Home অপরাধ চট্টগ্রামে ড্রাইভার ও হেল্পার সেজে গণপরিবহনে ডাকাতি!!!

চট্টগ্রামে ড্রাইভার ও হেল্পার সেজে গণপরিবহনে ডাকাতি!!!

১ সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণায় চট্টগ্রাম ছেড়ে নিজ গ্রামে যাচ্ছে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে টাকা ডাকাতি করে নিচ্ছে গণপরিবহনের ড্রাইভার ও হেল্পাররা।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী গণপরিবহনে ২সিটে ১ জন যাত্রী ,এবং পূর্বের ভাড়ার চেয়ে ৬০% শতাংশ ভাড়া বেশি নেওয়া কথা থাকলেও আজ রবিবার রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ(শাহ আমানাত সেতু) এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,দক্ষিণ চট্টগ্রামমূখী গণপরিবহনগুলো স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ২সিটে ২জন বসিয়ে একপ্রকার বাধ্য করে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে।

নতুন ব্রিজ থেকে কক্সবাজারমুখী হানিফ নামের একটি বাসে দেখা যায়,চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের স্বাভাবিক ভাড়া ২৫০ হলেও একপ্রকার বাধ্য করেই ২সিটে ২জন যাত্রী নিয়ে ৫০০টাকা করে ভাড়া নিচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে!!যদিও ২সিটে ১জন যাত্রী নিয়ে পূর্বের ভাড়ার চেয়ে ৬০% ভাড়া বেশি নেওয়ার কথা ছিল।কিন্তু স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করে ২সিটে ২জন যাত্রী সহ কয়েকজন দাঁড়ানো যাত্রীও নেয়;যা ছিল প্রায় প্রতিটি পরিবহনের দৃশ্য!

এবার চলুন একটু অংক কষি!
ধরা যাক,ওই গাড়িতে সিট আছে ৫০টি।পূর্বের ভাড়া অনুযায়ী ৫০ জন যাত্রীর ভাড়া
আসে=৫০×২৫০=১২,৫০০টাকা।

বর্তমানের সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ২সিটে ১জন করে পূর্বের ভাড়ার চেয়ে ৬০% ভাড়া বেশি নিলে
আসে=৫০÷২=২৫×২৫০+৬০% অতিরিক্ত ভাড়া
=১০০০০টাকা

কিন্তু ডাকাতি স্টাইলে নেওয়া টাকার হিসাব করলে দেখা যায়, ৫০×৫০০=২৫০০০টাকা
সুতরাং,ডাকাতি করে নেওয়া টাকার পরিমাণ=২৫০০০-১০০০০=১৫০০০টাকা।

এবার জনগণ-ই বলবেন ১০হাজার টাকার জায়গায় বাধ্য করে ২৫হাজার টাকা আদায় করা কি ডাকাতি নয়???

এবার চলুন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একটু কথা বলি।

যাত্রীদের একপ্রকার জিম্মি করে গণপরিবহনের এমন ডাকাতির বিষয়ে জানতে/জানাতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মমিনুর রহমানকে একাধিক বার কলে দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।এমনকি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তারকএ কল দিলে তিনিও কল রিসিভ করেননি।

সাঈদুর রহমান চৌধুরী

NO COMMENTS

Leave a Reply