Home অপরাধ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মহিউদ্দিন মুহাম্মদ...

ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মহিউদ্দিন মুহাম্মদ আলমগীর।

গতকাল ০৭/০২/২১ তারিখ রবিবার চট্টগ্রামের জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক আজাদী প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে ষাট বছরের পুরো পুকুরটায় গায়েব এবং সদরঘাটের সরকারি সম্পত্তি ইজারা নিয়ে ভরাট করে গ্যারেজ, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র।

,অভিযোগ শিরোনামে সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন উক্ত খবরে উল্লেখিত সদরঘাট জুই ক্লাবের স্বত্বাধিকারী সমাজ সেবক মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর, পিতা মরহুম আব্দুল নুর, সাং ১১৬ সদরঘাট রোড থানা ডবলমুরিং,জিলা চট্টগ্রাম এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা, সৎ আদর্শবান এবং নিষ্ঠাবান চরিত্রের অধিকারী ও নির্লোভ নিরহংকার এবং সাদা মনের মানুষ তরুণ ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে আলাপ করে জানা যায় মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর অত্যন্ত ভালো মনের একজন মানুষ তিনি কখনো কারো সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেননি যার কারনে এলাকার মানুষ তাকে অত্যন্ত প্রিয় একজন মানুষ মনে করেন, সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর উদ্দেশ্যে এবং সমাজে তার মান ক্ষুন্ন করার জন্য বিভিন্নভাবে পায়তারা চালাচ্ছে।

তারই অংশ হিসেবে সম্প্রতি একটি ভরাট ভুমির ইজারা কে কেন্দ্র করে তার নামে মিথ্যে ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তমূলক সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে প্রকৃতপক্ষে যে পুকুর ভরাট করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে সেটি আগে থেকে ভরাট ভূমি ছিল এবং সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উক্ত জায়গাটি সরকারি নিয়ম-নীতি মেনে ইজারা দেয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য সম্পত্তির ভি-পি কেইস নন ১৩/৮০-৮১ মুলে জায়গাটির মালিক সরকার। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( রাজস্ব) চট্টগ্রাম বিগত ০৭/১১/১৩সালে উক্ত জায়গাটি মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর সহ মোট পাঁচজনকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে সরকারি নিয়ম-নীতি মেনে ইজারা দেয়া হয়। এবং সরকারি নির্দেশনা সেখানে সেমিপাকা গৃহ নির্মাণ করে ভোগ দখলে আছেন এবং সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করেছেন।

একটি কুচক্রী মহল এই সংক্রান্ত একটি মামলা ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন সংশোধিত ২০১০ বিজ্ঞ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ একটি মামলা দায়ী করেন সে মামলায় মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন আদালত কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে আসামী মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীরকে জামিন দেন এবং কাগজে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যেহেতু জায়গাটি আগে থেকে ভরাট ভুমি ছিল সেই ক্ষেত্রে উক্ত মামলায় মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরকে সম্পৃক্ত করা যাবে না। তাছাড়া জায়গাটি মোট পাঁচজনকে ইজারা দেয়া হলেও মামলায় শুধু মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর এর নাম দেয়া হয়েছে যার কারণে মামলাটি ষড়যন্ত্রমূলক বলে প্রমাণিত হয়েছে ।

ইজারার কাগজে স্পষ্ট লেখা আছে খালি ভরাট ভূমি সে ক্ষেত্রে পুকুর ভরাটের প্রশ্নই আসে না, তাই আমি মনে করি সংবাদকর্মীকে কোন একটি মহল আমার নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সত্যিটাকে আড়াল করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। সংবাদকর্মীর ও উচিত ছিল সঠিক তথ্য উদ্ঘাটন করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জুই ক্লাবের স্বত্বাধিকারী মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর আক্ষেপের সুরে বলেন হঠাৎ এক কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুৎসা রটানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, নানা দুর্নাম মিথ্যে অভিযোগ সাজানোর পাঁয়তারা করছেন।

এর আগেও এই লিজের জায়গা নিয়ে আমাকে বিভিন্ন রকম হয়রানি করার চেষ্টা করেছে কিন্তু সত্যের জয় অভিসম্ভাবি তাই বিজ্ঞ আদালত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আমাকে জামিন দেন।সরকারি নিয়ম নীতি মেনে ইজারা নেওয়া এবং রাজস্ব পরিশোধ করার পরও আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে আমাকে সমাজের কাছে হেয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

একটি মহল অবৈধ ব্যবসা, মানুষের জায়গা দখল, ভূমিদস্যু, মাদক এবং কিশোর গ্যাং পরিচালনাকারী কিছু বিপথগামী মানুষ আমাকে সমাজের কাছে হেয় করার জন্য এ কাজটি করছেন,

আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

NO COMMENTS

Leave a Reply