Home অপরাধ কিডন্যাপ মামলা থেকে বাঁচতে টাকা পাওনা টাকার নাটকের অভিযোগ

কিডন্যাপ মামলা থেকে বাঁচতে টাকা পাওনা টাকার নাটকের অভিযোগ

চট্টগ্রাম ব্যুরো: কিডন্যাপ মামলা থেকে রেহাই পেতে পাওনা টাকার নাটক সাজানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে যুবলীগ নেতা নওশাদ মাহমুদ চৌধুরী রানার বিরুদ্ধে। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুলিশ অফিসার ও আদালতের মাধ্যমে সমস্ত পাওনা বুঝে নেওয়ার পরও লোভের তারণায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কুমানসে প্রকাশ্য দিবালোকে অপহরণ করে ৮০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করার পর আইন শৃঙ্খলা বাহীনির কঠোর প্রচেষ্টায় ভিকটিম উদ্ধার হওয়ার পর সেই মামলা থেকে নিজেকে বাচাতে ভিকটিমের কাছে টাকা পাবে বলে রিউমার্ক ছড়ানোর কথা শোনা যাচ্ছে।

এই নিয়ে স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে পক্ষপাতমুলক সংবাদও প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবী করেন ভিকটিম সি এন্ড এফ ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল ইসলাম।
সাইফুল ইসলাম বলেন যুবলীগ নেতা নওশাদ মাহমুদ ছৌধুরী রানা আমার সাথে কমিশন ভিত্তিতে কাজ করতেন কিন্তু কাজের লাভের চাইতে সে কমিশন দাবী করত বেশি এর ফলে আমার ব্যবসায় লাভের পরিবর্তে লোকসান দেখা দেয় ফলে আমি তার সাথে ব্যবসাীযক সম্পর্ক ছিন্ন করি। সে আমার কাছে টাকা পাবে বলে আদালতে ২ টি মামলা করে সেই মামলার সুত্রে ডবলমুরিং থানার অফিসার ইনচার্জ এরম ধস্থতায় আমি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ কোটি টাকা পরিশোধ করার পর সে মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য মহানগর দায়রা আদালতে গত ১৪ জানুয়ারী পিটিশন দাখিল করে। এরপর থেকে তার সাথে আমার আর কোন ব্যবসা বা কমিশনের কাজ করা হয়নি।

 

কিন্তু সে টাকার নেশায় অস্থির হয়ে ক্ষমতার দাপটে অন্যায়ভাবে আমার কাছ থেকে টাকা আদায় করতে চাইছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশ্য দিবালোকে আমাকে অপহরণ করেন পরে অমানুসিক নির্যাকন করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টাও করেন কিন্তু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় গভীর রাতে আমাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে নগরীর হালিশহর এলাকার বউ বাজারের দুলহান কমিউনিটি সেন্টারের একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে যুবলীগ নেতা নওশাদ মাহমুদ চৌধুরী রানা তার ভাই পাপ্পু, মোহাম্মদ মাসুদ @ পাগল মাসুদ, বউবাজার ঈদগাঁ এলাকার ইকবাল, সাখাওয়াতসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা সাইফুলকে মারধর করে একটি সিলভার কালার নোহা করে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে । এসময় বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা লোকজন বাধা দিলে তাদেরও লাঠি সোঠা ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে সাইফুলকে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় সাইফুলের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস বাদী হয়ে হালিশহর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। পরে গভীর রাতে এটি মামলা হিসেবে গন্য করেন অফিসার ইনচার্জ এবং সাথে সাথে নেমে পড়েন এ্যাকশানে এর ফলশ্রুতিতে রাত আড়াইটার দিকে চোখ বাধা অবস্থায় নগরীর জিইসি মোরে ভিকটিমকে ছেড়ে যায় অপহরনকারীরা।

NO COMMENTS

Leave a Reply