Home আইন ও আদালত

অবশেষে পুলিশের জালে আটকা পড়লো ১৮০ বোতল ফেন্সিডিল ও সাড়ে ৩ কেজি গাঁজা সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী
কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন, পিপিএম এর নেতৃত্বে কোতোয়ালী থানা অফিসার ও ফোর্স থানা এলাকায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানাধীন আন্দরকিল্লা নজির আহমদ চৌধুরী সড়ক  বন বিভাগ অফিসের সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অদ্য ১৬/০৫/২০২১খ্রিঃ তারিখ রাত ০০.২০ ঘটিকার সময় ৩৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪২) ও বাবলু মজুমদার (৪৬) কে আটক করেন।
ধৃত ব্যক্তিদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা উক্ত ফেন্সিডিল গুলো আব্দুল কাদের (৪৫) এর কাছ থেকে ক্রয় করে এনেছে। ধৃত ব্যক্তিদ্বয়ের দেওয়া তথ্য মতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইং ১৬/০৫/২০২১ তারিখ রাত ০২.০৫ ঘটিকার সময় পাঁচলাইশ থানাধীন শুলক-বহর আব্দুল হামিদ বাই লেইনে অভিযান পরিচালনা করে ১৪৫ বোতল ফেন্সিডিল ও সাড়ে তিন কেজি গাঁজা সহ আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় ০১টি নিয়মিত মামলা রুজু হয়।
গ্রেফতারকৃতঃ ১) মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪২) পিতা-মৃত আমিনুল হক, মাতা-মৃত দোলোয়ারা খাতুন, স্ত্রী-সেলিনা আক্তার, সাং-উত্তর ওয়াহেদপুর, ৪নং ওয়ার্ড, আলম মিয়া সারেং বাড়ী, থানা-মীরসরাই, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে- আন্দরকিল্লা ফরেস্ট অফিসের পাশে, মোহাম্মদ বশির উদ্দিন এর বাড়ীর ৩য় তলা, থানা-কোতোয়ালী,জেলা-চট্টগ্রাম। ০২) বাবলু মজুমদার (৪৬) পিতা-মৃত পরিমল মজুমদার, মাতা-মৃত খেনু রানী মজুমদার, স্ত্রী-স্বপ্না রানী মজুমাদার, সাং-সাতবাড়িয়া, ১৫নং ওয়াহেদপুর, ইউপি, মজুমদার বাড়ী, থানা-মীরসরাই, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-কাজীর দেউরী ১নং ঝুমুর গলি, সেলিনা আক্তারের বাড়ী, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-চট্টগ্রাম। ০৩) আব্দুল কাদের (৪৫) পিতা-মৃত শুক্কুর আলী, মাতা-মৃত খাইরুন নেছা, স্ত্রী-সেলিনা আক্তার মিনু, সাং-হাড়িয়ালা, গরিপুর ইউপি, সেকান্দার ব্যাপারীর বাড়ী, থানা-দাউদকান্দি, জেলা-কুমিল্লা, বর্তমানে-শুলকবহর, বড় মাদ্রাসা, নজরুলের ভাড়াটিয়া, থানা-পাঁচলাইশ, জেলা-চট্টগ্রাম।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় নিজের মেয়ে কে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতনের একটি ঘটনা কিছু দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এ ভাইরাল হয় সেখানে দেখা যায় মেহেরুন্নিসা শান্তা ১৯ ,

নামের একটি মেয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে তার শরীরের ক্ষত বিক্ষত নির্যাতনের শরীরের দাগ ভিডিও করে ফেসবুক এ আপলোড করে।

তার পর থেকে শুরু হয় বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদ এর ঝড়, আজ সে আভিযোগ তো বাবাকে গ্রেফতার করেছে বায়েজিদ থানা পুলিশ,

ভুক্তভোগী মেয়ে

সূত্রঃ- বায়েজিদ বোস্তামী থানার মামলা নং-২৫ তারিখ-১৩/০৫/২০২১ইং ধারা- ৩২৩/৩২৫/৫০৬ পেনাল কোড ১৮৬০।

ঘটনাস্থলঃ বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন হাজীপাড়া সেলিম ম্যানশনস্থ বাদীর শয়ন কক্ষে।

ঘটনার তারিখও সময়ঃ গত ১০/০৫/২০২১ইং তারিখ ভোর অনুমান ০৬.০০ ঘটিকা হইতে দুপুর অনুমান ১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত।

ভিকটিমঃ- মেহেরুন্নিসা শান্তা (১৯), পিতা- এসএম সেলিম উদ্দিন, সাং- হাজীপাড়া, আশেকানে আউলিয়া মাদ্রাসার পাশে, মাওলানা খলিলুর রহমানের বাড়ী প্রঃ সৈয়দবাড়ী, থানা-বাযেজিদ বোস্তামী, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-সেলিম ম্যানশন, হাজীপাড়া, থানা-বাযেজিদ বোস্তামী, জেলা-চট্টগ্রাম। সে পাঁচলাইশ নাছির উদ্দিন ওমেন কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী।

গ্রেফতারঃ এসএম সেলিম উদ্দিন (৪৮), পিতা- মৃত এজাহারুল হক, সাং- হাজীপাড়া, আশেকানে আউলিয়া মাদ্রাসার পাশে, মাওলানা খলিলুর রহমানের বাড়ী প্রঃ সৈয়দবাড়ী, থানা-বাযেজিদ বোস্তামী, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-সেলিম ম্যানশন, হাজীপাড়া, থানা-বাযেজিদ বোস্তামী, জেলা-চট্টগ্রাম।

গৃহীত আইনগত ব্যবস্থাঃ ০১ জন আসামী অর্থাৎ নিজ কন্যা সন্তানকে নির্যাতনকারী পিতা মামলার এজাহারনামীয় আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ ভিকটিম মেহেরুন্নিসা শান্তা (১৮), পিতা- এস.এম সেলিম উদ্দিন, সাং- সেলিম ম্যানশন, হাজীপাড়া, থানা- বাযেজিদ বোস্তামী, জেলা- চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ নাছির উদ্দিন ওমেন কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী। ভিকটিম ও ভিকটিমের মাতা সৈয়দা রুনা আক্তার, ছোট বোন সৈয়দা মমতা আয়েশা, সৈয়দা অরর্পিতা ঐশী সহ তাহার বাবার বাসা বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন হাজীপাড়া সেলিম ম্যানশনে বসবাস করিয়া আসিতেছিল। তিনি প্রায় ভিকটিমের মা এবং ভিকটিমের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। পড়াশুনার কারনে বাহিরে গেলে এবং মোবাইল ব্যবহার করা দেখলে প্রায়ই ভিকটিমের পিতা ভিকটিমকে প্রচন্ড মারধর করেন।

গত ১০/০৫/২০২১ইং তারিখ রাত অনুমান ০২.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিমের বাবা ভিকটিমের শয়ণ কক্ষে যাইয়া ভিকটিমের কাছে মোবাইল ফোন দেখিয়া তাহাকে অশ্লীন ভাষায় গালিগালাজ করলে ভিকটিম তাহার বাবার গালিগালাজ ও মারধরের ভয়ে একই তারিখ রাত অনুমান ০৩.০০ ঘটিকার সময় বাসা হইতে বাহির হইয়ে হাজীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে বসে ছিল।

এরপর ভিকটিমের পিতা ভিকটিমকে খোঁজ খবর করিলে ভিকটিম পুনরায় ভোর অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকার সময় বাসায় ফিরে যান। গত ১০/০৫/২০২১ইং তারিখ ভোর অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিমকে গভীররাতে বাহিরে যাওয়া ও মোবাইল রাখার বিষয়ে পুনরায় জিজ্ঞাসা করতে করতে তাহার হাতে থাকা একটি রঁশি দিয়ে ভিকটিমের দুই হাতের ক্বজি বেধে ফেলে এবং একটি শিকল দিয়ে দুই পা বেধে ফেলে।

ভিকটিমের ডাক চিৎকারে ভিকটিমের মা সৈয়দা রুনা আক্তার এবং ছোট দুই বোন আগাইয়া আসিলে ভিকটিমের পিতা তাহাদেরকে চড় থাপ্পর মেরে দূরে সরিয়ে দিয়ে তাহার হাতে থাকা শিকলের অংশ, লোহার তালা এবং হাত দিয়ে ভিকটিমকে বেধম মারধর করে।

ভিকটিমের পিতার ঘুষির আঘাতে ভিকটিমের বাম চোখ ফুলে কালো বর্ণ ধারণ করে এবং ভিকটিমের হাতের দুই বাহু, পিঠ, পায়ের হাটুর, হাতের নখ সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ছিলাফুলা ও গুরুতর জখমের সৃষ্টি হয়। ভিকটিমের পিতা ভিকটিমকে একই তারিখ অর্থাৎ ১০/০৫/২০২১ইং তারিখ দুপুর অনুমান ১২.০০ ঘটিকা পর্যান্ত এইভাবে অমানসিক নির্যাতন করতে থাকলে একপর্যায়ে ভিকটিম সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে।

এমতাবস্থায় ঘটনাস্থলে ভিকটিমের মামা রোকন উদ্দিন (৪২)সহ বাড়ীর আশেপাশের স্থানীয় লোকজন আগাইয়া আসিলে ভিকটিমের পিতা বাড়ী হইতে বাহির হইয়া চলিয়া যায়।ভিকটিমকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ইং ১০/০৫/২০২১ইং তারিখ রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিমের মা এবং মামা রোকন উদ্দিন (৪২) ভিকটিমকে উদ্ধার করিয়া চ.মে.ক হাসপাতালে নিয়া গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে হাসপাতালের ২৭ নং ওয়ার্ডের ৩৬নং বেডে ভর্তি করেন।

বর্তমানে উক্ত ভিকটিম চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার এজহার নামীয় অন্যতম আসামি সাইদুল ইসলাম সিকদার প্রকাশ শাকু (৪৫)‘ কে রাঙ্গুনিয়াস্থ রানীরহাট বাজার এলাকা থেকে আটক করেছে র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭,প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী, মানবপাচারকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিগত ০৫/০৬/২০১৬ খ্রিঃ তারিখে চট্টগ্রামে আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু (৩১) হত্যা মামলার ঘটনায় তার বাবা মোঃ মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে গত ১২/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখে পাঁচলাইশ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম ছায়াতদন্ত শুরু করে। ছায়াতদন্তের এক পর্যায়ে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে, উক্ত মামলার এজহারনামীয় একজন আসামী রাঙ্গুনিয়াস্থ রানীরহাট এলাকায় অবস্থান করছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ১২ মে ২০২১ ইং তারিখ ২১০০ ঘটিকায় অভিযান চালিয়ে আসামি সাইদুল ইসলাম সিকদার প্রকাশ শাকু (৪৫) কে আটক করে। আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে উক্ত মাহমুদা খানম মিতু (৩১) হত্যা মামলার এজহার নামীয় একজন আসামী।

র‍্যাব-৭,হত্যাচক্রের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত এজহারনামীয় আসামী সাইদুল ইসলাম সিকদার প্রকাশ শাকু (৪৫) কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে পাহাড়তলী ১২ কোয়াটার, পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে হস্থান্তর করা হয়েছে।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানাধীন ছদাহা ইউনিয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪,৭১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী, মানবপাচারকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

 

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানাধীন ছদাহা ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ড হাঙ্গর রাজঘাটাস্থ শাহ মজিদিয়া নার্সারীর সামনে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম পাকা রাস্তার উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ মে ২০২১ তারিখ ১৭১০ ঘটিকায় র‍্যাব-একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাব-র উপস্থিতি টের পেয়ে কতিপয় ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‍্যাব- সদস্যরা ধাওয়া করে আসামি ,

১। মোঃ নাসির উদ্দিন (২৮), পিতা- মোঃ সোলায়মান, সাং- দক্ষিন ছদাহা, ওয়ার্ড নং- ০৮, ছদাহা ইউপি, থানা- সাতকানিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম, ২। মোঃ ইমরান (৫৯), পিতা- মোহাম্মদ হোসেন খলিফা, সাং- দক্ষিন ছদাহা, ওয়ার্ড নং- ০৮, ছদাহা ইউপি, থানা- সাতকানিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম’দের আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিতি সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানোমতে নিজ দখলে থাকা ১ম আসামীর প্যান্টের পকেট এবং ২য় আসামীর লুঙ্গির কোচর হতে ৪,৭১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১৪ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মহানগরীর মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে।

গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বায়েজিদ বোস্তামী থানার অভিযান: ১,০০০ (এক হাজার) লিটার চোলাই মদ, ০১টি মিনি ট্রাক সহ ০২ জন গ্রেফতার।
ইং ১২/০৫/২০২১ইং তারিখ জনাব প্রিটন সরকার, অফিসার ইনচার্জ, বায়েজিদ বোস্তামী থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নেতৃত্বে অভিযান ডিউটিতে নিয়োজিত এএসআই/ মোঃ এমদাদুল হক ও সিয়েরা-৩৪ ডিউটিতে নিয়োজিত এসআই(নিঃ)/ কে.এম নাজিবুল ইসলাম তানভীর সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন রুবি গেইটস্থ এ্যাপারেল প্রমোটার্স লিমিটেড গার্মেন্টেসের সামনে অভিযান পরিচালনা করে একটি মিনি ট্রাক সহ ১) মোঃ মাসুদ করিম (২৪), ২) মোঃ দিদার হোসেন (২০) কে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের স্বীকারোক্তিমতে উক্ত মিনি ট্রাক হতে ১০ (দশ) বস্তায় সর্বমোট ১,০০০ (এক হাজার) লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ, মূল্য অনুমান ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা উক্ত চোলাই মদ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে বিক্রয়ের জন্য মজুদ করতেছে বলে স্বীকার করে।  তাদের বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন মাদক দ্রব্য আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পাকার রাস্তার উপর অস্থায়ী চেকপোস্ট শুরু করলে ইং-১২/০৫/২০২১ তারিখ রাত ০২.৩৫ ঘটিকার সময় ঢাকা-মেট্রো-ন-১৮-৮৫৩৯ মিনি ট্রাক থামার সংকেত দিলে বর্ণিত স্থানে মিনি ট্রাকটি থামিয়ে দুইজন ব্যক্তি দৌড়াইয়া পালানোর চেষ্টাকালে  দ্বয়কে আটক করা হয়।  আরো মাদক দ্রব্য উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।
গ্রেফতারকৃত: ১) মোঃ মাসুদ করিম (২৪), পিতা-মৃত মোঃ হানিফ, মাতা-পারুল আক্তার, সাং-মোহাম্মদপুর, আজিজ মোহাম্মদের বাড়ী, ওয়ার্ড নং-০৪, থানা-রাঙ্গুনিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম, ২) মোঃ দিদার হোসেন (২০), পিতা-মৃত আঃ কাদের, মাতা-মোসাঃ হাছিনা বেগম, সাং-রাঙ্গামাটি খাগড়া বাজার, কাদের মেম্বারে বাড়ী, ওয়ার্ড নং-০৭, থানা-কাউখালী, জেলা-রাঙ্গামাটি।

আয়াজ আহমাদ:

চট্টগ্রাম মহনগরীর ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্ররের মূল হোতা সুলতান আহম্মদ (৪৫)‘কে চাঁদাবাজির অর্থসহ হাতেনাতে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-৭,প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭,প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী, মানবপাচারকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, জনৈক মোঃ সুলতান আহম্মদ (৪৫) ফ্রি পোর্ট, হালিশহর, কলসী দিঘির পাড়, সিমেন্ট ক্রসিং, মাইলের মাথা এলাকার একজন শীর্ষ চাঁদাবাজ। তার নেতৃত্বে চাঁদাবাজ চক্রটি বিভিন্ন দোকান, ফুটপাত এবং পরিবহন সেক্টর ইত্যাদি থেকে বেশ কিছু দিন যাবৎ চাঁদাবাজি করে আসছে।

তার দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে না পারলে সে ও তার বাহিনী দোকানদারদের দোকান থেকে বের করে তালা ঝুলিয়ে দিত। পরিবহন সেক্টরের মাইক্রোবাস, সিএনজি এবং ইজি বাইক চালকদের নিকট থেকে সে মাসোয়ারা ভিত্তিতে চাঁদা আদায় করত।র‍্যাব-৭,অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে আসলে র‍্যাব-৭,

চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ১১ মে ২০২১ ইং তারিখ ২১৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর সিমেন্ট ক্রসিং মসজিদের দক্ষিণ পার্শ্বে আজিজ মিয়ার মায়ের দোয়া ফুড্স হেভেন দোকানে অভিযান চালিয়ে জনৈক মোঃ নুরনবী (৩৯), পিতা-বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল হাসেম, সাং- দৌলতমালুমের বাড়ী, থানা- ইপিজেড, চট্টগ্রাম মহানগরীর নিকট থেকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা আদায়ের সাথে সাথে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।

আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, সে দীর্ঘ দিন যাবৎ ইপিজেড থানা এলাকার বিভিন্ন সেক্টর হতে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে আসছে। আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের আগে সুলতান চাঁদাবাজির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় ও চাঁদাবাজির জন্য বেপরোয়া হয়ে উঠে। এছাড়াও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় তার অন্য কোন পেশা না থাকলেও বর্তমানে সে চাঁদাবাজির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করে।

ঈদের পূর্বে তার গ্রেফতারের সংবাদে ইপিজেড এলাকার দোকানদারসহ পরিবহন সেক্টরে লোকজন স্বস্তি প্রকাশ করে।

আসামী সুলতানের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগীর ইপিজেড থানায় ২০১১ সালে ০১ টি মাদক মামলা এবং ২০১৩ সালে একই থানায় চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।

চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেফতারকৃত সুলতানের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানায় চাঁদাবাজির একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

 

এসপি বাবুলকেপ্রধান আসামী করে মিতুর বাবার মামলা

:কামাল উদ্দিন খোকন :

অবশেষে মিতু হত্যায় সাবেক এসপি বাবুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১২ মে) মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন বাদি হয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক এসপি বাবুল সহ আরও জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজহারে প্রধান আসামি বাবুল আক্তারকে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া এজহারভুক্ত আরো ৭ আসামি হলেন কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতাশেমুল ভোলা, ওয়াসিম ওরফে মোতালিব, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম ওরফে সাক্কু এবং শাহজাহান মিয়া। এর মধ্যে কামরুল ইসলাম ও খায়রুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

এদিকে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, মিতু হত্যায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের দেয়া মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আদালতে অবস্থান করছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা।

পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় বাদি ছিলেন স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার (১২ মে) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডির পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পিবিআই প্রধান উপ-মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার। তিনি বলেন, মিতু হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। নতুন মামলা হলেই তিনি গ্রেফতার হবেন। উপ-মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার আরও বলেন, বাবুল আক্তারকে আজ গ্রেফতার দেখানো হবে এবং আগের মামলা ফাইনাল রিপোর্ট দেবে পুলিশ।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (১১ মে) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে করে তিন দুর্বৃত্ত মিতুকে ঘিরে ধরে প্রথমে গুলি করে। এরপর কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ওই সময় মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। তার আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন বাবুল আক্তার। মামলাটি চট্টগ্রামের নগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ৩ বছর ১১ মাস তদন্তে থাকার পর গত বছরের মে মাসে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) স্থানান্তর করা হয়। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা। তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু বাবুল আক্তার মামলার বাদি। তাকে আটক করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন বুধবার আদালতে পাঠানো হবে

সেই কল রেকর্ড : ২০১৬ সালের ৫ জুন সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত মুছার মোবাইল ফোনে কল যায় তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তারের মোবাইল ফোন থেকে। মাত্র ২৭ সেকেন্ডের মোবাইল ফোনের কথোপকথনের রেকর্ডটিই এখন মিতু হত্যার প্রধান আলামত ও সাক্ষী। সালাম দিয়ে মুছা ফোনটি রিসিভ করতেই ওপার থেকে বাবুল আক্তার বলেন, ‘তুই কোপালি ক্যান? ৩/৪ সেকেন্ড থেমে আবার বলেন, বল তুই কোপালি ক্যান? তোরে কোপাতে কইছি? ওপার থেকে মুছার কথা, না মানে’।’ বাবুল আক্তার ফোনটি কেটে দেন। এই ২৭ সেকেন্ড কলের কথোপকথনের রেকর্ড পেয়েই হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিন পর ২০১৬ সালের ২৪ জুন রাতে বনশ্রীর শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুলকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার কিছু দিন পর বাবুল আক্তার পুলিশের চাকরি ছেড়ে দেন। মিতু হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল দুই সন্তান আক্তার মাহমুদ মাহী ও তাবাসুম তাজনিন টাপুরকে নিয়ে ঢাকার বনশ্রীর ভূঁইয়া পাড়ার শ্বশুরবাড়িতে উঠেছিলেন। তবে কয়েক মাস পর আলাদা বাসা ভাড়া করে সন্তানদের নিয়ে চলে যান। বাবুল আক্তার পরে মগবাজারে একটি হাসপাতালের কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন।

বাবুলমিতুর দাম্পত্য কলহ: পরকীয়া প্রেমের এসএমএস নিয়ে বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতুর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ ভয়াবহ পর্যায়ে চলে যায় হত্যার সাত মাস আগে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাবুল আক্তারের মোবাইল ফোন তল্লাশি করে মিতু আপত্তিকর কিছু এসএমএস দেখতে পান। সেখানে গায়েত্রী এম্মার্সিং নামের এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্কের তথ্য জানতে পারে মিতু। এ নিয়ে বাবুল আক্তারের প্রত্যহ বাকবিতণ্ডা শুরু হয় দুজনের মধ্যে।

মিতুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৫ সালের ডিসেম্বরের এক বাবুল আক্তার বিছানার উপর মোবাইল ফোন রেখে বাথরুমে যান। এসময় একটি এসএমএস আসে বাবুলের মোবাইলে। তখন মিতু এসএমএসটি চেক করে দেখতে পান একটি আপত্তিকর বার্তা। তখন মিতু মোবাইলটির সুইস বন্ধ করে বাসার স্টোর রুমে ফোনটি লুকিয়ে রাখে। এরপর বাবুল আক্তার ফোন খোঁজাখুঁজি করলে মিতু ফোনের কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেন। পরদিন বাবুল আক্তার বাসা থেকে বের হলে মিতু মোবাইলের সিম বের করে মোবাইলটি অন করেন। এরপর ওই মোবাইল থেকে একে একে ২৯টি এসএমএস (ক্ষুদে বার্তা) পড়েন। পরে এ ব্যাপারটি মিতু প্রমাণ হিসেবে ছেলের ছবি আঁকার আর্ট পেপারে লিখে রাখেন। এদিকে মোবাইল না পেয়ে বাবুল আক্তার ট্র্যাকিং করে নিশ্চিত হন যে তার মোবাইল ফোনটি বাসাতেই রয়েছে। এই মোবাইল ফোন নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চরমে পৌঁছে। বিষয়টি নিয়ে পরদিন মিতু ফোন দেয় তার মায়ের কাছে।

কি ছিল সেসব ম্যাসেজে: মিতুর মায়ের দাবি করা একটি আর্ট পেপারে লেখা ২৯টি মেসেজের সবগুলোই ইংরেজিতে লেখা। মেসেজগুলোতে গায়ত্রী ও বাবুলের মধ্যে গভীর ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। একটি মেসেজে এমন লেখা হয়েছে, মাই পোয়েট মাই লাভ কাম টু মি’, লাভ ইউ মাই কিং উলড হ্যাভ কিসড ইউ প্যাশোনেটলি, ইফ ইউ ওয়্যার হেয়ার নাউ’, লাভ ইউ বেবি, গুড মর্নিং, কাম টু স্লিপ টু মি’।

গায়ত্রী এম্মারসিং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক ইউএনএইচসিআর প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে প্রতিরোধ শাখার একজন কর্মকর্তা হিসাবে কক্সবাজারে কর্মরত ছিলেন। ২০১৩ সালে তখন বাবুল আক্তার কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে গায়ত্রী এম্মারসিং সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কর্মরত।

যেভাবে হত্যাকাণ্ড : ২০১৬ সালের ২৪ জুন বাবুল আক্তারের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ওই বছরের ২৬ জুন আনোয়ার ও মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম নামে দুজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় পুলিশ। তারা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলে, কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুছার ‘পরিকল্পনাতেই’ এ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। জবানবন্দিতে ওয়াসিম জানায়, নবী, কালু, মুছা ও তিনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয়। হত্যার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের সামনে ছিল মুসা, এরপর আনোয়ার ও একদম পেছনে ছিল সে। মোটরসাইকেলের পিছন থেকে সে প্রথমে মিতুকে গুলি করে। জিইসির মোড়ে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা নবী তার বুকে, হাতে ও পিঠে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। পুরো সময়টা বাবুল আক্তারের ছেলেকে আটকে রেখেছিল মুসা। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা চলে যায়। পরে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই আসামি নূরুন্নবী ও রাশেদ পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। মুছাসহ দুইজন আসামি গুম হয়ে গেছে। এই মামলায় বর্তমানে ওয়াসিম ও আনোয়ার গ্রেফতার হয়ে কারাবন্দী। নবী, কালুসহ ৩ জন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।#

ফেনী থেকে শর্টগান,পাইপগান,গুলি ও বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র সহ ০১ জন কে আটক করেছে র‍্যাব-৭

আয়াজ আহমাদ:

ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ টি শর্টগান, ০২ টি পাইপগান, ০৫ রাউন্ড গুলি এবং বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‍্যাব-প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম জনৈক মীর মোহাম্মদ এর মোবাইল ফোনের সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানাধীন ভূমি রেজিষ্ট্রার নতুন অফিসের পার্শ্বে নূরজাহান এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানের ভিতর কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১১ মে ২০২১ ইং তারিখ ২০১০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে উপস্থিতি সাক্ষীদের সম্মুখে সংবাদদাতা মীর মোহাম্মদ এর দেখানো মতে তার ভাই নজরুল ইসলামের নূরজাহান এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানের ভিতর সিলিং এর উপরে হতে ০১ টি শর্টগান, ০২ টি পাইপগান, ০৫ রাউন্ড গুলি এবং বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে এবং সংবাদদাতাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তায় অসমাঞ্জসতা পরিলক্ষিত হওয়ায় আসামী মীর মোহাম্মদ  স্বপন (দলিল লেখক) (৪০) পিতা- আবু বক্কর সিদ্দিক, মাতা- মৃত নূরজাহান, সাং- মজলিশপুর, থানা ও জেলা- ফেনীকে আটক করে।

পরবর্তীতে আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের সে জানায় যে, তার ভাই নজরুল ইসলাম এর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জায়গা জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ফাঁসানোর জন্যই পরিকল্পিতভাবে তার ভাই নজরুল ইসলামের অনুপস্থিতে বিশেষ কৌশলে উপরে বর্ণিত দোকানের ভিতর সিলিং এর উপর উদ্ধারকৃত আলামত রেখে দেয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পিবিআই হেফাজতে সাবেক এসপি বাবুল আক্তার ?

 

সিটিজিট্রিবিউন: আজ থেকে পাচ বঝচর আগে খুন হ্ওয়া মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ মে) সারাদিন বাবুল আক্তারকে  জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে গোপন সুত্রে জানাগেছে।

এরআগে সোমবার ) মামলার বাদী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্য্যালয়ে ডেকে আনা হয় তাকে।

এদিকে, বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা জানতে রাত ৮ টা থেকে পিবিআই’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তারা জানান, ‘বাবুল আক্তার পিবিআইয়ের হেফাজতে রয়েছে। ’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় মিতুকে। এই ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন দাবি করে আসছিলেন, বাবুল আক্তারের পরিকল্পনায় ও নির্দেশে তার মেয়ে মিতুকে খুন করা হয়েছে। #প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

০৯/০৫/২০২১ইং তারিখ ০১.১৫ ঘটিকার সময় বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সংযোগ সড়কস্থ জিরাত ফ্যাশন গার্মেন্টসের পশ্চিম পাশে মাষ্টার কলোনীল মুখে শাহ আমানত ফার্নিচার দোকান রিপরীতে খালী জায়গায় অন্ধকার স্থানে ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে ডাকাত দলের সদস্য সমবেত হয়েছে।
এই মর্মে সংবাদ প্রাপ্তির পর তাৎক্ষণিক টিম বাকলিয়ার একটি চৌকস দল উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব বিজয় বসাক, বিপিএম, পিপিএম (বার) এর দিকনির্দেশনা অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (চকবাজার জোন) জনাব মুহাম্মদ রাইসুল ইসলাম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মুহাম্মদ রুহুল আমীন নেতৃত্বে উপরোল্লিখিত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর সময় বাকলিয়া থানার অফিসার-ফোর্সের সহায়তায় ০৯/০৫/২০২খ্রিঃ তারিখ ০১.৩০ ঘটনাস্থল হতে ০১টি চাপাতি, ০২টি ছোরা, ০১টি প্লাস, ০৩টি লোহার রড, ০১টি লোহার কোরাবারী সহ মোঃ আল আমিন(২৪), মোঃ রুবেল(২৩),  মোঃ কবির হোসেন (২৫), শশি প্রঃ বাদশা(২১) ও মোঃ শরিফ প্রঃ কালাইয়া(২৪) কে গ্রেফতার করেন।
জিজ্ঞাবাসাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের পরিচিত। লকডাউন থাকায় শহরের অনেকেই ঈদের অনেক আগেই শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়ী চলে যাচ্ছে। আর এই সুযোগটা কাজে লাগানোর জন্য ২/৩ দিন যাবৎ তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরা-ফেরা করছে। যে বাসার লাইট ২/৩ দিন যাবৎ অফ সেই বাসায় কেউ নেই ধরে নিয়েই টার্গেট করে। পাশাপাশি যে সকল বাসার বাহির থেকে তালাবদ্ধ সে সকল বাসায় ওরা টার্গেট করে। টার্গেটকৃত বাসায় ডাকাতি করা উদ্দেশ্যেই অস্ত্র-সস্ত্র এবং ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম নিয়ে সমবেত হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতঃ মোঃ আল ১। আমিন(২৪) পিতা-মৃত আলী হোসেন, মাতা-সুফিয়া বেগম, সাং-শুংগুলপুর,মুন্সি বাড়ী, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা বর্তমানে-তুলালতলী,সোলতানের কলোনী, থানা-বাকলিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম ২। মোঃ রুবেল(২৩) পিতা-মোঃ ফরিদ আলম, মাতা-বিবি মরিয়ম, সাং-পূর্ব চাম্বল,মেম্বার নছিরের বাড়ীর পশ্চিম পাশে,মোল্লা বাড়ী, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম বর্তমানে-বেরা মার্কেট,ফরিদ সওদাগরের ভাড়াঘর, থানা-বাকলিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম ৩। মোঃ কবির হোসেন (২৫) পিতা-মৃত সিরাজ মাষ্টার, মাতা-রেনু বিবি, সাং-মহেশখালী,মসজিদওয়ালা,সদ্দারের বাড়ী, থানা-লালমোহন, জেলা-ভোলা বর্তমানে-অক্সিজেন,রেলবিট,কেডিএস গার্মেন্টস্ এর সামনে,দুলাল ডাক্তারের কলোনী, থানা-বায়েজিদ বোস্তামী, জেলা-চট্টগ্রাম ৪। শশি প্রঃ বাদশা(২১) পিতা-মৃত মনির হোসেন, মাতা-পান্না আক্তার, সাং-খোলাগাঁও, সবুর মার্কেট,পুতন্যারগো বাড়ী, থানা-পটিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম ৫। মোঃ শরিফ প্রঃ কালাইয়া(২৪) পিতা-মৃত লাল মিয়া, মাতা-রাজিয়া বেগম, সাং-সাইদপাড়া, নজরুলের বাড়ী, থানা-মধ্যনগর, জেলা-সুনামগঞ্জ বর্তমানে-তক্তারপুল, মনসুরের ভাড়াঘর, থানা-বাকলিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম।