশ্বজুড়ে ভাইরাসটি দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে।’

Lifebuoy Soap
ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান করোনা মোকাবিলায় সফল হিসেবে জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের নাম উল্লেখ করেন। বিভিন্ন দেশের সরকারকে এই দেশগুলোর নীতি অনুসরণ করার আহ্বানও জানান তিনি।

শুরু থেকেই করোনার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটি। তার তথ্যমতে, করোনায় প্রাণহানির দিক দিয়ে সবার ওপরে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি মারা গেছেন।

৫৭ হাজারের বেশি প্রাণহানির নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য। সেখানে ৪৩ হাজারের বেশি মারা গেছেন। প্রায় ৩৫ হাজার প্রাণহানি নিয়ে এরপরই আছে ইউরোপের আরেক দেশ ইতালি। এ ছাড়া ক্রমান্বয়ে থাকা অন্যান্য দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স (২৯,৭৮১), স্পেন (২৮,৩৪৩), মেক্সিকো (২৬,৬৪৮), ভারত (১৬,৪৭৫), ও ইরান (১০, ৫০৮ জন)।

করোনা রোগী শনাক্তের দিক দিয়েও শীর্ষ অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এ পর্যন্ত সাড়ে ২৫ লাখ করোনারোগী শনাক্ত হয়েছে। ব্রাজিলে এই সংখ্যা সাড়ে ১৩ লাখ। শনাক্তের দিক দিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে রাশিয়া (সাড়ে ৬ লাখ)। তবে রাশিয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা নয় হাজারের কিছু বেশি। চতুর্থ স্থানে আছে ভারত (সাড়ে ৫ লাখ)।

যুক্তরাজ্যে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা অন্তত ৩ লাখ ১৩ হাজার  ,এখন পর্যন্ত পরিসংখ্যান বলছে, করোনা তার মরণকামড় বসিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে। তবে ইতিমধ্যে এটা লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় দ্রুত ছড়াচ্ছে। শনাক্ত রোগী ও মৃত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। জুলাইয়ের শেষ নাগাদ এ অঞ্চলে করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সোমবার পর্যন্ত মারা গেছেন ১ হাজার ৭৮৩ জন। আর শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৮০১ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৮০ জন। বিশ্বে সুস্থ হওয়ার এই সংখ্যা ৫১ লাখ ৬০ হাজারের মতো।

চীনের উহানে অজ্ঞাত কারণে মানুষের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি গত ৩১ ডিসেম্বর শনাক্ত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর কিছুদিন পরই চীনের বিজ্ঞানীরা জানান, নতুন এই ভাইরাস সার্স করোনাভাইরাসের গোত্রের। দ্রুতই ভাইরাসটি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। গত ৩০ জানুয়ারি করোনার সংক্রমণকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এরপর সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাসের সংক্রমণকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে। এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি এই সংস্থা করোনার সংক্রমণে সৃষ্ট রোগকে ‘কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস ডিজিজ-২০১৯)’ নাম দেয়।

বাংলাদেশে নতুন করে আরও ৩ হাজার ৬৮৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেল।

এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৬৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৪৭ জন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে লণ্ডভণ্ড গোটা পৃথিবী। প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিলে ঠাই হচ্ছে হাজারো মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে এই ভাইরাস মোকাবেলায় ভ্যাকসিন তৈরিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি দেশ।ভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বের শতাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে। এর মধ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন এগিয়ে আছে বলে গত কয়েকদিন আগে জানিয়েছিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে সবার আগে চীনের তৈরি ভ্যাকসিনই চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো।

কিন্তু সবাইকে ছাড়িয়ে এবার করোনার ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে চীন। সোমবার (২৯ জুন) এ খবর দিয়েছে ইয়াহু নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনীর গবেষণা শাখা এবং স্যানসিনো বায়োলজিকসের (৬১৮৫.এইচকে) তৈরি একটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন মানব শরীরে প্রয়োগের অনুমতি পেয়েছে।

তবে আপাতত ভ্যাকসিন শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যবহার করা হবে। স্যানসিনো বলেছে, চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন গত ২৫ জুন এডি৫-এনকোভ ভ্যাকসিনটি সৈন্যদের দেহে এক বছরের জন্য প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। স্যানসিনো বায়োলজিকস এবং একাডেমি অফ মিলিটারির একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার স্যানসিনো বায়োলজিকস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভ্যাকসিনটি চীনের বাইরেও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হচ্ছে। ইতিমধ্যে কানাডায় পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে চীনের লজিস্টিক সাপোর্ট বিভাগের অনুমোদনের আগে এটি ব্যাপকভাবে সাধারণ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা হবে না।

কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিনটি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় দারুণভাবে সফল হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।