Home চট্টগ্রাম করোনার সংকটে মানবসেবার নির্ভীক ও দুঃসাহসিক অভিযাত্রীর নাম কাউন্সিলর প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন।

করোনার সংকটে মানবসেবার নির্ভীক ও দুঃসাহসিক অভিযাত্রীর নাম কাউন্সিলর প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন।

0 0

করোনাভাইরাসের আক্রমণ মহামারী রূপ ধারন করে সমগ্র বিশ্বকে থমকে দিয়েছে। করোণা এতই ভয়ানক যে যার কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি কিংবা নেই কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্থা।

উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশও তার আক্রমণ থেকে রেহাই পায়নি, বিভিন্ন শক্তিশালী রাষ্ট্রের উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাকেও হার মানিয়ে করোনা তাণ্ডব চালিয়েছে তার নিজস্ব গতিতে।

তারই ধারাবাহিকতাই গত ৮মার্চ বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মানবদেহে করোনা ভাইরাসের প্রথম সংক্রমন ধরা পড়ে আইইডিসিআর এর তথ্য মতে। তারপর গত ২৬শে মার্চ থেকে শুরু হয় লাগাতার লকডাউন।
শুরু হয় ঘরে বন্দি থাকার পালা। লকডাউনে চলতে থাকে কঠিন মুহূর্ত, আরে কঠিন মুহূর্ত কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে এই প্রতিকুল অবস্থায় দিনরাত ২৪ ঘন্টা ঘরবন্দী মানুষকে ডোর টু ডোর সেবা দিয়ে গেছেন চট্টগ্রাম পশ্চিম মাদারবাড়ি ২৯ নং ওয়ার্ডের তরুণ কাউন্সিলর প্রার্থী সদরঘাট আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব সাজ্জাদ হোসেন। কবির ভাষায় বলতে হয় ঐ নতুনের কেতন উড়ে।

বাংলাদেশে করোনার প্রাদুর্ভাবের শুরুর থেকেই এক নির্ভীক জনপ্রতিনিধি কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিজেকে উজার করে দিয়েছেন। কি দিন কি রাত সমানতালে সেবা দিয়ে গেছেন তার ওয়ার্ডের অসহায় মানুষগুলোকে।কখনও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা মাক্স নিয়ে আবার কখনও ক্ষুধার্থদের পাশে খাবার কিনবা বাজার নিয়ে এলাকাবাসীর ঘরের দরজায় কড়া নেড়েছেন।

এলাকাবাসীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, কিছু প্রার্থী আছে যারা ভোটের বেলায় বুক মিলায়,আর কষ্টের বেলায় মুখ লুকায়,ভোট আসলে ঘরের দরজার সামনে এসে ভোট প্রার্থনা করেন কিন্তু বিপদের মুহূর্তে তাদের কাউকেই আমরা পায়নি,কিন্তু তরুণ সমাজ সেবক দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করতে হয় বুঝিয়ে দিয়েছেন মানব সেবা কাকে বলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় ছাত্রজীবন থেকে এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও এবারের চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন থেকে বঞ্চিত করা হয় তাকে। পরে এলাকার জনসাধারণের অনুরোধে সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছিলেন তিনি।কিন্তু থেমে নেই তার কর্মযজ্ঞ।যারা করোনার ভয়ে নিজেকে আড়াল করে দুরে সরে গেছে,তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে ভয়কে জয়ে পরিনত করতে হয়।কি ভাবে একজন প্রকৃত সেবক হতে হয়।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন আমি সেবক,সেবা করাই আমার ধর্ম, আসলে এ কাজগুলো যাদের করার যারা সমাজের নেতৃত্বে আছেন তারা নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য কাজগুলোকে এড়িয়ে গেছেন কিন্তু আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি,ছাত্রজীবন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে রাজনীতি করে যাচ্ছি এবং আমার শ্রদ্ধেয় নেতা প্রয়াত সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী আমাদের শিখিয়ে গেছেন কিভাবে মানব সেবা করতে হয়।

সম্প্রতি অনুসন্ধানে উঠে আসে করোনার কঠিন মুহূর্তে এই তরুণ সমাজ সেবক এর উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো,
করোনাকালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাটিতে ধস নেমেছিল সেটি হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা,সেইসব কসাই নামক ডাক্তারদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিনি চালু করেছেন হ্যালো ডাক্তার নামে স্বাস্থ্য সেবা,যার মাধ্যমে ডোর টু ডোর সেবা পেয়েছেন এবং পাচ্ছেন এলাকাবাসী, শুধু তাই নয় দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সংগঠনটি করোনায় মৃত্যু হওয়া ব্যক্তিদের লাশ দাফন করে যাচ্ছেন সেই গাউছিয়া কমিটিকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন এই তরুণ সমাজসেবক এবং এলাকার জনসাধারণের জন্য তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে দিয়েছেন এম্বুলেন্স সার্ভিস,সত্যি অবাক করা কান্ড কোনরকম সরকারি সহযোগিতা ছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে এতগুলো সেবামূলক কাজ চালিয়ে নেওয়া সত্যি দুঃসাহসিক।

রিপোর্ট হুমায়ুন কবীর হীরো
চট্টগ্রাম মহানগর

NO COMMENTS

Leave a Reply