Home চট্টগ্রাম ওভাই কদুয়া অইয়ে?

ওভাই কদুয়া অইয়ে?

0 0

 

ওভাই কদুয়া অইয়ে?

:কামাল উদ্দিন খোকন :

সিটিজিট্রিবিউন:  কোরবান নিয়ে কোতুহলের যেন কোন শেষ নেই । বড়দের চেয়ে পরিবারের ছোটদের মাঝে উৎসাহ একটাই কখন গরু বা ছাগল কিনবে । পরিবারেরর মুরব্বীরা তাদের বোজানোর চেষ্টা করে রাখার ঝামেলা আছে তাই একদিন আগে কিনবে । ছোট ছেলেমেয়েরা এসব মানতে নারাজ রাখারতো জায়গা আছে একদিন  বা এর আগে,  কিনলে ক্ষতি কি? সবচেয়ে বড়কথা হলো গরু কেনার চেয়ে গরু কিনে আনার পথে যে বিড়ন্বানা সইতে হয় তা বলার আর উপেক্ষা রাখেনা প্রতি দুই কদম যেতে না যেতেই সবার একই প্রশ্ন ওবা কদুয়া অইয়ে ?? আর এই বলার গিছনে আনন্দের একটা তৃপ্তি  আছে কোরবানের গরু যে কিনতে যাবে সে একটু যাচাই করবে এই গরুটা এতা হলে আমি কিনতে গেলে এটার দাম কতো বলবো । এর মানে হচ্চে একটা ধারনা নেয়া এটা সবার বেলায়ই প্রযোজ্য । এই দাম বলতে বলতে এক সময় গরু রশি ধরে কিনে নিয়ে যা্ওয়া বা্যক্তি অনেক সময় হাফিয়ে উঠে । এমন্ও দেখা গেছে অনেকে গরুর গায়ে সাদা কাগজ দিয়ে লিখে রাখতো মুল্য এতো টাকা । এখন অবশ্য যুগের পরিবর্তন হয়েছে মানুষ ট্রাকে করে গরু আনা নেয়া করে ।এটার  মাজে অনেক প্রশ্ন গরুকেতো ট্রাকের ভিতরে লুকিয়ে রাখা সন্ভব নয়। এর মাঝে চলে প্রশ্ন কদুয়া হইয়ে । এবার বাজার ঘুরে দেখা গেছে বাজারে প্রচুর গরু এছাড়া্ উত্তরাঞ্জল থেকে প্রচুর গরু এখনো আসার পথে।

নগরের কয়েকজন ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকার লকডাউন শিথিল করার পর থেকেই বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে কিন্তু বাড়েনি বেচাকেনা। বিভিন্ন স্থান থেকে গরু আসাও শুরু হয়েছে। গণপরিবহণের চাপ বাড়ায় সড়কে ব্যাপক যানজটে পড়তে হচ্ছে গরুবাহী ট্রাকগুলোতে। এতে ভোগান্তিতে অনেক গরু অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) নগরের বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলার বেপারি ও খামারিরা কয়েক সপ্তাহ আগেই বাজারে গরু নিয়ে এসেছেন। গরুর বাজারে বেপারিরা গরুর খাবারের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এছাড়াও সচেতনতার জন্য করা হচ্ছে মাইকিং। রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, কুষ্টিয়াসহ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আনা হয়েছে প্রচুর গরু। এবারও গরুবাহী ট্রাক নিয়ে আসছেন বেপারিরা। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেপারি ও খামারিরা গরুর সংখ্যা বাড়াবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকতা ডা. মো. রেয়াজুল হক বলেন, নগরের পশুর হাটগুলোতে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু আসা শুরু করেছে। বেচাকেনাও বাড়ছে। এখন যে হারে গরু বিক্রি হচ্ছে, তাতে আশাকরি প্রায় সব গরু বিক্রি হয়ে যাবে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে সেজন্য ইজারাদার মাইকিং করবে। ক্রেতাদের প্রতি পরামর্শ হলগরু কিনতে অতিরিক্ত লোক আনার দরকার নেই। যত দ্রুত সম্ভব গরু কিনে বাজার ত্যাগ করা উচিত। #

NO COMMENTS

Leave a Reply