Home অপরাধ

সি টি জি ট্রিবিউন স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর ডিমলায় পাষণ্ড স্বামী ও তার পরিবার কর্তৃক পাশবিক নির্যাতনের শিকার কাকলী গুরুতর আহত অবস্থায় জলঢাকা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
গক রোববার রাতে প্রথম দফায় স্বামীর পরে শাশুড়ী ননদের পাশবিক নির্যাতনে গুরুতর আহত হয়ে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয় ওই নির্যাতিত নারী খাতিজাতুন জান্নাত কাকলী আক্তার (২০)।

অভিযুক্ত নির্যাতনকারীরা, স্বামী নাজমুল হুদা, শাশুড়ী নাজলী বেগম, ননদ আরজুমা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। এরা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রামের আমিনুর রহমান মাওলানার পরিবার।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, খাতিজাতুন জান্নাত কাকলী আক্তারকে বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে স্বামী নাজমুল হুদা।
সে যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই কাকলী আক্তারের উপর নির্যাতন চালায় পাষণ্ড স্বামী নাজমুল হুদা।

নির্যাতিত কাকলী কয়েক দফা হাসপাতালে এবং গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন। এঘটনায় বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠকে ভালো হয়ে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্ত্রী কাকলী আক্তারকে বাড়িতে নিয়ে যায়। কিছুদিন যেতে না যেতেই আবারও শুরু হয় নির্যাতন। সর্বশেষ রোববার রাতে তাকে বেধরক মারধর করলে সে গুরুতর আহত হয়।

গৃহবধূ খাতিজাতুন জান্নাত কাকলী আক্তার এ প্রতিবেদককে বলেন, “বিয়ের পর থেকেই প্রায়ই তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে আমার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় আমার স্বামী। প্রায় আমাকে বলে যা তোর বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আয়। এ নিয়ে কথায় কথায় আমাকে মারধর করে।সে অন্য মেয়ের সাথে মোবাইলেও কথা বলে।

আমি কিছু বলতে গেলে এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিন আমাকে নির্যাতন করে। পরশুদিন হঠাৎ বাড়িতে এসে আমার বাবার দেয়া মোটরসাইকেল আমার সামনে লাথি মারতে থাকে।আমি কিছু বলতে গেলে আমাকে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে।

এরপর আমাকে বেধরক মারপিট করে। তারপর আমার শাশুড়ী ননদরাও আমাকে মেরেছে। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচারের দাবি জানাচ্ছি। বক্তব্যের জন্য অভিযুক্ত পরিবারের সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করলেও তারা মিডিয়ার সামনে বক্তব্য দিতে আসেনি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

0 0

সি টি জি ট্রিবিউনবোয়ালখালী প্রতিনিধি : বোয়ালখালীতে ধর্ষণের শিকার হয়ে (১৭) বছরের এক কিশোরী অন্তসত্ত্বা হওয়ার ঘটনার ৮ মাস পর মামলা হয়েছে। ৭ জুলাই মঙ্গলবার রাত ২টার সময় কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধর্ষক মিন্টু চন্দ্র (২২) কে প্রধান, বাবা বাঁশি চন্দ্রকে ২নং, মা ছেনু চন্দ্রকে ৩নং আসামি করে বোয়ালখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

বর্তমানে কিশোরী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আগামী জুলাই তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কিশোরীর মামলা সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনাটি বোয়ালখালী উপজেলার ৬নং পোপাদিয়া ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ডে কাহার পাড়া।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৭ অক্টোবর রাতে কিশোরীকে ঘরে রেখে বাবা ও মা কালিপুজোয় পূজা দিতে যায়। সেই রাত সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরীকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ীর বাঁশি চন্দ্রের ছেলে মিন্টু চন্দ্র ঘরে ঢুকে জোর করে তাকে ধর্ষণ করে। কিশোরী চিৎকার করার চেষ্টা করলে ধর্ষণকারী মিন্টু চন্দ্র তার মুখ চেপে ধরে। পরে ফেব্রুয়ারি মাসে কিশোরীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু হলে ঘটনাটি মিন্টুর পরিবারকে জানায় কিশোরীর পরিবার।

ধর্ষণকারী মিন্টুর বাবা বাঁশি চন্দ্র কিশোরীকে ছেলের বউ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকলে ঘটনাটি কিশোরীর পরিবার স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানায়। চেয়ারম্যান ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। পরে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণের কারণে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, অভিযোগ পেয়ে ৭ জুলাই রাতে মামলা রজু করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মঙ্গলবার সকালে কিশোরীকে জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার নামে এ ধরনের ঘটনার দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করাটা দুঃখজনক। এসব ঘটনা কোনোভাবে স্থানীয়ভাবে আপসযোগ্যও না।

সোমবার (৬জুলাই,২০২০খ্রি:) দুপুরে :পিয়নের ব্যাংক হিসাবে ৩০ কোটি টাকা ।লিবিয়ায় মানব পাচারের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে সিআইডি। মানবপাচারে জড়িত এখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। আর গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একটি রিক্রুটিং এজেন্সির একজন পিয়নও রয়েছেন।

সেই পিয়নের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০-৩০ কোটি টাকা রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন সিআইডির তদন্তাকারীরা। , সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত সিআইডি হেড কোয়ার্টার্সে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য দিয়েছেন ।তিনি জানান, মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত গডফাদাররা আমাদের নজরদারিতে রয়েছ।সিআইডির সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন বিভাগের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘কুয়েতে মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত সংসদ সদস্য মো. শহিদ ইসলাম পাপুলের বিষয়ে কুয়েতে তদন্ত চলছে। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা কাজ করছি।’

সংসদ সদস্য মো. শহিদ ইসলাম পাপুলের সম্পর্কে অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। এছাড়াও এটি আন্তর্জাতিক একটি ইস্যু হওয়ায় অনেক বিষয়ে বিবেচনা করেই কাজ করতে হচ্ছে। আশা করি খুব শিগগিরই এ বিষয়ে জানাতে পারব।’

সিআইডি প্রধান আরো বলেন, ‘মানবপাচারকারীদের বিষয়ে সরকারের দুটি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে আমরা দুটি তালিকা পেয়েছি। এছাড়াও পাচার হওয়া ভূক্তভোগী, তাদের পরিবার ও বিভিন্ন দেশের অ্যাম্বাসি থেকে অনেক নাম পাওয়া গেছে।

তাদেরও আমরা নজরদারিতে রেখেছি। আমরা মানবপাচারকারী চক্রের গডফাদারদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছি।মানবপাচারকারী যারা আটক হয়েছে তাদের কাছ থেকেও আমরা অনেক নাম পেয়েছি।

সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাদের গ্রেফতার করতে পারলে অবশ্যই সামনে নিয়ে আসব।’

সি টি জি ট্রিবিউন :চুক্তি ভঙ্গ করে করোনা রোগীদের থেকে বিল আদায়, ভুয়া প্রতিবেদন তৈরিসহ নানা অভিযোগে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। সেখান থেকে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপকসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. শাহেদ পলাতক।

সোমবার দুপুরের পর থেকে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর সড়কের ওই হাসপাতালে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। এতে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম। সন্ধ্যার পর তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত আটটা) অভিযান চলমান।

র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমের ব্রিফিং থেকে জানা যায়, রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তিন ধরনের অভিযোগ ও অপরাধের প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। প্রথমত, তারা করোনার নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করত। এ ধরনের ১৪টি অভিযোগ র‌্যাবের কাছে জমা পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযান।

দ্বিতীয়ত, হাসপাতালটির সঙ্গে সরকারের চুক্তি ছিল ভর্তি রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার। সরকার এই ব্যয় বহন করবে। কিন্তু তারা রোগীপ্রতি লক্ষাধিক টাকা বিল আদায় করেছে (এ সময় সারোয়ার আলম গণমাধ্যমকর্মীদের বিলের নথি দেখান)। পাশাপাশি রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে এই মর্মে সরকারের কাছে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার বেশি বিল জমা দেয়। সারোয়ার আলম বলেন, রিজেন্ট হাসপাতাল এ পর্যন্ত শ দুয়েক কোভিড রোগীর চিকিৎসা দিয়েছে।

সারোয়ার আলমের ব্রিফিং থেকে জানা যায়, রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তৃতীয় অপরাধ হলো, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ছিল ভর্তি রোগীদের তারা কোভিড পরীক্ষা করবে বিনা মূল্যে। কিন্তু তারা আইইডিসিআর, আইটিএইচ ও নিপসম থেকে ৪ হাজার ২০০ রোগীর বিনা মূল্যে নমুনা পরীক্ষা করিয়ে এনেছে। পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষা না করেই আরও তিন গুণ লোকের ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরি করে।

সারোয়ার আলম আরও জানান, অভিযানে দেখা গেছে, রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্স ২০১৪ সালে শেষ হয়ে যায়। এরপর আর লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। কীভাবে সরকার এমন একটি হাসপাতালের সঙ্গে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা চুক্তিতে গেল, তা খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে র‌্যাবের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে ঔষধ প্রশাসনের পরিচয়সংবলিত লোকজনকে দেখা গেছে।

সারোয়ার আলম আরও বলেন, র‌্যাব এমন একটি অভিযান চালাবে তা টের পেয়েছেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ। অন্য কেউ তাঁর নামে এমন অপকর্ম করছেন, এমন মর্মে শাহেদ দিন দুয়েক আগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সারোয়ার আলমের ভাষ্য, মূলত নিজের অপরাধ ঢাকতে শাহেদ জিডির আশ্রয় নিয়েছেন।

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃঢাকা টু বেতুয়া নৌরুটে চলাচলকারী লঞ্চ কর্ণফুলী-১৩ স্টাফদের যৌন হয়রানি থেকে বাঁচতে মেঘনা নদীতে ঝাঁপ দেন এক কিশোরী যাত্রী।

নদীতে ঝাপ দেয়ার পর লঞ্চ কর্তৃপক্ষ কিশোরীকে নদী থেকে উদ্ধার না করে ঢাকায় চলে যায়। পরে মাছ ধরার ট্রলারের মাঝিরা কিশোরীকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে ওই কিশোরী তজুমদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তজুমদ্দিন উপজেলার বিচ্ছিন্ন তেলিয়ার চরের মোঃ কবিরের কিশোরী কন্যা (১৬) কাজের সন্ধানে ৪ জুলাই শনিবার ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে তজুমদ্দিন স্লুইজঘাট থেকে কর্ণফুলী-১৩ লঞ্চে উঠেন।

লঞ্চে উঠার পর লঞ্চের স্টাফরা ওই কিশোরীকে বিভিন্ন কুপ্রস্তাবের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করতে থাকেন।
এক পর্যায়ে কিশোরীকে তাদের সাথে কেবিনে রাত্রি যাপন করতে টানাটানি করলে ইজ্জত রক্ষার্থে সে নদীতে ঝাপ দেন। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করতে একটি বয়া ফেললেও পানির স্রোতে বয়া ধরতে পারেনি কিশোরী।
পরবর্তীতে তাকে উদ্ধারে অন্যকোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই ঢাকার উদ্দেশ্যে চলে যান লঞ্চটি। নদীতে ঝাপ দেয়ার প্রায় ৩ ঘন্টা পর জেলেরা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে কিশোরী তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

জানতে চাইলে কিশোরীকে উদ্ধার করা নৌকার জেলে রায়হান বলেন, সন্ধ্যার সময় আমার নদীতে মাছ ধরার জন্য নৌকা প্রস্তুত করছিলাম হঠাৎ নদীর মাঝে একজন লোক বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার দিতে শুনে আমার তাকে উদ্ধার করে দেখি মেয়টিকে। পরে তাকে মিজান তালুকদারসহ অন্যরা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে থাকা তজুমদ্দিন থানার এসআই মোঃ শামীম বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরীর সাথে কথা হয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত চলছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কবির সোহেল বলেন, লঞ্চের স্টাফরা অনৈতিক প্রস্তাব দিলে সে নদীতে ঝাপ দেয়ার সময় ডান হাতে আঘাত পায়।

জেলেরা নদী থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনলে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আগের চেয়ে ভালো রয়েছে।

সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জাধীন খুটাখালী বনবিটে বনাঞ্চলের মুল্যবান গাছ কেটে পাচারের সময় চোরাই গর্জন কাঠ ভর্তি একটি ট্রাক (ডাম্পার) জব্দ করেছে বনকর্মীরা। শনিবার ৪ জুলাই ভোররাতে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এসএ জাকারিয়ার নেতৃত্বে একদল বনকর্মী খুটাখালী কালাপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায়। আটক কাঠ ও ট্রাকের মুল্য অন্তত ১৫ লাখ টাকা।
ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এসএ জাকারিয়া জানান, করোনা সংকটের সুযোগে খুটাখালী বিটের কালাপাড়া এলাকায় বনাঞ্চল ধ্বংস করে মুল্যবান কাঠ ডাম্পার যোগে পাচারের খবর পেয়ে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো তহিদুল ইসলামের নির্দেশে ৪ জুলাই ভোররাতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় মূল্যবান গর্জন গোলকাঠ বোঝাই একটি ড্যাম্পার গাড়ি অাটক করা হয়। চালক ও কাঠ পাচারকারীরা কৌশলে পালিয়ে যায়।
আটককৃত গাড়িটি ফুলছড়ি রেঞ্জ হেফাজতে আনা হয়েছে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযানে খুুুটাখালী বিটের বনকর্মী, ফুলছড়ি বিটের হেডম্যান আবদু শুক্কুরসহ একদল বনকর্মী অংশ নেন। বিশ্বব্যাপি মহামারি কোভিড-১৯ করোনার মধ্যেও বন বিভাগের কার্যক্রম থেমে নেই বলে জানান তিনি।
……
শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।
০১৮১৫৮১২৮৭২

সি টি জি ট্রিবিউন দেলোয়ার হোসেইন (মহেশখালী কক্সবাজার) প্রতিনিধি:মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের
মেহেরিয়া পাড়ায় মাদক আসক্ত ভাই কতৃক বড় ভাই ও ভাবিকে নির্যাতনে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে রক্তাক্ত আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

ওই হামলায় মাের্শেদা বেগম ও নুর বাদশাকে রক্তাক্ত আহত করেছে মাদক আসক্ত ভাই আলম বাদশা।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ০৪ জুলাই সন্ধ্যায় কুতুবজোম ইউনিয়নের মেহেরিয়া পাড়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়ঃ-

একই এলাকার চিহ্নিত মাদক আসক্ত আলম বাদশা
নেতৃত্বে মােঃ কাছিম,আবদু শুকুর, গফুর বাদশা কালাইয়া,শাহাব উদ্দিন জিন্নাহ সহ একদল অবৈধ অস্ত্রধারী ৭/১২ জন যুবক পূর্ব পরিকল্পানা মোবাবেক তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে হামলা চালিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে মাটিতে পেলে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্নের চেইন চিন্তায় করে।

স্থানীয় এলাকার লোকজন আগাইয়া আসতে দেখে মাদক আসক্ত সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে জানা যায়।

স্থানীয় লোকজন আহত কে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। আহত অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডা:আহত কে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফাড করেন।

এব্যাপারে মহেশখালী থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন তদন্ত পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 0

চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে সীমান্তে বিএসএফের গুলি ও নির্যাতনে বাংলাদেশিদের মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সংগ্রহ করা তথ্য থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ পিলার

বেসরকারি সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বলছে, এ বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) সীমান্তে ২৫ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২১ জনই নিহত হয়েছেন বিএসএফের গুলিতে।

সংগঠনটি বলছে, দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তারা এই রিপোর্ট তৈরি করেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৯ সালের প্রথম ছয় মাসে বিএসএফের গুলিতে ১৮ জন বাংলাদেশি নিহত হন। এ ছাড়া ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের নির্যাতনে দুই জনের মৃত্যু হয়। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে সীমান্ত হত্যার সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছিল।

bangladesh india border innerসীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে ভারত

আসকের তথ্যমতে, ২০১৯ সালে বিএসএফের হাতে ৪৩ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩৭ জনই গুলিতে প্রাণ হারান। বাকি ৬ জন নির্যাতনে মারা যান। অথচ আগের বছর (২০১৮) এ সংখ্যা ছিল ১৪ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত যারা সীমান্তে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন সীমান্তে।

জানা যায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ২০০৯ সালে বিএসএফের গুলি ও নির্যাতনে ৬৬ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। এ ছাড়া ২০১০ সালে ৫৫ জন, ২০১১ ও ২০১২ সালে ২৪ জন করে, ২০১৩ সালে ১৮ জন, ২০১৪ সালে ২৪ জন, ২০১৫ সালে ৩৮ জন, ২০১৬ সালে ২৫ জন, ২০১৭ সালে ১৭ জন নিহত হন।

তবে বেসরকারি সংস্থাগুলো মনে করে, সীমান্তে হত্যার সংখ্যা আরো অনেক বেশি। যা অনেক সময় মিডিয়া পর্যন্ত আসেই না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কে অনেক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু এর প্রতিফলন দুই দেশের সীমান্তে চোখে পড়েনি।

অবশ্য ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কর্মকর্তারা বলছেন, বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতরা সীমান্তে ভারতীয় রক্ষীদের ওপর আক্রমণ করলেই কেবল প্রাণ বাঁচানোর স্বার্থে গুলি চালানো হয়।

News: 24 live news pepar .com

সি টি জি ট্রিবিউন প্রতিনিধিঃ ধুতাঙ্গ কুঠির ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে।চট্টগ্রামের রাউজানস্থ আন্তর্জাতিক উপাসনালয় “ধুতাঙ্গ কুঠির” ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে । গত ২৬ জুন’২০২০ ছিল ধুতাঙ্গ কুঠিরের অন্যতম পুরোধা প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ভদন্ত শীলানন্দ থের(ধূতাঙ্গ ভান্তে) এর ২২ তম উপসম্পদা দিবস। এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে সীমিত আকারে অনুষ্ঠান করার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল ।

উক্ত অনুষ্ঠানের দিন আগত পূণ্যার্থী ও অতিথিদের কাউকেই ঢুকতে দেয়নি স্থানীয় কিছু লোকজন। এবং আগত ভক্তদের উপর হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অবস্থানরত ধূতাঙ্গ ভান্তের শিষ্যগণ ।

২০১৪ সাল হতে স্থানীয় গুটি কয়েক লোকজন এ ধ্বংসলীলা চালানোর পরিকল্পনা করে আসছেন বলেও জানান এবং আরো জানান স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে স্থানীয় লোকজন এমন হীন কর্মকান্ড করার সাহস পাচ্ছেন । রাউজান থানার ওসি, এ ব্যাপারে জানান,’ মূলত কোন বহিরাগত নয়, কমিটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দ্বন্দ্ব এজন্যই প্রশাসনিক কোন হস্তক্ষেপ করছেন না ‘

ধূতাঙ্গ ভান্তে , এমন হীন কর্মকান্ড বন্ধে প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন । প্রতিবছর বৌদ্ধদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যেমন- ভারত, শ্রীলংকা ,কম্বোডিয়া,ভিয়েতনাম প্রভৃতি দেশ হতে পূণ্যার্থীরা এখানে আসেন এবং উপাসনা করেন ।

ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছেন কুঠিরে অবস্থানরত শিষ্য ও স্থানীয় ভক্তগণ ।

রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে একজন ‘ভুয়া’ চিকিৎসক ও হাসপাতালের ফার্মেসিতে অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহারের জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনহীন ইনজেকশন ও সার্জিক্যাল পণ্য পাওয়া গেছে। আজ রোববার দুপুর ১২টা থেকে এ অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৩)।

এ সময় ইউনানীর সনদ নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতো এলোপ্যাথিক চিকিৎসা দেয়ায় ‘ভুয়া’ চিকিৎসক মিজানুর রহমানকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনহীন ইনজেকশন ও সার্জিক্যাল পণ্য রাখায় প্রতিষ্ঠানটির ফার্মেসিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, অভিযান চলাকালে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনহীন (যেটা ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী সংক্ষেপে ডিএআর বলে) অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত ইনজেকশন জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সার্জিক্যাল আইটেম জব্দ করা হয়েছে।

অনুমোদনহীন এসব মেডিকেল সামগ্রী রাখার অপরাধে ফার্মেসির দায়িত্বে থাকা ফার্মাসিস্ট শফিউল ইসলাম ও আব্দুল জলিলকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘ইউনানী হেকিম হিসেবে চিকিৎসার জন্য সাময়িক সনদ নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিতেন ভুয়া চিকিৎসক মিজানুর রহমান। তার প্যাডে এলোপ্যাথি চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন করার কোনো সুযোগ নেই। অথচ তিনি নিজেকে হেকিম নয়, বরং ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন।’

অসংখ্য ভুয়া ডিগ্রি তার প্রেসক্রিপশনে যুক্ত আছে। সেগুলোর কোনো সত্যতা কিংবা ভিত্তি নেই। সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করতেই তিনি ভুয়া ডিগ্রি যুক্ত করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও অর্থের ক্ষতিসাধন করেন। এ ব্যাপারে ওই চিকিৎসক কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলে জানান পলাশ কুমার বসু।

এমন ‘ভুয়া’ চিকিৎসককে বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রচার ও চেম্বারে বসার সুযোগ করে দেয়ায় হাসপাতালটির অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারভাইজার মো. হাসিনুর রহমানকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।