Home অপরাধ রহমানিয়া তাহফিজুল কোরান বালক-বালিকা একাডেমীতে বলৎকারের অভিযোগে মাওলানা নাজিম উদ্দীন আটক

রহমানিয়া তাহফিজুল কোরান বালক-বালিকা একাডেমীতে বলৎকারের অভিযোগে মাওলানা নাজিম উদ্দীন আটক

নিজস্ব প্রতিবেক:রিয়াজ উদ্দীন;
বলৎকারের অভিযোগে মাওলানা নাজিম উদ্দনীকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ আটক করেন। আটককৃত নাজিম উদ্দীন রহমানিয়া তাহফিজুল কোরান বালক-বালিকা একাডেমীর পরিচালক। নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর মক্কাহোটেলের পিছনে উকিল বাড়ি
একটি পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলায় দুইটি ফ্লাট বাসা ভাড়ায় প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন।

অদ্য বেলা দুইটার সময় থানা পুলিশ পাঁচলাইশ থানা পুলিশের ওসি তদন্ত মোঃ কবিরের নেতৃত্বে একটি পুলিশের টিম সরজমিন তদন্তে প্রায় সব শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, হুজুর নাজিম উদ্দীন বেত্রাঘাত করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বলৎকার করেন। আটককৃত নাজিম উদ্দীন স্বীকার করেন তার অপরাধের কথা। সরজমিনে, ৪৫ জন শিক্ষার্থী ছেলে ও দুই মেয়ে শিক্ষার্থী হেফজে কোরানসহ আরবি শিক্ষা দিয়ে আসছেন প্রায় ৮/৯ বছরের থেকে।

শিক্ষার্থীরা মিছিলসহকারে অভিযোগ করেন, আমরা মুক্তি চাই। আমাদের দিয়ে খারাপ কাজ করায়। দেখাগেছে প্রায় সব শিক্ষার্থী ৫-১৪ বছরের । তারা বলেন, আমরা মুক্তির জন্য কোন সুযোগ পাচ্ছিনা। আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়াগায় আঘাত করে বলার মত না। হুজুরের কথামত উনার সাথে খারাপ কাজ করতে বাধ্য করে এবং মা বাবাসহ কাউকে না বলার জন্য শপথ করাই।
সর্বশেষ পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ৬জন ভিকটিমকে সাথে নিয়ে নাজিম উদ্দীনকে থানায় নিয়ে যায়।

পাঁচলাইশ থানা পুলিশের ওসি তদন্ত মোঃ কবির বলেন, এমন জগন্য কাজ করতে পারে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেছেন এই খারাপ কাজে। সকলে স্ব উদ্যােগে শিক্ষার্থীরা নাজিম উদ্দীনের অপকর্মের কথা বলেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, গণমাধ্যম কর্মির মাধ্যমে জানতে পারি উপরোক্ত ঘটনা। পরে আমার ওসি তদন্ত মোঃ কবিরের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে নাজিম উদ্দীনকে থানায় নিয়ে আসে এবং মৌখিক স্বীকার উক্তি দেওয়া ৬ শিক্ষার্থীকে থানায় নিয়ে আসি।

তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব গণমাধ্যম কর্মি তথ্য ও সরজমিনে থেকে সহযোগীতা করার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

NO COMMENTS

Leave a Reply