Home সারাদেশ করোনা কালীন সময়ে কি খাবেন,পুষ্টিবিদ আফসানা আক্তার

করোনা কালীন সময়ে কি খাবেন,পুষ্টিবিদ আফসানা আক্তার

0 0

করোনা কালীন সময়ে কি খাবেন,পুষ্টিবিদ আফসানা আক্তার

 

বর্তমান করোনা মহামারী বাংলাদেশে নয় সারাবিশ্বে ভয়াভহ আকার ধারন করেছে তা রোধে করণীয় খাবার খাওয়া উচিৎ সে বষিয়ে জানার জন্য শুক্রবার সকালে সিটিজিট্রিবিউিনরে পক্ষ থেকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিশিস্টি পুষ্টিবিদ আফসানা আক্তাররে কাছে তিনি সি এস সি আর এ বসনে সিটি জিটিবিউিনরে পরচিালক ও র্বাতা সম্পাদক কামাল উদ্দনি খোকনকে জানালেন করোনা প্রতিরোধে কি খাওয়া উচিৎ।

: কভিাবে প্রতিরোধে করবেন কারোনাক?

বর্তমানের করোনার প্রকোপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। টিকা নেওয়ার পাশাপাশি আমাদেরকে ব্যকিÍগত সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকল বয়সি সকলকেই কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্ব্যস্থ সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সঠিকভাবে পালন করতে হবে।প্রত্যেকের শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে।

তাই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। প্রধান অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো বিটা ক্যারোটিন,ভিটামিন এ,সি,ই,লাইকোপেন,লুটেইন,

সেলেনিয়াম ইত্যাদি।অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার (যেমন পাকা আম,পেপে,কাঠাল,তরমুজ,পেয়ারা,বাঙ্গী,অমড়া,

করমোচা,বরই,আমলকি,লেবু,জম্বুরা,কমলালেবু,কাঁচা হলুদ ইত্যাদি),

ভিটামিন বি -৬,আয়রন,জিংক জাতীয় খাবার (যেমন-বাদাম,সামুদ্রিক মাছ,দুধ,বিচি জাতিয় খাবার ইত্যাদি), উচ্চমানের আমিষ জাতিয় খাবার (ডিম,মুরগীর মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে। আমরা জানি করোনা ভাইরাস সংক্রমনেশবাস এবং পরিপাকতন্ত্র সংক্রমিত হয়।খাদ্য তালিকায় টক দই রাখতে হবে যা প্রোবায়োটিকস

যন্ত্র ও পরিপাক তন্ত্রের ঝুকি প্রতিরোধ করে। তাছাড়া গ্রীন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের শরীরের জীবানুর বিরুদ্ধে যৌগ তৈরী করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে।

একজন ব্যক্তির বয়স,ওজন, উচ্চতা,কাজের ধরন এবং বাজারে খাদ্যের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে প্রতিদিনের খাবার নির্বাচন করতে হবে। সবসময় সুষম খদ্য নির্বাচন করে খাদ্য তালিকা তৈরী করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কর্বোহাইড্রেট, প্রোটিন,ফ্যাট,ভিটামিন,মিনারেল,ফাইবার সবকিছুরই সামঞ্জতা থাকতে হবে।পর্যপ্ত পরিমানে পানি ও পরিমিত ঘুমাতে হবে।

যে সব খাবার ভাইরাসের সংক্রমনে সহায়তা করতে পারে যেমন কার্বোনেটেড ড্রিংকস, অ্যালকোহল ,বিড়ি,সিগারেট,জর্দা,তামাক,খয়ের,সাদা পাতা,অতিরিক্ত ঠান্ড খাবার,আইসক্রীম,চিনি ও চিনির তৈরী খাবার ইত্যাদি খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। সর্বোপরি পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা যেমন মাস্ক পরিধান,সামাজিক দুরত্ব বজায় এবং বারবার হাত ধোয়া অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের অভ্যাস অব্যাহত রাখতে হবে।

বর্তমানে সারাবিশে^ কোভিড-১৯ একটি আতঙ্কের নাম। করোনার বর্তমানের করোনার প্রকোপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। করোনার আতঙ্ক মানুষকে মানষিকভাবে আরো বেশি দুর্বল করে দিচ্ছে। এখন অন্যতম সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মনের এই আতঙ্ক ঠেকানো।

টিকা নেওয়ার পাশাপাশি আমাদেরকে ব্যকিÍগত সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকল বয়সি সকলকেই কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্ব্যস্থ সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী সঠিকভাবে পালন করতে হবে।প্রত্যেকের শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে। আমরা প্রতিদিনই যে খাবারগুলো গ্রহণ করছি তা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পক্ষে আদৌ যথেষ্ট কি না বা কতটা কার্যকরী তা নিয়ে কি আমরা কখনো ভেবে দেখেছি? তাই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

প্রধান অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো বিটা ক্যারোটিন,ভিটামিন এ,সি,ই, লাইকোপেন,লুটেইন,সেলেনিয়াম ইত্যাদি।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন পাকআম,পেঁপে,কাঁঠাল,তরমুজ,পেয়ারা,বাঙ্গী,আমড়া,করমোচা,বরই,আমলকি, লেবু,জম্বুরা,কমলালেবু,কাঁচা হলুদ,সবুজ মরিচ, ইত্যাদি। বিশেষ করে বেগুনি,নীল, কমলা ও হলুদ রঙের শাক-সবজি বেশি করে খেতে হবে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খুব ভালো কাঝ পেতে হলে খাবার রান্নার সময় অতিরিক্ত তাপে বা অনেক সময় নিয়ে রান্না না করে পরিমিত তাপমাএায় রান্না করতে হবে। কিছু খাবার যেমন ফল, লেবু, সালাদ ইত্যাদি কাচাঁ অবস্থায় সরাসরি খাওয়া ভালো।সামগ্রিকভাবে উদ্ভিজ্জ খাবারই হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস।

এছাড়া ভিটামিন বি -৬,আয়রন ( পালং শাক, লাল শাক, কচু শাক, ব্রোকলি ইত্যাদি),জিংক জাতীয় খাবার (যেমন-বাদাম,সামুদ্রিক মাছ,দুধ,বিচি জাতীয় খাবার ইত্যাদি), উচ্চমানের আমিষ জাতিয় খাবার (ডিম,মুরগীর মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে।

আমরা জানি করোনা ভাইরাস সংক্রমনে শ^াসযন্ত্র এবং পরিপাকতন্ত্র সংক্রমিত হয়।খাদ্য তালিকায় টক দই রাখতে হবে যা প্রোবায়োটিকস,শ^াস যন্ত্র ও পরিপাক তন্ত্রের ঝুকি প্রতিরোধ করে। তাছাড়া গ্রীন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের শরীরের জীবানুর বিরুদ্ধে যৌগ তৈরী করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে।

যারা বড় কোনো অসুখে ভুগছেন তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম। যেমন- ড়ায়াবেটিক, হৃদরোগ, অ্যাজমা রোগীরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকির মধ্যে বেশি আছেন। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার রাখাটা খুব জরুরি।

আমাদের প্রতিদিনের ড়ায়েটে এন্টি-ভাইরাল খাবারগুলো অর্ন্তভুক্ত করা খুবই জরুরি। মৌসুমি সবজি, মাশরুম এবং আদাসহ চিকেন ক্লিয়ার স্যুপ, আদা, বøাক ও জিন্জার টি। একটি কাঁচা রসুন চিবিয়ে অথবা সূপরে সঙ্গে যোগ করে খেতে পারনে। রসুনে রয়েছে অ্যালাইসিন নামক প্রাকৃতিক উপাদান, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে।

তাছাড়াও ১ টেবিল চামচ রসুনকুঁচি+১ টেবিল চামচ মধু+১ টা লবঙ্গ+১ চা চামচ কাঁচা হলুদ একসঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ভেষজ যেমন- তুলসি, থানকুনি,মেথি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

একজন ব্যক্তির বয়স,ওজন, উচ্চতা,কাজের ধরন এবং বাজারে খাদ্যের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে প্রতিদিনের খাবার নির্বাচন করতে হবে। সবসময় সুষম খদ্য নির্বাচন করে খাদ্য তালিকা তৈরী করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কর্বোহাইড্রেট,

প্রোটিন,ফ্যাট,ভিটামিন,মিনারেল,ফাইবার সবকিছুরই সামঞ্জতা থাকতে হবে।পর্যপ্ত পরিমানে পানি পান করতে হবে। স্বল্প পরিমাণের ঘুম শরীওে কর্টিসল হরমোনের চাপ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতি দনি ডাল, তনি বা চার ধরনরে শাকসবজি এবং কমপক্ষে ২টা ফল খেতে পারেন। প্রতিদিন নিয়মিত করে এক্সারসাইজ চালিয়ে যেতে হবে,তা না হলে অতরিক্তি ক্যালোরি ওজন বাড়িয়ে  পার।

র্কাবোহাইড্রটে জাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুট,ি মুড়,চিংড়ি সুজি পরমিাণে কম খাওয়া উচতি। তবে এসময় সালাত, ফল, স্যুপ, ছোলা, মুগডাল, বাদাম খাওয়া যেতে পারে
সকালে উঠে অল্প গরম পানি আর এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেলে গলার সমস্যা দূর হয়। একই সঙ্গে সর্দি কাশি ইনফ্লুয়ঞ্জোসহ অনকে রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। কাঁচা হলুদ না থাকলে রান্নায় ব্যবহৃত খাঁটি গুঁড়ো হলুদ গরম জলে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

কোভডি-১৯ চকিৎিসা ও প্রতিরোধ যেমন প্রচুর তরলজাতীয় খাবার খাওয়া জরুর, ঠিক তেমনি পরর্বতীতওে শরীরকে চাঙা করতে ও সুস্থ রাখতে সঠিক পরমিাণে তরল খাবার খেতে হয়। যমেন, লাচ্ছ,লবেু পানি ফলরে জুস, দুধরে পাতলা সাগু, স্যুপ, পাতলা জাউ, ডাবরে পানি ও আদা লবেুর রং চা ইত্যাদি খেতে হবে।

সাধারণত প্রতি দুই ঘণ্টায় অল্প অল্প করে কছিু তরল খাওয়া ভালো। তবে কডিনি রোগী যাদরে কোভডি-১৯ হয়েছে এবং রোগ থেকে সরে ওঠার পর কারও যদি পায়ে বা শরীররে কোথাও পানি থাকে তবে তাকে ডাক্তাররে পরার্মশ অনুযায়ী তরল খেতে হবে ।

সবজি দিয়ে ডাল রান্না করে তাতে লবেু দিয়ে খেলে অনকে আয়রন পাওয়া যাব।মাংস, মাশরুম ও সবজি দিয়ে স্যুপ করে খেলে অনেক ভটিামনি ও মনিারলে পাওয়া যাবে।
খাবাররে ক্ষেত্রে সাবধানতা যেমন কাঁচা মাছ–মাংস আর রান্না করা খাবাররে জন্য আলাদা র্বোড, ছুরি ব্যবহার করুন। কাঁচা মাছ–মাংস ধরার পর ভালো করে সাবান–পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফলেুন। ভালো করে সদ্ধে করে রান্না করা খাবার গ্রহণ করুন। অসুস্থ প্রাণী কোনোমতইে খাওয়া যাবে না।
মাছ মাংস ডিম বেশি আঁচে সময় নিয়ে রান্না করুন। রান্নার সময় ভাতের মাড় ফেলবেন না। প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট সকালে রোদে হাঁটুন।

শক্ষিা-প্রতষ্ঠিান বন্ধ থাকায় ঘরে বসে বাইররে র্অডার ফুড একদম বাদ দিতে হবে
যে সব খাবার ভাইরাসের সংক্রমনে সহায়তা করতে পারে যেমন কার্বোনেটেড ড্রিংকস, অ্যালকোহল ,বিড়ি,সিগারেট,জর্দা,তামাক,খয়ের,সাদা পাতা,অতিরিক্ত ঠান্ড খাবার, অতরিক্তি মসলাদার খাবার,ভাজাপোড়া খাবার আইসক্রীম,চিনি ও চিনির তৈরী খাবার, বাইররে হোটলে বা রাস্তার খাবার ইত্যাদি খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।খাবাররে পাশাপাশি প্রতদিনি কছিু ব্যায়াম, র্পযাপ্ত বশ্রিাম এবং সবচেয়ে বেশী লক্ষ্য রাখতে হবে ব্যক্তগিত পরচ্ছিন্নতার ক্ষত্রে।

আরকেটি বষিয দখো গছেএেই নতুন ধরনরে ভাইরাসে অপক্ষোকৃত কম বয়সরিা বশেী আক্রান্ত হচ্ছে এই কারনে সরকার শক্ষিাপ্রতষ্টিান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়ছেনে ।

সর্বোপরি পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা যেমন মাস্ক পরিধান,সামাজিক দুরত্ব বজায় এবং বারবার হাত ধোয়া অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের অভ্যাস অব্যাহত রাখতে হবে#

NO COMMENTS

Leave a Reply