Home অপরাধ

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি ঃ
কুতুবদিয়া চ্যানেলে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ড্রেজার ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. হেলাল চৌধুরী অভিযান চালিয়ে মালেক শাহ নামের একটি ড্রেজার মালিককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন।

জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তর ধুরুং আকবর বলী পাড়া এলাকায় উপকুল চ্যানেলে মালেক শাহ নামের একটি ড্রেজার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল।
বিষয়টি অবগত হয়ে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী কুতুবদিয়া জোনের কোস্টগার্ডের সহায়তায় অভিযান চালান।

এসময় নদী রক্ষা ও পরিবেশ ক্ষতিকারক হিসেবে অবৈধভাবে বালু তােলায় ড্রেজার মালিককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। ড্রেজারে মালিক না থাকায় তাৎক্ষণিক জরিমানার অর্থ পরিশােধ করতে না পারায় অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে বৃহস্পতিবার মালিক পক্ষ জরিমানার অর্থ পরিশােধ করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন সব সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবে বলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী জানান তিনি।

নগরীর হালিশহর থানাধীন বিডিয়ার মাঠ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময়ে বেশ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়।
২৪ শে ফেব্রুয়ারী রাত ১০ ঘটিকা সময়ে এই ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় একাধিক মামলার আসামী নুরুদ্দীন মিল্টনের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ হালিশহর বিডি আর মাঠ এলাকার দোকান গুলো থেকে চাদা সংগ্রহ করতে আসলে এবং চাদা না দেওয়ায় দোকানদারকে মারধোর করে।

এ সময় মিল্টন ও সন্ত্রাসী রবিনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি দোকানে ভাংচুর চালায়। এ সময় সেখানে উপস্থিত হালিশহর থানার ছাত্রলীগ নেতারা বাধা দিলে তাদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে মিল্টন ও তার অনুসারীরা।
ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির আহমেদ শামীম,ইসমাইল হোসেম সম্রাটকে কুপিয়ে জখম করা হয়।

আহত ছাত্রলীগ নেতারা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে সাংবাদিকদের জানায়,হঠাৎ করেই অতর্কিত ভাবে রামদা হকিস্টিক ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে মিল্টন ও তার অনুসারীরা। তাদের হামলায় দোকানদার এবং পথচারীসহ আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

এ সময় কয়েকটি ফাঁকা গুলিও ছোঁড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে আহত ছাত্রলীগ নেতারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে জানা যায়, নুর উদ্দিন মিল্টন প্রকাশ পিস্তল মিল্টনের নেতৃত্বে চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় অংশগ্রহণ করে ইকবাল হোসেন মামুন ( প্রকাশ সোর্স মামুন) পারভেজ, মাইকেল সুমন, সাইফুল ইসলাম রবিন, কিশোর গ্যাং লিডার তুষার,

মিশু,রুবেল,রাকিব ( প্রকাশ পিচ্চি রাকিব)। অভিযোগ এই চাঁদাবাজ গ্রুপ হালিশহর এলাকায় বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টারের বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন মেহমানদের মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নিতো,গতকাল হালিশহর ফইল্লাতলি বাজারস্হ কুটুম্ববাড়ী কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে এক নারীকে উক্তত করে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার সময় মিল্টন গ্রুপের এক সদস্য রুবেল কে জনগণ হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দেয়,অন্যদিকে হালিশহর এ ব্লক এলাকায় ব্যবসায়ীরা এক প্রকার জিন্মি এই গ্রুপের হাতে,এরা প্রতিনিয়ত অস্ত্র নিয়ে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মিল্টনের বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এ গ্রুপের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলে ও হালিশহর থানা প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না।এ ছাড়া বিডিআর মাঠ সংলগ্ন ঢাকা ব্যাংক ও আর,এফ,এল শোরুমে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে প্রশাসন পুরো ব্যাপারটার সার্বিক চিত্র প্রমান সহ পাবেন এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এবং এলাকায় ব্যবসায়ীদের জোর দাবী অতি দ্রুত এসব ভিডিও ফুটেজ চেক করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

এমডি ইলিয়াস নোয়াখালী প্রতিনিধি

পারিবারিক কলহের জের ধরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নে তাহমিনা আক্তার মিনা (৫৫) নামের এক গৃহবধূকে গোসলের কথা বলে বাথ রুমে ডেকে নিয়ে জবাই করে হত্যা করেছে তার স্বামী।

ঘটনায় নিহতের স্বামী আবদুর রব প্রকাশ বাবুল ড্রাইভারকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহের জরে ধরে এ হত্যাকা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সাদেকপুর গ্রামের ওয়ালি বেপারী বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাহমিনা আক্তার মিনা ওই বাড়ীর আবদুর রব বাবুলের স্ত্রী। দুই ছেলের জননী তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবুল দীর্ঘদিন পর্যন্ত সৌদি আরবে ছিলেন। গত ৫-৬মাস আগে দেশে আসার পর থেকে পারিবরিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী মিনার সাথে মনমালিন্য চলে আসছিল তার। মঙ্গলবার সকালে বাবুলের ঘরের ভিতর থেকে তাদের স্বামী স্ত্রীর জগড়া শুনতে পায় বাড়ীর লোকজন। এরকিছুক্ষণ পর তারা তাহমিনার চিৎকার শুনে ঘরে গিয়ে বাথরুমে রত্তাক্ত অবস্থায় তাহমিনার লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। এসময় বাবুলের হাতে রক্তমাখা একটি ছুরি ছিল।

সেনবাগ থানার ওসি আবদুল বাতেন মৃধা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের স্বামী বাবুলকে আটক ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমডি ইলিয়াস সেনবাগ প্রতিনিধি:নোয়াখালীর সেনবাগ পৌরসভায় নারী গঠিত বিষয়ের জের ধরে দুই কর্মকর্তার মধ্যে ঝগড়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ওই মারামারির বিষয়টি বর্তমানে পুরো পৌরসভার সর্বত্র জুড়ে টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।জানাগেছে, সেনবাগ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ও সচিবের দায়িত্বে থাকা (ভারপ্রাপ্ত) জাকির হোসেনের সঙ্গে পৌরসভার এক নারী কর্মচারী সঙ্গে দীর্ঘ দিন থেকে পরকীয়া চলে আসছিল।

এই নিয়ে পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তারা কানাঘুষা শুরু করে। এতে প্রকৌশলী জাকির হোসেন ক্ষিপ্ত হয়।গত রোববার ১৪ ফেব্রুয়ারি পৌরসভার জন্মনিবন্ধন সনদের জন্য আসা সেবা গ্রহীতা জনৈক সালা উদ্দিন ছালু সকাল থেকে বেলা পৌন ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে বিরক্ত হয়ে ভারপ্রাপ্ত সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেনের মোবাইলে কল দিলে তিনি কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন।

এক পর্যায়ে তিনি দুপুর পৌনে ১২টার দিকে অফিসে এসে পৌরসভার প্রধান সহকারী আজাদ ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক মহিন উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে লোকজনকে তার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলা সহ বিভিন্ন রকম অভিযোগ এনে গালমন্দ ও বকাঝকা শুরু করে। এ সময় সচিবের কথায় বিরক্ত হয়ে প্রধান সহকারী আজাদ সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেনকে চড়থাপ্পড় মেরে আহত করে।

এ সময় প্রকৌশলী জাকির হোসেন পাল্টা আজাদের ওপর চড়াও হলে অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে উদ্ধার করে একটি কক্ষে আটক করে রাখে। তাৎক্ষনিক ভাবে মারামারির বিষয়টি পৌর শহরের চর্তুদিকে ছড়িয়ে পড়ে।নাম প্রকাশ না করা শর্তে পৌরসভার একাধিক কর্মচারী জানান, এরআগে পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরীর আমলে প্রকৌশলী জাকির হোসেন পরকীয়ার মাধ্যমে পৌরসভার জনৈক নারী কর্মচারী কে বিবাহ করে।

পরে প্রায় দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে কাবিনের শর্তে তাদের মধ্যে তালাক হয়ে যায়। ওই সময় তিনি সেনবাগ পৌরসভা থেকে অন্যত্র বদলি হয়ে যান। পরবর্তীতে সে আবারো বিগত ৪ বছর আগে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে সেনবাগ পৌরসভায় যোগদান করার পর থেকে সে আবারো পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে ওই নারীর কথায় প্রধান্য দিয়ে অন্যান্য কর্মকর্তাদের কে তিনি নানা ভাবে নাজেহাল করতে থাকে। এরই জের ধরে রবিবার ওই মারামারির ঘটনাটি ঘটেছে।

এব্যাপারে যোগাযোগ করলে, সেনবাগ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ও সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জাকির হোসেন মারধরের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন,তবে পরকীয়ার কথা অস্বীকার করেন।
এব্যাপারে সেনবাগ পৌরসভার প্রধান সহকারী আজাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,প্রকৌশলী ও সচিবের দায়িত্বে থাকা জাকির হোসেন পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে ও সময়মত কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকায় সেবা গ্রহীতারা তাকে ফোন করলে তিনি বিরক্ত হন এবং অফিসে এসে তাদেরকে গালমন্দ করার কারণে ওই ঘটনাটি ঘটে।

এঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম সারওয়ার দুলাল ঘটনাগুলির সতত্যা নিশ্চিত করেন।

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ গাজীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার রশিদপুর নামাপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েক জন আহত হয়েছে।
নিহত আব্দুল ফজল সরদার (৫৫) কালিয়াকৈর উপজেলার রশিদপুর এলাকার মৃত মাহমুদ সরদারের ছেলে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নাজমুন্নাহার ইতি জানান, আহত অবস্থায় আব্দুল ফজল সরদারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর মারা যান তিনি।
কালিয়াকৈর থানার মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে কালিয়াকৈর উপজেলার রশিদপুর নামাপাড়ায় আব্দুল ফজল সরদারের সঙ্গে পাশের বাড়ির আহাদুর আলীর ছেলে সোলাইমান সরদারের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিরসনে স্থানীয়ভাবে কয়েকবার গ্রাম্য শালিস বৈঠকে বসেন তারা। তাতেও তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধের কোনো সমাধান হয়নি।
কিছুদিন আগে ওই জমির মাপমাপিও করা হয়। এরপরও স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য বৈঠকে ওই জমির কোনো সঠিক সমাধান করা যায়নি।
বুধবার সকালে আব্দুল ফজল সরদার তার চাচা আব্দুল সরদার, চাচাত ভাই বাদশা সরদার, শহিদুল ইসলাম তাদের পাওনা জমি দাবি করে সেখানে বেড়া দিতে যান। এ সময় তাদের প্রতিবেশী সোলাইমান সরদার কয়েক জন সহযোগী বাশের লাঠি নিয়ে সেখানে যান। তারা আব্দুল ফজলদের বেড়া দেওয়ার কাজে বাধা দেন।
এ সময় কথা কাটাকাটি, চড়-থাপ্পড়ের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায় তাদের দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় গ্রুপের কয়েকজন আহত হন। স্থানীয়ভাবে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতদের মধ্যে আব্দুল ফজল সরদারের অবস্থার অবনতি হলে দুপুরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্ষে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান।
তার মৃত্যুর খবর শুনে প্রতিপক্ষের লোকজন পালিয়ে গেছেন।
খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে বলেন তিনি।
কালিয়াকৈর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব চক্রবর্তী জানান, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সেলিনা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

0 0
মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এক দম্পতির ঝগড়ার থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত হয়েছে।
১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে
নিহত শফিকুল ইসলাম (৩৮) রংপুরের পীরগাছা থানার পশ্চিম পাটশিকড় এলাকার আবু বক্করের ছেলে।
কাশিমপুর থানার ওসি মাহবুবে খোদা জানান, সারদাগঞ্জে এক বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় ডিবিএল কারখানায় চাকরি করতেন শফিকুল ইসলাম।
বুধবার দুপুরে একই বাড়ির ভাড়াটিয়া আতাউর রহমান (৩০) ঘরের দরজা বন্ধ করে তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করছিলেন। এ সময় শফিকুল ইসলাম ওই ঝগড়া থামাতে ঘরের দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি এবং দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন।
এতে আতাউর রহমান উত্তেজিত হয়ে দরজা খোলার পরই শফিকুল ইসলামকে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ আতাউর রহমানকে আটক করেছে। আটক আতাউর রহমানের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা এলাকায়।

মোঃ রিয়াজ উদ্দীন ;চট্টগ্রামের ফট্কিছড়ি বিবির হাটে নির্মাণাধীন এক্সেস ফটিক প্লাজায় দোকান বরাদ্দে প্রতারণা ও আপোষের নামে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ এনে ফটিকছড়ি মাইজপাড়া এলাকার মো. সামশুল আলমের পুত্র প্রবাসী মো. নুরুল আলম এর সংবাদ সম্মেলন করেন।

বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২টায় নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ফটিকছড়ির পাইন্দং ইউনিয়নের মৃত আহমদ সফার পুত্র হাবিবুল্লাহ বাহার ও এক্সেস ফটিক প্লাজার এমডি মো. শফিউল আলম এর বিরুদ্ধে প্রবাসী মো. নুরুল আলম ব্যাপক প্রতারণা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ আনেন। লিখিত বক্তব্যে প্রবাসী মো. নুরুল আলম বলেন,

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে আমি বিদেশ হতে দেশে ফেরার পর সাময়িক পরিচয় সূত্রে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক উত্তর বিভাগ) শহিদুল আলম এর বড় ভাই হাবিবুল্লাহ বাহার ও এক্সেস ফটিক প্লাজার এমডি শফিউল আলম এক্সেস ফটিক প্লাজার দোকান বরাদ্দ নেওয়ার প্রস্তাব করলে আমি ১ম তলায় ২৪০ ও ২৪১নং দোকান জন্য রশিদ মূল্যে ৫ পাঁচ লক্ষ টাকা প্রদান করে দোকানদ্বয় বরাদ্দ নিই। যা আমাকে দলিল প্রদান করেন। হাবিুল্লাহ বাহার ১মপক্ষ হয়ে রশিদ মূল্যে বিভিন্নভাবে ২৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আমার নিকট থেকে গ্রহণ করে।

পক্ষান্তরে তারা প্রতারনা করে আমার অজান্তে ২৪০নং দোকান ভূমি মালিক মহিউদ্দীনের নিকট হস্তান্তর করেন। হাবিুল্লাহ বাহার এর ভাই অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হওয়ায় প্রশাসনিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে সে সাধারণ জনগণের সাথে প্রতারনা চালিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সর্বশেষ গত ১০ জানুয়ারি তারিখে উক্ত ব্যক্তিবর্গ আপোষের কথা বলে আমাকে ডেকে নিয়ে বায়েজিদ থানার অধীনে চন্দ্রনগর আবাসিকে জেনে বুঝে বিল্ডিংয়ের ১ম তলায় হাবিুল্লাহ বাহার এর অফিসে বিকাল আনুমানিক সাড়ে তিনটায় ঢোকার মুহুর্তে হাবিুল্লাহ বাহার ও এক্সেস ফটিক প্লাজার এমডি মো. শফিউল আলম আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে হত্যার চেষ্টা করে।

আমি কোন রকমে প্রাণে বেঁচে বায়েজিদ থানায় পৌঁছায় এবং থানার ওসি কে মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে তৎক্ষনাৎ পুলিশ ফোর্স প্রেরণ করেন। উপস্থিত তদন্ত অফিসারকে ঘটনার সিসি ভিডিও ফুটেজ জব্দ করার জন্য অনুরোধ করি।

ঘটনা তদন্ত করার পর থানার অফিসাররা সত্য ঘটনা জানার পরও মামলা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। থানার অফিসাররা বলেন, হাবিবুল্লাহ বাহারের ছোটভাই পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিধায় আমাদের পক্ষে মামলা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। থানার কর্মকর্তাগণ আমাকে মামলাটি আদালতে করার জন্য পরামর্শ দেয়। এরপর আমি হাবিবুল্লাহ বাহারের বড় ভাই অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার শহিদুল আলম (ট্রাফিক উত্তর বিভাগ) এর গিয়ে বিষয়টি বিস্তারিত অবহিত করি।

এরপর শহিদুল আলম বলেন, হাবিবুল্লাহ বাহারকে টাকা দেওয়ার সময় তুমি কী আমাকে বলে দিয়েছো। এক্ষুনি অফিস থেকে বেরিয়ে যাও। অন্যদিকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শহিদুল আলমের কাছে যাওয়ার খবর পেয়ে হাবিবুল্লাহ বাহার গং আমার উপর ক্ষেপে যায়। আমাকে জানে মেরে ফেলা, পুলিশ দিয়ে ক্রসফায়ার ও মিথ্যা মামলা দায়ের করার হুমকি দেয়।

আমি এক পর্যায়ে বিষয়টি মাননীয় স্বরাষ্ট মহোদয়কে জানালে তিনি আমাকে মাননীয় পুলিশ কমিশনারের সাথে দেখা করতে বলে। মাননীয় পুলিশ কমিশনার ফটিকছড়ি এলাকাটি তার আওতাধীন নয় বলে জানিয়ে আমাকে মাননীয় পুলিশ সুপারের কাছে যেতে পরামর্শ দেন। আমি নিরুপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত মহামান্য আদালতে গত ১৫ ফেব্রæয়ারি ২০২১ ইং সিআর মামলা দায়ের করি। আমি দেশের প্রশাসনের কাছে আমার জীবনের নিরাত্তা, দোকান পুনরুদ্দার ও আসামিদের শাস্তি দাবি করছি।

তিনি আরো বলেন, প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে জীবনের সমস্ত সঞ্চয় বিনিয়োগ করে দোকান ক্রয় করেছি। কতিপয় প্রশাসনের পরিচয়ে তাদের লোকজন প্রতারণা করে আমাদেরকে পথে ভিখারী বানানোর পায়তারা করছে।

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আমাদের বাঁচান, আমাদের রক্ষা করুন।

0 0

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ গাজীপুরে এক বিউটি পার্লার কর্মীকে (১৬) আটকে রেখে দিনের পর দিন জোরপূর্বক যৌনকর্ম করানোর অভিযোগ উঠেছে এক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই বিউটি পার্লার কর্মী বাদী হয়ে নারী কাউন্সিলরসহ দুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে বাসন থানায় মামলাটি করেন তিনি।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর রোকসানা আহমেদ রোজী (৪০) ও নগরীর গ্রেটওয়াল সিটির মোফাজ্জল হোসেনের বাড়ির কেয়ারটেকার মোঃ নূরুল হক (৬৫)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ে আরও দু-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চার মাস আগে নারী কাউন্সিলর রোকসানা আহমেদ রোজী চান্দনা চৌরাস্তায় রহমান শপিংমলে তার পরিচালিত ‘আনন্দ বিউটি পার্লার’-এ তাকে চাকরি নেয়। কিছু দিন পর ওই এলাকার গ্রেটওয়াল সিটিতে নারী কাউন্সিলরের ভাড়া বাসার ফ্ল্যাটে নিয়ে তাকে দিয়ে বিউটি পার্লারের কাজ করানো হয়। পাশাপাশি তাকে কাজের মেয়ের পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক ঘরে বিভিন্ন ধরনের কাজ করানো হতো। প্রতিবাদ করলে নানা ধরনের হুমকি দেয়া হতো।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে আসামি নুরুল হকের সহযোগিতায় ওই ফ্ল্যাটে তাকে দিয়ে পতিতাবৃত্তির কাজে বাধ্য করানো হতো। একাধিকবার নারী কাউন্সিলরের বাসা থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটকে রেখে পতিতাবৃত্তির কাজ করতে বাধ্য করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে কৌশলে পালিয়ে এসে বাসন মেট্রো থানায় মামলা দায়ের করে ওই কিশোরী।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাসন মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক।

তিনি জানান, ওই কিশোরীর বাড়ি নেত্রকোনা জেলায়। গাজীপুরে কোনো স্বজন না থাকায় অভিযুক্ত নারী কাউন্সিলরের ভাড়া বাসায় থাকত। দুই বছর আগে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। নারী কাউন্সিলর তাকে জিম্মি করেই দেহ ব্যবসা করিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ এনে থানায় মামলা দায়ের করেছে সে।

এ বিষয়ে জানতে নারী কাউন্সিলর রোকসানা আহমেদ রোজীর মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

মোহাম্মদ জুবাইর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।১৪/২/২০২১ ইং

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর নির্বাচনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে গোলাগুলিতে আবদুল মাবুদ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নানের বড় ভাই বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দার খিল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে দুপুর নাগাদ তা গোলাগুলিতে রূপ নেয়। এ সময় প্রতিপক্ষের গুলিতে কাউন্সিলর প্রার্থী মান্নানের ভাই নিহত হন। এরপর বিক্ষুব্ধ কর্মীরা পটিয়া আনসার ভিডিপি ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগ করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিনহাজ বলেন, পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দার খিল কেন্দ্রের বাইরে গুলিতে একজন আহত হন। তাকে আহত অবস্থায় পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ওই কেন্দ্রে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে পটিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুল খালেক নামে এক কাউন্সিলর প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া যায়।

নোয়াখালীর সুধারাম থানার পশ্চিম নরোত্তমপুর গ্রামে পরকীয়ার জের ধরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে এক কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী উদাও হয়েছে। ২০ দিন পরেও উদ্ধার হয়নি কিংবা বাড়ি ফেরেনি এই নববধূ। এই ঘটনায় ওই প্রবাসীর পিতা আব্দুর রব বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় বৃহস্পতিবার একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

প্রবাসীর পিতা আব্দুর রব জানান, ২০১৯ সালের ২৩ মে তার প্রবাসী ছেলে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার বড় চাঁদপুর গ্রামের আমিন ড্রাইভারের বাড়ির জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারকে (২১) পারিবারিকভাবে বিয়ে করে। বিয়ের দুই মাস পর জীবিকার তাগিদে স্ত্রীকে রেখে কুয়েত চলে যায়। ইতিমধ্যে করোনার কারণে দেশে আসতে পারেনি।

এই সুযোগে গৃহবধূ সুমাইয়া একটি ছেলের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে, গৃহবধূর পিতার পরিবার সোনাইমুড়ীর বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া থাকতো।গত ২২ জানুয়ারি ভোরে সুমাইয়া স্বামীর বাড়ি থেকে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল নাম্বারও বন্ধ রয়েছে।

সুধারাম থানার এস আই রাহুল চৌধুরী জানান, আমি প্রাথমিক তদন্ত করছি, সুধারাম থানার ওসি (তদন্ত) ফজলুল হক পাটোয়ারী জানান, তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নোয়াখালীতে পরকীয়ার জের ধরে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও ।

এমডি ইলিয়াস নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সুধারাম থানার পশ্চিম নরোত্তমপুর গ্রামে পরকীয়ার জের ধরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে এক কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী উদাও হয়েছে। ২০ দিন পরেও উদ্ধার হয়নি কিংবা বাড়ি ফেরেনি এই নববধূ। এই ঘটনায় ওই প্রবাসীর পিতা আব্দুর রব বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় বৃহস্পতিবার একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

প্রবাসীর পিতা আব্দুর রব জানান, ২০১৯ সালের ২৩ মে তার প্রবাসী ছেলে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার বড় চাঁদপুর গ্রামের আমিন ড্রাইভারের বাড়ির জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারকে (২১) পারিবারিকভাবে বিয়ে করে। বিয়ের দুই মাস পর জীবিকার তাগিদে স্ত্রীকে রেখে কুয়েত চলে যায়। ইতিমধ্যে করোনার কারণে দেশে আসতে পারেনি।

এই সুযোগে গৃহবধূ সুমাইয়া একটি ছেলের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে, গৃহবধূর পিতার পরিবার সোনাইমুড়ীর বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া থাকতো।গত ২২ জানুয়ারি ভোরে সুমাইয়া স্বামীর বাড়ি থেকে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল নাম্বারও বন্ধ রয়েছে।

সুধারাম থানার এস আই রাহুল চৌধুরী জানান, আমি প্রাথমিক তদন্ত করছি, সুধারাম থানার ওসি (তদন্ত) ফজলুল হক পাটোয়ারী জানান, তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।