Home অপরাধ

ধর্ষণের মামলায়(এএসআই) বরখাস্ত

সিটিজিট্রিবিউন : খুলনায় ভারতফেরত কোয়ারেন্টিনে থাকা এক তরুণীকে (২২) ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোখলেছুর রহমানকে সামরিক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. জাহাংগীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী খুলনায় থানায় এএসআই মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই হামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়ে

মো. জাহাংগীর আলম জানান, গত ১৩ মে রাত ১টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত খুলনা প্রাইমারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের (পিটিআই) মহিলা হোস্টেলে ভারতফেরত কোয়ারেন্টিনে অবস্থানরতদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন মোকলেছুর রহমান। ডিউটিতে থাকাকালীন উক্ত এএসআই কোয়ারেন্টিনে অবস্থানরত এক তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরের রাতে আবারও ওই তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই তরুণী চিৎকার করলে এএসআই মাকলেছুর দ্রুত নিচে নেমে যায়। ঘটনাটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসলে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলে।

তিনি আরও জানান, এএসআই মোকলেছুর রহমানকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। নির্যাতিত তরুণী খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রতিবেদন:কেইউকে:

 

 

 

 

 

চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানাধীন মোস্তফা হাকীম বাগানবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর জনি (২৪) হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামী সাজ্জাদ (২০)’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র‌্যাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী, মানবপাচারকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন হালিশহর হাউজিং এলাকায় আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর মোঃ জনি (২৪) হত্যার ঘটনায় ভিকটিমের পিতা মোঃ নূর আলম (৪০), পিতা শফি ইসলাম, সাং- সবুজবাগ, খাঁনবাড়ী, থানা- হালিশহর, চট্টগ্রাম মহানগর বাদী হয়ে গত ০৬/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-০৩, তাং-০৬/০৫/২০২১ ইং। মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ছায়াতদন্ত শুরু করে। ছায়াতদন্তের এক পর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে, উক্ত মামলার এজহারনামীয় একজন আসামী সাজ্জাদ (২০) চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানাধীন মোস্তফা হাকীম বাগানবাড়ী এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ১৭ মে ২০২১ ইং তারিখ ০০৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল উল্লেখিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী সাজ্জাদ (২০), পিতা-আকবর হোসেন, স্থায়ী সাং-কলাতলী, থানা-পটিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে- বøক-আই, লেন-০৭, হালিশহর হাউজিং, থানা-হালিশহর, চট্টগ্রাম মহানগরী’কে আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, সে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার উপরোল্লিখিত মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামী।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

হাবুডবু খাচ্চে পিবিআই:এতো সুন্দর স্ত্রীকে কেন খুন করালো বাবুল আক্তার?

:কামাল উদ্দিন খোকন:

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে আবারও দেশ জুড়ে আলোচনা চলছে। হত্যা মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন মিতুর স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তার। গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে বাবুলের পরকীয়া, কল রেকর্ডসহ বিভিন্ন আলামত। তবে বাবুল-মিতু দম্পতির সন্তানদের খোঁজ খবর নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। গত সাড়ে বছর ধরে বাবুল-মিতুর সন্তান কোথায় আছে, সে খবর জানেন না মিতুর মা-বাবা।

বাবুল-মিতু দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে মাহির আক্তার, তার বর্তমান বয়স ১২ বছর। মেয়ে নিখাদ আক্তার তাবাসুম, তার বর্তমান বয়স ৯ বছর। এ বিষয়ে মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন  জানান তিন বছর ধরে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি তারা। সর্বশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে কথা হয়েছিল। বাবুল আক্তার ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের (ব্লক: সি, বাড়ি নম্বর: ২২, লেভেল: ৭) যে ঠিকানা দিয়েছিল, সেই ঠিকানা ভুল ছিল।

মোশারফ হোসেন আরও জানান, বাবুলের আগের বাসার ঠিকানায় আমি ও আমার স্ত্রী নাতি-নাতনিদের খোঁজ খবর নিতে গেলে বাবুলের বাসার দারোয়ান আমাদের ঢুকতে দিতো না। এমনকি আমরা গেলে বাবুলের লোকজনরা আমাদের হেনস্থা করতো। আমরা নাতি-নাতনিদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। আমাদের নাতি-নাতনিদের বর্তমানে কোথায় আছে, কার কাছে আছে তা জানতে অনেক মাধ্যমেই চেষ্টা করেছি। সর্বশেষ বাবুলের ভাই সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ড. শাহাবুল সঙ্গে কথা বলেছি। তিনিও বাবুলের বর্তমান ঠিকানা দেননি। বাবুল-মিতুর সন্তানরা কোথায় আছে তা তিনি জানেন না বলে আমাদের জানান।

চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, বাবুল আক্তার পুলিশকে তার বাসার ভুল ঠিকানা দিয়েছেন। পরে বাবুল আক্তারের গাড়িচালকের সহায়তায় সঠিক ঠিকানা খুঁজে বের করা হয়। কিন্তু মোহাম্মদপুরের ওই বাসায় বাবুলের সন্তানদের পাওয়া যায়নি।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ে সাত বছরের ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন মিতু। এ সময় ছেলেকে ধরে রেখেছিল বাবুল আক্তারের সোর্স কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, যাকে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে।

ওই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ছেলে মাহিরের বক্তব্য নেওয়া হবে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা। তিনি বলেন, বাবুল আক্তার এখন পুলিশ হেফাজতে আছেন। রিমান্ড শেষে পিবিআই তার ছেলের সঙ্গে কথা বলবে।

পাশাপাশি মিতু হত্যা মামলার দুই আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা ও খায়রুল ইসলাম কালুসহ ৮ আসামির ব্যাপারে দেশের সব বিমানবন্দর ও সীমান্তে তথ্য পাঠাবে পিবিআই। মামলার কোনো আসামি যাতে দেশত্যাগ করতে না পারে সেজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

বুধবার (১৩ মে) চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া নতুন একটি মামলায় নিহতের স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। এর আগে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের বিরুদ্ধে বন্দরনগরীর পাঁচলাইশ থানায় নতুন একটি মামলা করেন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন। ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন পুলিশ সুপার ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে স্বামী বাবুল আক্তারের নাম।: চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় তার (বাবুল) করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)এতে মিতু হত্যায় বাবুলের সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত মুছার মোবাইল ফোনে কল যায় তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তারের মোবাইল ফোন থেকে। মাত্র ২৭ সেকেন্ডের মোবাইল ফোনের কথোপকথনের রেকর্ডটিই এখন মিতু হত্যার প্রধান আলামত ও সাক্ষী।

সালাম দিয়ে মুছা ফোনটি রিসিভ করতেই ওপার থেকে বাবুল আক্তার বলেন, ‘তুই কোপালি ক্যান? ৩/৪ সেকেন্ড থেমে আবার বলেন, বল তুই কোপালি ক্যান? তোরে কোপাতে কইছি? ওপার থেকে মুছার কথা, না মানে’।’ বাবুল আক্তার ফোনটি কেটে দেন।

এই ২৭ সেকেন্ড কলের কথোপকথনের রেকর্ড পেয়েই হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিন পর ২০১৬ সালের ২৪ জুন রাতে বনশ্রীর শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুলকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

তার কিছু দিন পর বাবুল আক্তার পুলিশের চাকরি ছেড়ে দেন। মিতু হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল দুই সন্তান আক্তার মাহমুদ মাহী ও তাবাসুম তাজনিন টাপুরকে নিয়ে ঢাকার বনশ্রীর ভূঁইয়া পাড়ার শ্বশুরবাড়িতে উঠেছিলেন। তবে কয়েক মাস পর আলাদা বাসা ভাড়া করে সন্তানদের নিয়ে চলে যান। বাবুল আক্তার পরে মগবাজারে একটি হাসপাতালের কর্মকর্তা হিসাবে যোগদেন।

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় তার (বাবুল) করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এতে মিতু হত্যায় বাবুলের সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

এ বিষয়ে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রামের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, স্ত্রী হত্যায় বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। কারণ, বাবুল মামলার বাদী। কক্সবাজারে কর্মরত অবস্থায় জনৈক গায়ত্রী অমর শিং নামে এক এনজিও কর্মীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। এ নিয়ে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে বাবুল আক্তার নিজেই স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে খুনের পরিকল্পনা করেন।

আর এই পরিকল্পনা থেকেই বাবুলের নির্দেশনা অনুযায়ী নৃশংসভাবে খুন করা হয় মিতুকে।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বহুল আলোচিত মিতু হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ বছর পর বুধবার (১২ মে) চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে আরো একটি হত্যা মামলা মামলা দায়ের করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। ওই মামলায় বাবুল আক্তারকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পিবিআই।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালে বাবুল আক্তার কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন ইউএনএইচসিআরের এক ফিল্ড অফিসার (প্রটেকশন) গায়ত্রী অমর শিংয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে ওই নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বাবুল আক্তার, এর জেরে তার পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। পরকীয়ার বিষয়টি মিতু জেনে গেলে এর প্রতিবাদ করায় মিতুকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন বাবুল।

২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত বাবুল আক্তার সুদানে জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত ছিলেন। তখন তার মোবাইল রেখে যান বাসায়। গায়ত্রী ওই মোবাইল নম্বরে বিভিন্ন সময়ে ২৯টি মেসেজ পাঠান। মেসেজগুলো মিতু তার ব্যবহৃত একটি খাতায় লিখে রাখেন।

হত্যাকাণ্ডের কয়েকমাস আগে বাবুল আক্তার চীনে যান প্রশিক্ষণের জন্য। তখন বাবুল আক্তারকে গায়ত্রীর উপহার দেওয়া ‘তালিবান’ ও ‘বেস্ট কেপ্ট সিক্রেট’ নামে দু’টি বই পান মিতু। তালিবান বইয়ের তৃতীয় পাতায় গায়ত্রীর নিজ হাতে ইংরেজিতে লেখা আছে— 05/10/13, Coxsbazar, Bangladesh. Hope the memory of my offering you this personal gift, shall etarnalize our wonderful bound, love you, Gaitree.

একই বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা ২৭৬ নম্বরের পরের পাতায় বাবুল আক্তারের নিজের হাতে লেখা আছে গায়ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা। এজাহার অনুযায়ী, ‘First meet: 11 Sept, 2013, First PR in Cox. 07 Oct 2013. G Birth Day, 10 October, First Kissed, 05 Oct 2013; First beach walk: 8th Oct, 2013, 11 Oct 2013, Marmaid with family, 12 Oct 013, Temple Ramu Prayed Together, 13 Oct 2013; Ramu Rubber Garden Chakaria night beach walk.’ এছাড়া ‘বেস্ট কেপ্ট সিক্রেট’ বইটির প্রথম দিকের দ্বিতীয় পাতায় গায়েত্রীর নিজ হাতে ইংরেজিতে লেখা আছে “‘5/10/2013; with my sincere love.’ Yours Gaitree.”

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা শুরু থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন। পরে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া গেছে। আবার মুসা ছিলেন বাবুল আক্তারের সোর্স। অথচ হত্যাকাণ্ডের পর তদন্তের পর্যায়ে বাবুল আক্তার দাবি করেছিলেন, মুসাকে তিনি চেনেন না। মুসা দীর্ঘদিনের পরিচিত হওয়া স্বত্ত্বেও সুকৌশলে তাকে শনাক্ত না করে জঙ্গিদের দ্বারা হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে দাবি করে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন বাবুল।

মিতু খুনে তিন লাখ টাকার লেনদেন

পিবিআই সূত্র জানায়, বাবুল আক্তারের পূর্বপরিচিত ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক অংশীদার সাইফুল হক। সাইফুল হক ও গাজী আল মামুন নামে আরেক ব্যক্তি আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে সাইফুল হক জানিয়েছেন, মিতু হত্যার তিন দিন পর তিনি বাবুল আক্তারের নির্দেশে গাজী আল মামুনের মাধ্যমে মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুসাকে তিন লাখ টাকা দেন। গাজী আল মামুন সেই মুসার আত্মীয়। মামুনও জবানবন্দি দিয়ে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

মূলত এই টাকা লেনদেনের তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর পিবিআই নিশ্চিত হয়, মিতুকে হত্যার জন্যই এই তিন লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। বাবুল আক্তারের পরিকল্পনায় এটি ছিল একটি কন্ট্রাক্ট কিলিং। বিকাশের মাধ্যমে এই টাকা লেনদেন হয়েছে। বিকাশের লেনদেনের স্লিপও তদন্তকারী কর্মকর্তারা উদ্ধার করেছেন। #

 

 

 

৫ দিনের রিমান্ডে বাবুল

সিটিজিট্রিবিউন: চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া নতুন একটি মামলায় নিহতের স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে তাকে দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১২ মে) দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের বিরুদ্ধে বন্দরনগরীর পাঁচলাইশ থানায় নতুন মামলাটি দায়ে করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে বাবুল আক্তারের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আরিফুর রহমান। দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে দুপুর ২ টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুননী শেষে ৩ টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন পুলিশ সুপার ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে স্বামী বাবুল আক্তারের নাম।প্রতিবেদন:কেইউকে

 

 

 

0 0

কেমনে হলেন এতো টাকার মালিক ?নেপথ্যে কারা?

সিটিজিট্রিবিউন: ঢাকায় ২০টি সরকারিসহ ২৩টি প্লট ও সাত ভবনের মালিক মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির। ব্যাংকে তাঁর রয়েছে ৭৯১ কোটি টাকা। ঢাকায় রয়েছে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠান ও দুটি গাড়ির শোরুম। ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে তিনি আরও এক একর জমির মালিক।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুসন্ধানে মনির হোসেনের এত সব সম্পদের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সিআইডির পরিদর্শক মো. ইব্রাহিম হোসেন গত জানুয়ারি থেকে পাঁচ মাস এ বিষয়ে অনুসন্ধান করেছেন। সিআইডি বলছে, মনিরের সব সম্পদই অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত।

গত বছরের ২০ নভেম্বর রাজধানীর মেরুল বাড্ডার বাসায় অভিযান চালিয়ে মনিরকে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক করে র‍্যাব। গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। এ ছাড়া মতিঝিল ও রমনা থানায় মাদকদ্রব্য ও দুদক আইনে আরও চারটি মামলা রয়েছে। মনির হোসেন বর্তমানে কারাগারে আছেন।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলেন, গোল্ডেন মনির সোনা চোরাচালান, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভূমি দখল ও ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে এসব অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন। পরে তিনি ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিরাজগঞ্জ আওয়ামী লীগের একজন নেতাসহ সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্যদের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ ও নিজ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে লেনদেন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হন।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহেল বাকী রোববারগনমাধ্যমকে বলেন  বলেন, গোল্ডেন মনির ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অপরাধলব্ধ আয়ে করা অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের তথ্য–প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। মনিরের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সিআইডি সূত্র জানায়, গোল্ডেন মনিরের প্রধান সহযোগী সিরাজগঞ্জের জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে মনিরের স্ত্রী, ছেলে, দুই বোন ও ভগ্নিপতিকে আসামি করা হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হবে।

সিআইডি সূত্র জানায়, অপরাধলব্ধ আয় দিয়ে গোল্ডেন মনির উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডে গ্র্যান্ড জমজম টাওয়ার এবং উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের সাফা টাওয়ারের অন্যতম মালিক হন। ঢাকায় তাঁর ৯০ কাঠার বিভিন্ন আয়তনের প্লট রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বাড্ডায় রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) আড়াই কাঠার ১৯টি প্লট, রাজউক পূর্বাচলে ১০ কাঠার একটি প্লট, বারিধারা জে ব্লকে সাড়ে আট কাঠা করে দুটি প্লট, খিলক্ষেতে পৌনে দুই কাঠার একটি প্লট, তুরাগের নলভোগ মৌজায় ১২ কাঠা জমি। এ ছাড়া গোল্ডেন মনিরের নামে ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের চর রুহিতপুরে আড়াই বিঘা জমি রয়েছে। আবাসন প্রতিষ্ঠান স্বদেশ প্রপার্টিজে (বাড্ডা) তাঁর মালিকানা রয়েছে।

সিআইডি বলেছে, গোল্ডেন মনিরের নামে ১২৯টি ব্যাংক হিসাবে ৭৯১ কোটি ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫২৩ টাকা পাওয়া গেছে। তিনি এই আয়ের একটি অংশ সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্যদের পরস্পর যোগসাজশে যৌথ ও একক নামে ব্যবসায় বিনিয়োগ করে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিতে রূপান্তর করেছেন। তাঁর মালিকানাধীন অটো কার সিলেকশন লিমিটেডের হিসাব থেকে রাজউক কর্মচারী বহুমুখী কল্যাণ সমিতির হিসাবে পাঁচ কোটি টাকা পাঠানোর তথ্য পাওয়া গেছে, যা সন্দেহজনক।

বাড্ডার ডিআইটি প্রকল্পে আড়াই কাঠা করে পাঁচটি প্লটে পাঁচটি ভবন নির্মাণ করে গোল্ডেন মনিরের স্ত্রী রওশন আরা তা ভোগদখল করছেন। অপরাধলব্ধ আয় দিয়ে গোল্ডেন মনির তাঁর ছেলে রাফি হোসেনকে (২৪) কার অটো সেন্টারের মালিকানা দিয়েছেন। রাফি স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে পড়েন।

মনির হোসেনের দুই বোন ও দুই ভগ্নিপতি রাজউকের প্লটগুলো দেখাশোনা ও ভোগদখল করে মনির হোসেনের দুই বোন ও দুই ভগ্নিপতি রাজউকের প্লটগুলো দেখাশোনা ও ভোগদখল করে আসছিলেন। সিআইডি জানায়, ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোল্ডেন মনিরের অপরাধ কর্মকাণ্ডের সহযোগী। ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলর ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্কিং ইজারা নিয়ে মনির হোসেনের সোনা চোরাচালানে সহযোগিতা করেছেন। সোনা চোরাচালানে অবৈধ আয় দিয়েই গোল্ডেন মনির ও তাঁর সহযোগীরা উত্তরায় ১৪ তলা জমজম টাওয়ার নির্মাণ করেছেন, যার একাংশের মালিক ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলর। মাদক ও চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর নামে রাজধানীর উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। গোল্ডেন মনিরের অপরাধ কর্মকাণ্ডের আরেক সহযোগী সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা। ১৯৯৬ সালে সোনালী ব্যাংকের এয়ারপোর্ট শাখায় পিয়ন পদে চাকরি করার সময় গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং সোনা চোরাচালানে জড়িয়ে পড়েন। পরে চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। অপরাধলব্ধ আয় দিয়ে তিনি বহুতল জমজম ও আল সাফা টাওয়ারের অন্যতম মালিক হন।প্রতিবেদন:কেইউকে।

0 0

কেমনে হলেন এতো টাকার মালিক ?নেপথ্যে কারা?

সিটিজিট্রিবিউন: ঢাকায় ২০টি সরকারিসহ ২৩টি প্লট ও সাত ভবনের মালিক মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির। ব্যাংকে তাঁর রয়েছে ৭৯১ কোটি টাকা। ঢাকায় রয়েছে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠান ও দুটি গাড়ির শোরুম। ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে তিনি আরও এক একর জমির মালিক।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুসন্ধানে মনির হোসেনের এত সব সম্পদের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সিআইডির পরিদর্শক মো. ইব্রাহিম হোসেন গত জানুয়ারি থেকে পাঁচ মাস এ বিষয়ে অনুসন্ধান করেছেন। সিআইডি বলছে, মনিরের সব সম্পদই অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত।

গত বছরের ২০ নভেম্বর রাজধানীর মেরুল বাড্ডার বাসায় অভিযান চালিয়ে মনিরকে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক করে র‍্যাব। গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। এ ছাড়া মতিঝিল ও রমনা থানায় মাদকদ্রব্য ও দুদক আইনে আরও চারটি মামলা রয়েছে। মনির হোসেন বর্তমানে কারাগারে আছেন।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলেন, গোল্ডেন মনির সোনা চোরাচালান, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভূমি দখল ও ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে এসব অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন। পরে তিনি ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিরাজগঞ্জ আওয়ামী লীগের একজন নেতাসহ সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্যদের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ ও নিজ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে লেনদেন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হন।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহেল বাকী রোববারগনমাধ্যমকে বলেন  বলেন, গোল্ডেন মনির ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অপরাধলব্ধ আয়ে করা অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের তথ্য–প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। মনিরের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সিআইডি সূত্র জানায়, গোল্ডেন মনিরের প্রধান সহযোগী সিরাজগঞ্জের জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে মনিরের স্ত্রী, ছেলে, দুই বোন ও ভগ্নিপতিকে আসামি করা হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হবে।

সিআইডি সূত্র জানায়, অপরাধলব্ধ আয় দিয়ে গোল্ডেন মনির উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডে গ্র্যান্ড জমজম টাওয়ার এবং উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের সাফা টাওয়ারের অন্যতম মালিক হন। ঢাকায় তাঁর ৯০ কাঠার বিভিন্ন আয়তনের প্লট রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বাড্ডায় রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) আড়াই কাঠার ১৯টি প্লট, রাজউক পূর্বাচলে ১০ কাঠার একটি প্লট, বারিধারা জে ব্লকে সাড়ে আট কাঠা করে দুটি প্লট, খিলক্ষেতে পৌনে দুই কাঠার একটি প্লট, তুরাগের নলভোগ মৌজায় ১২ কাঠা জমি। এ ছাড়া গোল্ডেন মনিরের নামে ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের চর রুহিতপুরে আড়াই বিঘা জমি রয়েছে। আবাসন প্রতিষ্ঠান স্বদেশ প্রপার্টিজে (বাড্ডা) তাঁর মালিকানা রয়েছে।

সিআইডি বলেছে, গোল্ডেন মনিরের নামে ১২৯টি ব্যাংক হিসাবে ৭৯১ কোটি ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫২৩ টাকা পাওয়া গেছে। তিনি এই আয়ের একটি অংশ সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্যদের পরস্পর যোগসাজশে যৌথ ও একক নামে ব্যবসায় বিনিয়োগ করে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিতে রূপান্তর করেছেন। তাঁর মালিকানাধীন অটো কার সিলেকশন লিমিটেডের হিসাব থেকে রাজউক কর্মচারী বহুমুখী কল্যাণ সমিতির হিসাবে পাঁচ কোটি টাকা পাঠানোর তথ্য পাওয়া গেছে, যা সন্দেহজনক।

বাড্ডার ডিআইটি প্রকল্পে আড়াই কাঠা করে পাঁচটি প্লটে পাঁচটি ভবন নির্মাণ করে গোল্ডেন মনিরের স্ত্রী রওশন আরা তা ভোগদখল করছেন। অপরাধলব্ধ আয় দিয়ে গোল্ডেন মনির তাঁর ছেলে রাফি হোসেনকে (২৪) কার অটো সেন্টারের মালিকানা দিয়েছেন। রাফি স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে পড়েন।

মনির হোসেনের দুই বোন ও দুই ভগ্নিপতি রাজউকের প্লটগুলো দেখাশোনা ও ভোগদখল করে মনির হোসেনের দুই বোন ও দুই ভগ্নিপতি রাজউকের প্লটগুলো দেখাশোনা ও ভোগদখল করে আসছিলেন। সিআইডি জানায়, ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোল্ডেন মনিরের অপরাধ কর্মকাণ্ডের সহযোগী। ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলর ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্কিং ইজারা নিয়ে মনির হোসেনের সোনা চোরাচালানে সহযোগিতা করেছেন। সোনা চোরাচালানে অবৈধ আয় দিয়েই গোল্ডেন মনির ও তাঁর সহযোগীরা উত্তরায় ১৪ তলা জমজম টাওয়ার নির্মাণ করেছেন, যার একাংশের মালিক ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলর। মাদক ও চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর নামে রাজধানীর উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। গোল্ডেন মনিরের অপরাধ কর্মকাণ্ডের আরেক সহযোগী সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা। ১৯৯৬ সালে সোনালী ব্যাংকের এয়ারপোর্ট শাখায় পিয়ন পদে চাকরি করার সময় গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং সোনা চোরাচালানে জড়িয়ে পড়েন। পরে চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। অপরাধলব্ধ আয় দিয়ে তিনি বহুতল জমজম ও আল সাফা টাওয়ারের অন্যতম মালিক হন।প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

 

মোঃআলাউদ্দীন

০৮/০৫/২০২১ইং তারিখ ২৩.১০ ঘটিকার সময় সিএমপির কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন, পিপিএম এর নেতৃত্বে কোতোয়ালী থানা টিম কোতোয়ালী থানাধীন পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৪টি টিপ ছোরা সহ সুজন (২৯), মো: রাসেল (২১), মো: ইমন হোসনে (২২) ও আবছার প্রকাশ আফসার প্রকাশ মোঃ কফিল উদ্দিন (২৪)কে গ্রেফতার করেন।

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল ফিতর কে কেন্দ্র করে কোতোয়ালী থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় গ্রেফতারকৃতরা ছোরা, চাকু হেফাজতে রেখে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্কেট সহ বিভিন্ন অফিস, ব্যাংকের এটিএম বুথের সামনে উৎ পেতে বিভিন্ন ব্যবসায়ী, ব্যাংকার, চাকুরীজীবি ও পথচারীদের টার্গেট করে তাদের পিছু নেয় এবং নির্জন অন্ধকারচ্ছন্ন স্থানে সুযোগ বুঝে পথরোধ করে সাথে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও ছোরার ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই সহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকে। গ্রেফতারকৃত প্রত্যেকেই চট্টগ্রাম মহানগরীর সক্রিয় ছিনতাইকারী দলে সক্রিয় সদস্য। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় দস্যুতা, ছিনতাই, অস্ত্র সহ বিভিন্ন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা :-
১। সুজন (২৯), পিতা-মৃত নুরুল ইসলাম, মাতা-মনোয়ারা বগেম, সাং-পুরাতন রেলস্টেশনে এলাকায় ভাসমান, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-চট্টগ্রাম।
২। মো: রাসেল (২১), পিতা-মো: দুলাল, মাতা-রোকেয়া বেগম, সাং-বৌ বাজার, চৌধুরী বাড়ী, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ, র্বতমান-এরশাদের কলোনী, খোয়াজ নগর, ব্রীজঘাট, থানা-র্কণফুলী, জেলা-চট্টগ্রাম,
৩। মো: ইমন হোসনে (২২), পিতা- মিজানুর রহমান, মাতা-আয়শা বেগম, সাং-বায়ছারা, ০৪ নং ওর্য়াড, বিতারা ইউপি, থানা-কঁচুয়া, জেলা-চাঁদপুর, র্বতমান-বুইদ্দার কলোনী, সাইক্লোন সেন্টার, ইছানগর, থানা-র্কণফুলী, জেলা-চট্টগ্রাম।
৪। আবছার প্রকাশ আফসার প্রকাশ মোঃ কফিল উদ্দিন (২৪), পিতা-জেবল হোসেন, মাতা-মোছাম্মৎ শাহজাহান বেগম, সাং-মধ্যম বারখাইন, গফফার চেয়ারম্যানের বাড়ী, ৫নং ওয়ার্ড, ৬নং ইউনিয়ন, থানা-আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-চট্টগ্রাম রেলওয়ে ষ্টেশন এলাকায় ভাসমান, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-চট্টগ্রাম।

মোঃআলাউদ্দীন

নগরীর পতেঙ্গা থানা এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় ও পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে ধারালো চাপাতি ও ছুরি দ্বারা পুলিশকে আক্রমণ করার সময় দুইজনকে ইং ০৯/০৫/২০২১ তারিখ ০০.৩০ ঘটিকার সময় গ্রেফতার করেছে পতেঙ্গা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হল পতেঙ্গার মৃত আবু জাফরের ছেলে মোঃ মামুন (৩০) ও কক্সবাজার জেলার উখিয়ার মৃত সামশু আলমের ছেলে মোঃ ইউনুস (২৯)। গ্রেফতারকালে পুলিশ তাদের হেফাজত হতে ৯১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা বিক্রির নগদ ১৩০০০ টাকা সহ পুলিশকে আক্রমণে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ৪টি চাপাতি, ছুরি, খুর ও সিজার জব্দ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পতেঙ্গা থানার টিম তাদেরকে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক করতে গেলে তারা ছুরি, চাপাতি দিয়া পাল্টা পুলিশকে আক্রমন করার চেষ্টা করে। মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে মাদক ও অস্ত্র আইনের পৃথক পৃথক ০২টি মামলা রুজু হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতঃ ১। মোঃ মামুন (৩০), পিতা- মৃত আবু জাফর, স্থায়ী : বাদশা চকিনার বাড়ী,, গ্রাম- উত্তর পতেঙ্গা (ছড়ি হালদা) , উপজেলা/থানা- পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ ও ২। মোঃ ইউনুস (২৯), পিতা- মৃত সামশু আলম, মাতা- জোলেখা বেগম, স্থায়ী : গ্রাম- বালুখালী (বালখালী রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প, ক্যাম্প নং-অ-৪ , মাঝী- তৈয়ব মাঝি, ) , উপজেলা/থানা- উঁখিয়া, কক্সবাজার।

মোঃআলাউদ্দীন

মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ ফারুক উল হক, পিপিএম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) জনাব এ.এ.এম হুমায়ুন কবীর, পিপিএম এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) জনাব মোঃ ইয়াসির আরাফাত এর তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র)/জনাব মোহাম্মদ আলমগীর এর নেতৃত্বে ১৭ নং টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৮/৫/২০২১ খ্রিঃ রাত ৯:১০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন গোসাইলডাঙ্গা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০২ টি টিপ ছোরাসহ ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য মেহেরাব হাসান সৌরভ(১৯), এবং মোঃ রোহান মির্জা (২০),  ভোলাইয়া দ্বয়কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে ।

গ্রেফতারকৃতঃ ১) মোঃ মেহেরাব হাসান সৌরভ(১৯), পিতা-আবু সিদ্দিক, মাতা- রুবি আক্তার, সাং- মধ্যম গোসাইলডাঙ্গা, মিন্নত আলী সওদাগরের বাড়ি,  বিচা খাইয়ার বাড়ি, ওয়ার্ড নং- ৩৬, ৩নং ফকিরহাট, থানা-বন্দর, জেলা-জেলা-চট্টগ্রাম, ২) মোঃ রোহান মির্জা,  ভোলা,  ভোলাইয়া(২০), পিতা-মোঃ নেজাম উদ্দিন, মাতা-রুমা আক্তার, সাং-মধ্যম গোসাইল ডাঙ্গা, ৩নং ফকির হাট, বিচা খাইয়ার বাড়ি, থানা-বন্দর, জেলা-চট্টগ্রাম।

কক্সবাজার প্রতিনিধি।।

সাংবাদিকের প্রভাবখাটিয়ে দুই মামা ও ৬ খালার জমি এবং দোকানঘর দখলের চেস্টা অভিযোগ পাওয়া গেছে !
কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের এঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভুগীরা এব্যাপারে রামু থানায়, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ওই সাংবাদিক সাইফুলের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে,
রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড খোন্দকারপাড়া গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের মেয়ে মমতাজ বেগম (৫০)। একই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড নিজের পাড়া স্কুল গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম। সম্পর্কে মমতাজ বেগমের আপন ভাগিনা হন।
এই সাইফুল ইসলাম
মাইটিভির সাংবাদিক পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় চাঁদাবাজি,জমি দখল ও বিভিন্নজনকে হুমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ ।
লিখিত অভিযোগে আরো প্রকাশ, তার আপন খালা মমতাজ বেগমেরা ৭ বোন ও ২ ভাই। তারা আপোষ মিমাংসা মতে তাদের পৈত্রিক সুত্রে ভাগজাতনামা অনুযায়ী প্রাপ্ত জমি নিজনিজ অংশ বুঝে নিয়ে ভোগ দখলে স্থিত আছেন।
সাইফুল তার মায়ের অংশে পাওয়া জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করে ভোগ দখলে আছে।
মমতাজ বেগম দাবী করেন, অপর ৬ বোন ও ২ ভাই সহজ সরল ও নীরিহ হওয়ায় ভাই রবিউল আলম প্রবাসে মালয়েশিয়া থাকার সুযোগে সাইফুল দুর্লোভে বশিভূত হয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় সাংবাদিকের প্রভাবখাটিয়ে চলে বলে কৌশলে তাদের অংশের জমি জবর দখল করার উদ্দেশ্য নানা ষড়যন্ত্র ও প্রবাসী ভাই বরিউল আলমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অশ্লীল ও অপপ্রচার চালিয়ে প্রবাসী রবিউল আলমকে সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন
করার জন্য ও স্থানীয় প্রশাসনের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।
তিনি অভিযোগে আরো দাবী করেন, ৬ বোন ও দুই ভাই যথাক্রমে মোজাহের আলম ও মালয়েশিয়া প্রবাসী রবিউল আলম ও দোকান ভাড়াটিয়া দিদারুল আলমকে চেইন্দা স্টেশনস্থ দোকান থেকে উচ্ছেদ করার এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং মারধর ও খুন, হামলার হুমকি অব্যাহত রেখেছে এই সাইফুল।
তারা জানমালের নিরাপত্তা অভাব বোধ করছেন।
সাইফুলের খালা মমতাজ বেগমের লিখিত বক্তব্যে জানা গেছে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রবিউল আলম জীবিকার তাগিদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করেন। তার না থাকার সুযোগে গত ২ মে রাত ১২ টার দিকে সাইফুলের নেতৃত্বে লোকজন উক্ত দোকানের সামনে এসে হুমকি দেন। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে পরদিন ৩ মে রাত ২টার দিকে দলবল নিয়ে উক্ত সাইফুল দোকানে সাইন বোর্ড ও তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করে। উপস্থিত লোকজনে বাধার মুখে তালা ও সাইনবোর্ড ভাঙ্গতে পারেনি।
এতেও ক্ষান্ত না হয়ে সাইফুল গত ৫ মে রাত ২টার দিকে একদল দুবৃত্ত নিয়ে উক্ত দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এব্যাপারে দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড পাহাড়তলি গ্রামের গুরু মিয়ার ছেলে দোকান ভাড়াটিয়া দিদারুল আলম রামু থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
দোকান ভাড়াটিয়া দিদারুল আলম অভিযোগ করেন, মমতাজ বেগম ও বদিআলম গংদের মালিকানাধীন চেইন্দা স্টেশনস্থ মার্কেট থেকে ৪০ হাজার টাকা সেলামী দিয়ে মাসিক তিন হাজার টাকা ভাড়ায় একটি দোকান ঘর ভাড়া নেন। ভাড়া নিয়ে দোকানে ৫০ হাজার টাকা খরচে দোকানও মেরামত করেন।
দোকান দখলের জন্য দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়া। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তরা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানীর হুমকি দেন।
তিনি বলেন, এই সাইফুল তার ফেসবুকে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এবিষয়ে রামু থানাসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

এব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেএম আজমীরু জ্জামানের বলেন, দুটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।