Home করোনা সর্বশেষ

চট্টগ্রামে মৃত ০৫ শনাক্ত ৭০

সিটিজিট্রিবিউন:  গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭০ জনের। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫১ হাজার ৮৯৭ জন।

এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যুবরণ করেছে ৫ জন।

মঙ্গলবার ( ১৮ মে ) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাবে ৪১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এর মধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৪৬টি ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ২২টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এতে বিআইটিআইডি ল্যাবে ১১ জন, চমেক ল্যাবে ৫ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ১২ জনের নমুনায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৮০টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জন, জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩ জন এবং মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১৫টি নমুনার মধ্যে ২টিতে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪১৩টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরের ৬২ জন এবং উপজেলার ৭ জন।  #প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

করোনা রোগীর পেছনে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ৫০ হাজার টাকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সিটিজিট্রিবিউনডেস্ক :সারাদেশের হাসপাতালগুলোর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) থাকা প্রতিটি করোনা রোগীর পেছনে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ৫০ হাজার টাকা। আর একজন সাধারণ রোগীর জন্য ব্যয় হচ্ছে ১৫ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর বিসিপিএস প্রাঙ্গণে ভ্যাকসিন ইস্যু ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

করোনা চিকিৎসার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় করোনা রোগীদের জন্য আড়াই হাজার বেড ছিল। এখন সাত হাজার বেড করা হয়েছে। এটা আমরা রাতারাতি করতে সক্ষম হয়েছি। প্রতিটি হাসপাতালেই করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। টিবি হাসপাতাল, গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটেও করোনা চিকিৎসা হচ্ছে।

সারা বিশ্বেই টিকার সংকট রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের ১০টি ধনী রাষ্ট্র ৭০ ভাগ ভ্যাকসিন কিনে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫০-৬০টি দেশ ভ্যাকসিনই পায়নি।

চলমান লকডাউন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লকডাউনই একমাত্র উপায় নয়। লকডাউন দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ট্রান্সমিশন (সংক্রমণ) কমিয়েছে। তবে লকডাউনের নেতিবাচক দিকও আছে। এতে দারিদ্র্য ও সামাজিক অস্থিরতা বেড়ে যায়।

লকডাউনের উপকার পাওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণ ২৪ থেকে ১৩-তে নেমে এসেছে। লকডাউনের বড় ফল পেয়েছি। কিন্তু লকডাউন তো সব সময় হতে পারে না। মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা, স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং অনুষ্ঠানে না যাওয়ার মতো দীর্ঘমেয়াদি উপায় মেনে চলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, করোনার ‘সেকেন্ড ওয়েভ (দ্বিতীয় ঢেউ)’ কীভাবে আসলো সেটা জানা উচিত। না হলে আমরা ‘থার্ড ওয়েভের’ দিকে যাবো।প্রতিবেদন:কেইউকে।

রেকর্ড গড়লো ভারত: আক্রান্ত দুই লক্ষ

 

সিটিজিট্রিবিউন ডেস্ক: ভারতে  করোনাভাইরাসে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। এই প্রথম বার। গোটা অতিমারি পর্বে আমেরিকার পর শুধু ভারতেই একদিনে আক্রান্ত ২ লক্ষ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৭৩৯ জন। এর জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৪০ লক্ষ ছাড়াল। মোট আক্রান্তের নিরিখেও বিশ্বে দ্বিতীয় ভারত। প্রথম আমেরিকা।

করোনাভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ে দেশে একদিনে আক্রান্ত ১ লক্ষ পেরোয়নি। এ বছর ৫ এপ্রিল প্রথম বার ১ লক্ষ পেরিয়েছিল দেশের দৈনিক সংক্রমণ। দেড় লক্ষ পেরোয় ১১ এপ্রিল। আজ ১৫ এপ্রিল ২ লক্ষও পেরিয়ে গেল। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে দেশে এক দিনে সংক্রমণ দ্বিগুণ হল। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যে আরও বড় আকারে এসেছে তা বুঝিয়ে দিচ্ছে গত কয়েক সপ্তাহের পরিসংখ্যানই।

দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে দৈনিক মৃত্যু পর পর দু’দিন হাজার ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৮ জনের। এ নিয়ে মোট ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ১২৩ জন কোভিডে প্রাণ হারালেন দেশে। দৈনিক সংক্রমণের এই বৃদ্ধি সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় লক্ষাধিক সক্রিয় রোগী বেড়েছে। এখন দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১৪ লক্ষ ৭১ হাজার ৮৭৭ জন। এই সক্রিয় রোগী বৃদ্ধির জেরে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জায়গা ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে।খবর আনন্দবাজারের ।

২৮ দিন পর  করোনার টিকা নেওয়া যাবে :ডিজি

সিটিভি ট্রিভিউন ডেস্ক: করোনা নেগেটীভ হ্ওয়ার ২৮ দিন পর করোনার টিকা নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার (১৪ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে কথা জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতর মূলত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী চলছে। অতিরিক্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় যেন কোনও সমস্যা না হয়, সে সাবধানতার জন্য ২৮ দিন পর, অর্থাৎ চার সপ্তাহ পর টিকা নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এটা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া সবার জন্যই প্রযোজ্য।

টিকার সার্টিফিকেট বিষয়ে সেব্রিনা ফ্লোরা আরও জানান, টিকার সার্টিফিকেট নিয়ে কাজ করছে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এক সপ্তাহ পরে সিস্টেমে এটা অনবোর্ড হবে। সেখান থেকে টিকা সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।প্রতিবেদন : কেইউকে

 

 

 প্রতিবেদন : কেইউকে।

 

ফিরোজায় খালেদা সহ নয় জন করোনায় আক্রান্ত

সিটিজি ট্রিবিউন ডেস্ক : খালেদা জিয়ার পাশাপাশি তার গুলশানের বাসার নয় জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি বলেন, খালেদা জিয়াসহ তার বাসার ৯ জনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিকালে খালেদা জিয়াকে দেখে আসার পর সাংবাদিকদের তথ্য জানান তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মো. আল মামুন।

তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমাসহ ৮ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে প্রথমদিকে তার করোনা আক্রান্তের বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল।# প্রতিবেদন : কেইউকে ।

 সারা দেশে মৃত্যুর রেকর্ড: ৭৮

সিটিজি ট্রিভিউন ডেস্ক : সারা দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দেশে রোববার  রেকর্ড সংখ্যক ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫ হাজার ৮১৯ জন। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৯ হাজার ৩৭৬ জনের। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫৬ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৯ হাজার ৭৩৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯০ জন। প্রতিবেদন : কেইউকে ।

চট্টগ্রামে করোনায় ৯ জনের মৃত্যু: আক্রান্ত ২২৮

সিটিজি ট্রিবিউন ডেস্ক:: ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, বিগত এক বছরের মধ্যে এটা সর্বোচ্চ। এনিয়ে চট্টগ্রামে মোট মৃত্যু ৪২৩ জনের মৃত্যু হলো

এসময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২২৮ জনের।

রোববার ( সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৬টি ল্যাবে ১ হাজার ৮৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এর মধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৮০৯টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৩৪টি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এতে বিআইটিআইডি ল্যাবে ৫২ জন, চমেক ল্যাবে ১০ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ৫৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।#

প্রতিবেদন : কেইউকে

চট্টগ্রামে মৃত পাচজন : আক্রান্ত ৫২৩

সিটিভি ট্রিবিউন ডেস্ক:  চব্বিশ ঘন্টায়  চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৯১টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫২৩ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৪৪ হাজার ৯১ জন।এসময়ে করোনায় ৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

শনিবার সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৭৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ৬৬ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৫০৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৩৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৮ জনের শরীরের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ২১৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮৩ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৮১৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৬২ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।

এদিন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাব এবং জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

এছাড়া, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ২টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি।

সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৯১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫২৩ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৪২৯ জন এবং উপজেলায় ৯৪ জন। প্রতিবেদন : কেইউকে ।

সারাদেশে আবারো মৃত্যুর রেকর্ড: ৭৭ জনের মৃত্যু

সিটিভি ট্রিবিউন ডেস্ক:  গত  ২৪ ঘণ্টায়  দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে নয় হাজার ৬৬১ জনের

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩৪৩ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৭ জনে।

শনিবার  বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে করোনায় সাত হাজার ৬২৬ জন শনাক্ত হয়। যা দেশে করোনায় একদিনে শনাক্তে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর গত ৬ এপ্রিল একদিনে শনাক্ত হয়েছিল সাত হাজার ২১৩ জন। # প্রতিবেদন : কেইউকে ।

করোনায় ৬৩ জনের মৃত্যু

সিটিজিট্রিবিউন ডেস্ক: সারা দেশে  ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে করোনায় সাত হাজার ৬২৬ জন শনাক্ত হয়। যা দেশে করোনায় একদিনে শনাক্তে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আর গত ৬ এপ্রিল একদিনে শনাক্ত হয়েছিল সাত হাজার ২১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে। # প্রতিবেদন : কেইউকে ।