Home আইন ও আদালত

চট্টগ্রাম, ০৯ জুন, ২০২০:আজ (০৯-জুলাই বৃহস্পতিবার) দুপুরে মহানগরীর ওয়াসা মোড় এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। এসময় ৩ টি মামলায় ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উক্ত মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান। এসময় বর্ণিত এলাকায় অবস্থিত কুটুমবাড়ি রেস্তোরাঁয় অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক থেকে শুরু করে কর্মচারী কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। মুখে মাস্ক, হাতে হ্যান্ডগ্লভস কিছুই নেই। ফ্রিজে মাছ, মাংসের সাথে অপরিচ্ছন্ন উপায়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে আটার খামির ও অন্যান্য মশলা জাতীয় দ্রব্যাদি।

এছাড়াও নিজস্ব উৎপাদিত ফিরনিতেও নেই উৎপাদনের তারিখ মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ। এ সকল অপরাধে কুটুমবাড়ী রেস্তোরা ৪০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। এসময় ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়। অপরদিকে একই এলাকায় অবস্থিত কুপার’স বেকারিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (BSTI) এর মিল্ক ব্রেড (Milk Bread) এর লাইসেন্স না থাকলেও মিল্ক ব্রেড উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ করছে। এছাড়াও বিএসটিআই এর লোগো -৩৮৩ যা বিস্কুটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেটা কেকে লাগিয়ে বিক্রি করছে।

উল্লিখিত অপরাধ আমলে নিয়ে কুপার’সকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে একই এলাকায় অবস্থিত ডুলছে (DULCE) বেকারীতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই থেকে একটি মাত্র বিস্কুটের জন্য লাইসেন্স নিলেও প্রকৃতপক্ষে বেশ কয়েকপ্রকার বিস্কুট উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। মূলত ভিন্ন ভিন্ন বিস্কুটের জন্য পৃথক লাইসেন্স নেওয়ার কথা থাকলেও তারা মানছেন না।

এছাড়াও এখানে তাদের উৎপাদিত মিল্ক ব্রেড (Milk Bread) এর লাইসেন্স নেই। এসব অপরাধ আমলে নিয়ে ডুলছেকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সর্বমোট ৩ টি মামলায় ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উক্ত মোবাইল কোর্টে বিএসটিআই এর ফিল্ড অফিসার (ইন্সপেকটর) মোঃ শহিদুল ইসলামসহ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সি টি জি ট্রিবিউন :শাহ জাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৭ জুলাই।কক্সবাজার সদর এবং টেকনাফে র্যা বের পৃথক অভিযানে ৩৮ হাজার পীচ ইয়াবাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেছে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব-১৫)।
আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাদের আটকের বিষয়টি জানানো হয়।

আটক পাঁচজন হলো- টেকনাফ থানার ডেলপাড়া এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৯), একই থানার ছোট হাবিরপাড়া এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে মোঃ হাফেজ (২৬), কক্সবাজার থানার দক্ষিণ রোমালিয়ার ছড়া এলাকার মোঃ নুরুল আলমের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান (২৬),নাইক্ষ্যংছড়ি থানার দক্ষিন পাড়া রেজু আমতলি এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে আহমদ আলী (৩৭) এবং উখিয়া থানার আঙ্গারপাড়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুর মোহাম্মদের ছেলে মোঃ নুরুল আমিন (৩৯) ।

এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম এবং মোঃ হাফেজকে বড়ইতলী র্যা ব ক্যাম্পের সামনে থেকে ২০ হাজার পীচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়। মোঃ আব্দুল্লাহ আল নোমানকে সদর থানার উত্তর রোমালিয়ার ছড়া এলাকা থেকে ৮ হাজার পীচ ইয়াবা এবং আহমদ আলী ও মোঃ নুরুল আমিনকে হোয়াইক্যং বাজার এলাকা থেকে ১০ হাজার পীচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর থেকে সন্ধ্যায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে র্যা বের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
র্যা ব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান, দেশব্যাপী মাদকদ্রব্যের বিস্তাররোধ এবং দেশের যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র্যা ব মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এর ধারাবাহিকতায় গতকাল র্যা ব পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মুল্য ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
উদ্ধারকৃত ইয়াবা নিয়ে আটক পাঁচজনকে কক্সবাজার সদর এবং টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৭ জুলাই।কক্সবাজার সরকারি কলেজের জমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা অবশেষে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কক্সবাজার কলেজ প্রশাসন ও কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করেই মঙ্গলবার ৭ জুলাই দুপুরে এসব অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে সরকারী কলেজের জমি দখলমুক্ত করেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত দুদিন আগে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ভুমিদস্যু কতৃক কলেজের নিজস্ব জমি দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে। এনিয়ে কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সচেতন মহলসহ খোদ কক্সবাজার কলেজ প্রশাসনও প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। জেলার সর্বত্র নিন্দা ঝড় উঠে।
যারা অবৈধ দখল উচ্ছেদে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা ও নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান কক্সবাজার সরকারী কলেজ কতৃপক্ষ।

সি টি জি ট্রিবিউন :চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা এলাকায় র‌্যাবের হাতে হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের ১দিন পর থানায় রিমান্ডে থাকা অবস্থায় মারা গেছে আসামী আফসার আলী।

মারা যাওয়া আফসার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার টিকরামপুর মধ্যপাড়ার মোহাসিন আলীর ছেলে। আলীকে ৫ জুলাই রোববার দুপুরে ১ কেজি ১৯৫ গ্রাম হেরোইনসহ বাগডাঙ্গার শুকনাপাড়া এলাকার একটি আমবাগানের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খাঁন পিপিএম জানান, র‌্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে আফসার আলীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

৬ জুলাই সোমবার পুলিশ তাকে আদালতে সোপার্দ করে ৫ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে আদালত থেকে তাকে নিয়ে এসে থানা হাজতে রাখা হয়।

পরে সন্ধ্যা ৭ টা ২০ মিনিটের সময় সে হাজত খানার স্ট্যান্ড ফ্যানের তার দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিক আলীকে দ্রুত উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকিউল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে মরদেহ পরিদর্শন শেষে হত্যার প্রাথমিক কারণ জানানো হবে।-কপোত নবী।

সোমবার (৬জুলাই,২০২০খ্রি:) দুপুরে :পিয়নের ব্যাংক হিসাবে ৩০ কোটি টাকা ।লিবিয়ায় মানব পাচারের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে সিআইডি। মানবপাচারে জড়িত এখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। আর গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একটি রিক্রুটিং এজেন্সির একজন পিয়নও রয়েছেন।

সেই পিয়নের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০-৩০ কোটি টাকা রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন সিআইডির তদন্তাকারীরা। , সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত সিআইডি হেড কোয়ার্টার্সে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য দিয়েছেন ।তিনি জানান, মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত গডফাদাররা আমাদের নজরদারিতে রয়েছ।সিআইডির সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন বিভাগের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘কুয়েতে মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত সংসদ সদস্য মো. শহিদ ইসলাম পাপুলের বিষয়ে কুয়েতে তদন্ত চলছে। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা কাজ করছি।’

সংসদ সদস্য মো. শহিদ ইসলাম পাপুলের সম্পর্কে অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। এছাড়াও এটি আন্তর্জাতিক একটি ইস্যু হওয়ায় অনেক বিষয়ে বিবেচনা করেই কাজ করতে হচ্ছে। আশা করি খুব শিগগিরই এ বিষয়ে জানাতে পারব।’

সিআইডি প্রধান আরো বলেন, ‘মানবপাচারকারীদের বিষয়ে সরকারের দুটি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে আমরা দুটি তালিকা পেয়েছি। এছাড়াও পাচার হওয়া ভূক্তভোগী, তাদের পরিবার ও বিভিন্ন দেশের অ্যাম্বাসি থেকে অনেক নাম পাওয়া গেছে।

তাদেরও আমরা নজরদারিতে রেখেছি। আমরা মানবপাচারকারী চক্রের গডফাদারদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছি।মানবপাচারকারী যারা আটক হয়েছে তাদের কাছ থেকেও আমরা অনেক নাম পেয়েছি।

সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাদের গ্রেফতার করতে পারলে অবশ্যই সামনে নিয়ে আসব।’

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৬ জুলাই ॥

কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাচারকালে
বিপুল পরিমাণ অবৈধ আকাশমনি কাঠের ফার্নিচারসহ দুটি ট্রাক আটক করেছে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিশেষ টহল দলের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সমির রঞ্জন সাহার নেতৃত্বে একদল বনকর্মী। সোমবার ৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কক্সবাজার সদরের লিংকরোড এলাকা থেকে অবৈধ ফার্নিচারসহ ট্রাক দুইটি জব্দ করা হয়। আটক ফার্নিচারের মুল্য ১০ লাখ টাকা।

জানা যায়, কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও থেকে ছেড়ে আসা অবৈধ ফার্নিচার ভর্তি দুইটি ট্রাক ( নং-ঢাকা মেট্রো ড-১১-৭৯৩৭ ও ঢাকা মেট্রো-ট-২২-৬৯৫০) উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাওয়ার সময় সোমবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে লিংক রোডে ধাওয়া করে দক্ষিণ বনবিভাগের বিশেষ টহল দলের (ওসি) সমির রঞ্জন সাহার নেতৃত্বে একদল বনকর্মী।
ট্রাক দুইটিকে থামাতে চাইলে তা দ্রুত গতিতে পালাতে চেষ্টা করে। ওই বন কর্মকর্তা অবৈধ ফার্নিচার ভর্তি ট্রাক দুইটিকে ধাওয়া করে লিংকরোডের নিকটবর্তী এলাকা থেকে আটক করেন। বন কর্মকর্তা ফার্নিচারের কাগজ পত্র দেখতে চাইলে দুইটি ট্রাকের চালক, হেলফার ও ফার্নিচার পাচারকারী কৌশলে পালিয়ে যান। পরে বনবিভাগের বিশেষ টহল দলের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সমির রঞ্জন সাহাসহ বনকর্মীরা আটক অবৈধ ফার্নিচার ভর্তি গাড়ি দুইটি বন অধিদপ্তর হেফাজতে নিয়ে যান। আটক আকাশমনি কাঠসহ বিবিধ প্রজাতির গাছের তৈরি ফার্নিচারের সিজার লিস্ট করে বন আইনে মামলা দায়েরে প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
আটক ফার্নিচারের মুল্য ১০ লাখ ও ট্রাক দুটোর দাম ৪০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
প্রসংগত, বেশ কিছু পাচারকারী চক্র বনবিভাগের বনাঞ্চল থেকে গাছ নিধন করে ওইসব কাঠ দিয়ে ফার্নিচার তৈরি করে তা রোহিঙ্গাদের কাছে অবৈধভাবে সরবরাহ দিয়ে আসছিল।

সি টি জি ট্রিবিউন :চুক্তি ভঙ্গ করে করোনা রোগীদের থেকে বিল আদায়, ভুয়া প্রতিবেদন তৈরিসহ নানা অভিযোগে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। সেখান থেকে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপকসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. শাহেদ পলাতক।

সোমবার দুপুরের পর থেকে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর সড়কের ওই হাসপাতালে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। এতে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম। সন্ধ্যার পর তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত আটটা) অভিযান চলমান।

র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমের ব্রিফিং থেকে জানা যায়, রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তিন ধরনের অভিযোগ ও অপরাধের প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। প্রথমত, তারা করোনার নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করত। এ ধরনের ১৪টি অভিযোগ র‌্যাবের কাছে জমা পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযান।

দ্বিতীয়ত, হাসপাতালটির সঙ্গে সরকারের চুক্তি ছিল ভর্তি রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার। সরকার এই ব্যয় বহন করবে। কিন্তু তারা রোগীপ্রতি লক্ষাধিক টাকা বিল আদায় করেছে (এ সময় সারোয়ার আলম গণমাধ্যমকর্মীদের বিলের নথি দেখান)। পাশাপাশি রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে এই মর্মে সরকারের কাছে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার বেশি বিল জমা দেয়। সারোয়ার আলম বলেন, রিজেন্ট হাসপাতাল এ পর্যন্ত শ দুয়েক কোভিড রোগীর চিকিৎসা দিয়েছে।

সারোয়ার আলমের ব্রিফিং থেকে জানা যায়, রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তৃতীয় অপরাধ হলো, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ছিল ভর্তি রোগীদের তারা কোভিড পরীক্ষা করবে বিনা মূল্যে। কিন্তু তারা আইইডিসিআর, আইটিএইচ ও নিপসম থেকে ৪ হাজার ২০০ রোগীর বিনা মূল্যে নমুনা পরীক্ষা করিয়ে এনেছে। পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষা না করেই আরও তিন গুণ লোকের ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরি করে।

সারোয়ার আলম আরও জানান, অভিযানে দেখা গেছে, রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্স ২০১৪ সালে শেষ হয়ে যায়। এরপর আর লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। কীভাবে সরকার এমন একটি হাসপাতালের সঙ্গে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা চুক্তিতে গেল, তা খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে র‌্যাবের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে ঔষধ প্রশাসনের পরিচয়সংবলিত লোকজনকে দেখা গেছে।

সারোয়ার আলম আরও বলেন, র‌্যাব এমন একটি অভিযান চালাবে তা টের পেয়েছেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ। অন্য কেউ তাঁর নামে এমন অপকর্ম করছেন, এমন মর্মে শাহেদ দিন দুয়েক আগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সারোয়ার আলমের ভাষ্য, মূলত নিজের অপরাধ ঢাকতে শাহেদ জিডির আশ্রয় নিয়েছেন।

আসিফ ও মুন্নি একসঙ্গে ৩টি দ্বৈত অ্যালবাম করেছেন। ১৫টির মতো সিনেমায় তারা প্লেব্যাক করেছেন। দিনাত জাহান মুন্নি বলেছেন, কয়েক দিন ধরে আমাকে নিয়ে ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন আসিফ। সেখানে তার ভক্তরা আমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেই যাচ্ছেন।

এ নিয়ে আগে আসিফকে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন বলেও জানান তিনি।মামলা প্রসঙ্গে আসিফ আকবর বলেছেন, মুন্নিকে নিয়ে সরাসরি কোনো স্ট্যাটাস দিইনি। তিনি কেন নিজেকে জড়িয়ে নিলেন? জেল খাটার অভিজ্ঞতা আমার আছে। তবে বিশ্বাসঘাতকদের চেহারা কেমন হয় মানুষকে সেটা দেখাতে চাই।
এর আগে ২০১৮ সালের ৪ জুনে গীতিকার-সুরকার শফিক তুহিনের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় গ্রেফতার হন আসিফ আকবর।

তবে পাঁচ দিন পর কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি। সেই মামলাটি এখনো চলমান ।

সি টি জি ট্রিবিউন :চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পৌর এলাকাধীন ১৪ নাম্বার ওয়ার্ড আরামবাগ উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০০ গ্রাম গাঁজা, ডিজিটাল স্কেল ও নগদ ২৮০০ টাকাসহ একজনকে আটক করেছে সদর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ।

৫ জুলাই রবিবার দুপুর আনুমানিক ২ টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির একটি অপারেশন দল এসআই উৎপল কুমার সরকার এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন,টি এসআই মতিউর রহমান,এ এসআই মাসুম,কনস্টেবল আপেল মাহমুদ।

আটককৃত ব্যাক্তি হলেন,আরামবাগ উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী আয়নাল হক এর ছেলে আব্দুল আহাদ(২০)

এ.এসআই মসুম জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার পৌর এলাকা ১৪ নম্বর ওয়ার্ড আরামবাগ উত্তরপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী আয়লান হক এর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৬০০ গ্রাম গাঁজা,একটা ডিজিটাল স্কেল মিটার ও গাঁজা বিক্রি করা নগদ ২৮০০ টাকাসহ আহাদকে(২০) আটক করা হয় এবং এ ঘটনায় সদর থানায় তাকে সোপর্দ করে ১টি মামলা করা হয়েছে।

সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জাধীন খুটাখালী বনবিটে বনাঞ্চলের মুল্যবান গাছ কেটে পাচারের সময় চোরাই গর্জন কাঠ ভর্তি একটি ট্রাক (ডাম্পার) জব্দ করেছে বনকর্মীরা। শনিবার ৪ জুলাই ভোররাতে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এসএ জাকারিয়ার নেতৃত্বে একদল বনকর্মী খুটাখালী কালাপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায়। আটক কাঠ ও ট্রাকের মুল্য অন্তত ১৫ লাখ টাকা।
ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এসএ জাকারিয়া জানান, করোনা সংকটের সুযোগে খুটাখালী বিটের কালাপাড়া এলাকায় বনাঞ্চল ধ্বংস করে মুল্যবান কাঠ ডাম্পার যোগে পাচারের খবর পেয়ে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো তহিদুল ইসলামের নির্দেশে ৪ জুলাই ভোররাতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় মূল্যবান গর্জন গোলকাঠ বোঝাই একটি ড্যাম্পার গাড়ি অাটক করা হয়। চালক ও কাঠ পাচারকারীরা কৌশলে পালিয়ে যায়।
আটককৃত গাড়িটি ফুলছড়ি রেঞ্জ হেফাজতে আনা হয়েছে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযানে খুুুটাখালী বিটের বনকর্মী, ফুলছড়ি বিটের হেডম্যান আবদু শুক্কুরসহ একদল বনকর্মী অংশ নেন। বিশ্বব্যাপি মহামারি কোভিড-১৯ করোনার মধ্যেও বন বিভাগের কার্যক্রম থেমে নেই বলে জানান তিনি।
……
শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।
০১৮১৫৮১২৮৭২