Home বিনোদন পাসপোর্ট অফিসে শ্রীলেখা, দেশ ছাড়ছেন অভিনেত্রী?

পাসপোর্ট অফিসে শ্রীলেখা, দেশ ছাড়ছেন অভিনেত্রী?

0 0

পাসপোর্ট অফিসে শ্রীলেখা, দেশ ছাড়ছেন অভিনেত্রী?

 

সিটিজিট্রিবিউন: আনন্দবাজার অনলাইনকে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পথে অনুরাগীদের সঙ্গে কথোপকথন সারছিলেন তিনি।

মাত্র একটি শর্ত মানলেই শ্রীলেখা স্বয়ং তাঁর অনুরাগীকে কফি ডেটে নিয়ে যাবেন, কথা দিয়েছেন। কী সেই শর্ত? অভিনেত্রী নিজের ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন, তাঁকে ভালবাসলে পথপশুদের দেখভাল করতে হবে। নিয়মিত যত্ন নিতে হবে পথের অসহায় কুকুর, বিড়ালদের। অর্থাৎ, আক্ষরিক অর্থে পশুপ্রেমী হতে হবে তাঁর অনুরাগীকে। তা হলেই শ্রীলেখা তাঁকে ডেটে নিয়ে যাবেন! প্রমাণ হিসেবে অনুরাগীকে পথপশুদের যত্ন নেওয়ার ছবিও ভাগ করে নিতে হবে নেটমাধ্যমে।

এই একটি ঘোষণা করেই বুধবারের সকাল মাতিয়ে দিলেন অভিনেত্রী। চোখে বড় মাপের জলপাইরঙা রোদচশমা। যার লাল কাচে ঢাকা শ্রীলেখার চোখ। কিছু দিন ধরেই শ্রীলেখা অনুরাগীদের সঙ্গে মজার খেলায় মেতেছেন। ঠিক করেছেন, নিয়মিত কিছু বাছাই করা প্রশ্নের উত্তর দেবেন তিনি। সেই মতোই সঞ্জীব নামের এক অনুরাগী অভিনেত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কী করে তিনি শ্রীলেখাকে তাঁর ভালবাসার কথা জানাবেন? তারই উত্তরে সঞ্জীবকে আগে বলা শর্ত জানান অভিনেত্রী। শ্রীলেখার দাবি, সঞ্জীব প্রকৃত অনুরাগী হলে তাঁর অনুরোধ রাখবেন। তিনিও কিছুটা সময় কাটাবেন সঞ্জীবের সঙ্গে।হঠাৎ এমন দাবি? অভিনেত্রীর সাফ জবাব, ‘‘পথপশুদের কেউ দায়িত্ব নিতে চান না। অবহেলা করেন। আমি ওদের কষ্ট দেখতে পারি না। প্রতিবেশিদের সঙ্গে এই নিয়ে নিত্য অশান্তি। মামলা চলছে। ওরা যাতে নিরাশ্রয় না থাকে তার জন্যই আমার এই পদক্ষেপ। আমায় ‘ভালবাসি’ বলার আগে ওদের ভালবাসতে হবে’’। পাশাপাশি, পাসপোর্ট অফিসের ছবি দিয়েও রসিকতা করেছেন শ্রীলেখা। ছবি সম্বন্ধে তাঁর মত, ‘পাসপোর্ট অফিসে। পুনর্নবীকরণ করাচ্ছি। কখন যে ভালর জন্য পালিয়ে যেতে হবে তা জানি না…!’ চূড়ান্ত রোম্যান্টিক মুহূর্তে হঠাৎ পালিয়ে যাওয়ার কথাই বা ভাবছেন কেন অভিনেত্রী? হাল্কা চালে জবাব শ্রীলেখার, ‘‘বাবা আমার পিছু টান। মেয়ে মাইয়্যাও এ দেশে থাকতে চায় না। আমার কোনও পিছু টানও নেই। দেশের পরিস্থিতি যা হচ্ছে যে কোনও দিন হয়তো পাততাড়ি গুটিয়ে পালিয়ে যেতে পারি বিদেশে।’’ সেখানে গিয়ে কোন ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে? অভিনেত্রীর ঝটিতি জবাব, তাঁর ভীষণ ইচ্ছে ফুচকা বিক্রি করার!

প্রতিবেদন:কেইউকে

NO COMMENTS

Leave a Reply