Home চট্টগ্রাম স্টার্টআপে ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে নর্দান ইনোভেশন এন্ড এন্টারপ্রেনারশীপ সেন্টার

স্টার্টআপে ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে নর্দান ইনোভেশন এন্ড এন্টারপ্রেনারশীপ সেন্টার

0 0

বাংলাদেশের তরুণদের জন্য বিশেষ সুযোগ এনেছে নর্দান । দেশে বিশ্বমানের উদ্যোক্তা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে উদ্বোধন করা হয়েছে নর্দান ইনোভেশন এন্ড এন্টারপ্রেনারশীপ সেন্টার ( এনআইইসি) ।

আগামি ২ বছরে ২০ কোটি টাকা সিড ফান্ডিং ও ইনভেস্টমেন্ট করার জন্য একটি ফান্ড গঠন করা হয়েছে। যে কোন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী এই ফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন ও মেন্টরিং সাপোর্ট পাবেন।
সম্প্রতি নর্দান ইউনিভার্সিটির বনানী ক্যাম্পাসে নিজস্ব ভবনে এই সেন্টারের উদ্বোধন করেন নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন ।

এ সময় নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা -এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ অনলাইনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. কাজী শাহাদাৎ কবির,

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান রায়হান উল মাসুদ, নর্দান ইনোভেশন এন্ড এন্টারপ্রেনারশীপ সেন্টারের ডিরেক্টর মুস্তাফা হাসান , এডিশনাল ডিরেক্টর স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও ডিজিটাল মার্কেটিং মনোয়ারুল ইসলাম রিবেল ।

প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এদেশের মেধাবী তরুণদের
ভালো আইডিয়াকে বিশ্বব্যাপী প্রমোট করতে চায়। দেশের তৃণমুলের তরুণ ও শিক্ষার্থীরাও আমাদের কাছে উপযুক্ত আইডিয়া নিয়ে আসলে বিনিয়োগ ও মেন্টরিং সাপোর্ট পাবে। আমরা দেখতে চাই প্রতিটি জেলায় আমাদের তরুণদের প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন করবে আর বিশ্ববাজারে রপ্তানী করবে। এভাবেই বাংলাদেশ উন্নত জাতি হিসেবে তরুণদের নেত্বৃত্বে এগিয়ে যাবে।

বক্তব্য রাখেন ভারতের কর্ণাবতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব গভর্ননেন্স এর মেম্বার ও আইআইএম আহমেদাবাদের ফ্যাকাল্টি নয়ন পারেখ । মধ্যপ্রদেশ ও ছত্রিশগড় সরকারের সাবেক অ্যাডভাইজার টু চিফ মিনিস্টার নয়ন পারেখ বলেন, আমরা সব রকমের সহযোগিতা প্রদান করবো। ভারতের মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীগুলোর সাথে যৌতভাবে কাজ করার ও বিনিয়োগের ব্যপারে একসাথে কাজ করবো।

উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের তরুণরা সংগ্রামী ও ক্রিয়েটিভ। আমরা এই অদম্য মনোবল ও সৃষ্টিশীলতাকে আরও উচ্চস্তরে নিয়ে যেতে চাই । বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে গ্লোবাল মাইন্ডসেট তৈরি করতে চাই।

স্যামসাং কোরিয়ার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও আমেরিকার এমআইটি মিডিয়া ল্যাব ফেলো মুস্তাফা হাসান এই সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মুস্তাফা হাসান বলেন, আমি গবেষনায় দেখেছি বাংলাদেমের তরুণরা নানা প্রতিকুলতার মধ্যে বেশ ভালো উদ্যোগ নিচ্ছেন। কিন্ত সঠিক দিক নির্দশনায় তা বিশ্ববাজারে প্রভাব ফেলতে পারেনা। আমেরিকা, কোরিয়া, ভারতের তরুণ উদ্যোক্তা স্টার্টআপে যেরকম ফান্ড, মেন্টরিং পায় এদেশে তার অভাব রয়েছে।

আমরা এই জায়গাতে বিশ্বমানের একটি ইকোসিস্টিম চালু করতে চাই । আমার স্টার্টআপে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশ রোবোটিক সোসাইটির সাধারন সম্পাদক হিসেবে। আমেরিকার ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালি স্কুল অব বিজনেস থেকে এমবিএ ও উদ্যোক্তা তৈরির উপর এমবিএ করেছি কোরিয়ার এসকেকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ।

এই বৈশ্বিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের বিশ্ব বাজারে সঠিক দিক নির্দশনার মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য কাজ করবো।

এডিশনাল ডিরেক্টর স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও ডিজিটাল মার্কেটিং মনোয়ারুল ইসলাম রিবেল বলেন,
আমরা এন্টারপ্রেনারশিপ এডুকেশনে মাইলফলক তৈরি করতে চাই। সেই লক্ষ্যে আমরা আধুনিক মার্কেটিংয়ের জনক প্রফেসর ফিলিপ কটলারের ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিট ও কটলার ইমপ্যাক্টের এন্টারপ্রেনারশিপ নিয়ে গবেষনার জন্য ফেলোশিপ প্রদান করবো।

ফলে বিশ্বের সেরা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এন্টারপ্রেনারশিপ নিয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশীরা।

NO COMMENTS

Leave a Reply