Home অর্থনীতি

ঢাকা :বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনের নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে ডলার পাঠাতে পারেন। কিন্তু অনেক ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কর্মীদের ব্যাংক হিসাবে জমা ডলার যেকোনও সময় নিজ দেশে নির্বিঘ্নে পাঠাতে দিতে হবে। এতে কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিদেশি মুদ্রায় লেনদেন নীতিমালার আলোকে সাধারণ অনুমোদনের ভিত্তিতেই যোগ্য ব্যক্তিরা হিসাবে থাকা বিদেশি মুদ্রা বাইরের দেশে পাঠাতে পারেন। এর জন্য নতুন করে বা আলাদা অনুমোদনের দরকার হয় না।

কিন্তু কোনও কোনও ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। এতে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে অর্থ পাঠাতে গিয়ে অহেতুক ভোগান্তিতে পড়ছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে কর্মরত বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা স্থানীয় ব্যাংকে বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারেন। এ ছাড়া প্রবাসীরাও দেশের ব্যাংকগুলোতে বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারেন। এ ধরনের হিসাব থেকে অর্থ পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনও অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।

মোহাম্মদ হাসান ফারুক ;চামড়া শিল্প দীর্ঘকাল ধরেই বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ বাজার ও রপ্তানির জন্য চামড়া এবং চামড়াজাত সামগ্রী উৎপাদন করে আসছে। কাঁচা চামড়া এবং সেমিপাকা চামড়া বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রপ্তানি সামগ্রী

বাংলাদেশে চামড়া শিল্পে কম মজুরিতে নিয়োগ করা হচ্ছে শিশুদের৷ যা আরো ভয়াবহ৷ শুধু তাই নয়, রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের ফেলছে হুমকির মুখে৷

বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের ৯০ ভাগই ঢাকার জনবহুল এলাকা হাজারিবাগে৷ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, এই শিল্পে কর্মরত শ্রমিকরা নানা ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন৷ বিশেষ করে শিশুরা যারা এই শিল্পে কাজ করে, তাদের অবস্থা খুবই খারাপ৷ কারখানায় ব্যবহৃত সালফিউরিক অ্যাসিড, ক্রোমিয়াম, সীসা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর৷ এসব কারখানায় নেই কোনো বর্জ্য শোধনের ব্যবস্থা৷ নেই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট৷ বাংলাদেশ জাতীয় পরিবেশ আইনজীবী সমিতির প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ডয়চে ভেলেকে জানান, প্রতিদিন ২২ হাজার লিটার রাসানিক বর্জ্য নির্গত হয় হাজারিবাগের চামড়া কারখানা থেকে৷ যা পরিবেশের ক্ষতি করছে৷ ক্ষতি করছে জনস্বাস্থ্যের৷ আর কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের নেই কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা৷ ফলে তারা ক্যান্সানসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে৷

পরিবেশ আইনজীবী সমিতির আবেদনে আদালত ২০০৫ সালে হাজারিবাগের চামড়া কারখানা ঢাকার বাইরে সরিয়ে নেয়ার আদেশ দেয়৷ কিন্তু বার বার সময় চেয়েও এখনো এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি৷ তবে শিল্পমন্ত্রী দিলিপ বড়ুয়া বলেছেন, ২০১৩ সালে হাজারিবাগের চামড়া কারখানা ঢাকার বাইরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা আছে তাঁদের৷ জবাবে পরিবেশ আইনজীবী সমিতির সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এই দীর্ঘসূত্রিতার জন্য আসলে সরকারই দায়ী৷

বাংলাদেশ প্রতিবছর ৪৬০ মিলিয়ন টাকার চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে উন্নত বিশ্বে৷ কিন্তু এখানে চামড়া শিল্পে পরিবেশ আইন এবং শ্রমিকদের অধিকার কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠা করা যাচ্ছেনা৷ যা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে হতাশ করে৷

ডেস্ক রিপোর্ট :দেশ বরন্য আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফী হুজুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা । এক শোকবার্তায় ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেন

মহান আল্লাহ আল্লামা শফি হুজুরকে জান্নাতুল ফেরদৌসে স্থান দিন। যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন তিনি ইসলামের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন। ইসলাম বিরোধীতা, নাস্তিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন আমৃত্যু তাঁর সংগঠন হেফাজতে ইসলামকে নিয়ে। উনি হাটহাজারী তথা চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ইসলামের কাণ্ডারী হিসাবে বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

শাহবাগ চত্বরকে ঘিরে যখন নাস্তিকদের তাণ্ডবলীলা চলছিল, রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় আল্লাহ-রাসুলের বিরুদ্ধেও বিষোদগার ছড়াচ্ছিল সামাজিক গণমাধ্যমে এই নাস্তিকরা, তখন আল্লামা শফি হুজুরের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে প্রবল শক্তিশালী অবস্থান নেয়। ধার্মিক মুসলমানদের বর্ম হিসাবে আবির্ভূত হয় আল্লামা শফি হুজুরের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম। তাদের এই অবস্থান নেয়াতে ইসলামবিরোধী সরকারও বাধ্য হয় নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

আল্লামা শফি হুজুরের নেতৃত্বে জাতীয়ভাবে হেফাজতে ইসলাম একটা মজবুত অবস্থান তৈরি করে, যা অদ্যাবধি অটুট আছে। শফি হুজুর তাঁর জীবদ্দশায় হেফাজতে ইসলামকে দেশের সরকার এবং বিরোধী দলের কাছে গ্রহণযোগ্য শক্তিশালী ইসলামিক শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন। বিদেশীদের কাছেও হেফাজতের গ্রহণযোগ্যতা সর্বজনবিদিত।

শফি হুজুর, হেফাজত ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হাটহাজারী মাদ্রাসা তথা হাটাহাজারীর নামও পুরো বাংলাদেশের ইসলাম প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই হাটহাজারীর মানুষ শফি হুজুরের কাছে সবসময়ই কৃতজ্ঞ থাকবে।

অন্য পৃথিবীতে মহান আল্লাহ এই জনপ্রিয়, ধর্মপ্রাণ, মানবিক, ব্যক্তিত্ববান মানুষটিকে সর্বতোভাবে সাহায্য করুন।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার,১৮ সেপ্টেম্বর ।

কক্সবাজার শহরের খুরুশকুল সেতু সংলগ্ন বাঁকখালী নদী দখলের অভিযোগে এন আলম ফিলিং স্টেশনের মালিক ভয়ংকর প্রতারক,জালিয়াতি চক্রের হোতা এইচএম নুরুল আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁর একাউন্টের আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে উত্তরা ব্যাংক কক্সবাজার শাখায় চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আগামি ২১ সেপ্টেম্বর এইচএম নুরুল আলমকে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এ তলব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, দুদকে তলব সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের জেলা প্রতিনিধি, দ্যা ডেইলি ট্রাইব্যুনাল ও অনলাইন দৈনিক নিউজ কক্সবাজার ডটকম এর সন্পাদক এবং কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়ন সদস্য শাহজাহান চৌধুরী শাহীনকে কক্সবাজার শহর থেকে তুলে নিযে হত্যা হুমকি দেয়ায় এই এন আলম সহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি ( জিডি নং-৮৯৯,তাং-১৭/৯/২০২০ইং)দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত জিডিটি তদন্তের জন্য উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ উল্লাহকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত ওসি মাসুম খান। এর আগে বুধবার রাতে মোবাইল ফোনে সাংবাদিক শাহজাহান চৌধুরী শাহীনকে হুমকি দেয়া হয়। এঘটনায় কক্সবাজারের সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দুদক সূত্র জানান, বাঁকখালী নদীর প্রায় ৫০০ একর জমি দখল করেছেন ১৫৭ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক। তারই অংশ হিসেবে বাঁকখালী নদীর খুরুশকুল সেতু সংলগ্ন প্রায় ২ একর জায়গা দখল করার অভিযোগে এইচএম এন আলমের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
সুত্র মতে, গত মঙ্গলবার প্রাথমিকভাবে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারি পরিচালক মো. শরিফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে তাকে দুদক সমন্বিত জেলা কাযালয় চট্টগ্রাম-২ এ তলব করা হয়েছে।
নোটিশে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি চাওয়ার পাশাপশি এইচএম এন আলমকে আগামি ২১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় নদীর তীরের সত্ত্ব সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র এবং এ বিষয়ে কোন মামলা কিংবা রায় হয়ে থাকলে তার রেকর্ডপত্র নিয়ে হাজির হতে অনুরোধ করা হয়।
নির্ধারিত সময়ে তিনি হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে ‘অভিযোগ সংক্রান্ত তার কোন বক্তব্য নেই’ বলে গণ্য করা হবে।
এদিকে এক চিঠিতে উত্তরা ব্যাংক কক্সবাজার শাখার কাছে এইচএম এন আলমের আর্থিক লেনদেন ও ঋণ দিয়ে থাকলে তার সত্যায়িত কপি চেয়েছে দুদক।
চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দুদক সমন্বিত জেলা কা চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারি পরিচালক মো. শরিফ উদ্দিন।
এদিকে, কেরোসিন বিক্রির করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়া এই এন আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। গত কয়েক বছরের ব্যাবধানে কোটি কোটি টাকার মালিক ও সহায় সম্পত্তির মালিক হওয়া নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ছাড়াও জেলাবাসি হতবাক।
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সহ তার আয়ের উৎস তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সহ তার আয়ের উৎস তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
বিভিন্ন সুত্রে প্রাপ্ত অভিযোগেে জানা গেছে, এই এন আলমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগেে মামলা রয়েছে। ভুয়া খতিয়ানেে জমির আমমোক্তারনামা গ্রহণ, সরকারী কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কালো টাকা নিয়ে নিজের প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার, জমি ও হোটেল দখল, ইয়াবায় পৃষ্ঠপোষকতাসহ নানান অভিায়োগ আছে তার বিরুদ্ধে। প্রতারক এইচএম নুরুল আলম প্রকাশ এন আলম। তার মালিকানাধীন চকরিয়া ফাসিয়াখালী এনপি ফিলিং স্টেশন, রামু তেচ্ছিপুল এন আলম ফিলিং ও কক্সবাজার কলাতলি (পুলিশ লাইনস এর বিপরীতে) কক্সবাজার এলপিজি স্টেশন। তৈল পরিমাপে কারচুপি, ডিজিটাল মিটার নিয়ে প্রতারণা, তেলের সাথে পানি মেশানো দীর্ঘ দিনের অভিযোগ গ্রাহকদের।
এই তিনটি পেট্রোল পাম্প ও গ্যাস পাম্পে চরম ভাবে সাধারণ গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করার বিষয়টি একটি সংস্থা তদন্ত করছেন বলে জানা গেছে।

বোয়ালখালী প্রতিনিধিঃকরে চলাচলের রাস্তার উপর প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে প্রিয় রঞ্জন শীল (৪৯)নামে একসহ ৪ ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী এস,এম ইয়াকুব এ ব্যাপারে ১২ আগস্ট বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার পূর্ব গোমদন্ডী রমেশ শীলের বাড়ীর মৃত বিশ্বেশ্বর শীলের ছেলে প্রিয় রঞ্জন শীল (৪৯), মৃত সুখেন্দ্র শীলের ছেলে বাবুল শীল (৬০), অরবিন্দু শীলের ছেলে বিষু শীল (৩৫), মৃত বিপজী শীলের ছেলে রুপন শীল (৪০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ১ বছর পূর্বে জনৈক কালা মিয়া পিতা- মৃত সালেহ আহাম্মদ, কধুরখীল ইমাম নগর নিকট হতে ৭ গন্ডা সম্পত্তি ক্রয় করিয়া তথায় খরিদ সূত্রে মালিক হইয়া ভোগ দখলে স্থিত আছে বিবাদীগণ দীর্ঘদিন যাবত সম্পত্তি দখলের জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে এবং স্থানীয়ভাবে আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিবাদীগণ গায়ের জোরে প্রচলিত আইন তোয়াক্কা না করে ১২ আগস্ট বিবাদিগণ জোর পূর্বক জবর দখল করে পাঁকা দেয়াল নির্মাণ করার সময় বাধা দিলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ, মারধরের জন্য উদ্যত করে এবং চিরতরে উচ্ছেদ মিথ্যা মামলাসহ প্রাণে মারার হুমকি ধমকি প্রদান করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পূর্ব গোমদন্ডী ইউপি মুরাদ মন্সীরহাট – রমেশ শীল সড়কটির কাজ বাস্তবায়ন করছেন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টান। বাস্তবায়নাধীন ১২’ শ ৫০ মিটিারের এ সড়কটির মাটি খুঁেড় কণক্রিট ঢালার কাজ সবে মাত্র শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে সড়কের এক পাশ ঘেষে নিয়ম নীতির তোয়ক্কা না করে কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন একটি প্রভাবশালী মহল। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার বাঁধা দেয়ার পরও তারা দেয়াল নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখেন এবং বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িকতার রুপ দেয়ার চেষ্টা করেন।
উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন বলেন, সড়কটির পাশে চার ফুট জায়গা থাকার কথা থাকলেও সড়কের পাশ ঘেষে দেয়াল দেয়া হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। যেহেতু এ সড়ক পৌরসভা এলাকায় তাই দেয়াল দিতে পৌরসভার অনুমতি নিতে হবে এবং পৌরসভা বাধা দিয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী এস, এম ইয়াকুব বলেন, আমি সাত ঘণ্টা জায়গার ক্রয়সূত্র মালিক বর্তমানে আমার জায়গাতে বাড়ি নির্মাণ কাজ চলছে, প্রতিদিন চলাচল করে আসছি, কিন্তু ১২ আগস্ট ২০২০ইং, সকালে চলাচল রাস্তায় ওয়াল নির্মাণ করার জন্য স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যু চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও বিজ্ঞ আদালত মামলা করি, অভিযোগ ও বিজ্ঞ আদালতে মামলা কে উপেক্ষা করে তারা দিনে দিনে ওয়াল নির্মাণ করে রাস্তা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, ভূমিদস্যুরা আমাকে চিরতরে উচ্ছেদ মিথ্যা মামলাসহ প্রাণে মারার হুমকি ধমকি প্রদান করছেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল করিম বলেন, এব্যাপারে একটি অভিযোগ ও আদালত ১৪৭ধারা মামলার কপি পেয়েছি। দু,পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার জন্য বলেন তিনি ।
বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম বলেন, কাউকে সড়কের পাশ দখল করে দেয়াল নির্মাণের কোন ধরনের অনুমতি দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রিয় রঞ্জন শীল বলেন, এটা আমাদের প্রাচীনতম শশ্নান, শশ্নান রক্ষার্তে আমরা দেয়াল দিয়েছি।

0 0

চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সাড়ে ১৭ হাজার মে.টন চলতি ইরি-বোরো, মিলারদের মাধ্যমে সিদ্ধ ও আতব চাল ক্রয়ে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ।

তথ্যসূত্রে মতে, ১০ আগস্ট পর্যন্ত ক্রয় করা হয়েছে ধান ক্রয় করা হয়েছে ৪ হাজার ৭শ ১৭ মে.টন । আর চাল ক্রয় হয়েছে ১২ হাজার মে.টন।

১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার চাঁদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু এ তথ্য প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ‘ চাঁদপুরে কৃষকগণ এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে । প্রতি মণ ধানের বর্তমান বাজার মূল্য ১ ,০৪০ টাকা থেকে ১, ০৬০ টাকা। এবার চাঁদপুরে আমরা ধান – চাল সংগ্রহে অনেকটা এগিয়ে আছি। এটা সরকারের সাফল্য বলা যায়।

তিনি আরো বলেন, চাঁদপুরে মোট ১৩ হাজার মে.টন চাল মওজুদ রয়েছে।
সুতরাং বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কোনো খাদ্য সংকটের সম্ভাবনা নেই। ধান ক্রয়ের সাথে সাথেই তা মিলে চলে যায়।

চাঁদপুরের ৮ উপজেলা হতে চলতি অর্থবছরের বোরো মৌসুমে সাড়ে ৮ হাজার ৩ শ’ ৫৭ মে.টন ধান , ৭ হাজার ৪শ ৯৫ মে.টন সিদ্ধ চাল কিনবে ও ১ হাজার ৬ শ ১৭ মে.টন আতব চাল ক্রয় করবে সরকার । দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সরকারের এ পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মেয়াদ রয়েছে আগামী ৩১ আগস্ট ।

প্রাপ্ত সূত্র মতে , চাঁদপুরে এবার সরকারিভাবে কেজি প্রতি সিদ্ধ চাল ৩৬ টাকা করে, ৩৫ টাকায় আতব চাল ও ২৬ টাকায় ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের অনুমোদিত মিল মালিকগণের কাছ থেকে এ চাল সংগ্রহ করবে। সংশ্লিষ্ঠ স্ব-স্ব উপজেলা কমিটি কর্তৃক ধান ক্রয় করবে সরকার।

চাঁদপুর জেলা খাদ্য বিভাগের সূত্রে জানা গেছে , চলতি বছরের মে ২০২০ থেকে সারা দেশসহ চাঁদপুরের সকল উপজেলায় কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সংশ্লিষ্ট চাঁদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের অনুমোদিত কৃষকগণের কাছ থেকে যা কৃষি বিভাগের তালিকাভুক্ত এবং যাদের কৃষি সহায়তা কার্ড রয়েছে ও স্ব-স্ব উপজেলা খাদ্য কমিটির অনুমোদিত তাদের কাছ থেকে ডিলারগণ চাঁদপুরের চাল, ধান ও গম ক্রয় করবে।

চাঁদপুরে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ইরি-বোরো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৬৩ হাজার ২ শ’মে. টন নির্ধারণ করা হয়েছে বলে চাঁদপুর খামার বাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছেন।

হাইব্রিড, স্থানীয় ও উন্নত ফলনশীল এ ৩ জাতের ইরি-বোরোর চাষাবাদ করে থাকে চাঁদপুরের কৃষকরা। কম-বেশি সব উপজেলাই ইরি-বোরোর চাষাবাদ হয়ে থাকে।

কৃষি বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, হাইব্রিড, স্থানীয় ও উন্নত ফলনশীল জাতের ইরি-বোরোর চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে এবং বাম্পার ফলনের আশাবাদী।

চাঁদপুর খামার বাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে আরো জানা যায়, চলতি বছরে চাঁদপুর জেলায় ৬২ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৬৩ হাজার ২শ মে.টন চাল।

চাঁদপুররে ৮ উপজলোয় ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ২০১৯- ২০২০ র্অথবছরে ২শ ৪৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা কৃষি ঋণ ও দারিদ্রবিমোচনে বিতরণ করা হয়েছে সোনালী,অগ্রণী,জনতা ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও ২৪ টি বেসরকারি ব্যাংকে ৬৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল ।

সরকারি নির্দেশ মতে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন ওই চাল ও গম জিআর, টিআর, ভিজিটি, ভিজিএফ, আপতকালীন সময়ে ১০ টাকা কেজি ধরে ও জাটকা সংরক্ষণে ভিজিএফ ইত্যাদি প্রকল্পের মাধ্যমে বরাদ্দ দিয়ে থাকেন। যা স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা জনপ্রতিনিধি কর্তৃক তা বিতরণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, সারাদেশে সরকার চলতি বোরো মৌসুমে ১৮ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য কেনার সিদ্ধান্ত ছিল। এরমধ্যে ৭৫ হাজার মে. টন গম,৬ লাখ মে. টন ধান, ১০ লাখ মে. টন চাল এবং দেড় লাখ মে. টন বোরো আতপ চাল কিনবে। এর মধ্যে সরকার মাঠ পর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৬ লাখ মে. টন ধান সংগ্রহ করবে। ইতিমধ্যে গম,চাল ও ধানের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর পল্লবী থানার ভেতর আজ বুধবার ভোরে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ৪ জন পুলিশের সঙ্গে একজন সিভিলিয়ানসহ মোট ৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, গতকাল মধ্যরাতে থানার ভেতর একটি বোমা দেখতে পান সেখানকার দায়িত্বশীলরা। ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হলেও তারা পৌঁছানোর আগেই বোমাটি বিস্ফোরণ ঘটায়।

হঠাৎ এই বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন পল্লবী থানার ওসি তদন্ত পুলিশ পরিদর্শক ইমরান, এসআই সজীব, পিএসআই রুমি, পিএসআই অঙ্কুশ। এছাড়া রিয়াজ নামে একজন সিভিলিয়ান আহত হয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রিয়াজ ও রুমি ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। পিএসআই অঙ্কুশকে ভর্তি করা হয়েছে চক্ষু হাসপাতালে। ওসি ইমরান ও এসআই সজীব প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

তবে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন। তিনি বলেন, গতকাল রাতে অস্ত্রসহ ৩ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা পুলিশ। তাদের কাছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি ওজন মাপার মেশিনের মতো যন্ত্র উদ্ধার করা হয়।

যন্ত্রটিকে তেমন একটা গুরুত্ব না দিয়ে পাশেই রেখে দেওয়া হয়েছিল। সেটা ছিল আসলে একটা বোমা, যা পরবর্তীতে বিস্ফোরিত হয়েছে।

আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এর মধু সিটির বিপরিতে মিলিনিয়াম সিটিতে আয়োজন করা হচ্ছে বিশাল গরু-ছাগল এর বিশাল হাট, ঈদের বাকি মাত্র ৬ দিন এর মধ্যে ৭০ ভাগ কাজ শেষ করেছে হাটের ইজারাদার গং। শুরু হয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে খামারের গরু নিয়ে আসার পর্ব এর মধ্যে কিছু কিছু খামারি আসার পর অপেক্ষায় আছে মুল হাট শুরু হওয়ার।

 

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এই হাটের মুল পর্ব শুরু হবে ঈদের তিন দিন আগে ব্যাপী অর্থাৎ ২৯,৩০,৩১/৭/২০২০ইং পর্যন্ত। কিন্তু যদি ক্রেতার সংখ্যা কম হয় তাহলে ঈদের দিন ও চলবে বলে জানা গেছে।

ঈদের পশুর হাট এবার অন্যবারের চেয়ে অনেকটা ব্যতিক্রম দেখা গেছে। গতবারের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা ছিল একেবারেই কম। তবে ঈদের তিন দিন আগে থেকে জমে উঠতে পারে বলে আসা করছেন ইজারাদার গং।

কেরানীগঞ্জের গরুর হাটে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় দেশী,নেপালি,ইন্ডিয়ান,বার্মার ইত্যাদি জাতের প্রচুর গরু উঠতে শুরু করেছে। ইজারাদার হাট নানাভাবে সাজিয়ে প্রচারণা চালিয়ে ক্রেতাদের আকর্ষণ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে, ক্রেতার সংখ্যা নেই বললেও চলে।

শুরু হয়েছে হাটে কুরবানীর পশু ক্রয় বিক্রয়ঃ-

২৯/০৭/২০ তারিখ সকাল থেকে শুরু হয়েছে ক্রেতার আনাগনা। দেখা গিয়েছে  দুর র্দুরান্ত থেকে আসছেন অনেক সংখ্যক মানুষ আবার কেউ কেউ আসছেন সুন্দর সুন্দর পশু দেখার উদ্দেশে এই হাটে দেখা গিয়েছে চল্লিশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত কুরবানীর পশু, তবে  ষাট থেকে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকার পশুর দিকে ক্রেতাদের বেশি আগ্রহ দেখা গিয়েছে, তবে তার উপরের ক্রেতারা ও আছে তবে তার সংখ্যা খুবই কম। এক ক্রেতা ও বিক্রেতার দাম কষা কষির ধারণ করা হয়েছে।

ধারণকৃত ভিডিও টি দেখতে নিছের লিংকে ক্লিক করুণ:-

https://bit.ly/2X6A2zr

 

বিশেষ  প্রতিনিধিঃ দেলোয়ার হোসাইন

 

0 0

শেষ সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৭৭টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। কোম্পানিগুলোর মোট ২৯ লাখ ৬০ হাজার ৩৩৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২০২ কোটি ৩৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪৯ কোটি ৭৪ লাখ ৩৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের।খুলনা পাওয়ার ৪০ কোটি ৩২ লাখ ১৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা ইস্টার্ন ব্যাংকের ৩০ কোটি ৫১ লাখ ৯৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।এছাড়া ব্লকে লেনদেন করা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ব্যাংক এশিয়া, বৃটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো, বিএসআরএম স্টিল, সিটি ব্যাংক, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ফাইন ফুড, গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ওয়ান : স্কিম টু’, লাফার্জহোলসিম, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, ন্যাশনাল ব্যাংক, নিউ লাইন ক্লোথিংস, নুরানী ডাইং, ওয়াইম্যাক্স, ওয়ান ব্যাংক, ফনিক্স ফাইন্যান্স, প্রগ্রেসিভ লাইফ, পূবালী ব্যাংক, সিলকো ফার্মা, সিমটেক্স, সিঙ্গার, এসকে ট্রিমস, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, স্কয়ার ফার্মা, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, ভিএফএস থ্রেড ডাইং, এডিএন টেলিকম, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, আমান ফিড, বিকন ফার্মা, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ফার কেমিক্যাল, আইডিএলসি, আইএফআইসি, আইএলএফএসএল, মুন্নু জুট, ন্যাশনাল পলিমার, পেনিনসুলা, প্রিমিয়ার ব্যাংক, রানার অটো, সায়হাম কটন, ব্র্যাক ব্যাংক, ড্রাগন সোয়েটার, জেমিনি সী ফুড, ম্যারিকো, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ওরিয়ন ইনফিউশন, রিং শাইন, ইয়াকিন পলিমার, এসিআই, বেক্সিমকো, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, গোল্ডেন হার্ভেস্ট, যমুনা ব্যাংক, কোহিনুর কেমিক্যাল, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ, আরএকে সিরামিক,রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, সাইফ পাওয়ার, শাশা ডেনিমস, সিলভা ফার্মা, সাউথইস্ট ব্যাংক, শাইনপুকুর সিরামিক, এপেক্স ফুড,ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, ইসলামিক ফাইন্যান্স, খান ব্রাদার্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পপুলার ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং সী পার্ল

সি টি জি ট্রিবিউন:আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ১৫ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৩৩ টাকা উদ্বৃত্ত রেখে প্রায় ২১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে জলঢাকা পৌরসভা। মঙ্গলবার দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে এই বাজেট পেশ করেন পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট ।

২০২০-২১ইং অর্থবছরের জন্য পৌরসভাটিতে বাজেট ধরা হয়েছে ২০ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আয় রাখা হয়েছে ২ কোটি ৯৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। পৌরসভাটি থেকে মোট উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা।

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প রাখা হয়েছে এ বাজেটে। এছাড়াও বাজেটে ˆবশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস ও ডেঙ্গুমশা সংক্রমণ রোধকল্পে এ বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে পৌর সুপারমার্কেট নির্মাণের মত মেগা প্রকল্প।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সচিব আশরাফুজ্জামান, প্রকৌশলী জোবাইদুল হক, হিসাব রক্ষক আওলাদ হোসেন, কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ রায়, রহমত আলী, রুহুল আমিন, জিয়াউর রহমান জিয়া, মহসিন আলী, ফজলুর রহমান,

সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যসহ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকবৃন্দ।