Home জাতীয় ১৪ জুলাই ২০২১ তারিখ মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই ২০২১ তারিখ সকাল ০৬.০০টা...

১৪ জুলাই ২০২১ তারিখ মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই ২০২১ তারিখ সকাল ০৬.০০টা পর্যন্ত সকল বিধি – নিষেধ শিথিল করা হলাে

১৪ জুলাই ২০২১ তারিখ মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই ২০২১ তারিখ সকাল ০৬.০০টা পর্যন্ত সকল বিধি – নিষেধ শিথিল করা হলাে

আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন:

কোভিড -১৯ -এর বিস্তার রােধকল্পে সার্বিক কার্যাবলি চলাচলে বিধি – নিষেধ আরােপ ,মন্ত্রিপরিষদ।

করােনাভাইরাসজনিত রােগ ( কোভিড -১৯ ) -এর বিস্তার রােধকল্পে সার্বিক কার্যাবলি চলাচলে বিধি – নিষেধ আরােপ ।

পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন , জনসাধারণের যাতায়াত ,

ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা – বাণিজ্য পরিচালনা , দেশের আর্থ – সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আগামী ১৪ জুলাই ২০২১ তারিখ মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই ২০২১ তারিখ সকাল ০৬.০০ ঘটিকা পর্যন্ত সূত্রস্থ স্মারকদয়ে আরােপিত সকল বিধি – নিষেধ শিথিল করা হলাে ।

তবে , এ সময়ে সর্বাবস্থায় জনসাধারণকে সতর্কাবস্থায় থাকা এবং মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে । ০২ । করােনাভাইরাসজনিত রােগ ( কোভিড -১৯ ) সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিমােক্ত শর্তাবলি সংযুক্ত করে ২৩ জুলাই ২১ তারিখ সকাল ০৬.০০ ঘটিকা হতে ৫ আগস্ট ২০১১ তারিখ দিবাগত রাত ১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত নিমােক্ত বিধি – নিষেধ ।

আরোপ করা হলাে : ২১ ২.২ ২৩ ২,৪ ২.৫ ২.৬ সকল সরকারি , আধাসরকারি , স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে । সড়ক , রেল ও নৌ – পথে গণপরিবহন ( অভ্যন্তরীণ বিমানসহ ) ও সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে শপিংমল / মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে সকল পর্যটন কেন্দ্র ,

রিসাের্ট , কমিউনিটি সেন্টার ও বিনােদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে ; সকল প্রকার শিল্প – কলকারখানা বন্ধ থাকবে ; জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক বিবাহােত্তর অনুষ্ঠান ( ওয়ালিমা ) , জন্মদিন , পিকনিক , পার্টি ইত্যাদি ) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার – অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে ; বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা জারি করবে ; ব্যাংকিং / বীমা / আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক / আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা জারি করবে ; সরকারি কর্মচারীগণ নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজসমূহ ভাচুয়ালি

২.১০ আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা , যেমন – কৃষি পণ্য ও উপকরণ ( সার , বীজ , কীটনাশক , কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ) , খাদ্যশসা ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ / বিক্রয় , ত্রাণ বিতরণ , স্বাস্থ্য সেবা , কোভিড -১৯ টিকা প্রদান , জাতীয় পৱিচয় পত্র ( এন আই ডি ) প্রদান কার্যক্রম , রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি , বিদ্যুৎ , পানি , গ্যাসজ্বালানি , ফায়ার সার্ভিস , টেলিফোন ও ইন্টারনেট ( সরকারি – বেসরকারি ) ,

গণমাধ্যম ( প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ) , বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা , ডাক সেবা , ব্যাংক , ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম , সিটি কর্পোরেশন / পৌরসভা ( পরিষ্কার – পরিচ্ছন্নতা , সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম ) , সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি , ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি / অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে ;

২.১৯ বিভাগীয় , জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খােলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে ; ২.১২ জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়ােজিত ট্রাকলরি / কাভার্ড ভ্যান / নৌযান / পণ্যবাহী রেল / ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে ; ২.১৩ বন্দরসমূহ ( বিমান , সমুদ্র , নৌ ও স্থল ) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে ;

২.১৪ কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯ : ০০ টা থেকে বিকাল ৩ : ০০ টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয় , বিক্রয় করা যাবে । সংশ্লিষ্ট বানিজ্য সংগঠন / বাজার কর্তৃপক্ষ / স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে ;

২.১৫ অতি জরুরি প্রয়ােজন ব্যতীত ( ঔষধ ও নিত্য প্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় , চিকিৎসা সেবা , মৃতদেহ দাফন / সৎকার ইত্যাদি ) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না । নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ;

২.১৬ টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে । ২.১৭ খাবারের দোকান , হােটেল – রেস্তোরাঁ সকাল ০৮.০০ টা থেকে রাত ০৮.০০ টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় ( Online / Takeaway ) করতে পারবে ;

২.১৮ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীগণ তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেটামাণিক প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবেন ; ২.১৯ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করবে ;

২.২০ ‘ আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মােতায়েন করবে । জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সাথে যােগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন ;

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী , বিজিবি / কোস্টগার্ড , পুলিশ , র্যাব ও আনসার নিয়ােগ ও টহলের অধিক্ষেত্র ,

পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন । সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনাে কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন ।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় / বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে ; ২.২২ জনপ্রশাসন মন্ত্রণাল্যা মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ােগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে এবং ২.২৩ সংক্রামক রোগ প্রতিরােধ , নিয়ন্ত্রণ ও নির্মল ) আইন ,

২০১৮ এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন ।

০৩ । এমতাবস্থায় , উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে ।

NO COMMENTS

Leave a Reply