Home চট্টগ্রাম মার্ক টালি ছিল আমার সপ্ন, তাঁকে আদর্শ মেনেই আমার সাংবাদিকরাই আসা:ফারুক ইকবাল

মার্ক টালি ছিল আমার সপ্ন, তাঁকে আদর্শ মেনেই আমার সাংবাদিকরাই আসা:ফারুক ইকবাল

0 0

মার্ক টালি ছিল আমার সপ্ন, তাঁকে আদর্শ মেনেই আমার সাংবাদিকরাই আসা:ফারুক ইকবাল

বুধবার  বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে কথা হচ্চিলো চট্টগ্রামের প্রথিত যশা সাংবাদিক চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক দুই বারের সাধারন সম্পাক জনাব ফারুক ইকবালের সাথে  সাক্ষাৎকার নিতে। শত ব্যাস্ততার মাঝে সিটিজিট্রিবিউন কে তিনি  জানালেন  তার নানা অনুভতির কথা ।নিন্মে ‍তা তুলে ধরা হলো সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সিটিজিট্রিবিউনের পরিচালক ও বার্তা সম্মাদক কামাল উদ্দিন খোকন ওনির্বাহী সম্পাদক আয়াস আহম্মেদ সানি ।

নিন্মে তা তুলে ধরা হলো

সিটিজিট্রিবিউন:তিন যুগের বেশী সময় ধরে আপনি এই পেশায় আছেন এই ভা্যপারে কি কিছু বলবেন

ফারুক:আসলে বলতে গেলে অনেক সময় লেগে যাবে তাই সংক্ষেপে বলে যায়  : আসলে এই অনুভুতির কথা বলতে গেলে বলার মতোনা  ৮৬ সালে আমি প্রথম পুর্বকোনে যোগদান করি শিক্ষানবীশ রিপোর্টার হিসাবে  সেখানে অনেক দিন কাজ পর পর্যায় ক্রমে প্রধান প্রতিবেদতের দায়িত্ব পালন করি । আমরা যে সময়ে সাংবা;কিতা করি তখন ছিলো এলালগের যুগ কালের বিবর্তনে এখন ডিজিটাল হয়েছে। আমাদের সময়ে নিউজ সংগ্রহ করতে হতো ঘটনাস্তলে গিয়ে আর তা না হলে টেলিফোনের মাধ্যমে এছাড়া অন্য কোন উপায় ছিলোনা ।

সংবাদ সংগ্রহ তার সত্যতা যাচাই করা অনেক কষ্টসাধ্য বা্যপার ছিলো । এখনকার সাংবাদিকরা তার থারে কাছে নেই ঘরে বষে বিভিন্ন একেন্সীর নিউজ দেখে নিউজ করে ফেলে । আমাদের এই পেশাটা পরিবর্তনশীর আমি এক জায়গায় বছরের পর বছর তার কোন নিশ্চয়তা নেই । আপনি কারো পক্ষে নিউজ করলে বাহবা দিবে বিরুদ্বে করলে তিরস্কার করবে। তাছাড়া রয়েছে নানা ধরনের চাপ রাজনৈতিক প্রশাসনিক নানাধরনের ।

এর ফলে আমি এক সময়ে পুর্বকোন ছেড়ে ভোরের কাগজে পরে যায় য়ায় দিনে এর পরে কালের কণ্ঠে মধ্যে কিছু দিন বাংলাদেশের খবর নামে একটি পত্রিকায় ব্যুরো প্রধান হিসাবে  কাজ করার পর বর্তমানে দেশ রুপান্তর নামে একটি জাতীয় পত্রিকার ব্রুরো প্রধান ও বিশেষ প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত আছি ।

সিটিজিট্রিবিউন:আমারা জানি ‌ এই পেশা ঝুকির পেশা এটা করতে গিয়ে আপনার কোন স্বরনীয় রিপোটিংএর কথা কি আমাদের বলবেন :

ফারুক:: আসলে ঝুকি ছাড়া এই পেশায় যারা কাজ করতে আসবে তারা সফলতা লাভ করতে পারবেনা কারন ভালো রিপোটিং করতে হলে ঝুকি নিতে এই বা্যপারে আমি একটা স্বরনীয় ঘটনার কথা বলি আমলা সবাই যাছ্চিলাশ আমাদের এক বন্ধু শহিদুল ইসলাম বাচ্চুর বিয়ে থেখে সিলেটে আমার সাথে ছিলো পুর্বকোনের ফটোগ্রাফার রুপম চক্রবর্তি জনকন্ঠের ব্যোরো প্রধান মোহসীন চোধূরী আমাদের ট্রেন যখন শায়েস্তা গঞ্জ পোছলো তখন ট্রেন থেমে গেলো চারিদিকে করো ধোয়া রেললাইন বেকে গেছে।

আমরা উপায় না দেখে বাসে করে তার বাড়িতে পোছলাম এই খবর শুনে আর দেরী করলামনা বেরিয়ে পড়লাম সংবাদের খোজে এক পর্য়ায়ে আমাদের বিএন্র সম্পাদক নিজাম উদ্দিনের সহায়তা মাগুরছড়া গ্যাস ফিলাড বিস্পোরন স্তরে গেলাম সেখান থেকে অনেক কষ্টের মাধ্যমে সঙবাদ পাঠালাম ।

এদিকে বাসার সবার চিন্তা কি হয় । আমি শহরে পুর্বকোন অফিসে ঢুকলাম তখন তৎকালীন বার্তা সম্পাক নাছির ভাই বললেন আগে বাসায় যান আমি বললাম অন্নত একটা রিপোর্ট করে যাই।ঝুকির কথা বলতে গেলে আমার মনে এখনো গেধে আছে ৯১ এর ঘুর্নিঝরের কথা আমরা পরের দিন আমাদের পঠোগ্রার রুপম চক্রবর্তি সহ সেখানে পোছলাম । গিয়ে দেথি লাশ আর লাশ খাবারের জন্য হাহাকার পানির অভান তখন সে সময়কার টিএন্ও কোন রকমে আটারুটি বিতরন করে মানুষকে বাছিয়েছিলেন ।

তিনি আমাদের যা খবার দিলেন তা্ও আমরা ক্ষুধার্ত শিশুদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছি। অপেক্ষা করছি কেমনে ফিরবো পরে সকালে বিআইডব্ল্ওিটিসির একটি জাহাজ এলা কিছুত্রান নিয়ে সে গুলো বিতরন করা হলো । এর পর এলা নোবাহিনীর জাহাজ তাদের সাথে যোাযোগ কলালাম তারা বললেন আমরা এখানে ত্রান বিতরন করার পর উরকিরচর যাবো আপনারা আমাদের সাথে গেলে যেতে পারবেন ।

এর তিন দিন পরে আমরা ফিরলাম অফিসে গেলাম আমার বার্তা সম্পাদকের একই কথা আগে বাসায় যা্ও বাসায় সবাই কাদছে আমি তাকে বিনয়ের সাখে একই কথা বললাম একাট রিপোট করে যাই ।

 

সিটিজিট্রিবিউন: এই পেশায় কেন এলেন আসলে আমার ইছ্চা ছিলো উকিল হবো কিন্তু সেই আশা ‍গুর বালি হয়ে গেলাম সাংবাদিক ।

সিটিজিট্রিবিউন:এবার আপনার পরিবার সম্পর্কে কিছু বলুন

ফারুক:আমার পরিবার সুখি পরিবার আমার তিন মেয়ে দুই মেয়ে মাস্টার্স করছে  বড় মেয়ে স্বামী নিয়ে সিডনিতে থাকে ছেলে আইটি ইঞ্জিনিয়ারিং এ লেখাপড়া করছে ।ওদের জন্য দোয়া করবেন ।

এতক্ষন কষ্ট করে আমাদের সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনাদেরকে ধন্যবাদ ।#

সিটিজিট্রিবিউনডেস্ক:করোনা সংক্রমণ রুখতে সোমবার এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে দিল্লি। সংক্রমণ ঠেকাতে ফের এক বার লকডাউন ঘোষণা করা হবে কি না তা নিয়ে বুধবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে মহারাষ্ট্র। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বার্তা, ‘‘দেশকে লকডাউনের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। সঙ্কটের সময়। এখন দেশকে লকডাউনের দিকে নিয়ে যাবেন না।’’

মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ভাষণে তিনি বলেন, ‘‘ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ তুফানের মতো আছড়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে এগোতে হবে।’’ এর পর মোদীর বার্তা, ‘‘দেশকে লকডাউন থেকে বাঁচাতে হবে। রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করব, তারা যেন করোনার বিরুদ্ধে শেষ অস্ত্র হিসাবে লকডাউনকে প্রয়োগ করে।’’ মোদীর আশা, ‘‘অনুশাসন এবং ধৈর্যের মাধ্যমেই আমরা করোনাকে হারাব।’’

দেশবাসীর সেবায় সাধারণ মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, যুব সমাজকেও নিজের নিজের এলাকায় কমিটি তৈরি করে সচেতনতা গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছেন তিনি। করোনার টিকা আবিষ্কারে দেশের বিজ্ঞানীদের ভূমিকার প্রশংসা করার পাশাপাশি চিকিৎসক-সহ প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদেরও পিঠ চাপড়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘গত কয়েক দিনে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে পরিস্থিতি শোধরাবে।’’

করোনা সংক্রমণ রুখতে গত বছর ২৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে লকডাউনের ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তাতে অর্থনীতির চাকা সব অর্থেই থমকে যায়। তাতে দেশ বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে প়ড়ে। তার প্রমাণ মেলে বিভিন্ন সমীক্ষাতেও। কিন্তু করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় পর্বে কেন্দ্র যে আর দেশ জুড়ে লকডাউনের পথে হাঁটতে চায় না তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বরং তাকে ‘শেষ অস্ত্র’ হিসাবে প্রয়োগ করার দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যগুলিকেই। মোদীর বার্তা, ‘‘অর্থনীতিকে আর মুখ থুবড়ে পড়তে দেব না।’’খবর :আনন্দবাজারের।

 

NO COMMENTS

Leave a Reply