এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ লাখ টাকা জরিমানা, ডিএনসিসি

এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ লাখ টাকা জরিমানা, ডিএনসিসি

 

আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন:১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

 

‘এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৮টি মামলায় ১লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও ফুটপাতে নির্মাণ সামগ্রী রেখে জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

এছাড়াও একটি দোকানে ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।’

আজ রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ডিএনসিসির বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

অঞ্চল ৬ এর আওতাধীন ৫১ নং ওয়ার্ড এর সেক্টর ১৪ এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

২টি নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২টি মামলায় ১,০০,০০০/ (এক লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অঞ্চল-১ এর আওতাধীন ১নং ওয়ার্ডের উত্তরা সেক্টর নং১,৩ ও ৫ এবং ওয়ার্ড ১৭ এর খিলক্ষেত উত্তর ও দক্ষিণ পাশের এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জুলকার নায়ন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে বাসা বাড়ী ও নির্মানাধীন ভবনে, ফাঁকা প্লটে মশক বিরোধী অভিযান ও সমন্বিতভাবে এডিশ বিরোধী অভিযানে ৪টি স্থানে এডিশ মশার লার্ভা পাওয়ায় দণ্ডবিধি আইন ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারার ৪টি মামলায় ৭৫,০০০/- টাকা এবং ফুটপাতের উপর ইট রাখায় স্থানীয় সরকার সিটি কর্পোরেশন আইন ২০০৯ইং এর ৫ম তফসিলের ৭ ধারায় ১টি মামলায় ২০,০০০/ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় । ৩টি নিয়মিত মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

অঞ্চল ২ এর আওতাধীন ৭নং ওয়ার্ড মিরপুর এলাকায় অভিযানকালে নির্মানাধীন ভবন ও বিল্ডিং এ এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২টি মামলায় ২০,০০০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়াউর রহমান এই অভিযান পরিচালনা করেন।

এছাড়াও অঞ্চল-০৪ এর আওতাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থিত মাজার রোড, ২য় কলোনী এলাকায় প্রায় ২৫টি ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাট পরিদর্শণ করা হয়েছে। কোন লার্ভা পাওয়া যায় নাই। জনগনকে সচেতন করা হয়েছে।

একটি দোকানে ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন না থাকায়, স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ এর ৯২(৩) ধারায় ১টি মামলায় ২,০০০/- টাকা জরিমানাসহ এবং প্রায় ৫০০ মিটার রাস্তা ও ফুটপাথ দখল মুক্ত করা হয়েছে। জনগনকে সচেতন করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস জনিত রোগ (কভিড-১৯) এর বিস্তার রোধকল্পে জনসাধারণ কে সতর্ক করা সহ প্রায় ৫০টি মাক্স বিতরণ করা হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.