Home Authors Posts by Ayaz Sunny

Ayaz Sunny

362 POSTS 0 COMMENTS

0 0

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মো. মশিউল আলম স্বপনের এক মতবিনিময় সভা ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পিএইচপি ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী।

যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অতিথি মশিউল আলম স্বপন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা।

সভায় চট্টগ্রাম বন্দরের বার্থ অপারেটর, শিপিং হ্যান্ডলিং অপারেটর এবং টার্মিনাল অপারেটরস ওনার্স এসোসিয়েশনের সম্পাদক দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মশিউল আলম স্বপন বলেন, ব্যবসায়িক কাজের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাÐে অবদান রাখতে হবে। তিনি আগামীতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যেকোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিতে প্রস্তুত আছেন বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস বলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মশিউল আলম শুধুমাত্র ব্যবসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এই করোনাকালে অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গণেও তার অবদান উল্লেখ করার মতো। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় মশিউল আলমকে প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সভায় প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস অতিথিকে ফুল এবং সম্মাননা ক্রেস্ট দেন । মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রমা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক দেবাশীষ বড়–য়া দেবু,

গ্রন্থাগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, কার্যকরী সদস্য স ম ইব্রাহীম, ক্লাবের স্থায়ী সদস্য জাকির হোসেন লুলু, সাইফুদ্দিন মো. খালেদ, মাখন লাল সরকার, দেবপ্রসাদ দাস দেবু,

আফজল রহিম সিদ্দিকী, সিরাজুল করিম মানিক, ই পারভেজ ফারুকী, মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্বজিৎ বড়–য়া, প্রভাত বড়–য়া, নুরউদ্দিন আহমদ, নিরূপম দাশগুপ্ত, আরচি আহমেদ শাহ, সাইদুল আজাদ, তাজুল ইসলাম, সুমন গোস্বামী, আজহার মাহমুদ, রাহুল দাশ নয়ন সহ বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

0 0

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন’র সাথে আজ ২৬ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার বিকাল ৩টায় নগরের কোর্ট হিলস্থ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চন্দনাইশ পৌরসভা এলাকার মধ্যম জোয়ারা শহীদ সুবিমল স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দ এক সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময়ে মিলিত হন।

এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন ও স্মৃতি রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। চন্দনাইশ উপজেলার কৃতি সন্তান শহীদ সুবিমল বড়–য়া মহান মুক্তিযুদ্ধে নিজের জীবন উৎসর্গ করে আমাদের স্বপ্নের স্বাধীনতাকে তড়ান্বিত করেছেন। আমরা বাঙালি জাতি হিসেবে তাঁর স্মৃতির প্রতি আজীবন ঋণী।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন শহীদ সুবিমল বড়–য়ার স্মৃতি রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসককে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক উপহার দেন এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রস্তাবিত বহুতল ভবনের নকশা হস্তান্তর করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এসময় সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি এ্যাপোলো বড়–য়া, উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য রুবেল বড়–য়া, সংগঠক সরিৎ চৌধুরী সাজু, স ম জিয়াউর রহমান, কাজল বড়–য়া প্রমুখ।

0 0

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার,২৬ নভেম্বর।

মানুষ হাতি সংঘাত নিরসন ও বন্য হাতি রক্ষায় করণীয় এবং জবরদখল বনভুমি পুর্ণরুদ্ধার বিষয়ে সচেতনতা মুলক সভায় বক্তারা বলেন, বন্য হাতির বর্তমান হোমরেঞ্জের আয়তন কমিয়ে আনতে হবে, যা বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

বন্য হাতির গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থলগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোয় বন্য হাতির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য, নিরাপদ বাসস্থান ও প্রজননের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুর ১২ টায় চকরিয়া উপজেলা মিলনায়তন (মোহনা) অনুষ্ঠিত সচেতনতা মুলক সভায় আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস আলহাজ্ব জাফর আলম বিএ অনার্স এমএ।ফাসিয়াখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জ,
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগ ও চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, মো. কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তহিদুল ইসলাম (উপ বন সংরক্ষক)।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় আলোচনায় অংশ নেন, চকরিয়ার সিনিয়র সাংবাদিক এমআর মাহমুদ, ফাসিয়া খালী ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, ডুলাহাজারা কলেজের অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, ডুলাহাজার ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন, খুটাখালী বন সহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মাষ্টার আবুল হোসেন, চকরিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মকসুদুল হক ছোট্টু।

বক্তারা আরো বলেন, বন্য হাতির মূল আবাসস্থলের উন্নয়ন করতে হলে হাতি অধ্যুষিত বনসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী জনগণের জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে।বন্য হাতি অধ্যুষিত বনসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয় জনগণকে জানতে হবে বন্য হাতিকে এড়িয়ে চলার কৌশল।
এছাড়াও হাতি চলাচলের স্থান চিহ্নিত করা হবে।

বন্য হাতি সম্পর্কিত সচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমের পাশাপাশি প্রয়োজনে ধর্মীয় নেতা, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, স্থানীয় সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, বন খাল, সব দখল হয়ে যাচ্ছে। আমরা কেউ ভালো নেই এলাকায়। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে সরকারী জবরদখলকৃত বনভুমি পুর্ণরুদ্ধারে অভিযান চালানো হবে।

সরকারী জমিতো পাকা দালান হলেও তা উচ্ছেদ করা হবে।পরিবেশ সুরক্ষার জন্য পরিবেশ এবং বনের প্রয়োজন। তাই বনবিভাগ যখনই সহযোগীতা চাইবেন তৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 0

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃরাজশাহীতে বিশ্বশান্তি জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে, মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত।

মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠানটি জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী বিভাগের আয়োজনে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। এবং র‍্যালিটি সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে রাজশাহী আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু কলেজ রাজশাহীর উপাধক্ষ্য ও রাজশাহী ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ ইয়াকুব বাদশা।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ রাজশাহী বিভাগের আহবায়ক মোহাম্মদ শোয়েব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সাম্প্রদায়িক গােষ্ঠীর প্রধান টার্গেট হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। সেই সঙ্গে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্বপ্নের সােনার বাংলাদেশকে প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,

ধর্ম নিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক,সংবিধান, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবী, নারীশিক্ষা, নারী উন্নয়ন, আধুনিক প্রগতিশীল মানবিক শিক্ষা ও
সমাজব্যবস্থার বিরােধীতা করা।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ১৯৯৬, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে এদেশে ক্ষমতায় আসার সুযােগ না হতাে তাহলে সােনার বাংলার সবুজ প্রান্তর সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সাম্প্রদায়িক গােষ্ঠীদের হিংস্র থাবার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আরেক সিরিয়া,লিবিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তানের ভাগ্য বরণ করতে হতাে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইয়াকুব বাদশা বলেন, ১৯৯৬ সালে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার ক্ষমতায় এলে পটভূমি পাল্টে যায়। সাম্প্রদায়িক গােষ্ঠী মাথা তুলে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়। ২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসীন হলে জঙ্গিরা গা-ঢাকা দেয়।

আত্মগােপনে থাকা এসব সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠন বর্তমান সরকারের সময় রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযােগ নিয়ে আবারও মাথা তােলার চেষ্টা করলেও বর্তমান সরকারের সন্ত্রাসী ও জঙ্গী বিরােধী কঠোরতার কারনে সন্ত্রাসী ও জঙ্গীরা সফল হয়নি।

সন্ত্রাসী জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সরকারের যে সাফল্য, যে অর্জন, সেটা অকল্পনীয়। বিশ্বের বহু দেশ এটা করতে পারেনি। ১৭ কোটি মানুষের দেশে জঙ্গিসদস্য এবং তাদের আস্তানা খুঁজে বের করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মেধাবী ও চৌকস অফিসাররা যে অপারেশনগুলাে করেছেন, তা বিরল ঘটনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ২০১৬ সালের হােলি আর্টিজান হামলার।পর এ পর্যন্ত যতগুলাে অপারেশন পরিচালিত হয়েছে তার সবগুলাে থেকেই জঙ্গিগােষ্ঠী আঘাত হানার পূর্বে পুলিশ ও র্যাব।তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে জঙ্গি আস্তানাসমূহ গুড়িয়ে দিয়েছে। জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশ ও র্যাব’ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

জঙ্গিবাদ প্রতিরােধ আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যানারে দীর্ঘ বছর ধরে, আমরা বাংলাদেশ সরকারের সন্ত্রাসমুক্ত ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা প্রশংসা করে গণসচেতনতা বাড়ার জন্য আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সােনার বাংলা বিনির্মানে আমরা বদ্ধপরিকর।

০৯টি সাজা পরোয়ানা সহ মোট ১৩টি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী মাহামুদুল হাসান, পিতা- মৃত হাবিবুর রহমান, সাং- শাকিল এন্টারপ্রাইজ, সাউদার্ন হাসপাতাল রোড, টেকনিক্যাল কলেজ, মোজাফ্ফর নগর, পূর্ব নাসিরাবাদ, থানা-খুলশী, জেলা-চট্টগ্রামকে ইং ২৬/১১/২০২০ইং তারিখ রাত ০২:৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলাস্থ বুডিচং থানাধীন দেবপুর বারেলা (ইসলামপুর) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া গ্রেফতার করা হয়।

একাধিক সাজা পরোয়ানা ভুক্ত মামলার পলাতক আসামী মাহামুদুল হাসান, পিতা- মৃত হাবিবুর রহমান, সাং- শাকিল এন্টারপ্রাইজ, সাউদার্ন হাসপাতাল রোড, টেকনিক্যাল কলেজ, মোজাফ্ফর নগর, পূর্ব নাসিরাবাদ, থানা-খুলশী, জেলা-চট্টগ্রাম দীর্ঘ দিন যাবৎ আত্মগোপনে ছিল।

বর্ণিত আসামী দীর্ঘ দিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকার কারণে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নাই। পরবর্তীতে বর্ণিত আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে খুলশী থানার সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সদের নিয়ে সিএমপি, চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে বিশ্বস্ত সূত্রে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বর্ণিত আসামীর অবস্থান সম্পর্কে অবগত হইয়া উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শক্রমে এসআই(নিঃ)/আনোয়ার হোসেন সঙ্গীয় অফিসার এসআই(নিঃ)/মোহাম্মদ হোসাইন, এএসআই(নিঃ)/মোঃ মানিক মিয়া ও কং/৪৬৩৪ মনির হোসেন,

সর্ব খুলশী থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা জেলাস্থ বুডিচং থানা পুলিশের সহায়তায় উপরোক্ত সাজা প্রাপ্ত বিভিন্ন থানার একাধিক মামলার পলাতক আসামী মাহামুদুল হাসান’কে ১। সিআর-৪০৭/১৮, দায়রা- ৪৬৭১/১৮, ধারা-এনআইএ্যাক্ট ১৩৮, ২। সিআর-১০৭/১৮, দায়রা- ৭১৪/১৮, ধারা-এনআইএ্যাক্ট ১৩৮, ৩। সিআর- ১৭১/১৩, দায়রা-৩৯২৪/১৭, ধারা-এনআইএ্যাক্ট ১৩৮, ৪। সিআর-৪০৮/১৮, দায়রা-৪৬৭২/১৮, ধারা-এনআইএ্যাক্ট ১৩৮, ৫। সিআর-১৯৮/১৬ (পাঁচলাইশ জোন),

দায়রা-৩৬০৫/১৬, ৬। সিআর নং- ৪১৪/১৯, খুলশী জোন, ধারা-এন.আই এ্যক্ট-১৩৮, ৭। সিআর নং- ৩১০/১৯, গাইবান্দা জোন, সেশন মামলা-১০১৬/১৯, ৮। সিআর- ৬২৫/১৯, ধারা- এন.আই এ্যক্ট-১৩৮, ৯। সিআর মামলা নং-৩৬/২০, খুলশী জোন, ধারা- এন.আই এ্যক্ট-১৩৮ এবং বায়োজিদ থানায় ০২টি ও পাঁচলাইশ থানায় ০২টি, মোট ০৪টি সহ সর্বমোট ১৩টি সিআর মূলতবী মামলার পরোয়ানা (ড/অ) মূলে গত ২৬/১১/২০২০ইং তারিখ রাত ০২:৩০ ঘটিকার সময় কুমিল্লা জেলাস্থ বুডিচং থানাধীন দেবপুর বারেলা

(ইসলামপুর) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া বর্ণিত আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

0 0

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর, ২০২০:শীঘ্রই ভুয়া অনলাইনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে তাদের অনলাইন জার্নাল ‘রিপোর্টার্স ভয়েস’ উদ্বোধন ও ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা ২০২০ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা জানান।

ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: শফিকুর রহমান এবং ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী এসময় বক্তব্য রাখেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে হাতেগোনা কয়েকটি অনলাইন ছিল, এখন অনলাইনের সংখ্যা অনেক, তবে সবগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সহায়ক নয়। সেজন্য আমরা অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে এ বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমটি যতদূর সম্ভব সম্পন্ন করা।

একইসাথে যে সমস্ত অনলাইন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহৃত হয়, যে সমস্ত অনলাইন গুজবের সাথে যুক্ত, সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, সেগুলোর ব্যাপারে আমরা আগামী বছর থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া শুরু করবো।’

অনলাইন নিউজপোর্টাল রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রমটি এগিয়ে যাওয়ার পর এই আইনগত ব্যবস্থা শুরু হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘এটি যেমন সমাজের চাহিদা, একইভাবে সাংবাদিক সমাজেরও চাহিদা। যে অনলাইন নিউজপোর্টালগুলো সত্যিকার অর্থে সংবাদ পরিবেশনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা পৃথিবীর প্রেক্ষাপট। উন্নত দেশগুলোতে এক্ষেত্রে অনেক শৃঙ্খলা স্থাপন করা সম্ভবপর হয়েছে, যেটি এখনো এখানে পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে দিতে গিয়ে অনেক সময় ভুল সংবাদ এবং অসত্য তথ্য পরিবেশিত হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, অনেক বেশি ক্লিক পাওয়ার জন্য দেয়া হেডিং এর সাথে ভেতরের সংবাদের সেই মিল নেই।

বিশেষ করে যে অনলাইনগুলোতে কোনো অনুষ্ঠান চলাকালীন সংবাদ পরিবেশনের ক্ষমতা রিপোর্টারকে দেয়া থাকে, সেখানে অনেক অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে দেখা যায়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এবিষয়ে পিআইবি’র সাথে যুক্ত হয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়ে থাকে, যা সত্যিই প্রয়োজনীয়।’

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘এখন দেখা যায় কেউ একজন অনলাইন পোর্টাল খুলে তাকে সাংবাদিকের কার্ড দিয়ে দিলো। তিনি আসলে প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক নন, সেই কার্ডটির জন্যই সাংবাদিক সেজেছেন। এগুলোকে বন্ধ করার জন্য রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিক বিভিন্ন সাংবাদিকদের যে ফোরামগুলো আছে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

কিছু কিছু ‘সাংবাদিক নামধারী’র জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজের বদনাম হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ কোর্টে অনেক সময় ভুয়া উকিল ধরা পড়ে। আইনজীবী সমিতিই কিন্তু ভুয়া উকিল খুঁজে বের করে। এক্ষেত্রেও সাংবাদিকদের ফোরামগুলো উদ্যোগী হলে সরকার আপনাদের পাশে থাকবে, সহায়তা করবে।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিকে অনলাইন জার্নাল শুরুর জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনলাইনের মাধ্যমে মানুষের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে, সেকারণে এটা করা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার গঠন করি তখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৪০ লক্ষ আর আজকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটির বেশি। ২০০৯ সালে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ছিল সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ, এখন ১৭ কোটি মানুষের দেশে সাড়ে ১৫ কোটির কাছাকাছি মোবাইল সিম ব্যবহারকারী ।

এই ব্যাপক পরিবর্তন জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল, দুরদর্শির নেতৃত্বের কারণেই সম্ভবপর হয়েছে। অথচ ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান দিয়েছিলাম, তখন অনেকে হাস্যরস করেছে। আর আজ ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে আমরা প্রতিবছর কয়েক মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছি।

ডিআরইউ জার্নাল রিপোর্টার্স ভয়েস উদ্বোধনের পর মোরসালিন আহমেদ, জাকির হোসেন, মিজান রহমান, এম মামুন হোসেন, রিয়াজ চৌধুরী, সাজেদা পারভীন সাজু, আমীন আল রশীদ, মোতাহার হোসেন, প্রণব মজুমদার, আমিরুল মোমেনীন মানিক, রকিবুল ইসলাম মুকুল, আবু আলী,

মিজান মালিক, মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, মো: শফিউল্লাহ সুমন, তরিকুল ইসলাম মাসুম, আবু হেনা ইমরুল কায়েস, মাইদুর রহমান রুবেল, মাসুম মোল্লা, সায়ীদ আবদুল মালিক, দীপন নন্দী, হক ফারুক আহমেদ, সেলিনা শিউলী, চপল বাশার,

আশীষ কুমার দে, জামশেদ নাজির, শামসুজ্জামান শামস, ইন্দ্রজিৎ সরকার, আহমেদ মুশফিকা নাজনীন ও হাবিবুল্লাহ ফাহাদ-এই ৩০ জন সাংবাদিকের হাতে ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে তিনি ডিআরইউ মটর সাইকেল ছাউনির ফিতা কাটেন।

0 0

চট্টগ্রাম-২৬ নভেম্বর ২০২০ইং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করে নির্বিঘেœ চলাচলের সুবিধার্থে আমরা সড়ক বানাই। পরে গিয়ে দেখা যায় নতুন নির্মিত এসব সড়ক ট্রাক, লরি, ট্রেলারের পাকিংয়ের মাধ্যমে দখলে চলে গেছে। আর এ জন্য নগরবাসীর সমালোচনা ও তোপের মুখে থাকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

তাই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের প্রতি আমার আহবান থাকবে আপনারা সড়কের উপর অবৈধ পাকিং বন্ধে ব্যবস্থা নিন। কর্পোরেশন ও আপনাদের পাশে থেকে সহযোগীতা করবে। সড়কে অবৈধ দখলের কারণে যানজট সহ কোন ধরণের নাগরিক ভোগান্তি হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্পোরেশন স্কুল পরিমান ও ছাড় দিবে না।

এজন্য ট্রাফিক পুলিশকেও উদ্যোগী হতে হবে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাগরিকা মোড় হতে কলকা মোড় (মাজার অংশ) পর্যন্ত পোর্ট কানেক্টিং (পিসি রোড) রোডের কার্পেটিং কাজের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।

জাইকার অর্থায়নে এই কাজ চলছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাহের ব্রাদার্স এর অধীনে চলমান এই কার্পোটিংয়ের কাজ শেষের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত।

এ সময় চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্নেল সোহেল আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু ছালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, বিপ্লব দাশসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন, চট্টগ্রামের লাইফ লাইন বলে খ্যাত পোর্ট কানেক্টিং রোড ঢালাই কাজ শুরু হওয়ায় আমি খুশি। গত ৩ বছর ধরে এই সড়কটির কারণে নগরবাসী বিশেষ করে এই এলাকার অধিবাসীদের নিদারুন কষ্ট ও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এজন্য নগরবাসীর জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। তিনি বলেন, এই পিসি রোডের মোট ৬ কিলোমিটার এর মধ্যে এখন সাগরিকা হতে কলকা মোড় পর্যন্ত ২ কিলোমিটার কার্পেটিং করা হচ্চে।

বাকি ৪ কিলোমিটার কলকা হতে তাসফিয়া পর্যন্ত এই অংশ শেষে কার্পেটিং করা হবে। কলকা মোড়ে একই প্রকল্পের অধীনে কালভার্টও নির্মিত হচ্ছে। প্রশাসক আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো পিসি রোডের কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই সময়সীমার মধ্যে কাজশেষ করতে না পারলে ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল হবে বলে প্রশাসক ঘোষণা দেন। সেসময় প্রশাসক নির্মাণ কাজ চলাচলে ধুলাবালি থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় প্রতিদিন ১ ঘন্টা অন্তর পানি ছিটাতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ও চসিকের প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানাধীন রামপুর এলাকার মদিনা অটো মোবাইল এন্ড ওয়ার্কস এর সামনে কতিপয় চোরাকারবারী বন্যপ্রাণী পাচারের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখ ১৪২০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাব-৭ উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী ১। মোঃ ইয়াকুব আলী (১৮), পিতা- আশরাফুল ইসলাম, সাং- কুমিরা, থানা-সীতাকুন্ড, জেলা- চট্টগ্রাম ও ২। মোঃ শাখাওয়াত হোসেন প্রকাশ সাব্বির (১৯), পিতা-মৃত মাহমুদুল হক,সাং-কুমিরা, থানা-সীতাকুন্ড, জেলা-চট্টগ্রাম’দের আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের দেখানো ও সনাক্তমতে নিজ হেফাজতে থাকা একটি খাচাসহ ,

০২ টি বন্যপ্রাণী (তক্ষক) উদ্ধারপূর্বক আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন যাবত বন্যপ্রাণী (তক্ষক) অবৈধ ভাবে নিজ দখলে রেখে দেশ-বিদেশে পাচার করে আসছে। উল্লেখ্য যে, উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণী (তক্ষক) ০২টি খাঁচাসহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সামাজিক বন বিভাগ, ফেনী এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, আটককৃত আসামিদ্বয় বন্যপ্রাণী (তক্ষক) ০২টি ২০লক্ষ টাকায় বিক্রয়ের জন্য চেষ্টা করছিল।

গ্রেফতারকৃত আসামি সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কামাল পারভেজ , চট্টগ্রামঃকলা-রুটি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ের আলোচিত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মিয়াজাহানের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন বিভিন্ন পদে দায়িত্বপালনকালে অনিয়ম, দূর্নীতিসহ নানা অভিযোগ উঠে তারঁ বিরুদ্ধে।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তদন্তও শুরু করেছেন দুদকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। ইতিমধ্যে তদন্তের স্বার্থে কাগজপত্র চেয়ে চিঠিও ইস্যু করেছে দুদুক।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের মুখে পড়েছেন সেই রেলওয়ের আলোচিত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মিয়াজাহান।
জানা গেছে, যাত্রীবাহী ট্রেনের অভ্যন্তরে খাদ্য সরবরাহ ও বিপণনের ক্যাটারিং সার্ভিস এতদিন চলতো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়। দরপত্রের মাধ্যমে বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এসব ক্যাটারিং সার্ভিস পরিচালনা করতো। সম্প্রতি রেলওয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলন্ত ট্রেনের অভ্যন্তরে ক্যাটারিং সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।
এজন্য একটি ক্যাটারিং সেলও গঠন করে রেলওয়ে। কিন্তু সার্ভিসটি চালুর শুরুতেই দুদকের তদন্তের মুখে পড়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত রেলের শীর্ষ এক কর্মকর্তা।
জানা গেছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে রেলের নিজস্ব ক্যাটারিং সার্ভিসের কলা, রুটি, বিরিয়ানি, চিকেনফ্রাই-সহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ক্রয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে কিনা দূনীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গত ২০ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-২) মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি পত্র দেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালককে। তবে রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মিয়াজাহানকে একাধিকাবর ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
দুদকের তথ্যে দেখা গেছে, রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মিয়াজাহানের বিরুদ্ধে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রেলওয়ে এ সংক্রান্ত সকল রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি দূর্নীতি দমন কমিশনকে প্রেরণের করতে অনুরোধ করা হয়।
মিয়াজাহান দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে বনলতা এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ও কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনে ক্যাটারিং এর আওতায় বিরিয়ানি, কলা, পাউরুটি, চিকেনফ্রাই ইত্যাদি বিক্রি করা সংক্রান্ত সরকারী আইন/বিধি বিধান/সার্কুলার, দরপত্র/কোটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বা রেলওয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তা পরিচালনা করা হয়ে থাকলে দরপত্র আহ্বান,
কার্যাদেশ, বিল প্রদান সংক্রান্ত সকল রেকর্ডপত্র দুদকের কাছে পাঠাতে হবে। এছাড়াও  রেলের এডিজি (অপারেশন) সময়কালীন উল্লেখিত ক্যাটারিং এর জন্য বিক্রি বাবদ আদায়কৃত/সংগৃহিত অর্থ ও তা সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রও তদন্তের স্বার্থে প্রেরণের নির্দেশনা দেয়া হয়।
রেলওয়ে বাণিজ্যিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রেলওয়ে চলন্ত ট্রেনে খাদ্য সরবরাহের জন্য ওটিএম (ওপেন টেন্ডার মেথড) এর মাধ্যমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে থাকে। বর্তমানে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ১৮টি প্রতিষ্ঠান ৫০টি নির্ধারিত ট্রেনের ক্যাটারিং সার্ভিস দরপত্রের মাধ্যমে সর্ব নির্ম দরদাতা হিসাবে পরিচালনা করে আসছে।
এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে রেলওয়ের ৪ বছরের চুক্তি রয়েছে রেলের। চুক্তিতে প্রতিবছর চুক্তিমূল্যের সাথে ১০ শতাংশ হারে মূল্য বাড়ানো হয়। পূর্বাঞ্চলের ১৮টি প্রতিষ্ঠান প্রতি অর্থ বছরে ক্যাটারিং সার্ভিসের জন্য রেলওয়েকে ৬৫ লাখ টাকার রাজস্ব দিয়ে থাকে। যা প্রতিবছর ১০ শতাংশ হারে বর্ধিত করে রেলওয়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দরপত্রের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশেরই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।  শুধুমাত্র দুটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি চলতি বছরের ৭ ডিসেম্বর, দুটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল ও ৩০ নভেম্বর এবং  তিনটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি শেষ হয়ে যাবে।
চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়া ট্রেন এবং আগামীতে চুক্তি সময় শেষ হয়ে আসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ক্যাটারিং এর চুক্তি নবায়ন না করে নিজস্ব ক্যাটারিং কোম্পানি ‘বাংলাদেশ  রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম সেল (বিআরসিটিসি) এর মাধ্যমে পরিচালিত করতে চায় রেলওয়ে। এ বিষয়ে রেলওয়ে গঠিত ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের  ট্রেনে ক্যাটারিং সার্ভিসে নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২০’ সম্প্রতি অনুমোদন হয়েছে মন্ত্রী সভায়।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিআরসিটিসি থেকে যা আয় হয়েছে, তা রেলওয়ের কাছ থেকে ইজারা নেয়া অন্য যেকোনো ক্যাটারিং  কোম্পানির চেয়ে বেশি। নিজস্ব ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান তদারকি, মান নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ করার জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিও করেছে। এ কমিটির সুপারিশে  রেলওয়ে ক্যাটারিং সার্ভিস পরিচালনা করা হবে। তবে সার্ভিসটি চালুর শুরুতেই দুদকের তদন্ত নিজস্ব এই ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে মনে করছেন রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা।
সর্বশেষ ১৫ নভেম্বর দেশের অন্যতম বিরতিহীন রেলসার্ভিস সোনাবাংলা (ঢাকা-চট্টগ্রাম) এক্সপ্রেসের খাদ্য সরবরাহে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সাথে রেলের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে ২৬ মার্চ থেকে ট্রেন বন্ধ থাকা এবং নতুন করে ট্রেন সার্ভিস শুরুর পর স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে এই সার্ভিসে খাদ্য সরবরাহ আপাতত বন্ধ রয়েছে।
রেলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার ক্যাটারিং সার্ভিসের মতো আগামীতেও সোনারবাংলা এক্সপ্রেসে রেলওয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খাদ্য সরবরাহ করবে।
পাশাপাশি চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে অন্যান্য ট্রেনে খাদ্য সরবরাহকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে রেলের চুক্তি নবায়ন করা হবে না বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

মারা গেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা। ৬০ বছর বয়সে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি।
আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমগুলো বলছে, হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। সম্প্রতি বেশকিছু রোগে ভুগছিলেন তিনি।

গত মাসেও মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরেন তিনি। সেবার তার সার্জারি সাকসেসফুল হয়েছিল। তবে এবার আর ফিরতে পারেননি ফুটবল ঈশ্বরখ্যাত এই মহাতারকা।

বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবগুলো মাতিয়েছেন ম্যারাডোনা। ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করে তুলেছিলেন তিনি। তবে সব ছাপিয়ে, ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে একক নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ জেতানোর জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার।