Home আইন ও আদালত

বন্দর নগরী ইপিজেড থানাধীন সিমেন্ট ক্রসিং মোড় সংলগ্নএলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৭০১০/- টাকা, ০৯টি তাসেরবান্ডিল ০১টি গোলাকৃতি চড়কি নামক জুয়া সরঞ্জাম সহ ১০জন কে গ্রেফতার করেছে মহানগর মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) বিভাগ

গ্রেফতারকৃতঃ ) মোঃ হলুদ মিয়া (৩২), পিতামৃত আব্দুলমুনাফ, মাতামৃত আছিয়া আক্তার, স্ত্রীশোভা বেগম, সাংবলাইশিমুল, দক্ষিণ পাড়া, হুবের বাড়ি, থানাকেন্দুয়া, জেলানেত্রকোনা, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, জমিরের ভাড়াঘর, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃ মাঈনুল ইসলাম(৩২), পিতামৃত মোঃ আতাহার, মাতামিনা আক্তার, স্ত্রীহোসনেআক্তার, সাংপশ্চিম ঝাউয়ার,

পশ্চিম পাড়া, সাহেব বাড়ি, থানাতাড়াইল, জেলাকিশোরগঞ্জ, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, নুরইসলামের বাড়ি, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃমতিউর রহমান(৪০), পিতামজিবুর রহমান, মাতারহিমাবেগম, স্ত্রীহাসনা আক্তার, সাংউজ্জলপুর পশ্চিম বাড়ি, বলাইশিমুল ইউপি, থানাকেন্দুয়া, জেলানেত্রকোন, বর্তমানেমুসলিমাবাদ,

খাদিম মঞ্জিল, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃ জাহাঙ্গীর(৩৩), পিতামৃত মইজ উদ্দিন, মাতাআনোয়ারা বেগম, স্ত্রীরিতা বেগম, সাংশিমুলপুর, দিক্ষনপাড়া, থানাকেন্দুয়া, জেলানেত্রকোনা, বর্তামনেহক সাহেবেরগলি, আইয়ুব কন্ট্রাক্টার এর ভাড়া ঘরা, নারিকেল তলা, থানাইপিজেড, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃ মুকাব্বীর মিয়া(২৪), পিতামোঃ আব্দুল সালেক, মাতামোসাম্ম জিনুয়ারা বেগম,

স্ত্রীমোসাম্ম আফরোজা আক্তর, সাংচিকনী, মসজিদ উল্লাহবাড়ি, তাইল জাঙ্গা ইউপি, থানাতাড়াইল, জেলাকিশোগঞ্জ, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, জসিমের ভাড়া ঘর, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃ কিরন আহম্মেদ (২৫), পিতাআব্দুল হাসেম, মাতাফরিদা বেগম, স্ত্রীজেসমিন আক্তার, সাংজুরাইন উত্তর পাড়া, থানাকেন্দুয়া,

জেলানেত্রকোনা, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, চৌধুরী গলি, আলিয়া মাদ্রাসার পশ্চিমপাশের্^, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃ কালামমিয়া(৩২), পিতামোঃ করিম হোসেন, মাতাহোসনে আরা, স্ত্রীমোসাম্ম মনিরা, সাংগন্ধর্ব্যপুর, মুন্সি বাড়ি, রাইটুটি ১নংইউপি, থানাইটনা, জেলাকিশোগঞ্জ, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, সাঈদুর রহমানের ভাড়া ঘর, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃ সাফায়েত(৩২), পিতাআব্দুস ছাত্তার, মাতাঅজুদ বানু,

স্ত্রীপরভীন আক্তার, সাংউজ্জল পুর, পশ্চিমবাড়ি @ বুলবুল চেয়ারম্যান এর বাড়ি, থানাকেন্দুয়া, জেলানেত্রকোনা, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, মনিরের টিনসেড ভাড়া ঘর, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম, ) মোঃ আব্দুল কাদির(৩০), পিতাআব্দুল মোতালেব, মাতাআমেনা খাতুন, স্ত্রীরেখা বেগম, সাংদাউদপুর, বাসাটি নয়াপাড়া পূর্ব বাড়ি, থানাতাড়াইল, জেলাকিশোগঞ্জ, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, নুরইসলামের ভাড়া ঘর, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা,

জেলাচট্টগ্রাম, ১০) মোঃ মোখলেছ(২৮), পিতামৃত পঞ্জু মিয়া, মাতাবেগম আক্তার, স্ত্রীমর্জিনা আক্তার, সাংদাউদপুর উত্তর পাড়া, ওয়ার্ড নং, রাউথি ইউপি, থানাতাড়াইল, জেলাকিশোরগঞ্জ, বর্তমানেমুসলিমাবাদ, বাবুলের ভাড়া ঘর, কাঠগড়, থানাপতেঙ্গা, জেলাচট্টগ্রাম

মহানগর গোয়েন্দা (পশ্চিমবন্দর) বিভাগের উপ পুলিশকমিশনার জনাব মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (ডিবিবন্দর) জনাবমোঃ আবু বকর সিদ্দিক সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবিবন্দর) জনাব মোঃ গোলাম ছরোয়ার এর তত্ত্বাবধানে পুলিশপরিদর্শক জনাব মোঃ জাহেদুল কবির এর নেতৃত্বে ১৭ নং টিমগোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০২/১২/২০২০খ্রিঃ তারিখ রাত ২৩.৩০ঘটিকায় চট্টগ্রামের ইপিজেড থানাধীন সিমেন্ট ক্রসিং মোড়সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৭০১০/- টাকা, ০৯টিতাসের বান্ডিল ০১টি গোলাকৃতি চড়কি সহ মোঃ হলুদ মিয়া(৩২),

মোঃ মাঈনুল ইসলাম(৩২), মোঃ মতিউর রহমান(৪০), মোঃ জাহাঙ্গীর(৩৩), মোঃ মুকাব্বীর মিয়া(২৪), মোঃ কিরনআহম্মেদ (২৫), মোঃ কালাম মিয়া(৩২), মোঃ সাফায়েত(৩২),  মোঃ আব্দুল কাদির (৩০) মোঃ মোখলেছ(২৮) কে গ্রেফতারকরেন

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানায় নিয়মিতমামলা দায়ের করা হয়েছে

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের চকবাজার থানাধীন দামপাড়াএলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগ

গ্রেফতারকৃতঃ ১। মোঃ মাহবুবুর রহমান প্রকাশমাহবু(৪৮), পিতামৃত কালু মিয়া, মাতামৃত মরিয়ম খাতুন, সাংবাণী গ্রাম(রেহেনার বাপের বাড়ী) বাজারের পূর্ব পাশেমাহবুব এর নতুন বাড়ী,২নং ওয়ার্ড,

থানাবাঁশখালী, জেলাচট্টগ্রাম,বর্তমানেদামপাড়া ১৭ নং পল্টন রোডস্থ মান্নানসওদাগরের বাড়ীর (শামীমা আক্তারের বাড়ী) সেমি পাকা ২নংরুমে ভাড়াটিয়া,থানাচকবাজার,জেলাচট্টগ্রাম

মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের সহকারী পুলিশকমিশনার জনাব কামরুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে পুলিশপরিদর্শক জনাব মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান এর নেতৃত্বে ৩নংবিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৩/১২/২০২০খ্রিঃসকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রামের চকবাজার থানাধীনদামপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ বোতলবিদেশী মদ সহ মোঃ মাহবুবুর রহমান প্রকাশ মাহবু(৪৮) কেগ্রেফতার করেন

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চকবাজার থানায় নিয়মিতমামলা রুজু করা হয়েছে

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার মোড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১,০০০ পিস ইয়াবা সহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে পাহাড়তলী থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতঃ মোঃ জাফর আলম(২৮), পিতা-মৃত মোহাম্মদ হোসেন, মাতা- কালা খাতুন, সাং-কুতুবজোম (মগকাটা), মীর হোসেন বাড়ী, ডাকঘর- কুতুবজোম, থানা-মহেষখালী, জেলা-কক্সবাজার।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার(পশ্চিম) জনাব এ.এ.এম হুমায়ুন কবির পিপিএম ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) জনাব মোঃ আরিফ হোসেন এর দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ হাসান ইমাম এর নেতৃত্বে পাহাড়তলী থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৩/১২/২০২০ খ্রিঃ ০০.৪৫ ঘটিকায় চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার মোড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০০০ পিস ইয়াবা সহ মোঃ জাফর আলম(২৮) কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাহাড়তলী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিনঃ আনোয়ারা প্রতিনিধি

আনোয়ারায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হাসান চৌধুরীর নেতৃত্বে চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সাইনিং ডায়গনস্টিক সেন্টার,দি ল্যাব এইড, ছায়াপথ ক্লিনিক,ও স্টার ল্যাব সহ চার প্রতিষ্টানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা এবং স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি নিয়ে ক্লিনিক পরিচালনা করার কারণে ছায়াপথ ক্লিনিক এন্ড হসপিটাল কে ২৫ হাজার এবং স্টার ল্যাবকে ৫,০০০ টাকাসহ সর্বমোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ও ঝুঁকিপূর্ণ সেবা প্রদান বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু জাহিদ মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন এবং মেডিকেল টিম।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের বাহমনীগ্রামের আকবর আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম(২০) উপর গত কয়েকমাস পূর্বে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে কিছু দুস্কৃতিকারী।

মামলা সুত্রে জানা যায় গত ২০-০৯-২০ ইং তারিখ রাত্রী ২.৩০টাই রেজাউল ইসলাম বাড়ির পাশের ইন্দ্রপুর উন্মুক্ত বিলে মাছ ধরে বাড়ি ফেরার সময় একই গ্রামের আশরাফুল ইসলামের বাড়ির পাশে রাস্তার উপর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে হামলা করেন হাটখুজিপুর গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান(২৮),লোবা এর ছেলে রায়হান(উজ্জল)(২৯) বাহমনীগ্রাম(রায়পাড়া) গ্রামের আলম এর ছেলে ইয়ানুছ আলী(৪০)বাহমনীগ্রাম(রায়পাড়া) গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম(৪০)।

হামলায় আহত অবস্থায় রেজাউলকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।সেখানে নিউরোসার্জারী বিভাগের ৮ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয় তাকে। এই হামলার পর রেজাউল ইসলাম নিজেই বাদী হয়ে গত ২৯-০৯-২০ ইং তারিখে রাজশাহীর বিজ্ঞ মোকাম আমলী আদালত নং (৪) এ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২)/১১৪/৩৪দঃবিঃ মামলা করেন যার মামলা নং ৩৪৯সি/জি আর ৩২৫,,,,,,,,,,,,,,/২০২০(বাগমারা)।

রেজাউল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন মামলা করে আমি বাসাই আসলে আসামীগন তা জানতে পেরে আমাকে মামলা তুলে নিতে বলে এবং না তুললে আমাকে প্রাণে মেরে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয়।

এবং ঐ মামলার সাক্ষী রাজু আহম্মেদ এর পিতা নইমুদ্দিনকে ও মেরে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দিলে পরবর্তিতে রেজাউল ইসলাম বাদী হয়ে নিজের এবং সাক্ষীদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে হাটখুজিপুর গ্রামের দাঙ্গাবাজ মৃত রিজু সরকারের ছেলে বাহার আলী বারু(৫০),তারই ছেলে রবিউল ইসলাম(২৮),লোবার ছেলে রায়হান (উজ্জল)(২৯),

আহম্মদ আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান(২৮),বাহমনীগ্রাম(রায়পাড়া) গ্রামের আলমের ছেলে ইয়ানুছ আলী,নাসির উদ্দিনেরর ছেলে রফিকুল ইসলামকে আসামী করে গত ২১-১০-২০ ইং তারিখে রাজশাহীর নির্বাহী ম্যাজিঃআমলী আদালত(২) ১০৭ ধারায় মামলা করেন যার মামলা নং ৩৩৮ পি/২০২০(বাগমারা)।

তার এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান বাহার আলী বারুর একটি বাহিনী রয়েছে।এবং ঐ বাহিনী পরিচালনা করেন বারু নিজেই।তারা এলাকার চাঁদাবাজী,নারী ও শিশু নির্যাতন, অসহায়,গরিব-দুঃখী মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া, এলাকায় পুকুর,বিল,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল,বয়স্ক ও বিধবা মহিলাদেরকে বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার না করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া সহ নানা ধরনের অপকর্ম করে থাকে বারু বাহিনী।এসব অপকর্মের কারনে দ্রুত বারুসহ তার বাহিনীর সকল সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান এলাকাবাসী।

মঙ্গলপুর গ্রামের অসহায় ও দারিদ্র মৃত জিয়াদ আলীর স্ত্রী রেহেনা বেওয়া (৬০), মৃত লেপুর উদ্দীনের স্ত্রী আতেজান বেওয়া(৭৫)
গমীর উদ্দিন মেয়ে আছিয়া বেওয়া (৬৫)আব্দুর রহমানের স্ত্রী ছবিজান বেওয়া(৭০)
সর্ব সাং মঙ্গলপুর, ডাকঘরঃ হাটখুজিপুর,ইউনিয়নঃআউচপাড়া,বাগমারা, রাজশাহী।প্রত্যেকের কাছ থেকে বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নাম করে ৪০০০ করে টাকা নিয়েছে বলে বারুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন ভুক্তভুগী নারীরা। ভুক্তভুগী আতেজান, আছিয়া আমাদের প্রতিবেদককে ক্রন্দনরত অবস্থায় বলেন বাবা আমি ভিক্ষা করে খাই, ভিক্ষা করে দশ দুয়ার ঘুরে আনা ৪,০০০ টাকা, বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে নিয়েছে বাহার আলী বারু।১বছর হয়ে গেলেও কার্ড ও করে দেয়নি, টাকা ও দেয়নি উল্টো আমাদের সবসময় কাউকে না জানাতে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এসব বয়স্ক ভিক্ষুক বিধবার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে বারু সকলের টাকা সুদ সহ ফেরতের কথা বলেছেন বলে জানান ভুক্তভূগী আছিয়া।
বারু বাহিনীতে মানুষকে পেটানোর দায়িত্বে আছে বারুর ছেলে রবিউল ইসলাম,লোবার ছেলে রায়হান(উজ্জল) ও আহম্মেদ আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান,

এদের বিরুদ্ধে এলাকার ডর্জন খানেক মানুষকে পিঠানোর অভিযোগ রয়েছে।এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ অত্র এলাকার সাধারন মানুষ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো অনেকে বলেন তাদের প্রশাসনের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কিছুই হয়না বরং পরে আবারও বারু বাহিনীর তাদের হাতের মার খেতে হয়।

এজন্য বারু বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পায় এলাকার সাধারন মানুষ।গত ২১নভেম্বর শনিবার বিকেলে হাটখুজিপুর বাজারে বারু সহ তার লোকজন বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে একই গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে ছাদেক আলী তাদেরকে বাজারে বিশৃঙ্খলা করতে নিষেধ করলে বারুসহ তার সঙ্গপঙ্গ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার উপর হামলা করে।আউচপাড়া ইউনিয়নে আতঙ্কের আরেক নাম বারু বাহিনী।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাহার আলী বারুর মুঠোফোনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এসব অবান্তর কথাবার্তা ছড়াচ্ছে আমি এর সাথে কোনোভাবেই জড়িত না।

এবিষয়ে বাগমারার হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি এ মামলার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা পায়নি এবং মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহি অফিসার শরীফ আহমেদ এর সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন বিধবা ভাতার কার্ডের কোন বর্তমানে কার্যক্রম নেই যদিও পূর্বে এরকম কারো সাথে হয়ে থাকে অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাক আহম্মেদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই আমি আসার পূর্বে হয়তো এ মামলাটি হয়েছে তার পরেও সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছ থেকে বিষয়াদি জেনে আপনাকে অবশ্যই জানানো হবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সদস্য, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক পদধারী নেতা ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড ১৯৯৪-৯৭ তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির কর্মকর্তা ৪ সাংবাদিক ও তাদের স্ত্রী ৩ বহিরাগত ২ জন মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে ২৫ নভেম্বর ২০২০ দুদকের সহকারী পরিচালক মোঃ আবু সাঈদ এ মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখিত এজাহারে বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত -চট্টগ্রাম এর বিশেষ মামলা নং- ৫২/২০১৮ মূলে অনুসন্ধান করতে গিয়ে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। সাংবাদিক নেতাদের কাছ থেকে রক্ষা পায়নি কবরস্থানের জায়গাও।

সরকার কতৃক লীজকৃত জায়গা শুধু মাত্র সাংবাদিকদের নামে বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও তৎকালীন কমিটিতে পদপ্রাপ্ত হওয়ায় ক্ষমতা অপব্যবহার করে স্ত্রীদের নামে সুকৌশলে প্লট বরাদ্দ নামে অন্যত্রেও ক্রয়-বিক্রয়ে করেন।সরকার ১৯৮২ সালে বর্তমান বায়েজিদ থানাধীন শেরশাহ কলোনির পাশেই উচটিলাতে ১৬ (একর) খাস জায়গা লীজ দেয়।

৯২ সালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষ (চউক) ১০৯ টি প্লট ক্রমিক উল্লেখ ও চিহ্নিত করন পূর্বক রাস্তা,মসজিদ,কবরস্থানের জায়গা সহ আবাসনের অপরিহার্য স্হান/জায়গা চিহ্নিত করে লে-আউট অনুমোদন দেয়।

এদিকে আসামীরা পরস্পর যোগসাজশে সিডিএর পূর্বের নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে নকশা বর্হিভূতভাবে সরকারি খাস জমিসহ ১১০,১১১,১১২ ও ১১৩ নং প্লট সৃজন করে মোট ১১৩ টি প্লট সম্বলিত একটি মিথ্যা বানোয়াট লে-আউট /নকশা প্রনয়ন তা পরবর্তীতে বরাদ্দ প্রদান করে।

সকল সদস্য ৫ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ পেলেও ৩ টি প্লটকে জালিয়াতির মাধ্যমে লে-আউট তৈরি করে নিজ স্ত্রীদের নামে বরাদ্দ দিয়ে আবার বরাদ্দকৃত জায়গা মোটা অংকে বিক্রয় করেন উত্তর বন বিভাগের সাবেক ডিএফও আব্দুল ওয়াদুদ’র এর স্ত্রী মোছাম্মৎ হুমায়েরা ওয়াদুদ নিকট।

ঠিকাদার হিসেবে কাজ করে খাগড়াছড়ির বাসিন্দা মোঃ সেলিম নামক এক ব্যক্তি।দুদক কর্মকর্তা জানান সরজমিন অনুসন্ধান ও কাগজ পত্র তথ্য প্রমান পাওয়ায় এ মামলা করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারটিভ হাউজিং সোসাইটির তৎকালীন সভাপতি মাহাবুব উল আলম, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন তার স্ত্রী হোসনে আরা, কোষাধ্যক্ষ শহীদ উল আলম তার স্ত্রী তসলিমা খানম,যুগ্ম সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাস তার স্ত্রী তপতি দাস, মোঃ সেলিম, মোছাম্মৎ হুমায়রা ওয়াদুদ।

সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাও তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন।জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তদন্ত রিপোর্ট দাখিল ও আদেশের বিরুদ্ধে মাহাবুব উল আলম গংরা মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশন ২৫ জানুয়ারী ২০০৫ সালে রীট আবেদন করেন। ২০০৫ সালে ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত সমিতির বিশেষ সাধারণ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তে উক্ত রীট মামলা সীমিতকে পক্ষভুক্ত করে দ্রুত নিষ্পত্তি ব্যবস্হা গ্রহণ,

রীট মামলার নিস্পত্তি সাপেক্ষে দোষী অপরাধী সদস্যদের সদস্য পদ বাতিল সংক্রান্ত কার্যকরী কমিটির প্রস্তাব অনুমোদন এবং সমিতির ৩ টি প্লটের অবৈধ বরাদ্দ সংক্রান্ত সৃজিত ইজার দালিল গ্রহিতা সমিতির সদস্য হিসেবে ভুয়া পরিচয় দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা ও দালিল বাতিলের মামলা দায়ের করা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।মহামান্য হাইকোর্ট উক্ত রীট আবেদন ৬ নভেম্বর ২০১৬ সালে খারিজ করে দিয়ে আবেদনটি নিষ্পত্তি করেন।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় অভিযুক্তদের কাছে থাকা বেআইনি বরাদ্দ পাওয়া ৩ টি প্লট উদ্ধার বিষয়ে ১৫৬ সদস্য উপস্থিতিতে এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও আসামীগনের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত হয়। এদিকে দুদকের মামলায় ৯ আসামীদের মধ্যে ৪ সাংবাদিক আসামী বিগত ২০ বছর ধরে কোনো পত্রিকায়ও কর্মরত নেই।

৩ নং আসামী শহীদ উল আলম কয়েকবার চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও একবার বিএফইউজে’র সহ সভাপতি ছিলেন। ২০ বছর ধরে কোনো পত্রিকায় কর্মরত না থেকেও সাংবাদিক নেতা হিসেবে নিজেকে দাপটের সাথে জাহির করাই তার কাজ।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সুবিধাবাদী নেতা হিসেবেও ব্যপক পরিচিত রয়েছে।।

কোভিড১৯ প্রতিরোধে জনসাধারনের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগেনো মাস্ক নো প্যাসেঞ্জারকর্মসূচির উদ্ধোধন করলেন চট্টগ্রামমেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব সালেহ মোহাম্মদতানভীর,  পিপিএম মহোদয় এসময় তিনি নগরীর গণপরিবহনেযাত্রীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন

কর্মসূচির আওতায় অদ্য ০২ ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রী. ১২ঃ০০ ঘটিকায় দামপাড়াস্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশলাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে নগরীর পরিবহন শ্রমিকনেতৃবৃন্দের সাথে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়  উক্তসভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনপুলিশ কমিশনার জনাব সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, পিপিএম

 

সভায় সিএমপি কমিশনার জনসাধারণের মাঝে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গণপরিবহনে যাতায়াতে মাস্কব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, যথাযথ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার, অসুস্থ অবস্থায় ভ্রমণে নিরুৎসাহিতকরা ইত্যাদি পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যপারে গুরুত্বারোপ করেন

এসময় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব শ্যামল কুমার নাথ সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ গণপরিবহন মালিক শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০০০০ পিস ইয়াবা সহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগ।

গ্রেফতারকৃতঃ ১। মোঃ ইউনুচ (২৩), পিতা-হাজী ইদ্রিস, মাতা-সুফিয়া বেগম, সাং-আনোয়ার ভবন ২য় তলা, এ বক্স ০৬নং লেইন, ফইল্যাতলী বাজার, থানা-হালিশহর, জেলা-চট্টগ্রাম।

মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আলী হোসেন এর দিক নির্দেশনায় অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) জনাব শাহ মোঃ আব্দুর রউফ ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) জনাব কামরুল ইসলাম ,

এর তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক জনাব মুহাম্মদ ওসমান গনি এর নেতৃত্বে ২নং বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০১/১২/২০২০খ্রিঃ ১৭:৪০ ঘটিকায় চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০০০০ পিস ইয়াবা সহ মোঃ ইউনুচ (২৩) কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বাছা নগর গ্রামের ফকির নিবাসী বাড়ির মৃত্যু নুরুল হক”র পুত্র আব্দুল হক”র স্ত্রী সন্তান ঘরের গৃহকর্মী সহ ৬ জন অপহরণ হয়েছে বলে আদালতে মামলা করে আব্দুল হক।

আব্দুল হক প্রকাশ মালেক বৈদ্য বলে পরিচিত। স্হানীয় প্রশাসনও উদ্ধারে তৎপর নেই বলেও ডিআইজি’র হস্তক্ষেপ নিয়ে ২ মাস ১৮ দিন পর গত ১৮ নভেম্বর রাঙ্গামাটি ঘিলাছড়ি থেকে গভীর রাতে ভিকটিমদের উদ্ধার করে রাঙ্গুনিয়া সার্কেল।

স্হানীয় এক মহিলা মেম্বার নাকি সংবাদটি দেন প্রশাসনকে, কিন্তু কোনো বাড়ি থেকে নয় রাস্তা পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর স্হানীয় রাঙ্গুনিয়া থানায় এনে ভিকটিমদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক কোনো সদুত্তর দিতে পরেনি বলে জানাযায়।আব্দুল হকের পরিবারের ৬ জন অপহরণ হয়েছে বলে স্হানীয় ব্যক্তিদয়রা বিশ্বাস করতে পারছেননা বলে এমনই কথা শোনা যায়।

আব্দুল হকের বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক অভিযোগ থানায়ও ছিলো চুরি, ডাকাতি নারী নির্যাতন ও নারী ব্যবসায়ী হিসেবে কয়েকটি মামলা। প্রথম স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন, সিসিটিভি চুরি ও ভন্ড বৈদ্য বলে স্হানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিভিন্ন সময় ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এ পর্যন্ত ২৫ টির মতো বিয়ে করেছে তার মধ্যে ১৮ টি বিয়ের ডকুমেন্টস এ প্রতিনিধির হাতে এসেছে।স্হানীয় ব্যক্তিরা মনে করেন আব্দুল হক যে তারপর পরিবারের ৬ জন অপহরণ হয়েছে বলে মামলা করেছে এটা নাটক এবং কাউকে ফাঁসাতে নতুনভাবে ফন্দি তৈরি করেছে।

ভিকটিম উদ্ধারের বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাহাবুব জানান আব্দুল হকের স্ত্রী ভিকটিম হালিমা বেগম অপহরণকারীদের বিষয়ে কোনো প্রকার সদুত্তর দিতে পারেনি এবং তার সম্পূর্ণ কথাবার্তা এলোমেলো তাই আমাদের ধারণা অপহরণের পুরো বিষয়টি সাজানো নাটক।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন :কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিয়ের মেহেদী না মুছতেই প্রতিপক্ষের হাতে নির্মম ভাবে খুন হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা । চকরিয়া থানা পুলিশ স্টেশন এর নিকটবর্তী পৌরসভাৱ ৪নং ওয়ার্ডের ভরামুহুরী এলাকায় জমি দখলের ঘটনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহেল (২৭)নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ নভেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ৫/৬ জন আহত হয়েছে। নিহত সোহেল চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও পৌরসভার পালাকাটা গ্রামের আবদু রকিমের ছেলে । এনিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চকরিয়া থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের ভরামুহুরী হাজী পাড়া এলাকার মৃত আহমদ শফির পুত্র নুর হোছাইন গং ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন হক জেসি চৌধুরীৱ সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমির বিরোধ চলছে।ভুক্তভোগী ও বিবাদিপক্ষের লোকজন উভয়ে জমির দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে দীর্ঘকাল যাবত।

বিরোধকৃত জমি দখল পূর্বক নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অব্যাহত চেষ্টায় নুর হোছাইন গংদেৱ হামলায় নিহত হন সাবেক ছাত্রনেতা সোহেল।স্থানীয়রা আৱো জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের মধ্যে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসলেও থানা সেন্টার এলাকাস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও চাঁদা দাবীর মতো সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন নূর হোসেন গং ।

নাম প্রকাশ করার না করার শর্তে ছন্দ নাম কৱিম বলেন, নুর হোছাইন গং সোহেল হত্যায় জড়িত ভূমিদস্যু নুরুল আলম,নুর হোছন,আইয়ুব,বশির,আলী হোছন,সোলতান গং- সর্বসাং : ভৱামহুৱী চাৱ নাম্বার ওয়ার্ড চকৱিয়া পৌরসভা তাদের হামলায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সোহেল। এসময় স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছালেও জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে এই নারকীয় হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান স্থানীয় এলাকাবাসী , শুভাকাংঙ্কী ও দলীয় নেতাকর্মীরা।এ বিষয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে উভয় পক্ষের সাংঘর্ষিক হামলায় নিহত হন সোহেল নামের এক যুবক।

উক্ত ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের লাশ থানা হেফাজতে নিয়ে আসার পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনার সাথে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানান।