Home Authors Posts by Md Alauddin

Md Alauddin

50 POSTS 0 COMMENTS

    0 0

    সিটিজি ট্রিবিউন আলাউদ্দীন:

    রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক সড়কের ভোর ৬ টায়,কুতুকছড়ি বাজারের পাশের বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে একটি পাথর বোঝাই ট্রাক খালে পড়ে তিনজন নিহত

    হতাহতদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাঙ্গামাটির লোকজন উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

    রাঙ্গামাটির সাথে নানিয়ার চর,মহালছড়ি,খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

    সড়ক যোগাযোগ চালু রাখতে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীরা কাজ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী

      0 0

      তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,

      শনিবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী হকার্স লীগ আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

      বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস স্মরণে মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। সেই প্রচন্ড উচ্ছ্বাসের মধ্যেও বাঙালির মনের গভীরে একটি কালো দাগ ছিলো- বঙ্গবন্ধু কখন আসবেন। আমাদের রক্তার্জিত স্বাধীনতা সেদিনই পূর্ণতা পেয়েছিলো, যেদিন জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১০ই জানুয়ারি বাংলাদেশে পদার্পণ করেন।’

      ‘বঙ্গবন্ধু মুজিব হাজার বছরের ঘুমন্ত বাঙালিকে শ্লোগান শিখিয়েছিলেন- বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো, তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ; আর সেই শ্লোগানে উদ্দীপ্ত লাখ লাখ বাঙালি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে সেই রক্তিম স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলো’ বলেন হাছান মাহমুদ।

      তথ্যমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘১০ জানুয়ারি দেশের মাটিতে পদার্পণ করে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে যাননি, বিমানবন্দর থেকে ছুটে গেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আনন্দাশ্রুসজল নয়নে জাতির পিতাকে এক পলক দেখার জন্য উন্মুখ লাখ লাখ মানুষের কাছে। সেই আনন্দে বিহবল জনতার সমুদ্রকে তিনি বলেছিলেন- দেশের মানুষেরা দেশকে স্বাধীন করেছে, তাকে মুক্ত করে এনেছে, তাদের রক্তের ঋণ তিনি বুকের রক্ত দিয়ে শোধ করতে প্রস্তুত। সেদিন আমরা কেউ ভাবিনি পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট তাকে ঘাতকের হাতে প্রাণ দিতে হবে।’

      দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যে ৭.৪ শতাংশের রেকর্ড বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন, চল্লিশ বছর পরে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তা অতিক্রম করতে পেরেছি, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

      এসময় আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার যুগপূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বিষয়ে বিএনপিনেতা রিজভী আহমেদের মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অন্ধ ও বধিরের মতো সমালোচনা না করে বিএনপিকে অনুরোধ করবো আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও জাতিসংঘের পরিসংখ্যানগুলোতে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতির চিত্রের দিকে তাকাতে।’

      আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এমপি অনলাইনে এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু আহমেদ মান্নাফী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সভায় বক্তব্য রাখেন। হকার্স লীগের সাবেক সভাপতি এস এম জাকারিয়া হানিফের সভাপতিত্বে সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: জাহেদ আলীর সঞ্চালনায় সভাটি সঞ্চালনা করেন।

      সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ব্যাপকতা বৃদ্ধি জঙ্গিবাদ-মৌলবাদকে রুখতে সহায়ক হবে – তথ্যমন্ত্রী

      এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে ডিরেক্টরস গিল্ডের দ্বিবার্ষিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ রুখতে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ব্যাপকতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

      তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি জনগণের আত্মিক উন্নয়ন ঘটাতে চায়, কারণ উন্নত জাতি গঠনে এর বিকল্প নেই।

      মন্ত্রী এসময় নাটক, চলচ্চিত্রসহ সাংস্কৃতিক সকল অঙ্গনে দেশের কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে লালনে যত্নবান থাকতে সৃষ্টিশীলদের প্রতি আহবান জানান।

      ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দীন লাভলু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলীকের সঞ্চালনায় সভায় নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, ম. হামিদ, অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

        0 0

        তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘জনগণের স্বপ্নের পদ্মাসেতু প্রায়সম্পন্ন হওয়ায় দেশবাসী উল্লাসিত হলেও পদ্মাসেতু নিয়ে বিরূপ মন্তব্যকারী বিএনপিসহ কতিপয় ব্যক্তি-গোষ্ঠীরা কি এখন আশাহত নাকি লজ্জা পেয়ে নিশ্চুপ- এ প্রশ্ন জনগণের।

        শনিবার দুপুরে তথ্যমন্ত্রী তার ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবন থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজিত “যদিও মানছি দূরত্ব, তবুও আছি সংযুক্ত ” শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি কমিশনার ইলিয়াস হোসেন ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন।

        তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার যখন পদ্মা সেতুর কাজে হাত দেয়, তখন কোনো অর্থছাড়ের আগেই বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিল। তখন বিশ্বব্যাংকের সাথে সুর মিলিয়ে বিএনপিসহ দেশের কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ বিভিন্ন সভা-সিম্পোজিয়ামে পদ্মাসেতু নিয়ে নানা অভিযোগ তুলেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে কানাডার আদালতে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগই মিথ্যা প্রমাণিত হয়।’

        ‘বিশ্বব্যাংক পরবর্তীতে প্রকল্পে অর্থায়ন করতে চাইলেও প্রধানমন্ত্রী সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এবং সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। তখনও বিএনপিসহ এসব ব্যক্তি-সংস্থার মুখ বন্ধ ছিল না, তারা সবসময়ই এ প্রকল্প নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য অব্যাহত রেখেছেন। কিন্তু গত ১০ ডিসেম্বর পদ্মার দুইপাড় সংযুক্ত হওয়ার পর তাদের আর কোন বক্তব্য শোনা যাচ্ছে না। তাই জনগণের এখন প্রশ্ন বিএনপিসহ এসব ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান কি লজ্জায় মুখ লুকিয়েছেন নাকি আশাহত হয়েছেন?’ বলেন ড. হাছান।

        দেশের বা সরকারের কোন কাজে ভুলে পেলে বিদেশীরা যে সুরে কথা বলেন বিএনপিসহ এসব সংস্থা-ব্যক্তি তার চেয়েও দশগুণ সুরে আওয়াজ তোলেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের এমন সাফল্যে যেখানে সবাই শেখ হাসিনা ও তার দলকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন সেখানে তাদের এমন নীরবতাই আসলে প্রমাণ করে তারা আসলে আশাহত হয়েছেন।’

        তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন জনগণের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ এ সেতু করতে পারবে না। আর করতে পারলেও কেউ এ সেতু দিয়ে যাবে না। তাই এখন জনগণের প্রশ্ন- বিএনপির নেতারা কি এখন সেতুর উপর দিয়ে যাবেন না নিচ দিয়ে যাবেন।’

        ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিষয়ে আলোকপাত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বর্তমানে আইসিটিনির্ভর চতুর্থ শিল্প বিপ্লব চলছে। বাংলাদেশ আগের তিনটি শিল্প বিপ্লবে পিছিয়ে থাকলেও বর্তমানের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সাথেই পথ চলছে। ভারত যেখানে ২০১৬ সালে ‘ডিজিটাল ভারত’ কিংবা যুক্তরাজ্য যেখানে ২০১৮ সালে ‘ডিজিটাল ইউকে’ ঘোষণা দিয়েছিল, সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালেই ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশকে সত্যিই ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর করেছেন।

        ড. হাছান আরো বলেন, দেশে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটি, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা আগামী বছর দ্বিগুণ করা সরকারে লক্ষ্য। এ খাতে ২০০৮ সালের ২৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় এখন এক হাজার মিলিয়ন বা ১ বিলিয়ন। করোনা মহামারীতে স্থবিরপ্রায় বিশ্বের যে কটি দেশ ধনাত্মক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছিল, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম।

        0 0

        সিটিজি ট্রিবিউন আলাউদ্দীন :

        চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন আমি চাই নগরীর ৬০লাখ অধিবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা,

        করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষায় জনসাধারণকে সচেতন করতে মাস্ক পরিধান নিশ্চিতে নগরীর পাঁচ পয়েন্টে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মী, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) কর্ণফুলী রেজিমেন্ট’র সমন্বয়ে চেকপোস্ট বসিয়েছেন। আজ বুধবার (৯.১২.২০) সকাল থেকে নগরীর সিমেন্ট ক্রসিং, সিটি গেইট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, অক্সিজেন মোড়, শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন মোড়ে এ লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন, রেড ক্রিসেন্ট ও বিএনসিসির একটি যৌথ টীম মাঠে নেমেছে। অপর একটি টীম কাজ করছে নগরীর শপিংমল, কাঁচা বাজারগুলোতে। মাস্ক পরিধান নিশ্চিতে সিটি কর্পোরেশনের নেয়া কার্যক্রমের তদারক করতে আজ বুধবার সকাল ৮টায় প্রথমে নগরীর সিটি গেইট, অক্সিজেন মোড় ও শাহ আমানত ব্রিজ এলাকা প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সিটি গেইটে আন্তঃজেলা, অক্সিজেন মোড়ে চট্টগ্রাম উত্তর ও শাহ আমানত সেতু এলাকায় দক্ষিণ জেলা থেকে শহরে ঢুকা বেশকিছু দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, লরি থামিয়ে চালক-হেলপার ও যাত্রীগণ মাস্ক পরিধান করছেন কিনা তা তল্লাশি চালান। এসময় তিনি যারা মাস্ক পরিধান করেনি তাদের শহরে ঢুকতে না দিয়ে বুঝিয়ে নিজ বাসস্থানে ফেরত পাঠান । সে সময় রেড ক্রিসেন্ট ও বিএনসিসির কর্মীগণ জনসাধারণকে মাস্ক পরিধান করতে মাইকিং এর পাশাপাশি হ্যান্ডবিল, প্রচারপত্র বিলি করে।
        পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, করোনা মোকাবেলায় আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে সচেতন করা। একমাত্র সচেতনতায় পারে এই সংক্রমণ থেকে আমাদের রক্ষা করতে। কোভিড-১৯’র দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে চট্টগ্রাম শহরেও সংক্রমণ মারত্মকভাবে বেড়েছে। নগরীর স্বনামধণ্য অনেক ব্যক্তি এতে আক্রান্ত হয়েছে। পত্রিকা-গণমাধ্যম মারফত আমরা সংক্রমণ ও মৃত্যুর যে পরিসংখ্যান দেখছি তা দিয়ে সঠিকতা নির্ণয় করলে হবে না। অনেকে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করলেও সামাজিকভাবে তা চেপে রাখেন। কারণ এতে মৃত্যুবরণ করলে আত্মীয়-পরিজন সমাজের লোকেরা জানাযা ও দাফন কাফনে অংশ নিতে চান না। এটা আরেক সামাজিক বিড়ম্বনা। অথচ চিকিৎসকদের মতে মৃত্যুর পরে কোন লাশে করোনার কোন জীবানু থাকেন। কাজেই এর মাধ্যমে করনোয় সংক্রমিত হওয়ার সুযোগ তেমন নাই বললেই চলে। বরং জানাযা বা জমায়েতে উপসর্গ আছে এরকম যেকোন উপস্থিত ব্যক্তি থেকে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই ভ্যাকসিন বা টীকা না আসা পর্যন্ত আমাদের স্বাস্থবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে, বার বার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কোন বিকল্প নেই । জনসাধারণকে মনে রাখতে হবে এখন পর্যন্ত মাস্কই টীকা। কোনভাবেই মাস্ক পকেটে, থুতনিতে রাখা যাবে না। যথা নিয়েমে নাক মুখ ঢেকে তা পরিধান করতে হবে। প্রশাসক বলেন, আমি চাই আমার প্রিয় প্রাণের চট্টগ্রাম নগরীর ৬০লাখ অধিবাসী স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকুক। আমার এই কঠোরতা নগরবাসীর ভুল বুঝার কোন অবকাশ নাই। দেশের স্বার্থে নগরবাসী আমাকে ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশেনকে সহযোগীতা করবে এটাই আমার প্রত্যাশা।

        চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন মাস্ক পরা মানে ৮০ ভাগ নিরাপদ। তিনি বলেন, বর্তমানে সংক্রমন যেভাবে বাড়ছে, তাতে লকডাউন দেয়ার পরিস্থতি বিরাজ করছে। কিন্তু দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হলে এটা সম্ভব না। তাই সচেতন হয়ে আমাদের এই দুর্যোগ কাটাতে হবে।

        অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আলী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাসেম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) কর্ণফুলী রেজিমেন্টের কমান্ডার মেজর এ কে এম শামসুদ্দিন, সার্জেন্ট বশীর হেলাল, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, চসিকের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদ আলম চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্টের সব্যসাচী দেবনাথ, রাহাত ইসলাম, তমা দেব নাথ প্রমুখ।

        0 0

        জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও নদীমাতৃক বাংলাদেশ’ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন,

        দেশরক্ষার জন্য দেশের নদ-নদীরক্ষা অপরিহার্য’

        নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

        তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের দেহের শিরা-উপশিরা নষ্ট হলে যেমন মৃত্যু অনিবার্য, ঠিক একইভাবে আমাদের নদীগুলোকে দখল-দুষণ থেকে রক্ষা করতে না পারলে দেশকে রক্ষা করা কঠিন, দেশের জলবায়ু এবং এই নদীপারের মানুষগুলোকে রক্ষা করা কঠিন। সেজন্য আমাদের সবাইকে নদীরক্ষায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।

        তিনি জানান, ‘বাংলাদেশের নদীগুলোর শতকরা ৯৩ ভাগের উৎস বাংলাদেশের বাইরে। এই নদীগুলো আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ার পথে ৩.৮ বিলিয়ন টন পলি বহন করে। এরমধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন টন নদী পথে জমা হয়। এইভাবেই গত ৪ বছরে সমুদ্র বেশ কয়েকটি দ্বীপচর জেগেছে। সুবর্ণচর কিন্তু ৫০ বছর আগে ছিল না, উপজেলাটি ছিল। এরকম আরো অনেক ছোট ছোট দ্বীপ জেগে উঠেছে, যেখানে আজকে রোহিঙ্গাদের সাময়িক স্থানান্তরের কথা বলা হচ্ছে, সেই চরটিও ৫০ বছর আগে ছিল না । এই যে সম্ভাবনা সমুদ্রে তৈরি হচ্ছে তা কাজে লাগানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব।’

        ‘প্যারিস চুক্তিতে বিশ্বের দেশগুলোর দেয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি যদি শতভাগ বাস্তবায়িত হয়, তারপরও পৃথিবীর তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রী বাড়বে’ উল্লেখ করে পরিবেশ গবেষক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পৃথিবীর তাপমাত্রা যদি ৩ ডিগ্রী বাড়ে তাহলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে। এই বাস্তবতায় নদীগুলো কিভাবে বাঁচানো যায়, সেজন্য আগামী ১০০ বছরের ভাবনা মাথায় রেখেই আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে হবে। কোথায় মানুষকে থাকতে দিবো, কোথায় ফসল উৎপাদন করবো, কোথায় রবি শস্য উৎপাদন করবো- এসব বিষয়ে সারাদেশে একটা ফিজিক্যাল প্লান দরকার।’

        নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে নদীরক্ষার চেষ্টা অব্যাহত ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদের নেতৃত্বে নদী দখল-দুষণকারীদের বিরুদ্ধে তার মন্ত্রণালয় সত্যিকারের কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। এই ব্যবস্থাকে টেকসই করতে বেপরোয়া দখলকারীদের রুখতে নদীরক্ষা কমিশনকে আরো শক্তিশালী করা দরকার, প্রয়োজন শক্তিশালী টাস্কফোর্স।

        বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান বলেন, প্রকৃতপক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময় পেয়েছিলেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির সমস্ত দিক তিনি রচনা করে গেছেন, আইন প্রণয়ন করে গেছেন, যেটির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা হাঁটছি। তখন যদি বাংলাদেশ জাতিসংঘের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য না হতো, সমুদ্রসীমার জন্য আমরা মামলাও করতে পারতাম না। মামলা করার কোনো সুযোগ থাকতো না। ’৭৪ সালের সীমান্ত চুক্তির না থাকলে ছিটমহলগুলো অধিকারে আনাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো না। আজকে যে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে, তার ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র তিনিই রচনা করে গেছেন। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু সবকিছুর ভিতই রচনা করে গেছেন। আর সেই ভিতের উপর দাঁড়িয়ে আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য দেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া আর সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে হলে নদ-নদীগুলোকে রক্ষা করতে হবে।

        নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তৃতায় বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আমরা আজ নদীমাতৃকতার সুফল ভোগ করতে পারতাম। কিন্তু আজ আমাদের নদীরক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রীর নেতৃত্বে আজ আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি।

        নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ খালেদ ইকবাল। প্রবন্ধের ওপর বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের উর্দ্ধতন পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞ সাইফুল আলম, বুয়েটের পানি সম্পদ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আতাউর রহমান এবং লেখক, গবেষক ও সংগঠক শেখ রোকন। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এ জেড এম জালাল উদ্দিন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

        0 0

        সিটিজি ট্রিবিউনঃ আলাউদ্দীন 

        ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো দিন এবং সৈনিক ও অফিসার হত্যা দিবস হিসেবে বর্ণনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

         

        মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এই দিনকে বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে অথচ প্রকৃতপক্ষে ১৯৭৫ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল হুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল হায়দারসহ বহু সৈনিক ও অফিসারকে হত্যা করা হয়েছিল। এমনকি যে কর্নেল তাহের বন্দীদশা থেকে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেছিলেন, সেই পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তাহেরকেও জিয়া পরবর্তীতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছিলেন।

        হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই যে বিএনপির অভ্যূদয়, তা তারা এদিনটি যেভাবে পালন করে, তাতেই প্রমাণ হয় এবং এদিনই আসলে জিয়াউর রহমান বহু সৈনিক ও অফিসারের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেন’ বলেন ড. হাছান। তিনি বলেন, ‘জিয়া প্রথমে তার মনোনীত বিচারপতি সায়েমকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক পদে রাখেন কিন্তু উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতা ছিলো তার হাতেই।

        জিয়া শুধু অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করাই নয়,সেই ক্ষমতা নিষ্কণ্টক রাখতে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অফিসার হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত রেখেছিলেন, উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

        এসময় সাংবাদিকবৃন্দ বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে ক্ষমতায় টিকে আছে’ -এমন্তব্যের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকার। আর পক্ষান্তরে বিএনপিই এদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে।’

        তিনি আরো বলেন, ‘অগণতান্ত্রিকভাবে সেনা ছাউনিতে বিএনপি’র জন্ম। ক্ষমতায় থেকে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে তারা দল গঠন করেছে। আজ যারা বড়বড় কথা বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন, মির্জা ফখরুল সাহেবসহ তারা সবাই সেই উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আর গত একযুগ ধরে আমরা দেখছি, বিএনপি নির্বাচনকে বর্জন করছে, প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা এমনকি নির্বাচন ঠেকানোর নামে শতশত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে গণতন্ত্র নস্যাৎ কর‍তে চেয়েছে, কিন্তু জনগণ তা হতে দেয়নি।’

        বিএনপিনেতা গয়েশ্বর রায়ের মন্তব্যের জবাবে ড. হাছান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপিই এখন লাইফ সাপোর্টে। কারণ তাদের নেতাদের ওপর কর্মীদের আস্থা নেই আর নেতাদের মধ্যে ঐক্য নেই।

        0 0

        সিটিজি ট্রিবিউনঃআলাউদ্দীন

        চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আজ সকালে নগরবাসীর দুর্ভোগ ও ভোগান্তি লাঘবে বাস্তবায়নাধীন বাড়ইপাড়া খাল খনন ও কুলগাও বাস টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে বলেন, এই প্রকল্প দু’টি নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বড় ধরণের অবদান রাখবে।

        নাগরিক দুর্ভোগের প্রধান কারণ জলাবদ্ধতা ও যানজট। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই দুইটি সমস্যা নিরসনের অংশ হিসেবে চসিক নগরীর বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া হতে পূর্ব বাকলিয়ার বলিরহাট পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্প ও কুলগাঁওয়ে বালুছড়ায় বাস টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নে পদে পদে সকল বাধা অতিক্রম করে এখন স্বপ্ন ও প্রত্যাশার প্রাপ্তিযোগ ঘটাতে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের নগরী হিসেবে গড়ে উঠতে প্রাকৃতিক বন্দর সহ সকল উপাদান বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও ও চট্টগ্রাম তা হতে পারেনি। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এক সময়ের ছোট-খাট সমস্যাগুলো এখন আমাদের মাথা ব্যথার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর বড় প্রমাণ জলাবদ্ধতা ও যানজট। চাক্তাই খাল দখল এবং প্রায় দু’ডজন খাল বিলুপ্তি নগরীতে জলাবদ্ধতার মূল উৎস এবং পণ্য ও গণপরিবহনের জন্য বড় টার্মিনাল না থাকায় যেখানে সেখানে অবৈধ পরিবহন স্ট্যান্ডগুলো যানজট সমস্যাকে অনিবার্য করে তুলেছে। তাই এই দুইটি সমস্যা নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত এই প্রকল্পগুলো আর কালবিলম্ব না করে দ্রুত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরী করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, এই দু’টি বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প নগরীতে জলাবদ্ধতা ও যানজট সংকট নিরসনের সবুজ সংকেত। তিনি পূর্ব বাকলিয়া বলিরহাটে জাইকার অধীনে ১৩’শ কোটি টাকা ব্যয়ে বাড়ইখাল খনন প্রকল্পটির বিবরণী তুলে ধরে জানান, ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি সরাসরি চাক্তাই খালের সাথে যুক্ত হবে এবং ওই খাল হয়ে পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়বে। খালটির প্রশস্থ ৬৫টি ফুট। উভয়পাশে থাকবে দৃষ্টিনন্দন ২০ ফুট প্রশস্থ সড়ক ও ৬ ফুট প্রশস্থ ওয়াকওয়ে। বিগত ৬ বছর ধরে বিভিন্ন কারণে এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ ঝুলে ছিল। মূলত ভূমি অধিগ্রহণের দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হয়েছে। আমরা খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে ফিজিক্যাল ওয়ার্ক শুরু করতে পেরেছি। চসিকের প্রকৌশল ও ভূ-সম্পত্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দু’টির কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি কুলগাঁও বালুছড়ায় ৮.১ একর জায়গার ওপর চসিকের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন বাস টার্মিনাল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শণকালে জানান, এই প্রকল্পটি ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোপূর্বে চসিক ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সরকারের ভূমি অধিগ্রহণ বিভাগকে ১৩০ কোটি টাকা প্রদান করেছে। এই প্রক্রিয়াটি করোনাকালে কিছুটা গতি হারালেও এখন গতি বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।ক আমি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়গণকে অনুরোধ করেছি অধিগ্রহণ ও অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে উনারা যেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সার্বক্ষণিক মন্ত্রণালয়ও জেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাগিদ প্রদান করে আসছি। আশাকরি এ ক্ষেত্রে আর কোন সময় ক্ষেপন করা হবে না এবং অধিগ্রহণ কাজ সমাপ্ত হলে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন শুরু হবে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সমগ্র উত্তর চট্টগ্রাম এবং পাবর্ত্য রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি আন্তঃজেলা সড়কে বিদ্যমান যানজট সমস্যা আর থাকবে না। খুব সহজেই এই বাস টার্মিনাল থেকে পরিবহন মালিক, চালক, শ্রমিক এবং যাত্রী সাধারণ বিড়ম্বনামুক্ত আরামদায়ক সহজলভ্য সেবা পাবেন। এর আগে তিনি প্রকল্প পরিদর্শনে যাওয়ার পথে বহদ্দারহাট মোড়ে রাস্তার উপর যত্রতত্র ভাবে বিভিন্ন রিক্সা, ভ্যান, সিএনজি ট্যাক্সির যানবাহনের স্ট্যান্ড দেখে গাড়ী থেকে সেখানেই নেমে পড়েন এবং নিজ উদ্যোগে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনগুলোকে রাস্তার একপাশে সারিবদ্ধভাবে পার্কিং করে রাখার নির্দেশনা দেন। ফলে খুব দ্রুতই এই প্রশস্থ সড়কটি জন ও যানবাহন চলাচলে উপযোগী হয়ে ওঠে। এ জন্য এলাকাবাসী এগিয়ে এসে প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

         

        এ সময় প্রশাসক মহোদয়ের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক  প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, আবু ছালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, আবু ছিদ্দিক, শাহিনুল ইসলাম, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী, জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল কালাম, প্রকৌশলী মফিজুল ইসলামসহ চসিকের প্রকৌশলী ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

        0 0

        সিটিজি ট্রিবিউন আয়াজ আহমদ :

        নারীনির্যাতনবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে কেউ কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অপচেষ্টা করছে’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, নারীনির্যাতনবিরোধী আন্দোলনে কেউ কেউ সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন, তাদের উদ্দেশ্য অপরাধীদের শাস্তি দেয়া নয়, এই ইস্যুর আড়ালে স্বার্থ চরিতার্থ করা।

        বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) দুপুরে মন্ত্রী সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দীন আহমেদের কাছ থেকে কাউন্সিলের বার্ষিক প্রতিবেদন গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এসময় নারীনির্যাতনবিরোধী আন্দোলনে কেউ কেউ সরকারের পদত্যাগ দাবি করছে- এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন।

        তথ্যসচিব কামরুন নাহার ও প্রেস কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল মজিদ, নূরে জান্নাত আকতার সীমা ও কাউন্সিল সচিব শাহ আলম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

        তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ইদানিংকালে যে সমস্ত অনভিপ্রেত ঘটনা বিশেষ করে নারী ও শিশুনির্যাতন ঘটেছে, সেগুলোর অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাদের বিরুদ্ধে ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে যে প্রতিবাদ হচ্ছে, প্রতিবাদ হবে, সেটা স্বাভাবিক এবং প্রতিবাদ হলে সরকারের পক্ষে ব্যবস্থা নেয়াও সহজ হয়।’

        ‘কিন্তু এই প্রতিবাদ করতে গিয়ে যারা সেখানে সরকারের পদত্যাগ চায় কিংবা প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে মন্তব্য করে, তখন বুঝতে হবে এদের উদ্দেশ্য নারী এবং শিশুনির্যাতনকারীদের শাস্তি দেয়া নয়, তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই ইস্যুর আড়ালে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করা এবং এটি বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার একটি অপচেষ্টা’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এবিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

        তথ্য মন্ত্রণালয় এবিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না -এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ‘তথা মন্ত্রণালয় এধরনের বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বহু আগে থেকেই প্রচার কাজ চালিয়ে আসছে। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ও এক্ষেত্রে কাজ করছে। আজকের প্রেক্ষাপটে এবিষয়ে প্রচার কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে। একইসাথে ওটিটি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন প্লাটফর্মে যাতে দেশের আর্থসামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির পরিপন্থী কিছু আপলোড করা না হয়, সেজন্যও আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের সবার সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।’

        ড. হাছান মাহমুদ এসময় প্রতিবেদন উপস্থাপন ও সম্পাদিত কার্যাবলীর জন্য প্রেস কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, প্রেস কাউন্সিলের বার্ষিক প্রতিবেদনটি তিনি প্রথানুযায়ী জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন।

         

        মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে গঠিত প্রেস কাউন্সিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বহুমাত্রিক ন্যায়ভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করার লক্ষ্যেও কাজ করছে সরকার।

        0 0

        মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের নতুনহাট বালিয়াচর এলাকায় ৫ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। শিশুটি মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে ধর্ষক জামির হোসেন (৪০) নামে ওই এলাকার এক ব্যক্তি।

        বুধবার দুপুরে হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ও আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্ঠা চলমান রয়েছে।

         

        ধর্ষনের শিকার শিশুটির নানী বলেন, পারিবারিক অভাব অনটন মেটাতে ৩ বছর আগে বিদেশে যান তার মেয়ে। এরপর থেকে ওই নাতিন নিয়ে তিনি বালিয়াচর এলাকায় বসবাস করেন। মেয়ের জামাই (শিশুর বাবা) সাইকেল রিকশা মেরামতের কাজ করেন।

        শনিবার সকালে প্রতিবেশি জামির হোসেন শিশুটিকে তাদের বাড়ি নিয়ে যান। এরপর তাকে ধর্ষণ শেষে হাতে ৫ টাকার একটি নোট দিয়ে বিদায় করে দেন। পরে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি তাদের বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে অজ্ঞান হয়ে যায়।

        প্রথমে সম্মানের ভয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শিশুটির জীবন বাঁচাতে মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর এ ঘটনার পর প্রতিবেশি জামির হোসেন (৪০) এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে জানান তিনি।

        মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডা. আরশাদ উল্লাহ বলেন, যেহেতু বিষয়টি একটি ধর্ষণের ঘটনা তাই মামলা ছাড়া মেডিক্যাল রিপোর্ট করা হয়নি। শিশুটিকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মামলার পর যাবতীয় পরীক্ষা নিরিক্ষা করা হবে বলে জানান তিনি।

        0 0

        চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্পর্শ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ধর্ষনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

        উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্পর্শ ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা, ইমামিয়া জনকল্যান ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা, চ্যাম্পিয়ন কারাতে-দো একাডেমী বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইয়াং কিং কারাতে সেন্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা, বাংলাদেশ ইয়ূথ ক্যাডেট ফোরাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ হেল্প লাইন, বেটার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বিডি ক্লিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা সহ বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন।