Home অপরাধ মহেশখালীতে চিংডী ঘের ইজারা নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা এলাকায় উত্তেজনা

মহেশখালীতে চিংডী ঘের ইজারা নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা এলাকায় উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার উত্তর নরবিলা এলাকায় দুটি চিংড়ি মাছের ঘের নতুন চালিয়াতলী ও সাপকাটা টেইট্টা ঘোনার ইজারা নিয়ে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় প্রাণহানিসহ বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়।

সূত্রে জানায়, বর্ষা মৌসুমে জন্য ইজারা কমিটির মেয়াদকাল শেষ হয়ে গেলে উক্ত মাছের ঘোণা দখলে নিতে প্রভাবশালী কয়েকটি গ্রæপ মহড়া দিচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে এক ধরণের আতঙ্ক বিরাজ করছে। উক্ত মাছের ঘোনা ইজারা নিয়ে প্রকৃত জমির মালিকের পক্ষে পাঁচ জন ব্যক্তি মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারে কাছে গত ৪ নভেম্বর লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ নিকট ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।

উক্ত ঘের দুটি পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো কামাল হোছাইন টেন্ডার ইজারা প্রক্রিয়া শেষ করতে আগামী ১০ নভেম্বর তারিখ ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে কালারমার ছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ জানিয়েছেন, আমার কিছু করার নেই, যেহেতু বিষয়টি নিয়ে অনেকে মাথা ঘামাচ্ছে আমি কোন ঝামেলায় যেতে চাচ্ছি না।

জমির মালিক শওকত হোসেন জানান, প্রতি বছর আমাদের জমিতে মাছের ঘোণা ইজারা দিলেও আমাদেরকে প্রকৃত দাম না দিয়ে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জমির মালিকেরা। একটি চক্র জমির মালিকদের ঠকিয়ে উক্ত টাকাগুলো তারা হাতিয়ে নেয় এবারও তারা জমির মালিকদের বঞ্চিত করার চেষ্ঠা করছেন বলে তিনি জানান। এ প্রসঙ্গে জমির মালিক ওসমান জাহাঙ্গীর জানান, ২০১৮ সালে ৫ সেপ্টেম্বর বর্তমান মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দুই বছরের জন্য মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়।

গত ৫ সেপ্টেম্বরের উক্ত কমিটির মেয়াত শেষ হয়ে যায়। উক্ত কমিটি ২০২১ সালে বর্ষা মৌসুমের জন্য অবৈধভাবে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন। এই কমিটি ইজারা দেওয়ার সময় চৌদ্দশত কানি হিসেবে দেখালেও এগারো শতখানি জমির মালিককে টাকা পরিশোধ করে থাকে। প্রতিবছর এই তিনশত কানি টাকা কমিটির লোকজন লুটেপুটে খায়।

কানি প্রতি ১০ হাজার করে ৩শ কানির টাকার পরিমান ৩০ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা থাকলে গত দুবছরে ৬০লাখ টাকা লুটে নিয়েছে একটি চক্র। এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য সভাপতি মোহাম্মদ আলী ফোন রিসিভ করেনি আর সাধারণ সম্পাদক কামাল হোছাইন বলেন এই বিষয়ে স্থানী এমপি ও ইউএনওকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তারাই আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বলেছেন।

এ বিষয়ে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই জানান, চিংড়ী মাছের ঘোনা ইজারা নিয়ে কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে,

প্রয়োজনে পুলিশ সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
চট্টগ্রাম ব্যুরো।

NO COMMENTS

Leave a Reply