Home অর্থনীতি

সি টি জি ট্রিবিউন:আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃ১৫ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৩৩ টাকা উদ্বৃত্ত রেখে প্রায় ২১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে জলঢাকা পৌরসভা। মঙ্গলবার দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে এই বাজেট পেশ করেন পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট ।

২০২০-২১ইং অর্থবছরের জন্য পৌরসভাটিতে বাজেট ধরা হয়েছে ২০ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আয় রাখা হয়েছে ২ কোটি ৯৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। পৌরসভাটি থেকে মোট উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা।

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প রাখা হয়েছে এ বাজেটে। এছাড়াও বাজেটে ˆবশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস ও ডেঙ্গুমশা সংক্রমণ রোধকল্পে এ বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে পৌর সুপারমার্কেট নির্মাণের মত মেগা প্রকল্প।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সচিব আশরাফুজ্জামান, প্রকৌশলী জোবাইদুল হক, হিসাব রক্ষক আওলাদ হোসেন, কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ রায়, রহমত আলী, রুহুল আমিন, জিয়াউর রহমান জিয়া, মহসিন আলী, ফজলুর রহমান,

সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যসহ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকবৃন্দ।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এমনিতেই মানুষের আয়-রোজগার বন্ধ। উপরন্তু বিলম্ব ফি মওকুফ থাকায় এবার অনেককেই একত্রে দিতে হচ্ছে তিন মাসের বিল। এতকিছুর পরও যখন স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বিদ্যুত বিল বেশি আসে তখন সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েন গ্রাহকরা। দেশের অসংখ্য গ্রাহক এবার এমন অতিরিক্ত বিলের বিড়ম্বনায় পড়েছেন। বিষয়টা স্বীকার করে নিয়ে এর সমাধান বাতলে দিলেন বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

তিনি বলেন, আমাদের কাছেও এ সংক্রান্ত প্রচুর অভিযোগ এসেছে। আসলে করোনাভাইরাস এই সমস্যার জন্য অনেকখানি দায়ী। মিটার রিডিংয়ের দায়িত্বে যারা আছেন, ভাইরাসের ভয়ে তারা অনেকেই এবার সরেজমিনে গিয়ে সেটা করতে পারেননি। আমাদের নির্দেশনা ছিল, সেক্ষেত্রে গত মাসগুলোর সঙ্গে তুলনা করে বিল তৈরি করতে হবে। এটা করতে করতে গিয়েই অনেক গ্রাহকের ক্ষেত্রে বিল বেশি তুলে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরো বলেন- আমি বেশ কয়েকবার গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট করেই বলেছি, আপনাদের যার যে অভিযোগ আছে তা নিকটস্থ অফিসারকে জানান, তারা সঙ্গে সঙ্গে ঠিক করে দেবে। আমাদের যে ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো আছে তাদেরকে গ্রাহকের এই সমস্যার কথা জানিয়ে সমাধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা সমাধান না করে তাহলে তার ওপরের কর্মকর্তাকে জানান। যদি তাতেও না হয়, আমাকে মেইল করুন।প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এমন অনেকেই ইতোমধ্যে আমাকে মেইল করেছেন, সেসব প্রত্যেকটি মেইল যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে ফরোয়ার্ড করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছি। তাই এ নিয়ে আপনারা হতাশ হবেন না। আমাদের ৪ কোটি গ্রাহকের মধ্যে অন্তত কয়েক লাখ গ্রাহক এবার অতিরিক্ত বিলের বিড়ম্বনায় পড়েছেন। আমরাও চেষ্টা করছি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে।

চীনের বাজারে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশই শুল্ক মুক্ত প্রবেশের সুবিধা পেয়েছে। এর ফলে দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ৫ হাজার ১৬১টি পণ্য শুল্ক মুক্ত রপ্তানির সুবিধা পাবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান বিষয়টি জানিয়েছেন বলে বার্তায় বলা হয়।

চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হবে।

এ ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির এটা বড় অর্জন। বেইজিংয়ের এই ঘোষণার ফলে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্যই শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাবে। এক অর্থে এটাকে শত ভাগ শুল্ক মুক্ত রপ্তানি সুবিধাও বলা যায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতির মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশের বাজারেও যাতে বাংলাদেশের পণ্য শুল্ক মুক্ত সুবিধা পায় সে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

test 1