Home অপরাধ

আবেদ আলী স্টাফ রিপোর্টারঃনীলফামারীর জলঢাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে পৌরশহরের বাস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়।

প্রতক্ষদর্শীরা জানায়, কদমতলী এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিক পরিবার পৈত্রিক সুত্রে জমির মালিকানা দাবি করে গত মঙ্গলবার সকালে টিনসেট চালা তুলে সেখানে অবস্থা করেন।

এদিকে আজ ওই জমির ক্রয় সুত্রের মালিক নজরুল ইসলাম দলবদ্ধ হয়ে এসে তাদের সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষে সংঘর্ষে রুপ নেয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।তবে এর আগে জমিটি নজরুল ইসলামের দখলে থাকার কথাও জানান প্রতক্ষদর্শীরা।

আহতরা হলেন, আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫),
কাজলী (২৫), ওমর ফারুক (২২), আলামিন (২০), সোনালী (২৬), মাজেদা (৩৬) হামিদা (২৪)
সহ আরো অনেকে। আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

পরে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষকে জমির উপরে যাওয়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ হত্যা ৩, আত্মহত্যা ৬, ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন ০৭ এবং নির্যাতন ১৩ জন নারী ও শিশু।

উন্নয়ন সংস্থা লেডিস অর্গানাইজেশন ফর সোসাল ওয়েলফেয়ার (লফস) অত্র জেলায় দীর্ঘদিন যাবৎ নারী ও শিশুর উন্নয়নে কাজ করছে। মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে লফস সংস্থার ডকুমেন্টেশন সেল থেকে রাজশাহীর প্রচারিত দৈনিক পত্রিকার সংবাদের ভিক্তিতে নিয়মিত নারী ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি প্রকাশ করে।

লফস মনে করে অত্র অঞ্চলে নারী ও শিশু নির্যাতন পরিস্থিতি বিভিন্ন মাত্রায় অবনতি ঘটছে। যৌতুক ও পরকীয়ার কারনে অধিকাংশ নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে।

অনেক ক্ষেত্রে বিদেশি কিছু টিভি সিরিয়াল পরকিয়াকে উৎসাহিত করছে। এছাড়া পারিবারিক কলহ ও প্রেম ঘটিত কারনে হত্যা-আত্মহত্যা ও অমানবিক নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটছে। বিষয়গুলো কারও জন্য সুখকর নয়। নভেম্বর মাসে অমানবিক কিছূ ঘটে যাওয়া ঘটনার চিত্র –

বাগমারার মারিয়া গ্রামে সেলিনা খাতুন (৪২) নামের গৃহবধুর চরিত্র ভালো না এমন সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গোদাগাড়ীতে নারী সবজি বিক্রেতাকে (৪০) দলবেধে ধর্ষণের অভিযোগ, নগরীর যাদুঘর মোড় এলাকার মেসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্রী পারিবারিক কলহের জের ধরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে, মোহপুরের গোছা খন্দকার পাড়া গ্রামে গৃহবধুকে (৩৫) ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে তাকে মারপিট করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ,

তানোরের কলমা ইউনিয়নের গংগারামপুর বদলিপাড়া গ্রামে স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমা বিবি (৩৮) নামের দুই সন্তানের মা কে মুখে বালিস চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, পুঠিয়ার জিউপাড়া ইউনিয়নের ধোপা পাড়া গ্রামে সকিনা বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধু পরকিয়ার বলি, দুর্গাপুরে শারমিন শিলা (২৫) নামের গৃহবধু বিষপানে করে আত্মহত্যার অভিযোগ,

বাগমারায় ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছি মহল্লার পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গৃহবধু জোস্নাকে তিন না্রী মিলে বটির আঘাতে জখম করে রক্তাত্ত করার অভিযোগ, পুঠিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারপিটের ঘটনায় এক নারী সহ ৩ জনকে জখম করার অভিযোগ,

নগরীতে উপরভদ্রা এলাকায় রিনা বেগম (৪৫) গলায় ফঁাস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ, বাগমারার গনিপুর ইউনিয়নের রঘুপাড়া গ্রামে যৌতুকের জন্য এক সন্তানের জননী শ্যামলী বেগম (২৮) নামের গৃহবধুকে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা শারীরক ও মানুষিক ভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ, বাঘায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারনার ফাদে ফেলে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ সহ ভিডিও ধারনের অভিযোগ,

নগরীতে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ, বাগমারায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় মৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী (৫০) কে সহ দুই ছেলে আহত হয়, দুর্গাপুর ইপজেলার পৌর এলাকার হারপুর গ্রামে গলায় ফঁাস দিয়ে সাদিয়া খাতুন (১৮) নামের কিশোরী আত্মহত্যা,

দুর্গাপুরের মারিয়া গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিক্ষুকের মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ধর্ষণ ও এক পর্যায়ে সে ৪ মাসের অন্ত:সত্বা হয়ে পড়েন (১৮) বছরের কিশোরী এবং কৌশলে বাচ্চা নষ্ট করার অভিযোগ, নগরীর ভদ্রা পার্কের পশ্চিমে রাজ্জাকের মোড়ের ড্রেন থেকে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার,

পবার ভুগরোইল এলাকায় ৪ বছরের শিশু তানিশা জান্নাত তানহা কে মিষ্টি, চকলেট ও ফুল দেবার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ, নগরীর ভদ্রা রেলের ধারে বাবা নেসা গ্রস্থ্য হওয়ায় মা ৬ মাসের বাচ্চা কে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করে, বাঘার মনিগ্রাম ইউনিয়নের হরিরামুর এলাকার রুপপুর গ্রামের মিনহাজুল ইসলাম (১৭) এর আত্মহত্যার অভিযোগের ঘটনাগুলো সকলের জন্য উদ্বেগজনক।

লফস এর নির্বাহী পরিচালক শাহানাজ পারভীন বলেন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত ঘটনার বাইরেও অনেক ঘটনা ঘটে যা প্রকাশিত হয় না বা কোন তথ্য জানা যায় না এমন বাস্তবতায়। রাজশাহীতে নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রকাশিত তথ্য হতাশাজনক।

রাজশাহী অঞ্চলে নারী – শিশু নির্যাতন সহ সার্বিক ঘটনাগুলোর সুষ্ঠ তদন্ত ও দায়ীদের দিষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি বলেন অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে ক্রমশই অপরাধীরা উৎসাহিত হবে এবং অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। লফস সকল নারী-শিশু নির্যাতন ঘটনাগুলোর সুষ্ঠ তদন্ত স্বাপেক্ষে অপরাধীর কঠোর শাস্তির দাবী জানান।

নভেম্বর মাসের নারী ও শিশু পরিস্থিতির তথ্য তুলে ধরা হলো-

হত্যাঃ শিশু – ০০ জন নারী – ০৩ জন মোট – ০৩ জন

আত্বহত্যা ঃ শিশু – ০২ জন নারী – ০৪ জন মোট – ০৬ জন

ধর্ষনঃ শিশু – ০৩ জন নারী – ০৩ জন মোট – ০৬ জন

ধর্ষন চেষ্টা ঃ শিশু – ০০ জন নারী – ০১ জন মোট – ০১ জন

নির্যাতনঃ শিশু – ০১ জন নারী – ১২ জন মোট – ১৩ জন

অস্বাভাবিক মৃত্যুঃ শিশু – ০২ জন নারী – ০২ জন মোট – ০৪ জন

সর্বমোট – শিশু – ০৮ জন নারী – ২৫ জন মোট – ৩৩ জন।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন :কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিয়ের মেহেদী না মুছতেই প্রতিপক্ষের হাতে নির্মম ভাবে খুন হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা । চকরিয়া থানা পুলিশ স্টেশন এর নিকটবর্তী পৌরসভাৱ ৪নং ওয়ার্ডের ভরামুহুরী এলাকায় জমি দখলের ঘটনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহেল (২৭)নিহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ নভেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ৫/৬ জন আহত হয়েছে। নিহত সোহেল চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও পৌরসভার পালাকাটা গ্রামের আবদু রকিমের ছেলে । এনিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। চকরিয়া থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের ভরামুহুরী হাজী পাড়া এলাকার মৃত আহমদ শফির পুত্র নুর হোছাইন গং ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন হক জেসি চৌধুরীৱ সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমির বিরোধ চলছে।ভুক্তভোগী ও বিবাদিপক্ষের লোকজন উভয়ে জমির দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে দীর্ঘকাল যাবত।

বিরোধকৃত জমি দখল পূর্বক নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অব্যাহত চেষ্টায় নুর হোছাইন গংদেৱ হামলায় নিহত হন সাবেক ছাত্রনেতা সোহেল।স্থানীয়রা আৱো জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের মধ্যে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসলেও থানা সেন্টার এলাকাস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও চাঁদা দাবীর মতো সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন নূর হোসেন গং ।

নাম প্রকাশ করার না করার শর্তে ছন্দ নাম কৱিম বলেন, নুর হোছাইন গং সোহেল হত্যায় জড়িত ভূমিদস্যু নুরুল আলম,নুর হোছন,আইয়ুব,বশির,আলী হোছন,সোলতান গং- সর্বসাং : ভৱামহুৱী চাৱ নাম্বার ওয়ার্ড চকৱিয়া পৌরসভা তাদের হামলায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সোহেল। এসময় স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছালেও জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে এই নারকীয় হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান স্থানীয় এলাকাবাসী , শুভাকাংঙ্কী ও দলীয় নেতাকর্মীরা।এ বিষয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে উভয় পক্ষের সাংঘর্ষিক হামলায় নিহত হন সোহেল নামের এক যুবক।

উক্ত ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের লাশ থানা হেফাজতে নিয়ে আসার পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনার সাথে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানান।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণের জঘন্যতম অপরাধের অভিযোগ উঠেছে মুন্না ভগত (২০) নামে এক ডোম সহকারীর বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে ওই যুবককে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, ডোম জতন কুমার লালের ভাগিনা মুন্না ভগত। তিনি মামার সঙ্গেই ওই হাসপাতালের মর্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে মুন্না মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। এ অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) তাকে আটক করে সিআইডি।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, জঘন্যতম ও খুবই বিব্রতকর অভিযোগ। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতার পরই ওই যুবককে আটক করেছে সিআইডি।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না।

মুন্নার বিরুদ্ধে মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে জতন লাল কুমার বলেন, মুন্না মাঝে মধ্যে গাঁজা বা নেশাটেশা করতো। কিন্তু এরকম একটি কাজ সে করতে পারে, তা ভাবতেই পারছি না।

অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার আরও বলেন, শুক্রবার (২০ নভেম্বর)সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ২৩ নভেম্বর।।

পর্যটম মৌসুমের শুরুতে গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে কক্সবাজার শহরে ব্যাপক হারে বেড়েছে ছিনতাইয়ের ঘটনা। ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে তিনদিনে ২জন নিহত ও ১২টির মতো ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল ১১ টায় কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

এর আগে রোবার সন্ধ্যায় বাসটার্মিনালে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন মেডিপ্লাস কোম্পানীর কক্সবাজারের এমপিও (মেডিকেল প্রমোশন কর্মকর্তা) কর্মকর্তা আনোয়ার হোছাইন (৩৫)।

এসব ঘটনায় ছয়জন ছুরিকাহত হয়ে আহত হয়েছেন। ফের ছিনতাই বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কত বোধ করছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। ছিনতাইকারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান ভাটা পড়ায় আবার ছিনতাই বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
২৩ নভেম্বর সকালে ১১ টার দিকে কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় ছিনতাকারী দল ছুরির ভয় দেখিয়ে সুজন সিকদার নামে এক ব্যক্তি মোবাইল সেটসহ মালামাল লুট করেছে।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর রোববার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে কক্সবাজার শহরের বাসটার্মিনালস্থ বিএডিসি খামার সংলগ্ন সড়কে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আনোয়ার হোছাইন (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

তিনি মেডিপ্লাস কোম্পানীর কক্সবাজারের এমপিও (মেডিকেল প্রমোশন কর্মকর্তা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ছিনতাইকারীর হাতে খুন হয়েছেন তিনি। নিহত আনোয়ার হোছাইন বগুড়া জেলার আদমদীঘির তবিবুর রহমানের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএডিসি খামারের পাশে সড়কে ছুরিকাহত ওই ব্যক্তিকে দেখে দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাকে বুকে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তার ব্যবহৃত মোবাইল, ব্যাগসহ বেশকিছু জিনিস ঘটনাস্থলে পড়েছিল। সেগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মেডিপ্লাস কোম্পানীর কর্মকর্তা মো. রিমন জানান, তিনি অফিসের কাজ শেষ করে ফেরার পথে হামলার শিকার হন। এবিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে, গত শনিবার ২১ নভেম্বর দুপুরে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা দক্ষিণ মুহুরি পাড়ায় সাবিলুস সালেহীন (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্র ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে।

নিহত সাবিলুস সালেহীন কক্সবাজার পলিকেটনিক কলেজের ছাত্র এবং মুহুরি পাড়ার হাকিম উল্লাহর ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের ২৫টিরও বেশি স্পটে ছিনতাইকারীর উৎপেতে রয়েছে। এসব স্পটগুলো হলো, কলাতলী এলাকার সী-ইন পয়েন্ট, সৈকতের হোটেল সী-ওয়ার্ল্ড রোড, বাহারছড়ার জাম্বুর মোড়,

সার্কিট হাউসের উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ের চত্বর, লালদীঘির পাড়ের বিহারি গলি, হাসপাতাল রোড, কালুর দোকান, বার্মিজ মার্কেট, খুরুশকুল রোডের মাথা, বাস টার্মিনাল, বিজিবি ক্যাম্পের নারিকেল বাগান, প্রধান সড়কের সাবমেরিন ক্যাবল এলাকা, সিটি কলেজের সামনে, হাশেমিয়া মাদ্রাসা পয়েন্ট, কলাতলীর প্রধান সড়কের টিএন্ডটি অফিসের সামনে, আদর্শ গ্রামের সামনেসহ শহরের ডায়াবেটিক পয়েন্ট।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আলীরজাহাল কেন্দ্রিক একটি বড় ছিনতাইকারী চক্র রয়েছে। এই চক্রের সবাই দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়ার। তারা বাসটার্মিনাল থেকে শহরের ঝাউতলা পর্যন্ত টমটমে করে চষে বেড়ান। মূলত টমটমের যাত্রীরাই তাদের একমাত্র টার্গেট।

এই ভয়ংকর চক্রটি সন্ধ্যার পর থেকে তৎপর হয়ে উঠে। তারা টার্গেট করে যাত্রী বেশে টমটমে উঠে পড়ে। শহরের আসার পথে আলীরজাঁহাল থেকে হাশেমিয়া মাদ্রাসা ব্রীজ পর্যন্ত স্থানে সুযোগ বুঝে ছুরি ভয়দেখিয়ে টমটম চালক ও যাত্রীদের এবং পথচারীদের জিম্মি করে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়। তবে ভীতি সৃষ্টির জন্য অধিকাংশ ঘটনায় ছুরিকাঘাত করে।

এতে হতাহতও হয়।কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ বলছে,ছিনতাইকারীদের সনাক্তের চেস্টা চলছে।

১ নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এম.এ মন্নান চৌধুরীর বাসভবনে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক মত বিনিময় সভা ২১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।

রেজাউল করিম চৌধুরী সভাস্থলে প্রবেশের সময় ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা মেয়র প্রার্থীর আগমন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দেয়। স্লোগান দেওয়ার এক পর্যায়ে বিদ্রোহী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তৌফিক আহমেদ ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদেরকে অশ্রাব্য ভাষায় গালি গালাজ করে।

তৎক্ষনাত এম. রেজাউল করিম চৌধুরী তৌফিক আহমেদকে চিৎকার করার কারণ জানতে চেয়ে চুপ থাকতে বলেন।

তাঁর একান্ত সচিব মোহাম্মদ ইলিয়াছ তৌফিক আহমেদকে গালি গালাজ করতে নিষেধ করেন।এমন পরিস্থিতিতে সভাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করে।এমনকি ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

ক্ষোভ প্রকাশ করে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন “ ঘরের শত্রু বিভীষণ। আমাদের আওয়ামী পরিবারে এমন খুনী, সন্ত্রাসীর উপস্থিতি কাম্য নয়”।

এই বিষয়ে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা রেজাউল ভাইয়ের আগমন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে “ জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দিচ্ছিলাম। এমন সময় তৌফিক ভাই আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে”।

লিয়াকত, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহী কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের দেলুয়া বাড়ি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় প্রভাবশালীর আক্রোশ জনিত হামলায় মসজিদ কমিটির সভাপতিসহ ৫ জন আহত হয়েছে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, দেলুয়া বাড়ি গ্রামের মফিজ উদ্দিনের স্ত্রী সামসুন নাহারের জানাজা গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩.২০ টায় সময় পরিবারের পক্ষ থেকে সময় নির্ধারণ ও দেলুয়াবাড়ি কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পাদন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এ সময় মফিজ উদ্দিনের আত্মীয়-স্বজন জানাজা স্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, কার হুকুমে জানাজার সময় নির্ধারণ করেছো বলে মফিজ উদ্দিনের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায় সে সময় গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মঈনুদ্দিন বলেন এখন দন্দ না করে মাটি হওয়ার পরে বসে আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান করার কথা বলেন তিনি।

তখন খাইরুল ইসলাম পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে তুই বলার কে এই বলেই মার ধর শুরু করে এবং অন্যনাদের মারতে হুকুম দেন।

এ সময় মারপিটের ঘটনায় ৫ জন গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন- দেলুয়াবাড়ী গ্রামের মইনুদ্দিন, সরোয়ার, নওশাদ, আলাউদ্দিন, ও কামরুল ইসলাম। এদের মধ্যে সরোয়ার, ও নওশাদ গুরুতর আহত বলে আত্মীয় ও মেডিকেল সূত্রে জানা গেছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন দেলুয়াবাড়ি কবরস্থানে মোঃখাইরুল ইসলাম,মোঃ মমিন, মোঃ মাইনুল, মোঃ কাজল, মোঃ ফজলু, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ আব্দুর রহিম ও মোঃ হাসিব মৃতের জানাজার সময় নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ও পূর্ব শত্রুতার যের ধরে দেশীয় অস্ত্র লোহার হাতুড়ি, বাঁশের লাঠি-সোটা রড নিয়ে বেআইনি ভাবে দলবদ্ধ হয়ে খায়রুল ইসলামের হুকুমে প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান, মোঃ রায়হান হাজী,র শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ী ভাবে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।

উক্ত ঘটনায় সরাদ্দী ও নইমুদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্য লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। নওশাদ আলীকে বাঁশের লাঠির আঘাতে ডান হাতের কব্জি ভেঙ্গে দেয়। আলাউদ্দীনের চোখে বাঁশের লাঠির আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ও কামরুলের বাঁশ দিয়ে নাক ফাটিয়ে দেয়।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাসুদ পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মাললা হয়েছে।
খাইরুল ইসলাম নামে একজন আসামীকে উক্ত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ কখনো সাংবাদিক পিটিয়ে, কখনো সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা করে কিংবা কখনো সাংবাদিককে বিপদে ফেলে টাকা আদায়ে জুড়ি মেলা ভার রাজশাহীতে সদ্য গড়ে উঠা কাটাখালী থানার। রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্তরণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী মাসিক ২০ হাজার বেশী ফেন্সিডিলের ব্যবসা হয় এই অঞ্চলেই।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে,চলতি বছরে ১ হাজার বোতল ফেন্সিডিল আটকের নজির নেই এই থানার। যখনই আটক হয় তখন ঊর্ধে ৫০/৭০/৯০ বোতল ফেন্সিডিলের বেশী উদ্ধার হয়না। তাহলে রহস্য কি ?

কারনটা কিন্তু এলাকার জানেন সকলেই। আর কারন হচ্ছেন রাজশাহী কাটাখালীর থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীর”।
“এসআই জাহাঙ্গীর” ছোট বড় সকল মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে উত্তোলন করেন সাপ্তাহিক মাসহারা। সপ্তাহে ও মাসে কোন মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কত টাকা উত্তোলন করতে হবে তা নির্ধারন করেন । আর কোন মাদক ব্যবসায়ী টাকা না দিলেই তার নামে দেন মামলা।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত আনু: ৯টার দিকে কাটাখালী থানাধীন টাংগন এলাকার বালুর ঘাট থেকে আটক করা হয় ৩জন মাদক ব্যবসায়ীকে। তাদের নাম হচ্ছে হিলটন, সোহেল ও ইসলাম নামের অজ্ঞাত এক ব্যাক্তিকে। রাজশাহী কাটাখালীর থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীর” তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসেন রাত ৯.৩০ মিনিটের দিকে।

এরপর শুরু করেন দেন দরবার। ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে তাদের পরিবারের কাছে দাবি করেন ৬০ হাজার টাকা। অবশেষে ৩৫ হাজার টাকার চুক্তিতে তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেন রাজশাহী কাটাখালীর থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীর”।

এদিকে কাটাখালী বালুর মাঠ এলাকায় সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক এলাকাবাসী জানান – এলাকার হিলটন, সোহেল ও অজ্ঞাত ইসলাম নামের এক ব্যাক্তিকে থানায় আটক করে নিয়ে যান এসআই জাহাঙ্গীর কিন্তু আটকের কয়েক ঘণ্টার মধ্য তাদের ছেড়েও দেন। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক এলাকাবাসী আরও জানান মাদক নিয়ে ঐ তিন ব্যাক্তিকে আটক করলেও তাদের ছেড়ে দেন “এসআই জাহাঙ্গীর”।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কাটাখালি থানাধিন মাসকাটাদিঘী পূর্বপাড়া গ্রামের হায়দার, টাংগন এলাকায় হানিফ, মিলন, কালু, চায়না, আফরোজ, তজিবার, লিটন, রফিক, রিংকু, হাসান । টাংগন পূর্বপাড়া, মধ্যপাড়া ও পশ্চিমপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: রায়হান, শুকটা রাজিব, সজিব, আলিরাজ, হারান, পরান, নাজির,আলাম, কালোনী, এবাদুল, আসাদুল,

ফারুক, মাইনুল, আরজুল, উজির, কালাম, জসিম, বাহালুল, লুৎফর, আকাশ হোসেন কটা, হালিম, সজল, অজ্ঞাত কারনে তারা ধরা ছোয়ার বাইরে। আর সাধারন মাদক সেবীদেরই বেশি আটক করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। আর এদের কাছে নিয়মিত মাসহারা আদায় করেন “এসআই জাহাঙ্গীর”।

উক্ত বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী কাটাখালী থানার সেকেন্ড অফিসার “এসআই জাহাঙ্গীরের ০১৩২০০৬১৬৫৯ নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পরবর্তীতে রাজশাহী কাটাখালী থানার ডিউটি অফিসারকে ০১৩২০০৬১৬৫৮ নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও সেটিও সারাদিন সুইজড অফ দেখায়।

সর্বশেষ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র এডিসি রুহুলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান – প্রতিটি থানায় এখন সিসি ক্যামেরা বিদ্যমান বিধায় আসামী ছেড়ে দিয়ে থাকলেও সিসি ক্যামেরায় তা অবশ্যই প্রতীয়মান হবে। এছাড়া রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বর্তমান পুলিশ কমিশনার মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক স্যার অলেছেন – রাজশাহী মহানগরীতে এ ধরনের অপরাধ করে আর কেউ পার পাবেনা।

সকল ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে স্যার কঠোর নির্দেশনা জারী করেছেন। কারন মাদক, দেশ ও সমাজের শত্রু। তাই সে যদি পুলিশ সদস্য হয়ে মাদকের সাথে কোন সখ্যতা গড়ে তোলে তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর থেকেও কঠোরতর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এই মুখপাত্র।

0 0

সিটিজি ট্রিবিউন স্টাফ রিপোর্টারঃ নোয়াখালী হইতে বিপুল পরিমাণ মাদক, বিদেশি মদ, বিয়ার, ইয়াবা এবং ইয়াবার পাউডার সহ গ্রেফতারকৃক বেবী দম্পতি নির্ভিগ্নে মনিপুরী পাড়ায় করছে জমজমাট মাদক ব্যাবসা!

গ্রেফতারকৃত মাদক সম্রাট ব্লাজু ও সেনড্রা ব্লাজু (বেবি) দম্পতি বর্তমানে গোপনে মনিপুরী পাড়ার ১১৬/৩ ভবনে বসবাস করে !
সকলের নাকের ডগায়এই ব্যাবসা পরিচালিত করে আসছে। এরা ধ্বংস করছে মনিপুরী পাড়ার সুনাম ।
আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মনিপুরী পাড়া কল্যান সমিতিসহ স্হানীয় নেএী স্হানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
আমাদের এই মাদক দস্যুদের কবল হইতে রক্ষা করুন।এরা এলাকায় একটি সিন্ডিকেট তৈরির মাধ্যমে মাদক সহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ড করে । মনিপুরী পাড়ায় একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করে তারা।তাদের এসব অবৈধ-অনৈতিক ব্যাবসা পরিচালনার সার্থে এলাকায় থ্রী ষ্টার নামে ১টি
চক্র গড়ে তুলেছে! এলাকার প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতার কারনে তাদের অপকর্ম সবাই জ্ঞাত থাকা সত্বেও সবাই নীরব ভুমিকায় থাকে!
বেবীর সহযোগী নাসরিন কেও বাসা ছারার নির্দেশ দেয় ফ্ল্যাট মালিক! বেবী গোপনে ১১৬-৩ নং ভবনে এবং তার সহযোগী পার্টনার নাসরিন পারটেক্স গলিতে বাসা নিয়েছ!
এলাকায় প্রচলিত আছে নাসরিন তার স্বামী টিটুর টাকা পয়সা, সম্পত্তি কৌশলে তার নামে নিয়ে স্বামীকে তালাক দেয়!


মাদক সম্রাট ব্লাজুর গ্রেফতারের পর বোঝাগেল তাদের অর্থের উৎস কোথায়? বেড়িয়ে আসতে থাকে তাদের কুকর্মের নানা লোমহর্ষক তথ্য! আত্ন গোপনে চলে যায় বেবী এবং তার সহযোগীরা!

এই চক্রের মাদক ব্যাবসা ছাড়াও আছে সুদ ও নারী ব্যাবসার জমজমাট কাহিনি।
জানা গেছে নাসরিন তার লোক দিয়ে দিন মজুরদের টাকা দিয়ে পরিচালনা করে জুয়ার বোর্ড! সেখানে খেলার জন্য উচ্চ সুদে দিনমজুরদের লোন দেয়! তার লাঠিয়াল বাহিনির অন্যতম খোকন টাকা আদায়ের জন্য সর্বক্ষন তদারকি করে! নিয়ন্ত্রন করে মাস্তান বাহিনী!

এই দলে আরও আছে পাকিস্তানি এক নাগরিক, যাকে ভিবিন্ন সময় অবৈধ ভাবে এদেশে আসতে দেখা যায়। এলাকায় শোনা যায় থ্রী ষ্টারের অপর সদস্য পারভীন মনার পাতানো স্বামী এই পাকিস্থানী! ইতিমধ্যে মনা তার পাকিস্থানী স্বামীর পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশী পাসপোর্ট করার চেষ্টা করলে উপর মহলের তদারকির কারনে ব্যার্থ হয়! মাদক বিক্রির পাশাপাশি তাদের ফ্ল্যাটে নানা বয়সী মেয়ে দিয়ে করায় অবৈধ দেহ ব্যাবসা! সে সময় তারা গোপন ক্যামেরায় ভিডিও ধারন করে তা ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা দাবী করে! আর এ টাকার জোড়েই বিলাস
বহুল জীবন যাপন করছে!
এরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র অসামাজিক এবং অবৈধ মাদক ব্যাবসা ছাড়াও পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসে চাকুরী দেয়ার নামে প্রায় ১ ডর্জন লোকের কাছ থেকে প্রায় ১,২৫,০০,০০০ টাকা নিয়ে মাত্র ২ জনের চাকুরী দিয়ে বাকী ১০ জনের টাকা আত্নসাৎ করে।
এরা নিজেদের আওয়ামীলীগ নেত্রী পরিচয় দিয়ে দাপটের সাথে করে আসছিলো অনৈতিক, অসামাজিক আর অবৈধ কর্মকান্ড!


এখনই সময় তাদের বিতারিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা করা!
ধারনা করা হচ্ছে গ্রেফতারকৃত মাদক সম্রাট
ব্লাজু কে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেড়িয়ে আসবে তাদের মাদক ব্যাবসার নানা আস্তানা এবং আইনের আওতায় আনা যাবে বেবী গংদের!

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, বাঁশখালী চট্টগ্রামে দুষ্কৃতকারী কর্তৃক এ ঘটনাটি সংঘটিত হয়৷ ১৭/১১/২০২০ খ্রিঃ প্রতিদিনের মত সরকারি কার্যাদি শেষে বিকেল ০৫টায় কার্যালয় বন্ধ করে সবাই কার্যালয় ত্যাগ করে৷ পরদিন ১৮/১১/২০২০খ্রিঃ তারিখে সকাল ৯:৩০ ঘটিকার সময় কার্যালয়ে প্রবেশ করে চুরির ঘটনা আঁচ পাওয়া যায়৷ দুৃষ্কৃতিকারীগণ কার্যালয়ের হল রুমের জানলার গ্রীল কেটে কার্যালয়ে প্রবেশ করে।

হল রুমে পানির বোতল এবং চারদিকে সিগারেটের টুকরো পাওয়া যায়৷। কার্যালয়ের ভিতর অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক আব্দুর রউফ ভূঞা এর দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতঃ রুমের ভিতর ০৩টি আলমিরার ও ০১ টি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে নগদ আনুমানিক ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

পূর্ব নির্ধারিত স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদি ক্যম্প সহ অন্যান্য কার্যাদি পরিচালনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা অগ্রিম উত্তোলন করে রাখা হয়েছিলো। এছাড়া কার্যালয়ে আসবাবপত্রাদি এলোমেলো ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা ছিল৷ এ ব্যাপারে , কার্যালয় প্রধান ডাঃ শ্যামলী দাশ বলেন,

কার্যালয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতর হওয়া স্বত্বেও এমন ঘৃণ্যতম কার্য মেনে নেয়া যায় নাহ্৷ হাসপাতালের ভিতর অবস্থিত হওয়ায়, কার্যালয়ের আশে পাশে সর্বদা জনগণের আসা যাওয়া থাকে। এছাড়া হাসপাতালের অভ্যন্তরে রাত্রি বেলা নিরাপত্তা প্রহরী রয়েছে। কোন অজ্ঞাত সংঘবদ্ধ চক্র কার্যালয়ের সুষ্ঠু কার্যক্রমে ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে কাজটি ঘটিয়েছে বলে আমার মনে হয়।

এ ব্যাপারে নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করা হয়েছে এবং এজাহার ভুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা হাসপাতাল চত্বর ঘুরে আশে পাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, হাসপাতালে ঢুকার মুখে সিএনজি অটোরিকশা সব সময় অবস্থান করে যার জন্য চিকিৎসক/রোগী/ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আসা যাওয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হয়৷ এছাড়া হাসপাতাল কার্যালয়ে ঢুকার মুখে কাটা তারের বেড়া রয়েছে যার ফলে আগত ব্যাক্তিরা প্রায়শই দুর্ঘটনা র স্বীকার হয়৷

এমন গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল কার্যালয় চত্বরে এবং অভ্যন্তরে কোন সিসি ক্যমেরা নাই। এছাড়া নিরাপত্তা রক্ষীদের দায়িত্ব অবহেলার কারণেই এমন ঘৃণ্যতম কার্য সম্ভবপর হয়েছে৷