Home চট্টগ্রাম হাজেরা – তজু স্কুল এন্ড কলেজ ও চিটাগাং কিন্ডার গার্টেনে হামলা –...

হাজেরা – তজু স্কুল এন্ড কলেজ ও চিটাগাং কিন্ডার গার্টেনে হামলা – ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নুশিস এর সংবাদ সম্মেলন

0 0

সিটিজি ট্রিবিউন :

হাজেরা – তজু স্কুল এন্ড কলেজ ও চিটাগাং কিন্ডার গার্টেনে হামলা – ভাংচুর এবং নুশিস সভাপতি জনাব মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে শাহেদুল ইসলাম গং ও চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মুস্তাফিজুর রহমান এর যােগসাজশে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে নুশিস।

আজ সংবাদ সম্মেলনে ভুক্ত ভোগীরা বলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ , সমাজ সংস্কারক , শিল্পপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম বি.এসসি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ৩৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন পরিচালনায় গঠিত নুরুল ইসলাম শিক্ষা সমন্বয় তথা নুশিস ‘ যেখানে বর্তমানে ১২০০ শিক্ষক কর্মচারী কর্মরত এবং প্রায় ১২০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রত্যেকটি স্কুল নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত । চান্দগাঁওয়ে প্রথম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তাঁকে অনেক বেগ পেতে হয়েছে । তিনি গত ২৪ / ০৩ / ২০২১ ইং তারিখে হাতিয়াখােলা সানােয়ারা ফার্ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৩৩ শতক জমি সরকারকে দান করেন ।

শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠাতা ও তাঁর পরিবারের অবদান দেশে সবর্জন স্বীকৃত ।নুশিস সভাপতি জনাব আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান একজন উদীয়মান শিল্পপতি ,বিশিষ্ট সমাজসেবক ,নুশিসের অগ্রনায়ক , বর্তমানে আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ – কমিটির অন্যতম সদস্য । তিনি চান্দগাঁও থানার প্রাণকেন্দ্রে গােলাম আলী নাজীর বাড়ী সড়ক সংলগ্ন মনােরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত হাজেরা – তজু স্কুল এন্ড কলেজ ও চিটাগাং কিন্ডার গার্টেন এর সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা ।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই ২ টি প্রতিষ্ঠানও নুশিসভূক্ত, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও কতিপয় দুষ্কৃতকারী ব্যক্তি সন্ত্রাসী শাহেদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে বিগত ১৯ / ০৪ / ২০২১ ইং তারিখ বেলা অনুমান ২.২০ ঘটিকায় দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ১৫/২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হাজেরা তজু স্কুল এন্ড কলেজের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে ।

অতঃপর স্কুলের ভেতরে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে হামলা করে অফিসকক্ষ , স্কুল ল্যাবসহ বিভিন্ন স্থাপনার ব্যাপক ভাংচুর করে ।এতে করে সেখানে রক্ষিত মূল্যবান জিনিসপত্র , আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণের বর্ণাতীত ক্ষতি সাধিত হয় ।নুশিস এর পক্ষ থেকে হামলাকারীদের এহেন জঘন্যতম কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে আপনাদের আন্তরিক সহযােগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয় :সন্ত্রাসী শাহেদুল ইসলাম একজন গরীব পরিবারের সন্তান।তার বাবা ছিল একজন রাজমিস্ত্রি এর জোগালি । স্কুলের ফি দিতে পারতােনা বিধায় আমাদের প্রতিষ্ঠাতা মহােদয় তাকে এবং তার পরিবারের অন্যান্য ভাই বােনদের ফ্রিতে নুশিসভূক্ত প্রতিষ্ঠান সানােয়ারা বালক উচ্চ বিদ্যালয় , নুরুল ইসলাম পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার সুযােগ করে দেন ।

নুশিসভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র হয়েও শাহেদুল ইসলাম , চান্দগাঁও থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ এর প্রত্যক্ষ সহযােগিতায় এই সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে যাচ্ছে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন ধরনে হুমকি ধমকি প্রদর্শন করছে ।

ইতিপূর্বে শাহেদুল ইসলাম এবং আব্দুল করিম কর্তৃক সংঘঠিত একটি ঘটনার ব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলে চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ তা গ্রহন করেন নি এবং উক্ত বিষয়ে একটি জিডি করতে গেলে অফিসার ইনচার্জ বেশ কয়েকবার উক্ত জিডিটি কাটাছেড়া করেন । এতে চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এর পক্ষপাতীত্বের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে ।

কেননা এহেন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠানে হামলার ব্যাপারে চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করে মামলা করতে গেলে তিনি মামলা নিতে গড়িমসি করেন এবং পরের দিন ২০/০৪/২০২১ ইং তারিখে ঘটনাটি কোনমতে মামলা হিসেবে গ্রহন করেন ।

অথচ সংঘবদ্ধ হামলাকারীরা চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এর যােগসাজোসে , একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মিথ্যা ও ভুল বুঝিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মতাে সাজানাে ও মিথ্যা মামলা দায়ের করেন । যা

গত ২৭ / ০৪ / ২০২১ ইং তারিখে মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহােদয়কে স্বারকলিপির মাধ্যমে জানিয়েছি । যে স্কুলে সন্ত্রাসীরা হামলা করে স্কুলের ক্ষতি সাধন করে সেই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কিভাবে চাঁদাবাজির মামলা হয় সেই প্রশ্ন আপনাদের কাছে রইল ? যে মিথ্যা মামলায় আমাদের নুশিস সভাপতি জনাব মুজিবুর রহমানকে ১ নাম্বার বিবাদী করা হয় অথচ তিনি সে সময় কোভিড আক্রান্ত হয়ে বাসায় কোয়ারােন্টিনে ছিলেন ।

এ মিথ্যা ও বানােয়াট মামলার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই । যে জমি নিয়ে বিরােধের সৃষ্টি হয়েছে উক্ত জমি স্কুলের জন্য আমরা ক্রয় করেছি । উক্ত জমি খতিয়ানভূক্ত করে সরকারি খাজনা পরিশােধে স্কুল & কলেজ কর্তৃপক্ষ ভােগ দখলে আছে। অথচ ঐ জমি শাহেদুল ইসলাম গংদের দাবি করে আদালতে তারা একটি মামলা দয়ের করেছে । চলমান মামলা থাকা অবস্থায় কিভাবে তারা বলতে পারে স্কুল কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের জমি দখল করেছে তা বােধগম্য নয় ।

যেহেতু বিষয়টি এখনাে আদালতে বিচারাধীন , রায় না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দখলবাজ বা চাঁদাবাজ বলা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ । এমনকি তারা বিগত ২৯ / ০৪ / ২০২১ ইং তারিখে আমরা যে জমি দখল করেছি বলে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাও মিথ্যা । এমনকি বৈঠকি ব্যবস্থায় বিষয়টি সমাধান করতে স্কুল কলেজ কর্তৃপক্ষ রাজি থাকলেও তারা সে বিষয়ে কর্ণপাত করেনি ।

স্কুল কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের শতাধিকবার বৈঠকে আমন্ত্রন জানালেও তারা তাদের হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে বৈঠকে না বসে । সুতরাং বিষয়টি জমি সংক্রান্ত নয় বরং রাজনৈতিকভাবে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা মহােদয় ও তার পরিবারকে হেয় পতিপন্ন করার অপচেষ্টা মাত্র ।

স্কুল কলেজ কর্তৃপক্ষ আশা করছেন ভবিষ্যতে এদের মুখােশ উন্মােচিত হবে ।

তাই এ বিষয়ে স্কুল কলেজ কর্তৃপক্ষ সকলের সার্বিক সহযােগিতা ও সহমর্মিতা কামনা করেন।

NO COMMENTS

Leave a Reply