Home Authors Posts by Md Alauddin

Md Alauddin

34 POSTS 0 COMMENTS

    0 0

    সিটিজি ট্রিবিউন আলাউদ্দীনঃ-চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, নগরবাসীদের স্বাস্থ্য সচেতন করতে নিয়মিত হেলথ চেক আপ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

    প্রতি শুক্রবার সকালে ডিসি হিলে যারা প্রাত:ভ্রমণ করতে আসেন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে তাদের রক্তের শর্করার পরিমান,রক্তচাপ চেক আপসহ ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া এবং করোনা সম্পর্কে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে। এছাড়া নগরীর প্রত্যেক ওয়ার্ডে বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। তিনি আজ সকালে নগরীর ডিসি হিলে বিনামূল্যে এই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে একথা বলেন। প্রশাসক ডিসি হিলের আশেপাশে ঘুরে দেখেন এবং প্রাতঃভ্রমণে আসা নগরবাসীর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ আলোচনা করেন এবং তাঁদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই ডিসি হিলের ওয়ার্কওয়েটি সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন এম.পি, দৃষ্টি নন্দনভাবে সাজিয়েছেন। এর পরিবেশ রক্ষায় আপনাদেরকেও উদ্যোগী ভুমিকা রাখতে হবে। কারণ এটি আপনারাই ব্যবহার করছেন। আমি লক্ষ্য করেছি এখানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বাদাম,চটপটিওয়ালা তাদের ব্যবহৃত বিভন্ন ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছে- যা কাম্য নয়। আপনারা ডিসি হিলের পরিবেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলকে উৎসাহিত করবেন। চসিক সপ্তাহে ২দিন এর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এসময় প্রশাসক ডিসি হিলের অবস্থিত বসার স্থানগুলোতে জমে শ্যাওলাগুলো অতি শিঘ্রই পরিস্কার করার জন্য পরিচ্ছন্ন বিভাগকে নির্দেশনা দেন।

     

    এই সময় উপস্থিত চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, বিশিষ্ঠ রাজননৈতিক নেতা জামশেদ আলম চৌধুরী, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী বিপ্লব কন্তি দাশ, ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, ডা. জুয়েল মহাজন, ডা. মোহাম্মদ ইস্কান্দর আলী, ডা. মোহাম্মদ আবিন ইবনে তাাহের, ডা. সুদীপ কুমার চৌধুরী, ডা. মো. ওমর আলী, মো. শাহদে আলী চৌধূরীসহ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় প্রাত:ভ্রমনে আসা নাগরিকগণ এমন উদ্যোগের জন্য প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান জানিয়ে বলেন, এর আগে এমন একটা বিষয় নিয়ে এভাবে কেউ ভাবেনি। এটি একটি ইউনিক চিন্তাভাবনা ও সময়োপযুগী। এরকম উদ্যেগের ফলে নগরসেবায় পরিবর্তন আসবে বলে তারা মনে করেন।

    0 0

    সিটিজি ট্রিবিউন আলাউদ্দীনঃ-চসিক প্রশাসকস সুজন বলেন, বিগত সময়ে দেশের মাদক সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের করাল থাবায় দেশে যখন একের পর অঘটন ঘটছিলো তখন র‌্যাব অতন্দ্র প্রহরী হয়ে কাজ করেছে। আজ সন্ধ্যায় র‌্যাব-৭ এর সদর দপ্তরে র‌্যাবের অধিনায়ক লে.কর্ণেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল. পিএসসি’র সাথে সৌজন্য বৈঠকে প্রশাসক এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, র‌্যাবের কার্যকর পদক্ষেপের সুফল মাঠ পর্যায়ে প্রভাব ফেলছে। আগামীতেও র‌্যাব এর এই ফলদায়ক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় প্রশাসক চসিকের গৃহিত সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ইতোমধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চসিক প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মাদক বিরোধী কমিটি গঠন,লিফলেট বিতরণ ও সভা সমাবেশ করেছে । তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সেবা সংস্থা ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে দফায় দফায় বৈঠক করে করনীয় ও কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। তাই যে কোন বিষয়ে আমার শতভাগ দিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীকে সহায়তা করবো।

    আইন শৃংখলা রক্ষা ও সমাজিক অবক্ষয় রোধে চসিকের উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে র‌্যাবের অধিনায়ক বলেন আমাদের পক্ষ থেকেও চসিকের সকল কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে। বৈঠকে র‌্যাবের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সিটিজি ট্রিবিউন আলাউদ্দীনঃ-   তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,‘বেগম জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন তার প্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় মনে হয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো।’

    বেলজিয়াম সফর থেকে ফিরে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ রাখা হয়েছে -বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে হাস্যকর অভিহিত করে ড. হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সিআরপিসি (দ-বিধি)-তে উল্লিখিত তার ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে প্রথমে ৬ মাস মুক্তি দিয়েছেন, পরে আরো ৬ মাস সেটি বর্ধিত করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের উচিত ছিল এই মহানুভবতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জানানো। কারণ তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামী, তার তো কারাগারের ভেতরেই থাকার কথা ছিল, তিনি আদালত থেকে জামিন পাননি। কিন্তু তার পরিবর্তে তারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, এতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি না দেখালেই ভালো হতো। ’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে মুক্তি দেবার পরও বিএনপি নেতাদের কথার কারণে জনগণের পক্ষ থেকে বেগম জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানো দাবি উঠতে পারে, এ শংকাও প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

    এসময় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর বক্তব্য ‘বিএনপি কখনো হত্যার রাজনীতি করেনা’- এ প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই তো বিএনপি’র উন্মেষ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই ক্ষমতা দখল এবং ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেন। এবং সেই ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য জিয়াউর রহমান হাজার হাজার সেনা সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল।’

    বেগম খালেদা জিয়াও সেই হত্যার রাজনীতি অব্যাহত রেখেছিল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার অনুমোদনক্রমে এবং তার পুত্র তারেক রহমানের পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। এছাড়া জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত ছিল। সুতরাং হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই যাদের উন্মেষ, হত্যার রাজনীতিই যারা করে, পেট্রোল বোমা হামলা করে যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যার রাজনীতি করে, তাদের মুখে এ কথা মানায় না। বরং প্রকৃতপক্ষে হত্যার রাজনীতিই তাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।’

    এসময় সাংবাদিকরা সদ্যপ্রয়াত আল্লামা শফী’র মৃত্যু এবং হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা বিষয়ে প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী মাওলানা শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘মাওলানা আহমদ শফীর জন্ম আমার নির্বাচনী এলাকার নিজের উপজেলায় এবং আমার পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে। তিনি আলেমদের মধ্যে এবং ঐ অঞ্চলে কি পরিমাণ জনপ্রিয় ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন, সেটি তার জানাজা থেকে বোঝা যায়। হাটহাজারী মাদ্রাসার বিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠানটির আভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু সেটি যে মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালকের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক।’

    এসময় হেফাজত-ই-ইসলামের ভবিষ্যত নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, এটি হেফাজতের আভ্যন্তরীণ বিষয়, এগুলো নিয়ে আমি কথা বলতে চাইনা।

    সিনেমা হল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিনেমা হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য সিনেমা হলের মালিক, সিনেমার পরিচালক, প্রযোজকদের পক্ষ থেকে দাবি আছে। তাদের সাথে এ মাসের শুরুতে আমি বসেছিলাম। এ মাসের ১৫ তারিখের পরে বৈঠক করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেবার কথা। খুব সহসাই তাদের সাথে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

    মন্ত্রিপরিষদে রদবদল বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, তিনি ছাড়া অন্য কেউ এ নিয়ে বলার ক্ষমতা রাখেন না।

    হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

    তার জানাজায় ইমামতি করেন তার ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ ইউসূফ। জানাজা শেষে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয় দেশের জ্যেষ্ঠ এ আলেমকে।

    তার জানাজায় অংশ নিতে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মানুষের ঢল নামে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলার চার উপজেলায় কাজ করছে ১০ প্লাটুন বিজিবি ও ৭ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বাধীন টহল দল।

    হেফাজত আমির ও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি আল্লামা আহমদ শফীর জানাজায় অংশ নিতে লাখো মানুষের ঢল নামে হাটহাজারির দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা এলাকায়। শনিবার ভোর থেকেই চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, সাতকানিয়া ও পটিয়াসহ নানা উপজেলা থেকে আসতে থাকেন তার অনুসারীরা। জড়ো হয়েছেন ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো মানুষ।

    আহমদ শফীর মৃত্যু ও জানাজাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শুক্রবার রাত থেকেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৪ উপজেলায় ১০ প্লাটুন বিজিবি ও ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

    হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন ১০৪ বছর বয়সী হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে মারা যান তিনি।

    দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ আহমদ শফীকে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার বিকেলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়। পরে সন্ধ্যায় মারা যান কওমি মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার সাবেক এই মহাপরিচালক।  তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী হাটহাজারী মাদ্রাসায় জানাজা শেষে দাফন করা হয়। 

    0 0

    সিটিজি ট্রিবিউন মোঃআলাউদ্দীনঃ- কওমি মাদ্রাসা সমূহের শীর্ষ সংগঠন আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া, বেফাকুল মাদারিস, বাংলাদেশ ও হেফাজত-ই-ইসলাম সংগঠনের চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দু:খপ্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ইন্তেকালের সংবাদে ব্রাসেলস সফররত তথ্যমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। মৃত্যুকালে আল্লামা শফীর বয়স হয়েছিল ১০৪ বছর।

    ড. হাছান মাহমুদ তার শোকবার্তায় প্রয়াত আল্লামা শফীকে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীন হিসেবে উল্লেখ করেন এবং চট্টগ্রামের একই উপজেলা রাঙ্গুনিয়ার সন্তান হিসেবে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানান৷ মন্ত্রী বলেন, মওলানা আল্লামা শফী দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও বৃহত্তম চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার মহাপরিচালক হিসেবে কওমি মাদ্রাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার ও স্বীকৃতি অর্জনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ারটিলা গ্রামে ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শাহ আহমদ শফী মৃত্যুকালে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ রপ্তানিকারক দেশ, ভারতে পেঁয়াজের দাম তিনগুণ বেড়ে যাওয়ার পর ভারত সরকার সব ধরণের পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

    ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে বন্যায় এবার গ্রীস্মকালীন ফসল মার খাওয়ার পর সেখানে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে।কোন কোন নগরীতে প্রতি কিলোগ্রাম পেঁয়াজ ষাট সেন্টেও বিক্রি হচ্ছিল।দিল্লি থেকে বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ জানান, ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড আছে, তার প্রধান অমিত যাদবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার একথা জানানো হয়।এতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ সব দেশে ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি অবিলম্বে বন্ধ হচ্ছে।ভারতে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ হয় মহারাষ্ট্রে। সেখান থেকে যেমন পেঁয়াজ রপ্তানি করা যাবে না, তেমনি কর্ণাটক বা তামিলনাডু থেকেও পেঁয়াজ রপ্তানি করা যাবে না।

    এই বিবৃতিতে অবশ্য রপ্তানি বন্ধের কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে ধরে নেয়া হচ্ছে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে, সেটাই এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ।গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহেও ভারত একেবারে আচমকা বাংলাদেশসহ সব দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।আমদানি করার ভারতীয় পেঁয়াজের ওপর বাংলাদেশের ব্যাপক নির্ভরতা রয়েছে। গত বছরের ঐ সিদ্ধান্তের পর সাথে সাথেই বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অগ্নিমূল্য হয়ে উঠেছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল কয়েক মাস।

    ভারত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ রপ্তানিকারক দেশ। প্রতি বছর দেশটি প্রায় ২০ লাখ টন পেঁয়াজ রপ্তানি করে।দক্ষিণ এশিয়ার রন্ধনপ্রণালীতে পেঁয়াজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান।ভারতের পেঁয়াজের ওপর বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলংকাও ব্যাপকভাবে নির্ভর করে।

    0 0

    সিটিজিট্রিবিউনঃ  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রামের ভূ-প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও প্রাচুর্যময় বৈচিত্রের সমন্বয়ে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা আকর্ষণে নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম নগরী প্রকৃতির আশীর্বাদ।

    পাহাড়-নদী-সমুদ্র বেষ্টিত এমন নান্দনিক উপাদান পৃথিবীতে বিরল। অথচ আমরা এগুলো কাজে লাগাতে পারিনি, বরং এই নান্দনিক প্রাচুর্য্যকে ধ্বংস করেছি; নদী দখল করেছি, পাহাড়কে কেটে সৌন্দর্য্যরে অঙ্গহানি করেছি। মনে রাখতে হবে উন্নয়ন বা নগরায়ন মানে শুধু ইট-পাথরের ইমারত নয়- এটা নগ্নতা। উন্নয়ন ও নগরায়নের অর্থ হলো সবুজায়ন ও প্রকৃতির সাথে সমন্বয় সাধন। আজ সকালে টাইগারপাসস্থ নগর ভবনে বিশিষ্ট স্থপতি আশিক ইমরান সৌজন্য সাক্ষাত করতে এলে প্রশাসক এ কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু দুষন বিপজ্জনক অশনি সংকেত। প্রকৃতি, পরিবেশ ও সকল প্রাণীকূলের সাথে সমন্বয় ও সহাবস্থানই আমাদের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার পূর্বশর্ত। চট্টগ্রামের ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্য্য সুরক্ষা করে একটি অত্যাধুনিক পরিবেশ বান্ধব নগরী গড়ার মহাপরিকল্পনা সময়ের দাবী। চট্টগ্রাম যেহেতু বন্দর নগরী এর অনেক অনেক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা পর্যটন খাতে। পুরোনগরীকে পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তুলতে যে উপাদানগুলো আছে তার সদ্ব্যবহার সম্ভব হলে পর্যটন খাত থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আয়ের উৎস সৃষ্টি হবে। তিনি মেরিন ড্রাইভ সড়কসহ বিভিন্ন দর্শণীয় স্থানে, পর্যটন স্পটে কটেজ ও মোটেল স্থাপনের কথাও বলেন। তিনি আরো বলেন যে, ফয়সলেক থেকে ভাটিয়ারী পর্যন্ত বার্ড ফিডিং বানানো হবে। তিনি নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে নকসা প্রণয়নের আহব্বান জানালে স্থপতি আশিক ইমরান প্রশাসক মহোদয়ের বক্তব্য ও নকশা প্রণয়নে সহমত পোষন করে বলেন, যেখানে যেখানে সৌন্দর্য্যবর্ধন করা যায় সেজন্য উপযোগী নকসা প্রণয়নের কাজটি করার দায়িত্ব আমরা পালন করতে পারি। এ ছাড়া নতুন নতুন খেলাধূলার মাঠ তৈরী এবং এখন যে-গুলো আছে সে-গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ কাজকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত। তিনি আরো বলেন, সবুজায়নের জন্য বৃক্ষরোপনের পাশাপাশি বৃক্ষনিধন বন্ধ করার উপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

    এসময় চসিক প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি  এ কে এম রেজাউল করিম, স্থপতি  আবদুল্লাহ আল ওমর, স্থপতি নাজমুল লতিফ সোহাইল, স্থপতি  আসাদুজ্জামান চৌধুরী  উপস্থিত ছিলেন।

    0 0

    সিটিজি ট্রিবিউনঃ চট্টগ্রাম -১১ সেপ্টেম্বর ২০২০
    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগের পাইলাইন হিসেবে খ্যাত পোর্ট কানেক্টিং রোডের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি হওয়ায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, তিন বছর ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে জন-দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছে ছিলো। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়ন কাজটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিই। প্রতিদিনই বিরামহীন ভাবে এই সড়কটির কাজ চলমান রয়েছে।

    এখন পর্যন্ত কাজের যে-টুকু অগ্রগতি হয়েছে তাতে অনেকাংশ জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। একই ভাবে নগরীর অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ সড়কগুলোকেও নির্বিঘ্নে যান ও জনচলাচল উপযোগী করে তোলার জন্য প্যাচওর্য়াক চলমান থাকবে। তিনি আজ দুপুরে পোর্ট কানেক্টিং রোডে সংস্কার ও নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে সমবেত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, যে গতিতে কাজ চলছে তাতে নভেম্বর মাসের মধ্যেই সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশা করা যায়।বৃষ্টিজনিত কারণে পূর্নগতিতে কাজ করার ক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি না থাকলে অক্টোবর মাসেই কাজটি সম্পন্ন হয়ে যেতো। তিনি প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের উদ্দেশ্যে বলেন, সড়কটির স্থায়িত্ব ও ভারী পরিবহন চলাচলের সক্ষমতা বজায় এবং গুনগত মান রক্ষায় কারিগরী বিষয়গুলোর যথাযথ প্রয়োগ হলে আগের মত সড়ক বেহাল দশায় পর্যবসিত হবার কোন আশঙ্কা থাকবে না। আমি এই বিষয়টির উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। অতীতে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি বলেই সড়ক উন্নয়নের কাজ শেষ হওয়ার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে এসব সড়ক বেহাল অবস্থায় পৌঁছে গেছে।

    এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের দায়িত্বহীনতার চিত্র প্রকট হয়ে ওঠে। প্রশাসক মহোদয়ের পোর্ট কানেক্টিং রোড পরিদর্শনের সময় শতশত উৎফুল্ল মানুষের ভীড় জমে ওঠে। এ সময় তারা হাত নাড়িয়ে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে শুভেচ্ছা সিক্ত করেন এবং অনেকেই মন্তব্য করেন যে, দীর্ঘ তিন বছর ধরে আমরা কাঁদামাটির জন্য রাস্তাটি দেখতেই পায়নি। এখন রাস্তাটি দেখতে পাচ্ছি যা আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। এতদিন ভাঙ্গাচোরা খানা-খন্দে ভরা সড়কে কাদা পানি মেখে চললেও এখন পীচঢালা পাকা-পোক্ত সড়ক দেখতে পেয়ে গ্লানি ও হতাশা দুর হলো।

    প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন পোর্ট কানেক্টিং রোডে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী-শ্রমিকদেরকে ঘরে তৈরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিনি চালের পিঠা-পুলি খাইয়ে আপ্যায়িত করে উৎসাহ সৃষ্টি করেন। তিনি শ্রমিকদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহবান জানান। এছাড়া সরাইপাড়া এলাকাবাসীরাও নিজ উদ্যোগে সড়কে কর্মরতদের দুপুরে আপ্যায়িত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের উপ সহকারী প্রকৌশলী সুমন সেন, সড়ক তদারককারী মো. নুর ইসলাম, ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ওসমান ও ইঞ্জিনিয়ার মো. জহির উদ্দিন।
    এছাড়া কলকা সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে সরাইপাড়া স্কুল, মেহেদী বাগ, শেখ মুজিব রোড, দেওয়ানহাট, মেরিনার্স রোড, সিডিএ এভিনিউ, বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার, এয়ারপোর্ট রোড, কাস্টম মোড়, ঈশান মহাজন রোডে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যাচওয়ার্ক আজ দিনভর চলমান ছিলো। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে প্রতিনিয়ত প্যাচওয়ার্ক কাজ চলমান রাখা হয়। পোর্ট কানেক্টিং রোডের চলমান উন্নয়ন কাজের সুবিধার্থে এক পাশ বন্ধ রেখে কাজ চলছে এবং এক পাশ খোলা রাখা হয়েছে। যে অংশটি খোলা সেই অংশে গাড়ি চলাচল ও ভারী বৃষ্টির কারণে সমাপ্ত সংস্কার কাজ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও সেগুলোতে তাৎক্ষণিক প্যাচওয়ার্ক বিদ্যমান রাখা হয়। নগরীর যে কোন সড়কে দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতি ও সমস্যা থাকলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অথবা যে কোন ভাবে প্রশাসককে অবগত করা হলে অকুস্থলে প্যাচওয়াক টিম জনভোগান্তি লাঘবে কাজ করবে।

    এরপর চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আরেফিন নগর টিজি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে চসিক প্রশাসক টিজির প্রবেশমূখের রাস্তাটিকে আরো হাইজেনিক করার নির্দেশনা দেন। এছাড়া কর্পোরেশনের জায়গা যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন তাদেরকে কাছ থেকে জায়াগুলো অবৈধ দখল মুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দেন। এছাড়া মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মপন্থা গ্রহণ করা হবে বলে এলাকাবাসীকে জানান চসিক প্রশাসক।

    0 0

    মাদক-কে বলো না, যে মুখে মা ডাক সে মুখে মাদক নয়। আমরা জানি মাদক এর বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয়েছেন বাংলাদেশ সরকার। ইতিমধ্যে অনেক মাদক ব্যবসায়ী, চোরা চালানকারীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে আমরা মাদকে ঘৃনা করলেও মাদক সেবনকরীদের ঘৃনা নয় বরং ভালোবাসা নিয়ে তাদের পাশে দাড়ানো উচিত।

    সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে “ভোর-মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্র”।
    ভোর পাশে থাকতে চাই অবহেলিত, নিরীহ সেই সব মাদক সেবনকারীদের পাশে যারা এখনো ভুল পথে অাছে তবে একটু ভালোবাসা আর সহানুভূতি পেলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ভোর এর যাত্রা শুরু হচ্ছে তবে এই যাত্রা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।
    প্রথম যাত্রায় “ভোর” যোগ দিয়েছে চট্টগ্রামে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর লক্ষ্যে সেবা মূলক সংগঠন “হ্যালো ডাক্তার” এর সাথে।


    চট্টলরত্ন মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করেছিল হ্যালো ডাক্তার। সেই ধারাবাহিকতায় নিরলস ভাবে চট্টগ্রামের মানুষকে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে সেবা প্রধান করছে তারা।
    “ভোর মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্র” এর পক্ষ থেকে ০৬/০৯/২০২০ তারিখ একটি বিশেষ প্রোগ্রাম এর আয়োজন করা হয়।

    0

    উক্ত প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিবার্চনে বাংলাদেশ আওমীলীগ এর মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী জনাব মো: রেজাউল করিম। তিনি হ্যালো ডাক্তার এর পক্ষ থেকে ভোর এর দেয়া উপহার সামগ্রি গ্রহন করেন।উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ফিল্ড হসপিটালের প্রধান উদ্যোক্তা ডা. বিপ্লব বড়ুয়া।

    অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন “হ্যালো ডাক্তার” এর নির্বাহী পরিচালক ইরফান কাদেরী।
    উক্ত অনুষ্ঠানে ভোর এর সম্মানিত পরিচালক মো: জহির উদ্দিন বাবু ও মানস মূর্খাজী এবং অনেক গুণী ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    ভোর এর পরিচালক জহির উদ্দিন বাবু এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা মাদকের বিরুদ্ধে নেমেছি। সরকারকে সহযোগিতা এবং মাদকের চোবল থেকে দেশ রক্ষা করা আমাদের মূল লক্ষ্য।

    আগামী ৭/৯/২০ তারিখ রোজ সোমবার বাদে আসর ভোর এর নিজস্ব অফিসে ভোর এর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। Begining of a Brighter Day এই স্লোগানকে সামনে রেখে শাহ গরিবুল্লাহ হাউজিং সোসাইটি ১ নং রোড আমাদের নিজস্ব অফিসে আয়োজন করে হবে এই অনুষ্ঠান। সকলে আমন্ত্রিত।

    ভোর এর যাত্রা শুভ হোক সুন্দর হোক।

     

    0 0

    সিটিজি ট্রিবিউন মোঃআলাউদ্দীনঃ  তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির মেয়াদ ২য় দফায় আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীন মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন।

    অপরদিকে ধন্যবাদের সংস্কৃতি লালন করেনা বলে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে।’

    শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় তথ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে টেলিভিশন শিল্পী-কলাকুশলীদের বিভিন্ন সংগঠনের জোট ‘ফেডারেশন অভ টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন (এফটিপিও)’ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

    বক্তব্যের শুরুতেই মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের সদ্যপ্রয়াত সেক্টর কমান্ডার লে: কর্ণেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দু:খপ্রকাশ করেন। ড. হাছান প্রয়াতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

    বেগম জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ালেও বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ধন্যবাদ জানানো হয়নি- এবিষয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীনভাবে একজন শাস্তিপ্রাপ্ত আসামী (খালেদা জিয়া) যিনি ১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তাও এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত, তাকে নজিরবিহীনভাবে দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে তাকে মুক্তি দিয়েছেন। ছয় মাসের জন্য প্রাথমিকভাবে মুক্তি দেয়া হয়েছে, পরে আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘এই প্রথম সিআরপিসির (দণ্ডবিধি) ৪০১ ধারায় যে প্রদত্ত ক্ষমতা সেটা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করেছেন। এতে বিএনপির ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে বিএনপি ধন্যবাদ জানানোর সংস্কৃতিটা লালন করে না। এজন্য তারা ধন্যবাদ জানাতে ব্যর্থ হয়েছে।’

    মন্ত্রী এসময় বলেন, ‘বিএনপির কাছে আমার প্রশ্ন- এই পরিস্থিতি যদি উল্টোভাবে ভাবি, বেগম খালেদা যদি প্রধানমন্ত্রী থাকতেন, তিনি কি শেখ হাসিনার জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন? আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি করতেন না। কারণ যিনি ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডকে উপহাস করার জন্য, হত্যাকারীদের উৎসাহিত করার জন্য নিজের জন্মের তারিখটাই বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী তার দরজায় গিয়ে ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরও দরজা খোলেননি, যার জ্ঞাতসারে তার পুত্র ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা চালায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমস্ত কিছু ভুলে তাকে এই মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি নজিরবিহীন।’

    গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী- এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা দেখেছি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নামে বিএনপি যেভাবে ভোট বানচাল করার চেষ্টা করেছে, ৫০০ ভোটকেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছে, শত শত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, এমনকি পোলিং অফিসারকে হত্যা করেছে। এই যদি তাদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নমুনা হয়, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।