Home চট্টগ্রাম মুজিব বর্ষে একটি এলাকায়ও পানি ছাড়া থাকবেনা : ফজুল্লাহ ব্যাবস্তাপনা পরিচালক চট্টগ্রাম...

মুজিব বর্ষে একটি এলাকায়ও পানি ছাড়া থাকবেনা : ফজুল্লাহ ব্যাবস্তাপনা পরিচালক চট্টগ্রাম ওয়াসা, ভিডিও সংযুক্ত

0 0

মুজিব বর্ষে একটি এলাকায়ও পানি ছাড়া থাকবেনা : ফজুল্লাহ ব্যাবস্তাপনা পরিচালক চট্টগ্রাম ওয়াসা, ভিডিও সংযুক্ত

সিটিজি ট্রিবিউন:করোনা শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্ব কাপানো একটি মহামারি ।যা এখন ভয়ংকর  রুপ নিয়েছে এই পরিস্তিতি সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে সারা বিশ্ব বাংলাদেশও  এর থেকে পিছিয়ে নেই । এই করোনা কালে যারা নিরলস পরিশ্রম করে জনগনের সেবা করে যাচ্ছেন তিনি হলেন দীর্ঘ তিন মেয়াদে নির্বাচিত ওয়াসার ব্যবস্তাপনা পরিচালক  জনাব এ কেএম ফজুল্লাহ।

আমারা আজ মংগলবার  দুপুরে  তার অফিসে গিয়েছিলাম তার সাক্ষাৎকার নিতে  সিটিজিট্রিবিউন পরিবারের পক্ষ থেকে শতব্যাস্ততার মাঝে আমাদেরকে তিনি সময় দিয়েছেন ।

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সিটিজিট্রিবিউনের পরিচালক ও বার্তা সম্পাদক কামাল উদ্দিন খোকন ও নির্বাহী সম্পাদক আয়াজ আহম্মেদ সানি নিন্মে তা তুলে ধরা হলো:

সিটিজিট্রিবিউন: চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিষ্ঠান নানা ধরনের সমস্যা ছিলো । এক সময় এমন দেখা গেছে কলসি নিয়ে মানুষেরা পানির জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে পানি নিতে হতো। আবার অনেক সময় দেখা গেছে কলসি ও ঝাড়ু নিয়ে ওয়াসা অফিস ঘেরা্ও করেছে। আপনি দায়িত্ব নেয়ার পর এসব সমস্যা কিভাবে সমাধান করলেন ?

ফজুল্লাহ:আমি ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়ে গেছি চট্টগ্রাম বাসীর পানির সমস্যা সমাধানের জন্য এ জন্য আমরা কৌশল গত কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করি । দেশী বিদেশী সংস্তার পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমান পানি উৎপাদন ৩৫ কোটি থেকে ৫৪কোটি লিটারে উন্নিত করি চট্টগ্রাম ওয়াসাকে গ্রাহক বান্ধব করা ।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বাসীর পানি চাহিদা ছিলো ৩৭ কোটি লিটার আর আমরা সরবরাহ দিতে পারতাম ১৯কোটি লিটার ।সাত বছরে জনসংখ্যা বেগে যাওয়ার কারনে ২০১৭ এর চাহিদা বাড়ে ৪০ কোটি লিটারে আর আমরা সরবরাহ দিতে পারতাম ৩০ কোটি লিটার । ১৯ সালে এর চাহিদা বাড়ে ৪২ কোটি লিটার, আমরা সরবরাহ দিতে পারতাম ৩৬ কোটি লিটার তার মানে পানির  ঘাটতি থেকেই যেতো।এই সমস্যা সমাধানে আমরা ২০০৯ সালে মোহরা ও কালুরঘাট পানি শোধনাগার প্রকল্প গ্রহন করি ।

এবং জুন ২০১২ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয় । বিগত ১০ বছরে আমরা বাস্তবায়িত ও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প সমুহের কথা তুলে ধরেছি । ১৮৪৮ কোটি টাকা অর্থায়নে জাইকার সমন্ময়ে দৈনিক ১৪ কোটি লিটার পানির সক্ষমতা বৃদ্বি করি ।এর পর শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার প্রকল্প ১ও২ এবং শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহ শুরু হয় । যা বর্তমানে চলমান আছে ।

এবং এরপর আমরা চিন্তা করি যেহেতু নদীর ওপারে অনেক শিল্প কারথানা আছে সে গুলাকে যদি ওয়াসার পানির আবওতায় আনা যায় তারা উপকৃত হবে সেজন্য গ্রহন করা হয় ভান্ডার ঝুড়ি প্রকল্প যার অর্থ ধরাহয় ১০৩৬ কোটি টাকা।ওয়াসার পানিতে যেহেতু নদনদী থেকে ফেলা বর্জ পড়ে পানি দূষিত না হয় এবং জলবদ্বতা না  থাকে জন্য গ্রহন করা হয় সুইচঅরেজ প্রকল্প যা পুরোটাই সরকার এর টাকায় বাস্তবায়িত হচ্ছে ।

এর জন্য আমরা তিনটি সংস্থা কে যুক্ত করেছি এর  প্রাথমিক কাজ চলছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এদের কাজ শেষ হলে ড্রেনেজ এর কাজ করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন । এর ফলে আগামীতে চট্টগ্রাম জলবদ্ধতা ,পানি দুষন থাকবেনা আমি আশা করছি আগামী ২০২২ সালের দিকে ওয়াসার পানি উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ কোটি লিটারে  উন্নিত হবে। যা চট্টগ্রাম বাসীর চাহিদার চেয়ে অনেক গুন বেশী হবে বলে আমি মনে করছি ।

সিটিজিট্রিবিউন::আপনি টানা তিনবারে মতো ওয়াসার ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন এর কারন কি ?

ফজুল্লাহ: আসলে এটাতো আমার একার কাজ না বোর্ড মেম্বাররা সভাকরে মতামত নিয়ে মন্ত্রনালয়ে পাঠায় তারা যাচাই বাচাই করে জনগনের মতামত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জানায় তিনিই সিদ্বান্ত দেন । তবে আমি জনগনের জন্য সেবা করতে পেরেছি বলে প্রধানমন্ত্রী আমাকে আবারো ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে মনোনিত করেছেন।

সিটিজিট্রিবিউন:এবার আপনার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে কিছু বলুন ?

ফজুল্লাহ: আসলে আমি পরিবার নিয়ে অনেক সুখী।

সিটিজিট্রিবিউন:: আপনি এতো কষ্ট করে আমাদের সিটিজি ট্রিবিউন কে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

ফজুল্লাহ:আমি আপনাদের এই সিটিজি ট্রিবিউন এই পোর্টলের সাফল্য কামনা করি আশা করি আপনারা সবসময় আমাদের পাশে থাকবেন ।

NO COMMENTS

Leave a Reply