Home চট্টগ্রাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মধ্যে চট্টগ্রামের উন্নয়ন কে...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মধ্যে চট্টগ্রামের উন্নয়ন কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন-তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম-০২ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিঃ :গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাসান মাহামুদ এমপি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকা-ের মধ্যে চট্টগ্রামের উন্নয়ন কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর চিন্তা ভাবনায় আছে চট্টগ্রামের জন্য অনেক মেগা প্রকল্প। প্রকল্প বাস্তবায়নের সে আঙ্খাকা অনুযায়ী উপমহাদেশের প্রথম কর্ণফুলী ট্যানেল নির্মাণ ও চট্টগ্রাম নগরীকে ঘিরে আউটার লিংক রোড বাস্তবায়ন একটি মহা কর্মযজ্ঞ,

সবচেয়ে বড় অর্জন হলো সমুদ্র উপকূল তীরবর্তী পতেঙ্গা থেকে মিরেরশ্বাই পর্যন্ত বে-টার্মিনাল নির্মাণ। বর্তমান বন্দর থেকে আরো বড় বন্দর পাবো আমরা, এ বড় বন্দর দিয়ে রিজিয়ুন্যালে কানটিং পথ সুগম হবে এবং তা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। তিনি আজ সকালে নগরীর অলংকার মোড় হতে পিসি রোড হয়ে নয়াবাজার বিশ্ব রোড এবং পাহাড়তলী ঝর্নাপাড়া জোর-ডেবা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।

তিনি পোর্ট কানেটিং রোডের সংস্কার কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন এ সড়কটি চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি রপ্তানি পন্য পরিবহনের প্রধান অবলম্বন, তাই এ সড়কটি স্থায়ীত্ব ও ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে শুধু একা সিটি কর্পোরেশনের নয়, চট্টগ্রাম বন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্বনিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ও সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিক। তাই চট্টগ্রাম কোন উন্নয়ন ক্ষেএে বঞ্চিত হবেনা।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ পাকিস্তানের সুশীল সমাজ বলেন আমাদের কে বাংলাদেশ বানিয়ে দেওয়া হোক, কারন বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে গেছে। অথচ আমাদের এক শ্রেনীর বুদ্ধিজীবীরা আমাদের এসব উন্নয়ন চোখে দেখেনা। তাঁদের বুদ্ধির লোভ পেয়েছে, তারা চোখ থাকতে অন্ধ।মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরের বলেন, আসন্ন চসিক নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণ, আইন বিধি অনুযায়ী হবে।

যে ভাবে এর আগে নির্বাচনগুলো হয়েছে। এই নির্বাচনগুলোতে কোন কোনটিতে বিএনপি জিতেছে। তবে বিএনপি’র রাজনৈতিক কালচার হলো, তারা নির্বাচন করেন, আবার অভিযোগের বাক্স খুলে ধরেন। আসলে এই অভিযোগ কোনটাই যোক্তিক নয়, অভিযোগোর একমাত্র উদ্দেশ্যে নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ¦ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, পোর্ট কানেক্টিং রোড পূর্ব দিক চলাচলের জন্য খুলে দিতে পারবো।

পশ্চিম দিকেও কিছু অংশের কাজ অচিরেই সম্পন্ন হবে। আশাকরি এই সড়কটি এখন অনেক বেশি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন। এতে আমাদের দুঃখ ও বিড়ম্বনা ঘুচবে। আগামীতে চট্টগ্রাম নগরীতে কোন ভাঙ্গা রাস্তা চোখে পড়বে না। তিনি আরো বলেন, এই নগরীর তিন ভাগের আড়াই ভাগ জায়গা বন্দর ও রেলওয়ের। এগুলোর অধিকাংশই পরিত্যাক্ত। এগুলো অবৈধ দখলদার ও দুর্বত্তদের দ্বরা কুক্ষিগত এবং এখানেই অপরাধের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী একোয়ারকৃত জায়গা যদি একশত বছর অব্যবহৃত থাকে সে-গুলো অবমুক্ত করে পজিটিভ উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে সমর্পন করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন প্রত্যাশা করে এসকল জায়গার মালিকানা বা দখাল শর্ত পেলে সেবার মানউন্নোয়নে প্রসার ঘটবে। এই বিষয়টি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গোচরীভূত করতে ড. হাসান মাহমুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। তিনি অবশ্যই এ দায়িত্ব পালনে সক্ষম।

নগরীর জোড় ঢেবা পরিদর্শনকালে চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ কে অবহিত করেন যে, এই জায়গায় একটি আকর্ষণীয় বিনোদন কেন্দ্র হতে পারে। এমনকি জোড়া দিঘিতে মৎস্য চাষও হতে পারে। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে অনেকই আগ্রহী।

নগরীর উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- আলহাজ¦নুরুল আমিন, অধ্যাপক মোহাম্মদ ইসমাইল, নুরুল আবছার মিয়া, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, আবু সালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব,

আশিকুল ইসলাম, ঠিকাদারী সংস্থা তাহের ব্রাদার্সের পরিচালক মুনতাসির মামুন প্রমুখ।

NO COMMENTS

Leave a Reply