Home আইন ও আদালত

আয়াজ আহমাদ:

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ রাত ১১ ঘটিকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট রায়পুর কর্তৃক রায়পুর থানাধীন পুরানবেড়ী ঘাট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চাইনিজ কুড়াল , রামদা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ০৭ ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয় । গােপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনা নদীতে ডাকতির প্রস্তুতিকালে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয় ।

অভিযান চলাকালীন সময় মেঘনা নদীতে সন্দেহজনক দুইটি নৌকা থামার জন্য সংকেত দেওয়া হলে ডাকাত দল নৌকাসহ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে । কোস্ট গার্ড সদস্যরা ধাওয়া করে একটি নৌকা ও ডাকাত দলের সাত সদস্যকে আটক করে । পরবর্তীতে জব্দকৃত নৌকাটি তল্লাশি করে ০৫ টি রামদা , ০১ টি চোখা রাকসা , ০১ টি লােহার পাইপ এবং ০১ টি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করে ।

আটককৃত ডাকাত দলের সদস্যরা হলাে- ১। আক্তার মােল্লা ( ২৮ ) , পিতাঃ ওলিউদ্দিন মােল্লা , ২। দীন ইসলাম হাওলাদার ( ২৫ ) , পিতাঃ নেছার উদ্দিন হাওলাদার , ৩। বাকের শিকদার ( ২৬ ) , পিতাঃ বাগন আলী শিকদার , ৪। মােক্তার মােল্লা ( ২০ ) , পিতাঃ অলিউদ্দিন মােল্লা , ৫। ইসমাইল মােল্লা ( ২২ ) , পিতাঃ সাত্তার মােল্লা ,

৬। আক্তার রারী ( ২৩ ) , পিতাঃ কবির রারী , ৭। শফিক হাওলাদার ( ২১ ) , পিতাঃ নেছার উদ্দিন হাওলাদার । আটককৃত সদস্যরা সবাই বরিশাল জেলার হিজলা থানার মান্দ্রা চর খুশিরা গ্রামের বাসিন্দা । পরবর্তীতে আটককৃত ডাকাতদের চাইনিজ কুড়াল , রামদা ও দেশীয় অস্ত্রসহ রায়পুর থানায় হস্তান্তর করা হয় ।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এখতিয়ারভুক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তার পাশাপাশি জলদস্যুতা , বন – দস্যুতা ও ডাকাতি দমনে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শপিং সেন্টার চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আপামর জনতার প্রাণপুরুষ প্রয়াত মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর হাত ধরে তৈরি হয়েছিল এই দ্বিতল চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স।

ঐতিহ্য এবং সুনামের সাথে সিটি কর্পোরেশনের একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এই শপিং কমপ্লেক্সটি,কিন্তু সম্প্রতি চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স এর উপর কিছু দুর্নীতিবাজ অর্থলোভী এবং লুটেরাদের নজরে পড়ে প্রায় ধ্বংস হতে বসেছে এই দীর্ঘ বছরের পুরনো ও জনপ্রিয় চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সটি।

সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের নামে হরিলুট এবং অবৈধ দখলদারিত্ব কে প্রাধান্য দিয়ে কোনরূপ অনুমতির তোয়াক্কা না করে এবং সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশনের কারো কোন অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়া মার্কেট কর্তৃপক্ষ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের কথা বলে মার্কেটের ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীদের জীবনের ঝুঁকি সৃষ্টি করে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ এবং মার্কেটের আলো-বাতাস বন্ধ করে দিয়ে মার্কেটের পার্কিং জায়গা সহ অবৈধভাবে দখল করে দোকান নির্মাণের কাজ চলছিল। যার কারণে মার্কেটে প্রায় বিভিন্ন পয়েন্টে ফাটল সৃষ্টি হয়। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে ভয়ানক দুর্ঘটনা, কেড়ে নিতে পারে মার্কেটে বসবাসরত ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীদের জীবন। যার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ব্যবসায়ী ও সাধারণ কর্মচারীরা,এক পর্যায়ে তাদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ এবং প্রতিবাদের মুখে মার্কেট কর্তৃপক্ষ তাদের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

অভিযোগ আছে মার্কেটের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ করায় চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের ৩৭০জন ব্যবসায়ীর সমন্বয়ক মোস্তফা কামাল নিজেই জানিয়েছেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টাও করা হয়েছে, ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিনি, এ ব্যাপারে তিনি আরো জানান অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে যদি তার মৃত্যু হয় এতে তার কোনো দুঃখ নেই।

উক্ত মার্কেটের দুর্নীতি এবং অনিয়মের ব্যাপারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর টনক নড়ে সিডিএ কতৃপক্ষ,সিটি কর্পোরেশন এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। শুরু হয় তোড়জোড় গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তদন্তে উঠে আসে অনেকে কাহিনী, তদন্তে উঠে আসে দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র। তদন্ত কমিটির তদন্তে প্রমাণ পায় কিভাবে একটি মার্কেট কে ধ্বংস করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছিল।

সম্প্রতি চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন গত ২০শে জানুয়ারি গণকন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর তদন্তে আসে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্তে সরোজমিনে দেখার জন্য আসেন চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগ ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী রাহুল গুহ। তিনি নিজেই উক্ত দুর্নীতির চিত্র নিজ মোবাইলে ধারন করে নেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গণকণ্ঠ কে তিনি বলেন সিটি কর্পোরেশন এবং সিডিএ রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং তিনি নিজেও উক্ত ব্যাপারটি সরেজমিনে তদন্ত করে এসেছেন তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে খুব শীঘ্রই দু সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

রিপোর্ট হুমায়ুন কবীর হীরু
স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম।

আয়াজ আহমাদ:

২৪/০২/২০২১ তারিখ ২৩:২৫ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনপুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) এরনেতৃত্বে কোতোয়ালি থানা পুলিশ কোতোয়ালী থানাধীনসিআরবি ফ্রান্সিস রোড সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনাকরে ৩০০টি তাস খেলার কার্ড, ১৪,১২৯/- টাকা সহ মোঃ আবুলহোসেন,

মোঃ ইউসুফ, মোঃ সুমন, জাকির হোসেন, আরিফুল ইসলাম, মোঃ রকিব, মোঃ মনির হোসেন, ইকবাল হোসেন,মোঃফিরোজ, মোঃ মুরাদ, মোঃ ফয়সাল, মোঃ আল আমিন, মোঃইসমাইল হোসেন, মোঃ সুহেব আহাম্মদ প্রঃ রাজু, দনী দাশ নিরব মোঃ সোহাগ কে আটক করা হয়

গ্রেফতার কৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নগরীর কোতোয়ালি থানায়নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে

গ্রেফতারকৃতদের নাম ঠিকানাঃ

১। মোঃ আবুল হোসেন (৩৫), পিতামৃত ইউনুছ মিয় ,মাতাফাতেমা বেগম, সাংসাচার, হাজী বাড়ী, সাচার ইউনিয়ন, থানাকচুয়া, জেলাচাঁদপুর, এপি৩৪/ বাচ্চু বাংলো, রেলওয়েস্টাফ কোয়ার্টার, সিআরবি , থানাকোতোয়ালী, চট্টগ্রাম,

২। মোঃ ইউসুফ  (৪১), পিতামৃত মোঃ মাহফুজ ভ্ইুয়া, মাতামনোয়ারা বেগম, সাংপূর্ব জয়পুর, ভুইয়া বাড়ি, ০৯ নংইউনিয়ন, থানাছাগলনাইয়া, জেলাফেনী,

৩। মোঃ সুমন (২২), পিতামোঃ হেলাল, মাতাবিউটি বেগম, সাংভুলুখন্ড, সর্দ্দার বাড় ,  থানানইরা, জেলাশরীয়তপুর,  এপিসাগরদের বাড়ী, কবর স্থানের পাশে, ঈদগাও বউ বাজার, থানাহালিশহর, জেলাচট্টগ্রাম,

৪। জাকির হোসেন (৩০) পিতাআমির হোসেন, মাতাশেফালী বেগম, সাংদক্ষিন নাজিরপুর, হাশিম সওদাগরের বাড়ী, ০৮ নং ইউনিয়ন, থানাসুধারা , জেলানোয়াখালী,  এপিঝর্নাপাড়া, আনোয়ারের গ্যারেজ, জোর ডেবারপাড়, থানাপাহাড়তলী, জেলাচট্টগ্রাম,

৫। আরিফুল ইসলা(২৪), পিতাআব্দুর রউফ, মাতাসামছুন্নাহার, সাংআকদিয়া, মহিলা মেম্বারের বাড়ী, ০৩ নংইউনিয়ন, পোঃ গুনপতি, থানাচৌদ্দগ্রাম, জেলাকুমিল্লা, এপিশাহআলম কোম্পপানীর গ্যারেজ, শাখপাড়া, থানাসদরঘাট, জেলাচট্টগ্রাম,

৬। মোঃ রকিব (২৪), পিতামোঃ শফিক, মাতাতাসলিমাবেগম, সাংউত্তর পেন্নই, হাসান আলী প্রধান বাড়ী, ছিগাইলইউনিয়ন, থানামুরাদনগর, জেলাকুমিল্লা, এপিনুর হাজীকলোন , ১নং গলি, ১নং বাসা, মিয়াখাননগর, থানাবাকলিয়া, জেলাচট্টগ্রাম

৭। মোঃ মনির হোসে(২০), পিতামোঃ নুরুল ইসলাম, মাতামাফুজা বেগম, সাংরঘোনাথ পুর, নুরুল ইসলাম এরবাড়ী, থানাতিতাস, জেলাকুমিল্লা, এপিকাশেম সওদাগরেরবাড়ী, নিচ তলা, পূর্ব মাদরবাড়ী নেওয়াজ হোটেলের সামনে, থানাসদরঘাট, জেলাচট্টগ্রাম

৮। ইকবাল হোসেন (২২), পিতামনির হোসেন, মাতাআসমা আক্তার, সাংমেরপুরা, মোল্লা বাড়ী, থানাব্রাহ্মনবাড়ীয়াসদর, জেলাবাহ্মনবাড়ীয়া, এপিমেট্টন কলোন , মালিপট্টি, রেলওয়ে হাসপাতালের পিছনে, থানাকোতোয়ালী , জেলাচট্টগ্রাম,

৯। মোঃ ফিরো(৩১), পিতামোঃ হারুন, মাতালাভলীবেগম, সাংরামবালা, কালা মিয়া সওদাগরের বাড়ী, ২৩ নংওয়ার্ড, থানাসুধারাম, জেলানোয়াখালী, এপিসিরাজসওদাগরের বাড়ী , দেওয়ানহাট দিঘীর পাড়, থানাডবলমুরিং, জেলাপচট্টগ্রাম,

১০। মোঃ মুরাদ, (২৮), পিতামৃত মোঃ হামিদ, মাতারেজিয়াবেগম, সাংফুলতলী, কালুরঘাট, হানিফ ড্রাইভারের বাড়ী, থানাবোয়ালখালী, জেলাচট্টগ্রাম এপিনাজিরপুল আব্বাসসওদাগরের কলোনী থানাডবলমুরিং জেলাচট্টগ্রাম

১১। মোঃ ফয়সাল, (২৪), পিতাআবু জাফর, মাতানার্গিসবেগম, সাংমোড্ডা বাড়ি, থানানাঙ্গলকো , জেলাকুমিল্লা, এপিএনায়েত বাজার বাটালী রোড বরফ কল রফিকউদ্দিন লেনকামাল সাহেবের বাড়ী থানাকোতোয়ালী , চট্টগ্রাম,

১২। মোঃ আল আমিন (২০), পিতামনির হোসেন, মাতামমতাজ বেগম, সাংনয়নপুর পেট্রো বাংলো আরজা মিয়ার বাড়ীথানাকসবা, জেলাব্রাহ্মনবাড়ীয়া, এপিএনায়েতবাজার বরফকল জাকির সওদাগরের কলোনী থানাকোতোয়ালী, জেলাচট্টগ্রাম,

১৩। মোঃ ইসমাইল হোসেন (৩৮), পিতামৃত মোঃ কালুমিয়া, মাতাজমিলা বেগম, সকাংভবনঘর বড় বাড়ী, থানামুরাদনগর, জেলাকুমিল্লা, এপিআমবাগান ইউসুফ স্কুলেরসামনে থানাখুলশী, জেলাচট্টগ্রাম,

১৪। মোঃ সুহেব আহাম্মদ প্রঃ রাজু (৩৭), পিতামৃতশফিকুল হক, মাতাহাফসা বেগম, সাংনিহাশপুর ২নংলক্ষিপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়ন, থানাকানাইঘাট, জেলাসিলেট, এপিআমবাগান রব কোম্পানীর গ্যারেজ, থানাখুলশী, জেলাচট্টগ্রাম

১৫। দনী দাশ নিরব(৩২), পিতামৃত রাখাল চন্দ্র দাশ, মাতাসাধনা বালা দাশ, সাংসুন্দরপুর ইউনিয়ন, ৭নং ওয়ার্ডথানাফটিকছড়ি, জেলাচট্টগ্রাম,  এপিহেমসেন লেইন মনজুমিয়ার বিল্ডিং নিচ তলা , থানাকোতোয়ালী  জেলাচট্টগ্রাম

১৬। মোঃ সোহাগ (২০), পিতাতাহের উদ্দিন, মাতাসাফিয়া বেগম, সাংকান্দিপাড়া, থানাকেন্দুয়া, জেলানেত্রকোনা, এপিকদমতলী চেয়ারম্যান গলি , থানাসদরঘাট, জেলাচট্টগ্রাম

নগরীর হালিশহর থানাধীন বিডিয়ার মাঠ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময়ে বেশ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়।
২৪ শে ফেব্রুয়ারী রাত ১০ ঘটিকা সময়ে এই ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় একাধিক মামলার আসামী নুরুদ্দীন মিল্টনের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ হালিশহর বিডি আর মাঠ এলাকার দোকান গুলো থেকে চাদা সংগ্রহ করতে আসলে এবং চাদা না দেওয়ায় দোকানদারকে মারধোর করে।

এ সময় মিল্টন ও সন্ত্রাসী রবিনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি দোকানে ভাংচুর চালায়। এ সময় সেখানে উপস্থিত হালিশহর থানার ছাত্রলীগ নেতারা বাধা দিলে তাদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে মিল্টন ও তার অনুসারীরা।
ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির আহমেদ শামীম,ইসমাইল হোসেম সম্রাটকে কুপিয়ে জখম করা হয়।

আহত ছাত্রলীগ নেতারা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে সাংবাদিকদের জানায়,হঠাৎ করেই অতর্কিত ভাবে রামদা হকিস্টিক ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে মিল্টন ও তার অনুসারীরা। তাদের হামলায় দোকানদার এবং পথচারীসহ আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

এ সময় কয়েকটি ফাঁকা গুলিও ছোঁড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে আহত ছাত্রলীগ নেতারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে জানা যায়, নুর উদ্দিন মিল্টন প্রকাশ পিস্তল মিল্টনের নেতৃত্বে চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় অংশগ্রহণ করে ইকবাল হোসেন মামুন ( প্রকাশ সোর্স মামুন) পারভেজ, মাইকেল সুমন, সাইফুল ইসলাম রবিন, কিশোর গ্যাং লিডার তুষার,

মিশু,রুবেল,রাকিব ( প্রকাশ পিচ্চি রাকিব)। অভিযোগ এই চাঁদাবাজ গ্রুপ হালিশহর এলাকায় বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টারের বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন মেহমানদের মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নিতো,গতকাল হালিশহর ফইল্লাতলি বাজারস্হ কুটুম্ববাড়ী কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে এক নারীকে উক্তত করে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার সময় মিল্টন গ্রুপের এক সদস্য রুবেল কে জনগণ হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দেয়,অন্যদিকে হালিশহর এ ব্লক এলাকায় ব্যবসায়ীরা এক প্রকার জিন্মি এই গ্রুপের হাতে,এরা প্রতিনিয়ত অস্ত্র নিয়ে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মিল্টনের বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এ গ্রুপের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলে ও হালিশহর থানা প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না।এ ছাড়া বিডিআর মাঠ সংলগ্ন ঢাকা ব্যাংক ও আর,এফ,এল শোরুমে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে প্রশাসন পুরো ব্যাপারটার সার্বিক চিত্র প্রমান সহ পাবেন এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এবং এলাকায় ব্যবসায়ীদের জোর দাবী অতি দ্রুত এসব ভিডিও ফুটেজ চেক করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানাধীন মোজাফফর নগর বাইলেন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ১৪ লক্ষ টাকা মূল্যের নতুন ধরনের মাদক “আইস (ক্রিস্টাল মেথ)” উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭,প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম; অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানাধীন ০৩নং মোজাফফর নগর বাইলেন এর আরআইডি হাফসা নামক বিল্ডিং এর সামনে পাকা রাস্তার উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ইং তারিখ ২৩৩০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা আসামি ১। শফিউল আলম(৩৪), পিতা- মোজাফফর আহমেদ, সাং- ছনুয়া (মখলেছুর রহমানের বাড়ী),

০১নং ওয়ার্ড, ডাকঘর- ছনুয়া, থানা- বাশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম এবং ২। মোঃ ইয়াছিন রানা (৫০), পিতা- মৃত আবুল কালাম, সাং- চুপুয়া, ০২ নং ওয়ার্ড, ০৩নং রাইকোট ইউপি, থানা- নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা, বর্তমানে- আরআইডি হাফসা ২২৫১/৩৯০৯ হোল্ডিং এর ভাড়াটিয়া, ০৩নং মোজাফফর নগর বাইলেইন, থানা- খুলশী, চট্টগ্রাম মহানগরীদেরকে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের দেহ তল্লাশী করে তাদের পরিহিত প্যান্টের পকেট হতে নতুন ধরনের মাদক ১৪০ গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল) উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরোও জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন যাবৎ চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য আইস (ক্রিস্টাল মেথ) ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১৪ লক্ষ টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন উত্তর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ০২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৪৯৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ।

র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-, চট্টগ্রাম; অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি ট্রাক যোগে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য নিয়ে কুমিল্লা হতে চট্টগ্রাম এর দিকে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২৫ ফেব্রæয়ারি ২০২১ ইং তারিখ ০৩১০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন উত্তর বাজারস্থ টেকনো ফিলিং স্টেশন এর সামনে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

এসময় র‍্যাবের চেকপোস্টের দিকে আসা একটি ট্রাক এর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে র‍্যাব সদস্যরা ট্রাকটিকে থামানোর সংকেত দিলে ট্রাকটি র‍্যাবের চেকপোস্টের সামনে না থামিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‍্যাব- সদস্যরা ধাওয়া করে আসামি ড্রাইভার ১। আমান হোসেন (২৫), পিতা- মৃত আঃ বারেক, সাং- দাউদপুর (হানিফ মিয়ার বাড়ী),

৩নং ওয়ার্ড, ফেনী পৌরসভা, থানা- ফেনী সদর, জেলা- ফেনী এবং ২। মোঃ মহসিন (২০), পিতা- শফি আলম, সাং- মুসলিমপুর (শফি ড্রাইভারের বাড়ী), ৯নং ওয়ার্ড, ২নং দাঁতমারা ইউপি, থানা- ভুজপুর, জেলা- চট্টগ্রামদের আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিতি সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও শনাক্ত মতে নিজ হেফাজতে থাকা ট্রাকের ভিতর ০২ টি চটের বস্তার ভিতর হতে ৪৯৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং উক্ত ট্রাকটি (ফেনী-ট-১১-০৭৭২) জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন যাবত কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বিভিন্ন কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ০২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত ট্রাকের আনুমানিক মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আয়াজ আহমাদ,

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানাধীন নতুন রেলওয়ে ষ্টেশন সিএনজি পার্কিং সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৩৪০০ পিস ইয়াবা সহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতঃ ১) আব্দুল ইসলাম(৪৫), পিতা-আব্দুল হামিদ, মাতা-মোসলেমা খাতুন, সাং- বাসা হোল্ডিং ৭৯০/জি, ৮নং লেইন, সেগুন বাগান, ডাকঘর-পাহাড়তলী-৪২০২, থানা-খুলশী, জেলা-চট্টগ্রাম।

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, পিপিএম এর নেতৃত্বে কোতোয়ালি থানা টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৩/০২/২০২১ তারিখ ১৭.৪৫ ঘটিকায় চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানাধীন নতুন রেলওয়ে ষ্টেশন সিএনজি পার্কিং সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৩৪০০ পিস ইয়াবা সহ আব্দুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে ।

আয়াজ আহমাদ:

বন্দর নগরী হালিশহর থানাধীন এম এ সালাম গলি সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৩(তিন) কেজি গাঁজাসহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) বিভাগ।

গ্রেফতারকৃতঃ ১) পাখি বেগম (২৯), পিতা-নুরু মিয়া, স্বামী-মোঃ সাগর, মাতা-শাহেনা বেগম @ আনু বেগম, সাং-ধোপাকান্দা (ডোপাকান্দা), ০৪নং ওয়ার্ড, মুন্সি বাড়ি, থানা-নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বর্তমানে রঙ্গিপাড়া, ২৪নং ওয়ার্ড, এম এ সালাম গলি, রাজ্জাক কোম্পানীর ২য় তলা বিল্ডিং এর নীচ তলা, থানা-হালিশহর, জেলা-চট্টগ্রাম।

মহানগর গোয়েন্দা (পশ্চিম-বন্দর) বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) জনাব মোঃ আবুবকর সিদ্দিক এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ গোলাম ছরোয়ার এর ততত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোঃ শাহাদাত হোসেন ,

এর নেতৃত্বে ১১ নং টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২৪/০২/২০২১ খ্রীঃ ১৫:৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রামের হালিশহর থানাধীন রঙ্গিপাড়াস্থ এম এ সালাম গলি রাজ্জাক কোম্পানির দোতালা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর নিচতলা পাখির বসত ঘর হইতে ০৩(তিন) কেজি গাঁজাসহ পাখি বেগম (২৯)কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে । উল্লেখ্য যে, উক্ত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মহানগরের বিভিন্ন থানার তিনটি মাদকের মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ২৩ ফেব্রুয়ারী।।

গ্রামের মানুষের আইনগত প্রতিকার পাওয়ার সবচেয়ে কাছের আশ্রয়স্থল হচ্ছে গ্রাম আদালত। কম খরচে অল্প সময়ে গ্রামে ঘটে যাওয়া ছোট ছোট অপরাধের বিচার নিষ্পত্তির জন্যই গ্রাম আদালত।
এই গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কক্সবাজারে স্থানীয় সরকার বিভাগের গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা।
আজ বুধবার কক্সবাজার হিলটপ সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশীদ।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক শ্রাবস্তী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গ্রাম আদালতের ইউএনডিপি ফ্যাসিলেটটর এ মং, সহকারি পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম শাহ নেওয়াজ, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো: সফিউদ্দিন, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।

এসময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, ইউপি চেয়ারম্যান, এনজিও প্রতিনিধি,সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গ্রাম আদালত সম্পর্কিত মামলার বিচার কার্য নিষ্পত্তিতে সঠিক আইনি সেবা প্রদান এবং এ আদালত সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরীতে করণীয় বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই ও সীতাকুন্ড থানা এলাকায় পৃথক দুইটি অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ০৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৫৮৬ বোতল ফেন্সিডিল, ৪.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ।

র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম; অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি,

বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই ও সীতাকুন্ড থানা এলাকায় পৃথক দুইটি অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ০৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৫৮৬ বোতল ফেন্সিডিল, ৪.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ। নিম্নে বিস্তারিত উল্লেখ করা হলোঃ

র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি সিএনজি যোগে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য নিয়ে কুমিল্লা হতে চট্টগ্রাম এর দিকে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ইং তারিখ ২১০৫ ঘটিকায় র‍্যাব-৭,

চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই থানাধীন মিঠাছরা বাজারস্থ গাংচীল পেট্রোল পাম্পের পূর্ব পার্শে মেসার্স ভূঁইয়া অটোস এর সামনে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

এসময় র‍্যাবের চেকপোস্টের দিকে আসা একটি সিএনজির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে র‍্যাব- সদস্যরা সিএনজিটিকে থামানোর সংকেত দিলে সিএনজিটি র‍্যাবের চেকপোস্টের সামনে না থামিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‍্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামি মোঃ আব্দুল মান্নান (৪৫), পিতা- মৃত মোখলেছুর রহমান, সাং- ইসলামপুর, থানা- জোরারগঞ্জ, জেলা- চট্টগ্রামকে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিতি সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো ও শনাক্ত মতে নিজ হেফাজতে থাকা সিএনজির ভিতর ০২ টি প্লাস্টিক ব্যাগের ভিতর হতে ৪৮৭ বোতল ফেন্সিডিল এবং ড্রাইভিং সীটের সামনে ০১ টি প্লাস্টিক ব্যাগের ভিতর হতে ৪.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ আসামিকে গ্রেফতার করা হয় এবং উক্ত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন মধ্যম ছলিমপুর জাফরাবাদ ডাকঘরের বিপরীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ক্যাফে আরমান হোটেল এন্ড রেষ্টেুরেন্টের সামনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩ ফেব্রæয়ারি ২০২১ ইং তারিখ ১৫২০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামি মোঃ আলাউদ্দিন  রনি (৩২), পিতা- মোঃ হানিফ, সাং- বড় বাড়ী, আফজলের রহমান সড়ক, বিরিঞ্চি, ৫নং ওয়ার্ড, থানা- ফেনী সদর, জেলা- ফেনীকে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামির দেহ তল্লাশী করে তার হাতে থাকা ট্রাভেল ব্যাগের ভিতর হতে ৯৯ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ যে, আসামির বিরুদ্ধে ফেনী জেলার ফেনী সদর থানায় ০১ টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত ৫৮৬ বোতল ফেন্সিডিল, ৪.৫ কেজি গাঁজা এর আনুমানিক মূল্য ০৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত সিএনজির অনুমানিক মূল্য ০৪ লক্ষ টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই ও সীতাকুন্ড মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।