জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

‍‍‍জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

 

আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন ঢাকা ০৬ আগস্ট, ২০২২ 

 

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সহয়োগিতার মাধ্যমে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি জাপানের সহায়তায় যেসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প, মেঘনা-গোমতী সেতু নির্মাণ ও কাচপুর ব্রিজ নির্মাণ ইত্যাদি। সূর্যোদয়ের দেশ, শান্তির দেশ, হার না মানা জাতি জাপান সবসময় আমাদের কাছে থেকেছে, পাশে থেকেছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা ভবনের এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে ‘হিরোশিমা দিবস’ উপলক্ষ্যে নাট্য সংগঠন স্বপ্নদল আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, যুদ্ধ মানেই মৃত্যু মৃত্যু খেলা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষপ্রান্তে এসে সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জাপানের হিরোশিমা (০৬ আগস্ট) ও নাগাসাকি (০৯ আগস্ট) শহরে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ ছিল বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড। আণবিক বোমা নিক্ষেপের ফলে তাৎক্ষণিক ভাবে হিরোশিমা শহরে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। পরবর্তীতে পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তাজনিত প্রভাবে ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে আরো কয়েক হাজার মানুষ।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা উল্লেখ করে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।প্রতিদিন জ্বালানি খাতে ৯৫ কোটি টাকা করে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এভাবে ভর্তুকি দিলে রাষ্ট্র তার সক্ষমতা হারাবে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হবে। সেজন্য রাষ্ট্র বাধ্য হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বা সমন্বয় করার। প্রতিমন্ত্রী এসময় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসলে বাংলাদেশেও এটি কমানো বা সমন্বয় করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. রশীদ হারুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি (H.E. Mr. Naoki ITO) ও জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ (অনলাইনে)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বপ্নদলের প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সেক্রেটারি জাহিদ রিপন।

দুই পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ছিল হিরোশিমা-নাগাসাকি ট্র্যাজেডি ভিত্তিক যুদ্ধবিরোধী পোস্টার ও আলোকচিত্র এবং শিল্পকর্ম ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী। দ্বিতীয় পর্বে যুদ্ধবিরোধী আলোচনা ও স্বপ্নদলের হিরোশিমা-নাগাসাকি ট্র্যাজেডি ভিত্তিক যুদ্ধবিরোধী পরীক্ষাগার থিয়েটার প্রযোজনা ‘ত্রিংশ শতাব্দী’ পরিবেশিত হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.