Home চট্টগ্রাম চসিকে আপিল বোর্ডের সভা পৌরকর প্রদানে বিশেষ ছাড় চান নগরবাসী

চসিকে আপিল বোর্ডের সভা পৌরকর প্রদানে বিশেষ ছাড় চান নগরবাসী

0 0

চট্টগ্রাম-১৫ নভেম্বর ২০২০ইং করোনা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ধার্যকৃত বকেয়া ও পুনর্মূল্যায়িত পৌরকর প্রদানে বিশেষ ছাড় চেয়েছেন নগরবাসী। আজ রোববার সকালে নগরীর টাইগারপাস বাটালী হীলে কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে রাজ বিভাগের ১নং সার্কেল এর জালালাবাদ ওয়ার্ডের কুলগাঁও মহল্লা শুলকবহর ওয়ার্ডের নাসিরবাদ মহল্লার কর পুনর্মূল্যায়নে আপিল শুনানীকালে হোল্ডিং মালিকগণ রিভিউ বোর্ডের সদস্যদের কাছে এই আবেদন করেন।

শুনানীকালে রিভিউ বোর্ডের সদস্য রাজনীতিক এড. সুনীল কুমার সরকার, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজ¯^ কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শহীদুল আলম উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রায় শতাধিক হোল্ডিং মালিক উপস্থিত ছিলেন। হোল্ডিং মালিকদের মধ্যে অনেকেই করোনা পরিস্থিতিতে তাদের আয় উপার্জন কমে যাওয়া, আবাসিক ভবনে ভাড়ায় দেয়া ঘর খালি থাকা, ব্যক্তিগত ও গৃহ নির্মাণ ঋণ থাকাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে কর প্রধানের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়ের অনুরোধ করেন।

এ সময় তাদের এই আবেদন ও অনুরোধ কর্পোরেশনের আপিল রিভিউ বোর্ডের সদস্যরা শুনেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজ¯^ কর্মকর্তা আপিলে আবেদনকারী হোল্ডিং মালিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কর্পোরেশন কোনরূপ পৌরকর বৃদ্ধি করেনি। এখনো পুরনো রেইটে ও হারে পৌরকর আদায় করছে। তবে কোন ভবনের যদি কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যেমন দোতলা থেকে চার তলা করে নিজে থাকার পাশাপাশি ভাড়ায় দেয়া হয় সেসব ক্ষেত্রে করের পরিধি পরিবর্তন হবে।

ক্ষেত্র বিশেষে তা বাড়তে পারে। তিনি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিকে আমরা বিশেষ বিবেচনায় নিয়েছি। ফলে এই পরিস্থিতিতে কোন হোল্ডিং মালিকের যদি কোন ব্যাংক, গৃহ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে গৃহ নির্মাণ ঋণ নেয়া থাকে, তাহলে তা হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদানের বা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি কর্পোরেশনের আপিল বোর্ডে জমা দিলে কর আদায়ের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী ছাড় দেয়া হবে।

এনিয়ে কোন ধরণের ভুল বুঝাবুঝির অবকাশ নাই। প্রধান রাজ¯^ কর্মকর্তা বলেন, নাগরিক সেবা প্রাপ্তিতে কর্পোরেশনের সহায়ক শক্তি হলো নগরবাসীর দেয়া কর। এই করের সিংহভাগই ব্যয় হয় নগরীর রাস্তাঘাট নির্মাণ, মেরামত, পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম পরিচালনা, সড়ক আলোকায়নসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন খাতে।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসক চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন, মানবিক শহরে পরিণত করতে নগরবাসীর সহযোগীতা চান । তাঁর সেই প্রচেষ্টার কারণে আমরা কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রমকে ¯^চ্ছতা ও শৃক্সখলার মাধ্যমে গতিশীল করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি।

NO COMMENTS

Leave a Reply