Home চট্টগ্রাম কুরবানী দাতাগণকে সুরক্ষা সামগ্রী সহকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আযহা পালনের আহ্বান।নারী...

কুরবানী দাতাগণকে সুরক্ষা সামগ্রী সহকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আযহা পালনের আহ্বান।নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম

0 0

কুরবানী দাতাগণকে সুরক্ষা সামগ্রী সহকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আযহা পালনের আহ্বান।নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম

 

আয়াজ সানি :সিটিজি ট্রিবিউন চট্টগ্রাম;

যৌথ বাণীতে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দ কুরবানী দাতাগণকে সুরক্ষা সামগ্রী সহকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আযহা পালনের আহ্বান আগামী বুধবার ২১ জুলাই , ২০২১ পবিত্র ঈদুল আযহা । উৎসবের সাথে ঈদ উদযাপিত হবে । সর্বোচ্চ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য , যথাযােগ্য মর্যাদা , বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ত্যাগের মহিমায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আনন্দ উৎসব পালন করবে ।

ঈদের দিন দেশের সকল মুসলমান বিনম্র হৃদয়ে ঈদুল আযহার নামায আদায় করবেন এবং নামায শেষে মহান রবের উদ্দেশ্যে পশু কুরবানি দিবেন । পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে একযৌথ বাণী দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম নেতৃবৃন্দ । অদৃশ্য মহামারী করােনা ভাইরাস থেকে সবাইকে মহান আল্লাহ রাব্বল আলামিন হেফাজত করুক এবং পাশাপাশি কুরবানী দাতাগণকে সুরক্ষা সামগ্রী সহকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আযহা পালনের আহ্বান ।

চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইতােমধ্যে ঈদুল আযহার সকল প্রস্তুতি চলছে । আল্লাহর জন্য নিজের জান – মাল ও প্রিয়তম জিনিস সন্তুষ্টচিত্তে বিলিয়ে দেয়ার এক সুমহান শিক্ষা নিয়ে প্রতি বছর ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ফিরে আসে । ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী কুরবানি করা ওয়াজিব । আল কুরআনের সূরা কাউসারে বলা হয়েছে , “ অতএব তােমার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড় এবং কুরবানি কর । ” সূরা হজ্বে বলা হয়েছে , “ কুরবানি করার পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা ।

” কুরবানির ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন । সৃষ্টির প্রথম মানব হযরত আদম ( আ . ) এর দু’পুত্র হাবিল ও কাবিল সর্বপ্রথম কুরবানি করেন । এ প্রসঙ্গে সূরা মায়েদায় ২৭ নম্বর আয়াতে উল্লেখ রয়েছে , “ আপনি তাদেরকে আদমের দু’পুত্রের বাস্তব অবস্থা পড়ে শােনান । যখন তারা উভয়েই কিছু কুরবানি করেছিল তখন তাদের একজনের কুরবানি কবুল হয়েছিল এবং অপরজনেরটি হয়নি । ” কুরবানি মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম ( আ . ) – এর সুন্নাহ ।

আল্লাহ তাঁর কুদরতী পরিকল্পনায় ইব্রাহীমকে ( আ . ) তাঁর শেষ বয়সে প্রিয়তম পুত্র ইসমাঈলকে ( আ . ) কুরবানি করার নির্দেশ দেন । হযরত ইব্রাহীম ( আ . ) ৮৫ বছর বয়সে হযরত ইসমাইলকে ( আ . ) পান । এ অবস্থায় ছেলেকে কুরবানি দেয়া এক কঠিন পরীক্ষা । কিন্তু তিনি তাঁর মহান রবের হুকুমে নত হলেন । নিস্পাপ পুত্র ইসমাঈল ( আ . ) ও নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন ।

একপর্যায়ে পিতা তাঁর পুত্রকে জবাই করতে যখন উদ্যত ঠিক তখনই মহান আল্লাহর কাছে ঈমানের কঠিন পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হলেন । চোখ বাঁধা অবস্থায় তিনি জবাই করেন । চোখ খুলে দেখেন তাঁর প্রিয় পুত্র অক্ষত রয়েছে আর কুরবানি হয়েছে একটি চতুস্পদী দুম্বা । আল কুরআনে এই মহিমান্বিত ত্যাগের ঘটনার বর্ণনায় বলা হয়েছে , “ অতঃপর সে ( ইসমাঈল ) যখন পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে উপনীত হলাে তখন ইব্রাহীম ( আ . ) তাকে বললেন , হে বৎস ! আমি স্বপ্ন দেখেছি তােমাকে জবাই করছি । এখন তােমার অভিমত কি ? সে বললাে , হে পিতা , আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে তাই করুন ।

আল্লাহ চাইলে আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন । যখন পিতা – পুত্র উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করলাে এবং ইব্রাহীম ( আ . ) তাকে জবাই করার জন্য শায়িত করলেন তখন আমি তাকে ডেকে বললাম , হে ইব্রাহীম তুমি তাে স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে । আমি এভাবেই সকর্মীদের প্রতিদান দিয়ে থাকি । নিশ্চয়ই এটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা । আমি তার পরিবর্তে জবাই করার জন্য দিলাম এক মহান জন্তু । ” হযরত ইব্রাহীম ( আ . ) এর অনুপম ত্যাগের অনুসরণে হাজার হাজার বছর ধরে বিশ্ব মুসলমানরা কুরবানি করে আসছে ।

তাঁরই নিদর্শন স্বরূপ প্রতি বছর হজ পালনকারীরা কুরবানি দিয়ে থাকেন । শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয় , কুরবানির পূর্বশর্ত আল্লাহভীতি ও একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আকাঙ্খা । হাদীস শরীফে আছে , মানুষের আমলের প্রতিফল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল । সূরা হজ্বে বলা হয়েছে , “ এগুলাের গােশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না , কিন্তু তােমাদের তাকওয়া পৌঁছে যায় ।

প্রত্যেক আর্থিক সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব । রাসূল ( সা . ) বলেছেন , “ যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকার পরও কুরবানি দিলাে না , সে যেন আমার ঈদগাহে না আসে । ” ( মুসনাদে আহমদ ) জিলহজ্ব মাসের ১০ , ১১ ও ১২ তারিখের যে কোন একদিন কুরবানি করা যায় । গরু , মহিষ , উট , ছাগল , ভেড়া , দুম্বা এ শ্রেণীর প্রাণী দ্বারা কুরবানি করা যায় । কুরবানিকৃত পশুর ৩ ভাগের ১ ভাগ গরীব – মিসকিন , একভাগ আত্মীয় – স্বজনের মধ্যে বিলিয়ে দিতে হয় ।

আবার পুরােটাই বিলিয়ে দেয়া যায় । এদিকে ৯ জিলহজ্ব ফজর নামাযের পর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর তাকবীরে তালবিয়া পাঠ করা ওয়াজিব । তালবিয়াহ হলাে , “ আল্লাহু আকবার , আল্লাহু আকবার , ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার , আল্লাহু আকবার , ওয়ালিল্লাহিল হামদ । ”

বিবৃতিদাতাগণ নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক , সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি , সদস্য সচিব ডা . বেলায়েত হােসেন ঢালী , যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ এম . মনজুর চৌধুরী , জসিম উদ্দীন চৌধুরী , সালাউদ্দীন আলী , মাহবুব রানা , ডা . শেখ মুজিবুর রহমান , ডা . কাজী মাহাবুব আলম , আরজু শাহাবুদ্দীন , এডভােকেট রুনা কাশেম , লায়ন অহিদুল ইসলাম শিকদার , আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পী , ডা . ফেরদৌস আরা সালমা ,

এডভােকেট শেখ তাপসী তহুরা , এডভােকেট আয়েশা আক্তার সানজি , ডা . রাসেল ফরিদ চৌধুরী , ডা . রিফাত আক্তার , ফারহানা জসিম , ডা . রানা চৌধুরী , ডা . মিনহাজ উল আলম , এডভােকেট আসমা খানম , এডভােকেট বিলকিস আক্তার মিতু , ডা . ইমরান হােসেন , এডভােকেট তৌহিদুল ইসলাম , তাসলিমা আহমেদ লীমা , মাে . জানে আলম , নাসিমা আলম , আতাউর রহমান রুবেল , ( দাপ্তরিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ) সদস্য সাজ্জাদ হােসেন খান ,

ডা . ওমর ফারুক পারভেজ , ডা . মঈন উদ্দীন মঈন , জোহরা বেগম , এডভােকেট শাহাদাত হােসেন , এডভােকেট মঞ্জুর হােসেন , ডা . মেহেদী হাসান , ( প্রচার ও প্রকাশনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ) সদস্য মঈনুদ্দীন খান রাজীব , এম.জি কিবরিয়া , আরশে আজিম আরিফ , পারভীন চৌধুরী , রােকসানা মাধু , নাছরিন বাপ্পী , শামসুর নাহার , শরমিন শিমু , কামরুন নাহার লিজা , ঝুমা আকতার , ফাতেমা কাজল ,

শহীদুল্লাহ আলম রনি , জিন্নাতুল নেছা জিনু , মাহাবুব খালেদ , রিপন মাহমুদ , সাংবাদিক এফ.এফ রুমী , আহমেদুল ইসলাম সাদ প্রমুখ

NO COMMENTS

Leave a Reply