Home Authors Posts by Kamal Uddin

Kamal Uddin

421 POSTS 0 COMMENTS

0 0

 

ইসরায়েলের নৃশংসতা অতীতের সকল বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গেছে: হাছান মাহমুদ

সিটিজিট্রিবিউন : ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অব্যাহত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এক টুইটার বার্তায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ইসরায়েল কি সকল আন্তর্জাতিক আইনের ঊর্ধ্বে?’ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ তাঁর টুইটে বলেন, ‘রমজান মাসে, এমনকি পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে এবং এরপরেও ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের নৃশংসতা অতীতের সকল বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গেছে। এরপরও বড় দেশগুলোর কর্ণধার বিশ্বনেতাদের নীরবতা মর্মপীড়াদায়ক। ইসরায়েল কি সকল আন্তর্জাতিক আইনের ঊর্ধ্বে?’

এর আগে ঈদুল ফিতরের দিনেও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাত শেষে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ফিলিস্তিনে মুসলমানদের ওপর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানান। ফিলিস্তিনে শান্তির জন্য মহান স্রষ্টার কাছে প্রার্থনার কথা উল্লেখ করেন। ১০ মে সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৪২ জন শিশুসহ ১৫৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও অসংখ্য ঘরবাড়ি ধ্বংসের সংবাদ দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসরায়েলি আগ্রাসনমুক্ত স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠাকে সমর্থন করে আসছে: প্রতিবেদনকেইউকে।

 

0 0

অফিস খোলা :নিয়ম  আগের মতোই

 

সিটিজিট্রিবিউন : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিন দিনের ছুটি শেষে চট্টগ্রামে খুলেছে অফিস-আদালত ও ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান। পুঁজিবাজারেও লেনদেন চলছে।

রোববার   সকালে সরকারি অফিসগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির হার ছিল তুলনামূলক কম। যারা হাজির হয়েছেন তারা ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে সময় পার করছেন।

তবে বেসরকারি কিছু অফিস, ব্যক্তি মালিকানাধীন কল-কারখানা এখন বন্ধ রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়। শুক্রবার (১৪ মে) উদযাপিত হয়।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন কার্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি কম। অনেক চেয়ার-টেবিল ফাঁকা দেখা গেছে। দাফতরিক কাজও চলছে ঢিমেতালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদের কুশল বিনিময়ে সময় কাটিয়েছেন।

ব্যাংকগুলোতে রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে লেনদেন। তবে গ্রাহকদের ভিড় ছিল না।  শেয়ারবাজারে লেনদেন হয় সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। এদিকে করোনার সংক্রমণ রোধে আবারও ১৭-২৩ মে লকডাউন দেওয়া হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ-মাদরাসা) চলমান ছুটি ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আন্তঃজেলা গণপরিবহন এখনও বন্ধ রয়েছে। ট্রেন চলাচলও বন্ধ। তাই ঈদে গ্রামে যাওয়া মানুষকে শহরে ফিরতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেকে ভাড়া করা গাড়িতে শহরে ফিরছেন। যদিও আশপাশের উপজেলা থেকে নগরে রোববার কিছু বাস এসেছে যাত্রী নিয়ে।  নগরের প্রবেশ মুখ নতুন ব্রিজ, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, অক্সিজেন, অলংকার মোড়ে দেখা গেছে মানুষের আনাগোনা।

শহরের রাস্তায় কিছু রিকশা, অটোরিকশা চলাচল করলেও বড় যানবাহন কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি একেবারেই কম। ছোট, বড় দোকানপাটও বন্ধ। ফলে রাস্তাঘাট, অলিগলি এখনও কোলাহলমুক্ত। প্রতিবেদনকেইউকে।

 

 

 

 

0 0

আবারো লক ডাউনে সরকার

সিটিজিট্রিবিউন : বাংলা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে মানুষের চলাচল ও সার্বিক কার্যক্রমে বিধিনিষেধ তথা ‘লকডাউন’র প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রোববার (১৬ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আগামী ১৭ থেকে ২৩ মে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

 

এ বিধিনিষেধ চলাকালে লঞ্চ, ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার ভেতরে বাস চলবে। দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ বিধিনিষেধ ১৬ মে মধ্যরাত থেকে ২৩ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এ সময়ে সরকারের রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব দপ্তর/সংস্থাসমূহ জরুরি পরিষেবার আওতাভুক্ত হবে।

খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁসমূহ কেবল খাদ্য বিক্রি/সরবরাহ করতে পারবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বাড়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা ‘লকডাউন’ হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। সবশেষ তা ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

এবারের ঈদে লঞ্চ-ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু মানুষ বাড়ি ফিরছেন ঝুঁকি নিয়ে। ফলে করোনা সংক্রমণেরও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

ঈদের পর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কায় পুনরায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। #প্রতিবেদনকেইউকে।

 

 

 

 

 

 

0 0

গাছ থেকে আম পাড়া শুরু হয়েছে রাজশাহীতে

 

সিটিজিট্রিবিউন : বাংলা পঞ্জিকার হিসেবে আজই শুরু হলো মধুমাস জৈষ্ঠ্য। তবে আম ছাড়া কি আর মধুমাস জমে? তাই প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময় ও নির্দেশনা মেনেই গাছ থেকে আম পাড়া শুরু হয়েছে।

 

শনিবার সকাল থেকে রাজশাহী শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার বাগান থেকে পরিপক্ব আম ভাঙা শুরু হয়েছে।। তবে, আজ নামছে কেবল গুটি জাতের আম। স্বাদে-গুনে যার কোনো জুড়ি নেই জাত আমখ্যাত সেই গোপালভোগ নামবে আরও পরে।

শনিবার সকালে রাজশাহীর পাবা উপজেলার মথুরা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে বেশ কিছু গাছ থেকে গুটি আম ভাঙা হচ্ছে। এগুলো সবই প্রায় আগাম জাতের। পরে প্লাস্টিকের ক্যারেটে করে সেই আম তোলা হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানে। এর পর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নির্দিষ্ট মোকামে।

মথুরা গ্রামের স্থানীয় আম চাষি নূরুল আমিন  বলেন, পরিপক্ক এই আম কাঁচা অবস্থাতেই বিক্রি করা হবে আজ থেকে। রাজশাহীতে সাধারণত এই সবুজ (কাঁচা) আমই বিক্রি করা হয়। এগুলো বাড়ি নিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে রেখেই পাকিয়ে সবাই খেতে পারেন। যে কারণে কোনো বিষাক্ত কেমিক্যালের ভয় থাকেনা। আর অল্পকিছু আম পেকে যায় গাছেই। সেগুলো খুচরা বাজারে বিক্রি করা হয়। ফলে আমের রাজধানী রাজশাহীতে বিষমুক্ত আমই কেনাবেচা হয়।  বাজারে গিয়ে যারা পুরোপুরি পাকা রঙের আম কিনতে চান তারাই প্রতারণার শিকার হন। কারণ এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরনের ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সবুজ আম নিয়ে গিয়ে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল স্প্রে করে হলুদ রং ধারণ করান। কিন্তু স্থানীয়রা পাকা রঙের আম না কেনায় তাদের প্রতারিত হওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানান এই আমচাষি।

খন্দকার মিনারুল ইসলাম নামের অপর আমচাষি জানান, নির্ধারিত দিন থাকলেও আজ নয়, ২২ মে’র পর তিনি গুটি আম ভাঙবেন। কারণ এর আগে তার গাছের আমে পরিপক্কতা আসবে না। আর স্বাদও হবে অনেক কম। তাই অন্যরা ভাঙলেও তিনি আজ আম ভাঙবেন না।

এদিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী, আজ থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জাতের আম পাড়া শুরু হবে। তবে, কোনো আম আগে পাকলে স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানাতে হবে। তার পরিদর্শন শেষেই গাছ থেকে নামানো যাবে আম।  রাজশাহীতে সাধারণত সবার আগে পাকে গুটি জাতের আম। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ মে থেকে এই আমটি নামাতে পারছেন চাষিরা। আর উন্নতজাতের আমগুলোর মধ্যে গোপালভোগ ২০ মে, রানিপছন্দ ২৫ মে, লক্ষণভোগ বা লখনা নামানো যাবে ২৫ মে থেকে এবং খিরসাপাত বা হিমসাগর ২৮ মে থেকে নামানো যাবে। এছাড়া ল্যাংড়া আম ৬ জুন, আম্রপালি এবং ফজলি ১৫ জুন থেকে নামানো যাবে। আর সবার শেষে ১০ জুলাই থেকে নামানো যাবে আশ্বিনা ও বারি-৪ জাতের আম।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, গুটি আম প্রতি বছরই একটু আগে পাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাই অনেকেই আজ গুটি আম নামাতে শুরু করেছেন। তবে আঁশযুক্ত এই আমের স্বাদ তুলনামূলক কম।

বিভিন্ন জাতের জনপ্রিয় আমের পরিপক্বতা আসার সময়কালের মধ্যে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে উঠবে গোপালভোগ আম। অত্যন্ত সুস্বাদু, আঁশবিহীন, আটি ছোট আম। সাইজ মাঝারি, কেজিতে ৫টা থেকে ৬টা ধরবে। এরপর পাকা শুরু হবে ল্যাংড়া (হিমসাগড়) আম। তাই রাজশাহীতে জুনের প্রথম ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে উঠবে ল্যাংড়া আম। নাম ল্যাংড়া হলেও এর স্বাদ অসাধারণ। আটি ছোট ও পাতলা, খোসা খুব পাতলা, রসালো, গায়ে শুধুই মাংসল। এভাবে পর্যায়ক্রমে রাজশাহীর সব আম নামতে শুরু করবে বলেও জানান ফল গবেষণা কেন্দ্রের এই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কে জে এম আব্দুল আওয়াল বলেন, চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে ৩৭৩ হেক্টর বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৯৪৩ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর ১৭ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে হেক্টর প্রতি ১১ দশমিক ৯ মেট্রিক টন। মোট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন। তাপদাহ কেটে গেলে আর নতুন কোনো প্রকৃতিক দুর্যোগ না এলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো সমস্য হবে না বলেও মতামত রাজশাহী কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তাদের।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আবদুল জলিল বলেন, বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী কেবলমাত্র গাছে পাকলেই আজ থেকে গুটি আম পাড়তে পারবেন চাষিরা। আর বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী অন্য আম ভাঙতে পারবেন গাছ থেকে। তবে, যদি কোনো আম আগেই পেকে যায় সেগুলোও ভাঙতে পারবেন। কিন্তু এজন্য স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানাতে হবে।

তিনি বাগান পরিদর্শন করে আম পাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই চাষিরা তাদের গাছ থেকে নির্ধারিত সমেয়র আগেও আম নামাতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক।
রাজশাহীর বাগানগুলোয় আম ভাঙার বিষয়টি মনিটরিংয়ের জন্য সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও কৃষি কর্মকর্তাদের এরই মধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান রাজশাহী জেলা প্রশাসক।

 

#প্রতিবেদনকেইউকে।

0 0

বাঁধভাঙা জনস্রোতের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে:কাদের

সিটিজিট্রিবিউন : করোনা সংক্রমণে সরকারের সর্বাত্মক চেষ্টায় কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হলেও ঈদ পরবর্তী কর্মস্থলে ফিরতে মানুষের বাঁধভাঙা জনস্রোতের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এ পরিস্থিতিতে জনসমাগম এড়িয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (১৫ মে) সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ আশঙ্কার কথা বলেন।

বিএনপি নেতাকর্মীদের নাকি গত একযুগ ধরে ঈদ নেই এবং তাদের হত্যা করা হচ্ছে ও মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে- বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে বলেন, আপনারা কি ভুলে গেছেন ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর যে নির্মম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছিলেন? বিএনপির আমলে মা, বাবা মারা গেলেও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা গ্রামের বাড়ি যেতে পারেনি, দাফন- কাফনের শেষ সুযোগটুকুও দেওয়া হয়নি। মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদের নামাজ পড়া অবস্থায়ও গ্রেফতার করা হয়েছিল।

কতটা নিষ্ঠুর ও অমানবিক হলে তারা এমনটা করতে পেরেছে তা  বিএনপির নেতাদের কাছে জানতে চান ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় সরকার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী এলাকায় বাড়ি-ঘরে যেতে পারেনি। সেই ইতিহাস বেশিদিন আগের নয়।

‘বিএনপির আমলের নির্যাতনের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর কোনো নজির স্থাপন করেনি শেখ হাসিনা সরকার। ’

১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ১৬ ও ১৭ মে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটি তথ্য ও সংবাদচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠান করবে।

১৬ মে বেলা ১১টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ মে বেলা ১১টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের  আলোচনা সভা, ১৭ মে বিকেল ৩টায় মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠান ছাড়াও সারাদেশে মসজিদ, মন্দির, গির্জা এবং প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া, প্রার্থনা করা হবে। #প্রতিবেদনকেইউকে।

 

 

 

 

 

 

 

0 0

জামাত নেতা শাহজাহান চৌধুরী  গ্রেফতার

সিটিজিট্রিবিউন : হাটহাজারীতে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে প্ররোচনা ও ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে সাতকানিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামের নেতা শাহজাহান চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার  গভীর রাতে সাতকানিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছমদর পাড়ার বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানান সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন।

চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় জামায়াতের মজলিশে সূরার সদস্য শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে সাতকানিয়া থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এর আগে ২০১৮ সালে ৩ আগস্ট নগরের খুলশী এলাকা থেকে শাহজাহান চৌধুরী গ্রেফতার হয়ে পরে জামিনে মুক্তি পান।

গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে ঘিরে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে হেফাজতে ইসলাম। এসময় হাটহাজারী ভূমি অফিসে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মারা যায় ৪ জন। এ ঘটনায় হেফাজতের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীসহ জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের আসামি করে হাটহাজারী থানায় পৃথক ১০টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। #

0 0

দূরপাল্লার যানবাহন চালুরদাবী: ও সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এর

সিটিজিট্রিবিউনডেস্ক: ঈদ করতে গ্রামে যাওয়া রাজধানীবাসীকে ফেরাতে দূরপাল্লার যানবাহন চালুর দাবি জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতা ও সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।

তিনি বলেন, যে দুর্ভোগ নিয়ে রাজধানীবাসী ঢাকা ছেড়েছেন ফিরতি পথেও একই দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

তাদের দুর্ভোগ কমাতে কয়েকদিনের জন্য হলেও দূরপাল্লার পরিবহন চালু করা জরুরি।

শুক্রবার (১৪ মে) সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ভবনের সামনে পূর্ব নির্ধারিত অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শাজাহান খান এসব কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার পরিবহন চালুসহ পাঁচ দফা দাবিতে ঈদের দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।

শাজাহান খান বলেন, আমরা সরকারের সব ধরনের নির্দেশনা পালন করি। সরকারও আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে দেখেন। কিন্তু সরকার পরিবহন শ্রমিকদের যে অনুদান দিয়েছে তা পর্যাপ্ত নয়। এ খাতে আমাদের ৬০ থেকে ৭০ লাখ শ্রমিক রয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনুদান পেয়েছে মাত্র দুই থেকে আড়াই লাখ। এটা সামান্য। আমরা সরকারের কাছে যে তালিকা দিয়েছি সে তালিকা অনুযায়ী সবাইকে অনুদান দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। আমরা পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা চাচ্ছি। দেশের অর্থনীতিকে সবচেয়ে বেশি সচল রাখে পরিবহন খাত।

এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ভবনের সামনে অবস্থান নেয় সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা ও নগর বাস টার্মিনানাল শ্রমিক কমিটি। প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

 

 

0 0

বিশেষজ্ঞরা করোনা সংক্রমণ মৃত্যুর হারে নতুন ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করছেন:কাদের’ 

 

সিটিজিট্রিবিউন : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ঈদে গ্রামমুখী মানুষের বাঁধভাঙা জনস্রোত দেখে বিশেষজ্ঞরা করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে নতুন ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করছেন। ’

সংক্রমণ এড়াতে তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার ও শতভাগ মাস্ক পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷

শুক্রবার সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব এ আহ্বান জানান।

এসময় তিনি সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান৷

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঈদ পরবর্তীকালে শহরমুখী জনস্রোত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে৷ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ উপেক্ষা করার মাশুল গুণতে হতে পারে৷ জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি ও শতভাগ মাস্ক পড়তেই হবে। ’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘করোনা আক্রান্তদের নিরাময় ও সুস্বাস্থ্য, নিরবচ্ছিন্ন শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনায়
পবিত্র ঈদুল ফিতরে আমাদের মধ্যে গড়ে উঠুক মহামারি করোনাসহ সব সংকট জয়ের
সুসংহত বন্ধন। ’

‘পারস্পারিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর,’ করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অতীতে বাংলাদেশ যেভাবে সংকট পেরিয়ে আশার সুবর্ণ প্রদীপ জ্বালিয়েছে, ঠিক একইভাবে করোনা সংকট জয় করে আবার নব উদ্যোমে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। ’

‘মনের গহীনের আলো জ্বেলে অমানিশার আঁধার দূর করি এবং সহমর্মিতার সহজাত বাঙালি চেতনায় জাগিয়ে তুলি নিজেকে, সমাজকে, দেশকে। এবারের ঈদ, শেষ ঈদ নয়, অপেক্ষা করি পরবর্তী সকালের, বর্ণময় ঈদের,’ যোগ করেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের এ দুঃসময়ে বিশেষ করে করোনাযুদ্ধে যারা সম্মুখ সারিতে থেকে যুদ্ধ করছেন, পরিবারের সদস্যদের দূরে রেখে সেবাকে করেছেন ব্রত, সেসব ত্যাগী সম্মুখসারির যোদ্ধাদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ঈদ মোবারক জানান।

চলমান করোনা সংকটে সবাইকে সাহস ও মনোবল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনা কাউকেই ছাড় দেয় না, তাই আসুন দলমত নির্বিশেষে এ করোনা সংকট উত্তরণে ঐক্যবদ্ধ হই এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করি।

তিনি স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের মাধ্যমে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে মিলে অভিন্ন শত্রু করোনা প্রতিরোধ করারও আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, শেখ হাসিনার সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বে অতীতের মতো এবারও সংকটের সাগর পেরিয়ে তীরে পৌঁছাব ইনশাল্লাহ।প্রতিবেদন:কেইউকে

0 0

খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে হলেও ইম্প্রুভ করছেন: মির্জা ফখরুল

সিটিজিট্রিবিউন : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে হলেও ইম্প্রুভ করছেন। তবুও চিকিৎসকরা বলেছেন, এখনও তার অবস্থা ক্রিটিক্যাল রয়েছে।

তবে অনেকগুলো বিষয়ে তার উন্নতি হয়েছে। আমরা খুব আশাবাদী, তিনি শিগগিরই সুস্থ হয়ে উঠবেন। তিনি দেশবাসীর কাছে নিজের ও সারাদেশের মানুষের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে দোয়া মোনাজাতের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে আমরা দোয়া করেছি, আল্লাহ-তায়ালা যেন আমাদের তৌফিক দেন যে, দেশে একটা ফ্যাসিবাদ, কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আমরা যেন শক্তি অর্জন করতে পারি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা সবাই জানেন যে আজকে ঈদ পালিত হচ্ছে অত্যন্ত একটা কষ্টের মধ্যে, দুঃসময়ের মধ্যে। একদিকে ভয়াবহ করোনা অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী সরকারের অত্যাচার-নির্যাতন। এ দুই সরকারের হাত থেকে এ দেশ যেন রক্ষা পায়। আমরা যেন রক্ষা পাই। আমরা এ দোয়া করি।

তিনি বলেন, ঈদ বলতে যেটা আমরা সব সময় বুঝি, সেই ঈদ শুধু তিন বছর নয়, সত্যি কথা বলতে কী গত একযুগ ধরে নেই। নেতাকর্মীদের হত্যা করা, মিথ্যা মামলা দেওয়া এমন একটা অবস্থায় আমরা আছি।

সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদিকে তারা লকডাউন বলছে, কিন্তু পালন হচ্ছে না। ফেরিতে পায়ের নিচে পড়ে ৫জন মারা গেছেন। গণপরিবহন বন্ধ করেছে, কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না।

এসময় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে স্থায়ী কমিটির সদস্য মীর্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদন: কেইউকে

0 0

 পরিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

সিটিজিট্রিবিউন :করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে এ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে পরিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

শুক্রবার (১৪ মে) ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে এক ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি সকাল ১০টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে পরিবারের সদস্য ও ‘অতিপ্রয়োজনীয়’ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়েন।

এর পর ভিডিও বার্তায় আবদুল হামিদ বলেন, ইতোমধ্যে করোনায় বিশ্বব্যাপী ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। কোটি কোটি মানুষ কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘লকডাউন’ দিয়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব নয়। তাই জীবন-জীবিকাকে সচল রাখতে হলে আমাদের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে। আর এজন্য দরকার দেশের প্রতিটি নাগরিককে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অর্থাৎ মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। ঈদের আনন্দঘন এদিনে আমি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মাসব্যাপী সিয়াম পালন শেষে আমরা আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি। ঈদ মুসলমানদের জন্য সর্ববৃহৎ আনন্দ-উৎসব। ঈদ উপলক্ষে ধনী-দরিদ্র, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মধ্যে, সব স্থানে। কিন্তু এ বছর এমন একটা সময়ে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে যখন গোটা বিশ্ব করোনার সংক্রমণে চরমভাবে বিপর্যস্ত। করোনার কারণে বাংলাদেশের জনগণের জীবন-জীবিকাও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জীবন বাঁচানো প্রথম অগ্রাধিকার হলেও জীবন বাঁচিয়ে রাখতে জীবিকার গুরুত্বও অনস্বীকার্য।

দেশে করোনার টিকা সংকটের দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসার পাশাপাশি বিপন্ন মানুষের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে। করোনার টিকা দেওয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির বৈশ্বিক বিপর্যয়ের কারণে টিকা কার্যক্রমে সাময়িক সমস্যা হলেও সরকার সর্ব্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহের জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি আশা করি এ সমস্যারও আশু সমাধান হবে, ইনশাল্লাহ্।

সমাজের অস্বচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, ঈদুল ফিতর আমাদের আত্মশুদ্ধি ও আত্মসংযমের শিক্ষা দেয়। আমাদের চারপাশে অনেক অসহায় ও বিপন্ন মানুষ রয়েছে। তারা যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সাধ্যমতো চেষ্টা চালাতে হবে। আমি আশা করবো সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ অসচ্ছল ও অসহায় মানুষের সাহায্যে সামর্থ্য অনুযায়ী অবদান রাখবে। ঈদ সবার জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ আর আনন্দ। মহান আল্লাহ আমাদের মহামারি করোনার হাত থেকে রক্ষা করুন।

প্রতিবছর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজে অংশগ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি। ঈদের দিন বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপ্রধান। স্ত্রী রাশিদা খানমসহ পরিবারের সদস্যরাও সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন। করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছরের মতো এ বছরও বঙ্গভবনে কোনো আনুষ্ঠানিকতাই নেই। প্রতিবেদন: কেইউকে ।