Home চট্টগ্রাম ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে দুই সপ্তাহব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে দুই সপ্তাহব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০

চট্টগ্রাম জেলায় আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে দুই সপ্তাহব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০ পালন করা হবে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অডিটরিয়ামে চট্টগ্রাম জেলা অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে ও জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. আসিফ খান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. উ খ্য উইন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসআইএমও ডা. জাহিদুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. সেলিম উদ্দিন, বিমানবন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফুল ইসলাম ও জেলা পুলিশ পরিদর্শক (ডিবি) মো. শাহ আলম।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, করোনাকালীন এ সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি উপজেলায় এবার ৬-১১ মাস বয়সী ৮৮ হাজার ৭১৩ জন শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৫২০ জন শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এছাড়া জেলার বাইরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৪১টি ওয়ার্ডে ৬-১১ মাস বয়সী ৮১ হাজার শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সাড়ে ৪ লাখ শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো. নুরুল হায়দর চৌধুরী।

সভায় চট্টগ্রাম জেলার ১৪ উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদফতরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও পুষ্টি সেবার যৌথ বাস্তবায়নে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এ সভা আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, হাম ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুর হার হ্রাসসহ সকল ধরণের মৃত্যুর হার হ্রাস করে। পরিবারের রান্নায় ভিটাামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ভোজ্যতেল ব্যবহার শিশুর জন্য যথেষ্ট উপকারী বলে অভিমত দেন তিনি।

মা ও শিশুর পুষ্টির জন্য গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ খাবার খেতে দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কোনও শিশু যাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাসসুল খাওয়ানো থেকে বাদ না পড়ে সে লক্ষ্যে বিভাগের ১১ জেলার প্রত্যেক উপজেলা সদরসহ সর্বত্র মাইকিং করে জনগণকে অবহিত করা হবে বলে সভায় জানান হয়।

NO COMMENTS

Leave a Reply