Home অর্থনীতি

0 0

সাবধান টাকায় করোনা ভাইরাসের আরএনএর উপস্থিতি

সিটিজিট্রিবিউন: সাবধান টাকায় পা্ওয়া গেছেবাংলাদেশের ব্যাংকনোটে করোনা ভাইরাসের আরএনএর উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) একদল গবেষক।

সোমবার  যবিপ্রবির প্রশাসনকি ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জিনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের গবেষক দল দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত ব্যাংকনোটে করোনা ভাইরাসের আরএনএর উপস্থিতি পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, গবেষক দল ব্যাংকনোটে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ভাইরাসের এন-জিনের উপস্থিতি এবং ৮-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত ওআরএফ জিনের স্থায়িত্ব শনাক্ত করতে পেরেছেন। এই গবেষণাপত্রটি ইতিমধ্যেই একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন:কেইকে।

 

0 0

বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

 

 

সিটিজিট্রিবিউনডেস্ক: বিদায়ী এপ্রিলে প্রবাসীরা সব মিলিয়ে ২০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। মে মাসের প্রথম দুই দিনে আয় এসেছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৭৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিল বাকি রয়েছে, যা কাল মঙ্গলবার পরিশোধ করতে হবে। এর ফলে কালই রিজার্ভের পরিমাণ কমে আসবে।

ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর ওপর ভর করেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার মজুত প্রথমবারের মতো ৪৫ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। সোমবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

জানা যায়, বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপের মধ্যে দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা বেশি বেশি টাকা পাঠানো শুরু করেছেন। বিদায়ী এপ্রিলে প্রবাসীরা সব মিলিয়ে ২০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১৭ হাজার ৫১০ কোটি টাকা। গত বছরের এপ্রিলে দেশে এসেছিল ১০৯ কোটি ডলার। আর মে মাসের প্রথম দুই দিনে আয় এসেছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বেড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, মার্চ-এপ্রিলের এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৭৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিল বাকি রয়েছে, যা কাল মঙ্গলবার পরিশোধ করতে হবে। এর ফলে কালই রিজার্ভের পরিমাণ কমে আসবে।

আকুর সদস্যদেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধ হয়ে থাকে আকুর মাধ্যমে। ৯টি দেশের মধ্যকার আমদানি-রপ্তানিতে কোনো দেনা-পাওনা থাকলে তা দুই মাস পর এসব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মিটিয়ে থাকে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ—এই ৯টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। প্রতিবেদন: কেইউকে।

আগের নিয়মে ব্যাংক চলবে

সিটিজিট্রিবিউনডেস্কসরকারঘোষিত ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। এ সময়ে ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ বুধবার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের লকডাউনের কারণে বর্তমানেও ব্যাংকে লেনদেন হচ্ছে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। লেনদেনের এ সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ একই থাকবে।

নতুন করে নির্দেশনা দিয়ে সেটিই জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কারণ, এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত লেনদেনের সময় ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত নির্ধারণ করেছিল। এরপর তা ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এবার একই সময়সীমা ব্যাংক চলবে আগামী ৫ মে পর্যন্ত।

রাজধানীর ব্যাংক শাখাগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যাংকে এখন খুব বেশি গ্রাহকের ভিড় নেই। সব ব্যাংকই অনলাইন ও অ্যাপভিত্তিক লেনদেন সেবা চালু করেছে। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমেও লেনদেন করা যাচ্ছে।প্রতিবেদন : কেইউকে

১৮ লাখ টন চাল কিনবে সরকার

 

সিটিজিট্রিবিউনডেস্ক:18লাখ টন চাল বিনবে সরকার চলতি বোরো মৌসুমে মিল মালিকদের কাছ থেকে সাড়ে ১১ লাখ টন সেদ্ধ আতপ চাল এবং সাড়ে লাখ টন ধান কেনা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

চলতি বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে এ ধান ও চাল কেনা হবে। আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ধান এবং ৭ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু হবে।

সোমবার  আসন্ন বোরো সংগ্রহ কর্মসূচি উপলক্ষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ‘৪০ টাকা কেজি দরে ১০ লাখ টন সেদ্ধ চাল, ৩৯ টাকা কেজি দরে দেড় লাখ টন আতপ চাল এবং কৃষকদের কাছ থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে ধান কেনা হবে।’

তিনি বলেন, ‘গত ২২ এপ্রিল খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির ভার্চুয়াল সভা হয়। কতগুলো সিদ্ধান্ত অসম্পূর্ণ ও নীতিগত সমস্যা থাকয় সেদিন সংবাদ সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি। বোরোতে কৃষকে ন্যায্যমূল্য দেয়ার চিন্তা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদনও দিয়েছেন।’গত বছর বোরো মৌসুমে ২৬ টাকা কেজি দরে ধান, ৩৬ টাকা কেজি দরে সিদ্ধ চাল ও ৩৫ টাকা কেজি দরে আতপ চাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি গুদামে মাত্র ৪ দশমিক ৯৩ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে, যার মধ্যে চালের পরিমাণ ৩ দশমিক ০৫ লাখ টন।

মজুদের এই পরিমাণ গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বলে ওই তথ্যে বলা হয়। #প্রতিবেদন:কেইউকে।

:কামাল উদ্দিন খোকন:

তেল  ্ও গ্যাসের উপরে ভাসছে বাংলাদেশ শুধু মাত্র উত্তোলনের লোকের অভাবের কারনে বেহাত হয়ে পড়ে আছে । নির্ভরযোগ্য সুত্রে এই থবর জানা গেছে ।

সুত্র জানায়   বঙ্গোপসাগরের তলদেশ সহ পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় এই সব মুল্যবান খনিজ সম্পদ রয়েছে। শুধুমাত্র বঙ্গোপসাগরের তলদেশে  ৩ হাজার ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে মোনাজাইট, টাইটানিয়াম, আয়রন, জরকন, রুটাইল, ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ফসফরাস, সালফেট ও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টসহ মূল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছেন দেশের বিজ্ঞানীরা। এছাড়া সম্ভাব্য আরো প্রায় ১শ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস হাইড্রেটের মজুদের সন্ধান্ও পা্ওয়া গেছে বলে জানান বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গ্যাসে ১শ বছরের চাহিদা মিটানো যাবে। গত ২৮ মার্চ কক্সবাজারের পেঁচারদ্বীপে বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সুনীল অর্থনীতির উন্নয়নে সমুদ্র সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শফিকুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ইতি রাণী পোদ্দার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কক্সবাজার সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুর রহমান। সেমিনারে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৯-২০ অর্থবছরের গবেষণা ফলাফলসহ ৭টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। বঙ্গোপসাগরের তলদেশে থাকা বিরল খনিজ সম্পদের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপের ফলাফল তুলে ধরে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভূ-তাত্ত্বিক ওশানোগ্রাফি বিভাগের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, আমাদের সাগরের তলদেশে গ্যাসের যে সম্ভাব্য মজুদ পাওয়া গেছে তা দিয়ে আমরা ১শ বছরের চাহিদা মিটাতে পারব। বর্তমানে দেশে মাত্র ১৪ বছরের গ্যাস মজুদ রয়েছে।
তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে যে বিরল খনিজ পদার্থ রয়েছে তার মধ্যে পারমাণবিক চুল্লির জ্বালানি ও নিরাপত্তাকাজে ব্যবহৃত খনিজও রয়েছে। আর এসব খনিজ উত্তোলন করে আমরা ব্লু-ইকনোমি বা সুনীল অর্থনীতিতে নতুন দুয়ার খুলতে পারি।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, সমুদ্রে প্রায় ২শ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বাংলাদেশের একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল। অথচ গড়ে ৩০ নটিক্যাল পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারছি। অধিকন্তু বাণিজ্যিক ট্রলারগুলোর ৪০ মিটারের কম গভীরতায় মাছ ধরার অনুমতি না থাকলেও তা মানছে না। গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা না থাকায় এদেশের জেলেরা উপকূলের কাছাকাছি মাছ ধরে। এদেশের জেলেরাও যাতে গভীর সাগর থেকে মাছ ধরে আনতে পারে, তাদের প্রশিক্ষণের জন্য শ্রীলংকা থেকে কয়েকজন জেলেকে আনা হচ্ছে।
তিনি বলেন, হ্যাচারিতে পোনার খাদ্য হিসাবে ব্যবহারের জন্য প্রতি বছর বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকার আর্টিমিয়া আমদানি করা হয়। অথচ তিন দশক আগেই এদেশের বিজ্ঞানীরা সফলভাবে আর্টিমিয়া তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এদেশের বিজ্ঞানীরা অতীতে অনেক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। কিন্তু সেই প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কাজে লাগানো হয়নি। সুনীল অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটাতে হলে শুধু প্রযুক্তি উদ্ভাবন করলেই হবে না, সেই প্রযুক্তিকে মাঠ পর্যায়ে কাজে লাগাতে হবে। তবেই জাতি উপকৃত হবে।
সেন্টমার্টিনের কোরালের ওপর গবেষণার ফলাফল তুলে ধরে কেমিক্যাল ওশানোগ্রাফি বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বা জুন-জুলাই মাসে নাফ নদীতে মিষ্টি পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে সেন্টমার্টিনে সাগরের লবণাক্ততা কমে যায়। এ সময় প্রবালগুলোর জীবনচক্রের ওপর কিছুটা চাপ পড়ে। বছরের বাকি সময়ে সেন্টমার্টিনের প্রবালগুলো স্বাস্থ্যবান থাকে।
বঙ্গোপসাগরের রূপতত্ত্ব তুলে ধরেন ফিজিক্যাল ও স্পেস ওশানোগ্রাফি বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রূপক লোধ ও শাহীনুর রহমান। সাগরের পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে গবেষণাপত্র তুলে ধরেন এনভায়রনমেন্টাল ওশানোগ্রাফি ও ক্লাইমেট বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর কাশেম ও সুলতান আল নাহিয়ান। অপ্রলিত খাদ্য ভান্ডারের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণাপত্র তুলে ধরেন ওশানোগ্রাফি ডাটা সেন্টারের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তানিয়া ইসলাম।
আলোচনায় অংশ নেন পরমাণু শক্তি কমিশনের সৈকত খনিজ বালি আহরণ কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মাসুদ করিম, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শেখ নাজমুল হুদা, মৎস্য বিশেষজ্ঞ পলাশ খন্দকার, ইকোলাইফের ম্যানেজার মো. আবদুল কাইয়ুম, শিল্পোদ্যোক্তা ওমর হাসান ও সাংবাদিক আহমদ গিয়াস। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নৌবাহিনীর লে. কমান্ডার মাহবুবুর রহমান সিকদার ও কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান বিপ্লব।

তারা জানান এর আগেেএই খনিজ সম্পদ উত্তোলনের জন্য একাদীক বিদেশী কোম্পানী সিসমেক জরীপ পরিচালনা করে এখানে তেল গ্যাস পা্ওয়ার কথা বলল্ওে পরবর্তিতে রহস্যজনক কারনে এসব কাজ বাস্তবায়ন হয়নি । নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ভুত্তবিদ সিটিজিট্রিবিউনকে জানানিএখানে নানা ধরনের বিদেশী ষড়যন্ত্র রয়েছে তারা নানা ধরনের লবিং  করে বাংলাদেশের সাথে যেসব পাশ্ববর্তি দেশ রয়েছে তারাই এর সাথে জড়িত কেননা  বাংলাদেশ যদি এসব উত্তোলন শুরু করে তাহলে তাদের তেল গ্যাসের ক্ষতি হতে পারে । কেননা বাঙলাদেশের ক্যনেল রুট নিন্মমুখি হ্ওয়ায় সব তেল বাঙলাদেশের দিকে ধাবিত হবে । তাই তারা চাইবে যেভাবেই হোক এই গুলোর উৎপত্তি স্তল সীলগালা করে দিতে।#

 

 

ঢাকা :বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনের নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে ডলার পাঠাতে পারেন। কিন্তু অনেক ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কর্মীদের ব্যাংক হিসাবে জমা ডলার যেকোনও সময় নিজ দেশে নির্বিঘ্নে পাঠাতে দিতে হবে। এতে কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিদেশি মুদ্রায় লেনদেন নীতিমালার আলোকে সাধারণ অনুমোদনের ভিত্তিতেই যোগ্য ব্যক্তিরা হিসাবে থাকা বিদেশি মুদ্রা বাইরের দেশে পাঠাতে পারেন। এর জন্য নতুন করে বা আলাদা অনুমোদনের দরকার হয় না।

কিন্তু কোনও কোনও ব্যাংক এ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। এতে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীরা নিজ দেশে অর্থ পাঠাতে গিয়ে অহেতুক ভোগান্তিতে পড়ছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে কর্মরত বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা স্থানীয় ব্যাংকে বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারেন। এ ছাড়া প্রবাসীরাও দেশের ব্যাংকগুলোতে বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারেন। এ ধরনের হিসাব থেকে অর্থ পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনও অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।

মোহাম্মদ হাসান ফারুক ;চামড়া শিল্প দীর্ঘকাল ধরেই বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ বাজার ও রপ্তানির জন্য চামড়া এবং চামড়াজাত সামগ্রী উৎপাদন করে আসছে। কাঁচা চামড়া এবং সেমিপাকা চামড়া বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রপ্তানি সামগ্রী

বাংলাদেশে চামড়া শিল্পে কম মজুরিতে নিয়োগ করা হচ্ছে শিশুদের৷ যা আরো ভয়াবহ৷ শুধু তাই নয়, রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের ফেলছে হুমকির মুখে৷

বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের ৯০ ভাগই ঢাকার জনবহুল এলাকা হাজারিবাগে৷ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, এই শিল্পে কর্মরত শ্রমিকরা নানা ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন৷ বিশেষ করে শিশুরা যারা এই শিল্পে কাজ করে, তাদের অবস্থা খুবই খারাপ৷ কারখানায় ব্যবহৃত সালফিউরিক অ্যাসিড, ক্রোমিয়াম, সীসা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর৷ এসব কারখানায় নেই কোনো বর্জ্য শোধনের ব্যবস্থা৷ নেই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট৷ বাংলাদেশ জাতীয় পরিবেশ আইনজীবী সমিতির প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ডয়চে ভেলেকে জানান, প্রতিদিন ২২ হাজার লিটার রাসানিক বর্জ্য নির্গত হয় হাজারিবাগের চামড়া কারখানা থেকে৷ যা পরিবেশের ক্ষতি করছে৷ ক্ষতি করছে জনস্বাস্থ্যের৷ আর কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের নেই কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা৷ ফলে তারা ক্যান্সানসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে৷

পরিবেশ আইনজীবী সমিতির আবেদনে আদালত ২০০৫ সালে হাজারিবাগের চামড়া কারখানা ঢাকার বাইরে সরিয়ে নেয়ার আদেশ দেয়৷ কিন্তু বার বার সময় চেয়েও এখনো এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি৷ তবে শিল্পমন্ত্রী দিলিপ বড়ুয়া বলেছেন, ২০১৩ সালে হাজারিবাগের চামড়া কারখানা ঢাকার বাইরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা আছে তাঁদের৷ জবাবে পরিবেশ আইনজীবী সমিতির সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এই দীর্ঘসূত্রিতার জন্য আসলে সরকারই দায়ী৷

বাংলাদেশ প্রতিবছর ৪৬০ মিলিয়ন টাকার চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে উন্নত বিশ্বে৷ কিন্তু এখানে চামড়া শিল্পে পরিবেশ আইন এবং শ্রমিকদের অধিকার কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠা করা যাচ্ছেনা৷ যা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে হতাশ করে৷

ডেস্ক রিপোর্ট :দেশ বরন্য আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফী হুজুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা । এক শোকবার্তায় ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেন

মহান আল্লাহ আল্লামা শফি হুজুরকে জান্নাতুল ফেরদৌসে স্থান দিন। যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন তিনি ইসলামের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন। ইসলাম বিরোধীতা, নাস্তিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন আমৃত্যু তাঁর সংগঠন হেফাজতে ইসলামকে নিয়ে। উনি হাটহাজারী তথা চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ইসলামের কাণ্ডারী হিসাবে বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

শাহবাগ চত্বরকে ঘিরে যখন নাস্তিকদের তাণ্ডবলীলা চলছিল, রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় আল্লাহ-রাসুলের বিরুদ্ধেও বিষোদগার ছড়াচ্ছিল সামাজিক গণমাধ্যমে এই নাস্তিকরা, তখন আল্লামা শফি হুজুরের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে প্রবল শক্তিশালী অবস্থান নেয়। ধার্মিক মুসলমানদের বর্ম হিসাবে আবির্ভূত হয় আল্লামা শফি হুজুরের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম। তাদের এই অবস্থান নেয়াতে ইসলামবিরোধী সরকারও বাধ্য হয় নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

আল্লামা শফি হুজুরের নেতৃত্বে জাতীয়ভাবে হেফাজতে ইসলাম একটা মজবুত অবস্থান তৈরি করে, যা অদ্যাবধি অটুট আছে। শফি হুজুর তাঁর জীবদ্দশায় হেফাজতে ইসলামকে দেশের সরকার এবং বিরোধী দলের কাছে গ্রহণযোগ্য শক্তিশালী ইসলামিক শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন। বিদেশীদের কাছেও হেফাজতের গ্রহণযোগ্যতা সর্বজনবিদিত।

শফি হুজুর, হেফাজত ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হাটহাজারী মাদ্রাসা তথা হাটাহাজারীর নামও পুরো বাংলাদেশের ইসলাম প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই হাটহাজারীর মানুষ শফি হুজুরের কাছে সবসময়ই কৃতজ্ঞ থাকবে।

অন্য পৃথিবীতে মহান আল্লাহ এই জনপ্রিয়, ধর্মপ্রাণ, মানবিক, ব্যক্তিত্ববান মানুষটিকে সর্বতোভাবে সাহায্য করুন।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার,১৮ সেপ্টেম্বর ।

কক্সবাজার শহরের খুরুশকুল সেতু সংলগ্ন বাঁকখালী নদী দখলের অভিযোগে এন আলম ফিলিং স্টেশনের মালিক ভয়ংকর প্রতারক,জালিয়াতি চক্রের হোতা এইচএম নুরুল আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁর একাউন্টের আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়ে উত্তরা ব্যাংক কক্সবাজার শাখায় চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আগামি ২১ সেপ্টেম্বর এইচএম নুরুল আলমকে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এ তলব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, দুদকে তলব সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের জেলা প্রতিনিধি, দ্যা ডেইলি ট্রাইব্যুনাল ও অনলাইন দৈনিক নিউজ কক্সবাজার ডটকম এর সন্পাদক এবং কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়ন সদস্য শাহজাহান চৌধুরী শাহীনকে কক্সবাজার শহর থেকে তুলে নিযে হত্যা হুমকি দেয়ায় এই এন আলম সহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি ( জিডি নং-৮৯৯,তাং-১৭/৯/২০২০ইং)দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত জিডিটি তদন্তের জন্য উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ উল্লাহকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত ওসি মাসুম খান। এর আগে বুধবার রাতে মোবাইল ফোনে সাংবাদিক শাহজাহান চৌধুরী শাহীনকে হুমকি দেয়া হয়। এঘটনায় কক্সবাজারের সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দুদক সূত্র জানান, বাঁকখালী নদীর প্রায় ৫০০ একর জমি দখল করেছেন ১৫৭ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক। তারই অংশ হিসেবে বাঁকখালী নদীর খুরুশকুল সেতু সংলগ্ন প্রায় ২ একর জায়গা দখল করার অভিযোগে এইচএম এন আলমের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
সুত্র মতে, গত মঙ্গলবার প্রাথমিকভাবে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারি পরিচালক মো. শরিফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে তাকে দুদক সমন্বিত জেলা কাযালয় চট্টগ্রাম-২ এ তলব করা হয়েছে।
নোটিশে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি চাওয়ার পাশাপশি এইচএম এন আলমকে আগামি ২১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় নদীর তীরের সত্ত্ব সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র এবং এ বিষয়ে কোন মামলা কিংবা রায় হয়ে থাকলে তার রেকর্ডপত্র নিয়ে হাজির হতে অনুরোধ করা হয়।
নির্ধারিত সময়ে তিনি হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে ‘অভিযোগ সংক্রান্ত তার কোন বক্তব্য নেই’ বলে গণ্য করা হবে।
এদিকে এক চিঠিতে উত্তরা ব্যাংক কক্সবাজার শাখার কাছে এইচএম এন আলমের আর্থিক লেনদেন ও ঋণ দিয়ে থাকলে তার সত্যায়িত কপি চেয়েছে দুদক।
চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দুদক সমন্বিত জেলা কা চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারি পরিচালক মো. শরিফ উদ্দিন।
এদিকে, কেরোসিন বিক্রির করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়া এই এন আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। গত কয়েক বছরের ব্যাবধানে কোটি কোটি টাকার মালিক ও সহায় সম্পত্তির মালিক হওয়া নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ছাড়াও জেলাবাসি হতবাক।
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সহ তার আয়ের উৎস তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সহ তার আয়ের উৎস তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
বিভিন্ন সুত্রে প্রাপ্ত অভিযোগেে জানা গেছে, এই এন আলমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগেে মামলা রয়েছে। ভুয়া খতিয়ানেে জমির আমমোক্তারনামা গ্রহণ, সরকারী কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কালো টাকা নিয়ে নিজের প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার, জমি ও হোটেল দখল, ইয়াবায় পৃষ্ঠপোষকতাসহ নানান অভিায়োগ আছে তার বিরুদ্ধে। প্রতারক এইচএম নুরুল আলম প্রকাশ এন আলম। তার মালিকানাধীন চকরিয়া ফাসিয়াখালী এনপি ফিলিং স্টেশন, রামু তেচ্ছিপুল এন আলম ফিলিং ও কক্সবাজার কলাতলি (পুলিশ লাইনস এর বিপরীতে) কক্সবাজার এলপিজি স্টেশন। তৈল পরিমাপে কারচুপি, ডিজিটাল মিটার নিয়ে প্রতারণা, তেলের সাথে পানি মেশানো দীর্ঘ দিনের অভিযোগ গ্রাহকদের।
এই তিনটি পেট্রোল পাম্প ও গ্যাস পাম্পে চরম ভাবে সাধারণ গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করার বিষয়টি একটি সংস্থা তদন্ত করছেন বলে জানা গেছে।

বোয়ালখালী প্রতিনিধিঃকরে চলাচলের রাস্তার উপর প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে প্রিয় রঞ্জন শীল (৪৯)নামে একসহ ৪ ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী এস,এম ইয়াকুব এ ব্যাপারে ১২ আগস্ট বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার পূর্ব গোমদন্ডী রমেশ শীলের বাড়ীর মৃত বিশ্বেশ্বর শীলের ছেলে প্রিয় রঞ্জন শীল (৪৯), মৃত সুখেন্দ্র শীলের ছেলে বাবুল শীল (৬০), অরবিন্দু শীলের ছেলে বিষু শীল (৩৫), মৃত বিপজী শীলের ছেলে রুপন শীল (৪০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ১ বছর পূর্বে জনৈক কালা মিয়া পিতা- মৃত সালেহ আহাম্মদ, কধুরখীল ইমাম নগর নিকট হতে ৭ গন্ডা সম্পত্তি ক্রয় করিয়া তথায় খরিদ সূত্রে মালিক হইয়া ভোগ দখলে স্থিত আছে বিবাদীগণ দীর্ঘদিন যাবত সম্পত্তি দখলের জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে এবং স্থানীয়ভাবে আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিবাদীগণ গায়ের জোরে প্রচলিত আইন তোয়াক্কা না করে ১২ আগস্ট বিবাদিগণ জোর পূর্বক জবর দখল করে পাঁকা দেয়াল নির্মাণ করার সময় বাধা দিলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ, মারধরের জন্য উদ্যত করে এবং চিরতরে উচ্ছেদ মিথ্যা মামলাসহ প্রাণে মারার হুমকি ধমকি প্রদান করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পূর্ব গোমদন্ডী ইউপি মুরাদ মন্সীরহাট – রমেশ শীল সড়কটির কাজ বাস্তবায়ন করছেন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টান। বাস্তবায়নাধীন ১২’ শ ৫০ মিটিারের এ সড়কটির মাটি খুঁেড় কণক্রিট ঢালার কাজ সবে মাত্র শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে সড়কের এক পাশ ঘেষে নিয়ম নীতির তোয়ক্কা না করে কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন একটি প্রভাবশালী মহল। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার বাঁধা দেয়ার পরও তারা দেয়াল নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখেন এবং বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িকতার রুপ দেয়ার চেষ্টা করেন।
উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন বলেন, সড়কটির পাশে চার ফুট জায়গা থাকার কথা থাকলেও সড়কের পাশ ঘেষে দেয়াল দেয়া হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। যেহেতু এ সড়ক পৌরসভা এলাকায় তাই দেয়াল দিতে পৌরসভার অনুমতি নিতে হবে এবং পৌরসভা বাধা দিয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী এস, এম ইয়াকুব বলেন, আমি সাত ঘণ্টা জায়গার ক্রয়সূত্র মালিক বর্তমানে আমার জায়গাতে বাড়ি নির্মাণ কাজ চলছে, প্রতিদিন চলাচল করে আসছি, কিন্তু ১২ আগস্ট ২০২০ইং, সকালে চলাচল রাস্তায় ওয়াল নির্মাণ করার জন্য স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যু চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও বিজ্ঞ আদালত মামলা করি, অভিযোগ ও বিজ্ঞ আদালতে মামলা কে উপেক্ষা করে তারা দিনে দিনে ওয়াল নির্মাণ করে রাস্তা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, ভূমিদস্যুরা আমাকে চিরতরে উচ্ছেদ মিথ্যা মামলাসহ প্রাণে মারার হুমকি ধমকি প্রদান করছেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল করিম বলেন, এব্যাপারে একটি অভিযোগ ও আদালত ১৪৭ধারা মামলার কপি পেয়েছি। দু,পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থাকার জন্য বলেন তিনি ।
বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম বলেন, কাউকে সড়কের পাশ দখল করে দেয়াল নির্মাণের কোন ধরনের অনুমতি দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রিয় রঞ্জন শীল বলেন, এটা আমাদের প্রাচীনতম শশ্নান, শশ্নান রক্ষার্তে আমরা দেয়াল দিয়েছি।