Home Authors Posts by Ayaz Sunny

Ayaz Sunny

2140 POSTS 0 COMMENTS

১৮০০ পিস ইয়াবা সহ ০১ জন কে গ্রেফতার করেছে সিএমপি’র কর্ণফুলী থানা
আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন:
 এএসআই(নিঃ)মোঃ এরশাদ হোসেন সঙ্গীয় অফিসার সহ বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে কর্ণফুলী থানাধীন   মইজ্যারটেক মােড়স্থ ক্যাফে ফরহাদ হোটেলের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গত ১৭/০৬/২০২১ আসামী ০১। আকতার মিয়া (২২), পিতা:  সিরাজ মিয়া,গ্রাম: পাগলির বিল, ০২নং ওয়ার্ড থানা: উখিয়া,কক্সবাজারকে আটক পূর্বক তাহার হেফাজত হইতে ১৮০০(এক হাজার আটশত)  পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত : আকতার মিয়া (২২), পিতা:  সিরাজ মিয়া,গ্রাম: পাগলির বিল, ০২নং ওয়ার্ড, থানা: উখিয়া,কক্সবাজার।
অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হইয়াছে।

০৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস(মাদক) সহ ১ জন কে গ্রেফতার করেছে সিএমপি’র কর্ণফুলী থানা পুলিশ
আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন:
১৬/০৬/২০২১ খ্রিঃ ১৫:৩০ ঘটিকা এসআই(নিঃ) মোবারক হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে কর্ণফুলী থানাধীন   মইজ্যারটেক মােড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৬/০৬/২০২১ ০৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস(মাদক) সহ মোঃ সাগর (২৩) কে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত : মোঃ সাগর (২৩), পিতা: মৃত  হোসেন,গ্রাম: রানীর চর,বড়ুয়ারটেক, ০৩ নং ওয়ার্ড থানা: বান্দরবান সদর, বান্দরবান।

0 0

মােবাইল কোর্টের মাধ্যমে বকেয়া হােল্ডিং ট্যাক্স ও লাইসেন্স ফি আদায়

আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন:

চট্টগ্রাম- ১৭ জুন ২০২১ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার রাজস্ব সার্কেল -২ ও ৫ এর আওতাধীন এলাকায় মােবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বকেয়া হােল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়ের লক্ষ্যে রাজস্ব সার্কেল -২ এর আওতাধীন পূর্ব বাকলিয়া ও শুলকবহর এলাকায় হােল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চেকমুলে -৭,০১,৭২৫ / -টাকা ও ট্রেড লাইসেন্স ফি বাবদ ৬৫,০৬০ / -টাকা , রাজস্ব সার্কেল -৫ এর আওতাধীন বাগমনিরাম ও লালখান বাজার এলাকায় হােল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চেকমূলে -৫,০০,০০০ / -টাকা ও ট্রেড লাইসেন্স ফি বাবদ ৫২,৬০০ / – টাকা সহ সর্বমােট হােল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ১২,০১,৭২৫ / -টাকা ও ট্রেড লাইসেন্স ফি বাবদ ১,১৭,৬৬০ / -টাকা আদায় করা হয় ।

উভয় অভিযানে ট্রেড লাইসেন্স বিহীন ব্যবসা পরিচালনা দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা রুজু পূর্বক ৩,৫০০ / -টাকা জরিমানা আদায় করা হয় । সিটি কর্পোরেশনের বকেয়া হােল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়কল্পে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

আজ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ( যুগ্ম জেলা এবং দায়রা জজ ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে পৃথক ভাবে মােবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় ।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের উল্লেখিত রাজস্ব সার্কেলের কর কর্মকর্তা , উপ – করকর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা , কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটগনকে সহায়তা প্রদান করেন ।

চাঞ্চ্যলকর কুরবান আলী সোহেল হত্যার প্রধান আসামী ও সহযোগীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭,

আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন:

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার চাঞ্চ্যলকর কুরবান আলী সোহেল (২৩) হত্যায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী ও তার অন্যতম সহযোগীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ০৪নং মুরাদপুর ইউনিয়ন এলাকায় চাঞ্চল্যকর কুরবান আলী সোহেল (২৩) হত্যার ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৭৫), পিতা- মৃত আব্দুল জব্বার সুকানী, সাং- পশ্চিম মুরাদপুর, দেলোয়ার হোসেন সওদাগরের বাড়ী, ০৪নং ওয়ার্ড, ০৪নং মুরাদপুর ইউপি, থানা- সীতাকুন্ড, জেলা- চট্টগ্রাম বাদী হয়ে গত ১৯/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৩০, তাং-১৯/০৫/২০২১ ইং।

মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকেই র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম ছায়াতদন্ত শুরু করে। ছায়াতদন্তের এক পর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে, উক্ত মামলার এজহারনামীয় প্রধান আসামী মোঃ আবু জাফর (৩৪) ও তার অন্যতম সহযোগী মোঃ সাহাব উদ্দিন (৩৫) চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ পতেঙ্গা খেজুরতলা অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৬ জুন ২০২১ ইং তারিখ ২০৪৫ ঘটিকায় র‍্যাব-৭,

চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল উল্লেখিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‍্যাব- সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী ১। মোঃ আবু জাফর (৩৪), পিতা- আবুল মনসুর, মাতা- মৃত মরিয়ম বিবি, সাং- পশ্চিম মুরাদপুর, ০৪নং ওয়ার্ড এবং ২। মোঃ সাহাব উদ্দিন (৩৫), পিতা- নুরুজ্জামান, সাং- মুরাদপুর, হাসনাবাদ, ০৫নং ওয়ার্ড, উভয়ই থানা- সীতাকুন্ড,

জেলা- চট্টগ্রামদের আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, তারা চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার উপরোল্লিখিত মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান পলাতক আসামী।

উল্লেখ্য যে আসামী মোঃ আবু জাফর (৩৪) এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১০ টি মামলা এবং আসামী মোঃ সাহাব উদ্দিন (৩৫) এর বিরুদ্ধে সীতাকুন্ড থানায় হত্যা মামলাসহ ৩ টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 0

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের অবৈধ অংশ অপসারণের নির্দেশনা সিডিএ চেয়ারম্যান  কে।

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শপিং মল, সুনামের সাথে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এই শপিং কমপ্লেক্সটি, সম্প্রতি মার্কেট কমিটির অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতির কারণে প্রায়ই ধ্বংস হতে বসেছে এই জনপ্রিয় শপিং সেন্টার।

এ মার্কেটটিতে রয়েছে ৩৭০টি দোকান,এক একটি দোকানের সাথে জড়িয়ে আছে অনেকগুলো পরিবারের ভবিষ্যৎ।গত বছর ২৬শে মার্চ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় অনেকগুলো মাস করোনার কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ।

এইরকম একটি পরিস্থিতিতে মার্কেট নিয়ে তৈরি হয়েছে ধুম্রজাল,সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন সমস্যা, সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ধ্বংস করা হচ্ছে মার্কেট,প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের জীবন-জীবিকায়,দুর্নীতিতে যেনো ষোলোকলা পূর্ণ করেছে মার্কেট পরিচালনা কমিটির সাবেক কিছু নেতৃবৃন্দ।

সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ঘটে যাওয়া দুর্নীতির চিত্র জন সম্মুক্ষে উঠে আসার পর গঠিত হয়েছিল তদন্ত কমিটি,প্রমাণিত হয় শপিং কমপ্লেক্সের দুর্নীতি। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমে উঠে আসে উক্ত মার্কেটে দুর্নীতির খবর। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুলো প্রথমত কর্ণপাত না করলেও পরে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদের মুখে নড়েচড়ে বসে।  পরবর্তীতে সিডিএ,সিটি কর্পোরেশন,গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আলাদা আলাদা করে গঠন করে তদন্ত কমিটি। কমিটি গঠন করার পরে মাঠে নামে দুর্নীতির তদন্তে।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্তের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) ও স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের তদন্তে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও চসিকের সাথে  হওয়া চুক্তি ও দরপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়,
চুক্তিপত্রের বেশ কিছু জায়গায় রয়েছে অনিয়ম এবং চুক্তিপত্র ও দরপত্রের মধ্যে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে উক্ত মার্কেটে কোনরকম সংস্কার কিংবা স্থাপনা নির্মাণ করার আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যেমন সিডিএ,পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন নিয়ে কাজ করতে হবে, কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শামীম কর্পোরেশন সংশ্লিষ্ট কোন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়ে নিজস্ব ক্ষমতাবলে কাজ শুরু করে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় দরপত্রের ১নং শর্তে অনুসারে যে ড্রয়িং ও ডিজাইন জমা দেয়া হয়েছে সেখানে চসিকের কারো কোন স্বাক্ষর নেই। তাই জমাকৃত নকশা আদৌ চসিক অনুমোদন দিয়েছে কিনা সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

তদন্তের শেষ পেরেকটি ঠুকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী রাহুল গ্রহ।তিনি গত ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২১ নিজেই পরিদর্শনে আসেন চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের দুর্নীতি।এমনকি  চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স দুর্নীতির চিত্রের ছবি নিজ হাতে ক্যামেরাবন্দি করে নেয়।
তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে শপিং কমপ্লেক্স ভবনটির দুইতলা পর্যন্ত অনুমোদিত নকশা আছে। নতুন স্থাপনা করার জন্য সিডিএ থেকে অনুমোদন নেয়া হয়নি এবং ভবনের বিভিন্ন জায়গায় পার্কিং সহ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও অনিয়মের চিত্র তিনি তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২২/০৩/২১ তারিখে  উক্ত দুর্নীতির প্রতিবেদন মার্কেটে ৩৭০ জন ব্যবসায়ীর সমন্বয়ক মোস্তফা কামালের হাতে এসে পৌঁছায়,রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তদন্ত এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে রিপোর্টের ভাষ্যমতে দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। উক্ত মার্কেটে পার্কিং স্পেস এবং মার্কেটের ভিতরে খালি জায়গা গুলো মধ্যে দোকান নির্মাণ কিংবা বরাদ্দ কোনটাই মার্কেট সংশ্লিষ্ট কোন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেওয়া হয়নি, এমনকি এমনকি প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে কর্তৃপক্ষ অনৈতিক কাজ গুলো করে যাচ্ছিল মার্কেটের সাবেক পরিচালনা কমিটির কিছু নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় শামীম কর্পোরেশনের সাথে চসিকের লিখিত যে চুক্তিনামা হয়েছিল সেখানেও রয়েছে বিভিন্ন রকম অনিয়মের চিহ্ন যার কারণে দুর্নীতির প্রমাণ হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

২০২০সালের ১২ ই অক্টোবর তৎকালীন প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন এই মার্কেট নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় নয়টি সিদ্ধান্ত দেন,এই সব সিদ্ধান্ত ও প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণে আনা হয়েছে, সিদ্ধান্ত সমূহ হলো এস্কেলেটর স্থাপন বন্ধ থাকবে, দুই তলা ভবনের উদ্বোধন করা যাবেনা, পার্কিংয়ের স্পেসে কোন স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না, মহিলা ও শিশুদের জন্য পৃথক শোচাগার’ থাকবে,বর্ডারের স্থানে স্টিল স্ট্রাকচার কার্যক্রম সিডিএ অনুমতিক্রমে দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত চলমান থাকবে সেই ক্ষেত্রে আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে,এ সমস্ত বিষয়গুলো স্পষ্ট বলা হয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে সেসব সিদ্ধান্তকে অমান্য করে সাবেক কর্তৃপক্ষ মার্কেটে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে মার্কেট ধ্বংসের কাজগুলো করে গেছেন,যার কারনে মার্কেটের বিভিন্ন অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে,ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে মার্কেট এবং মার্কেটে বসবাসকারী ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীদের জীবন যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে রানা প্লাজার মতন আর একটা ট্রাজেডি।

এ ব্যাপারে ৩৭০ জন ব্যবসায়ীর সমন্বয়ক মোস্তফা কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি গনকণ্ঠকে বলেন চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স তদন্ত প্রতিবেদনটি আমি হাতে পেয়েছি এবং তদন্ত রিপোর্ট আশায় মার্কেটের সব ব্যবসায়ীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, তদন্ত প্রতিবেদনে মার্কেট কর্তৃপক্ষের দুর্নীতির প্রমাণও মিলেছে,  সম্প্রতি মার্কেটের অবৈধ অংশ ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশনা দিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা একটি চিঠি সিডিএ চেয়ারম্যান কে প্রদান করা হয়েছে, এবং তার একটি কপি আমার কাছেও পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন সেসব দুর্নীতিবাজরা বিভিন্ন রকম অপকর্ম করে আমার মানহানির চেষ্টা চালাচ্ছেন ওই ব্যাপারে আমি থানায় তাৎক্ষণিক জিডি করে রেখেছি এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমি জানিয়ে রেখেছি, মার্কেটের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বিভিন্ন সময়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এবং বর্তমানেও তা চালিয়ে যাচ্ছেন,কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমি বারবার মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেছি এখনো দুর্নীতিবাজরা আমাকে ক্ষতি করার চক্রান্তে লিপ্ত আছে,

ইনশাল্লাহ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে যদি আমার মৃত্যু হয় আমি সেটা মাথা পেতে নেব, তারপরও কোনভাবে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না,উক্ত দুর্নীতির একটি ফাইল আমি নিজেই  চট্টগ্রাম দুর্নীতি দমন প্রধানের হাতে দিয়ে এসেছি, তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন, সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আবারো সেই কুচক্রী মহল ভেঙ্গে যাওয়া জরাজীর্ণ মার্কেটে বন্ধ হয়ে যাওয়া সেই কাজগুলো আবারো তড়িত্গতিতে চালিয়ে যাচ্ছেন, যার কারণে যেকোনো সময় ঘটতে পারে চরম দুর্ঘটনা আমি সরকার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গত ০৩/০৬/২০২১ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধিশাখা ১ এর উপসচিব মোঃ মাহবুবুর রহমান হাবিব স্বাক্ষরিত একটি চিঠি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর পৌঁছানো হয়েছে,সেই চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে  চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মালিকানাকৃত মার্কেট, মার্কেটটির চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে বাৎসরিক ভাড়ার বিনিময় দেওয়া হয়েছিল, মূল মার্কেটের পার্কিংয়ের স্থান এবং তৃতীয় তলায় সিটি কর্পোরেশনের বরাদ্দ ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নকশা ব্যতিরেকে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ করায় বিধি মোতাবেক তা অপসারণ করার জন‍্য  নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিডিএ’র ইমারত নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহীনুল ইসলাম খান বলেন, তারা মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তটি তারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে  অবহিত করবেন এবং সিটি কর্পোরেশন কী ব্যবস্থা নেন তার ওপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব।

ব্যবসায়ী এবং কর্মচারীদের কথা চিন্তা করে চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স অন্যায় ভাবে দুর্নীতিবাজ কর্তৃপক্ষের ধ্বংসের হাত থেকে চট্টগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর রেখে যাওয়া বহু বছরের পুরনো শপিং কমপ্লেক্সটি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করবেন।

রিপোর্ট হুমায়ুন কবীর হিরো
স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম

0 0

নদীর জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ ঢাকা বোট ক্লাব ভেঙ্গে ফেলার দাবি জানালো সবুজ আন্দোলন

পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলনের পক্ষ থেকে ১৬ জুন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার বলেন, নদীর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ ঢাকা বোর্ড ক্লাবসহ সকল অবৈধ স্থাপনাকে ভেঙে ফেলতে হবে।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরের চারপাশ দিয়ে তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু নদী, মেঘনা নদী প্রবাহিত। স্বাধীনতার ৫০ বছরে প্রত্যেকটি নদী দখলে দূষণে জর্জরিত। সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরাগ নদী। তুরাগ নদীর চারপাশ দিয়ে শিল্প কলকারখানা ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার ফলে নদী হয়েছে সংকুচিত। নদীর জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট-বড় স্থাপনা। তার মধ্যে অন্যতম ঢাকা বোট ক্লাব।

যদিও ঢাকা বোট ক্লাবের জায়গাটি অন্য ব্যক্তির লিজের জায়গায় জোর করে গড়ে তোলা। ঢাকা শহরের চারপাশের নদীর সীমানা পিলার নির্ধারণ করার বিষয়টি অমীমাংসিত। বিআইডব্লিউটিএ নদীর যে সীমানা পিলার গুলো নির্ধারণ করেছে তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ এবং দুর্নীতিতে ভরা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে ঢাকা শহরের নদী দখল ও দূষণ রোধে বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হলো:
১) অনতিবিলম্বে ঢাকার চারপাশের নদীর নাব্যতা সংকট রোধে ড্রেজিং করে গভীরতা বাড়াতে হবে।
২) সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীর চারপাশ জুড়ে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে হবে।
৩) নদীর দূষণ রোধে ইটিভি ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে বাইপাস ক্যানেল পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
৪) সীমানা পিলার নির্ধারণ করতে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করতে হবে।
৫) ঢাকা শহরের যানজট কমাতে বেসরকারি পর্যায়ে ওয়াটার বাস চালু করতে হবে।
৬) নদীর চারপাশে ওয়াক ওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
৭) ঢাকা শহরের সকল খালকে দখল ও দূষণ মুক্ত করে নদীর সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
৮) নদী ও খালের সকল রকম বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত রাখতে হবে, পাশাপাশি নৌ পুলিশ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

কর্ণফুলীতে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার , ধর্ষক আটক

মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, আনোয়ারা প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম কর্ণফুলী উপজেলায় ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগে মোঃ খলিল (১৬) নামে এক কিশোরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।

গতকাল বিকেল ৫টায় উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আসহাব উদ্দিন বৈদ্যের বাড়ির রফিক কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষক কিশোর বড়উঠান দৌলতপুর এলাকার হাসেম মেস্ত্রীর ছেলে। অভিযুক্ত কিশোর বেকার বলে জানা যায়। আর ধর্ষণের শিকার শিশুটি একই এলাকার৷ (সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে ভিকটিমের পরিচয় গোপন করা হলো)

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী থানার ওসি মোঃ দুলাল মাহমুদ ও বড়উঠান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

পুলিশ সুত্র জানায়, শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ওদিকে, শিশুটির পরিবার অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন বিকেলে শিশুটির মা দুই সন্তানকে নিয়ে উপবৃত্তির টাকার জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। বাসায় প্রতিবারের মতো শিশুটিকে একা রেখে যান। এই সময় শিশুটিকে বাসায় একা পেয়ে পাশের বাড়ির মোঃ খলিল বাসায় প্রবেশ করে ধর্ষণ করেন। রাতে মেয়েটি কান্নাকাটি করে ঘটনাটি মাকে জানালে, প্রতিবেশীরা গিয়ে ধর্ষক খলিলকে ধরে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে খবর দেয়। আজ দুপুরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে শিশুটির জবানবন্দি নেন।

কর্ণফুলী থানার ওসি মোঃ দুলাল মাহমুদ জানান, ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হচ্ছে।

গ্রেপ্তার কিশোরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিয়ে ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রেখে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার অপরাধে ০৪ জন ধর্ষণকারীকে আটক করেছে র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম

আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন:

গত ১৩ জুন ২০২১ ইং তারিখ ভিকটিমের পিতা মোঃ আরাকান মিয়া র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম এ অভিযোগ করেন যে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র তার মেয়েকে চট্টগ্রাম শহরের ফ্রিপোর্ট এলাকায় একটি গার্মেন্টেসে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে চট্টগ্রামে একটি বাসায় আটক করে রাখে। অতঃপর ঐ বাসায় ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জীবন নাশসহ পরিবারের বিরাট ক্ষতি করবে মর্মে হুমকি দেখিয়ে মোঃ জসিম (২৭) ও তার সহযোগীরা জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম ভিকটিমকে উদ্ধার ও ধর্ষণকারীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়াতদন্ত শুরু করে। ছায়া তদন্তের এক পর্যায় র‍্যাব-৭,জানতে পারে যে, ধর্ষণকারীরা ভিকটিমকে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানাধীন বাকলিয়া নতুন ব্রীজ সেল সেন্টারের সামনে একটি বাসায় আটকে রেখেছে।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ জুন ২০২১ র‍্যাব-৭,চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‍্যাব-সদস্যরা

আসামী ১। মোঃ জসিম উদ্দিন (২৭), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আলী, সাং-ছনুয়া, মধুখালী, আমজাদ আলীর বাড়ী, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম, ২। মোঃ নুরুল আজিম (২৮), পিতা-মোঃ ইজ্জত আলী, সাং-ছনুয়া, মধুখালী, আমজাদ আলীর বাড়ী, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম,

৩। মোঃ জাবের আহাম্মদ (৪৮), পিতা-মৃত ফরিদ আহাম্মেদ, মাতা-মৃত জয়নাব বেগম, সাং-পাথরঘাটা, ওমর আলী মার্কেট, আশরাফ আলী রোড, কালাবাগিচাঁ, থানা-কোতয়ালী, সিএমপি, চট্টগ্রাম এবং ৪। মোহাম্মদ নবী (২২), পিতা-মোঃ আবু তাহের, সাং-পূর্ব চাম্বল, হায়দারি পাড়া, থান-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রামদের আটক করে এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত আসামীরা ভিকটিমকে মিথ্যা বিবাহের ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রেখে জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে।র‍্যাব-৭,এ অভিযানে ধর্ষণকারীদের গ্রেফতার করায় ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজন সন্তোষ প্রকাশ করে।

গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিএমপি’র বাকলিয়া থানায় ভিডিও ফুটেজ দেখে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী জাহিদ সনাক্ত এবং বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার
গত ১১/০৬/২০২১ইং তারিখ বাকলিয়া থানাধীন আব্দুল লতিফ হাটখোলার বড় মৌলভী কবরস্থানে সাইনবোর্ড লাগানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারী মোঃ জাহিদুর আলম(২৪) কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১২.০৫ এ চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ জাহিদুর আলম(২৪) গ্রেফতার করেন এবং তার স্বীকারোক্তি মতে রাত ০২.৫৫ টার সময় বাকলিয়া থানা এলাকা হতে ০১টি বিদেশী পিস্তল ও ০২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেন বাকলিয়া থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মোঃ জাহিদুর আলম(২৪), পিতা- মৃত ইসহাক, মাতা- হালিমা খাতুন, সাং- সাদেক শাহ মাজার গেইট, মকবুল হাওলাদারের বাড়ী, থানা- বাকলিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম।

মাদক কারবারী দেলোয়ার ও তার বাহিনীর হামলার স্বীকার হয়ে সাংবাদিক ইউসুফ রুবেল হাসপাতালে

নিজন্ব প্রতিবেদক:

চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকার চিন্হত মাদক কারবারী দেলোয়ার বাহিনির বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করায় হামলার স্বীকার হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে বলে জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্যরা।

১৫ জুন মঙ্গলবার সন্ধায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে তার পরিবার।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, চকরিয়ার মাদক সম্রাট দেলদুয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। সে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রানালয়ের তালিকা ভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। দেলোয়ার তার ভাই বাচ্চু মিয়া ও সহযোগী জসিম উদ্দীন তুষারসহ একটি মাদক কারবারী চক্র তৈরি করেন। সাংবাদিক ইউসুফ রুবেল প্রতিনিয়ত এসব মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সাংবাদ পরিবেশন করে আসছিল। এর পর থেকে সাংবাদিক ইউসুফ রুবেলের উপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। একপর্যায়ে সে হামলার স্বীকার হন ইউসুপ রুবেলের পরিবার।

গত ১৬ এপ্রিল তার ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনে দেলোয়ার বাহীনির মাদক কারবারের গুরুত্বপুর্ন তথ্য ধারন করে। সে খবর দেলোয়ার বাহিনির কাছে পৌছালে রাতের আধারে তার বাড়ীতে হামলা করে মা- বোনকে নির্যাতন করে ক্যামরা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যাই। পরের দিন থানায় এজাহার দায়ের করলে তদন্ত শেষ করে সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় মামলা রেকড করা হয়।

১৫ জুন রাতে দেলোয়ার বাহিনী পুনরায় হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। স্থানীয়রা ঘটনা টেরপেয়ে এগিয়ে আসলে আহত অবস্থা সাংবাদিক ইউসুপ রুবেলকে পড়ে থাকতে দেখে থানায় ফোন করে জানায়। এস আই মোরশেদ তাকে উদ্ধার করে নিজের গাড়ীতে করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।

হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মোরশেদ বলেন, এরা দেশ ও জনগণের শত্রু। এদেরকে ধরিয়ে দিয়ে আইনের আওতায় আনার জন্য সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ যে, গত ৫ জুন ইউসুফ অফিসের কাজে ঢাকার যায়। সে সুযোগে তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার চেষ্টা চালায়। চিৎকার শুনে এলাকাবাসী আসলে তারা দ্রুত ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায়। একই রাতে মামলার পাঁচ নম্বর সাক্ষী মোরশেদ কে বাড়ি ফেরার পথে হামলা চালানো হয়। তার চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে সেখানেও তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়।

তারপরে হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে সাক্ষী তার নিরাপত্তার জন্য সাধারন ডায়রি করে। চকরিয়া থানার পুলিশ তাকে ধরার জন্য ওয়ারেন্ট জারি করেছে বলে জানিয়েছেন ওসি শাকের মোহাম্মদ জোবায়ের।