নুরুল ইসলামের দেশ পরিচালনা করার প্রতিভা ছিল: সালমা ইসলাম এমপি

নুরুল ইসলামের দেশ পরিচালনা করার প্রতিভা ছিল: সালমা ইসলাম এমপি

সিটিজিট্রিবিউন: যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, দৈনিক যুগান্তরের স্বপদ্রষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার জোহরের নামাজের পর দৈনিক যুগান্তর কার্যালয়ে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে বক্তারা শিল্পোদ্যোক্তা নুরুল ইসলামের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন। তার স্মৃতি রোমন্থন করেন বক্তারা।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি।

যমুনা গ্রুপের পরিচালক মনিকা ইসলাম ও রোজালিন ইসলাম এতে উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম, যুগান্তরের উপসম্পাদক আহমেদ দীপু ও বিএম জাহাঙ্গীর, প্রধান বার্তা সম্পাদক আবদুর রহমান, যমুনা টেলিভিশনের উপপ্রধান তৌহিদুর রহমান দোয়া মাহফিলে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন।

দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগান্তরের বার্তা সম্পাদক হোসেন শহীদ মজনু, বিজ্ঞাপন বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার আবুল খায়ের চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগান্তরের প্রধান প্রতিবেদক মাসুদ করিম। আলোচনা শেষে দোয়া মোনাজাত করেন যমুনা ফিউচার পার্ক জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা শরিফুল ইসলাম।

এর আগে দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে নুরুল ইসলামের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পরে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সেখানে দোয়া করা হয়। সেখানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা আবদুল মালেক।

দৈনিক যুগান্তর পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুগান্তরের উপসম্পাদক বিএম জাহাঙ্গীর ও আহমেদ দীপু, প্রধান বার্তা সম্পাদক আবদুর রহমান, বার্তা সম্পাদক হোসেন শহীদ মজনু, প্রধান প্রতিবেদক মাসুদ করিম, প্রেস বিভাগের ম্যানেজার নাজমুল আনাম খান, সার্কুলেশন বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আবুল হাসান প্রমুখ।

এর আগে যমুনা টেলিভিশন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলামের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

প্রসঙ্গত ২০২০ সালের ১৩ জুলাই রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম।প্রতিবেদন:কেইউকে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.